আমার প্রিয় পোস্ট

মায়ের হাতের উষ্ণতা সারাক্ষন ছড়িয়ে থাকে আমাতে..................

১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:১৫

শেয়ারঃ
0 0 0

(মায়ের হাতের উষ্ণতা সারাক্ষন ছড়িয়ে থাকে আমাতে)



আজ আমাদের এখানে মা দিবস।
কাল রাতে মাকে ফোন করলাম..............হ্যালো মা শুনেই মা বরাবরের মত বললেন ," কে মা সাজি?"
এমনই মা আমার ।

আমরা তিনবোন।
আপা (বড়বোন) মায়ের কাছাকাছি থাকে। লালমনিরহাটেই।
আপু(মেজোবোন) কলকাতায়।
তিনজনই ফোন করি।
আপা প্রতিদিন সকালে মায়ের সাথে অনেক্ষন কথা বলে তারপর তার কাজে বের হয়।
আপু ও ঠিক নিয়মিত না করলেও করে।
আমি সপ্তাহে ২/৩ দিন কখনো বা তার বেশি করি।
অথচ মা ঠিক হ্যালোটা শুনেই বুঝে ফেলেন কে আমি।
চমকে উঠি।
এর পরেই বলেন রিং শুনেই মনে হলো তুই।
আগে ভাবতাম বাইরে থেকে ফোন গেলে মনে হয় অন্যরকম রিং হয়। মা বুঝে ফেলেন। এখানে যেমন লং ডিসটেন্স কল বোঝা যায়।
এবার দেশে যেয়ে খুব খেয়াল করে রিং শুনলাম।
নাহ্‌ বাইরে বা দেশের সব কলেই একই রিং টোন। তাহলে?

মাঝে মাঝে এমন ও হয়। ঘুমাতে চলে গেছি। মায়ের কথা মনে হয়। উঠে যাই। মাকে ফোন করি। ও হাসে আর বলে কি মা মেয়েতে কানেকশন হচ্ছে? মা অপেক্ষা করছে? আর তুমি বুঝতে পারছো।
ঠিক তাই। মা বলেন ,"পেপার পড়ছিলাম আর তোর কথাই ভাবছিলাম"।
এই তো মা আমার। আমাদের মা।
না বললেও মুখের দিকে তাকিয়ে সব কথা বুঝে ফেলতে পারে পৃথিবীতে এই একটা মানুষ। কি অসম্ভব টান।

মাকে কাল বলছিলাম মা এতদুর থেকে কিছুই পাঠাতে পারলাম না.....মা বললেন এই যে প্রায়ই ফোন করিস ।কথা বলিস। আর কিচ্ছু লাগবে না মা।
খুব অবাক লাগে মা কি কোনদিন ও কিছু চাইতে শেখেন নি ?

আমি বলি মা আজ ও আমসত্ত্ব কিনে এনেছে। কিন্তু খেতে ইচ্ছে করছে না। এবার আমি যখন বাসায় ছিলাম। ভাবী ফিনল্যান্ড থেকে আসার সময় আমসত্ত্ব এনেছিলো। মা দেখলাম কদিন কুটকুট করে খাচ্ছে যখন তখন।এত ভালো লেগেছিলো। বেশ কয়েক বছর হয়ে গেলো মা শুধু দুধভাত ছাড়া কিছু খান না। মনে মনে ভাবছিলাম মায়ের জন্য অনেক আমসত্ত্ব নিয়ে যাবো।
মা ছোট্ট মেয়ের মত বসে বসে খাবে।
আর সারা বাড়ী হেঁটে বেড়াবে।
আমি বললাম মা প্রান কোম্পানীর একটা আমসত্ত্ব আছে ওটা ভালোই।
মাঝে মাঝে কিনে আনতে বললেই হবে বাসার কাউকে।
তবে বেশী না কিন্তু। দিনে একটার বেশী না।
মা হেসে জানালো ....."ভয় নেই। ব্লাডে সুগার নেই। প্রেসার ও একদম নর্মাল"।
মানে হলো সে বেশী ও খাবে।
এত হাসি পেলো।
বাবা মায়েরা বয়স হলে কেমন শিশু হয়ে যায়।

মায়ের সাথে খোদা হাফেজ বলে ফোন রাখতেই আমার বড়ছেলে রাশীক এসে জড়িয়ে ধরে আদর করে বললো ,"হ্যাপি মাদার্স ডে।"
একটু পর বললো ,"কাল বাংলাদেশী দোকানে যেয়ে একটা পছন্দের শাড়ী কিনো।"
আমি ওর বাবার দিকে অবাক তাকাতে বুঝলাম নাহ্‌ ওর কোন ধারনাই ছিলো না।
খুব অবাক হয়ে ভাবছিলাম কদিন আগেই রাশীক রাইয়ানের মত স্কুল থেকে নানান কিছু বানিয়ে এনে দিতো।শুক্রবার স্কুল থেকে এনে ২দিন কি কষ্ট করে যে লুকিয়ে রাখতো। বারবার বলতো ব্যাগ খুলবেনা।
সেই রাশীক এখন আমার ভালোলাগা জানে।
শাড়ী কিনতে বলে।

রাইয়ান ও শুক্রবার স্কুল থেকে ২৫ সেন্ট দিয়ে একটা আংটি কিনে এনে দিয়েছে।

আমার রাইয়ানের দেয়া আংটি.........


গতবার এনেছিলো একটা চেইন লকেট আর কানের দুল।
এবার প্যাকেট দেখে আমি তো ঠিক বুঝতেই পারি নাই কি থাকতে পারে......
আংটিটা পেয়ে হাসছিলাম ।ভালো লেগেছে কিনা জানতে চাইলো।
মাথা নাড়লাম।

দু'চোখ ভরে যায়।
মাঝে মাঝে মনে হয় সবাইকে ছেড়ে এই দুর বিদেশে বাচ্চাগুলো জন্মেছে।বড় হচ্ছে। ওদের অনুভবগুলো হয়তো আমাদের দেশের মত না।
কিন্তু প্রায়ই খেয়াল করেছি ওরা খুব বেশী নির্ভরশীল। আমরা ছাড়া ওদের যে কেউ নেই।এটা খুব বোঝে। আর তাই মনে হয় অনেকবেশী গা ঘেষা হয়। ন্যাওটা যাকে বলে।

আজ সকাল ঘুম থেকে উঠার পর থেকে মনটা তেমন ভালো ছিলো না।
জাগতিক কিছু ভাবনা চিন্তায় অস্হির সময়।
এর মাঝে রাশীকের ঘ্যান ঘ্যান.....যাও শাড়ী কিনো আনো মাম্‌মা।

ওদের বাবাও একই গান গাইতে লাগলো।
এর মাঝে বন্ধু মিনুর ফোন।
ও এলে দুজনে মিলে বাইরে যাই। টিম হর্টনে বসি।
কত গল্প করি।
কেমন করে সময়গুলোগড়িয়ে যায়..............ও ওর মায়ের গল্প করে। যে ৪২ বছর বয়সে পৃথিবী থেকে চলে গেছে ওদের মা হারা করে।কত বছর আগে চলে যাওয়া সেই মার জন্য ও কাঁদে ।আমাদের কান্না প্রার্থনা হয়ে যায় সেই মায়ের জন্য। আমার মায়ের জন্য। পৃথিবীর তাবৎ মায়ের জন্য।

আমাদের দুজনের গল্পে কখন যে দুপুর গড়িয়ে বিকালটাও গড়িয়ে যায়........

আমাদের দুজনের গল্প ছুঁয়ে কত দুঃখ কত আনন্দ ।
ওর অকালে হারিয়ে যাওয়া মা.........
বাংলাদেশে ফেলে আসা আমার মা.......

কেমন করে যেনো আবিস্কার করি আমরাও তো মা............
আমার পাখীর ছানার মত দুইটা ছেলে যারা এখনো কেমন বুকের কাছে নিত্য খেলা করে।
মিনুর দুইটা পুতুলের মত মেয়ে........
এদের জন্য যেনো বেঁচে থাকি ।
প্রার্থনা করি..........
পৃথিবীর সব বাবা মায়েদের আদরে যেনো সন্তানেরা বড় হয়।

মাবাবা হীন জীবন বড় কষ্টের।
বিশেষ করে যেইসব সন্তানেরা জন্মের সময় মাতৃহীন হয়। তাদের দুঃখ পৃথিবীর আর কোন দুঃখের সমান না।
যাদের কাছে মা শুধু একটা শব্দ।

আল্লাহ কে বলি ...........আল্লাহ আমাদের কে সুস্হ্য রেখো।
আমাদের সন্তানদের জীবনে আমাদেরকে ভীষন দরকার।

পৃথিবীর সব মায়ের জন্য শ্রদ্ধা,ভালোবাসা আজকের এই দিনটাতে।
যার কাছে জন্মের ঋণ।যা শোধ করা যায়না কোন মূল্যে।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
মিলটন বলেছেন: হ্যা সাজি আপা আমার মাও আমার কাছ থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার দুরে থাকেন। গতকাল তাকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। মা-কে খুব মিস করি।

কেমন আছেন? ভালো থাকবেন।
১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন:
আপনার মা কোথায় থাকেন মিলটন?
মাকে মিস সবাই করে।করি।
আপনার মায়ের জন্য সালাম।

আমি ভালোথাকার প্রার্থনায় আছি।
দোয়া করবেন।ভালো থাকবেন।
শুভেচ্ছা।

২. ১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: কেমন আছেন আপনি? মাকে নিয়ে লেখা খুব সুন্দর ..
১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৬

লেখক বলেছেন:
চলছে..........
দোয়া রাখবেন।

বড় লেখাটা পড়বার জন্য ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন।শুভেচ্ছা।

৩. ১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫
প্রচেত্য বলেছেন: সাজি আপু,
অসাধারণ মমতায় মোড়ানো লেখাটি
যে মমতায় শুধু প্রবেশাধিকারই আছে
আত্মপোলব্ধিতে গর্ব অনুভব হয় যখন মায়ের পরম স্নেহ, মমতায় পবিত্র হতে শিখি।

আপনি এবং আপনার মায়ের জন্য রইল শুভেচ্ছা
১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন:
অনেকদিন পর প্রচেত্য।
খুব ভালো লাগলো দেখে..........

খুব সুন্দর মন্তব্য।আশাকরি ভালো আছো।
অনেক শুভকামনা.........।
শুভেচ্ছা রইলো।
মায়েরা যেমন করে চায় ,পৃথিবীর সব সন্তানেরা যদি তেমন হতো!

আমরা রাইয়ান বলে ও হলো পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো ছেলে/
একসময় রাশীক ও তাই বলতো।
ও বড় হচ্ছে........এখন আর তা বলে না..........বড় হতে হতে সবাই পাখীর মত হয়ে যায়....স্বাধীন......আর তখনি দুরত্ব বাড়তে থাকে।




১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: কিছু কি বলেছিলেন?

ভালো থাকবেন।শুভকামনা।

৫. ১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৯
শ।মসীর বলেছেন: না বললেও মুখের দিকে তাকিয়ে সব কথা বুঝে ফেলতে পারে পৃথিবীতে এই একটা মানুষ। কি অসম্ভব টান।

যার কাছে জন্মের ঋণ।যা শোধ করা যায়না কোন মূল্যে।


১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন:
খুব সত্যি কথা......।
পড়বার জন্য ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা।

৬. ১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:২৩
অন্তিম বলেছেন: মনের কথা মনেই রেখেছি......কাউকেই বলিনি।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন:
মনের কথা মায়ের জন্য না বললেও পৃথিবী সমান........
কেমন আছো অন্তিম?
অনেকদিন তোমার ব্লগ পড়িনি।
কিছু মনে কোর না.......।খুব অনিয়মিত ছিলাম।
চেষ্টা করছি নিয়মিত হবার।

ভালো থেকো।
অনেক ভালো।
শুভেচ্ছা।

৭. ১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
স্নিগ্ধা বলেছেন: আপু পড়া পড়ে চোখে পানি এলো। তোমরা কত দুখী এখানে। তোমার মত এত গভীর কখনও চিন্তা করিনি। কারন আমি মায়ের কাছে থাকি। তোমার মায়ের চরনে সালাম।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন:
অনেক ভালো থেকো স্নিগ্ধা।
মাকে নিয়ে ,সবাইকে আনন্দে থেকো।
শুভকামনা।

৮. ১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫১
জানা বলেছেন:

মা আমার বেশী দুরে থাকেন না। এইতো ৮/১০ কিলোমিটার।
সপ্তায় অন্তত ২ বারও মা'র সাথে আমি সময় কাটাই কিছুক্ষণের জন্য। পারলে তারচে'ও বেশী। মা'ও আসেন আমার কাছে মাঝে মাঝেই। মা'র কোলে মুখ গুঁজে দিয়ে বিশেষ সৌরভ খুঁজি কতবার..। মা মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলেন, ' আর কবে বড় হবে তুমি?' ---

মা, আমার মা। আমাদের মা। মায়ের মত এতবড় শান্তিময় আশ্রয় আর কি আছে!!!

তোমার লেখা পড়ে খুব ভাল লাগলো আপু। ভাল থেকো তোমরা সবাই মিলে। তোমার বাবুদের জন্য আদোর।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন:
জানা
এই প্রথম আমার ব্লগ বাড়ীতে তোমার লেখা.......
সত্যি মায়ের টান এমনি।
সবাইকে টানে।

আশাকরি ভালো আছো ব্যস্ততায়।
মাকে সালাম বলো।
মেয়েকে আদর দিও।

সবাইতে ভালো থেকো।
আনন্দ ঘিরে থাক তোমার পৃথিবী।
শুভেচ্ছা চিরকালের।

৯. ১১ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪
জয় রায় বলেছেন: আমার মা টি অনেক সোজা
তবুও হয়নি তার মনকে বোঝা,
দিনের অধিক সময় জুড়ে
মোদের চিন্তায় তার মন ভরে,
এমন কথা শুনি যখন
বুকে জমে নীরব কাঁদন,
ফোনটি ধরেই কেমন আছিস
উপচে পড়ে মায়ের আশীষ,
এমন আদর চাঁদের মত
আলো ঝরায় অবিরত,
আমার মায়ের মুখের হাসি
ছোট্ট এ প্রানে বাজায় বাঁশি,
মা টি আমার সুখে থাকুক
স্নিগ্ধ ছায়ায় মনটি ভরুক।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন:
খুব সুন্দর।খুবই।
যা আমি বলতে পারিনি তা দারুণ করে বললেন ছন্দে ছন্দে।
শুভেচ্ছা।

১০. ১১ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
নির্ঝরিনী বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর লেখা আপু....পড়ে মনটা কেমন হয়ে গেলো।

মনে হচ্ছে আমার মনের কথা গুলোই লিখেছেন...

ভিনদেশে মায়ের কথা সবসময় মনে পরে...প্রতিটা পদক্ষেপে...।

পৃথিবীর সব মায়েরা ভালো থাকুক...সব মায়ের জন্য শুভকামনা।

১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ নির্ঝরিনী পড়বার জন্য আর সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
শুভেচ্ছা রইলো।

১১. ১১ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
স্কাউট বলেছেন: পৃথিবীর সব মায়েরা ভালো থাকুক...সব মায়ের জন্য শুভকামনা।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন:
পৃথিবীর সব বাবা মায়েরা সুস্হ্য থাকুক।
শুভেচ্ছা।

১২. ১১ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: আসলেই বেচে থাকার জন্য মা কে আমাদের খুব বেশী প্রয়োজন ... হয়তো একটু বেশী মা ন্যাওটা বলেই এমন মনে হয়, অথবা সবারই এমন মনে হয়, তবে যাই হোক না কেন, মা কে সবসময় পাশে থাকা চাই ই চাই ...

আন্টি আর আপনি দুজনকেই অনেক অনেক শুভেচ্ছা সাজিপু ......
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৫

লেখক বলেছেন:
কি ভালো যে লাগলো তোমাকে দেখে......।
মন টন ভালো তো?
লেখাগুলো ফিরিয়ে এনো......

মায়ের ন্যাওটা ছেলে তুমি...বোঝাই যায়।
অনেক শুভকামনা।

১৩. ১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
প্রতিটি ক্ষন
প্রতিটি সেকেন্ড
মিনিট, ঘন্টা, মাস ,বছর মা'র জন্য!!


পৃথিবী'র সকল মাকে শ্রদ্ধা আর ভালবাসা!
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন:
তাই যদি হতো..........।
মায়ের কাছে ঠিকমত থাকাই হলো না.......
অনুভবে বয়ে নিয়ে বেড়াই মাকে ।

শুভেচ্ছা ভাস্কর।
অনেক ভালো থেকো।

১৪. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮
শান্তির দেবদূত বলেছেন: তিনটি প্রজন্ম পাশাপাশি খুব সুন্দর করে তুলে এনেছেন .... এত দরদ এত আবেগ দিয়ে কিভাবে যে লেখেন !!! সত্যি অবাক হয়ে যাই ......

"বাবা মায়েরা বয়স হলে কেমন শিশু হয়ে যায়" -- ঠিক ... একদম ঠিক .. তাইতো ওনাদেরকে শিশুর মতই সেবা যত্ন করা প্রত্যেক সন্তানের ফরজ দায়িত্ব .....

রাশীক রাইয়ানকে আমার শুভেচ্ছা দিবেন ....

আপনার বন্ধু মিনুর মায়ের অকাল মৃত্যুর কথা শুনে খুব কষ্ট লাগলো ..... মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে, ইস যদি সত্যি সত্যি মানুষের কষ্টগুলোকে একটু সেয়ার করতে পারতাম ! সহানুভূতির কথা বলছি না, বা মৌখিক ভাবেও বলছি না .... বলতে চাচ্ছি, বোঝা বইবার মত করে অন্যের কষ্টগুলোকেও যদি বইতে পারতাম !!! তাহলে পৃথিবীতে অনেকের কষ্টেরই অনেক লাঘব হতো .....

বাবা মা হারা ছেলেমেয়েদের আসলেই অনেক কষ্ট .... আমি কোন এতিম বাচ্চার সামনে দাড়াতে পারি না , বলতে লজ্বাই লাগছে, আমি এতিম বাচ্চার সামনে দেখলেই আমার চোখ ভিজে যায় .... নিজেকে অনেক স্বার্থপর মনে হয় ..... মনে হয়, এই যে আল্লাহ আমাকে এত সুখে রেখেছে, নিশ্চই কারও না কারও ভাগে কষ্টের পাল্লা ভারী !!

ভালো থাকবেন, আপানর মায়ের জন্য অনেক অনেক দোয়া করি .... উনাকে আমার সালাম পৌছে দিয়েন .....
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: মা বাবা প্রিয়জনদের কথা লিখতে গেলে কেমন যে আবেগ চলে আসে।
পড়বার জন্য শুভেচ্ছা শান্তির দূত.........।
মানুষের নিক বা নাম যে তার মানসিক সুন্দরতায় বোঝায় আপনার লেখা তার প্রমান..........

যা কিছু সুন্দর ছুঁয়ে থাক।
আপনার অনুভব গুলো ছুঁয়ে গেলো।
বাবা মা হীন শিশুদের কথা ভাবলে চোখ সত্যি ভারী হয়ে আসে।
আল্লাহর কাছে স্বার্থপরের মত নিজেদের আয়ু চাই..........।
সন্তানদের যেনো বড় করে চলে যেতে পারি।
দোয়া রাখবেন.........।

রাশীক রাইয়ানকে বলবো আপনার শুভেচ্ছা।
অনেক ধন্যবা...
আপনার প্রিয় মানুষটার জন্য দোয়া থাকলো।
সবাই ভালো থাকি যেনো..পৃথিবীর যে প্রান্তেই যে থাকি।
আমাদের অনুভবগুলো শেয়ার করতে পারি এটা অনেক সুখের............
আনন্দ বা দুঃখে এই যে কাছে থাকা এর মত সুন্দর কি আর আছে?

ভালো থাকবেন।
অনেক মজার মজার লেখা লিখবেন......
হাসতে চাই অনেক।
শুভকামনা আর শুভেচ্ছা।

১৫. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
পারভেজ বলেছেন: এ উষ্ণতা ছড়িয়ে যাক, ঘিরে থাকুক সব সন্তানকে।
ভালো থাকুন সাজি'পা।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ পারভেজ....
আশাকরি কুশলে আছেন...........
শুভেচ্ছা রাশি রাশি।

১৬. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
অদৃশ্য বলেছেন: সাজি আপু....................আমার চোখদু'টো ঝাপসা হলো........

মা....

মা....

মা.... আ ..আ..আ.. আ.. আ আ আ আ আ আ আ............

''মাগো
তোমার পায়ের নীচের
ওই ধুলোটুকু দেবে
শুধু ধুলোটুকুই আর কিছুনা,

এর থেকে বেশী
বলো চাইবার আছে কি
আমিতো এরই যোগ্য না।''


আপনার মা সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন......মৃত্যু অবধি......তার পরেও....

সবসময় ভালো থাকুন।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন:
আশাকরি ভালো আছে নাউম বেয়াই............অদৃশ্য।
শুভেচ্ছা।

১৭. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৩
আবু সালেহ বলেছেন:
মা সে তো মা
.....

মা এর কথা লিখে কি আর শেষ করা যায়......
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন:
কোনদিন ও শেষ করা যায় না................
প্রতিদিন লেখা যায় মায়ের কথা।

শুভেচ্ছা সালেহ।

১৮. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৩৫
এন এইচ আর বলেছেন: ব্লগটার যে কি হলো। নাহ ব্লগেই আসব না। এমনিতেই সারা বেলা মায়ের শূন্যতা ঘিরে থাকে,তারওপর হাতে থাকা সময় টুকু ব্লগে এলে কাদতে কাদতে ফিরতে হয়। দুদিন যাবৎ মাকে নিয়ে এত মর্ম স্পর্শী লেখা আসছে যে পড়ে মন খুব খারাপ হয়ে যায়, মাকে খুব কাছে পেতে ইচ্ছে করে,মায়ের কোলে মাথা রেখে ঘুমাতে। এক মূহুর্ত ও আর মাকে রেখে থাকতে ইচ্ছে করছে না।
মনের কষ্ট গুলো কখনো ই মাকে বলিনা মা কষ্ট পাবে বলে কিন্তু কিভাবে যেন সবই বুঝতে পারে। কখনো নিজেই বলে দেয় আবার কখনো ছোট বোনকে দিয়ে জানিয়ে দেয় ।মায়ের কাছে লুকিয়ে লাভ নেই মা সবই জানে।

দোআ করি আপু তুমি যেমন তোমার মাকে ভালবাস, তারচেয়ে ও অনেক গুন বেশী ভালবাসা তোমার সন্তান যেন তোমাকে দেয়। মায়ের জন্য শ্রদ্ধা।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন:
"দোআ করি আপু তুমি যেমন তোমার মাকে ভালবাস, তারচেয়ে ও অনেক গুন বেশী ভালবাসা তোমার সন্তান যেন তোমাকে দেয়"।

প্রার্থনা ছুঁয়ে গেলো রাজন।
অনেক শুভেচ্ছা।
মায়ের আদরের ছেলে থেকো...............সারাজীবন।
যত দুরে যেখানেই থাকো।

১৯. ১২ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮
সহেলী বলেছেন: অসাধারন ! আর কিছু বলতে পারছি না ।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫২

লেখক বলেছেন:
ম্যালদিন পর দেখলাম।
আশাকরি ভালো আছো..........অনেক শুভকামনা।
শুভেচ্ছা।

২০. ১২ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:৪২
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: সকল মায়েরা শান্তিতে থাকুন এপারে অথবা ওপারে .......
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫৩

লেখক বলেছেন:
ঠিক তাই..................।
সবচেয়ে সুন্দর প্রার্থনা।

ভাল থেকো সীমান্ত।
শুভকামনা।

২১. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫৮
নাজনীন খলিল বলেছেন:
মা দিবসের শুভেচ্ছা রইল সাজি। ভাল থেকো।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন:
অনেক অনেক শুভেচ্ছা নাজনীন আপু.......
আশাকরি ভালো আছো।
ভালো থেকো।
কবিতায় থেকো।

শুভেচ্ছা।

১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ পড়বার জন্য।
শুভেচ্ছা।

২৩. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:০৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: আজকে মনমেজাজ খারাপ,আম্মার চোখের অপারেশান করানোর কথা শনিবার,আজকে জানা গেলো ডায়াবেটিস।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন:
চিন্তা কোরনা ফারহান।
কদিন খেয়াল রাখলে ডাইবেটিস কন্ট্রোল এ আসবে ইনশাল্লাহ।
হয়তো স্ট্রেস থেকে ব্লাড সুগার বেড়েছে।

দোয়া থাকলো।
তুমি অনেক ভালো থেকো।
শুভেচ্ছা।

২৪. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:২২
২য় জীবনানন্দ বলেছেন: আপনার লেখাগুলো এত সুন্দর। প্রিয়তে রাখলাম।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন:
কতদিন পর জীবনানন্দ.............ভালো লাগলো।
অনেক ভালো থেকো।
শুভেচ্ছা নিও।

২৫. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৫১
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন: জন্মের ঋণ চিরদিন অমলিন, একই আকর্ষণ

দূরে দাঁড়ানো লাজুক কিছু প্রশ্নসহ বৃষ্টির শরীর
কিছু সময় রাখছি টেনে সাধ যে দীর্ঘকাল বাঁচার

মায়ের মতো কে শুনাবে ছন্দময় ঘুমপাড়ানি গান

সাজিপু, ভাল থাকুন।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন:
ভালো থাকার প্রার্থনায়..........।
আল্লাহ সবাইকে শান্তিতে রাখুক।
শুভেচ্ছা।

২৬. ১৩ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৩
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: আমার আর সেজদা'র কন্ঠস্বর হুবহু এক। টেলিফোনে শনাক্ত করাটা প্রায় অসম্ভব একটা ব্যাপার; সবাই ভুল করে, কিন্তু মা কখনো ভুল করেন না!

পৃথিবীর কোনো মা-ই সন্তানকে চিনতে ভুল করেন না, সামান্য গলার স্বর, পায়ের শব্দ কিংবা শরীরের ঘ্রাণ পেলেই মা বুঝতে পারেন, এই স্বর,এই শব্দ, এই ঘ্রাণ বহন করা মানুষটা সুদীর্ঘ একটা সময় তাঁর শরীরের ভেতর বেড়ে উঠেছিলো! এ তাঁর সন্তান! আল্লাহ অলমাইটি পৃথিবীর সেরা ডিটেক্টর মাকেই দিয়েছেন!

টাচি লেখার জন্যে ধন্যবাদ।
....
ব্লগে অনিয়মিত হওয়ার কারণে আপনার বইপ্রকাশের খবর পাইনি সময় মতো। অনুজ এরশাদ বাদশার কাছে শুনেছি বইমেলায় ছিলেন আপনি বেশ কয়েকদিন। মেলার শেষের দিকে দেশে গিয়েছিলাম, অল্পের জন্যে মিস করেছি।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন:
ঠিক কথা।
মায়েরা সব জানে ,সব বোঝে।

.....................

বইমেলায় দেখা হলে ভালো হতো।
আমি ২০ ফেব্রুয়ারীর পর আর মেলায় যেতে পারিনি।
৯ থেকে ২০ পর্যন্ত বেশ কদিন গেছিলাম।
এরশাদ কেমন আছে?
অনেকদিন দেখিনা ওকে।
শুভেচ্ছা রইলো ২ জনের জন্য।

২৭. ১৩ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
রুবেল শাহ বলেছেন: আমার মা সব সময় আমার নয়নে .................

মা,
মা,
মা, তোক দেখি না কত দিন ধরে ............ এই চোখ জোগা ব্ড্ড বেশী জ্বালা করে যে তোমায় দেখব বলে...............................

মা আমি তোকে সব চাইতে বেশী ভালোবাসি..........মা আমি তোকে পৃথিবীর সব কিছুর বদলে চাই, সব কিছুর বদলে।


কবি ও রাশীক, রাইয়ান এর মায়ের জন্য অনেক অনেক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা রইল.....................
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন:
রুবেল আশাকরি ভালো আছো।
মায়ের নয়নের মনি হয়ে থেকো।

শুভকামনা সবসময়।

২৮. ১৩ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২
মেহবুবা বলেছেন: তোমার মায়ের জন্য , তাঁর মেয়ের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা ।

ভাল থেকো সাজি ।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন:
অনেকধন্যবাদ মেহবুবা.........।
তোমার জন্য অনেক শুভবোধ।
ভালো থেকো।

২৯. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৭
রাজামশাই বলেছেন: পছন্দ হইছে

যা তোরে দিলাম কয়টা ফুল

‎০১.‎ ‎নয়নতারা
০২.‎ ‎রক্ত জবা বা ঝুমকো জবা
‎০৩.‎ ‎কাঞ্চন
‎০৪.‎ ‎পুন্নাগ
‎০৫.‎ ‎কাঠ মালতী
‎০৬.‎ ‎মালতী লতা
‎০৭.‎ ‎ব্রহ্ম কমল
‎০৮.‎ ‎Fuchsia
‎০৯.‎ ‎লুপিন
‎১০.‎ ‎লবঙ্গ
‎১১.‎ ‎নীল চিতা
‎১২.‎ ‎লাল সোনাইল
‎১৩.‎ ‎মিনজিরি
‎১৪.‎ ‎দাঁত রাঙ্গা বা লুটকি
‎১৫.‎ ‎কনক চাঁপা
‎১৬.‎ ‎ডেওয়া
‎১৭.‎ ‎রক্তকমল
‎১৮.‎ ‎স্বর্নচাঁপা
‎১৯.‎ ‎উদয়পদ্ম বা হিমচাঁপা
‎২০.‎ ‎কেয়া
‎২১.‎ ‎ছাগল কুঁড়ি
‎২২.‎ ‎বোতাম ফুল
‎২৩.‎ ‎পানি ফল
‎২৪.‎ ‎Pansy
‎২৫.‎ ‎কয়েক রকম জবা
‎২৬.‎ ‎স্বর্ণ চামেলী
‎২৭.‎ ‎কুঞ্জলতা
‎২৮.‎ ‎ব্লিডিং হার্ট
‎২৯.‎ ‎চন্দ্রপ্রভা
‎৩০.‎ ‎উর্বশী
‎৩১.‎ ‎ডম্রুপানি
‎৩২.‎ ‎গন্ধরাজ
‎৩৩.‎ ‎নীলকন্ঠ
‎৩৪.‎ ‎রুদ্রপলাশ
‎৩৫.‎ ‎রামসর
‎৩৬.‎ ‎দোলনচাঁপা
‎৩৭.‎ ‎শারঙ্গ
‎৩৮.‎ ‎সর্পগন্ধা
‎৩৯.‎ ‎বনজাঈ
‎৪০.‎ ‎নীলমনি লতা
‎৪১.‎ ‎অনন্ত লতা
‎৪২.‎ ‎কাঠগোলাপ
‎৪৩.‎ ‎নাগকেশর
‎৪৪.‎ ‎সজনা
‎৪৫.‎ ‎আকন্দ
‎৪৬.‎ ‎কুটজ
‎৪৭.‎ ‎বরুণ
‎৪৮.‎ ‎ফুরুস‎ বাফুরুস
‎৪৯.‎ ‎কাঞ্চন
‎৫০.‎ ‎সেনালু
‎৫১.‎ ‎দোপাটি
‎৫২.‎ ‎জারুল
‎৫৩.‎ ‎অপরাজিতা
‎৫৪.‎ ‎যুথিকা
‎৫৫.‎ ‎অশোক
‎৫৬.‎ ‎কাঠালী চাঁপা
‎৫৭.‎ ‎সর্বজায়া
‎৫৮.‎ ‎কলাবতী
‎৫৯.‎ ‎নার্গিস
‎৬০.‎ ‎রূপসী
‎৬১.‎ ‎কদম
‎৬২.‎ ‎নীলপদ্ম
‎৬৩.‎ ‎ডালিম
‎৬৪.‎ ‎রজনীগন্ধা
‎৬৫.‎ ‎রক্ত চিত্রক
‎৬৬.‎ ‎বধারা
‎৬৭.‎ ‎পদ্ম
‎৬৮.‎ ‎কলকে
‎৬৯.‎ ‎ডাকুর
‎৭০.‎ ‎কৃষ্ণচূড়া
‎৭১.‎ ‎জবা
‎৭২.‎ ‎ঝুমকালতা
‎৭৩.‎ ‎রঙ্গন
‎৭৪.‎ ‎সন্ধ্যামালতী
‎৭৫.‎ ‎সূর্য্যমুখী
‎৭৬.‎ ‎ধুতরা
‎৭৭.‎ ‎স্থলপদ্ম
‎৭৮.‎ ‎নয়নতারা
‎৭৯.‎ ‎তেঁতুল
‎৮০.‎ ‎বাবলা
‎৮১.‎ ‎হাসনাহেনা
‎৮২.‎ ‎পলাশ
‎৮৩.‎ ‎পারিজাত বা ‎‎রক্তমান্দার
‎৮৪.‎ ‎দুধ কচু
‎৮৫.‎ ‎মৌলভী কচু
‎৮৬.‎ ‎ওল কচু
‎৮৭.‎ ‎মান কচু
‎৮৮.‎ ‎মালঞ্চ
‎৮৯.‎ ‎অন্তমোড়া
‎৯০.‎ ‎নাসপাতি
‎৯১.‎ ‎আলু বোখারা
‎৯২.‎ ‎ভুঁই চম্পা বা একাংগী
‎৯৩.‎ ‎বন্ধুক
‎৯৪.‎ ‎নীলাম্বরী
‎৯৫.‎ ‎বন মরিচ
‎৯৬.‎ ‎আগর
‎৯৭.‎ ‎নিশিন্দা
‎৯৮.‎ ‎বিলাই খামচি
‎৯৯.‎ ‎কলকাসুন্দা
‎১০০.‎ ‎হলুদ অশোক
‎১০১.‎ ‎জামালগোটা
‎১০২.‎ ‎তিসি
‎১০৩.‎ ‎মেহেদী
‎১০৪.‎ ‎জাফরাণ
‎১০৫.‎ ‎ছিটা
‎১০৬.‎ ‎রক্তকরবী
‎১০৭.‎ ‎টগর বা ‎‎টগর
‎১০৮.‎ ‎কলকে ফুল বা হলদে ‎করবী
‎১০৯.‎ ‎ধুতরা
‎১১০.‎ ‎কুঁচ
‎১১১.‎ ‎শিয়ালকাঁটা
‎১১২.‎ ‎হিজল বা ‎‎হিজল
‎১১৩.‎ ‎আকন্দ
‎১১৪.‎ ‎স্বর্ণলতা
‎১১৫.‎ ‎লেমন গ্রাস
‎১১৬.‎ ‎বারসুঙ্গা (Barsunga), ‎কারি পাতা
‎১১৭.‎ ‎পুদিনা বা ‎‎পুদিনা
‎১১৮.‎ ‎তেজপাতা
‎১১৯.‎ ‎তুলসী
‎১২০.‎ ‎সুগন্ধাবচ
‎১২১.‎ ‎নীল
‎১২২.‎ ‎শিউলী
‎১২৩.‎ ‎আনারস
‎১২৪.‎ ‎রক্ত কাঞ্চন
‎১২৫.‎ ‎এলাচ
‎১২৬.‎ ‎রক্ত রাগ
‎১২৭.‎ ‎অশ্বত্থ
‎১২৮.‎ ‎কালোজিরা
‎১২৯.‎ ‎মেথি
‎১৩০.‎ ‎মহুয়া
‎১৩১.‎ ‎শিরীষ
‎১৩২.‎ ‎পোলা
‎১৩৩.‎ ‎গোলাপজাম
‎১৩৪.‎ ‎বনধনিয়া
‎১৩৫.‎ ‎পাট
‎১৩৬.‎ ‎পপি
‎১৩৭.‎ ‎পারুল
‎১৩৮.‎ ‎ক্যামেলিয়া
‎১৩৯.‎ ‎বকফুল
‎১৪০.‎ ‎তাল
‎১৪১.‎ ‎অগ্নিশিখা বা উলটচন্ডাল
‎১৪২.‎ ‎চন্দ্রমল্লিকা
‎১৪৩.‎ ‎বথুয়া
‎১৪৪.‎ ‎বকুল
‎১৪৫.‎ ‎সুখ দর্শন
‎১৪৬.‎ ‎রঞ্জনা বা রক্তচন্দন
‎১৪৭.‎ ‎বিষকাটালী
‎১৪৮.‎ ‎থানকুনি
‎১৪৯.‎ ‎শিমুল
‎১৫০.‎ ‎চুতরাপাতা
‎১৫১.‎ ‎পান্থপাদপ
‎১৫২.‎ ‎শতমূলী
‎১৫৩.‎ ‎বীণা
‎১৫৪.‎ ‎আমড়া
‎১৫৫.‎ ‎অক্টোবর
‎১৫৬.‎ ‎বোতল ব্রাশ
১৫৭.অঞ্জন
১৫৮.কসমস
১৫৯.রক্তদ্রোন
১৬০.কুইন অব সেবা
১৬১.পাতা বাহার
১৬১.ফানুস
১৬২.কামিনী
১৬৩.মুন্দনী
১৬৪.ডগ ফ্লাওয়ার
১৬৫.কাশ ফুল
১৬৭.তামাক ফুল
১৬৮.Freesia
১৬৯.গ্ল্যাডিওলাস
১৭০.ভিক্টোরিয়া লিলি
১৭১.উলটকম্বল
১৭২.বেহেস্তের বৃক্ষ
১৭৩.কস্তুরী
১৭৫.অটোগ্রাফ
১৭৬.জীবন বৃক্ষ
১৭৭.বড়নখা
১৭৮.সাগর নিশিন্দা
১৭৯.মুর্তা
১৮০.চাকুন্দা
১৮১.গোবুরা
১৮২.ছোটকুট
১৮৩.জেফটা
১৮৪.দাদমর্দন
১৮৫.পুর্তলেকা
১৮৬.লবেলিয়া
১৮৭.টিউলিপ
১৮৮.লালঘন্টাফুল
১৮৯.রাজঘন্টা
১৯০.নীলঘন্টা
১৯১.কালী গাঁদা
১৯২.হরকাকরা
১৯৩.শিবঝুল বা শিবজটা
১৯৪.হিমঝুরি
১৯৫.জুঈপান
১৯৬.ভুত ফুল
১৯৭.পুলিশের হেলমেট
১৯৮.ললিপপ
১৯৯.চীনা টুপি



১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন:
১৯৯ রকম ফুল?..........
পৃথিবীর কেউ কখনো মনে হয় কাউকে দেয়নি।:)
খুব খুশী হলাম।

অনেক ধন্যবাদ রাজামশাই।
শুভেচ্ছা পড়বার জন্য।

৩০. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:২৪
জেরী বলেছেন: সকল মায়ের জন্য অনেক ভালোবাসা.......।

ব্লগে কম দেখি যে আপু:(
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: কেমন আছো জেরী।
নানান ব্যস্ততায় আসা হয়নারে........
ভালো থেকো।

শুভেচ্ছা।

৩১. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৪
তারার হাসি বলেছেন:
একেবারে মনের গভীর থেকে ঊথলে উঠা কিছু কথা, লেখার সময় কি অনেক কান্না পেয়েছিল, চাপা কান্না ?
ছবিটা অন্যরকম পবিত্র সুন্দর।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন:
চাপা কান্না কাঁদি নারে।
জোরে জোরেই কাঁদি।

ভালো থেকো।
প্রথম ছবিটা এবার দেশ থেকে আসার আগে মায়ের কাছ থেকে বিদায় নেবার সময়কার..........
ছবিটা দেখে রিচার্জড হই।

ভালো থেকো।
শুভকামনা।

৩২. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
শাহনাজ সুলতানা বলেছেন: মাকে নিয়ে আপনার লেখাটি খুব ভালো লেগেছে। জানেন, আমার মা আমার পাশেই থাকেন বেশি হলে পনের মিনিটের রাস্তা। তবে আমার বাবা নেই। বাবাকে প্রায়ই মনে পড়ে, খুব মিস করি। আপনার মা সহ পৃথিবীর সব মাকে সালামও শুভেচ্ছা জানাই।
ভালো থাকবেন সাজি আপু।
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৬

লেখক বলেছেন:
তাহলে তো কত মজা।
মা কাছেই থাকে।

আমার মায়ের সাথে প্রায়ই কথা বলি.......
আমার ও আব্বা নেই বেশ ক'বছর। যদিও উনার ছায়া এখনো টের পাই।
মা বাবা আসলে চিরটাকাল কেমন ছায়া দিয়ে যান......দেবেন না বা কেনো। আমরা তো উনাদের সত্ত্বার অংশ।

শুভেচ্ছা রইলো।

৩৩. ১৪ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৫
স্নিগ্ধা বলেছেন: আপু তুমি কোথায় থাকো? মানে কোন দেশে?
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: বলেছি মনেহয় ....কানাডাতে।

ভালো থেকো।

৩৪. ১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: "মা দিবস ব্লগ সঙ্কলন - ২০০৯ " ই-বুক আকারে প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিস্তারিত পাবেন এই পোষ্টে । পোষ্টটিতে আপনার মতামত আশা করছি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৭৪১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
shazi১৯এট জিমেইল ডট কম


আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ।
খেলে যায় রৌদ্র ছায়া,বর্ষা আসে বসন্ত।
কারা এই সমুখ দিয়ে আসে যায় খবর নিয়ে,
খুশী রই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই