তুমি কি জানো রেঙ্গুনে কেনো বৃষ্টি নামে প্রতিরাতে?
ভূগোল আমার বিষয় নয়........ভ্রু কুঁচকিয়ে তাকালে দুরে।
তখনি বৃষ্টি নামলো শহরে
ঠিক রেঙ্গুনের মতই আকাশ কাঁপিয়ে।
দুই
সজনে ফুল বিছানো পথে
ভোর হয়েছিলো কাল।
ফেরিওয়ালাদের হাঁকডাক মুখর ট্রেন ষ্টেশনটা।
অপেক্ষা ছিলো দুরের কাঠের ব্রীজটা পার হয়ে
.............................তুমি আসবে
আমার সাথে ভোরের ফুল কুড়াতে!
তিন
অন্ধকার হলেই তোমাকে ভাবি।
তুমি হাজারকোটি তারাবাতি জ্বালাও নিমেষেই!
চার
শুন্যতার মাঝে দাঁড়াই ।
শব্দরা ফিরে ফিরে আসে।
এমনকি নিঃশ্বাসও ফিরে আসে নিজের কাছেই।
.....................মহাশূন্য কি এই শূন্যতার নাম?
পাঁচ
জানালার কাছের মুখটা সরে গেলো।
মনীষা কৈরালার মত মায়াবতী।
বাসটা চলে গেলে পথের দিকে চোখ।
একটা পালক ফেলে গেছে মায়াবতী ময়ূর!
ছয়
দু'চোখে প্রেম নিয়ে
দু'ঠোটে আগুন নিয়ে
..........................একবার কাছে এসে দেখো
আমি ঠিক তেমনি আছি
ইউক্যালিপটাসের ঝির ঝির পাতার সুবাস নিয়ে!
সাত
মোমবাতির আগুনে হাত রেখে দেখো
.......যন্ত্রনা যত
তার চেয়ে উষ্ণতাই বেশি!
আট
হাত দুটো ধরো।
শুনতে পাচ্ছো আমাকে?
পৃথিবীর সব ম্যাজিক এই হাতের মুঠোয়!
নয়
পাগল কোরনাতো মন।
জানোতো তোমার নিঃশ্বাসে
বনে আগুন লেগেছিলো!
দশ
তুমি ভোর
আমি ভোরের পাখি।
তুমি আমার ভোরের আকাশ হলেই
পাখি হয়েই উড়তে পারি নীলে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

