তুমি কাছে থাকলেই আনন্দকাল
দুরে গেলে বিরহকাল।
একটা শালিক এর ডানায় সপে দিলাম বিরহ।
এরপর থেকে
কেবলি আনন্দকাল।
কেবলি!
দুই:
তোমার যত অভিলাষ
তাকিয়ে দেখি দু'চোখের বনভূমে!
বৃষ্টি হলে বড়ই পাতারা যেমন ঝরে পড়ে।
তোমার ইচ্ছেরা তেমনি ঝরে পড়লো
দৃষ্টির বৃষ্টিতে।
তিন:
নিজেকে যত ভাবো খুব চিনেছো।
অচেনাই রয়ে গেলে নিজের ছায়ার কাছে!
যখন মৌণতায় পথ হাঁটো
বিষণ্ন নাবিকের মত।
ছাই রং বিকেলের ছায়ায় সেই তোমাকে দেখলে
দক্ষিন সমুদ্রের সাদা জাহাজে যেতে
খুব ইচ্ছে করে!
চার:
তোমার দু'হাতের মুঠোয় যতটুকু উত্তাপ হবার কথা
মনে হলো যেনো শীতকাল পুরোটাই ধরে আছো!
তোমার দিকে আর একবারও ফিরে তাকানোর কথা ছিলো না.......
এই জীবনে।
অথচ তাকাতে ইচ্ছে হলো খুব!
তোমার চলে যাওয়া পথ
একটা মেঘের ছায়াপথ হয়ে নেমে গেছে দুরে!
তুমি আকাশ হবে জানলে আমি তো মেঘবালিকা হতাম!
পাঁচ
তোমার দু'চোখে মহাকাল দেখেছি।
দেখেছি সন্ধ্যামালতী সন্ধ্যায় এক দুর উদাসী পথ!
তুষারের কাল চলে এলে
একদিন তোমাকে বরফে ঢেকে স্নোম্যান সাজাবো
এবং তারপর
ফায়ার প্লেসের আগুনে উত্তাপ নিয়ে
গন্ধ ছড়াবো দুজনায় ....
যেনো সুগন্ধী চন্দন কাঠ!
ছ্য়:
তুমি ছিলে বলেই
একটা ভোরের আকাশ
এবং নতুন সূর্যোদয়ে
পৃথিবী জেগেছিলো বনে ।
আমি নক্ষত্র চিনে চিনে ফিরে এসে দেখি তোমাকে!
একটা ভোরের আকাশ আর শিশির ভেজা ঘাসই ই
চিনিয়েছিলো তোমাকে।
তুমি চোখ বুজে গাইছিলে,"মহাবিশ্বে মহাকাশে মহাকাল মাঝে।"
আনন্দ তুমি।
পরম আনন্দ হয়ে
এভাবে রয়ে গেলে আমাতেই!
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


