আমার প্রিয় পোস্ট

যে জোছনায় যুবকের ঘর ভেঙে যায়!

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫

শেয়ারঃ
0 0 0

রাতভর জোছনা কুড়াতে কুড়াতে সকাল হয়ে গেলো কাল!
হাত ছুঁয়ে গেলো জোছনা।
চোখ ছুঁয়ে গেলো জোছনা।
আলোর সাম্পানে চড়ে যতদুর যাই। জোছনাও সাথে সাথে চলে!
আমাদের মুগ্ধ মৌনতায় জাগে রাত। আকাশের তারাগুলো চাঁদের পাশেই চুপ বসে থাকে, যেনো ভোরের বকুল!
টুপটাপ ঝরে গেলে ক্ষতি কি?

চাঁদের আলোর নদী বয়ে চলে।
দু'চোখের অভিলাষে আনন্দরা নেচে চলে যায় দুর থেকে দুরে !
এমন সুন্দর এক রাতেই ঘর ভাঙে এক যুবকের!
মুঠো ফোন সংলাপে ভেসে আসে দীর্ঘশ্বাস।
ছেড়া পাতা এ্যালবাম থরে থরে !
শখের পিয়ানো বিক্রি হয় পানির দামে!
যে আয়নায় মুখ দেখে সকাল হতো ওদের ! সেই আয়না এখনো তেমন !
শুধু আয়নার মুখোমুখি মানুষগুলোই বদলে যাবে কাল !
যুবকের গলায় বিষণ্নতা!
ঘর বাড়ি সব খালি হয়ে যায়!

আহা এমন জোছনা ভরা রাত।এমন উদ্ভাসিত চাঁদ,
ওরা দেখেনি কি কোনদিন?
সংসার আহা সংসার!
যুবকের পাজর ভাঙে!
সেই আয়নাটায় আর একবার শুধু তাকাতো যদি ওরা, এমন জোছনা ভরা রাতে। আহ্লাদী জোছনায় ভেসে হয়তোবা ম্যাজিক হতো!

অহংকারী মানুষ কেনো যে ঘর বাঁধে আর ঘর ভাঙে!
দৃষ্টিহীন মানুষেরা যারা জানে না, জোছনা কি করে পান করতে হয়।
যারা জানে না,অন্ধকারের রং কালো,সবুজ নাকি হলুদাভ।
তারাই জোছনা ছোঁবে বলে হাত পেতে থাকে।
অথচ সেই যুবকের প্রিয়তম নারী কি অবলীলায় ভুলে যায়
জোছনা রাতের আলিঙ্গন!

প্রার্থনার ভাষায় যদি বলি।
যদি বলি, ওদের মঙ্গল করো প্রভূ।
যদি বলি সেই দশ বছরের মেয়েটা,বাবাকে যার বড় প্রয়োজন।
কাজে, অকাজে-
চুলের বিনুনী বাঁধতে বাবা।
স্কুলের ব্যাগ গোছাতে বাবা।
নিজের প্রিয় টিভি-শো দেখার সময় সোফায় পাশে থাকার পার্টনার বাবা।
ওর জন্যই না হয় আবার সব ঠিক হয়ে যাক!

পৃথিবীর তাবৎ ঘরভাঙা মানুষের উপর ভীষন রাগ হতে থাকে আমার।
একটা ছোট্ট জীবন,
না হয় বাবা আর মেয়েরই হোক!
যুবকের ভুলের কাছে হেরে যায় আয়নার মুখ।
প্রিয়ার জিদের কাছে হেরে যায় আয়নার মুখ!
যুবকের প্রিয়াকে ডাকে নতুন পৃথিবী।
ওরা কেউ জানে না দশ বছরের মেয়েটি তাদের ফুপিয়ে কাঁদে,
ওর ভীষন ইচ্ছে করে প্রিয় দুটো মানুষকে এক করে দিতে।
বালিশের নীচে খোঁজে। পুতুলের বাক্সে খোঁজে।
কোথায় সেই ম্যাজিকওয়ালা পুতুল?
যা ছুঁলেই আবারও সেই আয়নার মুখোমুখি ওরা তিনজন!
বাবা ,মা আর মেয়েটা।

মুঠো ফোন সংলাপ শেষ হয়ে গেলে,
আমার খুব ইচ্ছে করে জোছনার রং হই।
অথবা ঈশ্বরের কোন ছায়া ।
এক নিমেষেই যুবককে ফিরিয়ে দেই হারানো ঘর, হারানো মানুষ!
ছোট্ট মেয়েটাকে ফিরিয়ে দেই প্রিয় বাবা।

কিছুই পারিনা!
চোখ ভেসে যায় ।
জোছনার বিশাল নদী পার হয়ে আমরা ফিরতে থাকি।
আর এমন জোছনায় কেনো যে মানুষ ঘর ভাঙে, সেই দুঃখবোধে নীল হতে থাকি আমরা দুজনায়!

 

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
জুল ভার্ন বলেছেন: চমতকার! অসাধারন!!!

"দৃষ্টিহীন মানুষেরা যারা জানে না, জোছনা কি করে পান করতে হয়।
যারা জানে না অন্ধকারের রং কালো,সবুজ নাকি হলুদাভ।"-খুব, খুব কস্টের দুটি লাইন!!!
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন:
ভাইয়া ঠিক কাল রাতেই এই লেখাটা।জোছনার আলোতে যে লেখা যায় কখনো খেয়াল ও করিনি। একজনের সাথে কথা বলে মনটা এত খারাপ হয়ে গেলো..গাড়িতে বসেই লিখলাম লেখাটা।
মনটা এট খারাপ।
কেনো যে তুচ্ছ ঘটনায় মানুষ ভুলে যায় সব!
এত অসহিষ্ণু মানুষ আমরা।
যা অনিবার্য তাই হয়।তবু কেনো যে এত কষ্ট হয়!
অনেক শুভকামনাভাইয়া.....ভালো থাকবেন যেমন খুশি।

২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
ভাঙ্গন বলেছেন: বিশ্বাস হচ্ছেনা। এমন থিম! ঠিক এমনটাই ঘটে গেছে আমার কাছের বড় ভাইয়ের।ঠিক গত কাল। হায় তাদের ছ'বছরের মেয়েটা,কি লক্ষ্মী সে মেয়েটাকে মাঝখানে রেখে তারা দু'ভাগ হয়ে গেছে।
সম্পূর্ণ এই কবিতাটার ভিতর দিয়ে আমার সেই বড় ভাইয়ের সমস্ত কথাগুলো আর তার স্ত্রী'র চলে যাওয়ার পথে তার অবাক তাকিয়ে থাকা বিস্ময় জাগে। মেয়েটি তাদের বোবা দৃষ্টি দিয়ে দু'দিকেই তাকায়।
....
পৃথিবীর তাবৎ ঘরভাঙা মানুষের উপর ভীষন রাগ হতে থাকে আমার।
একটা ছোট্ট জীবন,না হয় বাবা আর মেয়েরই হোক......
যুবকের ভুলের কাছে হেরে যায় আয়নার মুখ।
প্রিয়ার জিদের কাছে হেরে যায় আয়নার মুখ!
যুবকের প্রিয়াকে ডাকে নতুন প্বথিবী....
ওরা কেউ জানে না দশ বছরের মেয়েটি তাদের ফুপিয়ে কাঁদে.....ওর ভীষন ইচ্ছে করে প্রিয় দুটো মানুষকে এক করে দিতে.....
বালিশের নীচে খোঁজে। পুতুলের বাক্সে খোঁজে।
কোথায় সেই ম্যাজিকওয়ালা পুতুল?
যা ছুঁলেই আবারও সেই আয়নার মুখোমুখি ওরা তিনজন....বাবা ,মা আর মেয়েটা।

.....
উফ! আমি, মনে হয় শুধু আমিই ফিল করছি কি হয়েছে। কবিতাটা আমার কাছে রইলো আপু।

...হায় নারীরা, হায় পুরুষরা, হায় মানুষরা!
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: খুব মন খারাপ লাগলো ভাঙ্গন।
জীবনে কত কি যে সয়ে যেতে হয়। খুব কষ্ট পেলাম কাল ঘটনা শুনে।
লিখতে খুব কষ্ট হলো ,তবু লিখলাম.....
একটু যেনো ভাবি সবাই।একটু সচেতন হই।
একটা ছোট জীবন আমাদের।অনেক কষ্ট এড়ানো যেতো!
সত্যি লিখেছো..........হায় নারীরা, হায় পুরুষরা, হায় মানুষরা!
ভালো থেকো।
শুভকামনা।

৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
জনৈক আরাফাত বলেছেন: ভালো লাগলো, আপু!
-----------------------
দুয়েক জায়গার টাইপো ঠিক হলে আরও ভালো লাগতো! :)
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আরাফাত....কয়েকটা বানান ঠিক করলাম।
অনেক শুভকামনা রইলো।

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ইমন।
শুভকামনা।

৫. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫
ইউসুফ আলমগীর বলেছেন:
দৃষ্টিহীন মানুষেরা যারা জানে না,
জোছনা কি করে পান করতে হয়।
তারাই জোছনা ছোঁবে বলে হাত পেতে থাকে....
...যুবকের প্রিয়তম নারী কি অবলীলায় ভুলে যায়
জোছনা রাতের আলিঙ্গন!

খুব ছুঁয়ে গেলো... গভীরে...
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১২

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ইউসুফ।জীবনের ঘটনাগুলোই এমন। ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়!
শুভকামনা রইলো.....

৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫
নাজনীন১ বলেছেন: বাস্তবে এমন দেখেছি, ছোট্ট মেয়ের বাবার কাছে যাবার জন্য কি ভীষণ কান্না!!! মা তার মেয়েকে সামলানোর চেষ্টা করছেন, কি জটিল তাদের জীবন!!! জানি না মায়ের কি গোপন ব্যাথা, হয়তো অনেক কষ্ট তারও, কিন্তু মেয়েটার জন্যও কি যেন এক ব্যাথা অনুভব করেছি, মানুষের জীবন কেন এমন হয়!! এক জীবনে কি সব পেতে হয়?
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন:
আসলেই তাই...
এই এক জীবনে কত যে কষ্ট!
অথচ একটু বুঝে চললেই কত আনন্দ!
অনেক শুভকামনা থাকলো নাজনীন।

৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
juddhobaaj বলেছেন: অদ্ভুত অসাধারন।জনারণ্য থেকে তুলে আনা স্থির চিত্র।

অথচ সেই যুবকের প্রিয়তম নারী কি অবলীলায় ভুলে যায় জোছনা রাতের আলিঙ্গন!


০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন:
ঠিক তাই।
জনারণ্য থেকে তুলে আনা স্থির চিত্র।
শব্দ দিয়ে কি করে লিখি সেই বেদনা....?
চেষ্টা করি।
শুভকামনা।

৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
শ।মসীর বলেছেন: আহ্লাদী জোছনায় ভেসে হয়তোবা ম্যাজিক হতো! - গতকাল রাতে ঠিক এমনই জোছনা ছিল আকাশে । মন ভাল করে দেয়া জোছনা। যে জোছনা রাতে কারেন্ট গেলে ভালই লাগে, বাতির অপেক্ষায় মন কাঁদেনা। ভেসে যেতে ইচ্ছে হয় দুরে বহুদূরে ।

সেন্টমার্টিনে এমনই এক রাতে একবার সারারাত সাগর পারে বসে ছিলাম, একাএকা। সবাই রুমে গেলেও আমার যেতে ইচ্ছা হয়নি।

আমি জোছনা, আর ফেনীল জলের নীল সাগর ...........প্রতি টা জোছনায় আমি ফিরে যায় সে সময়ে।

বিষন্ন লেখাটা ভাল লাগলো আপু।
ভাল থাকুন।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩২

লেখক বলেছেন:
আসলে তাই জোছনা মন ভালো করে দেয়।
এত আলো মন ভালো করে দেবেই তো!

সাগরপারে জোছনা রাত!
না জানি কত সুন্দর।
কাল রাতে হাইওয়ে দিয়ে আসার সময় মনে হচ্ছিল জোছনার সমুদ্রে ভেসে যাচ্ছি।
বিষণ্ন ঘটনাটাই লেখালো।
শুভকামনা শামসীর।

৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
ঘাসফুল বলেছেন: প্রিয় সাজিপু- প্রিয় ভাঙ্গন, দেখোনা বাবু দু'টার জন্য কিছু করা যায় কিনা ? বুকটা ভেঙ্গে ভেঙ্গে আসছে যে...
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩

লেখক বলেছেন:
যদি পারতাম!
মনটা আসলেই ভালো নেই...
শুভকামনা ঘাসফুল......

১০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: সামাজিক একটা সমস্যাকে আপনি কি সুন্দর কাব্যিকভাবে উপস্থাপন করেছেন... অভিনন্দন
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ...
শুভকামনা রইলো সব্যসাচী।

১১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন: আপু, জীবনটা এত কঠিন কেন? মায়া-মমতা, ভালোবাসা কোন কিছুই কি ভাঙ্গন ঠেকাতে পারেনা?
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন:
জীবনটা খুব স হজ হতে পারে......মানুষ আমরা চাইলে।
ভালো থাকবেন সেঁজুতি.....অনেকদিন আপনার ব্লগবাড়ি আসিনি।
লেখা কিছু এলো নাকি?

শুভকামনা।

১২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
মিনু বলেছেন: ভাল লেগেছ, সুন্দর।


আমার লেখা প্রথম পাতায় আসে না। সময় থাকলে একটু ঘুরে আসুন না প্লিজ।
Click This Link

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪২

লেখক বলেছেন:
কালই ঘুরে আসবো আপনার ব্লগবাড়ি।

ভালো থাকবেন মিনু।
ব্লগে স্বাগতম। শুভেচ্ছা রইলো।

১৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২
কালপুরুষ বলেছেন: খুব খুউব ভাল লাগলো। প্রতিটি বাক্য মনকে ছুঁয়ে গেল। আবেগ ও অনুভূতির গভীরতম ছোঁয়া পেলাম।

শুভ কামনা রইলো।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন:
মন কেমন করা ঘটনা সব ঘটে যায় মাঝে মাঝে........
আশে পাশেই। এড়াতে পারি না ..........
ভালো থাকবেন।
অনেক শুভকামনা।

১৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: বিষন্ন লেখা ।

:(

সেই ছোট্ট মেয়েটির কাছে কিন্তু কোন কৈফয়েত নেই ।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন:
আসলেই বিষণ্ন ভীষন।
ভাবলেই মন খারাপ হয়ে যায়।
একটু যদি ভাবতো মানুষ!

ছোট্ট মেয়েটার একদিন এই সব দেখে দেখেই বড় হয়ে যাবে......।
হারিয়ে ফেলা স্মৃতিগুলো বয়ে বেড়াতে বেড়াতে ।
শুভকামনা ।
আশাকরি ভালো আছেন........

১৫. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩
ভাঙ্গন বলেছেন: @ঘাসফুল
যদিও আমার/আমাদের সবই স্বাভাবিক চলছে। ...

.....
আমার কাছের বাবুটার যে সমস্যা দাড়িয়েছে, আজ ঠিক এগারোটায় তাদের ডিভোর্স লেটার দেবার কথা। আমি এখনো কোন খবর নেইনি। শুধুমাত্র খারাপ খবরগুলো শুনতে ইচ্ছা করেনা,তাই। হয়তো এতক্ষণে একটা দেবশিশু বিচ্ছিন্ন,কাড়াকাড়িতে পরিণত হয়েছে।
কি আর করার আছে আমাদের!!!
....
নাগালের বাইরে!
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন:
যতক্ষন না নিজেরা উপলদ্ধি করতে পারে মানুষ........
সংসার ভাঙলে সন্তানরা যে কষ্টের মাঝে পড়ে যায়!
একটু যদি সবাই ভাবতো!

বোঝাপড়া,শ্রদ্ধাবোধ,মমতা ,ভালোবাসা এসব ধরে রাখতে হয়......
একজনকে যে আর একজনের প্রয়োজন.....সুখে এবং অসুখে এটা তো ভীষন সত্যি।
এই সত্যিটাকে হারাতে দিতে নেই।
মায়া না থাকলে আর কিছুই থাকে না।
নাগালের বাইরে চলে যায় সব...........ঠিক বলেছো ভাঙ্গন।

১৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:

বিষন্ন লেখা........... তবে দারুননননননন..... মন ছুঁয়ে গেল ।।

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন:
যে কোন বিষণ্নতা বেদনার নীল কাব্য হয়।
শুভকামনা নাজমুল।
অনেক শুভকামনা।

১৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: বেশ লিখেছেন বরাবরের মতই । শুভেচ্ছা আপু।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন:
জীবন গল্প লেখায় এলে তা কতটুকুই বা আসে?
সত্যি অনেক নির্মম।

শুভকামনা আইরিন।
ভালো থেকো।

১৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১২
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন: ওরা কেউ জানে না দশ বছরের মেয়েটি তাদের ফুপিয়ে কাঁদে.....ওর ভীষন ইচ্ছে করে প্রিয় দুটো মানুষকে এক করে দিতে.....

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন:
আসলেই তাই।
এভাবেই শুরু হয় দুঃখবোধ।
এরপর মেয়েটা ধীরে ধীরে নানান প্রশ্ন নিয়ে বড় হতে থাকে!
সত্যিকারের বড় হবার অনেক আগেই মেয়েটা বড় হয়ে যায়।মননে।

শুভকামনা ওয়াহিদ।

১৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
অদ্রোহ বলেছেন: শিরোনামটা চোখে পড়তেই কবিতাটা পড়ার লোভ সামলাতে পারলাম না ।

আর কবিতাটাও শিরোনামের মতই অদ্ভূত সুন্দর !
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: আমার লেখার চেয়ে পাঠকদের মন্তব্য আমার কাছে অনেক প্রিয় হয়ে যায় অনেক সময়ই...।
অদ্রোহ.....এজন্যই লিখতে ইচ্ছে করে।
ভীষন অনুপ্রাণিত হই।
অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থেকো।
শুভকামনা।

২০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০২
তাজা কলম বলেছেন: মুঠো ফোন সংলাপ শেষ হয়ে গেলে..আমার খুব ইচ্ছে করে জোছনার রং হই।অথবা ঈশ্বরের কোন ছায়া ।এক নিমেষেই যুবককে ফিরিয়ে দেই হারানো ঘর.. হারানো মানুষ!
ছোট্ট মেয়েটাকে ফিরিয়ে দেই প্রিয় বাবা.......

কিছুই পারিনা....চোখ ভেসে যায় ....
জোছনার বিশাল নদী পার হয়ে আমরা ফিরতে থাকি ....
... আর এমন জোছনায় কেনো যে মানুষ ঘর ভাঙে সেই দুঃখবোধে নীল হতে থাকি দুজনায়


+++++++++ বিশুদ্ধ আবেগে, মনকাড়া শব্দে রচনায় আপনার কবিতা মনটাকে আপ্লুত করল। চেতনায় আঘাত করার মতোন একটি কবিতা। এতো সুন্দর করে আপনি লেখেন কীভাবে!
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন:
এত সুন্দর করে বলেন তাজা কলম।
বিশুদ্ধ আবেগ....ঠিক বলেছেন। সেটাই কারন।
আমি যা কিছু লিখি......সবই আমার যাপিত জীবনের নানান বোধ।
দেখা ,শেখা.......জানা ,অজানা।সবই।

আপনাদের সুন্দর মন্তব্য পড়লে এত ভালোলাগে।
জীবনটা যে ষোল আনাই মিছে......একবার ও মনে হয়না।
মনেহয় জীবনটা বড় প্রয়োজন।আর প্রয়োজন মানুষের কাছে থাকার।
অনেক ভালো থাকবেন।
কলমের মত জীবনেও উচ্চারিত হোক একটাই শব্দ.....ভালোবাসা।
তাহলেই পৃথিবী সুন্দর হবে।
শুভেচ্ছা নিরন্তর।

২১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৩
হাসান মাহবুব বলেছেন: খুব ভালো লাগলো বরাবরের মত্ই। আপনার কবিতার একটা বড় গুন হল, যারা সচরাচর কবিতা পড়েনা, তারাও আপনার কবিতার ভেতরে সহজেই ঢুকে যেতে পারে। শুভেচ্ছা।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন:
সাধারনকে ছুঁতে পারে অসাধারন মানুষেরা।যারা আমার লেখা পড়ে তারা সবাই তাই ।আমি সেভাবেই ভাবি।

শুভকামনা হাসান।

২২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
""শ্রাবণী"" বলেছেন: দারুণ হয়েছে। জোছনা দেখে ভেবেছিলাম ভালোলাগার কবিতা, পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল। জোৎস্না শুধু ভালোলাগাই নয়, কারো কারো জীবনে বিষাদ নিয়ে আসে...

ভালো থাকবেন। পিচ্চিদের জন্য অনেক আদর।
শুভ কামনা রইল...
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন:
অনেক ভালো বলেছো শ্রাবণী।
" জোৎস্না শুধু ভালোলাগাই নয়, কারো কারো জীবনে বিষাদ নিয়ে আসে..."

তোমাকে দেখে ভালো লাগলো।
ভালো থেকো।শুভকামনা।

২৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯
মুখ ও মুখোশ বলেছেন: ওরা কেউ জানে না দশ বছরের মেয়েটি তাদের ফুপিয়ে কাঁদে.....ওর ভীষন ইচ্ছে প্রিয় দুটো মানুষকে এক করে দিতে..... বালিশের নীচে খোঁজে। পুতুলের বাক্সে খোঁজে। কোথায় সেই ম্যাজিকওয়ালা পুতুল? যা ছুঁলেই আবারও সেই আয়নার মুখোমুখি ওরা তিনজন....বাবা ,মা আর মেয়েটা।

ভীষন ভীষন ভীষন ভাল হয়েছে আপু।

এটা কি স্বরচিত কবিতা?

যদি তাই...ই হয় তবে, আপনাকে শতশ্রদ্ব প্রণাম। ভাল থাকবেন আপু।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন:
এটা আমার ই লেখা.....প্রশ্নটা আমাকে খাটো করবে কেনো?
ক্ষমা চাইতে হবে না .......আমরা সবাই সবার জন্য।
লেখাটা ভালোলেগেছে.....
এটাই আনন্দ।
মানুষ আমরা সবাই যেনো সয়ে চলি.....কাছের দুরের সবাইকে।
তাহলেই পৃথিবীটা সুন্দর হবে।
শুভেচ্ছা রইলো।

২৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯
মুখ ও মুখোশ বলেছেন: লেখাটা স্বরচিত কিনা এ প্রশ্ন করে মনে হল আপনাকে খাঠো করা হয়েছে তাই ক্ষমা প্রার্থী আপু।
২৫. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
এস বাসার বলেছেন: ... আর এমন জোছনায় কেনো যে মানুষ ঘর ভাঙে সেই দুঃখবোধে নীল হতে থাকি দুজনায়

ভালো থাকুন।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভকামনা।

২৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩
অংকুর বলেছেন: গদ্যকাব্য না কাব্যগদ্য- কোনটা ....কনফিউজড।

তাই বললাম 'লেখা' ভাল লাগছে,
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন:
একটা কিছু হলেই হলো।
আমি আমার সব লেখালেখিকে শুধু লেখাই বলি।

শুভকামনা অংকুর।

২৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
সহেলী বলেছেন: একটা গল্প , জীবনের গল্প তুমি কবিতায় বলে গেলে ।
বেশ হত যদি এমন গল্পের প্লট কোথাও তৈরী না হত বিশ্বে !
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন:
ঠিক বলেছো......."বেশ হত যদি এমন গল্পের প্লট কোথাও তৈরী না হত বিশ্বে !"

ভালো থেকো সহেলী।
শুভকামনা।

২৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৬
নাঈম বলেছেন: অথচ সেই যুবকের প্রিয়তম নারী কি অবলীলায় ভুলে যায়
জোছনা রাতের আলিঙ্গন!

_______________

সবাই ভুলে যায় বিশ্বাসঘাতকের মত, আর মনে রাখে কিছু অর্বাচীন মানুষ, বিশ্বাসটুকু আঁকড়ে ধরে......
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন:
সার্থক বোঝাপড়াই পারে সংসারকে সুখী রাখতে।
মনে রাখে সবাই নাঈম।
ভুলে যাওয়া কি এতই সোজা?
মানুষের জিদ,মানুষের অসহিষ্ণুতা,মানুষের রাগ.....এবং উদাসীনতা সব কিছু থেকে দুরে সরিয়ে রাখে।
ভুলে যায় ভালোবাসা।

ভালো থেকো।
জীবন অনেক সুন্দর।
সেই জীবন তোমার হোক।
শুভেচ্ছা।

২৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: বেশ কিছু লাইন নিয়ে নিজের ভাবনা প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম, কোনটা ফেলে কোনটা করব বুঝতে পারছি না। নিচের লাইনটি বেছে নিলাম-
"দৃষ্টিহীন মানুষেরা যারা জানে না, জোছনা কি করে পান করতে হয়"। আমরা অনেকেই হয়ত জোৎস্নার আলো থেকে বৈদ্যূতিক বাল্ববের নকল আলো অনেক বেশি পছন্দ করি। আমরা ভেবে নেই, এই উজ্জল বাল্ববের আলোয় আমার গায়ের রং ঠিকরে বাহির হচ্ছে এবং আমার জামার রং কমলা কি লাল পরিস্কার বুঝতে পারি । কিন্তু ভুলে যাই আলো নিভে গেলে সব অন্ধকার, সেই অন্ধকারে হয়তা পাকে ডুবে যেতে পারি। অথচ জোৎস্নার আলো হয়ত এত ঝকমকে নয় কিন্তু চলার পথে দিবে নির্ভতার ছায়া, যা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে আমাদের পাশে।
আগেই বলেছি বেশ কিছু লাইন ছুয়ে গিয়েছে, কেন ছুয়ে গিয়েছে হয়ত জানি না, হয়তবা জানি কিন্তু উত্তর নেই।
কবিতাটি প্রিয়তে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন:
আমরা যখন খুব অহংকারী হই।
কোন দৃষ্টিহীন মানুষের কাছে যাওয়া দরকার তখন।

পৃথিবীটার কত সুন্দর ওরা দেখেনা।
আর আমরা সুন্দরকে অসুন্দর করে ফেলি।
অনেক সময় নিজেদের খামখেয়ালীপনায়।

খুব সুন্দর করে দেখা ধূসর....একটা লাইনকে এভাবে নিজের মত করে সুন্দর করে ভাবতে পারা খুব কঠিন ব্যাপার।
যা কিছু ছুঁয়ে গেলো.....
সব প্রার্থনার ভাষার মত ছুঁয়ে যাক সেই দশ বছরের মেয়েটাকে।
যা কিছু ভালো তাই হোক ওদের জীবনে।
এমন অনেকেরই জীবনে।

শুভেচ্ছা।

৩০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
সুরঞ্জনা বলেছেন: খুব সুন্দর করে বেদনার নীল রঙ একেঁছো সাজিমনি।
আজ খুব বড় চাঁদ উঠেছে। চারিদিক থইথই করছে
হলুদ আলো। তোমার এই লেখা পড়ে সে আলোর রঙ
বদলে গেলো আমার চোখে, নীল হয়ে গেলো।

বুকের পাজরে কেমন একটা ব্যাথা.........
কেনো এমন হয়............
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন:
কি সুন্দর চাঁদটাকে সাথে করেই তো বেশ ক'ঘন্টা।
(আমার রাইয়ান বলছিলো আমরা যেখানে যাই চাঁদটাও সাথে সাথে যায় কেনো?)
বললাম আমাদের সবাইকে ভালোবাসে তাই।

আসলেই চাঁদ যদি এমন জোছনা না বিলাতো আমরা সবাই বোধ হয় এই অলীক অনুভবের কথা জানতাম না।
দোয়া কোর।
আমরা সবাই যেনো জোছনার আলো মেখে শু্দ্ধ হই।
শুভকামনা.....
সবাই যেনো ভালো থাকি,যে যেখানে যত দুরেই থাকি।

৩১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৩
রাতমজুর বলেছেন:
ঘর ভাঙলে দুজনাই বেঁচে যায়, হয়তো;
মরে শুধু দেবদূতেরা,
একটু একটু করে।

(উৎসর্গ - সিগমা - এক্স-ক্লাসমেট)
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১০

লেখক বলেছেন:
ঠিক বলেছো....দেবদূতেদের কথা কেউ ভাবে না।

এই রকম অনেক সিগমাদের জন্যই এই লেখা।
শুভকামনা ।
ভালো থেকো ধ্রুব।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১০

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা নিন।

৩৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১
লাইলী বেগম বলেছেন: এমন জোছনায় কেনো যে মানুষ ঘর বাঁধে সেই দুঃখবোধে নীল হতে থাকি সকলে!


হৃদয়কে নাড়া দিল সাজি । (সাজি আমার বোনের নাম)

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন:
সাজি নামে আর কাউকে কখনো জানি নি।
আপনার বোনের জন্য শুভকামনা......

ভালো থাকবেন।
শুভেচ্ছা।

৩৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: আমাদের এখানেও সুন্দর জোছনা!!!
তবে আমার অনুভূতি আপুর চেয়ে আলাদা।

খুব সুন্দর একটা কবিতা, জোছনার রঙে রঙিন একটা কবিতা।
আমার খুব ইচ্ছে করে জোছনার রং হই
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন:
আমার অনুভূতি খুব সাধারনই বাপ্পি।
শুধু জীবনের কিছু কিছু ঘটনা স্বাভাবিক হয় না বলেই কষ্ট পাই।
অমল ধবল জোছনাকে তখন বেদনার নীলে রাঙানো মনে হয়।

শুভেচ্ছা নিও।

৩৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০১
নষ্ট গিটার বলেছেন: জীবন সুখ জিনিষটা কেন যে সহ্য করতে পারেনা।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন:
জীবনের দোষ কি?
আমরাই তো পারিনাসুখ ধরে রাখতে।
শুভকামনা।
অনেক দিন পর দেখলাম নষ্ট গীটার।

৩৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৬
তিতি আনা বলেছেন:
জ্যোৎস্নাকে শৃঙ্খলমুক্ত করা হোক। ফিরিয়ে দেয়া হোক ভরা গাঙ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন:
জোছনা তো চিরকালের মুক্ত।
শৃংখলিত আমাদের চেতনা।

শুভেচ্ছা।

৩৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৯
জয় সরকার বলেছেন: আপু লেখাটা পড়তে পড়তে নচিকেতার খোকন গানটির কথা বারবার মনে পড়ছিল............তবে আবেগ, আর পারস্পরিক সম্পর্কের পান্ডুলিপি লেখাতে আপনাকে নচির চেয়েও সেরা মনে হচ্ছে আজ............


ব্লগ জীবনের ১৪০০ তম কমেন্টটা আপনাকে উপহার দিলাম আপু...............দেয়ার মত আর কিছু নেই, তাই এই ক্ষুদ্র উপহার...............

ভালো থাকবেন............।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৪

লেখক বলেছেন:
নচিকেতার বৃদ্ধাশ্রমের কথা বলছো?
কি অসাধারন একটা গান.......
কি যে বললে জয়।
আমার লেখা খুব সাধারন।

১৪০০ তম কমেন্ট টাকে খুব মনে রাখবো.....যে উপহার দেয় সে কি করে জানবে যে পেলে তার পরিমাপ কতটুকু?
অনেক খুশী হলাম।
ব্লগে বসার আনন্দই তো এই কমেন্ট....

শুভকামনা রইলো জয়।
ভালো থেকো।

৩৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৫
রুবেল শাহ বলেছেন:
আমাক ধ্যানে ফেলে চুপিসারে আড়াল হচ্ছিলে
ভেবে ছিলে পারপেয়ে যাবে________?

রাতের শিশির কি রাতেই পালাতে পারে
শিশির পতন শব্দ হয়তো কেউ শুনলোনা
ভোরের ঘাস জানান শিশির পতন শব্দের ..................


নিঃশব্দে তুমিও চলে যাও
তোমার পদধনি কেবল আমার হৃদয়েই ঝড় তোলে
কিন্তু ফের অধিকার চাইবেনা ! ................


শুভচ্ছো বলাকা কবির জন্য................শুভ কামনা সব সময়
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৬

লেখক বলেছেন:
কে কোথায় পালায় রে?
অনেক শুভকামনা রইলো।লেখা কেমন চলছে?
আর পড়া?
নতুন কি কি পড়া হলো?

৩৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৯
জয় সরকার বলেছেন: আপু আমি নচিকেতার খোকন গানের কথা বলেছিলাম......এক ব্রোকেন ফ্যামিলির ছেলেকে নিয়ে গাওয়া............আপনার লেখায় যেমন স্ত্রীহারা, প্রেমিকা হারঘুরে ফিরল, আমার তখন শুধুই ১০ বছরের সেই মেয়েটির কথা মনে পড়ছিল.........

গানটি এমন.........

পৃথিবীটা বড় রঙ্গিন ভাবত একথা খোকন
তাকে ঘিরে কত হাসি আনন্দ থাকত ঘিরে যখন
ছোট্ট খোকন বাবা আর মা
দুপুর রাত্রি সকাল সন্ধ্যা সুখের সাত কাহন
পৃথিবীটা বড় রঙ্গিন ভাবত একথা খোকন।

গানটার কথাগুলো এমন.........

বাবা বেরোতেন সকাল বেলা অফিস অভিমুখে
মা'র সারাদিন গুনগুন গাওয়া, ঘরের কাজ আর শুধু পথ চাওয়া
ফিরবেন বাবা সন্ধ্যে বেলা কখন হাসিমুখে
দুজনের চোখে কত ভালোবাসা দেখত সবই খোকন
পৃথিবীটা বড় রঙ্গিন ভাবত একথা খোকন।

ছুটির দিনেতে ইকো পার্কেতে কিংবা চিড়িয়াখানায়
সারাদিন শুধু ছুট আর ছুট
ক্যাডবেরী আইসক্রীম, ডালমুট
খেলা আর খেলা মার লিপস্টিক, বাবার সাদা জামায়
বাবার চওড়া কাধেতে আরামে ঘুমোত সে যখন
পৃথিবীটা বড় রঙ্গিন ভাবত একথা খোকন।

খোকন এখন হোস্টেলে থাকে, রঙ্গীন পৃথিবী কালো
বাবা করেছেন বিয়ে আবার
মা করছেন লিভ টুগেদার
খোকন ছাড়া মোটামুটি আর সবাই রয়েছে ভালো
দুটো পাড় যদি এক হতে না চায় সেতুর কী প্রয়োজন
বিষের প্যাকেট খোকনের হাতে
ভাবছে খোকন যাবে কোন খাতে
অনাহুত হয়ে বেচে থাকা বাকি মৃত্যুর আয়োজন
বিষ হাতে নিয়ে খোকন
ভাবছে একথা এখন।।

ওরা কেউ জানে না দশ বছরের মেয়েটি তাদের ফুপিয়ে কাঁদে.....ওর ভীষন ইচ্ছে করে প্রিয় দুটো মানুষকে এক করে দিতে.....

বাবা-মা নিজেদের জেদে, পাওয়ার আশায় একজন একজনকে ছেড়ে যায়, একের প্রয়োজন অন্যের কাছে ফুড়িয়ে যায়......কিন্তু আরেকটা মানুষের যে দুজনকেই প্রয়োজন তা তারা ভুলে যায়.........ছোট্ট একটা মন কুড়ে কুড়ে শেষ হয়ে যায়......কেউ বোঝেনা.........তারা শুধু তাদের হিসেব তাদের দেনা পাওনা নিয়েই থাকে.........

তারা হয়তো একজন হারে, একজন জেতে কিন্তু ছোট্ট জীবনটা কি হারায় তা কেউ জানেনা.........
মুঠো ফোন সংলাপ শেষ হয়ে গেলে..আমার খুব ইচ্ছে করে জোছনার রং হই।অথবা ঈশ্বরের কোন ছায়া ।এক নিমেষেই যুবককে ফিরিয়ে দেই হারানো ঘর.. হারানো মানুষ! ছোট্ট মেয়েটাকে ফিরিয়ে দেই প্রিয় বাবা.......
খুব দরকার আপু............যুবকের জন্য না হলেও ছোট্ট মেয়েটার জন্য............

অনেক কিছু বলে ফেললাম.........বিরক্ত হলে করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থী............
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন:
প্রথমেই বলি বিরক্ত হইনি।
ক্ষমার কথা আসছে কেনো?
এত সুন্দর কথার গান...শুনিনিতো!

আজই খুঁজবো অনলাইন এ। অনেক অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে গানটার কথা লিখে দেবার জন্য।
ভালো থেকো জয়....।আমরাই পারি পৃথিবীটাকে বদলাতে।
শুভকামনা তোমার জন্য।আনন্দে থেকো।

৪০. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২৫
নিহন বলেছেন: যে জোছনায় যুবকের ঘর ভেঙে যায়!.........কঠিন
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন:
কেমন আছো নিহন?
অনেক শুভকামনা রইলো।

৪১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
নষ্ট গিটার বলেছেন: "লেখক বলেছেন:
জীবনের দোষ কি?
আমরাই তো পারিনাসুখ ধরে রাখতে।
শুভকামনা।
অনেক দিন পর দেখলাম নষ্ট গীটার।"


সাম্প্রতিক মন্তব্যে আপনাকে দেখে আবার আসলাম আপনার ব্লগে। যাহোক।
আমাদের জীবনে যে সুখের সময়গুলো কম সেটার জন্যে আপনি মনে করেন জীবনের কি দোষ?
আমরা কম চেষ্টা করি সুখ আটকে রাখতে??? সুখ আমরা আটকে রাখতে পারিনা কথাটা ভুল। অনেক চেষ্টা থাকে কিন্তু শেষ পর্যন্ত কপাল নামক পরিহাস সেটা ঠিকে থাকতে দেয় না।
যেখানে ১০ বছরের মেয়ে টার থেকে সেপারেশন বড় হয়ে গেল সেখানে আর যা হোক না কেন, সুখ নামক জিনিষ টা জীবন সহ্য করতে পারল না।



আপনার প্রতি শুভকামনা থাকল।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন:

মানুষ নিজেই যদি যত্নশীল না হয় ,যে কোন সম্পর্কের ক্ষেত্রেই ....তাতে ভাগ্য বা কপালের দোষ দিয়ে কি আর চলে?
জীবন যতদিন থাকে....তাতে সুখ থাকবে।দুঃখ থাকবে।

শুভকামনা গীটার।

৪২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: আমি বুঝাতে পারি নি আমি কি বলতে চাচ্ছিলাম ।
কালকের চাঁদ দেখে আমার যা ফিল করছিলাম, আপনি চাঁদ দেখে যা ফিল করছিলেন তা পুরোপুরি বিপরীত ছিল। আমি গতকাল অনেক বেশি আনন্দের ছিলাম , আর আপনার কবিতাটা বিষণ্ণতার ছিল :(

শুধু জীবনের কিছু কিছু ঘটনা স্বাভাবিক হয় না বলেই কষ্ট পাই।
আমিও , পার্থক্য আমি শব্দে অধিকার দিয়ে অন্যদের হৃদয় স্পর্শ করতে পারি না , আপনি পারেন :D :D .

আপুর জন্যও শুভকামনা ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন:
তোমার কথা বুঝেছিলাম বাপ্পি।
চাঁদটা এত সুন্দর ছিলো.....তোমার আনন্দটুকু বুঝতে পেরেছিলাম।
আমরাও সুন্দর একটা চাঁদের আলোয় অনেক দুর পথ এসেছিলাম.....

শুভকামনা নিও।
ভালো থেকো সবসময়।
কে বললো পারো না?তুমিও অনেক সুন্দর লেখো।তোমার অনুভবের কথা!

৪৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
তারার হাসি বলেছেন:
খুব বেশি সুন্দর, ছোট্ট ছোট্ট উপমাগুলি। কেন যেন একটু কষ্ট হচ্ছে ঘার ভাঙ্গা মানুষগুলির জন্য।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন:
মানুষের কষ্টে কষ্ট হয় বলেই তো আমরাও মানুষ।
অনেক ভালো থেকো।
শুভকামনা

৪৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭
ত্রিশোনকু বলেছেন:
"যে আয়নায় মুখ দেখে সকাল হতো ওদের ! সেই আয়না এখনো তেমন!
শুধু আয়নার মুখোমুখি মানুষগুলোই বদলে যাবে কাল!"

-অপূর্ব।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন:
আশাকরি ভালো আছেন।
অনেক শুভকামনা।

৪৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫
পারভেজ বলেছেন: স্বার্থপরতাটুকু বাদ দিলে হয়তো...............।
সব কি আর একজীবনে পাওয়া হয়? চাওয়া পাওয়ারাও যে বদলে যেতে থাকে, সেটা কোন সময়েই মানুষ বুঝে উঠতে পারেনা। খালি ছুটে চলা মরীচিকার পিছে পিছে। আর সাথের মানুষগুলোর কষ্টের রঙ গাঢ় থেকে গাঢ়তর হতে থাকে।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন:
মানুষ যখন মরীচিকার পিছে ছোটে তখন সুখ হারিয়ে যায়।
কবি গুরু বলেছেন না?
" এরা সুখের লাগি চাহে প্রেম প্রেম মেলেনা।
শুধু সুখ চলে যায়।
এমনি মায়ার ছলনা।"

শুভেচ্ছা পারভেজ।
সম্পর্ক যখন ভার হয়ে যায়।মায়াহীন হয়ে যায়।তাতে থেকে লাভ নেই।
তবে একটু সহিষ্ণুতায় সন্তানদের জন্য মঙ্গল হয়।
শুভকামনা রইলো।

৪৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
আশাবাদী মানুষ বলেছেন: বিশুদ্ধ কষ্ট।

খুব ভাল লাগল।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন:
আসলেই তাই।

আমাদের সন্তানরা আমাদের শান্তির ছায়ায় বাঁচুক।
শুভেচ্ছা।

৪৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪
"বৃষ্টির কান্না" বলেছেন: এক্সেস পেয়ে প্রথম মন্তব্য করলাম মাকে নিয়ে আর দ্বিতীয়টা করছি এক বোনের কাছে।

এত সুন্দর করে একটি জীবনকে (সুখ ও দু:খ) কবিতায় ফুটিয়ে তোলেছেন তা বলতে গেলে আরেকটি কবিতার জন্ম দিতে হবে।

খুব সুন্দর হয়েছে, এক কথায় অপুর্ব, ঠিক জোছনার মতই মায়াবী। প্রিয়তে রইল। ভাল থাকবেন, সেই সাথে দোয়া করবেন আপু।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো।
বৃষ্টির কান্না নিক এর কাছ থেকে সুন্দর সুন্দর লেখা আশা করছি।
শুভকামনা।

৪৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৮
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: পড়তে অনেক দেরি হয়ে গেলো। বেশ ঘোরের মাঝে মায়াবী আবেশে ফুটে উঠে একটি দুটি অথবা তিনটি প্রাণের কষ্ট।
ভালো লেগেছে । ++++
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭

লেখক বলেছেন:
ভালো থেকো সীমান্ত।
পড়বার জন্য ধন্যবাদ।শুভেচ্ছা।

৪৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

মুগ্ধতা !

'মুগ্ধতা' প্রকাশের এরচে' ভালো শব্দ যে আমার দখলে নেই !
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ শিপন।
শুভকামনা রইলো।

৫০. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫২
পাথুরে বলেছেন:
নির্বাক মন্তব্য রেখে গেলাম সাজি'পু। মনটা ভালো নেই.....
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২

লেখক বলেছেন:
কি হইছে পাথুরে?
দোয়া করি মন ভালো হোক।
ভালো থেকো।অনেক শুভকামনা।

৫১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭
সাইফুর বলেছেন: কিযে ভালো লাগে
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন:
কি রে কাছিম?
ভালো তো?
অনেক শুভকামনা ....

৫২. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭
মুনশিয়ানা বলেছেন: অসাধারন হয়েছে সাজির এই লেখাটা... বিষাদের তীব্রতম অনুভূতির ছোঁয়া পেলাম।

কি বা করার আছে আমাদের...? কামনা করি মেয়েটা বেড়ে উঠুক, তার সুক্ষ অনুভূতিগুলো বিকশিত হোক। আগামী জীবনে সে যেন বিশ্বাস না হারায় ভালবাসার অসীম ক্ষমতার ওপর... তার পছন্দের যুবকের সাথে তার আগামী দিনের সুখস্বপ্নের মায়াবী ঘর, পরিপূর্ণতা পাক-- এরকমই মন পাগল করা নীল জোছনায়।

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন:
আপনার সুন্দর মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগলো।

কার জীবন যে কেমন এগোবে কেউ জানিনা।
শুধু আশা করি সুখ,আনন্দের।
ভালো থাকবেন।
শুভকামনা।

৫৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯
পল্লী বাউল বলেছেন: মুগ্ধতা রেখে গেলাম পোস্টে।
+++
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ পল্লীবাউল।
অনেক শুভকামনা রইলো।

৫৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫
মেহবুবা বলেছেন: এক একজনের ভুলে অনেকের শাস্তি হয় ; কেন এমন হয় ?

লিখেছো ভাল বরাবর যেমন লেখ ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন:
তোমাকে খুঁজছিলাম মেহবুবা।
আশাকরি ভালো আছো।

কেন এমন হয়?
অনেক ঘর ভাঙে এত তুচ্ছ সব ঘটনায়......
খুব মন খারাপ লাগে। আমাদের অসহিষ্ণুতাই বড় কারন।
কেউ হারতে চায় না...
ভালো থেকো।
অনেক শুভকামনা।

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন:
পড়লাম।
ধন্যবাদ।

৫৬. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: অসাধারন হয়েছে আপু।

কবিতা পড়তে পড়তে একটা ঘোরে চলে গিয়েছিলাম।

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
জীবন সুন্দর হোক।
শুভকামনা।

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ অগ্নিশিখা।

শুভকামনা রইলো ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৩

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ শান্ত।
আছো কেমন?
শুভকামনা রইলো।

৫৯. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
নির্ঝরিনী বলেছেন: কি বিষন্নতায় ভরা লেখা...
দশ বছরের মেয়েটার জন্য খারাপ লাগছে...
কেন এমন করে ঘর ভেঙ্গে যায়!!!!
সবাই এসময় হয়তো ভূলে যায়, কিন্তু সেই ছোট্ট মেয়েটার ক্ষতটা কখনো শুকোয় না...


০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন:
ঠিক বলেছো.....
দশ বছরের মেয়েটার কষ্ট ভাবলে বুক ভেঙে যায়।
ভালো থেকো নির্ঝরিনী।
আমাদের সবার দায় এই পৃথিবীটাকে সুন্দর করার।
শুভেচ্ছা।

৬০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৭
রথে চেপে এলাম বলেছেন: খুব খুব খুব ভাল লাগল।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ তোমাকে।
ভালো থেকো।
শুভকামনা।

৬১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৫
সবাক বলেছেন:
কবিতা খিলখিল করে হেসে উঠলো শান্ত সন্ধ্যায়।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন:
সেই হাসিতে কান্না ঝরেছিল।
শুভকামনা

৬২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: এই চমৎকার কবিতায় কমেন্ট দেয়া সম্ভব না....তালিকায় যোগ কৈরা দিলাম....
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন:
পড়বার জন্য ধন্যবাদ শাওন।
শুভভকামনা।

৬৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: রাতভর জোছনা কুড়াতে কুড়াতে সকাল হয়ে গেলো কাল!


অনেক সুন্দর। প্রতিদিন সকাল হোক
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন:
প্রতিদিন সকাল হোক

শুভেচ্ছা নৈঃশব্দ্য।

৬৪. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০১
আকাশ অম্বর বলেছেন:

যে আয়নায় মুখ দেখে সকাল হতো ওদের ! সেই আয়না এখনো তেমন!
শুধু আয়নার মুখোমুখি মানুষগুলোই বদলে যাবে কাল!




অহংকারী মানুষ কেনো যে ঘর বাঁধে আর ঘর ভাঙে!
দৃষ্টিহীন মানুষেরা যারা জানে না, জোছনা কি করে পান করতে হয়।
যারা জানে না অন্ধকারের রং কালো,সবুজ নাকি হলুদাভ।
তারাই জোছনা ছোঁবে বলে হাত পেতে থাকে....
অথচ সেই যুবকের প্রিয়তম নারী কি অবলীলায় ভুলে যায়
জোছনা রাতের আলিঙ্গন!




নীরব অম্বর।।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন:
শুভেচ্ছা আকাশ।
ভালো থাকা হোক।

৬৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪১
আবু সালেহ বলেছেন:
নো কমেন্ট...শুধু শোকসে পাঠিযে দিলাম...
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ সালেহ।
শুভকামনা রইলো অনেক।আনন্দ কাটুক জীবন।

৬৬. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
অদৃশ্য বলেছেন: সাজি আপু.................. শুধু বলি চমৎকার একটি লিখা.........ভালো লেগেছে খুব......


শুভকামনা...........
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থেকো।
জীবন কাটুক মনের মতন।

১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
শুভকামনা।

৬৮. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২০
শাফিন বলেছেন: এই সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। কেউ ছাড় দিতে রাজী নয়। কেন ওরা বুঝতে চায়না, জীবনটা তো একটাই।
সন্তান, ওরা তো আমাদেরই।
ওদের জন্যই কি মরিচীকার পেছনে ভেগে চলা বাদ দেয়া যায়না ?

আপনাকে ধন্যবাদ
৬৯. ২১ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭
অরুদ্ধ সকাল বলেছেন:

চমতকার! অসাধারন!!!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৬৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
shazi১৯এট জিমেইল ডট কম


আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ।
খেলে যায় রৌদ্র ছায়া,বর্ষা আসে বসন্ত।
কারা এই সমুখ দিয়ে আসে যায় খবর নিয়ে,
খুশী রই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই