somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যে স্বপ্নে তুমি আমার আচঁল ভরে দাও জোনাক জোছনায়

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নয়নাভিরাম এক স্বপ্নর কাছে পৌছে গেলাম কাল।

সুনসান এক স্টেশনে নেমে হাঁটতে থাকি।
এবং পৌছে যাই অদ্ভুত সেই জায়গাটায়।
যেখানে আদিগন্ত সবুজ ঘাস ।
এক পাশে ছোট্ট এর ঝরনা।
পানির শব্দে চেনা সুরের মূর্ছনা!

ঘাসের উপর খেলা করছিলো তিনটা খরগোস।
আমি ওদের নাম জানি।
মেঘ ।বৃষ্টি ।এবং আকাশ। ওরা আমার দিকে একটু তাকিয়ে আবার খেলায় মেতে রইলো।

পাথরের উপর বসলাম। ঝরনার পানিতে ভিজে যাচ্ছিলাম আমি।
চুল থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছিলো ।
একটুও সরতে ইচ্ছা করছিলো না।
অন্ধকার যখন কেবল গাঢ় হতে শুরু করলো, বাতাবী লেবুর গন্ধ পেলাম।

দুর থেকে হেঁটে এলে তুমি।
দু'হাতে জড়ানো একরাশ বুনো ফুল।
আমার জন্যে?
সবুজ ঘাসের বুকে শুয়ে তারা দেখলাম আমরা।
কত বিচিত্র নাম তাদের!
বিশাখা।স্বাতী।অনুরাধা ।চিত্রা।অভিজিৎ।শ্রবণা।রেবতী।

তারাদের রেলগাড়িতে চড়ে আমরা ঘুরে এলাম আমাদের শেফালী কুড়ানো শৈশবে।
ঘুড়ি উড়ানো সেইসব দিনে তুমি এবং আমি রেললাইনের উপর দিয়ে ছুটতাম দুর বহুদুর।
বাতাবী লেবুর গন্ধ না আমার খুব প্রিয়, বলতে বলতে তোমার খুব কাছে ঘন হয়ে বসলাম।
তুমি আমার আঁচলে বিছিয়ে দিলে একরাশ জোনাক জোছনা!
তোমার হাত ছুঁয়ে দিলো আমার চুল।

স্বপ্ন ভেঙে গেলে চুপ বসে থাকি ।
ঘরময় মৌ মৌ করে বাতাবীলেবুর ঘ্রান।
এবং আলোকিত হয়ে থাকি আমি জোনাক জোছনায়!


সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:০৮
৬৮টি মন্তব্য ৬৬টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্ষমা করো মোরে

লিখেছেন অতৃপ্তচোখ, ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩১


কোথায় না খুঁজেছি...
আকাশের চন্দ্র তারায়- মেঘের আঁড়ালে।
দিনের আলোতে, পূর্ণিমায়- রাতের আঁধারে।।

কেমনে বুঝাব ভালোবাসি,
আমার সকল বিশ্বাস, সত্ত্বায়- আমার অস্তিত্বে।
তুমি ধ্যান, ভক্তি, উদারতায়- সর্বত্র মর্মে মর্মে।।

আকাশ পাতাল ঘুরেছি,
স্বর্গ, নরক, দুঃসহ যন্ত্রণায়-... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষের সর্বোচ্চ জ্ঞান পৃথিবীকে মুছে ফেলার জন্য?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:০৬



এটোমিক ফিশান ও কম্প্যুটিং হচ্ছে, এই মহুর্তে মানুষের সর্বোচ্চ জ্ঞান, যা মানব সভ্যতায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে, এনেছে সুদিন; কম্প্যুটিং এমন ধরণের জ্ঞানী আবিস্কার, যা মানুষের জ্ঞানকে রিফাইন করতে সাহায্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

অণু কবিতাঃ কবি ও কবিতা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:০৮

সে বলেছিল, সে কবি হতে চায়।
তুমি বলেছিলে, অন্তরে তুমি চাও
তার কবিতা হতে, চরণে চরণে।
সে কবি হয়েছিলো তোমার কারণে।

ঢাকা
১৪ জানুয়ারী ২০১৭... ...বাকিটুকু পড়ুন

মনের আগুন নিভিয়ে ফেলুন, এখনই.....

লিখেছেন এক বিন্দু জল, ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৭ ভোর ৫:৫২

রাগলে মানুষের চেহারা প্রচন্ড রকম কুতসিৎ হয়, তবে এটা আমরা খুব সহজেই খালি চোখে দেখতে পাই।

কিন্তু রাগ সময় আমাদের ভেতরটা আরো অনেক বেশী কদাকার হয়, সুখের কথা এটা কেউ দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুকাব্যঃ

লিখেছেন মোহাম্মদ বাসার, ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৯:৫৮



ওসমান

ওসমান না আসমান কে কত বড়?
এই হিসেব নিয়ে ভীত ছিল বেগম খাদিজা,
টাইন্যা নামাইয়া দেখ জাইঙ্গা ওসমানের
ওখানে একফোঁটা বৃষ্টির জল তৈরীরও
নেই কোন মোজেজা!

১৬ই জানুয়ারী ২০১৭
যুক্তরাজ্য।

...বাকিটুকু পড়ুন

×