রোজকার ছেলেখেলা লেখালেখি লেখাপড়া পড়াওঠা কান্নাকাটি কাটাছেঁড়া ছেঁড়াছবি হাবিজাবি হিজিবিজি ...

সেই দাড়ি
০৯ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৮
আজি দিকে দিকে দিগন্তরে বাজিয়া উঠিল দাড়িপূজার দারুণ বাদ্য। আজি হতে শতবর্ষ পরে প্যান্ডেলে, পায়জামায়, পায়খানায় পকিত অর্থেই আমরা সেই দোর্দন্ডপ্রতাপ দাড়ির ভক্ত। মাইকে মাইকে বাজছে দাড়ির বন্দনাগাথা: "এমন একটা দাড়ি খুঁজে পেলাম না --" কিম্বা, "সেই দাড়ি ঝামরে পড়ছে আজ --", কিম্বা, "তোমার দাড়ি বেঁধে আমায় নিয়ে চল সখা, আমি যে পথো চিনি না --"
সেই দাড়ি নিয়ে লেখা হচ্ছে মূল্যবান গবেষণাপ্রবন্ধ। দাড়িতে কয়খান চুল ছিল, বা বৃদ্ধির হারই বা নিয়ন্ত্রিত হত কি উপায়ে -- এইসব জটিল প্রশ্ন আমরা চেখে, চেটে, তলিয়ে, গাঁতিয়ে দেখছি। কিন্তু এখনো সেভাবে দেখা হয়ে ওঠে নি, দাড়িতে উকুন ধরেছিল কি না।
======================
স্মৃতি থেকে লেখা সম্ভবতঃ ভুল কোটেশন দিয়ে (পাঠক শুধরে দেবেন) লেখা শেষ করি:
তুমি কি কেবলি স্মৃতি,
শুধু এক উপলক্ষ্য কবি ?
হরেক অনুষ্ঠানে হই হই,
মঞ্চে মঞ্চে কেবলই কি ছবি ?
তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
আর বাইশে শ্রাবণ ?
(এ প্রশ্নের উত্তর যদি জানা থাকে, তবে ছবি ভেঙ্গে, দাড়ি ছিঁড়ে সেই দেবতার মানবীকরণ-ই বোধহয় প্রকৃত শ্রদ্ধাজ্ঞাপণ ও স্মরণপদ্ধতি। পরম ভক্তেরা মার্জনা করিবেন।)
হিজিবিজবিজ বলেছেন:
আপনার ব্যক্তিগত মতামত কখনই আপনার বেয়াদবি নয়। তেমনই আমার রুচিবোধ আমার থাকুক, আপনার থাকুক আপনার। কবি তাঁর 'ভক্ত'-দের কাছে দেবতা হয়ে সুখে থাকুন। আমার কাছে তিনি এক সৃজনশীল মানুষ থাকুন।যে পূজাকে আপনিও 'অর্থহীন আহাম্মকি' বলেছেন, তাকে নিরর্থক সম্মান না করে তার গায়ে থুতু ছিটানোই আমার রুচি।
ইসলামের সঙ্গে রবীন্দ্রসাহিত্যের কোন তুলনায় যাওয়া আমার অভিপ্রেত নয়। এই পোষ্ট থেকে মানুষ/স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আমার অভিমত বিশ্লেষণ করতে যাওয়াও মূর্খামি হবে। এ বিষোদ্গার শুধু তাঁর দেবত্ব ও অন্ধ ভক্তদের উদ্দেশ্যে। সেটা যথাস্থানে পৌঁচেছে বলেই বোধ হচ্ছে!
হিজিবিজবিজ বলেছেন:
উপরের মন্তব্য তাসনিমের পোষ্টের উত্তরে।
শমিত বলেছেন:
দাড়িতো ছিঁড়েই নিয়েছিলো ! এই সব অন্ধ ভক্তদের দল , যাদের রবীন্দ্রপ্রেম দাড়ি ও ভক্তিতে আটকে যায় , সে রকমই কিছু লোক । শ্মশানে পৌঁছানোর আগে দাড়ি-চুল সাফ! ধন্য বাঙালী , ধন্য তোমার ন্যাবড়ানো রবীন্দ্রপ্রেম ।
শ্যাজা বলেছেন:
দাড়ি হাতের নাগালে পেলে আমিও একটা টান দিতাম।
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
মাকুন্দকালে সামলে ওঠেনিগো! প্রথম যেদিন গজালো সেদিন থেকেই ভজালো! সবমিলিয়ে অনেকটা ছিল। সব তো আর দেখা যায় না।


















কিন্তু আপনার এই পোষ্ট অত্যন্ত কুরুচিকর।
উদাহরন দিয়ে বলতে পারি, ইসলামের নবী মুহাম্মদের দাঁড়ি নিয়ে এমন একটা উপহাসসূচক পোষ্টের পরে "পরম ভক্তেরা মার্জনা করিবেন" লিখে দিলেই তা যথার্থ হবেনা। "দেবতার মানবীকরণ" প্রয়াসে কোরান-হাদিসের প্যারোডি করাটাও যুক্তিযুক্ত হবেনা। একজন কবি তার ভক্তদের কাছে দেবতাতূল্য হতেই পারেন।
আপনি কোন প্রশ্ন তোলেননি। বরং একটা সস্তা স্টান্টবাজি করে নিজের কদর্যতার পরিচয় দিয়েছেন। অন্যকে সম্মান করতে শিখুন।
বেয়াদবি করে থাকলে মার্জনা করবেন।