রোজকার ছেলেখেলা লেখালেখি লেখাপড়া পড়াওঠা কান্নাকাটি কাটাছেঁড়া ছেঁড়াছবি হাবিজাবি হিজিবিজি ...

বামপন্থী ট্র্যাফিক!
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬
হাওড়াগামী যেকোন বাস স্ট্র্যান্ড রোডে ঢোকার পর থেকেই শুরু হয় এক মজার খেলা।
কন্ডাক্টর চিৎকার শুরু করে "বাঁয়ে চাপো ... বাঁয়ে চাপো" ... আর পাশ দিয়ে ক্রমাগত বেরিয়ে যেতে থাকা তুলনামূলকভাবে দক্ষিনপন্থী বাসেদের দিকে তাকিয়ে থাকা জনতার হাহাকার, খিস্তি উপেক্ষা করে প্যাসেঞ্জার তুলতে তুলতে ক্রমশ পিছিয়ে পড়তে পড়তে চোখে পড়ে এক ভয়াবহ উপমা...
বিগত তিরিশ বছরের ওপর পশ্চিমবঙ্গের বামপন্থী সরকার তাঁদের ওই বাঁয়ে চেপে থাকার নীতিতে (পড়ুন কৌশলে) আরো বেশি প্যাসেঞ্জার (পড়ুন ভোট) সংগ্রহ করার একমাত্র লক্ষ্যে অবিচল ও সফল রয়েছে। অসহায় জনতার অসহিষ্ণু দাঁতের ঘষটানিতে কোন ভ্রূক্ষেপ নেই। আর ক্রমাগত বাঁয়ে ঘেঁষটে যেতে যেতে আর পিছিয়ে পড়তে পড়তে আমরা জানলা দিয়ে দেখতে পাচ্ছি পাশ কাটিয়ে অবলীলায় এগিয়ে যাচ্ছে ছোট বড় মাঝারি কত রকমের বাস (পড়ুন অন্য রাজ্য) ... আমাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে ...
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বামপন্থী পশ্চিমবঙ্গ bus conductor leftist ;
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














আপনিতো ভাই সেরম ..>!!!!!!
পড়তে পড়তে আমাদের বামপন্থীদের কথা মনে হইলো... আহারে
ক্রমাগত বাঁয়ে ঘেঁষটে যেতে যেতে আর পিছিয়ে পড়তে পড়তে আমরা জানলা দিয়ে দেখতে পাচ্ছি পাশ কাটিয়ে অবলীলায় এগিয়ে যাচ্ছে দক।ষিন পন্থীরা
তাইতো বল্গে তাদের অসহায় চিৎকার আর খিস্তি খেউর দেখতে পাই।
বলেনা লোকে হতাশায় কিনা কয়??