আমার প্রিয় পোস্ট

ভালো বাসি সখী ভালোবাসি তোরে...., দোহাই লাগে, এ জনমে ভিখারী করিসনা মোরে...

স্বাধীনতার ৩৬ বছর পর আজও বাংলার ঘরে ঘরে হাজার হাজার আজাদের মা, রুমির মা, জুয়েলের মায়েরা নিভৃতে চোখের পানি ফেলে।

১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪০

শেয়ার করুন:                   Facebook

লেখাটা আমার না-----
লেখাটা ইরতেজা ভাইয়ার----
লেখাটা পড়ে আমি কেদেছিলাম-----
যেমনি আমার মা আজো কাঁদে ৭১এর ছবি দেখে ----

লেখাটা এ কারনে আমি ইরতেজা ভাইয়ার কাছ থেক অনুমতি নিয়ে আমি পোষ্ট করলাম যাতে অনেকই পড়েন তাই----

এই লেখাটার পূর্ন প্রসংশা পাবার দাবীদার ইরতেজা ভাইয়া----
আপনি চাইলেই নিচের লিংকে গিয়ে মূল পোষ্টটা পড়ে আসতে পারেন-----

১৯৫২ ভাষা আন্দোলনে শহীদ বরকতের মা হাসিনা বিবি থাকতেন সেই সময় থাকতেন ভারতে । তার ছেলে বরকত ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলন করতে গিয়ে শহীদ হন। আমাদের দেশে স্থায়িভাবে বাসবাস না করেও প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারীতে শহীদ মাতা ছুটে আসতেন ঢাকাতে ছেলের আজিমপুর কবরস্থানে ছেলের কবরের সামনে শ্রদ্ধা জানাতে। শহীদ মাতা হাসিনা বিবিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন। ৬৮-৬৯ সালে তাকে জোর করে দেশে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি তার পাসপোর্ট আটক করে রাখা হয়। এক মাকে তার ছেলের জন্য প্রাথনা করতে দেয়া হয়নি।১৯৮২ সালে তিনি বরকত বরকত করতে করতেই ইন্তেকাল করেন।

মিরপুরে কবি মেহেরুনি্নসাকে তার বৃদ্ধা মায়ের সামনেই হত্যা করা হয়। পাকিন্তানিরা এক মায়ের সামনে তার স্নেহের দুই ছেলেকে আর তার তরুনী মেয়েকে শক্ত করে রশি দিয়ে বাধা হয়। এক বৃদ্ধা মায়ের আকুতি মিনতি, পায়ে ধরে বিলাপ কিছুতেই ওই পশুদের মন গলে নি। সেই সব ভয়ন্কর পিশাচরা ভয়ন্করভাবে ধারালো ছুরি দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে এক মায়ের চোখের সামনে তার সন্তানদের তিল তিল করে ছুরিকাবিদ্ধ করে হত্যা করল। আর সেই অসহায় জননীর তীক্ষ্ন আর্তনাদে সেদিন বুঝি মীরপুরের ধুসর আকাশের বুক চিরে গিয়েছিল, কিন্তু এতটুকু কাঁপেনি সেই প্রতিবেশী অবাঙালি পশুদের বুক।

ভাষা শহীদ আরমা গুনকে যখন ধরার জন্য মিলিটারীরা তাদের বাসা ঘিরে ফেলে তখন উনি তার মায়ের কাছে গিয়ে আনুরোধ করেন "আমাকে হয়ত এখানেই গুলি করে মারবে। আমার বিশেষ অনুরোধ, তোমরা আমার লাশটা বারান্দায় ফেলে রেখো যাতে সকলে আমার মৃতদেহ দেখে মনে মনে সাহস পায় বিদ্রোহ করার জন্যে।"

মুক্তিযুদ্ধের এক দিনে সেক্টর কমান্ডার রফিক ভিতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। চারিদিকে গোলাগুলি, বোমা পড়ছিল। তখন তিনি দেখতে পেলেন কয়েকজন মহিলা দৌড়াচ্ছেন। একজন কিশরের দ্বিখন্ডিত দেহ পরে থাকতে দেখে উনি থামলেন। একজন মা খুব শান্ত ভাবে সেই মৃত ছেলের লাশের দিয়া একমনে চেয়ে আছেন। সেই দুঃখি মা চোখ মুছে তাকে দেখে জিগাসা করলেন "তোমরা কারা?তিনি উত্তর দিলেম "মা, আমরা আপনার ছেলে”। ছেলের দ্বিখন্ডিত দেহের সামনে তখন তার মা আল্লার কাছে হাত তুলে মোনাজাত করল "আল্লাহ আমার প্রানপ্রিয় ছেলেটিকে নিয়ে গেচ্ছিস সে জন্য আমার কোন অভিযোগ নেই, আমার ছেলের প্রানের বিনিময়ে আমি এখন শুধু এই ছেলেটার জন্য দোয়া চাইছি যারা এই দেশের স্বাধিন তার জন্য যুদ্ধ করছে”। এই কথাটা তাদের সাহস মনোবল অনেক বৃদ্ধি করেছিল। পরে মুক্তিযোদ্ধা রফিক যখন গুলিবিদ্ধ হল তখন তিনি বলছিলেন আল্লার তুমি এক দুঃখি মায়ের মায়ের দোয়া কবুল কর।

শহীদ আজাদে ছিলেন ঢাকা শহরের সেই সময় সব থেকে ধনী ইউনুশ আহমেদের একমাত্র পুত্র। বিপুল অর্থবিত্তের ভিতর বড় হলেও আজাদ জীবনে তার মাকে নিয়ে অনেক কষ্ট করেছে। শহীদ আজাদ ঢাকায় গেরিলা অপারেশনে অংশগ্রহন করেন। তাকে তার বাসা থেকে তার মায়ের সামনে মারতে মারতে থানায় নেয়া হয়। আজাদ,শহীদ জুয়েল ধরা পরার পর টর্চার সেলে মিলিটারীদের প্রচন্ড মারে তাকে সিলিং ফেনের সাথে উলটা করে সারা দিন ঝুলিয়ে রাখা হয়। সারা শরীরে বেল্ট দিয়ে পিটানো হয়। তার সারা গা রক্তাক্ত হয়ে যায় মুখ থেকে রক্ত পরছে কিন্তু তারা কিছুই ফাঁস করেনি।

আজাদের মনবল ভাঙ্গার জন্য মোহাম্মদ কামজ্জামান( জামাতের উর্ধতন নেতা) সাথে করে আজাদের মাকে সামনে নিয়ে আসে। রমনা থানায় তার মাকে বলা হয় আজাদকে তার সিদ্ধিরগঞ্জ আর রাজারবাগ অপারেশনের অংশ নেয়া বন্ধুদের নাম ঠিকানা বলতে আর অস্র কোথায় লুকিয়ে রেকেছে তা বলতে। কিন্তু তাদের সামনেই আজাদের মা পুত্রকে সাহস দিয়ে বলে "বাবা রে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থাকো। সহ্য কোরো। কারো নাম যেন বলে দিও না।

আজাদ সেই রাতে থানায় মাকে বলল, "মা, ভাত খেতে ইচ্ছা করে, দুই দিন ভাত খাই না। কালকে ভাত দিছিল , আমি ভাগ পাই নাই” আজাদের মা পরের দিন টিফিন ক্যারিয়ারে করে ভাত, মাংস, আলুভর্তা, বেগুনভাজি হাতে নিয়ে মা সারা রাত থানার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। কিন্তু তাকে জানান হয় আজাদ রমনা থানায় নেই । উনি সারা রাত এক থানা থেকে আরেক থানা, এমপি হোষ্টেল, কেন্টরম্যান্ট খুজেও কোথাও আজাদকে পাওয়া যায় নি। আজাদকে আর কখনও খুজে পাওয়া যায় নি।

স্বাধীনতার যে ১৪ বছর আজাদের মা সাফিয়া বেগম বেঁচে ছিলেন তিনি সারা দিন দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকতেন। ডাকপিয়ন আসলে দৌড়ে যান তার ছেলের কোনও চিঠি আছে নাকি দেখতে। একটু শব্দ হলে তার বুক কাঁপত। তখন শেষ বার সেলে আজাদকে দেখেছিলেন আজাদ মাটিতে শুয়ে ছিল। মাটিতে খালি একটা পাটি ছিল কোন বালিশ ছিল না। আজাদের মা ওই দিনের পর থেকে কোন দিন বিছানায় ঘুমান নি। উনিও মাটিতে পাটি বিছিয়ে ঘুমাতেন। আজাদ মৃত্যুর আগে ভাত খেতে পারে নি তাই তার মা বাকি জীবনে কোন দিন ভাত খাননি। সুদীর্ঘ ১৪ বছর খালি রুটি খেয়েছেন দুইবেলা কখনো একবেলা শুধু পানিতে চুবিয়ে। ৩১সে আগষ্ট,১৯৮৫ আজাদের ধরা পরার সেই দিনেই এই রত্নগর্ভা নারীর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে। তার কবরে তার ইচ্ছা অনুযায়ি খালি একটা লাইন লিখা, শহীদ আজাদের মা।

গত ৩ তারিখ ছিল শহীদ জননী জাহানারা ইমামের জন্মদিন। রুমি যখন তার মায়ের কাছে এসে মুক্তিযুদ্ধে যেতে চাইল তখন তার মা বলেছিল "যা তোকে দেশের জন্য কোরবানী করে দিলাম।এই শেষ কথাটার জন্য জাহানারা ইমাম সারা জীবন আফসোস করেছেন। আল্লাহ মনে হয় কোরবানী কথাটি কবুল করে নিয়েছেন। উনি কেন বললেন না, যা রুমি যুদ্ধ করে বীরের বেশে স্বাধীন দেশে ফিরে আয়।তাহলে হয়তবা তার ছেলে রুমি ফিরে আসত ১৬ ডিসেম্বর।

স্বাধীনতার ৩৬ বছর পর আজও বাংলার ঘরে ঘরে হাজার হাজার আজাদের মা, রুমির মা, জুয়েলের মায়েরা নিভৃতে চোখের পানি ফেলে। পৃথিবীর সব কষ্ট হয়ত সময়ের সাথে সাথে হালকা হয়ে যায় কিন্তু সন্তান হারাবার কষ্ট কি কোন দিন কমে। জীবনের প্রতিটি দিন, প্রতিটি রাত সেই ছেলে হারানোর বেদনা বুকে নিয়ে তারা বেঁচে থাকে। মায়ের কাছে সন্তান বিদায় নিয়ে দূরে কথাও চলে গেছে। সেই শহীদ মায়েরা তাদের ছেলের মুখ আর কোন দিনও দেখতে পাবে না, তাদের ছেলেরা বর্ষার তুমুল বর্ষণে মায়ের হাতের আদরে মাখা খিচুরী খাবে না, ঘোমটার ফাঁক গলে চেয়ে থাকা মায়ের দৃষ্টি নিয়ে শরতের আকাশে ঘুড়ি উড়াবে না, কনকনে শীতের রাতে মায়ের বুকের উষ্ণতা নিবে না, ক্লান্ত হয়ে বাসায় এসে মায়ের শাড়ির আঁচলে মুখ মুছবে না, গ্রীষ্মের উত্তপ্ত দুপুরে মায়ের খোলা শীতল পিঠে কচি শরীর লেপটে ঘুমাবে না, মায়ের অনেক আদরের মানুষটি কখনই মাকে নিয়ে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশেকে দেখতে পাবে না।


 

 

  • ২৯ টি মন্তব্য
  • ৩৪৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪১
comment by: সুমি বলেছেন: Click This Link
২. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৬
comment by: সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন: সখী,
অনেক ধন্যবাদ পোস্টের জন্য.....সত্যি মনকে কাঁদিয়ে যায়.........তোর মাধ্যমে ইরতেজা ভাইকেও কৃতজ্ঞতা।
৩. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
comment by: মুক্তি বলেছেন: রুমি আমাদের দেশ, প্রানের বাংলাদেশকে যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছে এতে আমি কৃতজ্ঞ কিন্তু রুমির মা আস্ত একটা বজ্জাত।
৪. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৪
comment by: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন: স্বাধীনতার ৩৬ বছর পর আজও অসংখ্য মায়েদের চোখে জল দেখি! দেখি তাদের বুক ভরা হাহাকার ও যন্ত্রনা! এমন মায়েদের সাথে দেখা হয় প্রায় দিনই। যা সত্যি মনকে খুব কাঁদিয়ে যায়। তারপরও চেষ্টা করি এমন মায়েদের একটু সান্তনা দেওয়ার...!
৫. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৬
comment by: ইরতেজা বলেছেন: সুমি আমার লেখাটি মনে হয় শুধুমাত্র তুমি পড়েছিলে। ভাল লাগল এখন আবার অনেকেই লেখাটি নতুন করে পড়বে।

প্রিয় পোষ্টে নেবার জণ্য লগইন হলাম।

সুমি তোমায় শুভেচ্ছা।
৬. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৯
comment by: সুমি বলেছেন: ধন্যবাদ সবাই কে----
ইরতেজা ভাইয়া---
শিরোনা কিন্তু বদল করে দিয়েছি----

পরে সবার মন্তব্যের জবাব দেব এখন এশার নামাজ পড়তে যাচ্ছি তো তাই----
৭. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০১
comment by: ইরতেজা বলেছেন: সাতিয়া মুনতাহা আপনাকেও ধন্যবাদ

মুক্তি, একজন শহিদের মা কে গালি দেওয়া নিজের মাকে গালি দেওয়ার সামিল।
৮. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৩
comment by: ইরতেজা বলেছেন: সুমি শিরোনাম খুব ভাল হয়েছে।
৯. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৩
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: সুমি আপু,

এই ভিডিওটা দেখতে পারেন @!@@!2233197 !@@!2233198
১০. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৭
comment by: পজিটিভ বলেছেন: আমার এক ভাই আছে, তার চোখের সামনে মা, খালা, খালু, মামা-মামি সহকারে মোট ৭ জনকে পাকিস্তানি হানাদার রা হত্যা করেছিল। উনি ডিসেম্বর মাস আসলেই এখন-ও পাগল হয়ে যায়। ঘরের মধ্যে কাদে ডুকরে ডুকরে। তখন আমারও খুব খারাপ লাগতো।
১১. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১১
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: "প্প্বষপ্প্বজ্জ" ..... প্প্বগুপ্প্বজ্জপ্প্বক্ষ্মপ্প্বজ্জপ্প্বষপ্প্মম
প্প্ম্র
১২. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৩
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: ৫
৩৬ বছর পার হয়ে গেল তবু স্বাধীনতাটাকে খুঁজে পেলামনা!
১৩. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩১
comment by: প্প্বপ্প্বেষপ্প্ব্ত্রপ্প্বুপ্প্ম্লপ্প্ম্ম....... বলেছেন: @মাহমুদ..। কালকেই দেখছি..আর দেইখা মনে লইছে ঐ দুইটার মুখে হিসু কইরাদেই..।
দুইটা দাড়িওয়ালা মিথ্যাবাদি
১৪. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৫
comment by: প্প্বপ্প্বেষপ্প্ব্ত্রপ্প্বুপ্প্ম্লপ্প্ম্ম....... বলেছেন: @সুমি..আপনার জন্য ৫
"৩১সে আগষ্ট,১৯৮৫ আজাদের ধরা পরার সেই দিনেই এই রত্নগর্ভা নারীর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে। তার কবরে তার ইচ্ছা অনুযায়ি খালি একটা লাইন লিখা, শহীদ আজাদের মা"
.....বৃক্ষ তোমার নাম কি ... ফলে পরিচয়।
১৫. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০২
comment by: সুমি বলেছেন: মাহমুদ ভাইয়া------
আমি দেখেছি----
ভাইয়া ডাউনলোড করতে পারছি না কেন?
১৬. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১০
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: দুঃখিত, আমিও পারি নাই। ওখান থেকেই দেখেছি।
১৭. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১০
comment by: সুমি বলেছেন: " মুক্তি বলেছেন :
রুমি আমাদের দেশ, প্রানের বাংলাদেশকে যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছে এতে আমি কৃতজ্ঞ কিন্তু রুমির মা আস্ত একটা বজ্জাত।""

মুক্তি ---- আপনি কেন রুমি কৃতজ্ঞ হতে যাবেন---
আপনার কি অবদান আছে দেশের জন্য যে রুমি আপনার ডাকে তো মুক্তিযুদ্ধে যায়নি------

এমন বজ্জাত মা যদি প্রতি ঘরে থাকতো তাহলে আজ আর 'দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আরো আগেই হত -----
১৮. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৩
comment by: অজন্তা বলেছেন: @মুক্তি মুক্তিযোদ্বার মা কে গালি দিযেছেন? ভালো করেছেন ! এ সব মাযেরা ই সত‌্যি এ বজ্জাত। কেমন বজ্জাত বলুন নিজ হাতে ছেলে কে ঠেলে দিলো মরন এর কোলে।একবার চিন্তা করলো না ছেলে মরে গেলে নিজের কবোরে মাটি দিবে কে?একবার চিন্তা করলো না ছেলে মরে গেলে মা বলে ডাকবে কে? শুধুই দেশর কথা ভাবলো? সরাসরি বলেই দিলো ""যা তোকে দেশের জন্য কোরবানী করে দিলাম।" !!!

ঠিকই বলেছেন এই সব বজ্জাত মা এর জন্য ই আজ দেশ টা স্বাধীন। আর এই স্বাধীনতার আপনার মতো মানুষের কতো ক্ষতি হলো বলুন?

দুঃখ হচ্ছে আপনার জন্য- বেচারা রাজাকার
১৯. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৮
comment by: সুমি বলেছেন: ভাইয়া আসলেই ঠিক বলেছেন-------
২০. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২১
comment by: ইরতেজা বলেছেন: http://www.petitiononline.com/1971war

এই লিঙ্কটা দিতে চাচ্ছিলাম।
সুমি আবার আগের তিনটা মন্তব্য মুছে ফেলার অনুরোধ থাকল।

অজন্তা আপনার সাথে সহমত
২১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০২
comment by: ইরতেজা বলেছেন: কি লজ্জা... ছি...আমরা আমাদের নিজের মাকেও গালি দিতে দ্বিধাবোধ করি না
২২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৭
comment by: অজানা অচেনা বলেছেন: আমার ব্লগে এযুগের একজন মায়ের শহীদ পুত্রের উদ্দেশ্যে লেখা চিঠি পোস্ট করেছি। হয়তো মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মায়েদের সাথে উনার মিল কম, কিন্তু আজও , এই ছত্রিশ বছর পরও যে মায়েদের কে এভাবেই, সন্ত্রাসের কাছে তাদের রত্নরে মত সন্তানদের কোরবানী করতে হচ্ছে?এজন্যই কি দেশটা স্বাধীন করেছিল সেই সব মুক্তিযোদ্ধারা?
২৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৪
comment by: সুমি বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া ----
আমি পড়েছি----
২৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৯
comment by: অরুনাভ বলেছেন: রাজাকারদের বিচার চাই.....
২৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪০
comment by: সুমি বলেছেন: সমহত ভাইয়া-----
২৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৭
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: ধন্যবাদ সুমি
২৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৪
comment by: সুমি বলেছেন: ধন্যবাদ
২৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২
comment by: নাভদ বলেছেন: ৫
২৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৫
comment by: সুমি বলেছেন: ধন্যবাদ নাভদ ভাই

 



 


পৃথিবীর সব কিছুর বদলে আমি মা কে চাই-
তেমনি বাবাকে।
মা কে যেমন ভালবাসি তেমনি ভালবাসি দেশকে- যে মাটিতে আমার জম্ম, আমার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৪৫০৭১