প্রথমে টাইটেল সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে চাই। ইয়াহুদি-নাসারা-নাস্তিক-মালাউনদের আন্তর্জাতিক জোটের ইসলামবিরোধী হাজার বছর ধরে চলমান বৈশ্বিক ষড়যন্ত্রের এদেশীয় এজেন্ট এদেশীয় নাস্তিককুল ব্লগে এসে বাঘ সাজে। ইসলামের সমালোচনা করার স্পর্ধা দেখিয়ে যায় বার বার। অথচ এদের মুরোদ নেই শুক্রবার বাদ জুমা বায়তুল মোকাররমের সামনে এসে ইসলামের নামে টু শব্দটি করে। এদেশের লাখো মুসলিম জনতার ঈমানী জৌলুসকে তারা এতটাই ভয় করে।
যাই হোক, হাজার বছর ধরে চলমান ইয়াহুদি-নাসারা-নাস্তিক-মালাউনদের আন্তর্জাতিক জোটের ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এদেশীয় নাস্তিকেরা সাইবার ওয়ার্ল্ডে হজ্জ বিরোধী বিভিন্ন প্রচারণায় লেগেছে। এদের চর্বিত যুক্তি সমূহ অনেকটা নিম্নরূপঃ
১. একজন হাজির যদি ন্যূনতম খরচ ২৮৯০৪২ টাকা। এই হিসেবে সকল বাংলাদেশী হাজির সম্মিলিত খরচ হবে : ২৮৯০৪২* ১০৭৩৭২ = ৩,১০৩,৫০,১৭,৬২৪ টাকা (তিন হাজার একশত তিন কোটি পঞ্চাশ লাখ সতের হাজার ছয়শত চব্বিশ টাকা) মাত্র, যা ৭৫ টাকা দরে ৪১,৩৮,০০,২৩৫ ডলার (একচল্লিশ কোটি আটত্রিশ লাখ দুইশত পয়ত্রিশ ডলার) এর সমতুল্য। বাংলাদেশের মত গরীব দেশে এত টাকা খরচ করাটা অযৌক্তিক। বরঞ্চ এই টাকা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও গরীবদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ব্যবহৃত হতে পারে (উৎস্যঃ জনৈক মডারেট মুসলিম পরিচয় দানকারী চুপা নাস্তিকের ফেসবুক স্ট্যাটাস, যাকে আমি ফ্রেন্ডলিস্ট হতে গদাম দিয়েছি)।
২. হজ্জ একটি পৌত্তলিক প্রথা, যা ইসলামের স্ববিরোধীতার প্রমাণ। (উৎস্যঃ উপরে বর্নীত ব্যাক্তির আরেকটি স্ট্যাটাস)।
৩. বাংলাদেশ থেকেই যদি ১০ লাখ লোক যায়, আর মক্কায় এবার টোটাল হাজী যদি ৩.৭ মিলিয়ন হয়, তাহলে টোটাল হাজীদের কত ভাগ বাংলাদেশী? উল্লেখ্য যে ১ মিলিয়ন=১০ লাখ! বাংলাদেশীদের আসলেই পয়সার মায়া নাই! কে বলে বাংলাদেশ মিসকিনের দেশ? সৌদি হজ রেভিনিউর ৩০% বাংলাদেশ থেকে যায়। (উৎস্যঃ নাস্তিকদের এক ফেসবুক পেজে জনৈক হতভাগা নাস্তিকের পোস্ট)
এরকম আরো বহু প্রচারণা ব্লগ এবং ফেসবুকে চালিয়ে যাচ্ছে ভার্চুয়াল বীর নাস্তিককূল।
মোমিন ভাইদের প্রতি আমার আহবান, নাস্তিকদের প্রচারণায় বিভ্রান্ত হবেন না। আল্লাহর ডাকে সারা দিতে তিন হাজার কোটি কেন, তিন লক্ষ কোটি টাকা খরচ করতেও এদেশীয় দ্বীনি জনতার কার্পণ্য হবে না কখনো, ইনশাল্লাহ! হারাম জাতীয়তাবাদী চিন্তাভাবনায় আক্রান্ত না হয়ে সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে এক জাতি হিসেবে বিবেচনা করুন। আপনার টাকায় আপনার হজ্জ পালিত হওয়ার সাথে সাথে অনেক ঈমানদার ভাইয়ের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। ব্লগের বাঘ, বায়তুল মোকাররমের মেকুর নাস্তিকদের কথায় কান দেবার প্রয়োজন নেই। তাদের প্রতি চ্যালেঞ্জ রইল এই বক্তব্যগুলো শুক্রবার বাদ জুমা বায়তুল মোকাররমের সামনে এসে দেবার জন্য। তাহলেই তাদের বেঈমানী তাগদের পরীক্ষা হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

