আমার প্রিয় পোস্ট

ক্যানবেরার খেরোখাতা ৮

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০২

শেয়ার করুন:                   Facebook

বেশ অনেকদিন পর লিখতে বসছি। আজকাল কি যে হয়েছে আমার, নিজেই সেটা বুঝতে পারি না। লেখকরা অনেক সময় বলে থাকেন " লেখা আসছে না ", ক্রিকেটাররা বলে " ফর্ম নাই " । আমি লেখকও নই, ক্রিকেটারও নই ; একজন সাধারন ব্লগার মাত্র । আজকাল একদমই লিখতে ইচ্ছে হয় না। এটাকি অলসতা ? মনেতো হয় না। ব্যস্ত দিন শেষ করে যখন বাসায় এসে কিছুই করতে ইচ্ছে হয় না। নিত্যকার অভ্যাস বসত সন্ধ্যায় পিসির সামনে বসি, বন্ধুদের সাথে আন্তর্জালিক আলাপ চারিতায় মেতে উঠি, একটু আধটু আন্তর্জালিক জগতে ঘোরাফেরা করে পিসি বন্ধ করে ঘুমুতে যাই। সকালে উঠে সেই নিত্যকার জীবন। আমার এক বিলাত প্রবাসী বন্ধু বলে এ জীবনকে বলে ' ব্লাডি ডগি লাইফ '।

এই ব্যস্ততা - এই ফুসরত, এভাবেই চলছে জীবন। সকালে উঠে কাজ, সন্ধ্যায় ফায়ার প্লেসের পাশে বসে আয়াস করে এক কাপ চা, একটু রাত করে টিভিতে অলিম্পিক দেখা; জীবনটা যেনো একটা লুপের মাঝে আটকে পড়া। কম্পাইল করেছি , ডিবাগ করেছি, টেস্টিংও শেষ কিন্তু জীবন নামের সিস্টেমটাকে বাগে আনতে পারছি না। হয়তো জীবন নামক উপন্যাসের প্রথম পাতা পড়া শেষ করেছি, হয়তো মৃত্যুর আগ মুহুর্তে উপন্যাসের শেষ পাতায়ও পৌঁছুতে যখন পারবো , কিন্তু তখন মনে হবে জীবনের কিছুই দেখা হলো না, অনেক কিছুই পাওয়া হলো না।আমার মা বলেন, অল্পতে সন্তুস্ট হতে পারলে নাকি জীবনে সুখি হওয়া যায়। কথাটি সুখ হবে না শান্তি হবে ? কি সব লিখছি সেটা নিজেই বুঝতে পারছি না। আজ কাল জীবন ও জীবনের অর্থ নিয়ে আবঝাব ভাবছি নিজের মনেই।

অবশেষ সরকারের খাতায় শীতকুমারের নাম কাটা যাচ্ছে বলে ! আর মাত্র দু সপ্তাহ। বসন্তকুমার আসছে। কিন্তু ঠান্ডা কমার কোনো লক্ষন নেই। গত রাতেও মনে হয় মাইনাসে ছিলো, আজ ঠান্ডা একটু আধটু কমলেও রুম হিটার চালিয়ে ঘরে বসে থাকা ছাড়া উপায় নেই। মাঝে সাজে বিড়ি টানার জন্য বাহিরে যেতে হলেও কখন ঘরে ফেরত আসবো সেটার জন্য মনের স্টপওয়াচটা পাগলের মতো দৌড়ুতে থাকে।

বড্ড অলস হয়ে যাচ্ছি আজ কাল। প্রতি সকালে নিত্য অভ্যাস মতো খবরের কাগজে চোখ বুলালেও আশাবাদী হবার মতো কিছু পাই না। দেশ যেমন ছিলো সেরকই থাকছে, অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। যা ভেবেছিলাম সেটাই হচ্ছে; ভদ্রবেশী চোরগুলো এক এক করে বের হয়ে আসছে। দাবার গুটির চাল চালছে কিছু ভাঁড়, দেশ গোল্লায় গেলে যাক এমনই এক ভাব। আমরা ম্যাংগো জনতা দেখছি এবং অসহায় হয়েই দেখছি। রাজনীতির খবর গুলো পড়লে মনে হয় পর্ন পড়ছি। রাবিশ।

কদিন আগে কুয়েত থেকে এক কাপড়ে ফেরত আসা বাংলাদেশী ভাইদের খবর পড়ে মনটা প্রচন্ড খারাপ হয়ে যাচ্ছিলো। রক্তমাখা শরীরে লোকগুলোর কান্নামাখা অসহায় চেহারা দেখে রাগে-ক্ষোভে-কস্টে চিৎকার করে অনেককিছুই বলতে ইচ্ছে হচ্ছিলো, কিন্তু পারিনি। পত্রিকার পাতায় যখন পড়ি, দূতাবাসের কর্মচারী-কর্মকর্তাদের নির্লিপ্ত আচরন তখন ইচ্ছে হয় সেই বরাহ নন্দনদের পশ্চাত দেশে কষে লাথি মেরে বলি " কুত্তাকি আওরাত, তোগো বেতনতো আমগো ট্যাক্সের টাকা থেইকাই আসে, সেইটা কি ভুইলা যাস ? হারামখোরের দল "। কিন্তু সামনে যখন হাইকমিশনের অমুক-তমুক আমলা আসে তখন হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলি " ভাই কেমন আছেন ? "

নলেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম নিয়ে বিশাল একটা রিপোর্ট লিখতে হবে, সেটাও ধরা হচ্ছে না। অথচ এক গাদা বই এনে বাসায় স্তুপ করে রেখেছি। প্রতিদিনই ভাবী শুরু করবো কিন্তু শুরু করা আর হয়ে উঠে না। মনে মনে একটা খসরা দাঁড় করিয়েছি, সেটাকে একটু ঘসা মাজা করতে হবে। কিন্তু করা হয়ে উঠছে না। কাম অন মাইট, কাম অন।

আদার ব্যাপরির জাহাজের খবর রাখার মতো আন্তর্জাতিক ব্যপার নিয়েও মাথা ঘামাচ্ছি! রাশিয়া-জর্জিয়া যুদ্ধ দেখছি। হয়তো যুদ্ধের পেছনে কারন হিসেবে অনেক কিছু বের করে ফেলা যাবে কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে এটাকে রাশিয়ার জন্য একটি টেস্ট কেস হিসেবে দেখছি। পরাশক্তি হিসেবে পুনারায় দাঁড়াবার জন্য পেশী শক্তি দেখাবার একটি সুযোগ। দর্শকরা কি প্রতিক্রিয়া দেখায় সেটা দেখার একরকম উদগ্র নোংরা আগ্রহ। কিন্তু খেলাতো সবে শুরু। সামনে অনেক কিছুই দেখতে হবে। মানুষ শান্তি চায় কিন্তু শান্তিতে থাকতে পায় না। শিল-পাটায় যুদ্ধ , মাঝ খানে অসহায় মানুষগুলোর কস্ট।

এলিফ্যান্ট রোডের মল্লিকার গলির মুখে মুন্সির দোকানের কথা মনে পড়ছে, একসময় অনেক বাকি খেয়েছি মুন্সির দোকানে। সেদিন মানুকায় কফি শপে কাজ করা ইটালিয়ান লোকটিকে দেখে মনে হচ্ছিলো মুন্সিও যেনো বসে আছে। ওইতো মুন্সি। ঢাকায় গেলে মুন্সির খোঁজে যেতে হবে। আচ্ছা মুন্সি কি আমাকে চিনতে পারবে? সময়তো কম হলো না ! এক নয় দুই নয় , এগারোটি বছর। সময় কিভাবে চলে যায়। মনে হয় এইতো সেদিন।
আচ্ছা মাসকট প্লাজার পেছনে এনাম ভাই কি এখনো হাসি মুখে চা বানান ?

বাসার খুব কাছেই মানুকা ওভাল। অজি উচ্চারনে ' মানেকা ওভাল '। কথায় আছে না মক্কার লোক হজ্ব পায় না। বাসার এতো কাছে মানুকা ওভাল কিন্তু খেলা দেখতে একবারো সেখানে যাওয়া হয়নি। গত কমাস আগে ভারত-শ্রীলংকা ক্রিকেট হলো, যাওয়া হয়নি। কিছু দিন আগে ছিলো সিডনী সোয়ানের সাথে ওয়েস্টার্ন বুলডগের ফুটি ম্যাচ ,যাওয়া হয়নি। আমি অবশ্য ফুটি বা রাগবি কোনোটাই ঠিকমতো বুঝতে পারি না। তবে রাগবিটা একটু ভালো লাগে। বেশ মারদাঙা খেলা। মারদাঙায় আবার আমার বিশেষ দূর্বলতা আছে।

পড়াশোনা করার অভ্যাসটো মরে যাচ্ছে। সামনের সপ্তাহ থেকে লাইব্রেরীর দিকে হাঁটা দিতে হবে আবারো। শুনেছি আমার প্রিয় অরুন্ধতীর একটা বই এসেছে। বইটা পড়তে হবে। সাথে কিছু ফিকশন হলে মন্দ হয় না। বাবা এসব বইকে বলতেন আউট বই, আউট বই পড়লে নাকি পড়াশোনা নস্ট হয়। কিন্তু সেই বাবাই আমার জন্য আউট বই কিনে আনতেন। আমার নিজের নামে পারিবারীক লাইব্রেরীও করা হয়েছিলো। আবার সেই আউট বইয়ের জগতে ফেরত যেতে হবে।

 

 

  • ৩২ টি মন্তব্য
  • ২৭৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮
comment by: অক্ষর বলেছেন: হুম, পড়লাম
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: হুম, ধন্যবাদ

২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: আমারও সেইম প্রব্লেম - লায়ব্রেরের হাজার খানেক বই ধুলোটুলো মেখে যাচ্ছেতাই।
৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: তবে মজার কথা হলো, প্রথম দিকে এসে swi নেশার মতো হয়ে গিসলো, ভেবেছিলুম ছাড়া যাবে না - কিন্তু এখন সমস্ত আসক্তি কেটে গ্যাচে!
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: তো এক কি ভেবেচেন দাদা ? আচক্তি কেটে গেচে না বেরেচে ! ;)

৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১২
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: আপনার লেখাটার শুরুর অংশটা পড়ে মন কিছুটা বিষন্ন হয়ে উঠলো।
নিজেও একটা লুপের মধ্যে পড়ে গেছি।
ইয়েস হলে পরের স্টেপে যাও। নো হলে আবার ফিরে যাও আগের স্টেপে। এভাবেই চলছে জীবন।
অরুন্ধতীর নতুন বইটার নাম কি?
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: ঠিক নতুন বই নয়। আমার জন্য নতুন কারন বইটা পড়া হয়নি :(

৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫
comment by: কাপালিক বলেছেন: লিখা তো শুরু করতে পেরেছেন শেষ পর্যন্ত। আর না থামলেই তো হয়। চলতে থাকুক এটাও নিজের ইচ্ছে মতই। ভালো লাগলো অনেকদিন পর আপনাকে দেখে।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: সুমন ভাই ,.. আপ্নের সিরিজটা একটানে পড়ুম .. ইচ্ছা আছে ।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয় :)

৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: ম্যালা দিন পরে ডায়েরি পাইলাম:)
জর্জিয়া সাধ কইরা শিল-পাটার মাঝখানে মরিচ হইতে গেসিল,এখন ডলা খাইতাসে,কিসু করার নাই।
দেশ নিয়া আর কি কমু,তবে দূতাবাসের লোকগুলা পিছনে লাথি মারার ব্যাপারে একমত।
সবার শেষে,বস্,ফুটি ম্যাচ টা কি জিনিস???
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ফুটি ম্যাচ টা কি জিনিস সেইটা জানতে হইলে নিচে নোক্সেনডারের কমেন্ট যাও :) অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল। তবে হাত - পা দুইটাই ব্যবহার করা যায়। গোলপোস্টের সে সাইজ তাতে শতটা গোল আমিও করতে পারবো ;)

৮. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২১
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: খেরোখাতার পৃষ্ঠা উল্টাতে এতোদিন লাগলে তো ভালো কথা নয় ।

একারনে মাইনাস দিয়েছি , যদিও ভুলক্রমে প্লাসে ক্লিক পড়ে গেছে । :)
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: খেরোখাতাটাকে মাঝখানে হাড়িয়ে ফেলেছিলম গুরু। আপনার ছবি দেখলাম। ওজন মনে হয় কিছুটা বেড়েছে !

৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬
comment by: মুকুল বলেছেন: হু ম ম...আবার সেই আউট বইয়ের জগতে ফেরত যেতে হবে...
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: হু ম ম রয়্যাল ডিস্টিকের ক্যামনে উচ্চারন করে ? :)

১০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭
comment by: নোক্সেনডার বলেছেন: এতদিন পর পর দেন কেন? ডেইলী না হোক ৩/৪ দিন পর পর লেখা চাই।

ব্যস্ততা থাকবেই, এরপরেও জীবন চলে, শুধু সামনে। আমি একটু লাকী, এখনও এত ব্যস্ততা আসে নাই :)। ঠান্ডা নিয়ে আরও একটু বেশি কষ্টে আছি :(। গত সপ্তাহে একটু বরফ পড়ছে। ফলাফল মনে হয় ঠান্ডা আর কমবে না :|। বাসার পাশেই এম.সি.জি, গত ৫ বছরে মাত্র একবার যাওয়া হইছে। ফুটি আমারও পছন্দ না। রাগবী আর সকারের হাইব্রীড একটা মেয়েলী খেলা।

পড়ালেখা আর পড়ালেখা :| ২টা প্রজেক্ট ডিউ আছে সামনে :(। যাই কই।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: পড়া লেখা করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে ;)

১১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১
comment by: অরুনাভ বলেছেন: হুমম....... সবারই ছকে বাধা জীবন......
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: সেইটাই মামা

১২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৬
comment by: সাইফুর বলেছেন: মাহবুব ভাইয়ের সিরিজটা বরাবরই ভালো লাগে
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: কাছিম ভাই এর টুপি টা বড়ই সোন্দর

১৩. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০৪
comment by: নিরক্ষর বলেছেন: বরাবরের মত এবারেরটাও পড়লাম। ভাল লাগল।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য

১৪. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৬
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অলিম্পকস প্রসংগে মনে পড়লো কথাটা

আচ্ছা , অসিরা কি সব জায়গাতেই খোঁটাখুটি করতে পছন্দ করে ? কোন ক্রীড়া প্রতিযোগোতায় গিয়ে নাক সিঁটকানোর স্বভাবটা সবসময় এই দলটার মাঝে দেখি
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: হাঁ, এটা বড্ড চোখে লাগে এটা। অনেকটুকুই নাক ঊঁচা স্বভাব কিছুটা হোয়াইট সুপ্রেমিসীর মতো অশ্লীলতার কারনেও।

১৫. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: একটানে পড়লাম ... গত দুমাস ধরে যেসব বিষয়ে ব্লগ লিখব লিখব মনে হয়েছে, কিন্তু লিখতে পারছিলামনা, সবগুলা বিষয়ই একপোস্টে তুলে ধরলেন দেখি ... মাইনাস ;)
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: প্রিয় চাচ্চু,
আপনার লেখা মিস করি অনেক অনেক।
মাইনাস ডেবার জন্য আপনাকে উত্তম ঝাঝা ;)

১৬. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: দেরিতে পড়লাম। একটানে পড়লাম। কতততত বিষয়, কিন্তু কী সাবলিল ভাবে বলা। ভাল লাগছে।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার মতো মানুষের ভালো লেগেছে বলে অন্যরকম ভালো লাগে, লিখতে সাহস পাই।

১৭. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
comment by: দূরন্ত বলেছেন: ব্লাডি ডগি লাইফ -এর গল্প। ভালো লাগলো।

 



 


এবার লোকের ঘরে ঘরে যাবে
সোনালী নয়কো, রক্তে রঙিন ধান,
দেখবে সকলে সেখানে জ্বলছে
দাউ দাউ করে বাংলা দেশের প্রাণ॥

আমার তড়িৎ ঠিকানাঃ
sumon.5554@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৫৪০২২