আমার প্রিয় পোস্ট

৮৭-০৮

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

১৯৮৭, সে সময় কুড়িগ্রামের ছোট্ট এক উপজেলা শহরে আমাদের আস্তানা। বাসার ছাদ থেকে দূরের তুরা পাহাড় দেখে মনে হতো সেই পাহাড়ে রাক্ষস-খোক্কসের আস্তানা। চিলমারীর বন্দর থেকে ইন্জিন বোটে করে রৌমারী হয়ে চর রাজিবপুর। সেখান থেকে মটরবাইকে করে তুড়ার পাদ দেশে যাওয়া যেতো। দু দেশের সীমান্ত নির্ধারন করা হয়েছে ছোট্ট এক পাহাড়ি নদী দ্বারা। অসাধারন এক দৃশ্য। পাহাড়ের উপরে বিএসএফ এর ক্যাম্প। মনে হবে হাত বাড়ালেই তুরা।

যাই হোক, প্রতি বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক হাট বসতো সেখানে। রাজবাড়ীর মাঠ হতে শুরু করে ওপাশের কলেজের পর্যন্ত বিশাল এক হাট। হয়তো বয়স কম ছিলো বলেই সব কিছু বিশালাকায় মনে হতো। অনেক কিছুই মনে নেই তবে মাইকে পাহাড়ী গরুর মাংস বিক্রি করার হাঁক ডাক মনে আছে। নামে পাহাড়ী হলেও আদতে তা ছিলো ভুটানী গরু বা ওপার হতে আনা গরু, কেজি প্রতি ৮ টাকা।
শুনেছি গরুর মাংসের কেজি এখন ২০০ টাকা। ২১ বছরে দাম বেড়েছে ২৫ গুন, আয় কি ২৫ গুন বেরেছে?

 

 

  • ১৫ টি মন্তব্য
  • ২৪৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৮
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: কখনো যাওয়া হয়নি ওদিকটায়........।শুধু কুড়িগ্রাম এ গেছি..........শুনেছি খুবই সুন্দর রৌমারী ।ভুরুঙ্গামারী (আমার ছোটবেলার এক বন্ধু ওখানে কলেজে পড়ায়)।
যদিও মানুষের জীবন যাত্রা অনেক কষ্টের ওখানে।
আমাদের লালমনিরহাট থেকে তো একদম কাছেই.......
শুভেচ্ছা রইলো........।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬

লেখক বলেছেন: কুড়িগ্রাম বাংলাদেশের সবচাইতে গরীব জেলা, প্রতন্ত গ্রামে গেলে নিঃষ্ঠুর বাস্তবতা টের পাওয়া যায়।
ধন্যবাদ সাজি পড়ার জন্য। ঐ অন্চলটা আমার খুবই প্রিয়।

২. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৬
comment by: ~টক্স~ বলেছেন: আমার জন্মস্থান রাজশাহী হলেও কখনোই কুড়িগ্রামের যাবার সুযোগ হয়ে উঠেনি। জানিওনা কোনওদিন যাওয়া হবে কিনা !!! বাংলাদেশটাকে ভাল করে দেখতে খুব ইচ্ছে করে মাঝে মাঝে। জিনিসপত্রের দাম সবজায়গাতেই বাড়ন্ত। আপনাদের ক্যানবেরার কথা ভাল বলতে পারিনে তবে সিডনীতে তো এই অত্যাচার কিছুটা হলেও আছে। আর বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির কারনে সেই সমস্যা আরো প্রকোপ আকারে দেখা দিয়েছে। জিম্বাবুয়ের মতন অবস্থা না হলেই হয় আমাদের।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: আপনিও ক্যাঙারুর দেশে নাকি ! জানতুম না তো ! আপনার কবিতা পড়ি কিন্তু।

৩. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৩
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: বাড়ে নাই। কিন্তু আরেকটু বড় কইরা লেখলে হইতো না বস?
৪. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৮
comment by: অরুনাভ বলেছেন: হুমম.........
৫. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬
comment by: মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: নিজের এলাকা আর তার জীবন যাপন নিয়ে এত ছোট লেখা কেউ লেখে ?? আপনারে মনে মনে মাইনাস দিলাম...

কুড়িগ্রাম, নিলফামারী, লাল মনিরহাট গিয়েছিলাম...অনেক স্মৃতি আছে আমার...
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: য়াযাদ ভাই, ঐ এলাকায় আমার শৈশব কেটেছে। অনেক কিছুই মনে নেই।

৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১২
comment by: আবু সালেহ বলেছেন:
শুনেছি ওপাশটা বেশ সুন্দর....
যাওয়া কখনো হবে কিনা যানিনা....

আর আয়.....সে ৫গুন বেড়েছে কিনা সন্দেহ....
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আবু সালেহ, অনেক দিন আপনার কমেন্ট পেলাম।

৭. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৭
comment by: ফয়সল নোই বলেছেন: আপনাকে এখন আর দোস্ত বা শাখামৃগের মতো লাগছে না:)লাগছে ড্রাগন আন্কেলের মতো:)এমন টাক না থাকলে লাইফই মিছা:)
৮. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
comment by: নুশেরা বলেছেন: সুমন, অদ্ভুত সুন্দর একটা স্মৃতিচারণের সম্ভাবনাকে হঠাত্ শেষ করে খুব প্রাসঙ্গিক একটা বিষয় টেনে শেষ করে দিলেন... আপনার লেখার ধরণটি খুব পছন্দ করি; পোস্টের আয়তনের স্বল্পতার প্রতি একাধিকবারের মতো অভিযোগ করলাম।

আমার নানার কাছে শুনেছিলাম, বৃটিশ আমলে নাকি সোনার বাজার-দামের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পে-স্কেল ঠিক করা হত। উনি শুল্কবিভাগের পরিদর্শকের চাকরিতে ঢুকেছিলেন আড়াই ভরি সোনার দামের সমান বেতনে। সে হিসেবে দেখুন এখনকার হাল! "আনা" দূরে থাক, "রতি"র হিসেবে বেতন :(
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১৩

লেখক বলেছেন: ফলাফলঃ ঘুষ/উপরি/গিফট ছাড়া উপায় নাই। হয় বাঁচো না হয় মরো। সততা কি জিনিস সেটা মৃত্যুর পরে দেখা যাবে। ভালো লাগে না এসব আর।

৯. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৯
comment by: নুশেরা বলেছেন: অভিযোগ=অনুযোগ
১০. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৫
comment by: লাল দরজা বলেছেন: অফ টপিক: ভাইজান আনু স্যারের লগে কথাবার্তা হইছেত, ঐ লোকে মেইল কর্লেকরুক আমার দর্কার ঐ ভিডিওর মত সেরকম একটা জবানবন্দি মোটামুটি দশ/পনর মিনিটের ভিডিও ডিভি ক্যামেরায় ট্রাইপডের ওপর দুইরকমের শটে(ক্লোজ ও মিডিয়াম) মোটামুটি সে যা বলতে চাচ্ছে তার কয়লা আবিষ্কার ও পরে সেটা নিয়ে তার অনুতাপ ও এর কারন। ব্যাস এইটুকুই হয় আপনে তুলবেন নয় কাউরে দিয়া তুইলা আমারে পাঠাইয়া দিবেন ব্যাস। আর কিছু বুঝি কম;) আপ্নের ফোন নাম্বারটা মেইল কইরে আমারে ঢাকা থেকে কর্লে কোড নাম্বার সহ। ঢাকা টাইম কোন টাইমে কর্লে আপ্নেরে পাওন যাইব বিস্তারিত জানাইয়া মেইল কইরেন। ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা। :)

 



 


এবার লোকের ঘরে ঘরে যাবে
সোনালী নয়কো, রক্তে রঙিন ধান,
দেখবে সকলে সেখানে জ্বলছে
দাউ দাউ করে বাংলা দেশের প্রাণ॥

আমার তড়িৎ ঠিকানাঃ
sumon.5554@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৫৪০১৯