somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডুমরি (একটি প্রকাশিত গল্প)

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

“No one can claim the name of Pedro
nobody is Rosa or Maria,
all of us are dust or sand,
all of us are rain under rain.
They have spoken to me of Venezuelas,
of Chiles and Paraguays;
I have no idea what they are saying.
I know only the skin of the earth
and I know it has no name.”

Pablo Neruda


ওরে ডাকি, ডুমরি। গামছার এক মাথা বান্ধি গ্যাস অফিসের লোহার বেড়ার মধ্যে, আরেক মাথা মিউনিসিপ্যালিটির ডাস্টবিনের আংটায়। সেইখানে শোয়াই ওরে, দোল দেই। ডুমরি কী যে খুশি! দোতলা বাসে যাইতে যাইতে জানলা দিয়া লোকে অবাক দ্যাখে আমার কাণ্ড। আমিও খুশি। নিজেরে মনে হয় মহারাণী। ডুমরি খিলখিল কৈরা হাসতেই থাকে। আর আমি যখন ফুটপাতে বিড়ি টোকাইতে যাই, বা কোনো ভদ্রলোকের আস্তিন টাইনা ধরি খয়রাতির আশায় -- ডুমরি আমারে দ্যাখে ঘাড় ঘুরায়া ঘুরায়া। বয়স এক বছরও হয় নাই, কিন্তু সব বুঝতে পারে সে। এমন পাকনা!

রাইতের বেলায় কনডম বিলাইতে আসে যে আপা, খুব নাকমুখ কুঁচকায়। বলে, দুর, ডুমরি আবার কেমন নাম? ওর ভাল নাম কী রাখছো? আমি কৈ, একটাই। ডুমরি। এই নাম ক্যান, নামের অর্থ কী? ক্যান আবার, আমি কৈ, ডাকতে ভাল্লাগে। অর্থ কী জানি না। তবে ডাকার সময় মুখটা ভৈরা যায়। দ্যাখেন দ্যাখেন, ডাকলে কেমনে ফিরা-ফিরা চায়... আমি কনডম-আপারে দেখাই। গলা চড়ায়া ডাকি, ডুম্রিইইইই! কাপড়ের পুটলির মধ্যে কিলবিল নড়ে আধাঘুমন্ত এই প্রাণীটা। উপুড় হৈয়া যায় নিজে-নিজে। তারপর ঘাড় তুইল্যা এদিক সেদিক চায়। আমারে দেখতে পায়, আর সাথে-সাথেই কী যে হাসি! এক্কেবারে মাড়ি বাইর কৈরা হাসে আমার পোলা।

কনডম-আপাও হাসে। কয়, একটা ভাল নাম রাইখ শেফালী। নাইলে বড় হৈয়া তোমার পোলা মুখ দেখাইতে পারব না।

মুখ না দেখাইবার কী আছে?

আমার অবাক লাগে। জন্ম রেজিস্ট্রি করতে আসল যে আপা, ওই যে পান-খাওয়া, মাথায় রুমাল, মুখে গুটি গুটি দাগ -- সেও খুব কৈল। এইটা কোনো নাম হৈল? আসল নাম বল? আমি কৈলাম, এইটাই নাম, আসল নকল আপনেরা বুঝবেন। রেজিস্ট্রি-আপা গম্ভীর হৈয়া যায়, একটা আরবি নাম তো রাখা লাগে। দুনিয়াদারির ব্যাপার আছে, বেহস্ত-দোযখের ব্যাপার আছে। এই নাম দিয়া তো চলে না।

কী চলে না?

আমি তো দেখি সবই চলে। চ্যালচ্যালায়া চলে। সকালবেলা ডুমরিরে কোলে নিয়া রাস্তার মাঝখানের আইল্যান্ডে যখন রোদ পোহাই, কানের পাশ দিয়া শোঁ শোঁ নানান কিসিমের গাড়িই তো চলে। আইল্যান্ডে বৈসা ডুমরিরে কোলে নিয়া গাড়ির চাকার যথাসম্ভব কাছে ধরি। ডুমরি খলখল কৈরা হাসে। আমিও হাসি। আনাড়ি ড্রাইভার হৈলে দূর থিকাই হর্ণ দিতে থাকে, কাছে আইসা কড়া ব্রেক করে। গাড়ি থামায়া কড়া কড়া গালি দেয়। বলে, খানকি কোনখানের, জারজ বাচ্চা এতিমখানায় দিতে পারস না? আমার চাক্কার তলে ক্যান? শুইন্যা আমি আরো হাসি। বলি, ভাইসাব, বাচ্চা তো চাক্কার তলে দেই না। এট্টু খেলি!

আবার কোনো কোনো দিন রাগও হয়। চিল্লাই। হওরের পুত, জারজ বাচ্চা তরে কৈছে কেডা? আমার পেট কি তুই বান্ধাইছিলি?

ড্রাইভার তখন ভাগে। সে বান্ধায় নাই। কিন্তু জানতে চায় সে বান্ধাইছিল। সবাই জানতে চায়।

রেজিস্ট্রি-আপাও জানতে চাইছিল। গলা নামায়া আমারে কৈল, শেফালী বেগম, পোলার বাপের নাম যে লাগে! বাপের নাম ছাড়া জন্ম রেজিস্ট্রি হয় না।

এইটা কোনো সমস্যা? আমি হাসি।

ওই যে জুতা সেলাই করে ল্যাংড়া ফরু, তখন আমার পোলার সাথে খেলতেছিল। সেইদিকে তাকায়া কৈলাম, লেখেন ফরু, ফরিদ মিয়া। দূর থিকা শুইন্যা ফরু চমকায়া ওঠে। আমার দিকে তাকায়, কয় না কিছু। আপা চইল্যা গেলে ল্যাংড়াইতে ল্যাংড়াইতে আসে। জিগায়, শেফু কার নাম কৈলি তুই? অয় কি আমার পোলা?

আমি হো হো হা হা কৈরা হাসি। দেখাদেখি আমার পোলাও। ফরুরে তখন এমন বোকাচুদা লাগে!

কামাইল্যাও কি বোকাচুদা কম? হারামির পোলা আমারে শাদী করছিল একবার, কৈরা কি কম চুদুরভুদুর করছে? আগে রিকশা চালাইত, হেরোইন ধরার পর এখন পান্থপথের মোড়ে খাড়ায়া মাইনষের ঘড়ি গয়না থাপা দেয়। শাদী কৈরা আমারে কয়, কত ট্যাকা আছে বাইর কর। হালিমার বস্তিতে ঘর ভাড়া লৈয়া থাকুম। হালার পুত, আমারে ভোদাই পাইছিল। আমি সাফ সাফ কৈয়া দিছি, ট্যাকা নাই। কুত্তাবিলাই খাওয়াইবার লাইগ্যা ট্যাকা জমাইবার বেটি আমি না। দুইদিন পর মুখের ওপর তালাক দিল আমারে। কী ভাবসাব, যেন তালাক হুনলেই আমার মাথায় আসমান ভাঙ্গব! আমি কৈলাম, যাঃ ফুট! ফুটল না জাউরার পুতে, মাথা ঘুইরা পইড়া গেল। ব্যাড়া ওঠছিল। কিন্তু সপ্তা পরেই আবার আইসা শুইল আমার সাথে। আগের নিয়মে। বিশ ট্যাকার একখান নোট দেখাইল সোয়ামী, শরীল চায়। এখন তো প্রায়ই আসে, আগে ট্যাকা দেয়।

কামাইল্যার বোকাচুদা হওনের কথা কৈতেছিলাম। ভোটার লিস্টিতে নাম উঠাইতে যেদিন লোক আসল, আমি ডুম্রিরে লৈয়া আইল্যান্ডে শাড়ি শুকাইতেছিলাম। ওরা আমার নামঠিকানা লেখল, স্বামীর নাম জিগাইল। একজন আবার মুচকি হাসি দিয়া কৈল, স্বামী পাইব কৈ, বাপের নামই কও।

আমি স্বামীর নামই কৈলাম।
: লেখেন, কামালউদ্দীন।
: বাপ?
: পোলার বাপ।

ডুমরিরে দেখাই আমি। রাইতের বেলা কামাইল্যা আসল হাঁপাইতে হাঁপাইতে। হাতে ট্যাকা নাই। আন্ডারপাসের গোড়ার মধ্যে মায়ে-পোলায় ঘুমাইতেছিলাম। আমার কাঁচা ঘুম ভাঙায়া বোকাচুদায় জিগায়, শেফু, সত্যি ক’, অয় কি আমার পোলা? উত্তেজনায় ওর নিচের ঠোঁট ঝুইল্যা পড়ছে।

সেই থিকা ফরু আর কামাইল্যার কী যে হৈল! ডুমরিরে দোলনায় শোয়াইয়া এদিক সেদিক গেলে আইসা দেখি, হয় ফরু -- হাতে বনরুটি, না-হয় কামাইল্যা -- হাতে ঝুনঝুনি। বনরুটি হাতে ফরু থতমত হৈয়া কয়, তর পোলার ক্ষিধা লাগছিল মনে হয়, কানতেছিল। আমি হাসি। পোলা আমার ক্ষিধা লাগলেও কান্দে না। আবার কামাইল্যা আমার পোলার লাইগ্যা ঝুনঝুনি কিন্যা আনে। আইন্যা কয়, টোকায়া পাইলাম, তর পোলার লাইগ্যা রাইখ্যা দে। দ্যাখ দ্যাখ, ঝুনঝুনি বাজাইলে তোর পোলা কত্ত খুশি!

আরেকদিন কামাইল্যা আইসা কয়, শেফু চল ঘুইরা আসি। চিড়িয়াখানায়। একলা একলা চিড়িয়াখানা দেখতে মজা নাই। বাঘভাল্লুক দেখতে হয় দল বাইন্ধা। আমার হাত ধৈরা কয়, চল তোর পোলারে পশুপাখি দেখাইবি। অমনি কৈত্থিকা ফরু আইসা হাজির। আমারে কয়, খবর্দার যাবি না তুই হেরোইন্চির লগে। হালার মতিগতি ভালা না। চান্স পাইলে তোর পোলারে বেইচ্যা দিব।

এত্ত সহজ! হাসি আমি।

ওরা কিন্তু মারামারি লাগাইল। শেষে আমি রফা করলাম। কৈলাম, আমার পোলায় তো বাঘভাল্লুক দেখবার চায়। ঝগড়া কৈরা লাভ নাই, দুইজনেই চল! কামাইল্যা কয়, ল্যাংড়ার খরচ আমি দিতে পারুম না। ফরু কৈল, সে নিজেই দিবে।

একদিন ফরু আইসা বসল আমার পাশে। চেহারা গম্ভীর। কৈল, আইচ্ছা, পোলার নামের কথা কিছু ভাবছস শেফু?

: ভাবার কী আছে? নাম তো আছেই। ডুমরি।
: সেইটা না। আসল নাম।

আমার খুব মজা লাগে। মুখটা ভ্যাদা মাছের মত কৈরা জিগাই, আসল নাম কী রাখন যায় ফরু?

ফরুরে তখন উত্তেজনায় পাইয়া বসে। বলে, এমন নাম রাখা লাগব যেইটা দিয়া তোর পোলা ভদ্রসমাজে মিশতে পারে। হামিদ রাখতে পারস। হামিদ অনেক ভাল নাম। খোদার নিরানব্বই নামের একটা।

ফরিদ মিয়ার পোলা হামিদ মিয়া। বোকাচুদা!

কামাইল্যাও একদিন এইকথা কয়। শেফু, পোলার নামটা ঠিক করবি না? রেজিস্ট্রি অফিসে আমার পরিচিত লোক আছে, তুই কৈয়া দিলে আমি গিয়া ঠিক কৈরা আনুম।

: কী কৈয়া দিম? আমি আবার ভ্যাদা মাছ।
: একটা সুন্দর নামটাম রাখ।
: তুই দে না একটা সুন্দর নাম।
: জামাল নামটা কেমন লাগে তোর? ঠোঁট ঝুলে কামাইল্যার।

রাইতে, ডুমরি যখন ঘুমায়া পড়ে, আমার পেটের খিদা চাগা দিয়া ওঠে। হাতে পয়সা নাই, খানকির ছাওয়াল হৈয়া গেলে ওরে দেইখ্যা পুরুষ মাইনষের চ্যাং নাকি খাড়ায় না! তবু ঘুমের মধ্যে কি কম জ্বালায় টহলপুলিশগুলা? বিনা পয়সায় হাতায়, আর জিগায়, কনডম নাই কনডম? আমি লুকায়া রাখি। কনডম না পাইয়া হারামির পোলারা হাতেই সুখ মিটায়। কিন্তু তাতে আমার পেটের খিদা তো মিটে না। আর এদিকে পোলায় সারাক্ষণ শনশন কৈরা দুধ টানে। দিনের বেলা শরীল টলমল করে আমার।

কোনো কোনো রাইতে কনডম-আপা আসে। আমি কৈ, আপা, লাগব না। আগেরগুলাই রৈয়া গেছে। আমার কাছে লোক আসে না গো। বিয়াইছি যে!

কনডম-আপা ক্ষেইপ্যা যায়, বলে, শেফু তুমি আমার চাকরি খাইবা! কনডম বিলি বাড়াইতে না-পারলে আমার চাকরি খতম হৈয়া যাইব। দেশে এইডস আসতেছে শেফালী। এই রোগ হৈলে রক্ষা নাই।

: এই রোগের আর কোনো ওষুধ নাই? খাওনের ওষুধ? খিদাপেটে জিগাই।
: নাহ।
: কারে কনডম পরামু আমি? আমার কাছে কেউ আসে নাতো!
: মিছা কথা!
: সত্য আপা। কামাইল্যা আর ফরু আসে, নিজের মানুষ, হেগো রে কনডম পরতে কৈ কেমনে?
: তোমারে মরণে টানতেছে, শেফালী!
: টানতেছে তো কবে থিকাই। নেয় না তো!

ঘুমের মধ্যে ডুমরি খিলখিলায়া হাসে। দাঁত কটকট করে। একটু পরে আবার বিনবিনায়া কান্ধেও। মাঝরাইতের ফাঁকা রাস্তা দিয়া শনশন কৈরা ট্রাক যায়। বড় বড় বিলবোর্ডে মিষ্টি মিষ্টি সব মাইয়া মানুষ, সাবান লৈয়া খাড়ায়া থাকে। তাদের ঘুম নাই। ডুমরি না ঘুমাইলে ওনাদের দেখায়া দেখায়া ঘুম পাড়াই। কত্ত সুন্দর অরা? দূরে পুলিশের বাঁশি শোনা যায়। কনডম-আপা আর খাড়ায় না। তারে দেইখ্যা খুব মায়া হয় আমার। এতদিন ধৈরা চিনি, কোনোদিন তার নামটা জিজ্ঞাস করা হয় নাই।

নাম ছাড়াও তো চলল। চলল না?

এই যে ট্রাকটা আইসা খাড়াইল, এর ড্রাইভার আমারে কতদিন ধৈরা ফুসলাইতেছে! ওরেও অনেক আপন লাগে আমার। কিন্তু তার নামও তো জানি না। জানার ইচ্ছাও হয় না। কনডম-আপা মোড় ঘুরলেই আমি এই ট্রাকে উইঠা পরুম। যামু আমিন বাজার। ওইখানে নিশ্চয় নতুন নাম দিবে আমার, সালেহা কি মর্জিনা। ছাওয়াল-ছাড়া মাইয়া, পুরুষ মাইনষের চ্যাং তখন সকাল বিকাল খাড়াইব। পেটের খিদা চাগা দিব না আর। তখন কাওরান বাজারের কেউ যদি আমারে দেইখ্যা ফালায়, ‘শেফু’ কৈয়া ডাক দেয়, আমি হয়ত চিনুম-ই না। এখন যেমন মাইজদীর কেউ আমারে ‘আমিনা’ কৈয়া ডাকলে ফিরা তাকাই না। আমি কি কোনোদিন আমিনা ছিলাম? নাম তো এমনই।

আর ডুমরি? কাপড়ের পোঁটলার ভিতর আমার কলিজাটা কী সুন্দর ঘুমাইতেছে! সাহেবালির গ্যারেজের চালার নিচে ল্যাংড়া ফরু যেখানে ঘুমায়, সেইখানে আমার কলিজাটারে এই জীবনের জন্য রাইখ্যা যামু। ঘুমন্ত ফরুর পাশে। ঘুমের মধ্যে কলিজা আমার খিলখিলায়া হাসব, বিনবিনায়া কান্দব। সকালবেলা ফরু ওরে বনরুটি কিন্যা খাওয়াইব, কামাইল্যা আইসা ঝুনঝুনি বাজাইব ওর কানের পাশে। দুই-দুইখান বাপ, পোলা আমার থাকব শাহানশা’র মত। কোনোদিন, যদি বাঁইচ্যা থাকি, পেট যদি খুব পোড়ায়, না-হয় দোতলা বাসের জানলা দিয়া দেইখ্যা যামু আমার ডুমরিরে। আর যদি মইরা যাই, বিলবোর্ডগুলার মাইয়া মানুষগুলারে এট্টু জায়গা ছাইড়া দিতে কমু। ওইখানে খাড়ায়া খাড়ায়া সারারাইত পাহারা দিমু তোরে। তোর তখন অন্য নাম হৈয়া যাইব। বাপসোহাগী নাম। তাতেই বা কী? নাম দিয়া কী হয়? নাম ছাড়াই তো জগতে কতকিছু চইল্যা যায়?

চলে না?


ডিসেম্বর ২০০৫
৭টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×