আমার প্রিয় পোস্ট

http://joyodrath.blogspot.com/

সামহোয়ার কি "একমত একমত" মার্কা ব্লগ হতে চাইছে?

১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

শেয়ারঃ
0 1 0

সামহোয়ারে রেজিস্ট্রেশন করেছিলাম বহু আগে। কিন্তু লেখা হয়ে উঠেনি নানা কারণে। বাঙলা ভাষার সবচেয়ে বড় এই ব্লগিং প্লাটফর্মটির সবচেয়ে বড় ভার্চু এর ডাইভারসিটি। নানামুনির নানান মতকে একোমোডেট করতে পারে সে এবং এটাই এই ব্লগটিকে এতদূর নিয়ে এসেছে। কিন্তু সম্প্রতি সামহোয়ার-এর কিছু প্রশাসনিক মুভ দেখে আমার মনে হচ্ছে সামহোয়ার যেন "একমত একমত" মার্কা ব্লগ হতে চাইছে!

রিফাত হাসানের একটা পোস্ট দেখেছিলাম যুদ্ধাপরাধী এবং গাজায় নির্বিচার ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞ নিয়ে। তার বক্তব্য বিষয়ে আমি একমত ছিলাম না, কিন্তু তিনি একটি যুক্তির অবতারণা করেছিলেন সেখানে। অবসিন কিংবা বিদ্বেষমূলক কিছু লিখেছিলেন বলে মনে হয় নি আমার। পরে মোহাম্মদ আরজুর একটা পোস্ট পড়ে জানতে পারলাম রিফাতের ঐ পোস্ট মুছে দেয়া হয়েছে এবং তাকে "সাধারণ ব্লগার" পদে অবনমন দেয়া হয়েছে। বিষয়টা উদ্বেগজনক।

রিফাত হাসানের সাথে নানান ব্লগপোস্টে আমার তর্ক হয়েছে। তার মতাদর্শের অনুসারী আমি সম্ভবত নই। কিন্তু সন্দেহ নেই তিনি তার মতামতকে যথেষ্ট যৌক্তিকভাবে এবং মার্জিত ভঙ্গিতে প্রকাশ করে থাকেন। ফলে একটা স্বাস্থ্যকর তর্ক করার পরিস্থিতি থাকে।

যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে নানান মত আছে সমাজে। ব্যক্তিগতভাবে আমি একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীর বিচার দেখতে চাই। এ নিয়ে আমার নিজের শক্তিশালী যৌক্তিক অবস্থান আছে। এখন যারা এ বিষয়ে ক্রিটিক্যাল তাদের যুক্তিগুলো আমি শুনতেই চাই, কারণ তাদের যুক্তি মোকাবেলা করতে করতে আমার অবস্থান আরো সুসংহত হয়ে উঠবে। প্রতিপক্ষের মুখে রুমাল চেপে নিজের বিজয় ঘোষণা করা কাপুরুষতা, বাঙালি জাতি ঐতিহাসিকভাবে এই কাপুরুষতার চর্চা করে নি।

রিফাত কেন "সাধারণ" হয়েছেন আমি পরিষ্কার বুঝতে পারছি না। তিনি ভালো লেখক, পীড়াদায়ক ব্লগিং করেছেন বলে মনে পড়ে না। তিনি আমার সাথে একমত হন না বলে আমার ক্ষোভ হতে পারে, কিন্তু এই ধরনের ডায়ালজিক্যাল সম্পর্ক এই ব্লগটির বৈচিত্র্য বহুগুণে বাড়িয়ে তোলে। আর ব্লগ যারা চালান তাদের জন্য এই ধরনের তর্কমূলক সম্পর্ক এবং বৈচিত্র্য সবচেয়ে বড় স্বস্তির জায়গা। হওয়ার কথা।

কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে বৈচিত্র্য নয়, যেন "একমত একমত" শ্লোগানে মুখরিত একটা প্লাটফর্ম হতে চায় সামহোয়ার। রিফাত হাসানের ঐ পোস্টকে ধরে কর্তৃপক্ষীয় আচরণ আমাকে সেরকমই ভাবাচ্ছে।

সামহোয়ারে ব্রুটাল মেজরিটি পেয়ে গেলেই যুদ্ধাপরাধীর বিচার হয়ে যাবে এমনটা ভাবি না আমি। আবার এই বিচারসম্পর্কিত ক্রিটিক্যাল বক্তব্যগুলো কানে এলেই লোকে দলে দলে সেই মতের গুণগ্রাহী হয়ে পড়বে এমনও নয়। মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির আত্মত্যাগকে যেন আমরা এত ঠুনকো না ভাবি। যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবি জোরালো করবার জন্য কারো মুখে রুমাল চেপে ধরবার দরকার নেই।

রিফাত হাসানকে তার পূর্ববর্তী স্ট্যাটাস ফিরিয়ে দেয়া হোক।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: প্রতিদিনের রাজনীতি  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
বেয়াকুফ বলেছেন: এইখানে 'সাধারান' হওয়াট অতি সাধারন ব্যাপার। সো এইটা নিয়া মাথা না ঘামাইলেই ভালো। মডারেটরগো মনে হয় সময় খুব বেশি নাই, ইন্ডিভিজুয়াল কেস বিবেচনা করার। জেনেরিক একটা রুল ফলো করে কাম সারে, এই আর কি।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: কিন্তু একজন ব্লগার একজন ইন্ডিভিজুয়াল। এটা যদি জেনেরিক রুলের কারণে হয়ে থাকে তবে রুল সংশোধন করা হোক। যে যখনই এই কম্যুনিটিতে কন্ট্রিবিউট করছে তাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।

২. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪০
স্টিংরে বলেছেন: ড়াজাকার তী রাজাকারই। ভালো কাজ হয়েছে রাজাকার ছানাকে সাধারন করে দ্দেওয়া টা। আপনার সুশিল্গীরী চুলোয় যাক । খিক খিক
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: খিক খিক।

৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪১
বেয়াকুফ বলেছেন: অ আইচ্ছা, সেই রিফাত হাসান? গুড জব। অভিনন্দন।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: কাকে অভিনন্দন দিলেন?

৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
জানজাবিদ বলেছেন: ভিন্নমত থাকুক। ভিন্ন মতের গলা চেপে ধরা হলে একদিন তা আমার উপরই সন্ত্রাসীর বোমা হয়ে ফাটবে।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: ঠিক।

৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
টিটু বলেছেন: াপত্তি জানালাম
মাইনাছ
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
পাই বলেছেন: পোস্টের সাথে একমত।
রাজাকারদের(ভিন্নমত) কে সামইন এ পুর্নবাসন করা হউক।
৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
নৈঃশব্দ্যের কোলাহল বলেছেন: অন্ততঃ প্রথম আলো ব্লগের মতো সামহয়্যার না।
যেখানে সারাদিনমান পরস্পরের পৃষ্ঠতোষণ চলে।
একয়দিনে যা বুঝেছি তাই বললাম।
৮. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
প্রতিদিন বলেছেন: একমত @ সুমন রহমান। এ বিষয়টি নিয়া আমার একখান পোষ্ট আছে। রিফাত ভাইয়ের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের আচরণ সঠিক হয় নাই।
৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫০
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: মাইনাস

গোআ'র সাথে যুদ্ধাপরাধী ইসুতে তর্ক কৈরা আপ্নে আরো বেশি মজা পাইবেন .. ভিন্নমত বইলা কথা !!!

আপনের মত সুশিলের যুক্তিতে আমি ইয়ে করি ।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: আপনি "ইয়ে" করলেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া যুক্তি মেনেই হবে সেটা আপনি জানেন।

১১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
প্রতিদিন বলেছেন: টিটু মিয়া চেতসে ক্যান?
১২. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৯
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
সাধারণ আর অসাধারণ বানানোর বিতর্কের ফাঁকে একটা কথা বলে রাখার প্রয়োজনীয়তাবোধ করছি । পোস্ট ডিলিট খেলে বাই ডিফল্ট একজন ব্লগার এখন সাধারণ হয়ে যান । এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাটা ওনারা করেছেন । ধরুন, কোন কারণে আপনার এই পোস্ট মুছে দিলে সঙ্গে সঙ্গে অসাধারণের কাতার থেকে আপনি সাধারণে নেমে আসবেন ।

এবার আসি রিফাত হাসানের পোস্টের বিষয়ে । সেই পোস্টে একজায়গায় তিনি আমাদের যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাওয়াটাকে 'হুজুগ' হিসেবে উল্লেখ করেছেন । শব্দ প্রয়োগ বা শব্দ চয়ন জ্ঞান ওনার কম আছে, এটা আমি বিশ্বাস করিনা । বরং শব্দের দখল ওনার যথেষ্টরও বেশী আছে এটার প্রমাণ আমরা পাই । সেক্ষেত্রে 'হুজুগ' শব্দটা তিনি জেনে বুঝে সচেতনভাবেই লিখেছেন, নিঃসন্দিহান হওয়া যায় ।

জনাব, সুমন রহমান, আপনার কাছে আমার প্রশ্ন হচ্ছে,-- 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই'-এই দাবীকে কি আপনি হুজুগ মনে করেন ?

তবে সেই পোস্টটি মোছাতে আমাদের ক্ষতিই হয়েছে বলতে হয় । সহব্লগার হাসিব আর ফিউশন ফাইভ পয়েন্ট ধরে ধরে চমৎকার আলোচনার সূচনা করেছিলেন, যেগুলোর উত্তর রিফাত সাহেবকে দিতে দেখা যায়নি । হয়তো নিজের পয়েন্টে তিনি দুর্বল ছিলেন বলেই ।

রিফাত সাহেবের দুর্বলতার প্রমাণ হিসেবে পোস্টটি থাকতে পারতো, মুছে দেবার সিদ্ধান্তটি তাই সঠিক হয়নি ।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: আবদুর রাজ্জাক শিপন, আমি যে এই দাবিকে হুজুগ মনে করি না সেটা আমার বক্তব্যেই পরিষ্কার। রিফাত হাসানের দুর্বলতার প্রমাণ হিসেবে পোস্টটা থাকতে পারতো, এবং হাসিব ও ফিউশন ফাইভ পয়েন্ট ধরে ধরে আলোচনা করতেই পারতেন। এটাই কাম্য ছিল।

১৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৯
তরিকুল হুদা বলেছেন: সুমন রহমান, আপনার মুল যুক্তির ব্যাপারে একমত। ব্যক্তি রিফাতের জন্য না আমি চিন্তিত সামহোয়ারের আচরন নিয়ে।ব্লগে কাজের তর্ক হবে,অনেকে বেহুদা হাউখাউ করবে।কিন্তু কর্তৃপক্ষের আচরন এমন হলে ভবিষ্যত ঝরঝরা এটা তাদের বোঝা দরকার।

আপনার এই অবস্হানের জন্য ভালো লাগলো।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: কিন্তু সামহোয়ার নিঃসন্দেহে এ ধরনের সংলাপের জন্য সবচে ভালো জায়গা, এখন পর্যন্ত। আমরা আশাবাদী যে এই অবস্থানটি তারা ধরে রাখবেন।

১৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১১
এস্কিমো বলেছেন: মাইনাস দিতে বাধ্য হলাম :(
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এস্কিমো, আপনার মাইনাস খাবার সৌভাগ্য আমার হলো বলে।

১৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৪
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: আপনিই তাহলে কি সেই ফেসিবাদী সুমঞ্রহমান?
১৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৫
মগ্নতা বলেছেন: রিফাত হাসানের পোষ্ট আমারো ভাল লাগে নাই। যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে তার আলোচনাটা আমাদেরকে আরো শুনতে হবে বলে মনে করি। কিন্তু তার পোষ্ট ডিলিট করে তাকে সাধারণ ব্লগার বানিয়ে দেওয়া কি উচিত হয়েছে? দেখলাম আরজুর ব্লগে ফিউশন ফাইভও এ প্রশ্নটি করেছে। তাইলে এ বিষয়টা মডারেটরদের মাথায় ঢুকলো না ক্যান?

সুমন রহমানকে এই বিষয়ক পোষ্ট দিয়ে আমার মতামতটা দেওয়ার সুযোগ দানের জন্য ধন্যবাদ।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: সেটাই, কারো ভিন্নমত শুনতে এত ভয় পাই কেন আমরা? কেন মনে করি না যে এই বিচার প্রক্রিয়াটি প্রচুর তর্কসহকারেই অনুষ্ঠিত হবে। নাকি এমন যে আমরা কিছু লোক আবেদন করলেই গোআ-নিজামীর ফাঁসি হয়ে যাবে? সেই পুরানা কবিতা:

"দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রূখি
সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি"

১৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪১
রাফা বলেছেন: ভিন্ন মত ও ভিন্ন পথ সব কিছু মিলিয়েই সমৃদ্ধশালী হতে পারে এই ব্লগ।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: সেটাই।

১৮. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪১
সুমন রহমান বলেছেন: পিঁন্টু-সুমন, আপনার পোস্টে আমার মন্তব্য করার অনুমতি নাই দেখাচ্ছে। আমি ঠিক এসব কারিগরি বিষয় বুঝি না। তবে রিপোস্ট করার দরকার ছিল না। আপনি আমার বক্তব্যের সাথে নীতিগতভাবে একমত এটাই আমার জন্য আনন্দের। আমি সামহোয়ার কর্তৃপক্ষকে চাপ দিতে এটা লিখি নি, বিনীতভাবে সমস্যাটি ধরিয়ে দিতে চেয়েছি।

ফলে, আপনার রিপোস্ট মুছে ফেলতে পারেন। সদিচ্ছার জন্য শুকরিয়া।
১৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৬
প্রতিদিন বলেছেন: সুমন রহমান, আমারও মন্তব্য করার অধিকার নেই দেখি অইহানে, একখান কমেন্ট করার পর ব্লক মারছে। আমার মনে হয় হে আপনের পোষ্ট ব্যবহার কইরা কোন উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়। এই পোষ্ট দেহেন। Click This Link

আপনি কি ওরে এই পোষ্টটি রিপোষ্ট করতে বলেছেন?
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: হুম... কিছুই তো বুঝলাম না। ইনি ম্যাসেঞ্জারে আমার কন্টাক্টলিস্টে তো নাই। আর আমি তাকে আমার পোস্ট রিপোস্ট করতে বলব কেন, যেখানে আমার পোস্ট এখনও ফার্স্ট পেইজেই আছে?

আর তার পোস্টে আমার কমেন্ট করার অনুমতি নাই কেন সেটাও বুঝলাম না।

২০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫০
পিন্টু-সুমন বলেছেন: সুমন ভাই আর ্প্রতিদিন=রিফাত ভাইকে ভুলে ব্লক করেছিলাম । ঠিক করে দিলাম। অনুরোধএর পর পোস্ট সরিয়েছি । ধন্যবাদ সুমন ভাই
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস পিন্টু-সুমন।

২১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫২
খোমেনী ইহসান বলেছেন: সহ ব্লগার রিফাতের একটা পোস্ট মুছে ফেলার সূত্র ধরে যে আলাপটা করেছেন তাতে যুক্তি আছে। অন্য সহ ব্লগাররা যার যার কোমরের জোরে এই যুক্তিতে সমর্থনও যোগাইতেছেন।
কিন্তু আমার জিজ্ঞাসা হচ্ছে রিফাতের পোস্ট মুছে দেওয়া ও সাধারণ ব্লগারের পর্যায়ে তাকে নামিয়ে দেয়ার ঘটনার পাশাপাশি আরও অনেকের বরাতে কিন্তু একই ঘটনার মহড়া চলছে। এইটা কোন যুক্তিতে হচ্ছে তার প্রশ্ন উত্থাপন করে আপনি নিজে একটা ভদ্রলোকের আপত্তি জানানোর ধর্ম পালন করলেন। কিন্তু তিনি দিন-দুনিয়ার ঘটনাঘটনকে এক্ষেত্রে এড়িয়ে গেছেন। এতে আমি হতাশই হয়েছি।
আপনি নিশ্চয়ই জানেন, কেতাবে লেখা অনেক কথাই ফ্যাসিবাদী কৈতর মানে না। কৈতর বিশেষ অবস্থার জোরে শকুন সাজতে চায়। এক্ষেত্রে তারে ভন্ডামী-ষন্ডামীর বাইরে টেনে আনার তাবলিগীয় চেষ্টায় কী আর হয়?
মূলতঃ গত ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ, ধর্ম নিরপেক্ষতা, বিচ্যুত বাম মতবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও আধুনিকতা একটা বিজয় পেয়েছে। এই বিজয় কাউকে হারিয়ে দেয়ার প্রসঙ্গ নয়। বরং বিষয়টা হচ্ছে এ সকল পক্ষের আদর্শিক মৈত্রীর নীতির কৌশলগত যাত্রার প্রাথমিক ফলাফল। এই ফলাফলে তাদের যে বিজয় সূচিত হয়েছে তাতে তারা নিজ নিজ চরিত্র অনুসারে আচরণ করবেন, এটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে তারা পেশাদারিত্বের জায়গায় পৌছাবেন এই মিথ্যা আশা ফেরি করার মানে হয় না।
আমার প্রায় দুই বছরের পর্যবেক্ষণে আমি তো দেখলাম সা.ই ব্লগে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ, ধর্ম নিরপেক্ষতা, বিচ্যুত বাম মতবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও আধুনিকতার একটি ফ্যাসিস্ট ক্ষমতা কাঠামো তৈরি হয়েছে। যাতে মডারেটর, ব্লগারদের একটা কাজে-অকাজের মাখামাখি রয়েছে। তারা যারে শত্রুরা বানায়া নিজেদের দিন-দুনিয়া সাজাইতে চাইছে তাদের তো পরাজিত করা গেছে। এখনতো সময় তাদের নিজেদের খোদায়ী ফলানোর। এই ফলানিতে রিফাত, আপনি বা আমি যে বলি হয়ে যেতে পারি। তাতে কার কী আসে যায়। পেশাদারিত্বই বা রক্ষা করতে হবে কেন? মনে রাখবেন ক্ষমতা যার হাতে থাকে তার জন্য আইন-কানুন, আর রীতি-নীতিতো দুই টাকা দামের চিড়ার মোয়া। মুখে দিয়ে কয়েকটা কামড় দিলেই সাবাড় করে দেয়া যায়।
আর কথা বাড়ায়া লাভ নাই, আমি বলতে চাচ্ছি বাংলাদেশে নির্বাচনের নামে যে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়ে গেছে তাতে তার সামাজিক সুবিধা ভোগের জন্য লালায়িত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, মডারেটর, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও শিক্ষকদের মধ্যে ফ্যাসিবাদ মহামারি আকাড়ে ছড়িয়ে পড়ার যে আশঙ্কা ছিল তাই সত্যি হয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দু'একটা পোস্টই ডিলিট হবে না প্রয়োজনে গায়েবও হয়ে যাওয়াটা ইতিহাসের অভিজ্ঞতার বাইরে না। এইটা হলো ফ্যাসিবাদের উত্থানে ভিন্ন স্বরের নিয়তি। এই নিয়তি ব্যবহারিক জীবনে সেই ২৯ ডিসেম্বরের রাত থেকেই তো মেনে নিয়েছি।
আপনারা কোন সূত্রের শ্বশুর যে এতো আপত্তি তুলছেন।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: খোমেনী ইহসান, এত লম্বা আলাপে আমি যাই নাই খেয়াল করবেন। আমি কেবল প্লাটফর্ম হিসেবে সামহোয়ার এবং এর একজন ব্লগারের সমস্যার মধ্যেই আলাপটা সীমিত রাখতে চেয়েছি। ভিন্ন স্বরের যে নিয়তির কথা আপনি উত্থাপন করলেন সেটা আমার অজানা নয়। তবে ২৯ ডিসেম্বরকেই আপনি ভিন্নস্বরের এহেন নিয়তির তারিখ ধার্য করলেন এতে আপনার বিশেষ মতাদর্শিক অবস্থান ফুটে উঠেছে। আমি আপনার বিশ্লেষণের বা সন্দেহের গ্রাহক হতে পারি, তবে আপনার ধার্য করা তারিখের না। ভিন্নমতকে রূমাল কিংবা বমালচাপা দেয়ার ফ্যাসিবাদী প্রয়াস স্মরণাতীত কাল থেকেই আছে, আপনার কেন ২৯ ডিসেম্বর থেকেই এমন অনুভূত হতে থাকল এটা আশ্চর্যের।

২২. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১১
এরশাদ বাদশা বলেছেন: শিপন ভাইয়ের মন্তব্যের সূত্র ধরে বলছি; যুদ্ধাপরধীদের বিচার দাবিটা বাঙালির প্রানের দাবি। এটাকে হুজুগ আখ্যা দেবার অধিকার কারো নেই।
তার কথামতো এটাকে হুজুগও যদি ধরি, তাহলে সেই হুজুগের মাজেজা প্রমানিত হয়েছে নির্বাচনেই। বাকিটা বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকারের।

এই হুজুগের বাইরে যারা থাকতে চায় তাদের সম্পর্কে কিছু বলার নেই।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: ঠিক।

২৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৬
খোমেনী ইহসান বলেছেন: আমার মন্তব্যে আপনি যে ইঙ্গিত করেছেন তাতে আমার নিজের অবস্থানটা আপনার মোকামে ব্যাখ্যা করবার দায় রয়ে গেছে। আমি বিনয়ের সাথে বলতে চাই, আমি ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে মোটেই কোন পক্ষ ছিলাম না। আমি পুরা নির্বাচনী প্রকল্পের বাইরের একজন মানুষ। আমি রাজনৈতিক ফায়দা বা আপোষহীনতার নয়া মেক-আপ নিতে ভোটার হতে আপত্তি জানাই নাই। সত্যি সত্যি আমি ভোটার হইনি। এটি সজ্ঞানে। যতোক্ষণ লড়তে পারবো ততক্ষণ আমি আমার আঙ্গুলের ছাপটা পেন্টাগনের মূল সার্ভারে বন্দক রাখবো না। যা থাকে কপালে।
তাই কথা হচ্ছে ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পরাজিত পক্ষকে আমার উপর চালায়া দিয়া একলা সিরা এই মানুষটার দফা সাইরেন না।

আমি ২৯ ডিসেম্বরকেই আপনি ফ্যাসিবাদ আক্রান্ত হওয়ার নিয়তির তারিখ ধার্য করেছি এই বিবেচনায় যে এতো দিন ফ্যাসিবাদ যে সামাজিক ব্যভিচার চালায়া যাচ্ছে তার পর্যায়টা রাষ্ট্রক্ষমতার জোরে আরও বেশি বর্বরতা লাভ করেছে। এর আগেও এই কর্ম হয়েছে, তয় তাতে রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে থেকে লাফালাফির একটা ব্যাপার ছিলো। এখন রাষ্ট্র, পতাকা, পাইক-পেয়াদা, বিচারক ও সুযোগ-সুবিধার একটা ছাতা মাথার উপর খাড়া হইছে। এইটারে যতোই সামলান না কেন খাসলতের দোহাইয়ে এটা মহামারির নিয়তি হিসেবে খাড়াইবেই।
রিফাত যে প্রসঙ্গে ভিন্নমতের অবতারণা করে তার নিজ যুক্তির অবতারণা করে পোস্ট দিছিলেন তাতে তো কোন ভিন্ন মত খাটে না। তওবা। কোন কিছু বলাটাই না জায়েজ। অথচ রিফাত এইটা করলেন।
তো তার থোতায় একটা সিলাই মারাইতো সহজ। কী দরকার আলাপ আগায়া নেওয়ার।
ক্ষমতা থাকলে কেউ এই খাটুনি করে। বিশেষ করে ফ্যাসিস্টরা?
২৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৭
রাজর্ষী বলেছেন: ২৯ ডিসেম্বর ফ্যাসীবাদ কায়েম হয়ে গেছে আর আগে গনতন্ত্র ছিলো, বাহ বাহ। আর যদি বি এন পি জিততো তাইলে ফ্যাসিবাদ হতো না। @খোমেনী ইহসান
২৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৬
খোমেনী ইহসান বলেছেন: @ রাজর্ষী, আমার বক্তবকে আপনার তরফে ব্যাখ্যা দিয়ে যে খোঁচাটা মারতে চেয়েছেন এইটা আমার অবস্থান না। এর আগেও গণতন্ত্র ছিল না পরেও হয়তো থাকবে না। বিএনপি তথা চার দলীয় জোট জিতলে আর কী হতো, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, ইসলামী পুঁজিতন্ত্র ও ইতরামী ফ্যাসিজম কায়েম হতো। কিন্তু তারা যেহেতু ওদের মতো আধুনিক না তাই ফ্যাসিবাদ পুলিশি ঠ্যাঙ্গানো ও হত্যার পর্যায়েই থাকতো, ব্লগেও গড়াগড়ি খাইতো না।
আর আপনের বক্তব্যে স্বরটা কিন্তু কাউরে চোর সাব্যস্ত করে নিজের ডাকাতিকে জায়েজ করে নেওয়ার শামিল। এই মনোভাবটাই ছাড়তে পারলেন না তাহলে পুরানা ফ্যাসিবাদি খাসলত থেকে বের হয়ে দিন বদলের ন্যায় আপন চেহারাটা বদলাবেন কী করে, জানালে বাধিত হই।
২৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৭
জাতেমাতাল বলেছেন: গুম হয়ে যাওয়া পোষ্ট সকল প্রতিশোধ নেবে...

মডারেটরদের শান্তি শৃংখলা স্থিতিশীলতার গালে থাপ্পড় মেরে অট্টহাসি হেসে উঠবে।

গায়েব হয়ে যাওয়া পোষ্ট সকল সারাদিন তোমাদের অনুসরন করে যাবে।
২৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৫
জাতেমাতাল বলেছেন: ......যতোক্ষণ লড়তে পারবো ততক্ষণ আমি আমার আঙ্গুলের ছাপটা পেন্টাগনের মূল সার্ভারে বন্দক রাখবো না। যা থাকে কপালে।......

খোমেনী ইহসানের দুঃসাহসী অবস্থানে চিন্তার খোরাক আছে। হ্যাটস অফ...
২৮. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১৩
আসিফ রহমান বলেছেন:

ভিন্নমত জানিয়ে গেলাম।


২৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৪৬
জহির আহমেদ বলেছেন: ওয়ামি ব্যানের পরে ড়াইসু আর এখন আরেক ড়াজাকার যে বলে 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি একটি হুজুগ', তার জেনারেলে অবনতির পরে সুমন রহমান। ড়াইসুও ড়াজাকার না, সুমন রহমানও ড়াজাকার না, শুধু আমপাবলিক ঘাস খায়।
৩০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮
জহির আহমেদ বলেছেন: আরেক ড়াজাকার মাহাবুব সুমনের ড়াজাকারি ধরিয়ে দেয়া পোষ্টের কারনে আমাকে একেবারে ওয়াচে নামিয়ে দিয়েছে, তখন ড়াইসু আর সুমনরহমান কবিসভায় বিদ্যাকুটুসে কুটুস কাটুস করে।
৩১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:০১
তামিম ইরফান বলেছেন: এ ব্যাপারে আলু ব্লগের কলু মোর্শেদ ভালো বলতে পারবে
৩৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
রিফাত হাসান বলেছেন: প্রথমত, সুমন রহমান, আপনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে দিই, আমার সাথে মতের অমিল থাকার পরও এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য। আপনার সাথে আমার মতের অমিলগুলো আমি অবশ্যই আলোচনা করার এবং আপনার কাছ থেকে শোনার আগ্রহ রাখি। সেজন্যইতো এই ব্লগার কম্যুনিটি। কিন্তু সামহোয়ারে প্রথম এই ব্যাপারটির মুখোমুখি হয়ে আমি বিমূঢ় এবং হতভম্ভ হয়ে গিয়েছিলাম। অসতর্কভাবে কোন অতি-উৎসাহী মডারেটর এমনটি করেছেন কিনা, বা কেউ ব্যক্তিগত শক্তিমত্তা প্রদর্শন করতে গিয়েই এই কাজটি করেছেন, নাকি ভবিষ্যতে সত্যিই আমাদেরকে প্রতিনিয়ত এর মুখোমুখি হতে হবে, বিশেষত এই ভীষণ ''বদলে যাওয়া, বদলে দেওয়ার'' পেরিয়ডে, আমি সত্যিই চিন্তিত। এটা ভাবার আছে যে, সামইন ঘাস খায় নাকি আমরা ঘাস খেতে এসেছি এখানে। এক বিরাট ধন্ধের মধ্যে ছিলাম, আমি নিজে এই বিষয়ে কিছু লেখাটা কেমন বাজে লাগছিল। আপনি এবং আরজু আপনাদের নিজের অবস্থান থেকে নিজের ভীন্নমত বজায় রেখে যে কথাগুলো বলতে চেয়েছেন, সেগুলি আপাতত কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। সেটি যদি মডারেটরগণ বুঝতে পারেন, এবং সদুদ্দেশ্যে নেন, তাহলে বুঝব তারা এ বিষয়ে আন্তরিক। আর একটা ব্লগ কতৃপক্ষ দেশের ইতিহাস স্বাধীনতা এইসবের এজেন্সি একটা রাজনৈতিক দলের মতো নিয়ে রাখতে আগ্রহী হলে, এবং তা সেই বিশেষ রাজনৈতিক দলের মত উপায়ে সবার উপর চাপিয়ে দেওনের চেষ্টা করলে সেটা কতটুকু সেই ব্লগের জন্য উপকার হবে তাদের ভেবে দেখা দরকার। হাই হ্যালো সামইন প্রাণের চেয়ে প্রিয় ব্লগ সামইন- এই জাতীয় পোষ্ট একটা ব্লগে যত কম হয় তত ভালো। সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা এবং একই সাথে সিরিয়াস আলোচনার মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত না হলে সামইনে মুক্ত লেখালেখির পরিবেশ থাকবে না।

আমার উল্লেখিত পোষ্টে, যেটি কর্তৃপক্ষের গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছে, আমি বলেছিলাম, যুদ্ধাপরাধের বিচার বিষয়টা যারা এর শিকার তাদের প্রতি একটি ঐতিহাসিক ইনসাফ প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন। এই পুরো বিষয়টিকেই পাশ কাটিয়ে আমেরিকান ইজরায়েলী ভারতীয় স্বার্থের বাস্তবায়নের বাহন হিশেবে এই ব্যাপারটিরে হাজির করা হয়েছে। এর ফলাফলস্বরূপ দেশের মানুষের বিরাট অংশের মধ্যে যুদ্ধাপরাধী>রাজাকার>স্বাধীনতাবিরোধী বলে একটা ক্যাটাগরি অনন্ত কাল জারি রাখার যে প্রবণতা এবং ঘটনাটা তা বেশ ভাবায় এই কারণে যে, অনন্তকাল এই সমস্যা মিটবার কোন সম্ভাবনা থাকে না, বরং দেশের একটা বিশাল জনসংখ্যা রাজাকার উপাধি পেয়ে অন্য হয়ে যায়, এবং মৌলিক জরুরী ইস্যু বাদ দিয়ে কেবল প্রপাগাণ্ডা আর বিভেদ-এর রাজনীতির কারণে পৃথক বিষয়ে আন্দোলন বা সময় ক্ষেপন করে। মজার ব্যাপার হচ্ছে কেউ কেউ আমার হুজুগ শব্দপ্রয়োগে আপত্তি জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষও হয়ত তাদের এ সংক্রান্ত নড়াচড়াগুলোকে হুজুগে পর্যবসিত হতে দেখে মর্মাহত হয়েছেন। প্রিয় সুমন রহমান এবং অন্যান্য ব্লগারবৃন্দ, যারা কমেন্ট ইত্যাদি করে এই ফ্যাসিবাদী আচরণের পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, এবং সামইন কর্তৃপক্ষ, আমারো আপত্তি সেই জায়গাতেই ছিল, প্রকৃত ইনসাফ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারটারে পুরোপুরি পাশ কাটিয়ে এইটারে হুজুগ বানিয়ে ভীন্ন স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা হয়েছে।
৩৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: উদ্ধৃতি :
"যুদ্ধাপরাধের বিচার বিষয়টা যারা এর শিকার তাদের প্রতি একটি ঐতিহাসিক ইনসাফ প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন। এই পুরো বিষয়টিকেই পাশ কাটিয়ে আমেরিকান ইজরায়েলী ভারতীয় স্বার্থের বাস্তবায়নের বাহন হিশেবে এই ব্যাপারটিরে হাজির করা হয়েছে। এর ফলাফলস্বরূপ দেশের মানুষের বিরাট অংশের মধ্যে যুদ্ধাপরাধী>রাজাকার>স্বাধীনতাবিরোধী বলে একটা ক্যাটাগরি অনন্ত কাল জারি রাখার যে প্রবণতা এবং ঘটনাটা তা বেশ ভাবায় এই কারণে যে, অনন্তকাল এই সমস্যা মিটবার কোন সম্ভাবনা থাকে না, বরং দেশের একটা বিশাল জনসংখ্যা রাজাকার উপাধি পেয়ে অন্য হয়ে যায়, এবং মৌলিক জরুরী ইস্যু বাদ দিয়ে কেবল প্রপাগাণ্ডা আর বিভেদ-এর রাজনীতির কারণে পৃথক বিষয়ে আন্দোলন বা সময় ক্ষেপন করে।"

@জনাব রিফাত হাসান
আপনের উপরোক্ত উদ্ধৃতিতে বুঝা যায়তেছে আপনে থট রিডার । ১৫ কোটি মানুষের মনের খবর আপনে পড়ে ফেলছেন, যদ্দরুন বলতে পারতেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়াটা,-আমেরিকান ইজরায়েলী ভারতীয় স্বার্থের বাস্তবায়নের বাহন হিশেবে এই ব্যাপারটিরে হাজির করা হয়েছে।

আপনের মন্তব্যে আপনের প্রিয় পাকীস্তানের স্বার্থ রক্ষার বিষয় থাকলেও, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়ার আমার দাবীরে আমার দেশের স্বার্থ ছাড়া কোন শুয়োরের বাচ্ছা বুশের আমেরিকা বা কোন অবৈধ সন্তান ইজরায়েল কিম্বা কোন সামন্ত প্রতিবেশী ভারতের স্বার্থের ব্যাপার ভাইবা আমি এমনকি তাগো মুখে হিসু করার সদিচ্ছাও পোষণ করিনা ।

"দেশের মানুষের বিরাট অংশের মধ্যে যুদ্ধাপরাধী>রাজাকার>স্বাধীনতাবিরোধী বলে একটা ক্যাটাগরি অনন্ত কাল জারি রাখার যে প্রবণতা এবং ঘটনাটা তা বেশ ভাবায় এই কারণে যে, অনন্তকাল এই সমস্যা মিটবার কোন সম্ভাবনা থাকে না,"

রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের রাজাকার বলে বিচার চায়লে সেইটা আপনেরে ভাবায় কিন্তু, এই নরপশুর দল যখন আমার ভাইয়েরে হত্যা করছে, আমার বোনরে ধর্ষণ করছে, সেইটা ভাইবা আপনের বিবেক জাগ্রত না হওয়া বা আপনের উত্থানরহিত দেহের যে সীমাবদ্ধতা সেটার কারণেই যুদ্ধাপরাধী ইস্যু মিটার সম্ভাবনারে আপনে নাকচ করে দিতে পারেন সহজে । কিন্তু আমি পারিনা ।

মৌলিক জরুরী ইস্যু বাদ দিয়ে কেবল প্রপাগাণ্ডা আর বিভেদ-এর রাজনীতির কারণে পৃথক বিষয়ে আন্দোলন বা সময় ক্ষেপন করে।"

*মৌলিক জরুরী ইস্যু বলতে আপনে কি বুঝেন ?
* প্রপাগান্ডা কি, কোনটা ?
৩৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
অচেনা বাঙালি বলেছেন:

:: যুদ্ধাপরাধের বিচার বিষয়টা যারা এর শিকার তাদের প্রতি একটি ঐতিহাসিক ইনসাফ প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন। এই পুরো বিষয়টিকেই পাশ কাটিয়ে আমেরিকান ইজরায়েলী ভারতীয় স্বার্থের বাস্তবায়নের বাহন হিশেবে এই ব্যাপারটিরে হাজির করা হয়েছে। ::

হা হা হা। এইটা দেখি ছাগুরেও হার মানাইব।

রিফাত হাসান,
কওতো তুমি কি কোনো রাজাকারের বাচ্চা? বাপেরে ফাঁসিতে লটকাইবো শুইনা ভয়ে উল্টাপুল্টা কৈতেছো?
৩৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ১. আমি একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই
২. রিফাত হাসানের ব্যপারে সুমন রহমানের অবস্থান আমি সমর্থন করি

আমি চিন্তার স্বাধীনতাই বিশ্বাসী
৩৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৯
রিফাত হাসান বলেছেন: @ আ.রা.শি, আপনাকে দুটি কথা বলতে চাই।

প্রথমত পনের কোটি মানুষের মন আমি সত্যিই পড়েছি বা পড়তে পেরেছি কিনা সেটি জানি না, তবে আমার পড়াটা আপনি যেভাবে বয়ান করেছেন সেভাবে নয়। আপনি আমার কথার ভুল ইন্টারপ্রিটেশন করলেন।

দ্বিতীয়ত আমরা সেই আলোচনায় যেতে পারার আগে, আপনার কাছ থেকে সবিনয়ে আর একটি বিষয় জেনে নিতে চাই, আপনি কি সেই আলোচনায় আমার অংশগ্রহণ করবার অধিকারকে সমর্থন করেন?

যদি করে থাকেন, সে বিষয়ে আপনার মূল্যবান বক্তব্যটুকু খরচ করলে কৃতার্থ হই। তারপর যদি আপনার মর্জি হয়, আমরা আলোচনায় আসতে পারবো, কী বলেন?
৩৮. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪০
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন: রাজাকারদের সমর্থকরা ড়াজাকার, ড়াজাকারদের সমর্থকরা ঢ়াজাকার
৪০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
আপনার নতুন ভিডিও দেখতে চাই। সেই কবে ছাড়ছিলেন শেষ, তারপরে তো আর ছাড়লেন না, সুমন ভাই।
৪১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৪
অকাটমুর্খ বলেছেন: ধন্যবাদ সুমন ভাই। আপনার উক্ত অভিযোগের সাথে যোগ করে শুধু বলতে চাই (সামহোয়ার কি "একমত একমত" মার্কা ব্লগ হতে চাইছে?) সামু ব্লগে কাওকে যা-তা বলার জন্যে, গালিগালাজ করার জন্যে যদি স্বাধীনতা থাকে, তাহলে স্বাধীন মত প্রকাশ, হোক তা তথাকথিত ম্যাজোরিটির বিপক্ষে, কেন মেনে নেবেনা সামু কর্তৃপক্ষ!আমার মনে হচ্ছে যুক্তির নিরীক্ষে ব্লগিং ধীরে ধীরে বিলুপ্তায়নের পথে এখানে। এই ব্লগের জনপ্রিয়তা, রেটিং যতোই শীর্ষে উঠছে, ততোই নিম্নগামি হচ্ছে এখানকার তথাকথিত ব্লগারদের মান।তার প্রমান মেলে রিফাত হাসানের ব্যাপারে অসৌজন্যতা প্রদর্শনে। অবশ্য এমনটি আগেও হয়েছে। শুধু মত প্রকাশের নয়, মত সহনেরও ব্লগ হয়ে উঠুক সামু, এটাই কাম্য।
৪২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯
প্রতিদিন বলেছেন: এই ব্লগে নোটিশবোর্ডের একখান কমেন্ট আশা করতাছি। এ বিষয়ডা নিয়া তাগো মতামত আর পদক্ষেপ কি নিতাছে, জানন দরকার।
৪৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩১
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: গণতন্ত্র-বহুমত। একমত-একনায়কত্ব।
৪৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: প্রথমত পনের কোটি মানুষের মন আমি সত্যিই পড়েছি বা পড়তে পেরেছি কিনা সেটি জানি না, তবে আমার পড়াটা আপনি যেভাবে বয়ান করেছেন সেভাবে নয়। আপনি আমার কথার ভুল ইন্টারপ্রিটেশন করলেন।

ঠিকাছে, শুদ্ধরূপ কেমন হবে জানিয়ে কৃতার্থ করুন ।

দ্বিতীয়ত আমরা সেই আলোচনায় যেতে পারার আগে, আপনার কাছ থেকে সবিনয়ে আর একটি বিষয় জেনে নিতে চাই, আপনি কি সেই আলোচনায় আমার অংশগ্রহণ করবার অধিকারকে সমর্থন করেন?

আপনার অধিকার আপনি নিজেই সংরক্ষণ করেন বলেই ইতোমধ্যে আপনার নিজের জায়গা থেকে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশে আলোচনার সূত্রপাত আপনি করতে পেরেছেন। এ বিষয়ে আপনার আলোচনা আরো বিস্তৃত পরিসরে শুনতে আমি আগ্রহী । মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধ আর যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে যে আবেগ আমি ধারণ করি, সেখানে কোন ভুল থাকলে আপনার আলোচনা থেকে নিজেকে শুধরে নেবার প্রয়াস নেবার সুযোগটা গ্রহণ করতে চাই ।
৪৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
রাজর্ষী বলেছেন: @খোমেনী:

আপনের অবস্থান তাইলে নিরেপেক্ষ তাই না? ভালো ভালো।
আপনে যেই দুইপক্ষ দেখাইছেন সেটার দুইটাই খারাপ হইলেও আমি নিরেপেক্ষ ভন্ড না। আমার স্পষ্ট পক্ষ আছে। একদল যারা স্সষ্ট আমার পতাকার চেয়ে অন্যকিছুকে বেশি মুল্য দেয় তাদের কন্ঠরোধ করলে যদি ফ্যাসীজম বলেন তাইলে আমি সেটারও পক্ষে। এই ক্ষেত্রে কোন গনতন্ত্র নাই।

আর পাবলিক বুঝবো যে আপনেও নিরেপেক্ষ সাজার ব্যার্থ অপচেষ্টা করেছেন।
আর কথা বলার সময় ঐসব ফালতু শব্দের বোঝা না বাড়াইলেই ভালো।
৪৬. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪২
মুসতাইন জহির বলেছেন: সুমন ভাই আপনার সাথে সহমত। আপনাকে ধন্যবাদ।

ব্লগ কি বা কেমন ব্লগ হওয়া উচিত অথবা সামইন কেমন ব্লগ হইতে চায় এইসব আলাপ মুলতবি রেখেও নির্দ্বিধায় বলা যায় ইদানিং সামইনের একটা দৃশ্যমান মেটামরফসিস ঘইটা যাইতেছে। সামইন খুব পরিষ্কারভাবে ''একমত একমত" দলবাজির আখড়া বা @মোহাম্মদ আরজুর ভাষায় ''পলিটিক্যাল মাস্তানি''র চরমে পৌঁছে গেছে। কেমন তার গতিপ্রকৃতি সেই বিষয়ে দুইএকটা নোক্তা তুলে রাখি।

আমি, আপনি সহ আরো ব্লগারদের মত অনেকেই নানান সময় @রিফাতের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে বাহাসে এনগেইজ করেছি। কোথাও রিফাতের সাথে ব্লগে আলাপে কারোও ভিন্ন অবস্থান বা বিরুদ্ধ মতকে জায়গা দিতে রিফাত এমন কোনো আচরণের নজির তৈরি করেনি যাতে আপত্তি জানানো যায়।

রিফাত সব সময়ই পলিমিক্যাল, সাহসি ও নির্ভান। এবারও যা বলতে চেয়েছেন তাতে কোনো অস্পষ্টতা ছিলোনা। আমার যতদূর মনেপড়ে তার বক্তব্যটা ছিল ব্লগীয় 'বিশেষ কায়দায় যুদ্ধবিরোধিতার বিশেষ রাজনীতি নিয়ে'। রিফাতের প্রশ্ন বা আপত্তি সাধারণভাবে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে নিবেদিত অসংখ্য মানুষের ত্যাগের মূল্য অস্বীকার বা তৎকালে কতিপয় নরাধমের ঘৃণিত আপরাধকে আমলে না আনা অথবা তাকে খাটো করার জন্য ছিল না। পড়ে আমার মনে হয়েছিল রিফাত খামোখাই ''হুজুগ'' শব্দটা ব্যবহার করেছে যাতে তাঁর আলোচনার ফোকাসটা নষ্ট হবে। বলাবাহুল্য সেটা আমার ভালোও লাগেনি।

একইসাথে আমি নিজের আবস্থান আকারে পরিষ্কার বলে রাখতে চাই যে গত দুই বছরে সেক্টরস কমান্ডার ফোরাম সহ নানান আয়োজনের বেবাক কর্মকান্ডকে ''হুজুগ'' তো নয়ই বরং ভীষণভাবে সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক চরিত্র আছে বলেই মানি। অবশ্যই এই বিরোধিতা বা প্রশ্ন হিসাবে সমাজে একে কেন্দ্র করে যে মেরুকরণ ও প্রচার প্রচারণা তার সাক্ষাত ফায়দা একটি রাজনৈতিক ক্যাম্পের জন্য যুতসইভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ভোটের বাক্স ভর্তিতে কাজে লেগেছে। কিন্তু তাতে করে সমাজে জায়মান বিরোধ বা অমিসাংসিত প্রশ্ন আকারে যুদ্ধ অপরাধের প্রস্ঙগটা খাটো হয়ে যায় না। হ্যাঁ, আরো গভীরতর ব্যাপ্তি ও আকার নিয়ে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক হানাদারি আগ্রাসনের ভিতর তা নতুন তাৎপর্য নিয়ে আর্বিভূত ও ক্রিয়াশীল হতে পারে, হবে। সেটা তখন আর আমাদের আবেগ, যাতনা ও ক্ষোভ দিয়ে বোঝার জায়গায় সীমিত থাকে না, থাকছে না।

রিফাত কনজেনিয়াল টেররিস্ট মার্সিনারি মেশিন জায়নবাদী রাষ্ট্র ইজরায়েলের চলমান গণহত্যা ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার মর্মযাতনায় গড়ে ওঠা সংবেদনে একইরকম আবস্থান ও নৈতিক ভিত্তির উপর দাঁড়ানোর র্দুবলতাকেই চিহ্নিত করতে চাইছিল বলে আমার মনে হয়েছিল। যদি আমি ভুল বুঝে না থাকি তা হলে রিফাতের আক্ষেপ বা প্রশ্নটি ছিল কেন এই ব্লগে যুদ্ধ অপরাধ ও গণহত্যার প্রতি এত সরব ও শক্তিশালী বিরোধিতা এবং বিচারের দাবীতে ঐক্যদ্ধ ব্লগারকুল ঠিক একইভাবে দীর্ঘ ৬০ বছর জারি থাকা ও সম্প্রতি চোখের সামনে ঘটতে থাকা যুদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে সমান মাত্রায় সরব ও সক্রিয় নয়? নিশ্চয় প্রশ্নটি গুরতর, আমাদের চেতার রাজনীতি ও সাধারণ নৈতিক আবস্থাকে ভালোভাবে ঝাকি দেয়।

এখন আমার কেন জানি মনে হচ্ছে এই যে জায়নবাদী রাষ্ট্র ইজরায়েলের গণহত্যা ও যুদ্ধ অপরাধকে রিফাত আমাদের চেতনায় প্রসারিত ও যুক্ত করে দিতে চেয়েছেন এটাই বুঝি তার ঘোরতর 'অপরাধ' ছিল। একারণেই সরাসরি পোস্ট মুছে দেওয়া। কেন না এর আগেও রিফাত সংখ্যাগরিষ্ট মতে বাইরে আবস্থান নিয়েছিলেন এবং তর্কও চালিয়েছেন, কই তখন তো তাকে এই কণ্ঠরোধের খড়গ পোহাতে হয়নি। তাহলে এখন কেন এই মুছে ফেলা? যেমন উপরে অনেকেই বলেছেন যে সেই পোষ্টটিতে অনেকেই রিফাতকে যথার্থভাবে প্রশ্ন করেছিলেন যার উত্তর তখনো রিফাত দেয়নি।তারা উত্তরের অপেক্ষায় ছিল। তাহলে তো আমরা দেখতে পারতাম যে আদৌ রিফাতের অবস্থানকে তিনি ন্যায্য প্রমান করতে পারেন কিনা বা নিজের বক্তব্যকে আরো ক্লারিফাই করতেন কিনা, '৭১সনের ঘৃণিত যুদ্ধ অপরাধের হোতাদের বিচারের দিকটাকে তিনি কিভাবে ফায়সালা করতে চান; যেমন বলেছিলেন ''ঐতিহাসিক ইনসাফ''র কথা। সেই দিকটার আরো বিশদ ব্যাখ্যার সুযোগ আমরা নিতে পারতাম।

কিন্তু ব্লগ কর্তৃপক্ষ সেই সুযোগ রাখেনি। রাখেনি এইকারণে নয় যে রিফাততের কথা শোনা বা বলার কিছূ নাই বরং আমার বিশ্বাস রিফাত খোদ গণহত্যার বিষয়টাকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের দোসর জায়নবাদী সন্ত্রাসী ইসরায়েলের সাথে জড়িত করে তুলেছে বলে। কারণ এই ব্লগে গত কয়েক দিনে মড়ারেটরদের কার্যক্রমে সুস্পষ্ট যে তারা কিছুতেই চায় না ইসরায়েলের নির্বিচার গণহত্যার প্রতি ক্ষোভ ও বিরোধিতা সমান মাত্রায় চালিত হোক বাংলাদেশ থেকে।

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের প্লাটফর্ম হিসেবে সামইনের এই মেটামরফসিসকে পরিচয় করে দেবার জন্য আমাদের তো ধন্যবাদ দিতেই হয়! নাকি?

আর ব্যান কিংবা অন্য কোন শক্তি প্রয়োগের মুখোমুখি হবার জন্য আমাকেও বাছাই করা হতে পারে। সেটা দেখার অপেক্ষা... সুমন ভাই দোয়া রাইখেন।
৪৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩০
জাতেমাতাল বলেছেন: পোষ্টের বিষয়বস্তু যাই হোক রিফাতের সাথে আমরা একটা ডিবেট করতে পারতাম, রিফাতের দিক থেকে রিফাত পারতো তার বক্তব্যের একটা জবাব দিতে।

কিন্ত পোষ্ট মুছে দেওয়াটা ঠিক কাজ হয় নি। সহিষ্ণুতা আমাদের সবাইকে সাহায্য করবে।
৪৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: রিফাত হাসানকে তার পূর্ববর্তী স্ট্যাটাস ফিরিয়ে দেয়া এবং সেই সাথে তার যে পোস্টটি ডিলিট করে দেয়া হয়েছে সেইটা ফিরিয়ে না দিলে বুঝবো যে, সামহোয়ারইন মতবৈচিত্রহীনতার কুয়া হইতে চাইতেছে।

রিফাত হাসানের যে পোস্টটি কতৃপক্ষ মুছে ফেলছে, সেইটার কিছু কিছু আলাপ এইখানে পাওয়া যাইতে পারে।
৫১. ১১ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩০
অলস ছেলে বলেছেন: কত কথা কত সময় হারায়া গেসে অতীতে। কয়লা নিয়া খুশ আছে সবাই, ধোয়ার দরকার নাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮১৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ