আমার প্রিয় পোস্ট

http://joyodrath.blogspot.com/

বিলবোর্ড-নিবাসিনী

২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৩৬

শেয়ারঃ
0 0 0




চিরকাল দূরে থেকে-থেকে তুমি সুদূরের প্রণয়ভাগী হয়ে গেছো
চিত্রার্পিতা, বিলবোর্ড-নিবাসিনী, তোমার গমনোদ্যত পা
মুড়িয়ে দেয়ার জন্য আমি জমাচ্ছি আমার সকল অপরিণামদর্শিতা
সর্বব্যাপী প্রেমোক্র্যাসির ধোঁয়ায় তোমার যতোটুকু শ্বাসকষ্ট
আমি তার ততোধিক নীল নেবুলাইজার
তুমি আসছো মোরগের বিষ্ঠাভরা জংলা পার হয়ে
মিডিয়াগাছের ছায়াফাঁদ বাঁচিয়ে
আমার ডাকবাক্সের ধূলায়, আমার নিখিল বিজ্ঞাপনহীনতায়!

আমি তো তোমার অপলকময়তা দেখে-দেখে
কাঁথামুড়ি দিয়ে পাশ ফিরতাম
নয়তো তোমার গল্পঘরের বারান্দায় বসে দেখতাম
নৈশকোচগুলো গ্যারেজে ফিরছে একে-একে
ঠান্ডা চা আর পোঁতানো পপকর্ন গিলছে টহল পুলিশ --
একটা সিএনজি স্কুটার আরেকটাকে পেছনে-বেঁধে
চলে যাচ্ছে দূরে, কোনো সমকামী অভীপ্সার দিকে
এতসব দেখে-দেখে, তোমার নম্র উপেক্ষার ধ্যানে এ জীবন কাটিয়ে দিতাম
ফুটপাতে, শেষরাত্রির প্রিজনভ্যানে!

তোমার চুলে নিরুত্তাপ স্মরণসভার গন্ধ, যেন তুমি
কখনো মানুষ ছিলে, এখন কুঠুরি, দরজা-জানালা বন্ধ
কলতাবাজার কবরস্থান থেকে পালিয়ে আসা লম্বা-লম্বা সিপাহীদের ছায়া
তোমাকে পাহারা দেয়
তোমার বামচোখের ভেতর একটি ঘুরানো সিঁড়ি
উপরে উঠতে-উঠতে হারিয়ে গিয়েছে মহাশূন্যে
তোমার ডানচোখে অতীতকালের একটি চিৎকার জমে বরফ হয়ে আছে

আমি সেই রাত্রেই কসাইটুলি থেকে কুড়াল চুরি করে আনলাম
দেহপসারিনীদের ছেঁড়াখোঁড়া অভিলাষকে চিরদিনের মত বিদায় জানালাম
তখনো অনেক বাকি ভোর, মফস্বলগামী নিউজপেপার
স্তূপাকার হয়ে আছে জনশূন্য বাস টার্মিনালে
এদের ভাঁজে-ভাঁজে আমি বিছিয়ে দিলাম আমার না-লেখা প্রেমপত্রগুলোকে
একান্নবর্তী ছোট শহরগুলোর আলোবাতাসে ওরা বড় হয়ে উঠবে কোনোদিন!

এসে দেখি, তোমার গল্প থেকে এমন মোহময় সাবানের গন্ধ ছড়াচ্ছে
আর তা তন্ময় হয়ে গিলছে কয়েকটি নির্ঘুম কাক
তুমি কি ওদের সাথেই উড়বে নাকি, বিলবোর্ডবাসিনী!
ওরা কিন্তু সত্যি-সত্যি কাক নয় -- কর্পোরেট মেটাফিজিক্স --
তোমাকে তোমারই স্মৃতির ভেতর কয়েদ করতে এসেছে, তারপর
বাসি মেট্রোপলিটনের পিঁপড়াগুলোকে ছেড়ে দেবে ওরা
তোমার সবুজ শাকসবজির আকাঙ্ক্ষার ভেতর

তবু, কোনোদিন ভোরবেলা জেগে আমি অবাক দেখবো শাদা বিলবোর্ড
অচেনা রূপসী, নতুন কমোডিটি -- তোমার শ্রান্ত ডানাজোড়া আর খুঁজেও পাবো না
যাদের আমি চোখের জলে এতকাল লুকিয়ে রেখেছিলাম!


সিঙ্গাপুর ১২ জুন ২০০৯

 

প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪০
হারুন আল নাসিফ বলেছেন: তবু, কোনোদিন ভোরবেলা জেগে আমি অবাক দেখবো শাদা বিলবোর্ড
অচেনা রূপসী, নতুন কমোডিটি -- তোমার শ্রান্ত ডানাজোড়া আর খুঁজেও পাবো না
যাদের আমি চোখের জলে এতকাল লুকিয়ে রেখেছিলাম!

ভালো লাগলো।
৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
ট্যাবলেট বলেছেন: ওরা কিন্তু সত্যি-সত্যি কাক নয় -- কর্পোরেট মেটাফিজিক্স --

ওয়াও, চমৎকার লাগলো...
৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: আমারো :)

৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: আচ্ছা।

৪. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৩
সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন:
হায় হায়!!
আমারও ভালো লাগল।
৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: এখন কী হবে?

৫. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:০৭
কৌশিক বলেছেন: আমি অনেক কবিতা পড়ি। নেশার মত। মানে কবিতা দেখলেই পড়া হয়ে যায়। না চাইলেও পড়া হয়।

নানান মানুষের কবিতা পড়েছি। নানান স্বাদের। কবিদের বিষয়ে চিন্তা হয় নাই কখনও। এক একটা কবিতা মনে হয়েছে নিজেই জাতিস্বর, নিজেই মূর্ত, নিজেই নিজের নির্মাতা। খুব সহজেই এর পেছনের মানবিক শ্রষ্ঠাকে হটিয়ে দিয়ে কবিতাকে নিজের করে নিতে সময় লাগে নি।

কবিতাকে প্রত্যাখ্যান করেছি, আলিংগন করেছি। উভয় আমার অধিকারে। এক টুকরো কাগজে অথবা নিউরনের সেলে উঠিয়ে নিলেই নিজের দলিলখত হয়ে যায়।

পছন্দের কবিতার সাথে নিজের বিনির্মাণ চলে, কেন পছন্দ হলো তার ব্যকরণিক কানুনগো হতে ইচ্ছে করে না।

কেবল নিজের হয়ে যায়। বারবার পড়তে ইচ্ছে করে। মনের মাধুরী মিশিয়ে। শব্দের পীঠে শব্দের সশব্দ সিম্ফনীতে মোহিত হয়ে পড়ি।

এই কবিতা পড়ে তেমন অনুভূতি হলো। কমপক্ষে এক হাজার কবিতা পাঠের পরে এমন অনুভূতি হলো। একটাই।
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: এই এপ্রিসিয়েশনটাই মিস করতেছিলাম :)

৬. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:০১
আকাশচুরি বলেছেন: আহা! কতো দিন এমন কবিতা পড়ি না!!

+
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: আমিও লিখি না, কতোদিন!

৭. ৩০ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
কীির্তমান বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো কৌশিক-এর মন্তব্য। অসাধারন লাগলো কবিতাটি। যেমন অসাধারণ লাগতো জীবনান্দ দাশের কবিতাগুলো, কেমন-কটো পরাবাস্তব অনুভূতি হলো। অনেক পড়তাম এক সময়। পড়া হয়ে ওঠেনা আজকাল...
৮. ৩০ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
কীির্তমান বলেছেন: বানান উল্টা-পাল্টা হয়ে যাচ্ছে......

খুবই ভালো লাগলো কৌশিক-এর মন্তব্য। অসাধারন লাগলো কবিতাটি। যেমন অসাধারণ লাগতো জীবনানন্দ দাশের কবিতাগুলো, কেমন-একটা পরাবাস্তব অনুভূতি হলো। অনেক পড়তাম এক সময়। পড়া হয়ে ওঠেনা আজকাল...
৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানাই।

৯. ৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
আন্দালীব বলেছেন: এরকম লেখার পড়বার জন্যই বোধহয় অপেক্ষা করে থাকি।

সুমন ভাই, মুগ্ধতা জানাই। ভালো থেকেন।
৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬

লেখক বলেছেন: অপেক্ষা একতরফা নয় আন্দালীব। এবার আপনার পালা :)

১০. ৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
রিফাত হাসান বলেছেন: আমরা তাহলে সুমন রহমানের একটা তরতাজা কবিতা পেলাম। আর তিনি এখন সিঙ্গাপুরে হিজরত করেছেন। জানতাম নাতো। কবিতা ভাল লাগল।
৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: তরতাজা কবিতাই এটা রিফাত। অনেক বছর পর লেখা। সিঙ্গাপুরে হিযরত নয়, নবীজীর আদেশ মোতাবেক জ্ঞানলাভের জন্য চীনাদের দেশে গেছি ২০০৬ সালে। মাঝে প্রায় একবছর দেশেই ছিলাম, সেও জ্ঞান আহরণের কাজে। এখন জ্ঞান সমাপনের কাজ করছি।

১১. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
কাজী আফসিন সিরাজী বলেছেন: বরাবরই আপনার লিখা খুব ভালো লাগে। এই লিখাটা আমার পড়া একটি অনন্য সাধারন কবিতা! কবিকে অনেক শুভেচ্ছা!
০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। দু'জায়গাতেই আপনার মন্তব্য পড়েছি।

১২. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
রিফাত হাসান বলেছেন: জ্ঞান সমাপন!!! সেও কি সম্ভব! :) যাই হোক, আমি মনে করেছিলাম আপনি দেশেই আছেন এখন। সিঙ্গাপুরে ফের চলে গেছেন জানতাম না। কতদিন থাকবেন ওখানে?
০২ রা জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: জ্ঞান সমাপন সম্ভব কিনা? ওমা, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের দেখেও বুঝলেন না যে সেটা সম্ভব!

কতদিন থাকবো... নিশ্চিত না রিফাত। তবে এবছর পুরোটা থাকছি। আগামি বছরটাও হয়তো।

১৩. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩০
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ভালো লাগে নি তেমন। উপমা এবং দৃশ্যকল্পের মিলবন্ধন নেই, কেমন যেন ছড়ানো-ছিটানো।
১৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৪
নম্রতা বলেছেন: অসাধারন কবি ! অসাধারন !
-----------

S'pore NUS তে পড়ছেন কি ?
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। হ্যাঁ... NUS এ পড়ছি। আপনিও কি সিঙ্গাপুরবাসী?

১৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:০৫
শাহনাজ সুলতানা বলেছেন: অনেক ভাল লাগা থাকল আপনার কবিতার প্রতি।

ভাল থাকুন।
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২৩

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৬. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫৭
অণু দাসগুপ্ত বলেছেন: @আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ভালো লাগে নি তেমন। উপমা এবং দৃশ্যকল্পের মিলবন্ধন নেই, কেমন যেন ছড়ানো-ছিটানো। মন যেন ছড়ানো-ছিটানো। ___________________________________________
আশরাফ মাহমুদ কে বিনয়ের সাথে বলি সুমন রহমানের কবিতা কি আগে কোথাও-কখনো পড়েছেন? আমি বিস্মিত হই আপনার মম্তব্য পড়ে। আশরাফ মাহমুদকে বলি আগে আপনাকে সুমন রহমানের কবিতা বুঝার মতো প্রাজ্ঞতা নিজের ভেতর তৈরি করুন,তারপর সুমন রহমানের কবিতা নিয়ে কথা বলুন। আমাদের মতো পাঠকরা উপকৃত হবেন।ভাল ভাবে একজন কবিকে পর্যবেক্ষণ না করে এরকম মনগড়া মন্তব্য পরিহার করা দরকার বলে মনে করি। আশরাফ মাহমুদ, আপনাকে বলি ১৭বছর ধরে লিটলম্যাগের সাথে জড়িত আপনাকে তো ব্লগ ছাড়া আর কোথাও আমার চোখে পড়েনি। আপনি কি সুমন রহমানের ''ঝিঁঝিট'' কাব্যগ্রন্থ, ''দেখা না-দেখার চোখ'' সম্পাদনা, ''গরিবি অমরতা'' গল্পগ্রন্থ ''সিরামিকের নিজস্ব ঝগড়া'' পড়েছেন? না-পড়ে থাকলে পড়ে নিন। তারপর তাঁর কবিতা নিয়ে কথা বলুন? কেননা বাংলাসাহিত্যে তথা নব্বইয়ের যে দুইজন কবি
তাদের নিজস্ব স্বতস্ত্রধারা তৈরি করেছেন আমার পাঠ অভিজ্ঞতা থেকে বলছি একজন মোস্তাক আহমাদ দীন, অন্যজন সুমন রহমান।
ভাল থাকুন আপনি।
___________________________________
সুমনভাইআর্টস- বিডিনিউজেও পড়েছি কবিতাটি।
আবারও পাঠ হল।
ধন্যবাদ।

১৭. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১২
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: @ অণু দাসগুপ্ত

বিনয়ার্থে, আপনাদের এসব দশকবিচার বা নিজস্ব ধারা সম্পর্কে উক্তি শুনলে আমার হাসি পায়, স্রেফ হাসি পায়।
আমি ১০০ বছর ক্ষুদ্র-পত্রিকার সাথে জড়িত থাকতে পারেন, কিংবা ৫০টি কবিতাগ্রন্থ প্রসব করে থাকতে পারেন; আমি সে বিষয়ে নজর দিচ্ছি না। আপনাকে-ও ব্লগ ছাড়া অন্য কোথা-ও চোখে পড়ে নি। চোখে পড়াটাই কি বিরাট কিছু? হায়! ঈশ্বরের পুংটা তো আজ-ও দেখি নাই!
না, তাঁর (সুমন রহমানের) কাব্যগ্রন্থ পাঠ করি নাই। ব্লগে হয়ত পড়েছি কয়েকটা কবিতা। কিন্তু এখানে তাঁর কাব্যগ্রন্থ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না, এই পোস্টের কবিতাটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।এটা ভালো লাগে নাই, কেন লাগে নি তা-ও বলেছি।
ভাষিক প্রকাশ এক ধরনের মাধুর্য্য থাকে। আপনি আগে না জানলে জেনে গেছেন এখন নিশ্চয়।
সুমন রহমানের কবিতা পাঠের আগে কোন রীতিনীতি অনুসরণ করতে হয় নাকি? জানাবেন। কবিতা পাঠের প্রাজ্ঞতার অধিকারী কিভাবে হয় তা-ও বয়ান করবেন অনুগ্রহ করে।
১৮. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১৩
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমি ১০০ বছর ক্ষুদ্র-পত্রিকা
===========
এখানে "আমি'র স্থলে 'আপনি' হবে।
১৯. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:২৯
সুমন রহমান বলেছেন: অণু দাসগুপ্ত এবং আশরাফ মাহমুদ আপনাদের ধন্যবাদ। অণু, আমার তো মনে হয় আশরাফ এমনটা বলতেই পারেন, একটা কবিতা নিয়ে তার অভিব্যক্তির কথা। সুমন রহমানের সামগ্রিক কাব্যকীর্তি নিয়েও বলতে পারেন। একেকজনের একেকরকম রূচি থাকে, ভিন্ন ভিন্ন প্রস্তুতি থাকে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়েই তার কথাগুলো তাকে বলতে হবে।

নেতিবাচক সমালোচনার একটা খারাপ দিক হল এর সাথে প্রায়ই ছদ্মবেশী চরিত্রহনন এবং নিন্দা থাকে। আশরাফের মন্তব্যে এমনটা ছিল না। ফলে আমি বলবো্ ইনি তার জায়গায় দাঁড়িয়ে ঠিকভাবেই বলেছেন তার ভালো না-লাগার কথা।

অণু, আপনার এপ্রিসিয়েশন খুব ভালো লাগল। আরো ভাল লাগল জেনে যে আমার এই যৎসামান্য প্রকাশনাগুলোর কোনোটাই আপনার নজর এড়ায় নি। ভালো থাকবেন।
২১. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: সিম্পলি অওসাম!!
২২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
প্রতিধ্বনি, তুমিতো বলেছেন: অসামান্য কবিতা।

কাছাকাছি চিন্তার মনে হয়েছে। তাই লিঙকটা দিলাম:
অপভ্রংশ শহরে অনস্তিত্ব বোধ



ভালো থাকুন।
২৩. ২৫ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:৩৯
আলী প্রাণ বলেছেন: ভালো লাগা রেখে গেলাম।

ভালো থাকবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৯৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ