জানতে পারলে 'ভালোবাসা'
এমন তীব্র ছড়িয়ে আছে-তোমার জানালার চারপাশে।
তোমার অপেক্ষায় কেউ প্রতিদিন
বারবার দৃষ্টি মেলে- আকাশের দিকে-
কখন বৃষ্টি নামবে আবার, তোমার কলম থেকে অপরূপ
কখন আবার তোমার মুখ- দেখা যাবে প্রিয় জানালায়- ভেবে ভেবে
কেউ একজন, নির্দ্বিধায়
তোমার বেদনাকে করেছে তার অনুপম সঙ্গী, কবিতার
এতোটা জানার পরেও কি
বিষন্ন থাকতে পারে, অভিমানে, আপ্লুত- তোমার সকাল?
তুমিতো দেখেছো-ই কী প্রবল একাত্মতায়
কলম-উৎসারিত প্রেম-
তোমাকে ভাসিয়ে তুললো আবার, জোয়ারের টানে
আমাদের উন্মুক্ত উঠোনে, তোমার জন্য মমতায়
বিছিয়ে দেয়া হলো অনিঃশেষ
লেখার কাগজ-
তোমার শব্দমালা চেয়ে-কলমের কালিও হলো অবারিত নীল-
বাধাহীণ, সুবিশাল, সমুদ্রের শীতলতায়।
তুমিতো দেখেছো-ই কেউ কেউ, তোমার জন্য, কী প্রবল বিসর্জনে
ফিরিয়ে দিয়েছে সব খ্যাতি-
সব প্রশংসিত, সন্তানসম, শব্দমালা তাঁদের..।
তবুও কি পারবে না ভুলে যেতে-একটি ভুলের আঁচড়ে আঁকা
বিবেচনাহীণ, রূঢ় সেই
সাময়িক শব্দ-বিরতি?
তোমার নিথর করে রাখা মুখ, অভিমানে, বেদনায়
একটি কথাও আর বলবেনা- জেনেও দেখো
ঘুরে ফিরে তোমার দিকেই যায়
শুভকামনায় পল্লবিত- স্বতঃস্ফূর্ত পদাবলী।
কয়েকদিন এ পথে আসবেনা বলেই
তোমার পথ সাজানো হয়েছে আজ, আরো বেশী মমতার ঘ্রাণে।
কয়েকদিন তোমার লেখার টেবিল, শূন্য থাকবে বলেই
তোমার টেবিল ভরে গেছে, শুভেচ্ছার ফুলে ফুলে।
কেমন মায়ার টানে আজ, তুলে নিলো সবাই তোমাকে-
কেমন শব্দহীণ তুমিই নিঃশব্দে হয়ে গেলে প্রবল চীৎকার-
আমাদের স্তব্ধ বিবেকের !
কেবল কয়েকদিন দেখা হবে না বলে-তাই
আকাশের আর কোন আক্ষেপ নেই-
কেবল কয়েকদিন তুমি আসবেনা বলে-
প্রবাহী নদীর কোন থেমে থাকা নেই
একটি জানালা বন্ধের সাময়িক শব্দে
খুলে গেছে, মমতার, সহস্র জানালা চারিদিকে।
অবরুদ্ধ হয়েছো বলেই জেনে গেলে-ভুলে নয়-
তোমার জানালা থেকে তুমি, যথার্থ ব্যাখ্যা ভরেই
পাঠিয়েছিলে এক গোলাপ-
সীমাবদ্ধ ক্ষমতার মানুষ,
পারেনি সুঘ্রাণ তার, চৈতন্যে, টেনে নিতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

