বৃষ্টি ছোঁয়না যাদের...
অদ্ভূত! অবিশ্বাস্য এক দৃশ্য।
অভূতপূর্ব এক অনুভব।
বিষয়টা আগেও শুনেছি কয়েকবার। কিন্তু বিশ্বাস হয়নি। বিশ্বাস হয়নি এমন ধবধবে সাদা তুলোর মতো মেঘ এভাবে আমাদের শরীর স্পর্শ করে ভেসে বেড়াবে। আমাদের এতো কাছ দিয়ে ভেসে যাবে এরকম স্বপ্নময় সুশোভন মেঘ।
বান্দরবানের বৃষ্টিভেজা চিম্ভূক পাহাড়ের সুউচ্চ এক চূড়োয় নানা ঝুঁকি নিয়ে আমরা যখন পৌঁছে গেলাম, তখন বিকেল প্রায় পাঁচটা। আর কিছুক্ষণ পর সূর্য অস্ত যাবে। আমরা প্রায় পঁচিশ জন দাড়িয়ে আছি তারই অপেক্ষায়।
আগেই শুনেছিলাম এখানে আসতে পারলে হাত দিয়ে ছুঁতে পারার মতো নিকট দূরত্বে পাওয়া যাবে নিলীমার অপরূপ মেঘ।পাওয়া যাবে বৃষ্টি। পাওয়া যাবে অপরূপ সুশীতল হাওয়া...।
পেয়েও গেলাম সেই সব স্বপ্নময় পরম প্রাপ্তি।
কী আশ্চর্য্য অসাধারণ এক নিসর্গ।
কী আশ্চর্য্য মন এলো মেলো করে দেওয়া অপূর্ব এক সুবাতাস!
যতদূর দৃষ্টি যায় সামনে তাকালাম।
আমাদের বুক ছুঁয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে মেঘ। স্বপ্নময়, অলীক, অবিশ্বাস্য ! অসামান্য তার ছোঁয়া !
অসাধারণ তার স্পর্শ! অনুল্লেখ্য তার অনবদ্য শিহরণ !!...
কিন্তু সেই মুহূর্তেই ভেসে এলো অবাক ছন্দপতন।
সেই মুহূর্তেই একজনের এক আশ্চর্য্যজনক মন্তব্য শুনে মূহুর্তে আমরা সবাই হতবাক!
"আচ্ছা এখানে দেখার কি আছে? আমরা সবাই কেন এতো ঝুঁকি নিয়ে এখানে এলাম? কী এমন রেয়ার জিনিষ পাওয়া যাবে এখানে? তারচেয়ে বিকেলটা মার্কেটিং করে কাটালেও তো ভালো লাগতো! একটা কাজে দিতো! ...এইসব কাদা-মাটি-বৃষ্টিতো সব জায়গাতেই দেখা যায়! এগুলোর মধ্যে এমন কি আছে যে তা’ দেখার জন্য এখানে আসতে হবে?"
আমরা সবাই অবাক হয়ে ভেসে আসা কন্ঠস্বরের দিকে তাকালাম। বক্তা আমাদেরই ভ্রমণসঙ্গীদের একজন। তার চোখে মুখে স্পষ্ট অসন্তোষ। তার কন্ঠস্বরে দ্বিধাহীণ বিরক্তি।...
ততোক্ষণে আমরা স্তব্ধ হয়ে গেছি। আমরা সবাই অবাক হয়ে গেছি। কেউ বিশ্বাস করতে পারছি না, এরকম অপূর্ব নিসর্গের মাঝে এসেও কেউ ভুগতে পারে এমন বিসদৃশ ভালো না লাগায়।.. ভাবতে পারছি না তাকে কি বলবো! কেমন করে তাকে জিজ্ঞেস করবো –কি কারণে এমন সৌন্দর্য্যের অপূর্ব স্পর্শ তাকে একটুও বিমোহিত করতে পারছে না? কি কারণে এমন মেঘ সে উড়িয়ে দিচ্ছে নিস্পৃহতায় তুড়ি মেরে দূরে?
কি কারণে এমন বৃষ্টি- ছুঁয়ে দিতে পারছে না- তার অবিশ্বাস্য, অনস্পর্শী, অস্থির হৃদয়?
আমরা কেউই শেষপর্যন্ত তার এরকম অদ্ভূত কথার জবাবে কিছুই আর বললাম না।
তাকে যে সত্যিই আমাদের আর কিছু বলবার নেই।
আমরা বুঝে ফেলেছি তাকে। আমরা চিনে ফেলেছি তাকে। আমরা পেয়ে গেছি তার পরিচয়।..
জগতে কিছু লোক থাকে, মেঘ বৃষ্টি আর আকাশ যাদেরকে সহজে স্পর্শ করে না । জগতে কিছু লোক থাকে, সমুদ্র আর আকাশের নীল যাদের নিষ্করুণ পাথর হৃদয়ের কাছে নিতান্তই নিরাভরণ এক অযথা আবেগ। জগতে তারা চিহ্নিত হয় –কঠিন বাস্তববাদী, স্বার্থসচেতন, পরম হিসেবী লোক হিসেবে।
তাদের সব কিছুতেই হিসেবের বড় ছড়াছড়ি।
বাস্তব প্রাপ্তিবিহীন অবাস্তব অলৌকিক নিসর্গ তাই সহজে ছুঁতে পারেনা তাদের।
বিত্ত, বিভব আর ভোগ যতোটা সহজে নজর কাড়ে তাদের, ততোটাই উপেক্ষিত থেকে যায় নদী, নিসর্গ আর মেঘের হাতছানি....তাদের নিরাসক্ত নির্লিপ্ত চোখে-মুখে..।
এ গদ্য আজ তাদের নিয়ে...। বৃষ্টি ছোঁয়না যাদের... । আকাশ অনন্তকাল অনষ্পর্শ থাকে যাদের...। মেঘ যাদের মুগ্ধতাহীন দৃষ্টি থেকে সরে যায়- দূরে....! কেবলই বহু দূরে।....
এ গদ্য তাদের নিয়ে। যারা জীবনকে চালাতে চান চুল চেরা এক হিসেবের বেড়াজালে। পান থেকে চুন খসলেই যারা ভাবেন জীবনের বিশাল কোন কঠিন ক্ষতি হয়ে গেল...!
জীবনকে নির্ধারিত কোন গন্ডীর বাইরে সাজাতে যাদের বড় ভয়। যারা জীবনের সকল আনন্দ সুখের পরিমাপ করেন অর্থের নিক্তিতে....।
বৃষ্টি, যাদের কাছে শুধূই বৃষ্টি।
নদী- কেবলই শুধু নদী...।
এর আগে অন্যদের কথা অনেক লিখেছি...। বৃষ্টি আর আবেগ যাদের ছুঁয়ে যায়- তাদের জন্য লিখেছি কবিতা –“কেবল বৃষ্টির কাছে পরাভূত তুমি” অথবা “এমন বৃষ্টিতো মুগ্ধ করবে তোমাকেই !” বৃষ্টি আর ভালবাসার গান যাদের হৃদয়কে কাঁদায় তাদের জন্য লিখেছি গদ্য “যে গান বৃষ্টির, যে গান একান্ত অনুভবের..”!
কিন্তু বৃষ্টি যাদের একেবারেই ছুঁতে পারেনা, তাদের বিষয়ে কখনোই কিছু লেখা হয়নি...। জীবন যাদের কাছে কঠিন গদ্যময়, জীবন যাদের কাছে স্রোতের শব্দহীন নিশ্চল ছকে বাধা নদী, যারা নির্দ্বিধায় কবিতা পাঠিয়ে দেন নিদাঘ হৃদয় থেকে নিদারুণ নির্বাসনে-বহু দূরে, লেখা হয়নি তাদের কথা-কখনোই...।
এক রাত্রিতে একটা অচেনা কন্ঠের ফোন পেলাম। কেমন যেন কান্না ভেজা স্বর। আমাকে রিকোয়েষ্ট করলেন... ‘আচ্ছা সেইসব মানুষদের নিয়ে একটা লেখা লিখতে পারেননা?’... ‘কোনসব মানুষ?’- আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম।
--সেই যে, সেই মিতালী মুখার্জীর গানটার মতো-“দুঃখ ছাড়া হয়না মানুষ, এ কথাটি সত্যি নয়। দুঃখের সাথে নেই পরিচয়, এমনওতো মানুষ হয়...। যে আমার দুচোখ জুড়ে... অশ্রু দিয়ে বারে বারে, আমায় ভুলে রয়, বলো..., সে কি সুখী নয়?...”
ওহ, আপনি তাহলে সুখী মানুষদের কথা লিখতে বলছেন?
নাহ, ঠিক সুখী মানুষদের কথা নয়, লিখতে বলছি সেইসব মানুষদের কথা, দুঃখ, কান্না আর অশ্রু যাদের সহসা স্পর্শ করে না, যারা ভীষণ বাস্তবতার কঠিন নিয়মের নাগপাশে বন্দী করে চলেন জীবনের সব ভাবাবেগ। জীবন যাদের কাছে কেবলই কবিতাহীন এক সুকঠিন নিরস গদ্য।....
OK, আমি লিখবো । আমি বুঝে ফেল্লাম, কি লিখতে হবে আমাকে। আমি বুঝে ফেল্লাম, আমি কাদের নিয়ে লিখবো । আমি বুঝে ফেল্লাম, বৃষ্টির স্পশর্হীন কোন মানুষেরা উঠে আসবে আমার গদ্যের যত্সামান্য গতিময়তায়।.....
প্রথমেই এক বন্ধুর কাছ থেকে শোনা তার একান্ত এক বেদনার গল্পটি বলি। এই বন্ধুর নাম আরমান। এই বন্ধুটি বিয়ের বছর খানেক পরে প্রথমবারের মতো তার স্ত্রী রেশমা-কে নিয়ে কক্সবাজারে বেড়াতে যাওয়ার প্রোগ্রাম করে। ভ্রমণের কয়েকদিন আগে থেকেই বেশ ঘটা করে নানা প্রস্তুতি সম্পন্ন করে বন্ধুটি। কক্সবাজারে চারদিন তারা দুজনে কোথায় থাকবে, কোথায় খাবে, কোথায় বেড়াবে সব ঠিকঠাক। কোন কোন হোটেলে অগ্রিম সিট ভাড়ার টাকাও পেমেন্ট দেওয়া হয়ে গেছে। এখন শুধু যাত্রা বাকী।...
নির্ধারিত দিনে তারা দু’জনে উঠে বসলো শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এক বাসে।...
‘এই পথ যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলতো?’..... এক চমৎকার গানের আবহ নিয়ে শুরু হলো বাস জার্নি। কিন্তু যা কিছু অনন্য অনুভব নিয়ে শুরু হয় তার শেষটা অনেকক্ষেত্রেই খুব একটা সুখকর হয় না।... এক্ষেত্রেও চমৎকার অনুভূতির মধ্যে যেন কেউ বাধ সাধলো । কেউ যেন পেছন থেকে ডেকে বললো... তোমাদের দিনটা আজ খুব খারাপ।...খুবই খারাপ।...
মাত্র এক ঘন্টার মধ্যে কোথা দিয়ে যেন কী ঘটে গেল। কী একটা সামান্য কথা থেকে দুজনের মধ্যে প্রথমে মতের অমিল, তারপর কথা কাটাকাটি তারপর রীতিমতো প্রবল ঝগড়া বেধে গেল মুহূর্তে।....একসময় আরমান ফীল করলো এভাবে জার্নির সময় বাসের ভেতর ঝগড়া করা ঠিক হচ্ছে না। আশে পাশের লোকজনও বিষয়টি ভালভাবে নিচ্ছে না।...
এরপর আরমান তাই একেবারে চুপ হয়ে গেল। তার স্ত্রী রেশমা তীব্র রাগে দীর্ঘক্ষণ ধরে অনর্গল যা কিছু বলে গেলো তার সবটাই সে বিনা প্রতিবাদে হজম করে গেল। জার্নির কথা ভেবে, দীর্ঘ চারদিনের ব্যাপক সব প্রোগ্রামের কথা ভেবে বন্ধুটি একেবারে চুপ করে রইলো।
কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই আরমান ফীল করলো এমন একটা জার্নির সময় একেবারে চুপ করে থাকতেও ভাল লাগছে না। তাই হার মেনে- সব রাগারাগি বাদ দিয়ে- আপোষ মিটমাট করতে চাইলো স্ত্রীর সাথে।...বার বার বলতে লাগলো-“স্যরি, রেশমা, স্যরি!”.... কিন্তু বিধি বাম। সেই ‘স্যরি’-তে রেশমার রাগ আর ভাঙ্গে না। অনেক অনুরোধের পরেও রেশমা আর কিছুতেই কথা বললোনা তার সঙ্গে। যেন প্রবল এক রাগ অথবা অভিমানে রেশমা একেবারেই বোবা পাথর হয়ে গেছে।...
তারপরেও বন্ধুটির মনে আশা জেগে রইলো। নিশ্চয়ই কক্সবাজারে গেলেই রেশমার মন বদলে যাবে। কক্সবাজারে নিপুণ নিসর্গ, কক্সবাজারের সুশীতল হাওয়া আর অনবদ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য নিশ্চয়ই গভীরভাবে মুগ্ধ আনন্দে বদলে দেবে রেশমাকে। এমন চমৎকার সমুদ্রস্রোত, এতো সুগভীর সাগরের বিশালতা এমন নীলিমাময় আকাশের উদার স্পর্শ নিশ্চয়ই রেশমাকে একেবারেই বদলে দেবে! রেশমা কে দুহাত দিয়ে ধরে আনন্দে নাচতে নাচতে তখন নিশ্চয়ই সেই গানটা খুব মজা করে গাওয়া যাবে-
“রাগ করবার, আরো যে কতো, সময় আছে যে পড়ে, অনেক আশার, এই টুকু ক্ষণ, খুশিতে দাও নাগো ভরে!”...
কিন্তু হায়! সবটাই যেন শুধু কবির কল্পনা!
কল্পনা আর বাস্তব এক হলো না কিছুতেই।
বন্ধুকে অবাক ও স্তম্ভিত করে দিয়ে কক্সবাজারের পরবর্তী চারটি দিনই রেশমা আর তার সাথে কথা বলেনি।
এমন কি সমুদ্রের সামনে গিয়েও না।...
যখন একরাশ ধবধবে সাদা ঢেউ তাদের পায়ের কাছে আছড়ে পড়ে বলছে, ‘অন্ততঃ আমাদের সৌন্দর্য্য দেখে তোমরা ভুলে যাও বিভেদ তোমাদের’.... তখনো না।
বন্ধু অবাক। তার পঁয়ত্রিশ বছরের জীবনে এমন অবাক সে আর হয়নি। সমুদ্রের স্রোত এতোকিছু ভাসাতে পারে, এতোকিছু গলাতে পারে... কিন্তু ....রেশমাই শুধু রয়ে গেল অনড়। অবোধ্য। অগম্য।
সকল প্রচেষ্টা আর সাধনার সাধ্যাতীত....।
এই বন্ধুর এই একান্ত পারিবারিক গল্পটি প্রায়শঃই নানা ভাবে আমাদের বন্ধুমহলে আলোচিত হয়। সামান্য কথার হেরফের থেকে সৃষ্ট রাগ বা অভিমানের জের এভাবে প্রলম্বিত হয়ে কক্সবাজারে বেড়ানোর চারটি পূর্ন দিবসকে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দিতে পারে, সেটা সহজে কেউ মেনে নিতে পারে না। অনেকেই এ ঘটনার অনেকরকম মনস্ত্বাত্বিক ব্যাখ্যা দেয় ।.....
সেই সব মনস্ত্বাত্বিক ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ যখন চলতে থাকে, আমার ভেতরে তখন আরমান এর সেই বেদনার্ত অনুভব ঘিরে রচিত হয়ে যায় কয়েকটি চরণের এই বিষন্ন শব্দমালা----
আমি তোমাকে হাত ধরে নিতে চেয়েছি এক
স্বপ্নের পাশে
আমি তোমাকে বারবার
চোখ তুলে দেখতে বলেছি-ভালবাসা
কিভাবে মিশিয়ে রেখেছি এই
অনন্ত অপেক্ষার খরা বুকে
অথচ সকলই রয়ে গেছে চিরকাল
তোমার দৃষ্টির আওতা থেকে দূরে
সকলই রয়ে গেছে উপেক্ষায়
নিদারুণ স্পর্শবিহীন
আমার যে স্বর প্রতিদিন ডেকে ডেকে
ক্লান্ত হয়েছে
আমার যে চীৎকার বেদনায় ভাসতে ভাসতে
মিশে গেছে সমুদ্রের নোনা জলে
অবশেষে তাকেই জানতে হয়েছে- বেদনায়
তুমি কোন স্পর্শের অতীত নীলিমা ছিলে না-
তুমি কোন কাব্য ছিলে না, দুর্বোধ্য, ব্যাখ্যাবিহীণ
শুধু তুমি ছিলে সেই
মেঘের স্পর্শহীন অসার মানবী
শুধু তুমি ছিলে সেই
আশ্চর্য্য মানব দলের অন্যতম এক
পাথর প্রতিনিধি-
হাজার মেঘলা দিনেও কোনদিন
একফোটা, এক কণা
বৃষ্টি ছোঁয়না যাদের.....।
......................................
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।