বইমেলায় এক কোকিলকোন্ঠী (আইরিন সুলতানার করকমলে)
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০১
২১ শে ফেব্রুয়ারী। আজ বইমেলায় না গেলে যাবো কবে? একুশের বইমেলা বলে কথা। গেলাম। ভিড়ার ভিড়। আমি শরীর ছিলিম রাকতে ভোর রাতে উঠে দৌড়াদৌড়ি করা মানুষ, সিডর দুরে থাক, ২ লম্বর সতর্ক সংকেত দিলেই মা বাসার বাইরে যেতে দেয় না ঝড়ে উড়ায় নিয়ে যাবে আশংকায়। এই ভিড় সামলাইতে জাপানি সুমো পালোয়ানের দাদারও পায়ের ঘাম মাথায় উঠবে।
সাথে তিন দোস্ত। তারা আবার বাপের হোটেলে ছত্রিশ টাকা কেজির চালের সদ্ব্যবহার করে করে গায়েগতরে আস্তহাতি এক একটা। তাদেরকে বললাম, দোস্ত তোরা আমারে একটু বডিগারড দিয়া রাখ। সামনে দুই দোস্ত পিছনে একজন। বইমেলায় ঢুকবো, দাড়ায় আছি তো আছি। লাইন আর নড়ে না। কেমন যেন একটু তন্দ্রামত আসলো। হঠাৎ কানে বাজলো, কোকিলের মিষ্টি সুর। আমি চোখ ডইলা দেখি ঘুমায় গেছি নাকি! লাইনে দাড়ায়া ঘুমাইলে আর কেলেংকারির শেষ থাকবে না। শুটকা মানিক শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা, এরপর ঘোড়া মানিক ডাকলে আমার লাইফের এসপারওসপার সীমানায় পৌছায় যামু।
চোখ ভালো করে ডলে দেখি, ঘুমাই নাই, মানসম্মান আল্লা বাচায় দিছে। লাইনে তিনচারজনের পিছনেই এক মাইয়া খাড়াইয়া, তার কন্ঠেই আমার কোকিলভ্রম। আরেকটু পিছনে খাড়াইয়া এক কাইল্যা খ্যাত বডিবিলডারটাইপ পোলা আইরিন আইরিন বইলা চিল্লাইতেছে। কোকিলা সেই চিৎকারের জবাবে এমন সুকন্ঠের রিনিঝিনি ছড়াইতেছে।
(বাকিটা পরে হুনেন)
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














