কৌতুক হুনেন মিয়াসাবরা
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮
সেই আমলের কথা, যখন ব্র্যাকের টাট্টি প্রজেক্ট লাঞ্চ করে নাই। গ্রামগায়ে তখনও 'নিরাপদ পায়খানা'র চাইতে সূর্য উঠার আগে ঝোঁপে জঙ্গলে কাজ সেরে আসা বেশি ঝামেলামুক্ত ও জনপ্রিয় ব্যাপার ছিলো। ফজরের ওয়াক্তে তাই বদনা হাতে সন্তর্পণে দৌড়াদৌড়ি করা লোকজন দেখা যাইতো।
এক মধ্যবয়সী মহিলা ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি করে ফেলেছেন। এদিকে হাইভোলটেজে নিম্নচাপ শুরু হয়েছে। সারতে না পেরে রাস্তার কাছাকাছিই এক ঝোঁপে বসে গেলেন। সেইদিন আবার ইসমাইল চাচা তার দুই পুত্রসহ মামলার হাজিরা দিতে গঞ্জে যাইতেছিলেন। তারা মহিলাকে দেখে লজ্জায় অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে তাড়াতাড়ি সে স্থান পার হলেন।
মহিলা প্রাতকর্ম সেরে বাড়িতে এসে জা-এর সাথে গল্প করছে।
- দেখ ভোলার মা, আজ হইছে কি, আমি রাস্তার ধারের জামগাছ তলা হাগতে গেছি। এমন সময় দেখি ইসমাইল ভাই ইমরান-গোমরানরে নিয়া গঞ্জে যায়।
:: কি বলো? তোমারে দেখে ফেলে নাই তো?
- দেখে ফেলে নাই, মানে! আমারে দেখে তাদের সে কী লজ্জা! মুখ অন্যদিকে ঘুরাইয়া দৌড়াইয়া পারলেই বাঁচে।
---------
এই কৌতুকের কোনো চরিত্রের সাথে কোন পোস্টচোর বেহায়ার মিল খুঁজার চেষ্টা করবেন না।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নেমেসিস বলেছেন:
হাহাহা............
পালর্ামেন্ট বলেছেন:
হুমমমম
আজম ইউসুফ ঠাকুর (মহব্বত) বলেছেন:
এই কৌতুকের কোনো চরিত্রের সাথে কোন পোস্টচোর বেহায়ার মিল খুঁজার চেষ্টা করবেন না। শেষ কথাটাকি সমালোচনার জন্য স্মরন করাইয়া দিলেন নাকি?
পালর্ামেন্ট বলেছেন:
কৌতুকের পোস্টচোর হোগা উদলা মহিলার আজও মাথায় মাল উঠছে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














