somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... কৌতুক হুনেন মিয়াসাবরা
এক মধ্যবয়সী মহিলা ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি করে ফেলেছেন। এদিকে হাইভোলটেজে নিম্নচাপ শুরু হয়েছে। সারতে না পেরে রাস্তার কাছাকাছিই এক ঝোঁপে বসে গেলেন। সেইদিন আবার ইসমাইল চাচা তার দুই পুত্রসহ মামলার হাজিরা দিতে গঞ্জে যাইতেছিলেন। তারা মহিলাকে দেখে লজ্জায় অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে তাড়াতাড়ি সে স্থান পার হলেন।

মহিলা প্রাতকর্ম সেরে বাড়িতে এসে জা-এর সাথে গল্প করছে।
- দেখ ভোলার মা, আজ হইছে কি, আমি রাস্তার ধারের জামগাছ তলা হাগতে গেছি। এমন সময় দেখি ইসমাইল ভাই ইমরান-গোমরানরে নিয়া গঞ্জে যায়।

:: কি বলো? তোমারে দেখে ফেলে নাই তো?

- দেখে ফেলে নাই, মানে! আমারে দেখে তাদের সে কী লজ্জা! মুখ অন্যদিকে ঘুরাইয়া দৌড়াইয়া পারলেই বাঁচে।

---------
এই কৌতুকের কোনো চরিত্রের সাথে কোন পোস্টচোর বেহায়ার মিল খুঁজার চেষ্টা করবেন না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28773713 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28773713 2008-02-24 19:48:10
বইমেলায় এক কোকিলকোন্ঠী (আইরিন সুলতানার করকমলে)
সাথে তিন দোস্ত। তারা আবার বাপের হোটেলে ছত্রিশ টাকা কেজির চালের সদ্ব্যবহার করে করে গায়েগতরে আস্তহাতি এক একটা। তাদেরকে বললাম, দোস্ত তোরা আমারে একটু বডিগারড দিয়া রাখ। সামনে দুই দোস্ত পিছনে একজন। বইমেলায় ঢুকবো, দাড়ায় আছি তো আছি। লাইন আর নড়ে না। কেমন যেন একটু তন্দ্রামত আসলো। হঠাৎ কানে বাজলো, কোকিলের মিষ্টি সুর। আমি চোখ ডইলা দেখি ঘুমায় গেছি নাকি! লাইনে দাড়ায়া ঘুমাইলে আর কেলেংকারির শেষ থাকবে না। শুটকা মানিক শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা, এরপর ঘোড়া মানিক ডাকলে আমার লাইফের এসপারওসপার সীমানায় পৌছায় যামু।

চোখ ভালো করে ডলে দেখি, ঘুমাই নাই, মানসম্মান আল্লা বাচায় দিছে। লাইনে তিনচারজনের পিছনেই এক মাইয়া খাড়াইয়া, তার কন্ঠেই আমার কোকিলভ্রম। আরেকটু পিছনে খাড়াইয়া এক কাইল্যা খ্যাত বডিবিলডারটাইপ পোলা আইরিন আইরিন বইলা চিল্লাইতেছে। কোকিলা সেই চিৎকারের জবাবে এমন সুকন্ঠের রিনিঝিনি ছড়াইতেছে।

(বাকিটা পরে হুনেন)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28772899 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28772899 2008-02-22 02:01:54
ব্যবহারে নির্বোধের পরিচয়
ছানা তাহার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মস্তিষ্ককে আরো গভীর ভাবনায় নিয়োজিত করে। ভাবিতে ভাবিতে সে লেজ নাড়ায়। লেজ নাড়ায় আর ভাবে। ভাবে আর লেজ নাড়ায়। ভাবিতে ভাবিতে সে দিশেহারা হয়। গুগলে করিয়া সে বিশ্ব ভ্রমায় সমাধানের আশায়। চকিতে সে পাইয়া যায় তাহার মহাসমাধান। মহাসমাধানের আনন্দে তাহার ছাগদন্ত বিকশিত হয়। আনন্দে ছাগুছানা লাফাইতে লাফাইতে হাসে।

সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন নাই গীবত অপরাধ। তাই তাহারা নির্বোধ। সমাজবিজ্ঞানীগণকে নির্বোধ প্রমাণ করিয়া ছানা আনন্দে লেজ নাড়ায়। অর্থনীতিবিদরা জানে না যাকাতই অর্থনীতির ভিত্তি। তাই তাহারা নির্বোধ। অর্থনীতিবিদগণকে নির্বোধ প্রমাণ করিয়া ছাগুছানার ছাগদন্ত বিকশিত হয়। ডাক্তারগণ অদ্য পর্যন্ত ছাগলের বিষণ্নতা দূর করিবার কোন মহৌষধ আবিস্কার করিতে পারেন নাই। তাই তাহারা নির্বোধ। ডাক্তারগণকে নির্বোধ প্রমাণ করিয়া ছাগু আনন্দে কাঠাল পাতা চিবোয়। এইবার ছাগুছানা তাহার ক্ষুর প্রসারিত করে রাষ্ট্রযন্ত্রের দিকে। গণতন্ত্র নামক হাস্যকর ব্যবস্থা দেখিয়া ছানা লেজ নাড়াইয়া হাসে। তখনি ছাগুছানা মহা চিন্তায় পড়ে। ছাগু বুঝিয়া পায় না কেন হাজার খুন আর শত খুনের শাস্তি সমান হইবে। হাজার খুনের শাস্তি হইবে হাজারবার মৃতূদন্ড আর শত খুনের শাস্তি হইবে শতবার মৃতূদন্ড। সমাধান পাইয়া ছাগু নিশ্চিন্ত হয়।নিজের জ্ঞানে ছাগু বিচলিত হয়। আনন্দে সে আরও কাঠাল পাতা চিবোয়। আনন্দের আতিসয্যে ছাগুছানা ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে ব্লগে আসিয়া লাদি ছাড়ে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28772350 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28772350 2008-02-20 15:52:33
প্রতারকের সনে গিয়েছিনু বনে এক বাঘ দেখে ফেলে জংগল ভাইংগা
লজ্জায় মরো মরো কে কোথায় ধরো ধরো
ভাগ্যিস ছিলো সাথে হিযাবটা
চোখেতে পলক নাই হারিয়ে ফেলেছি খেই
তবুও ঢেকে ফেলি মস্তক
উজবুক দেখে হাসে মৌমাছি আসেপাশে
নিচতলা পুরোটাই ন্যাংটো
বাঁদরের কিচকিচে সম্বিত ফিরে আসে
একবার পড়েছিনু পুস্তক
এভাবে করতে নেই মনে পড়ে চমকাই
টন টন ঘুরে যায় মাথাটা
তুমি দাও খিচে দৌড় আমাকেই ফেলিয়া
ভীষন গোস্বা হই কী লাভ আর বাচিয়া?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28771461 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28771461 2008-02-17 18:14:29
বইমেলায় শ্রাবন্তি কথায় বেকথায় ঠোট বাকা করে হাসো,
মারুফের সাথে ওঠোবসো,
মধ্যবয়সী চেহারায় করো ছুড়ির অভিনয়।
শ্রাবন্তি, বেহায়া আর কারে কয়!

কালো কুটকুটে হাসান ভাইয়ের সাথেই
তোমায় মানায় ভালো,
যতোই মেকআপ নাও ভুলে যেওনা
সোনা, তুমিও কালো।
তোমার সানসিল্ক চুলে
গোছা গোছা পরগাছা।
খুব জোরে হাওয়া এলে
উড়ে গিয়ে বেরিয়ে পড়ে টাক।
শ্রাবন্তি, তবুও তোমায় কবিতা লিখি,
দরকার থাক বা না থাক।

এবারের বই মেলায় অমিতের বই
কিনতে স্টলের সামনে থেকে নড়ো নাই।
যদিও কোনো বই কোনদিনও পড়ো নাই।
সুন্দর ছেলে দেখে তোমার সেই দাত বাকানো হাসি,
মোহময় দেখে অমিতের সে কী হাসাহাসি।
তুমি বানান করে করে পড়ে ফেলো বইয়ের নাম,
গন্দম মানে কি? জিগাও।
আমি কই, তা দিয়ে তোমার কাম?

জেবতিকের ধুলিমাখা চাঁদ দেখেই
একটু শান্তি পাও,
ক-অক্ষর ছাগমাংস হোক,
দেখেছো ছবিটা কী দারুণ?
হ, ঠিকই কইছো।
আবারও ঠোট বাকাও
মেকআপের ঝাঁজ চলে গিয়ে সারামুখে উকি দেয় ব্রন আর ব্রন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28771458 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28771458 2008-02-17 17:35:04
নেকাব সরান কর্তৃপক্ষ : আসলে আপনারা কি চান? : অমি রহমান পিয়াল ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫৯


ধৈর্য্যের শেষ সীমা কিভাবে মাপে আমার জানা নেই। শুধু বুঝতে পারছি আমি সেখানে পৌছে গেছি। সমচেতনার ব্লগারদের কেমন লাগছে জানি না, কিন্তু আমি আর পারছি না। এই ইদুর বেড়াল খেলা আর কতদিন চলবে মাননীয় কর্তৃপক্ষ?

আমাদের তো একটাই দাবি ছিলো : নীতিমালা সংশোধন করে সেখানে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কোনো পোস্ট ছাপা হবে না এমন একটা ধারা যোগ করতে হবে

খুব কি বেশী ছিলো সে চাওয়া? এ ব্যাপারে গত কমাসে আন্দোলন কম হয়নি। প্রতিবাদে ছাকা ছাকা ব্লগাররা আর লিখছেন না। শুরুর ধাক্কার পর এরাই তো ছিলেন সম্পদ। কিন্তু আপনারা অনড়। আপনাদের কাছে কেউই অপরিহার্য নয়। কলম বিরতির সময় স্বাধীনতা বিরোধী বলে চিহ্নিত ব্লগারদের তিন-চারটে করে নিকে লগ ইন করার সুবিধা দিয়েছেন (তার প্রমাণও আছে) সব কিছু স্বাভাবিক আছে দেখাতে। কিন্তু আলেক্সা রেটিং বলছে অন্য কথা। সব কিছু স্বাভাবিক নেই। তারপরও আপনাদের কেনো বোধোদয় হচ্ছে না। নইলে আমাদের বলে দিচ্ছেন না কেনো যে স্বাধীনতা বিরোধী চর্চাকে প্রমোট করতেই আসলে এই প্লাটফর্ম আর আমরাই এখানে উড়ে এসে জুড়ে বসেছি। এই সরল স্বীকারোক্তিটুকু করলেই তো বর্তে যাই। সময় বাচে, কাজ ফেলে সংসার ফেলে পড়াশোনা ফেলে ব্যবসা ফেলে কার এত ঠ্যাকা যে দেশপ্রেমের ধ্বজা উড়িয়ে সামহোয়ারের হিট বাড়াবে।

রাজাকার শিরোমনি গোলাম আজমের পোস্ট পড়লে আপনারা বোধহয় তালি বাজান। মু্ক্তিযুদ্ধ নিয়ে অপমানজনক পোস্ট পড়লে বুঝি আপনাদের উৎসব শুরু হয়। অবিশ্বাস্য এই কথাগুলিই এখন বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করছে। আপনারা সত্যি আমাদের লেখালেখির প্লাটফর্ম করে দিয়েছেন নাকি আমাদের সবার সৃজনশীলতাকে হত্যা করার পরিকল্পিত নীলনক্সা বাস্তবায়ন করছেন সেটা এখন বিশাল এক প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে উকি দিচ্ছে সবার মনে। নইলে কেনো বারবার আন্দোলন ও প্রতিবাদের পরও আপনারা বাংলাদেশের চেতনা ও স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে নগ্নভাবে সমর্থন দিচ্ছেন?

দয়া করে আপনাদের অবস্থান আমাদের জানান। আপনারা কি চান? এখানে সব ধরণের বাকস্বাধীনতা দেওয়া হবে এই ধরণের অপযুক্তি বাদে আর কিছু বলুন। আমার পতাকা ও স্বাধীনতার আব্রু নিয়ে টানাটানি যদি বাকস্বাধীনতার চর্চা হয় তাহলে ঘরের মা বোনকে নিয়ে টানাটানিও সেই যুক্তিতে সিদ্ধ। আর এই অপচর্চার অবসান চাই। বহুত করেছেন, আর না। এবার ক্ষান্ত দিন। বাংলাদেশের বুকে বসে বাংলা ভাষা চর্চার মঞ্চ খুলেছেন বলে যে সাধুবাদ পেয়েছেন এতদিন, তা ক্রমেই বিপরীতমুখী হচ্ছে আপনাদের সন্দেহজনক পক্ষপাতদুষ্টতায়। এখানে স্বাধীনতা বিরোধী পোস্টের প্রতিবাদ করলে ব্যান খেতে হয়, ঘরের বউ নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টের প্রতিবাদে ব্যান খেতে হয়। আর চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের জীবনি আপনারা প্রমোট করেন।

হুসেইন তার এক কবিতায় শুয়োরের সঙ্গে সহবাসে আপত্তি জানিয়েছিলেন। সে পোস্টে সহমত বলে মন্তব্য করেছিলাম। এবার নিজের মুখে সক্রোধে উচ্চারণ করছি- শুয়োরের সঙ্গে সহবাস চাই না, করব না। হয় নীতিমালায় সংশোধন আনুন। নয়তো আমাদের অপমান নিপীড়ন না করে সরাসরি জানিয়েদিন আপনাদের অভিপ্রায়। নাটক করে নয়, সরাসরি। তারপর স্বাধীনতার মর্যাদা রাখতে ব্লগাররা কি করবেন তারাই ঠিক করবেন।

আমি আমার আগের সব পোস্ট ড্রাফট করেছিলাম আপনাদের অনৈতিকতার প্রতিবাদে। এবার বাকিগুলোও করবো। সামহোয়ারে যতদিন না স্বাধীনতা বিরোধী পোস্টের ব্যাপারে স্পষ্ট ঘোষণা আসে। আমার ব্লগে কোনো পোস্টই থাকবে না। কলম বিরতি, লগ অফ থাকা- এ জাতীয় প্রতিবাদমূলক পদক্ষেপ আমি সহব্লগারদের উপর চাপিয়ে দিতে চাই না। আমি শুধু আমারটাই বললাম।

এত অপমানের পর আপনারাই ঠিক করুন কি করবেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28769854 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28769854 2008-02-13 04:05:33
প্রিয় পোস্ট ১২
আব্দুল হক

জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে
০৩ রা মে, ২০০৬ রাত ৩:৪৬

View this link


অনেক দিন পরে ব্লগে ফিরলাম । দৌহিত্রের কম্পিউটারটি কাজ করছিল না। আর ঢাকাবাসীরা লোড শেডিং পরিস্থিতি তো জানেনই । এর মধ্যে মাঝে মধে দু-এক ঝলক পড়েছি। তবে নিয়মিত নয় । তর্কের বদলে গালাগালিতে পরিবেশ কিছুটা ভারী হয়ে এসেছিল মাঝখানে ।তবে যে ব্যাপারটা একেবারেই ভালো লাগছে না তা হলো, ব্লগটি এমনভাবে পক্ষ-বিপক্ষে বিভক্ত হয়েছে যে একপক্ষ অপরপক্ষের লেখা পড়ছে না । এটা খুবই বিপজ্জনক প্রবণতা ।
যাই হোক জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে এই ব্লগে প্রচুর লেখালেখি হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র কয়েকটা বাদে বাকি গুলো , বিশেষত জামায়াতের সমর্থকদের লেখা গুলো মারাত্মক রকমের একপেশে । বিশেষ করে ইতিহাস প্রসঙ্গে খোলাখুলি আলোচনার সৎসাহস তাদের মধ্যে দেখিনি ।সবচাইতে অদ্ভুত কাজটি তারা করেন , আক্রান্ত হওয়া মাত্র আক্রমণকারীকে আওয়ামী লীগার হিসেবে চিহ্নিত করেন । এতে মূল প্রসঙ্গ ঢাকা পড়ে যায় । আওয়ামী লীগ যদি জামাতের প্রকৃত শত্রু হতো তাহলে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস অন্যরকম হতো ।
আমার স্পষ্ট মনে আছে জামাত হালাল হবার পরে এক সাংবাদিক সম্বেলনে সদ্য কারামুক্ত আব্বাস আলী খান বলেছিলেন ,'' আওয়ামী লীগ আমাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্্বন্দি, এবং কমিউনিস্টরা আমাদের শত্রু'' । কথাটার অর্থ অনেক অনেক গভীর । পলিটিক্যাল ইসলামের যে দোহাই জামাতের তাত্তি্বকরা দিয়ে থাকেন , কথাটির সাথে তার বিরোধীতা প্রকট । কারণ ইসলামী বিপ্লব বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব যদি থেকেও থাকে , তার লক্ষ্য হবার কথা পুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদ, কমিউনিস্টদের সঙ্গে সে দিক থেকে তাদের সুসম্পর্কই থাকার কথা । আল্লামা ইকবাল যেমন বলেছিলেন কমিউনিজম+আল্লাহ= ইসলাম ।যারা এম.এন.রায়ের ''ইসলামের ঐতিহাসিক ভুমিকা'' বইটি পড়েছেন তারা বিষয়টি আরও ভালো বুঝবেন ।কিন্তু আমার জানা ইতিহাসে জামাতের কোন ভুমিকা দেখতে পাই? বরাবরই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নির্লজ্জ দালালি এবং প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবিদের খতমের চেষ্টা । 14 ডিসেম্বরের শহীদদের রাজনৈতিক পরিচয় খতিয়ে দেখলে বিষয়টি আরও পরিস্কার হবে ।
আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যা বুঝি, বুজের্ায়া বিপ্লব ধর্মবিরোধী অবস্থান সত্ত্বেও কিছুকাল পরে রাজনীতিতে অভিনব কায়দায় ধর্মকে ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্য ছিল শ্রমিক আন্দোলনকে দিকভ্রান্ত করা। এই কৌশল ব্যর্থ হলে , বিশেষত: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে আন্তজর্াতিক পুঁজিপতিরা কমিউনিস্ট ঠাঙানোর উদ্দেশ্যে ধমর্ীয় মৌলবাদীদের তৈরী করেন । উদ্দেশ্যের এবং কর্মপন্থার দিক থেকে এরা নাৎসীদের সমগোত্রীয় । জামাতকে তাই ইসলামী মৌলবাদী বলতে আমার আপত্তি আছে । আমার মতে তাদেরকে ধর্ম-ব্যবসায়ী ফ্যাসিস্ট বলাই শ্রেয় ।
আমার বিশ্লেষণে যে জায়গায় আমার মতে একটা ফাঁক থেকে যাচ্ছে, আমি অর্থদাতার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে হাইলাইট করে সংগঠণের চরিত্র নির্নয়ের চেষ্টা করতে গিয়ে অর্থদাতার টোপে বিভ্রান্ত ধমর্ান্ধ কমর্ীদের ''বিশ্বাস''কে এবং তার উৎস অনুসন্ধানের দিকটিকে অনুল্লেখিত রাখছি । এটা আসলে আমার রাজনৈতিক বিশ্বাসের উপর রাজনৈতিক অর্থশাস্ত্রের প্রভাবের কুফল ।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে জামাতের রাজনৈতিক ভুমিকা কি? তাদের মনে কোন গূঢ় পরিকল্পনা আছে তা তো আর আমি জানি না । যা জানি তা হলো তথ্য-অভিজ্ঞতা থেকে যা বোঝা যায় । আমি দেখতে পাচ্ছি তারা আওয়ামী লীগ-বি.এন.পি.র সঙ্গে মিলিত ভাবে গণধর্ষণে সামিল । একেকবার ক্ষমতার একেকটি খুটির সাথে চামচামি সুলভ মাখামাখি ।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28769312 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28769312 2008-02-11 17:25:37
প্রিয় পোস্ট ১১
সাধক শঙ্কু

!!!জয়তু সামহোয়ারইন!!! বারে বারে মুছ কেন গো পরদেশী?
২৯ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৫:০৬



এইবার মোটামুটি একটা হাইপোথিসিস বানানো যায়।

১. একটা মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানী সুপরিকল্পিতভাবে ধর্ম-ভিত্তিক ফ্যাসীবাদরে সমর্থন দিয়া যাইতাছে। পাকিস্থানের যেই মাদ্রাসার তালিবদের দিয়া তালেবান বানানো হইছে সেগুলা ফিনান্স করছে ইউনিকল।

২. আইয়ূব-জিয়া-এরশাদের মতো মদ-সূদী কারবারের লগে খিচুড়ি কইরা নারায়ে তকবীর মিশিনোর কাজে বরাবরই মুক্তচিন্তার লেখকরা অসুবিধাজনক। সুতরাং ছাগু ছাড়া কাউরে বাক-স্বাধীনতা দেওন যাইবো না। এইটা অস্বাভাবিক কিছু না। যেই যুক্তিতে হিটলার ইন্টেলেকচুয়াল মারছে একই যুক্তিতে জামায়াতে ইসলামীর মিলিশিয়া বাহিনি আল-বদর বুদ্ধিজীবি মারছে। প্রতি ক্ষেত্রেই আলটিমেট নিয়ন্ত্রণ ছিল জলপাই মামাগো হাতে। এইবারো তাই।

৩. বাংলা প্রাচীনকাল থিকাই বিদ্রোহ উপদ্রুত এলাকা। এই সমস্ত প্রতিরোধের কেন্দ্রে কোনদিনই আল্লাহ-ভগু-গডু-শিঙাবোঙা-উগাবুগাদের কোন ইনফ্লুয়েন্স ছিল না। রাজনীতিতে ধর্ম ঢুকাইছে রাষ্ট্র। এই বিষয়ে সবচেয়ে সফল ইংরেজ। ইংরেজের বিরুদ্ধে যতগুলা আপরাইজিং হইছে তার সবই সরাসরি উপনিবেশবিরোধী ইস্যুতে। ধর্ম এইখানে ঢুকছে এই আন্দোলনগুলারে ভান্ডা করার জন্য। পাকিস্থান হইয়াও টিকতে পারে নাই কারণ বাঙ্গালীর কালচার মারফতি-মুর্শীদী দেহতত্ত্ববাদী ঘরানার। হক্কুলু কুলু কুলু ঘরানার না। কিন্তু ঐ যে স্বাধীন মতপ্রকাশের চান্স দিলেই প্রতিবাদ করে । তাতে তো মামার অসুবিধা। ধান চাইল পাতালে পাঠানো যায় না। সুতরাং একের পর এক জলপাই নামাও, লাড়ায়ণ তকবীর গো পাট্টি বানাইয়া দাও নিজ খরচে।

এই ধারাবাহিকতাই হইছে সামহোয়ারইনব্লগে। আন্তর্জাতিকভাবে মামারা এইটারে একটা বিজ্ঞাপন হিসাবে দেখাইবো। দেখাইবো যে বাংলাদেশের লেখকরা মূলত ত্রিভুজ। পাঠকরা ভোদাইচোদা। একটু বেশী বুদ্ধি হইলে এরা সুফী হয়। কিন্তু কোন অবস্থাতেই এর উপরে না। এই বিজ্ঞাপন প্রচারের আর্থিক ক্ষমতা তাগো আছে। তারা এইটা পারে। ২০০৬ এর ফেব্রুয়ারীতে মাসুদার পোস্ট ডিলিট দিয়া শুরু অমি রহমান পিয়ালরে ব্যান করা দিয়া খতম তারাবী।

ছাগুচন্দ্র! সামুব্লগ এখন তোমাগু। খুশীতে এখন জিবলা দিয়া নিজের গোয়া চাটো আর বাললুডুস বানাও।

.....................................................

এই পোস্টখান ২য়বারের মতো মুইছা দিলেন সামহোয়ারের মডুরাম। আবার দিতাছি। পুরা ব্যান না করা পর্যন্ত চলবো।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ!!




কৌশিকের মন্তব্যের জবাবে কইছিলাম :

আমি কোনজায়গায় অনপেক্ষ অবস্থানের কথা কইছি বইলা মনে পড়তাছে না। সব অবস্থানেরই নিজস্ব বক্তব্য আছে। কথা হইলো সেই বক্তব্য কি এবং সেইটা কোন পক্ষে যায়।

বাংলাদেশের মাটি থিকা পরিচালিত একটা ফোরাম/ব্লগ বা সোজা কথায় মিডিয়া প্রমাণিত বাংলাদেশবিরোধীদের পেট্রোনাইজ করলে তার বিরুদ্ধমত প্রচন্ডভাবে আঘাত করবোই। ইন্টারনেট তো লেখনের জাগা। এইখানে অক্ষর সমাবেশ দিয়াই আক্রমণ হইবো। এই বিষয়ে সদ্য ব্যান খাওয়া পিয়াল ভাই এর একটা মহাবাক্য মনে পড়তাছে

" থাকলে এমনেই থাকতে হইবো নাইলে ফুট "






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28769303 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28769303 2008-02-11 17:15:01
জামাত শিবির রাজাকার পুত্র ওয়ামি এই মুহুর্তে ব্লগ ছাড়
জামাত শিবির রাজাকার পুএ ওয়ামি এই মুহুর্তে ব্লগ ছাড় নচেৎ গদাম লাথি ।

জামাত শিবির রাজাকার পুএ ওয়ামি এই মুহুর্তে ব্লগ ছাড় নচেৎ গদাম লাথি ।

জামাত শিবির রাজাকার পুএ ওয়ামি এই মুহুর্তে ব্লগ ছাড় নচেৎ গদাম লাথি ।

জামাত শিবির রাজাকার পুএ ওয়ামি এই মুহুর্তে ব্লগ ছাড় নচেৎ গদাম লাথি ।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28769288 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28769288 2008-02-11 16:57:54
মিরাজের পুষ্ট গেল কই? (সাময়িক পুষ্ট)
সামহয়ারিন কি মিরাজের পুষ্টও ডিলিট মেরেছে, না মিরাজ দাবি উইথড্র করেছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28769091 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28769091 2008-02-11 00:06:19
কুলখানিতে দাওয়াত রইল নিভৃত পথচারী ব্যান হলেন। তিনি অতিসম্মানিত মওদুদী সাহেবের সুকীর্তি নিয়া পুষ্টাচ্ছিলেন। নিভৃত পথচারী নিজ জবানে আপনাদেরকে কুলখানির দাওয়াত দিতে পারবেন বলে মনে হয় না। অতএব, আপনারা তার রূহের জন্য মাগফেরাত কামনা করবেন।

এই পুষ্টের জন্য আমি ব্যান হইলে আমার কুলখানিতেও আইসেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28768862 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28768862 2008-02-10 15:41:26
আজ আমার শুয়োরটার ৩১তম জন্মদিন
তাকে এরপর ১৯৭৭ সালে আকিকা দিয়ে নাম পালটিয়ে পুনর্জন্ম হয়েছে বলে ঘোষনা দেয়া হয়। তাকে সবাই বার্থডে উইশ করে যান, তবে আকিকার আগের ঘটনা তুলবেন না কেউ, সে এখন খুব শান্তশিষ্ট আছে, সুযোগ না পেলে ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28767572 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28767572 2008-02-06 13:52:51
সু-শীল ছাগদরদী দেশপ্রেম
ছাগলের মাথায় যতোই হাত বুলানো হউক, তার বড়জোর দাঁড়ি গজাইতে পারে, সেইডাও বায়োলজিক্যাল ব্যাপার, হাত বুলানোর সাথে কুনু রিলেশন নাই, তবে এইডা কনফার্ম কইরা বুঝি, যতোই আদর আপ্যায়নে মজানো হউক না কেন ছাগল ম্যাৎকার করিয়াই যাইবে। এইডা বুইঝাও কিছু কই না, যার যার ছাগল সে যেমতে পারে, সামলাউক, আমি পার্লামেন্টের মানুষ, এইসব ছুটুখাটু ব্যাপারে নাক গলাইয়া নাকের অসম্মান না করি।

সমস্যা হইলো, সু-শীলরা ছাগোলের নীতি জাতীয় নীতিতে কনভার্ট করবার চায়। যেমুন ধরেন, কিছু কিছু সু-শীল আছে, যারা স্বাধীনতার চেতনায় জান হয়রান করিয়া কাজ করিতে করিতে মস্তকের ঘাম চটির তলায় ফেলিয়া দেয়; কিন্তু জামাতে পিছলামির আদর্শ নিয়া তাগো মাথাব্যথা নাই, জামাতও রাজনীতি করুক এই ব্যাপারে তারা খুবই উদার। যে দেশের জন্মের সময় বাধা দিছে যারা, সেই দেশের এইসব চেতনার সু-শীলরা তাগো প্রতি ছাগদরদ দেখাইলে তখন নাক গলাতেই হয়।

সু-শীলগো উচ্চফলনশীল মস্তিষ্কমতে, তারা একবার ভুল করছে, তাতে কি? তারা এখন কি করছে, সেইটাই দেখার বিষয়, যেমুন ধরেন, যুদ্ধাপরাধী সব দলেই আছে, জামাত থাইকা যুদ্ধাপরাধী বাদ দিলেই তো তাগো লগে স্বাধীনতার কুনু কনফ্লিক্ট থাকে না। সেই কোন একাত্তরে কি করছে তার লাইগা জামাতরে গালি দেয়া। ছিঃ ছিঃ!!

পাবলিক বিলা হইলে হন, এইরম ছাগদরদী সু-শীলের দেশপ্রেমরে আমি ুদি না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28767396 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28767396 2008-02-06 00:05:01
আরিলকে বলছি
আজকের ঝামেলা শুরু করেছে জনৈক ডিয়ার। তিনি মৌদুদী নামক জাতীয় শত্রুর ছবিসহকারে প্রথম পাতায় পোস্ট দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছেন। তিনি যতক্ষণ প্রথম পাতায় পোস্ট রাখার চেষ্টা করবেন, ব্লগকে ভালোবাসি বলেই সেগুলি সরাতে ফ্লাডিং করতে বাধ্য হবো।

ধন্যবাদান্তে

পার্লামেন্ট]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28767138 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28767138 2008-02-05 06:46:13
প্রিয় পোস্ট ১০

সুমন চৌধুরী

মতাদর্শিক আধিপত্য এবং ইন্টেলেক্চুয়াল মকারি
০১ লা মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২৮



প্রিয় সাদিক গত কয়েকদিন যাবৎ কোন বিষয়ে খুব বিব্রত, বিরক্ত। ক্ষণিকের উত্তেজনায় অনরত ভুল শট খেলে প্যাভিলিয়নে ফেরত যাচ্ছেন। প্রতিবারই মনে হচ্ছে ভুল কাউকে লাড়ছেন। কেস হয়ে গেলেও থামছেন না। কি যেন একটা বলতে চাচ্ছেন। বোঝা যাচ্ছে না। এদিকে বোলাররাও তাকে পেয়ে বসেছেন। বিষয়টা ভালো লাগছে না।

ব্লগ কিন্তু লেখারই জায়গা। এইখানে লোকে লেইখা যার যার মত প্রকাশ করে। মাথা থিকা যে কথা বাইরায় তার লগে শরিলের আর শরিলের লগে নানানভাবে জড়িত অন্যান্য শরিলের অনেকদিনের অভিজ্ঞতা জড়িত। জীবনের সংঘর্ষগুলা সরাসরি আইবোই। সেইটা আইনের বা দোজখের ডর দেখাইয়া ঠেকানো গেলে ভালো হয় বইলা ঝুট-ঝামেলামুক্ত মাইনসের মনে হইলেও আসলে ঠেকানো যায় না।

সাদিক উপরের দুইটা লাইন বাদ দিয়া টিপিক্যাল এনজিও লাইন ধরছে। রাবীন্দ্রীক প্রশান্তি+নিও লিবারেল উন্নয়ন। এই প্রক্রিয়ায় উপরিকাঠামোর লগে সুবিধাজনক মানে সবদিক রক্ষা হয় এইরম অবকাঠামোর দূরত্ব মাপতে যত বড় কাঁটা কম্পাস লাগে সেইটা আপাতত বানানো না যাওনে মরমী তড়িকা লইছে অর্থাৎ উপরিকাঠামোর লগে অবকাঠামোর সম্পর্ক থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে অর্থাৎ হাঁউ মাউ খাউ থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে। দলে লোক পাওয়াও যায় এই কায়দায় খুব সহজে। উত্তরাধুণিক পাঙ্করা আছে। তারাও মনে করে ইতিহাসের ইভেন্টগুলা পাশাপাশি শুইয়া থাকে । তাদের মধ্যে সম্পর্ক বের করার চেষ্টা একধরণের ফ্যাসিবাদ। এইখানে ইভেন্টগুলা হয় সমকামী নয় ভাইবোন অর্থাৎ ইতিহাসকে বস্তুবাদী দৃষ্টতে দেখলে নানান সমস্যা তাই সামন্তীয় নৈতিকতাই সই।

এতে কি লাভ? লাভ হইলো উন্নয়নের পথের কাঁটা সইরা যায়। গরীব দেশের মানুষ হইলো ভুদাই। স্মৃতি তাগো কাছে ভক্তিবস্তু। কোন আমলে ফাইট করছিল উপনিবেশের বিরুদ্ধে হেই কথায় এখন কোন বালের চিড়া ভিজবো? বরং রবীন্দ্রনাথের আলু চাষ(আলোকিত) আর মোহনদাস করমচাঁদের প্রাচীন ভারতের স্বয়ংসম্পূর্ণ গেরামের ঘন্ট অনেক ভালো। কোনটাতেই পলিটিক্যাল স্বাধীনতার কোন দরকার নাই। আর "সবকিছু" এখন "অন্যভাবে" দেখা হয়। উন্নয়ন এখন "অন্যরকম"। "সবকিছু" "বদলাইয়া" গেছেগা। (তারপর ভুরুটুরু কুচকাইয়া বেশ কায়দা কইরা) আসলে বিশ্বায়নের যূগে জাতিরাষ্ট্রের ধারণা অচল। রাজনৈতিক স্বাধীনতাও তেমন জরুরি না। একসময় ঐরকম ধারণা ছিল। এখন আর নাই। শিল্পন্নয়নের পুরাণা প্যারাডাইম গেছেগা। সব জায়গায় ম্যাশিং বসানো সম্ভব না। এখন উন্নয়ন মানে গ্রোউথ রেট বাড়ানো। বোকার মত নাইজেরিয়ার উদাহরণ দেবেন না প্লিজ! খিয়াল করুন আশির দশকে তেল বিক্রির সময়কার ৭৭% প্রবৃদ্ধির হার। নব্বই দশকের শেষের পরিণতির জন্যে তাদের পলিটিক্স দায়ী। এজন্য তেলের খরিদ্দারকে দায়ী করা ঠিক্না। এটা একধরণের হীনমন্যতা। দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখুন! জলপাই ঠাপে তাদের দেশে এখন আস্ত বাঙ্গী আর দেখাই যায় না! সুতরাং ইল্যুশন ত্যাগ করুন! বর্তমান একটা আলাদা ঘটনা। উন্নয়ন চুইয়ে পড়ছে উপর থেকে নীচে। দেখতে পাচ্ছেন না? চশমাটা খেয়ে ফেলুন, নতুন চশমা নিন। উপনিবেশবিরোধী সংগ্রামের ইতিহাস ভুলে যান। ঐসব স্মৃতি বর্তমান ত্রাতাদের শত্রু ভাবতে শেখায়। (তারপর ২ লাইন রবিবুড়োর গান "পশ্চিম আজি খুলিয়াছে দ্বার")

সবই বুঝলাম বরখুরদার! বুঝতে বুঝতে অবিরাম ভুদাই হচ্ছি প্রতিদিন। কিন্তু আমার গতর ভর্তি জটিল সব ছারপোকা। ৫০০০বার ডিলিট করলেও স্মৃতিগুলো মোছে না। গুতায়। খালি গুতায়। খালি মনে হয় যার নেমকখাই তার গুহ্যদ্বারে ছেড়ে দেই পোকাগুলো। আরো মজা কি জানো? এই দিলাম কইলেই ত্রাতাঠাকুর নাচে। ফকিন্নির পুত আমি তাতে যাহারপরনাই আল্হাদিত হই। শুধু ছারপোকাই না। কলা খাইয়া অবিরাম চোচাও ফালাই ত্রাতার নাটমঞ্চে। লগে ছারপোকার ফাপর।

মাঠে প্রতিদিনই কেউ না কেউ ফাইট করে। মাঠ অনেকরকম। কথাও একটা ক্রিয়া। আর ত্রাতাঠাকুর তার সোল এজেন্ট না। খালি তিনিই কইবেন তাতো হইবো না। তারে মাঠ ছাইড়া দিতে আমি রাজি না। তিনি মকারি করতে মোসাহেব ভাড়া করবেন আর আমি জিল্হ্বা বিলম্বিত শুইনা দ্রুত দাদরায় তালিখালি মাপুম এতো মডার্ন হওয়া মনে হয় মুস্কিল। বাগযন্ত্রটা আমারো আছে। আমি কথা কমুই।
ফাইট করতে গেলে মাথায় থাকতে হইবো যে অতীতেও ফাইট করছিলাম এখনো করতাছি। স্বাধীন হইতে যাগো লগে যুদ্ধ করছি তারা আর আজকের শত্রুরা আলাদা না। কারণ ফাইট আগে যারা করছে আইজকাও তারাই করে। শত্রুর আগের তালিকা বাতিল হয় নাই তাতে আরো লোক যোগ হইছে। জেনারেশন বদলাইছে। তাই পরের জেনারেশনের কাছে অতীতের লড়াই এর স্মৃতি পৌছাইয়া দিতেই হইবো। শত্রুমিত্র আরো ভালো কইরা চিনতেই দিতো হইবো। তাই কথা কওনের প্লাটফর্ম বেহেড টেকমোল্লাগো হাতে কোন অবস্থাতেই ছাইড়া দেওন যাইবো না। পদে পদে তাগো লুঙ্গী ধইরা টান দিতেই হইবো। সুফি মানুষের তাতে কলেজা ফাইট্টা গেলে কানে কর্ক দিয়া রাখাই ভালো।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28767126 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28767126 2008-02-05 06:31:27
একটি ব্যর্থতার খতিয়ান
মিরাজ যথারীতি তা অস্বীকার করে সংস্থাপকের পোষ্টকে প্রপাগান্ডা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাই জনস্বার্থে মিরাজের সাথে আলোচনা চালাতে গিয়েছিলাম।

আলোচনার শুরুতেই আমার প্রশ্ন ছিলো, "জামাত-শিবিরের মতাদর্শধারী আর যুদ্ধাপরাধী কিন্ত এক জিনিস নয়।" এটা আসলেই মিরাজ বলেছে কিনা? কারণ, মিরাজ তার পোষ্টে দাবি করেছে, সে এটা সরাসরি কখনও বলে নি। কিন্তু বামনী তুলাগাছ মহাশয় দেখিয়েছেন, মিরাজ আসলেই এটা বলেছে। অতএব, মিরাজের পোষ্টের দাবিটি যে, সে এ কথা বলে নি, তা মিথ্যা ছিলো কি না - মিরাজের কাছে হ্যাঁ-নাতে জিজ্ঞেস করেছি।

জিজ্ঞেস করতে করতে আমি প্রায় আধমরা। দুঃখের সংগে জানাই, তিনি এই সহজ প্রশ্নটির সরাসরি উত্তর না দিয়েই আলোচনা করবেন না জানিয়েছেন।

তার এ আচরনে আমি বেদনাহত এবং জনসাধারনের কাছেও দুঃখিত। আলোচনা সঠিকভাবে এগোলেই আমরা বুঝতাম, আসলেই কি মিরাজের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চলছে, নাকি সে আদপেই জামাতি বুদ্ধীজীবী।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28764821 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28764821 2008-01-27 23:56:59
প্রিয় পোস্ট ৯ (ব্লগের স্বর্ণযূগের কথা)
শোহেইল মতাহির চৌধুরী

ডারউইনের বিবর্তনবাদের প্রমাণঃ আমাদের দূরবর্তী তুতো ভাই (বা বোন)
১২ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১০:০৬



ধর্মবিশ্বাসের সাথে মেলে না বলে ডারউইনের বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার অনেক ধর্মের পুরোধারা। এক্ষেত্রে মুসলিম মৌলবাদী, খ্রিস্টান মৌলবাদী আর ইহুদি মৌলবাদীদের মধ্যে অনেক মিল। সবাই ডারউইনের কঠোর সমালোচক। বিজ্ঞানের আরো অনেক তত্ত্বের মত জীবজগতের বিকাশের ক্ষেত্রে ডারউইনের থিওরি একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। কিন্তু ধর্মকে অনেকে বিজ্ঞানের যুক্তি দিয়ে সঠিক প্রমাণ করতে চাইলেও ডারউইনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাকে কোনো ধর্ম মেনে নিতে নারাজ। কেন? কারণ এতে ধর্মগ্রন্থগুলোতে মানুষের উদ্ভব সম্পর্কে যে কল্প-কাহিনী দেয়া হয়েছে তা ভন্ডুল হয়ে যায়। সুতরাং যদিও নিজেদের মধ্যে তাদের রয়েছে অনেক বিবাদ-বিসম্বাদ, তবু ডারউইন ঠেকানোতে সব ধর্মের পুরোহিতরা একাট্টা। ।

আমরা জানি মানুষের উদ্ভব বা পৃথিবীতে আসার বিষয়ে ধর্মগ্রন্থগুলোর বক্তব্য একইরকম। অর্থাৎ উর্দ্ধ আসমানে কোথাও কোনো স্বর্গে ঈশ্বর মানুষকে (আদম ও ইভ/হাওয়া) তৈরি করে রেখেছিলেন। পরে শাস্তি- স্বরূপ পৃথিবীতে তাদের পতন ঘটে। এসব গাল-গল্প বিভিন্ন ধর্মের পবিত্র দলিল দস্তাবেজে পাওয়া যায় কিন্তু প্রমাণযোগ্য নয় বলেই কোনো জ্ঞানসাধকের পক্ষে তা বিনা প্রশ্নে মানা কঠিন। এদিকে ডারউইন জীবজগত পর্যবেক্ষণ করে একটি তত্ত্ব দাঁড় করালেন যে, প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলা, খাদ্য সংকট সমাধানের চেষ্টা, নানা বিরূপ পরিস্থিতি থেকে নিজেকে রক্ষা করে টিকে থাকার তাগিদেই প্রাণীরা একস্তর থেকে বিবর্তিত হয়ে আরেক সত্দরে উন্নীত হয়েছে। এভাবে ধাপে ধাপে বিভিন্ন প্রাণীর উদ্ভব ও বিকাশ। এই যাত্রাটি শুরম্ন হয়েছে এককোষী ক্ষুদ্র প্রাণী থেকে। ডারউইন যে তত্ত্বটি দিয়েছিলেন তার মোদ্দা কথা হলো, একটি প্রাণীর টিকে থাকা নির্ভর করে পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে তার খাপ খাওয়ানোর ক্ষমতার ওপর। আমরা জানি পৃথিবীর পরিবেশ বেশ বড় রকমের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। বিভিন্ন প্রাপ্ত ফসিলের প্রমাণ থেকে বুঝা যায় যে, নতুন পরিবর্তিত পরিবেশে কিছু প্রাণী দ্রুত বেড়েছে। আবার অন্যদিকে যারা খাপ খাওয়াতে পারেনি তারা পটল তোলেছে। শুধু যোগ্যতররাই টিকে থেকেছে।

ধর্মবিশ্বাসীরাতো আছেনই, প্রাণীবিজ্ঞানীদের মধ্যেও যে ডারউইনবিরোধী লোক নেই তা নয়। আর সব তত্ত্বেরই যেমন বিরোধী পক্ষ থাকে, এরও আছে ও ছিল। তো এই বিরোধী পক্ষের একটি মোক্ষম যুক্তি হচ্ছে যে যদি প্রাণী বিবর্তিত হবেই তবে তা ধাপে ধাপে হওয়ার কথা। তো হাঁস থেকে যদি সজারু হয়, তবে মাঝখানে হাঁসজারু বলে একটি প্রাণী থাকার কথা। কিন্তু দুই ধরনের প্রাণীর মাঝামাঝি এরকম কোনো প্রাণীর অস্তিত্ব বা ফসিলগত প্রমাণ তো মেলে না। তা হলে, জলের মাছ কিভাবে বিবর্তিত হয়ে ডাঙ্গার ইঁদুর হলো। বিবর্তনের মাঝামাঝি সময়ের সেই প্রাণীগুলো গেলো কই? যদি বিবর্তন সত্যি হয়ে থাকে তবে সেরকম প্রাণীতো আমাদের দেখতে পাওয়ার কথা।

আসলে আমরা সেরকম প্রাণীর ফসিল অনেক আগেই পেয়েছি। যদিও ফসিলের রেকর্ড অসম্পূর্ণ এবং ডারউইন তা বুঝতে পেরেছিলেন। আর্কিওপটেরিক্স নামের সরীসৃপ-মতো- পাখির ফসিল আমরা পেয়েছি, যা একধরনের প্রাণী থেকে আরেকধরনের প্রাণীর বিবর্তিত হওয়ার প্রমাণ। একইরকম আরো কিছু ফসিলের প্রমাণ থেকে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে ডাইনোসরেরই পরবর্তী বংশধর হচ্ছে পাখিরা। আদ্যিকালের কিছু তিমির ফসিল দেখে বিজ্ঞানীরা এও নিশ্চিত হয়েছেন যে প্রতিকূল পরিবেশের কারণেই হয়তোবা কিছু ডাঙ্গার স্তন্যপায়ী প্রাণী আবার ফিরে গিয়েছিল সমুদ্রে। তাই আমরা জলবাসী প্রাণীদের মধ্যে পাই স্তন্যপায়ী প্রাণীও, যারা আসলে মাছ নয়।

কিন্তু এই সব প্রমাণকে ছাড়িয়ে গেছে সামপ্রতিক একটি আবিষ্কার। লন্ডন বিজ্ঞান যাদুঘরে এই সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে এই সদ্য পাওয়া ফসিলটির প্রদর্শনী। এটি অত্যন্ত অদ্ভুত একটি প্রাণী, যা মূলত: মাছের মত কিন্তু তার মধ্যে বিবর্তনের এমন কিছু চিহ্ন আছে যা প্রমাণ করে এটি ডাঙ্গায় বসত করা শুরু করেছিল। এই ফসিলের প্রাপ্তি মিলে যায় বিবর্তনবাদের এতদিনের মূল দাবীর সাথে। যেখানে বলা হয়েছে সমুদ্রের আদি উৎপত্তিস্থল থেকে প্রাণীরা একসময় বের হয়ে এসে ডাঙ্গায় বসবাস করতে শুরু করে।

কানাডার বরফাবৃত আর্কটিক অঞ্চলে পাওয়া এই প্রায় 9 ফুট লম্বা প্রাণীটির একটি আদুরে নাম রেখেছেন আবিষ্কারকরা; 'ফিশাপড'। স্থানীয় ভাষায় এরকম মাছকে বলা হতো "টিকটালিক", অর্থাৎ ঝর্ণার বড় মাছ। ধারণা করা হচ্ছে 'ফিশাপড' হচ্ছে ডেভোনিয়ান পিরিয়ড বা মাছের যুগের সামনের সারির জীব। আর সে সময়টা ছিল আজ থেকে প্রায় 380 মিলিয়ন বছর আগে। কেমন দেখতে ফিশাপড, তা বুঝার জন্য তার মডেলের ছবিটা দেখুন। তার ছিলো মাছের মত আঁশ, দাঁত ও ফুলকা। কিন্তু একটি বড় বাঁকানো হাড়সহ বুকের খাঁচা ছিলো যাতে বুঝা যায় একই সাথে ফুসফুসও ছিলো এর। বুকের হাড় ও খাঁচা দেখে বুঝা যায় সেটি তার শরীরের ওজন নিতে পারতো, যা মাছের ক্ষেত্রে হয় না। আরো বড় কথা ফিশাপডের ঘাড় ছিল, যা মাছের থাকে না। সবচে বিস্ময়কর হচ্ছে বুকের দিকে পাখনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেল সেখানে রয়েছে চতুষ্পদী প্রাণীর হাতের মত অঙ্গ। আদিতম সেই হাতের হাড়ে আঙুলের মত পাঁচটি হাড়ও রয়েছে। আবিষ্কারক ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর নিল শুবিন তাই বললেন, এটা প্রাণীজগতের কোনো দুর্লভ শাখার সদস্য নয়। এটি আমাদের প্রাচীন এক খালাতো-মামাতো ভাই (কাজিন)।

সদ্য আবিষ্কৃত এই ফিশাপড তাই ডারউইনের তত্ত্বের বিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশকে প্রতিষ্ঠা দিলো। আর তথাকথিত 'ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন থিওরি'র সমর্থকদের ফেললো নতুন লজ্জায়। তবে এটিও বুঝা গেল যে, বিবর্তনের বহু অংশের প্রামাণ্য ফসিলের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি কিন্তু যখনই নতুন ফসিল পাওয়া যায় তা বিবর্তনের তত্ত্বকেই নতুন করে জোরদার করে তোলে। অনেকেই বলে থাকেন বিবর্তনবাদ শুধুই একটি তত্ত্ব। কিন্তু এটি বিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচে সফলতম তত্ত্ব, কি ধরনের ফসিল রেকর্ড পাওয়া যাবে সে সম্পর্কে যে তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বাণী হাজার- লক্ষ বার সত্য প্রমাণিত হয়েছে।




৩৮ টি মন্তব্য ৪৫৫বার পঠিত পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি



১৩ এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ <img src=" style="border:0;" /> বলেছেন: What is immediately striking about Yahya's productions is how modern and media-conscious they are. Before the Yahya era, expressions of creationist sentiment in Turkey were generally confined to religious intellectual circles; these writings rarely went beyond throwaway references to the obvious intelligent design in biology, and denunciations of evolution generally occupied a few passages in books concentrating on larger religious themes. Some religious orders striving to create an Islamic version of modernity attacked evolution in their "science magazines," but these had limited effect -- a well-heeled and media-savvy creationism, with great production values, continually harping on the evils of evolution, was unheard of. In contrast, Yahya's material is in full color, printed on glossy paper, copiously illustrated, popular in orientation (it uses few Arabic terms, unlike much religious literature), and available in all sorts of modern media. These publications are ubiquitous, found not just in bookstores but even in supermarket chains owned by the new breed of "Islamic corporations."
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ <img src=" style="border:0;" /> বলেছেন: Click This Link
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অরূপ বলেছেন: হারুন ইয়াহিয়াটাকেরে সাদিক ?
"সায়েন্টিস" নাকি?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: কিছু ইন্টারেস্টিং 'বৈজ্ঞানিক' তথ্যবহুল লিংক:

Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

http://www.harunyahya.com/m_video_collapse.php

১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ <img src=" style="border:0;" /> বলেছেন: It is clear that Yahya's project commands an immense amount of resources. It is doubtful that Yahya's lavishly produced materials support themselves -- they are priced to be affordable, and even obtaining them for free takes no great effort. The August 2002 issue of Mercek, his "monthly scientific and cultural magazine" sold for about $1.80, including two VCD's (video CD-ROM's), and the only ad for non-Yahya merchandise it contained was for a series of materials to learn English (important for the upwardly mobile). Yahya's web sites make most of his books available online, in a wide variety of languages -- at no charge. Turkish creationism has gone international, and Yahya's books are as easily found and as prominently displayed in Islamic bookstores in London as in Istanbul. And the organization behind all of this, and the sources of its finances, are virtually unknown. The Turkish state, notoriously unable to bring the underground economy under control, or even collect taxes from most businesses, is also unable to enforce regulations on religious foundations.
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: হারুন চাচা এক ব্যক্তি বা গ্রুপের ছদ্ম নাম। নামি দিয়া বেশি কাম নাই, তবে লিংকগুলা ঘুইরা দেখতে পারো। আইডিয়া পাইবা।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: হা হা হা সাদিক। আপনি বিজ্ঞানের ছাত্র অনুমান করি। তো বিজ্ঞান আর ধর্মের যে দ্্বন্দ্ব গোড়া থেকেই। সব বিজ্ঞানীকেই যে ধর্মের নেতারা জীবনভর যন্ত্রণা করেছে সে তথ্য আপনার অজানা থাকার কথা নয়।
ডারউইনের থিওরি কেনো থিওরি রয়ে গেলো তাতো আপনার জানার কথা। বিজ্ঞান তো আর ধর্মশিক্ষা নয় যে, বানানো গাল-গল্পকে সত্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দেবে। বিজ্ঞান তা দেয় না। ডারউইনও এ দাবী করেননি যে তিনি কোনো ঐশিবাণীর বরাতে সত্য বলছেন। তিনি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণে পাওয়া কিছু তথ্যকে সাজিয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে একথা বলেছেন।
ডারউইন যদি ভুল প্রমাণিত হয়ও তবুও ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন থিওরি সত্য প্রমাণিত হয় না। আর আপনি নিশ্চয়ই জানেন এসব তথাকথিত অধি-বিদ্যার থিওরিগুলোর মূল সমস্যা হচ্ছে এগুলোকে ভুল প্রমাণের কোনো রাস্তা নেই। আর সে কারণেই তাদের সত্যতারও কোনো ভিত্তি বা যুক্তি নেই। ডারউইনের থিওরি অন্তত: সেই দোষ থেকে মুক্ত।

আর গাল-গল্পের ধর্মকে কেনো টেনে আনলাম? নিজেকে 'আতেলেকচুয়াল' প্রমাণ করার জন্য? বলুন, যদি এটুকু বলে আপনার মনের আগ্রাসী ভাব কিছুটা কমে। তবে আসল কারণটি হলো, আলোর কথা বলতে হলে অন্ধকারের প্রসঙ্গ আসবেই। সত্যকে তুলে ধরতে গেলে মিথ্যার ছল-চাতুরিকেও চিহ্নিত করতে হয়। সেজন্যই ওসব গাল-গল্পের রেফারেনস। আপনার তো রেফারেনস ভালোই লাগার কথা।

কিন্তু একটি বিষয় বুঝি না, বিজ্ঞানের সফলতা দেখলে আপনাদের বিশ্বাসের হাঁটুর জোর কমে যায় কেন? কেন আপনারা হয়ে উঠেন মারমুখি?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: ছবি পরিচিতি: 1. ফিশাপডের মডেল। 2. ফিশাপডের ফসিল। 3. আর্কিওপটেরিক্সের ড্রয়িং।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: বিজ্ঞানের সবচেয়ে সফলতম তত্ত্ব?

রেফারেনসটা দিলে সুন্দর হত না একটু?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ <img src=" style="border:0;" /> বলেছেন: সাদিক, হারুন ইয়াহিয়া কে চেনেন ত ঠিক মত? ওনি কী বিষয়ে বিশেষ জ্ঞানী বলেন ত?
নীচের আর্লে কিছু জানতে পারবেন।
http://19.org/index.php?id=14,335,0,0,1,0


১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ <img src=" style="border:0;" /> বলেছেন: Another striking aspect of Yahya's material is how much of it is taken, with minimal changes, from Western creationist literature such as that associated with the Institute for Creation Research (ICR). Since the Quran is not as specific as the Genesis story, Islamic creationists usually allow an old earth, so Yahya discards flood-geology and is noncommittal about the age of the earth. But the rest is there, flavored with quotations from some "Intelligent Design" figures, and all set in a matrix of traditional Islamic apologetics hammering on how obvious it is that there is a designing intelligence behind all the wonders of nature. ICR-style creationism, which we tend to think of as a sectarian, evangelical Protestant peculiarity, turns out to be pre-adapted to an Islamic environment.
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: স্বর্গ উদ্ধ আসমানের কোথাও, এটা আপনাকে কে বলেছে?

এত ফসিল আবিস্কার হয় আর মধ্যবতর্ী স্তরের ফসিল এতই কম যে আলাদা করে বলতে হয়, হাতের আঙ্গুল গুনে গুনে?

বিবর্তনের মধ্যবতর্ী স্তরের প্রাণীর ফসিল সংখ্যায় এত কম কেন বলতে পারেন?

কেন বিজ্ঞানের এত অগ্রগতির পরেও ডারউইনের থিওরী থিওরীই রয়ে গেলো?

বিজ্ঞানের কথা বলতে হলে বিজ্ঞান নিয়েই থাকুন না দাদা, খামোখা ভুমিকাতে ঐ 'তথাকথিত' এবং (আপনার ভাষায়) 'গাল গল্পের' ধর্মকে টেনে এনে নিজেকে খুব আতেলেকচুয়াল প্রমান করতে ব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজনটা কি?

বিজ্ঞানীদের বিশাল একটা অংশই ডারউইনের মতবাদকে সমর্থন করেন না। তাদের কথাও তুলে ধরুন।

আর সদ্য আবিস্কৃত কিছু ফসিল বিবর্তন বাদের টাইম লাইনকে যে পুরোপুরি ওলোট পালোট করে দিয়েছে সেগুলো নিয়েও একটু গবেষনা করতে পারেন। (হিন্টস: আফ্রিকা মহাদেশ।)
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: হাসিমুখ, সাদিক ইয়াহিয়াকে নতুন আবিষ্কার করতে পারে। কিন্তু এর সম্পর্কে আমার জানা আছে। এ এক বাণিজ্য-বিলাসী ভন্ড। ধর্মীয় মৌলবাদী ধ্যানধারণা ব্যবহার করে তাবিজ আর ফুঁ দেয়া পানির মত বিক্রি করছে সিডি আর ক্যাসেট।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: সাদিক: অনেক অপ্রাসঙ্গিক চেঁচিয়েছেন। কোনো ঘন্টা প্রমাণ করতে পারেননি। প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করুন। চেঁচিয়ে আর জোর দিয়ে বলে কোনো কিছু প্রমাণ করা যায় না। আর বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ছাড়া ভাবের খই আমি খাই না।
সুতরাং আপনার ভাবের নৌকা পাতায় পাতায় না বেয়ে বৈজ্ঞানিক যুক্তির কথা বলুন।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: সোমোচৌ: আপনাকে করা প্রশ্নের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ, 'বৈজ্ঞানিক' প্রশ্নটি এড়িয়ে গেলেন আপনি সুকৌশলে।

প্রশ্নটি ছিলো: এত ফসিল আবিস্কার হয় আর মধ্যবতর্ী ফসিলের কথা বলতে হয় আলাদা করে হাতের আঙ্গুল গুনে গুনে!

বিবর্তনের মধ্যবতর্ী স্তরের ফসিল সংখ্যা এত কম কেন বলতে পারেন?

আপনি বিজ্ঞান ভালোবাসেন, আমিও সেটি জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দেই নি!
বিজ্ঞান শুধু আপনার একার নয়, সবার।

তাই বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের উত্তরটি কামনা করছি। যেহেতু বিষয়টি নিয়ে আপনি লিখেছেন, তাই আশা করতেই পারি আপনি জেনে শুনেই লিখেছেন। কেবল অনুবাদক হিসেবে অনুবাদের কাজটি করে জাননি।

আর একটি কথা, আক্রমনাত্বক হওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই। হাটুর জোর কমার বা বাড়ারও প্রশ্ন নেই।

বিবর্তনবাদ যে বিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম তত্ত্ব - এটি কোন রেফারেনেসর জোরে, কোন বিজ্ঞানীর কথায় বললেন; সেটি জানালেও খুশি হবো।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: হাহা, শোমচৌ: ওইটা তো ভাবের কথা! আমি ক্যামনে কই। আমি ছোটো খাটো অন্ধকারের মানুষ! তাই গুরুদের কাছ থেকে ভাবের কথা পড়ি আর অন্যদের শুনাই।

ভালো থাকবেন।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ <img src=" style="border:0;" /> বলেছেন: সে ব্যক্তিগত জীবনে নারীলিপ্সু ছিলো কি না ? জেলে কতবার গিয়েছিলো এসব আপনার আগ্রহ থাকলে জেনে নিয়েন।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: আরেকটি কথা সাদিক। আপনি বিষয় জানেন বলেই বোধহয় আপনার পোস্ট করা লেখাগুলোর বেশিরভাগ অংশ থাকে ইংরেজি লেখার পেস্ট।

এটি বুঝতে পারলাম যখন আপনি বুঝাতে চাইলেন আমি জানিনা বলেই অনুবাদ করে দিয়েছি। হা হা হা।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ উৎস বলেছেন: আসলে সবই মেটাফোর, আক্ষরিক অর্থে নিলে কি চলে ... একই শব্দের কত অর্থ হয় ...


১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: হাসিমুখ : আপনি ম্যাটেরিয়াল না পড়ে ব্যক্তিকে নিয়ে হাস্যকর কপি পেস্ট গবেষণায় নেমে গেলেন।

এ যেন নিউটনের সুত্র সম্পর্কে আগ্রহ না দেখিয়ে, ব্যক্তিগত জীবনে নিউটন সমকামি ছিলো কি ছিলো না - সেটি নিয়ে গবেষণার মতো। খুবই বৈজ্ঞানিক মাইন্ডসেট, বলতেই হয়!!
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: এইতো আমাদের জেনেটিক বিশেষজ্ঞ : উৎস এসে গ্যাছেন।

ব্যক্তিগত আক্রমন দিয়ে তার বক্তব্য শুরু হবে, ওটাতেই শেষ হবে কথা।

এদিকে আমার নতুন একটা টাইটেল প্রাপ্তি হলো: 'পেশাদার চাপাবাজ'। বেশ বেশ! ধন্যবাদ উৎস। আপনিও ভালো থাকবেন। হ্যাপি কোষ বিবর্তন !!
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ <img src=" style="border:0;" /> বলেছেন: Yahya also promotes other beliefs far from mainstream science and scholarship, besides creationism. These tend to be his versions of conspiratorial ideas popular in the Muslim world, such as Masonic plots and holocaust denial. But even when indulging these politically-colored fantasies, Yahya has a way of getting back to denouncing evolution. Fascism: The Bloody Ideology of Darwinism (Istanbul: Kultur, 2002) begins with a "To The Reader" section, where Yahya explains that evolution is at the root of evil today:

The reason why a special chapter is assigned to the collapse of the theory of evolution is that this theory constitutes the basis of all anti-spiritual philosophies. Since Darwinism rejects the fact of creation, and therefore the existence of God, during the last 140 years it has caused many people to abandon their faith or fall into doubt. Therefore, showing that this theory is a deception is a very important duty, which is strongly related to the religion. It is imperative that this important service be rendered to everyone. Some of our readers may find the chance to read only one of our books. Therefore, we think it appropriate to spare a chapter for a summary of this subject.

The same preface and the same anti-evolutionary chapter, "The Misconception of Evolution" (with different illustrations) appear in Islam Denounces Terrorism (3rd edition, Bristol: Amal Press, 2002). In this book, Yahya treats the reader not only to standard apologetics about Islam being a religion of peace, but in his chapter "The Real Roots of Terrorism: Darwinism and Materialism" exposes the true culprit behind events like September 11: evolution. Apparently, "the way to stop acts of terrorism is to put an end to Darwinist-materialist education, to educate young people in accord with a curricula (sic) based on true scientific findings and to instil in them the fear of God and the desire to act wisely and scrupulously." (p. 147)
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: উৎস, আপনার কথাই ঠিক। ডারউইনের বিবর্তনের তত্ত্ব যে প্রাণিবিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বার বার প্রমাণিত হচ্ছে, হাজার বার এ কথা সাদিক মানতে রাজি হচ্ছে না।
কারণটা অনুমান করি। একে বিজ্ঞান মানলে তার আধা বিদ্যার ব্যাখ্যার কোনো জাত-কূল থাকে না।
সে যাক, ধন্যবাদ। আপনার লেখাটি আগে পড়িনি। এখন পড়বো।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: না সাদিক আমি ভুল করিনি। মধ্যবর্তী অংশ নাজুক ও স্বল্পস্থায়ী। জেনে নিন।

ভাবের কথায় পেট ভরে না-3 ও তার আগের লেখাটি আপনার দেখে আসুন। দেখুন পেস্ট করেছেন কিনা। সাথে একটি লাইন হয়তো বাংলায় দিয়েছেন। তো পেস্ট করাটাই জানার পরিচয় সেটা জোর দিয়ে বললেন।

আর ইন্টারনেটে ফ্রি থাকলেই বাণিজ্য বিলাসী ভন্ড হওয়া যায় না এ আপনাকে কে বললো? তার বইয়ের তো কপিরাইটই নাই, রাখবে কি?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ <img src=" style="border:0;" /> বলেছেন: কি হাস্যকর কথাবার্তা !!!
Yahya treats the reader not only to standard apologetics about Islam being a religion of peace, but in his chapter "The Real Roots of Terrorism: Darwinism and Materialism" exposes the true culprit behind events like September 11: evolution. Apparently, "the way to stop acts of terrorism is to put an end to Darwinist-materialist education, to educate young people in accord with a curricula (sic) based on true scientific findings and to instil in them the fear of God and the desire to act wisely and scrupulously."
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ <img src=" style="border:0;" /> বলেছেন: সাদিক আমার কপি-পেষ্ট পড়ে দেখেন আমি তার ব্যাক্তিগত জীবনে মুখরোচক অনেক কিছু তাহা স্বত্তেও তা নিয়ে কিছু বলিনি, তার লেখার কনটেন্ট এবং তার কালারফুল ওবসাইট নিয়েই সব কথা বলেছি।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: শোমচৌ: হারুন ইয়াহিয়াকে যে বাণিজ্য বিলাসী ভন্ড বললেন, তার সব বই এবং ম্যাটেরিয়ালই যে ফ্রি!! ইন্টারনেটে সব ম্যাটেরিয়াল ফ্রি দিয়ে দেওয়াকে বাণিজ্য বলে বুঝি? কপিরাইট না রাখাকে ব্যবসা করা বলে?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: সাদিক, আপনার হারুন ইয়াহিয়ার একটা লিংক পড়ে দেখেছি। ওতে সারবস্তু কিছু নেই। খ্রিস্টান মৌলবাদীদের লেখা ও যুক্তি কাট-পেস্ট করে তিনি কিছুই প্রমাণ করতে সক্ষম হননি। এ নিয়ে এঁড়ে তর্ক করার কোনো কারণও আমি দেখি না।
আমি শুধু অবাক আপনার অন্ধকার-প্রীতি দেখে!
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ উৎস বলেছেন: হাসিমুখ, শোমচৌ, আপনারা কেন যে পেশাদার চাপাবাজ সাদিক সাহেবের সাথে তর্কে গেলেন বুঝলাম না। উনি সুযোগ পেলেই গালগল্প ঝেড়ে বসেন, ওনার বক্তব্যের পক্ষে কখনও একটা সায়েন্স জার্নাল, পেপার, নিদেনপক্ষে কোন সায়েন্স ম্যাগাজিনের রেফারেন্স দিতেও উনি ভীষন অপরাগ। হায়াহায়া মার্কা সুফী বৈজ্ঞানিকের আর্ল পেয়েই আপনাদের সন্তষ্ট হওয়া উচিত ছিল।

যাহোক আপনাদের অবগতির জন্য বলছি, ডারউইনের তত্ত্ব জেনেটিক্স এর অগ্রগতির পরে এখন ফ্যাক্ট (আমার ব্লগ দ্্রঃ), ডারউইন নিজে অবশ্য থিওরী হিসেবে প্রকাশ করে ছিলেন, কারন মিউটেশন ঠিক কিভাবে হয় তার সেটা জানা ছিল না। সায়েন্টিফিক ফ্যাক্ট বিশ্বাস অবিশ্বাসের সাথে জড়িত না।
সাদিক সাহেবের মত বিলিয়ন লোক মিলে অবিশ্বাস করলেও তাদের নিজেদের শরীরের কোষগুলো প্রতি মুহুর্তে ঠিকই বিবর্তিত হতে থাকবে।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: শোমচৌ: একটু ছোটো ভুল করলেন। বিবর্তন বাদ অনুসারে মধ্যবর্তীরা অল্প সময় থাকবে, বাকি অংশ বেশি সময় থাকবে এরকম কোনো কথা নেই। পুরো প্রক্রিয়া যেহেতু বিবর্তনে হচ্ছে সেহেতেু গ্র্যাজুয়ালি হওয়ার কথা। শুরুতে বেশি, মধ্যখানে কম আর শেষে আবার বেশি - এটাকে গ্র্যাজুয়াল বলে না। সুতরাং আপনার 'মধ্যবতর্ী জিনিস নাজুক' এই যুক্তি ধোপে টিকছে না।

হ্যা, আমি ইংরেজীতে লিখতে পছন্দ করি। একারনে আমার মূল ব্লগ ইংরেজীতে। মূল লেখাকে পেস্ট বলে না। আমার ব্লগে গেলে ধারনাটি পরিস্কার হবে আশা করি।

http://mysticsaint.blogspot.com
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: সাদিক দুটি প্রশ্ন আপনার।
1. মধ্যবর্তী প্রাণীর ফসিল কম কেন? বিবর্তনের তত্ত্বের মধ্যেই এর উত্তর রয়েছে। মধ্যবর্তী যে কোনো কিছুই নাজুক থাকে। পৃথিবীতে তারা দীর্ঘদিন টিকে থাকেনি। সংখ্যায় কম ছিল। সুতরাং তাদের ফসিল কম পাওয়া যাবে সেই তো স্বাভাবিক। 'দেশের চেয়ে সীমানা বা বর্ডার ছোট হয় এটুকু নিশ্চয়ই বুঝেন।
2. সবচে সফলতম তত্ত্ব; যেকোনো উচ্চতর প্রাণিবিজ্ঞানের বই খুললেই পাবেন। একান্তই যদি না পান তবে মাইকেল নভাচেক এর টাইম ট্রাভেলর দেখতে পারেন।
তো কি খুশি হয়েছেন?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪ অতিথি বলেছেন: শোমচৌ এখানের আলাপে মুগ্ধ হয়ে আমি একটা লেখা লিখলাম , কষ্ট করে পড়ে নিয়েন রে ভাই।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১২:০৪ হিমু বলেছেন: হুমম, দেরিতে এসে তর্কের মূল আসর ফস্কে গেলো।

সাদিকের প্রশ্নটি ফ্যালনা নয়, মধ্যবর্তী রূপগলোর ফসিল গাদা গাদা পাওয়া যায় না কেন? একেবারেই পাওয়া না গেলে অভিযোগের স্বর অনেক উঁচু করা যেতো, কিন্তু যথেষ্ঠ মানে ও পরিমাণে পাওয়া গেছে বলেই এর ওপর ভিত্তি করে ডারউইনের মতবাদের জন্যে মশাল বহন করে চলেছেন অনেকে। বিবর্তনের প্রতিটি ধাপের জীবাশ্ম উপস্থাপন না করলে এই মতবাদ মেনে নেবো না, এমন গোঁ যদি কেউ ধরে থাকেন, তাহলে বুঝতে হবে তিনি জীবাশ্মপ্রাপ্তির ঘটনাটির দিকে দৃষ্টি দিচ্ছেন না। জীবাশ্ম হাটেঘাটেমাঠে পড়ে থাকে না, খুঁড়ে বার করতে হয়। মধ্যবর্তী স্তরের জীবাশ্মের অস্তিত্ব নেই, তা নয়, আমাদের নাগালের একটু বাইরে আছে। ধীরে ধীরে একটা দুটো করে পাওয়া যাচ্ছে এগুলো, হয়তো পরবর্তীতে আরো বেশি পরিমাণে পাওয়া যাবে। নিউটনের তত্ত্ব প্রমাণের জন্যে কিন্তু পৃথিবীর সবকিছুর ওপর বলপ্রয়োগ করে প্রতিক্রিয়া মাপার দরকার হয় না, ডারউইনের মতবাদ প্রমাণের জন্যেও তো তেমনি সবকিছুর আদি থেকে বর্তমান পর্যন্ত যা কিছু রূপ আছে তার জীবাশ্ম উপস্থাপনের প্রয়োজন হয় না। যে কোন মতবাদের মডেলে প্রাপ্ত উপাত্ত ফিট করে কি না, সেটা যাচাই করে দেখলেই হয়।

টাইমলাইনের ওলটপালট নিয়ে সাদিকের কাছ থেকে আরো কিছু শুনতে চাইছিলাম, তাহলে হয়তো প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করতে পারতাম। তবে অল্পসল্প পড়ে যা বুঝেছি, জীবাশ্মবিদদের মূল খাটনি কিন্তু সময়ের রেখায় দাগ কাটা। জীবাশ্ম বা পুরাতাত্তি্বক নিদর্শনের সময় নির্ধারণের পদ্ধতি নিয়ে কিছু লিখবো ঠিক করলাম, পরে কোন পোস্টে।

আর ডারউইনের থিওরী থিওরীই রয়ে গেলো, এই কথাটির অর্থ বুঝলাম না। থিওরীর কিসে পরিণত হওয়ার কথা ছিলো? কোন ধর্মে?

ডারউইনের বিরূদ্ধচারীর সংখ্যা কম নয়, কিন্তু তাঁদের যুক্তিগুলো কি কেউ একটু তুলে ধরবেন?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:০৪ অতিথি বলেছেন: শোহেইল ভাই মানুষের বিবর্তন নিয়ে আপনার কাছে লেখা আশা করছি। এখানে তো অনেক তথ্য বা প্রমান পাওয়া গেছে। যেমন Paranthropus থেকে শুরু করে robustus -- Australopithecus afarensis --Homo habilis --Homo erectus --Neanderthal ইত্যাদি। এদের প্রায় সবারই তো ফসিল পাওয়া গেছে এবং যাচ্ছে। কিছুদিন আগে হোমো ইরেকটাস আর হোমো স্যাপিয়েনস এর মাঝের সময়ের ফসিল পাওয়া গেছে যা প্রায় আড়াই লক্ষ বছর আগেকার হবে। এর ফলে তথাকথিত 'মিসিং লিঙ্ক' এর সমাধান হবে।
Click This Link
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৪ অতিথি বলেছেন: সাজেদ, আশা রাখি লিখবো।
আমি আগে পড়তে চাচ্ছি ধর্মীয় মৌলবাদীরা কি যুক্তি দিচ্ছে। সেটি জানতে পারলে বিবর্তনবাদের সাম্প্রতিক প্রাপ্ত ফসিলের ওপর ভিত্তি করে জবাব দেয়া যাবে।
তবে উৎস এ বিষয়ে এলেমদার। একটি লেখাও আছে তার। পড়ে দেখেন।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:০৪ উৎস বলেছেন: আমি আসলে জেনেটিক্স এর দৃষ্টিকোন থেকে বিবর্তনবাদ দেখতে পছন্দ করি, কারন এভাবে প্রমান করা সহজ, মোটামুটি এ লাইনে যারা অল্প কাজ করেছে তারাও ব্যাপারটা ওয়াকিবহাল। ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া অনেক দ্্রুত বিবর্তিত হয়, চোখের সামনেই দেখা যায়, বিশ্বাস অবিশ্বাসের প্রশ্ন আসে না। তুলনামুলক ভাবে হোমো ইরেকটাস থেকে আধুনিক মানুষের বিবর্তন অনায়াসে বোঝা কঠিন, ধর্মের দেয়াল থাকায় ব্যাপারটা আরও জটিল হয়ে দাড়ায়। ফসিলের সমস্যা হচ্ছে সব ফসিল যে ইতোমধ্যেই পাওয়া গেছে তা নয়, আরও পাওয়া যাবে, আরও পরিস্কার হবে, জেনেটিক্স এবং প্যালিওন্টোলজি মিলিত ভাবে পুরো ছবি টা পরিস্কার করবে।

হিমুর তো এই নিয়ে লেখার কথা ছিল, সময়ের অভাবে এ সপ্তাহে আমি লিখতে পারছি না। ধন্যবাদ শোমচৌ লেখার জন্য, এরকম আরও লেখা আশা করি।
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৭:০৪ হিমু বলেছেন: একটা ত্রূটিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছিলাম, কিন্তু কেউ সেটা পাকড়ে ধরে হামলা করেনি। বলেছিলাম কোন মতবাদের মডেলে প্রাপ্ত উপাত্ত ফিট করে কি না সেটা দেখলেই চলে। শুধু উপাত্ত নয়, মতবাদটি কী ধারণাসমূহের উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা জরুরি। নইলে সেই সর্দারজির গবেষণার মতো দাঁড়াবে ব্যাপারটা। এক সর্দারজি মতবাদ দিলো, পা ছিঁড়ে নিলে তেলাপোকা আর কানে শুনতে পায় না। তার এই মডেলে সে গবেষণা থেকে পাওয়া উপাত্ত ফিট করে কিভাবে, সেটাও দেখালো, সুস্থ এক তেলাপোকাকে হুকুম দিলো, "হাঁটো!" অমনি তেলাপোকা কিলবিল করে হাঁটা শুরু করলো। একটা পা ছিঁড়ে নেয়ার পর আবার হুকুম, হাঁটো, তেলাপোকা এবার একটু শ্লথ গতিতে হাঁটতে লাগলো। এমন করে সব ক'টা পা ছিঁড়ে নেবার পর তেলাপোকা আর হুকুম শুনলেও হাঁটে না, শুধু শুঁড় নাড়ে। কাজেই পা ছিঁড়ে নিলে তেলাপোকা আর কানে শোনে না, প্রমাণিত।

যাই হোক, সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। মন ভালো থাকলে বিবর্তনের গল্পে নায়ককে নিয়ে কিছু লিখবো। সময়। হুমম, অফুরন্ত সময় আমার, শুধু নেই কোন কাজে বসাবার মতো ভালো মন।
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৪ অতিথি বলেছেন: ডারউইনকে তুলাধুনা করতে কারো উৎসাহের কমতি নাই দেখি। মামু আপনি করবেন করবেন বলে আর করেন না, ঝিমু আপনারে লোকে সাধে ডাকে না, যান মুড়ি খান গিয়া।

বিবর্তন আর ডারউইনকে নিয়ে ধারাবাহিক পোস্ট আসবে মে মাস থেকে ... অবিশ্বাসীরাও যুক্তি শানিয়ে রাখুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28763932 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28763932 2008-01-24 22:12:43
প্রিয় পোস্ট ৮
আনোয়ার সাদত শিমুল

পাকমন পেয়ার
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ২:৪২



রাসেদের আবি্ব-আম্মি বছরের এসময় করাচী চলে যায়। নানুভাইয়া-মামারা সবাই ওখানে থাকে। বড়মামা লাহোর ইউনিভার্সিটির টিচার। ছোটমামা ইসলামাবাদে সিরামিকসের বিজনেস করে। ছোটমামীর মা নাকি বেনজীর ভূট্টোর খালাতো বোনের ভাসুরের মেয়ে। আবি্ব-আম্মি পাকিস্তানে খুব ব্যস্ত সময় কাটায়। নানুভাইয়ার এন.জি.ও এখন মুজাফফারাবাদে কাজ করছে গত বছরের ভূমিকম্পের ভিকটিমদের নিয়ে। প্রজেক্টটিতে আবি্ব-আম্মি বড়সড় ফান্ড দিয়েছে। এবার পিটিভি-র মীনাবাজার হ্যাভ অ্যা নাইস ডে লাইভে আবি্বর একটি ইন্টারভিউ আছে। পাক-বাংলাদেশ রিলেশন নিয়ে ডিসকাশন। আম্মিরও রেকর্ডিং আছে পিটিভি ওয়ানের 'কারিনা ইন করাচী' প্রোগ্রামে। শবনম মাজীদ আর শাহিদা মিনির একটা কালচারাল নাইটেও অ্যাটেন্ড করবেন তারা।

দুই.
আজকের গেট টুগেদারটা জমজমাট ছিল। রাসেদের বন্ধুরা এ-লেভেল দিয়েছে এবার। স্যাট-টোফেল কিংবা আইইএলটিএস এর প্রিপারেশান নিচ্ছে সবাই। এক ফাঁকে রাসেদের বাসায় এ আয়োজন। ফ্যান্টাস্টিক ফোর আর গ্যাংস্টার দেখে কুলসুন ম্যাকারনী খেতে খেতে অনেক গল্প হয়। তাহসান-হাবীব বিতর্কে লোমেলা চেঁচামেচি করে উঠে যায়। এরপর সামী ইউসুফের সুরে বাংলা গানে নতুন জোয়ার সৃষ্টির স্বপ্নে বিভোর শাকেরও চলে গেলে আড্ডাটা ঝিমিয়ে আসে। সন্ধ্যার পর কেবল সাফরীন আর জাবের থেকে যায়।
ভার্সিটি অ্যাডমিশনের অবসরে ওরা একটি ওয়েব পোর্টাল তৈরি করছে। সাফরীন কাজ করছে উইমেন রাইটস অ্যান্ড লীডারশীপ সেকশনে। শরীয়া আইন যে নারীর পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করে, ধর্মীয় অনুশাসনে থেকেও আধুনিকতার সাথে তাল মিলানো যায়; এ ইসু্যগুলো নিয়ে কাজ করছে সাফরীন। প্রচুর পড়তে হচ্ছে, ওয়েবের জন্য লিখতেও হচ্ছে। ফাঁকে ফাঁকে ব্যারন্স স্যাটের হাই ফ্রিকোয়েন্সী আর হট প্রসপেক্টিভ ওয়ার্ড লিস্টে চোখ বুলিয়ে নেয়। সাফরীনের আম্মু একটি ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ায়।
জাবের কাজ করছে হিস্ট্রি সেকশনে। একাত্তরের গন্ডগোলের ঝাপসা কনসেপ্টগুলো জাবের নতুনভাবে জাস্টিফাই করছে। জাবেরের মামা এ বিষয়ে প্রচুর রেফারেন্স দিয়ে হেল্প করছেন। মামা একসময় হলিডে আর এভিডেন্সে লিখতেন, এখন নয়াদিগন্তে লিখেন রেগুলার। রাসেদের কাজটা একটু জটিল। ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টের পাশাপাশি প্রায় চারশ মেম্বারের ইয়াহুগ্রুপটিও তাকে দেখাশুনা করতে হয়। মেম্বারদের বেশীরভাগই ও-লেভেল স্টুডেন্ট। প্রতি মাসে মেম্বার সংখ্যা বাড়ছে। সব ই-মেল মন দিয়ে পড়া, রেফারেন্স ঘেঁটে ঘেঁটে এনকোরারিগুলো রিপ্লাই দেয়া, গ্রুপ ডিবেট কো-অর্ডিনেট করা, উফ্! অনেক ঝামেলা। বেশী কঠিন ইসু্য হলে করাচীতে বড় মামা কিংবা নানুভাইয়াকে মেইল করে জেনে নেয়া যায়। আবি্ব-আম্মিও হেল্প করেন মাঝে মাঝে।

তিন.
রাসেদ-সাফরীন আর জাবেরের টীমওয়ার্ক খুব ভালো। কাজের প্রতি ভীষণ কমিটেড আর সিনসিয়ার। ওয়েবের ফোরাম সেকশনের পাশাপাশি ব্লগ অপশন রাখার প্ল্যান করছে রাসেদ। জাবের রিলেটেড সাইটগুলোর লিংক অ্যাড করবে, সাথে একটি ফান সেকশনও দেখবে সে। মুসলিমম্যানিয়াক থেকে ট্রান্সলেট করে কাজ চালাবে প্রথমে, পরে গ্রুপ মেম্বাররাই লিখবে। গ্রুপের বেশীরভাগ মেম্বারই ছেলে। সাফরীন নতুন অ্যাসাইনমেন্ট ঠিক করে - ক্লাস এইট নাইনের গার্লসদের ই-মেল অ্যাড্রেস কালেক্ট করতে হবে। ওদের প্রাইমারী কাউন্সেলিংয়ের কাজটা সাফরীন নিজেই করবে।
তারা যে গ্রুপকে টার্গেট করে এগুচ্ছে, ওরাই আগামীর লিডিং জেনারেশন। এরাই পালটে দিবে আধুনিকতার ট্রেন্ড। এরকম অনেকগুলো অ্যাকশন প্ল্যান ফরমুলেট করতে করতে জাবের হাঁফিয়ে উঠে
- লেটস হ্যাভ অ্যা ব্রেক!
- হোয়াট অ্যাবাউট সাম ফান? প্রশ্ন ছুঁড়ে রাসেদ কম্পিউটার অন করে। উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারে তখন অ্যাডাম অ্যান্ড ঈভ প্রোডাকশনের 'হেডমাস্টার টু'।
সাফরীন আঁতকে উঠে - ওয়াও... জ্যাজমিন!
জাবের সাফরীনের পাশে গিয়ে বসে - ইয়াপ, শী ইজ আওয়ার প্রাইড...।
মাথার স্কার্ফ সরিয়ে সাফরীন তখন ছোট ছোট চোখে অপলক তাকিয়ে থাকে - হুমম... শী ইজ বেটার দ্যান ক্যাথি...
জাবেরের চেহারাটা লাল হয়ে আসছে।
ভলিউম বাড়িয়ে রাসেদ সাফরীনের দিকে তাকায়।
জাবেরটা একটু বেশী ফাজিল...।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761378 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761378 2008-01-16 16:11:37
এই হইতেছে পরিস্থিতি http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761247 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761247 2008-01-16 03:39:33 প্রিয় পোস্ট ৭

মুখফোড়

হাউ টু স্যালুট ইউ, সোলজার?
২৫ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৭:১৭



শ-এর দ্য ম্যান অফ ডেস্টিনিতে গুপ্তচর মহিলাটি হঠাৎ নেপোলিয়নকে জিজ্ঞেস করে, ওহ! আর ইউ আ কাওয়ার্ড? নেপোলিয়ন হাঁটুতে চাপড় মেরে হেসে ওঠে, দ্যাট ইজ দ্য ওয়ান কোয়েশ্চন ইউ মাস্ট নেভার অ্যাস্ক আ সোলজার। দ্য সার্জেন্ট অ্যাস্কস আফটার আ রিক্রিউটস হাইট, হিজ এইজ, হিজ উইন্ড, হিজ লিম্বস, বাট নেভার আফটার হিজ কারেজ।

মাঝে মাঝে বাথরুমে মুখ ধুতে গিয়ে আয়নায় নিজেকে দেখি। মাঝে মাঝে এ প্রশ্ন করি নিজেকেও, আর ইউ আ কাওয়ার্ড? কাপুরুষ নাকি তুমি, মুখফোড়? নেপোলিয়নের কথা মনে পড়ে যায়।

যোদ্ধা নই, আবার আমরা সবাই যোদ্ধা। বারবার যুদ্ধের ফেরে পড়ে যাই। অ্যাড হক সোলজার আমরা সবাই। তাই আর জিজ্ঞেস করি না নিজেকে, আমি কাপুরুষ কি না।

মতিউর রহমান, আপনার দেহাবশেষ যেখানেই সমাহিত হোক, আপনার সাহস সঞ্চারিত আমাদের সবার ভেতরেই। কিন্তু প্রশ্নবিদ্ধ মন শিরোনামটিকেই নিবেদন করলো আপনার প্রতি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761219 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761219 2008-01-15 23:37:28
প্রিয় পোস্ট ৬
হাসান মোরশেদ

সাদিক মোহাম্মদ আলম এর 'ফাকা আবেগ' তত্ব ও কলবের আয়না
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৮:০৯




এই ব্লগে যারা আমার সুহ্রদ আছেন, সাদিক মোহাম্মদ আলম নিঃসন্দেহে তাদের একজন । প্রিয় ব্লগার তালিকায় তার নাম একটা স্থুল উদাহরন হতে পারে ।
সুহ্রদ সাদিক তার পোষ্টে আমার মন্তব্যের জবাবে আন্তরিক এক উপদেশ দান করেছেন । বলেছেন আমার 'এই এটিচুড' বদলানোর জন্য । কেনো বদলানো? কি লাভ বদলালে? 'এই এটিচুড' যতো দ্রুত বদলানো যাবে, তত দ্রুত নাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত হবে ।

'এই এটিচুড' কি রকম 'এটিচুড'? সাদিকেরই লেখ্যমতে 'এই এটিচুড' হলো- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আবেগী পোষ্ট দেয়া, মুক্তিযুদধ বিষয়ক 'ফাকা' আবেগ দেখিয়ে দেশ উদ্ধার করা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ছবি, কবিতা লিখে পত্রিকার পাতা ভরানো ।
সাদিকের উপদেশ আমাকে যথেষ্ট ভাবায় । আমার কিংবা আমার পুর্ববর্তী জেনারেশনের করার ক্ষমতা সাদিক কে 'বহুত ফেড আপ ' করে । সাদিকের 'বহুত ফেড আপ' আবার আমাকে বিচলিত করে । আমি স্মৃতি হাতড়াই । আমি কিংবা আমার জেনারেশন কতটুকু করেছিল? কতটুকু করতে পারতো ।

১৯৯২ এ ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার ছিলো । এই তারিখ যে বৃহস্পতিবার ছিলো, সেটা আমার মনে আছে,কেনোনা একটা শ্লোগান মনে আছে আজো ' ২৬শে মার্চ বিষুদবার-যুদ্ধ হবে আরেকবার' । জানিনা সেই ২৬ মার্চ সাদিকের বয়স কতো ছিলো । জানিনা সাদিকের স্মৃতিতে সেই বিষুদবার আছে কিনা? সেই দিনে সারা বাংলাদেশের তরুনেরা কি করে ফুঁসে উঠেছিল ঘাতক দালালদের বিরুদ্ধে সে খবর সাদিক রাখে কিনা? সেটা রাজনীতি ছিলোনা । সেটা আওয়ামী লীগ বি এন পি ছিলোনা । ছিলো একজন শহীদের মায়ের আহবান । নির্মুল কমিটির সুইসাইড স্কোয়াডে কত হাজার তরুন স্বেচ্ছায় নাম লিখিয়ে ছিলো, সে হিসেব কি সাদিক জানে? সরকার সেদিন ঘাতক দালালদের রক্ষা না করলে, জাহানারা ইমামের এক নির্দেশেই ডাইরেক্ট একশন হয়ে যেতো ।

ব্যক্তি আমি ছিলাম কি ছিলাম সেটা মুখ্য নয় । কিন্তু আমার বন্ধুরা ছিলো । আমার বন্ধুরা রক্তাক্ত হয়েছে ঘাতক দালালদের ধারালো ছুরিতে । হ্যাঁ , আক্ষরিক অর্থেই হয়েছে । ঘাতক দালালের উত্তরসুরীদের হামলা মোকাবেলা করেই আমার বন্ধুরা বৈশাখী উতসবের প্রচলন করেছে । জাহানারা ইমামের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের নামকরন করতে দেয়া হবেনা ।আমার বন্ধুরা প্রান হাতে নিয়ে এই সিদ্বান্তের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে ।

ঘাতক দালালদের বিচার হয়নি এটা ব্যর্থতা । এই ব্যর্থতার পিছনে অনেক রাজনীতি, অনেক দেশীয় আন্তর্জাতিক হিসেব নিকেশ আছে । কিন্তু এই ব্যর্থতার বিপরীতে হিরন্ময় সফলতা এই ,৩৬ বছর পর ও বিচারের দাবী উচচারন বন্ধ করা যায়নি ।
৩০ বছরের অধিক কাল ধরে সকল ক্ষমতাসীনরাই তো ঘাতকদের রক্ষা করে গেলো । তবু বিচারের দাবী উচচারন স্তিমিত করা গেলো না কেনো? কে বাঁচিয়ে রাখলো খুনীদের বিচার দাবী করার অদম্য সাহস?

বাংলাদেশের রাজনীতি ঘাতক দালালদের সাথে আপোষ করেছে, করেছেন হাসিনা খালেদা । ঘাতক দালালদের সাথে আপোষ করেনি বাংলাদেশের সংস্কৃতি । আপোষ করেনি বাংলাদেশের কবিতা, নাটক, চিত্রকলা । ৩০ টা বছর ধরে রাজনীতিক রা যতোটা ওম দিয়ে গেছেন, কবিতা নাটক গল্প উপন্যাস ততোটাই ধিক্কার জানিয়ে গেছে ঘাতক দালালদের ।
তাই সাদিক যখন বলেন , মুক্তিযুদ্ধের ছবি , কবিতা লিইখা কাজের কাজ কিছুই হয় নাই- আমার জানতে ইচ্ছে করে কে তবে আর কি করে 'কাজের কাজ' করে ফেললেন বলুন তো?


ছবি , কবিতার কাজ তো ঘাতক দালালের বিচার করা নয়, বিচারের দাবি যাতে কেউ বিস্মৃত না হয় মানুষের সেই অনুভুতিকে জাগিয়ে রাখা ।
সেই অনুভুতি মরে যায়নি বলেই ১৯৯২ এ আঠারো বছরের যে তরুন নিজের প্রান হাতে নিয়ে রাজপথে নেমেছিলো ঘাতক দালালের বিচারের দাবীতে, মধ্য ত্রিশের এই ২০০৭ এ ও সে তার দাবী থেকে সরে যায়নি । হয়তো ক্ষেত্র বদলেছে সময়ে । কারো বেলায় এটা পত্রিকার কলাম হয়েছে, কারো বেলা ব্লগের পোষ্ট, কারো বেলায় স্বগতঃ ভাবনা ।

পৃথিবীর ইতিহাসের বহু অন্যায় বহু হত্যা বহু ধবংসের ই বিচার হয়নি । বিচার হয়নি বলেই ঘাতকের প্রতি ধিক্কার থেমে থাকেনি । আমার জানা যদি ভুল না হয়,মুসলমানদের ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস কারবালা হত্যাকান্ডের ও বিচার হয়নি শেষ পর্যন্ত । বিচার হয় নি বলে কারবালাকে ঘিরে মর্সিয়া, শোক গাথা বিষাদ সিন্ধু কি 'ফাকা' , 'কেবলই ফাকা' আবেগ হয়ে যায়?

দুঃখিত সাদিক, আপনার এই 'ফাকা আবেগ' তথ্য আমার পোষালোনা ।
আমি রাজনীতির ডালভাত খাইনা । এই ব্লগে যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখেন, সম্ভবতঃ তাদের কেউই সরাসরি রাজনীতির মানূষ না । আমি যা লিখি, সেটা আমার নিজের কাছে নিজের দায়বদ্ধতা থেকেই । সম্ভবতঃ অন্যরা ও । এই দায়বদ্ধতায় কোন রাজনীতি নেই, দুধ ভাত নেই ,এমন কি পুন্য লাভের কোন লোভ ও নেই । একে নিয়ে দালালের বাচচা রা টিটকারী মারলে, চেনা যায় । কিন্তু আপনি যখন টিটকারী মারেন, নিজের সাথে বোঝাপড়াটা করতে একটু খারাপ লাগে ।

আমার বা আমাদের কারো লেখায় ঘাতক দালালদের বিচার হয়ে যাবে, অবশ্য ই না । যেমন আপনার লেখায় হয়ে যাবেনা ধর্মের সংস্কার । তবু আপনি আপনার ধর্মলেখা লিখে যান । আমি কিন্তু বলিনা-- 'এই সব কোনো কাজের কাজ না । ধর্ম নিয়ে ফাকা আবেগ ' ।


আপনার কথিত 'এটিচুড' এ আসলেই সমস্যা আছে সাদিক । 'এটিচুড' সত্যিই পালটানো দরকার ।
কলবের আয়নায় কার ছায়া ঘনিয়েছে, একটু তালাশ করে দেখুন তো মরমীসাধু সাদিক মোহাম্মদ আলম ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761203 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761203 2008-01-15 21:33:04
প্রিয় পোস্ট ৫
শোহেইল মতাহির চৌধুরী

জটিল প্রশ্নের কুটিল উত্তর-3
২২ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:১৩



প্রাথমিক উদ্ভবের হৈ-হল্ল া পেরিয়ে বাঁধ ভাঙার আওয়াজে এখন স্বাভাবিক স্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। সবাই আবার ফিরে যাচ্ছে নিজ নিজ গোয়ালে। এখানে যে একটি ভাচর্ুয়াল সমাজ গড়ে উঠেছিলো ভাবনা-বিতর্ক ও রঙ্গ-রসের তা অনেকটাই আলগা হয়ে যাচ্ছে। তা যা হবে তাকে তো আর ঠেকানো যাবে না। তাই বলে আমাদের কুটিল উত্তরের প্রতিভা বিকাশ ও কূটক হওয়ার অভিলাষে ভাটা পরার কোনো কারণ দেখছি না। সুতরাং পর্ব-3। জটিল প্রশ্নের কুটিল উত্তর-3। বিদ্্বৎজনেরা নড়ে চড়ে বসেন। বাচ্চালোগ লাগাও তালিয়া।
এবারের বিষয় একেবারে মুড়ি গরম। অনেকের উৎসাহ আছে দেখেই বিষয়টা নির্বাচন করলাম। প্রশ্নটি হচ্ছে:
" মাহবুব মোর্শেদ তৈলমর্দনের বিনিময়ে কী চান?"

ব্লগারুগণ খেয়াল করবেন, কাকে তৈলমর্দন করছেন তিনি তা বলা হয়নি। কারণ তিনি ব্যাপক তৈলমর্দন চান। সুতরাং এরকম আলোচনায় তার নাম দেখলে তিনি আরো বিকট আনন্দ পাবেন। সুতরাং যতটা সম্ভব নামোচ্চারণ বাদ দিয়েই এই কুটিল উত্তর চালিয়ে যেতে হবে।
দেখা যাক এবার কূটক হিসেবে নতুন প্রতিভা পাওয়া যায় কি না। প্রোফাইলে যার কূটনামি করার অভ্যাসের কথা লেখা আছে সেই লুনা রুশদিকে এ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অরূপ, মাশীদ, হাসান এরা একেবারেই মুখ খুলছে না। অন্য অনেকেই হাততালি দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু মুখ থাকতে হাতে কেন?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761181 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761181 2008-01-15 18:44:01
প্রিয় পোস্ট ৪ প্রিয় পোস্ট ৪


সুমন চৌধুরী
জামাত প্রসঙ্গে ভদ্রভাষায় ..........
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:৪৩


স্বাধীনতার পরে তারা ভাগলেন । চৌদি আরবে গিয়ে ''পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি'' করলেন । জিয়া আইন করে চৌদিদের সাথে পিড়িত বাধ্যতামূলক করলেন । গোআ পাকি পাস নিয়ে চামে চামে ''তথাকথিত বাংলাদেশে'' পাদিলেন । মাঝে মাঝে ফাকা আওয়াজ দিতে দিতে রাজনীতিতে হালাল হইলো চামাত । সামরিক শাসনের ফাকে চামে চিকনে স্কুল কলেজে ভাইয়া ভাইয়া করতে করতে মওদুদি-বুকাইলি জাউ খাওয়াইয়া আর অন্যদিকে চৌদি গো টেকায় হাসপাতাল, ন.জি.ও...ক্রেমে ক্রেমে পেরাইভেট ভার্সিটি খুইলা বইলেন । অন্য দিকে ইহুদি-নাসারা গো টেকায় ম্যাশিং কিন্না ইসলামী বিপ্লবের টেনিং শুরু করলেন । চট্টগ্রাম-রাজশাহী-জাহাঙ্গীরনগরে রগ কাটাকাটি শুরু করলেন । জাহাঙ্গীরনগর থেকে প্রবল গণপ্রতিরোধের মুখে বিতাড়িত শিবির আজও ঢুকতে পারে নাই । চট্টগ্রাম আর রাজশাহীতে সুবিধা করছে বি.এন.পি র লেজ ধইরা ।
এইখানে জামাত প্রেমিকরা প্রায়ই কয় বি.এন.পি-আওয়ামী লীগ নানা সময় তাগো পায়ে ধরছে । কথাটা তো উলটা কইরাও কওয়া যায়, জামাত সুবিধা মতো বড় পাট্টির ফাউ ধরছে । ইসলামী বিপ্লবের কথা কইয়া যাগো দিয়া রগ কাটাইছে তাগো লগে চিটিং বাজি কইরা জামাত শেষ পর্যন্ত কোয়ালিশনেও গেছে । রাজনৈতিক কৌশলের দোহাই দিয়া । '90 এর পর থিকা শিবির পোলাপান খোয়ানো শুরু করে । ক্যাডাররা পরিণত হয় ভাড়াইটা গুন্ডায় । জাগায় জাগায় আওয়ামী লীগ-বি.এন.পি র লগে চান্দা ভাগ করা শুরু করে । আওয়ামী লীগ আর বি.এন.পি গুয়ের এই পিঠ ঐ পিঠ, কিন্তু জামাত হইলো ধূমায়িত তরল বিষ্ঠা। বড় এক পিস গু ছাড়া আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে পইড়া যায় । কিন্তু ফাকা পাইলে ছড়াইয়া যায়
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761126 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28761126 2008-01-15 15:47:10
প্রিয় পোস্ট ৩
গল্পের খসরা

রাসেল ( ........)


খামরুজ্জামান লোকটার উচ্চতা কত হবে, বড়জোড় 5 ফুট 7, গায়ের রং দাবা, ঠিক কালো বলা যাবে না, তবে শ্যামলায় কয়েক পোঁচ ময়লা লাগালে যেমন হবে তেমন গায়ের রং, গালে কাঁচাপাকা দাড়ি, সুন্দর করে ছেটে রাখা, চর্চিত দাড়ি, মাথায় বাহারি কিস্তি টুপি, চোখে সুরমা, কানের লতিতে আতর ছুইয়ে মিহি গলায় ডাকলেন, সুরাইয়া, বিবিজান ,সুরাইয়া, আপনি একটু অন্দরে আসেন,
সুরাইয়া, তার 3য় পক্ষ, পর্দা সরিয়ে অন্দরে আসেন, পড়নে সিল্কের শাড়ী, বয়েস 30 এর কোঠায়, গায়ের রং শ্যামলা, চোখের নীচে সামান্য কালিমা চেহারার মোহনীয়তা বাড়িয়েছে কয়েকগুন, বলেন চৌধুরি সাহেব, কি জন্য ডাকলেন?
আজ জুম্মা বার, বেলা বাজে 12টা , কাওয়ালি কোথায়?
কাওয়ালি তার প্রথম পক্ষের 3য় সন্তান, বয়েস 21, আদব ঝোজ শিখিয়েছেন, বড়দের সামনে নম্রস্বরে কথা বলে, তবে একটু কেমন যেনো অন্তর্মুখী। সারাক্ষন নিজের ঘরে বসে থাকে, বিকেলে খেলতে যায় না, তার আদতে কোনো বন্ধু নেই বোধ হয়,
আচ্ছা ডেকে দিচ্ছি বলে চলে যান সুরাইয়া বেগম।

অম্বরি বেগম, মনে পড়ে খমরুজ্জামানের কাশীনাথ গ্রামের খাঁ বাড়ীর কন্যা, মাদ্্রাসা শেষ করে তিনি কাশীনাথ গ্রামের পাশের রায়েরগঞ্জে গিয়েছিলেন আলেম ই মুলুক কলিমুল্লাহ নিয়াজির শিষ্যত্ব বরন করতে, খাঁ সাহেব ছিলেন তার বন্ধুস্থানিয়, সেখানেই রাত্রিযাপন, ভোরে মোশওয়াক করতে করতে খিড়কির পেছনের পুকুরে দাড়িয়েছিলেন, তখন শীত পড়তে শুরু করেছে, দেখলেম ভেজা শাড়ী পড়ে উঠে আসছে একজন, তিনি হা করে তাকিয়ে দেখেন, ভেতর মহলে একটা গোলমাল হয়ে যায়, মোশাওয়াক ছেড়ে তিনি কোনো এক অজানা আকর্ষনে পুরুক ঘাটে যান,
অম্বরি বেগমের চিৎকারে বাসার সব লোক ছুটে আসে, খাঁ সাহেব রুষ্ট হন ভীষন তবে কলিমুল্লাহ সাহেবের শিষ্যকে প্রচলিত শাস্তি দেওয়া মানে বন্ধুত্বের অবমাননা, আর এছাড়াও গ্রামের 10 জন জানে কি হয়েছে, মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সমস্যা হবে, তাই তিনি সকালেই ছুটে যান রায়েরগঞ্জ, দুপুরের মধ্যে বিয়ে, সন্ধ্যায় তাদের বিদায় দিয়ে খাঁ সাহেব ঘরে ফিরে আসেন, রায়ের গঞ্জ থেকে ট্রেনে চেপে তিনি নামেন শমসের নগর, সেখান থেকে শ্যামপুর ঘাট, ওখান থেকে শরিয়তপুর, সেখানে এক মাদ্্রাসায় মাস্টারি জুটে যায়, অম্বরি বেগম কখনই মেনে নিতে পারেন নি বিয়েটা , তবে পতিব্রতা স্ত্র ীর মতো তিনি সারা জীবন সেবা করে গেছেন স্বামির।
ক্রমে ক্রমে খমরুজ্জামানের বিত্ত বাড়ে, খাঁ সাহেব মারা যাওয়ার পর তার একমাত্র উত্তারাধিকারিনী হিসেবে অম্বরি বেগম পেয়েছিলেন বিপূল পৈতৃক সম্পত্তি, সেই জোরে খমরুজ্জামান সমাজে মান্য গন্য একজন হয়ে উঠেন, এরশাদের উপজেলা ঘোষনার পর তার রাজনীতিতে আগমন, সেখান থেকে ক্ষমতার সিড়িঁ বেয়ে শরিয়ত পুরের চেয়ারম্যান হলেন, এর মধ্যে প্রথম বিবি গত হয়েছেন, প্রথম পক্ষের 3 ছেলে মেয়ে, আমিরূল জাহান, শরিফুন্নেছা, আর গোলাম কাদের কাওয়ালি, তিনি হাদিসে পড়েছেন ছোটোদের সহবত শেখাতে হবে, আদর্শ মানুষ করে তুলতে হবে,
এর পর এ দের দেখাশোনার জন্য তিনি 2য় বিয়ে করেন, মাগি বড় ছেনাল ছিলো, খালি পর পুরুষের দিকে নজর, পর্দা করতে চাইতো না, আর কথায় কথায় বাপের বাড়ী যেতো, তাকে তালাক দিয়ে 2 বছর হলো তিনি সুরাইয়াকে ঘরে তুলেছেন,
সুরাইয়া পীর জাদা বদরউদ্দিনের মেয়ে,
শরিফুন্নেছার বিয়ে দিয়েছিলেন অল্প বয়েসে, বালেগ হওয়ার পর পর, পোয়াতি মেয়েটা বিয়োতে গিয়ে মরে গেলো। আমিরুল জাহান বাবার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে এখন ঢাকায় থাকে, সেখানে সে কি করে বাসার কেউ জানে না,
মসজিদে যান খমরুজ্জামান সাহেব, তাকে সসম্মানে সামনের কাতারে যেতে দেয় মুসুল্লিরা, তিনি কাওয়ালিকে নিয়ে খোৎবা শুনেন,
বিশ্বের মুসলিম বেরাদানেরা আজ নাসারাদের চক্রান্তের শিকার, সব খানে মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে, এর বিরুদ্ধে জেগে উঠেন, কোথায় গেলো আলির জুলফিকার, কেউ কি নেই, কাওয়ালি খোৎবা শুনতে শুনতে উত্তেজিত হয়ে যায়, তার উত্থান হয়, পরনে সফেদ পাঞ্জাবি, সুতির পায়জামা, সেই উত্থান চেপে রাখা সম্ভব হয় না পাতলা কাপড়ে, তার পায়জামার জোড়া লক্ষনীয় ভাবে ফুলে উঠে,
উত্থিত তিন পায়ে কাওয়ালি নামাজে দাড়ায়।


কাওয়ালি ঘরের দরজা বন্ধ করে মাসিক মদিনা পাঠ করে নিবিষ্ট মনে, তার ঘরে আসবাব কম, একটা খাট, পড়ার টেবিল, চেয়ার, বস্তুত সমস্ত বাড়ীর সাথে এ ঘরের যোগাযোগ সবচেয়ে কম, এখানে নিরিবিলিতে তার ঐসলামিক চেতনা শানিয়ে উঠে, সে একমনে নিবন্ধ লিখে,
আজকালকার মুসলমান উম্মাহর যীষন দুর্দিন, তারা পথভ্রান্ত, কোরান হাদিসের শিক্ষা মেনে নিতে চায় না, বাহাস করে, উপহাস করে , দেশের মেয়েরা পর্দা করে না, এটাই দেশের যুবসমাজের অধপতনে যাওয়ার কারন, এর প্রতিকার কি হতে পারে এ বিষয়ে 101টা তরিকা বাতলায়, কিভাবে নবীজির সুন্নত আর ইসলামি খেলাফত আনা যাবে এ নিয়ে তার বিভিন্ন পরামর্শ ছাপা হয় মদিনায় চিঠিপত্র বিভাগে,
মাদিনার সম্পাদক তাকে বিশেষ স্নেহ করেন, তার সাথে নিয়মিত পত্রালাপ হয় কাওয়ালির। তিনি কাওয়ালিকে বিভিন্ন বিষয়ে পাঠ করতে বলেন, কাওয়ালির ইসলাম জ্ঞান ক্রমশ চুড়ায় উঠে যায়,
দেশে কোরানের শাসন চাই, এই সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে একমাত্র হাতিয়ার হবে কোরানের আলো,
মাঝে মাঝে ঘরের নিরালায় মুষ্টিবদ্ধ হাতে শ্লোগান দেয় কাওয়ালি, এবং বয়েসের কারনে সময়ে অসময়ে উত্তেজিত হয়, এবং মুষ্টিবদ্ধ হাতে সেই উত্তেজনার উপশম করে,
তার প্রথম চিঠিটা ছিলো 14 বছর বয়েসে লেখা, হঠাৎ একদইন রাতে সে স্বপ্নে দেখে নাজিয়া তার ঘরে এসেছে, এই ঘরে এমন নির্জনে নাজিয়াকে দেখে তার গলা শুকিয়ে যায়, তারপর কিভাবে যেনো নাজিয়া হাত রাখে তার শরীরে, এরপর কোনো এখ অজানা উত্তেজনায় কেঁপে উঠে , শরীর কুকড়ে যায়, এবং ঘুম ভেঙ্গে লক্ষ্য করে তার লুঙ্গির মাঝে বেশ একটা বড় জায়গা ভেজা, কাউকে বলা যায় না এই লজ্জার কথা, তার কি কোনো গোপন অসুখ হলো, ম্রিয়মান হয়ে যায়, এবং আরও বেশি উপাসনারত, তবুও মাঝে মাঝেই এ ঘটনার পুনারাবৃত্তি ঘটে, তার এই বিষন্নতায়বিচলিত হন খমরুজ্জামান, ছেলের সাথে খোলাখুলি আলোচনা বাধে, ছেলে বড় হচ্ছে, এখন শরীরের নানারকম পরিবর্তন হবে, কিন্তু এ নিয়ে কথা বলবেন কিভাবে , তিনি সল্প কথায় বুঝিয়ে বলেন, এটা স্বাভাবিক একটা বিষয়, শরীরের পরিবর্তন হবে, তবে ওসব নাযায়েজ কাজ করার দরকার নেই, একবার করলে একটা চড়াই পাখির সমান রক্ত চলে যায়।
কাওয়ালি হতভম্ব দাড়িয়ে দাড়িয়ে শুনো এবং কোনো কিছুই অনুধাবন করতে পারে না, অবশেষে মোকছেদুল মোমেনিন পড়ে তার জ্ঞানদৃষ্টি খুলে যায়, আহা কি সুন্দর করেই না বলা আছে সেখানে এ পরিবর্তনের কথা, নবীজি ফরজ গোসল করতে বলেছেন, তাই এখনও মাসে 6 /7 বার তাকে ফরজ গোসল করতেই হয়,

শনিবার রাত ঃ
আধুনিক যুবকেরা কেন ইসলামবিদ্্বেষি এ নিয়ে একটা নিবন্ধ লিখছিলো, তাদের বেশবাস, সহবত , ইসলাম উপেক্ষার ক্ষতইকর দিকগুলো কলমের শানিত ধারে কেটে কেটে তখন আগুনের হলকায় পুড়ছে শরীর,

কোনার ঘর থেকে বাহির হওয়ার সময় সে খমরুজ্জামানের মুখোমুখি পড়ে যায়, সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে থাকেন খমরুজ্জামান, কি ব্যাপার সালেহার ঘরের দরজা থেকে বের হলে তুমি?
হতবুদ্ধি কাওয়ালি কোনো কথা না পেয়ে বলে উঠে আব্বাজান আপনি এত রাতে,
খমরুজ্জামান বুঝেন সবই, আপন অধিকারভুক্ত দাসীতে উপগত হওয়া কোরানসিদ্ধ, তবে বাবার উপগত হওয়া মেয়মানুষ হারাম, কাওয়ালি হারাম কাজ করেছে ভেবে শিউরে উঠে,
কিন্তু একসময়তো বাবার অধিকারভুক্ত দাসি তারও অধিকারভুক্ত হবে, তবে কে দোষি, কে হারাম কাজ করছে?
খমরুজ্জামান সাহেব চর্চিত দাড়িতে আঙ্গুল দিয়ে বিলি কেটে প্রশ্ন করেন তুমি কি কনডম ব্যাবহার করেছিলে?
কাওয়ালি তাকিয়ে থাকে, উত্তরবিহীন, মাথা উপরনীচে করে,
তাহলে সমস্যা নেই, সরাসরি স্পর্শ লাগে নি, তাই তুমি আসলে উপগত হও নি সালেহার উপর।
বলে সালেহার দরজা খুলে ঢুকে যান খমরুজ্জামান।
আসলেই কি এটা সত্য? এ প্রশ্নের সামনে দাড়িয়ে থাকে কাওয়ালি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760907 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760907 2008-01-14 19:32:46
প্রিয় পোস্ট ২


উল্লুকদের সাথে সহবাস ---ওড টু সামহোয়্যার ইন কর্তৃপক্ষ
রাসেল ( ........)



অনেক আগে পারস্পরিক আলোচনায় একটা বিষয় উঠে এসেছিলো- সামহোয়্যার ইনের কর্তাব্যক্তিদের আচরণ তথাকথিত ইসলামপ্রেমী জঙ্গীবাদের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে- তারা ইসলামপ্রেমী আচরণ করে বেশীরভাগ সময় যেসব বিতর্কের জন্ম দেয় সেসব বিতর্কের পেছনে মডারেশন নামের একটা ভুত থাকলেও সেটা সব সময়ই প্রতিক্রিয়াশীল একটা আচরণ হিসেবেই প্রতীয়মান হয়- এবং সাইটের ডেভলপার এবং মডারেটরেরা কোনো এক অজ্ঞাত কারণে ডানপন্থী এবং যদি মাত্রার কথা বলা হয় তবে সেটা উগ্র ডানপন্থী নির্বোধের আড্ডাখানা বলা যাবে-

যদিও ব্লগের কনসেপ্ট এই কল্পিত কম্যুনিটি ব্লগিংয়ের জায়গাটাতে শোভনতা কিংবা মতাদর্শিক দ্বন্দ্বের জায়গাতে এসে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে অধিকাংশ সময়ই আহত করে- যদিও ধারণাগত বিচারে ব্লগ মানুষের স্বাধীন কণ্ঠস্বরকে ধারণ করার কথা তবে যখন তথাকথিত টিকিধারী পুরোহিত আর কাঠমোল্লারা সবকিছুর তত্ত্বাবধানে থাকে তখন যেকোনো মতের গলায় ছুড়ি চালাতে এরা দ্বিধা করে না-

অমনিবাসে মুহাম্মদের যে কার্টুন ছাপা হয়েছে কিংবা প্রকাশিত হয়েছে এই কার্টুন উদ্ভব হওয়ার দায়টা সবসময়ই এইসব উল্লুক ডানপন্থী জঙ্গীবাদের সমর্থকদের ঘাড়েই পড়ে- তাদের আচরণে অন্যান্য সাধারণ মুসলিম কিংবা যারা মুসলিম পরিবারে জন্মে বাবা মায়ের কারণে নামের শেষে ইসলামী পদবী নিয়ে ঘুরে তাদের জন্য ভয়ংকর একটা বাস্তবতা নিয়ে এসেছে- এবং এইসব মোহাম্মদ আহমেদ সহ তাবত মুসলিম নামসম্বলিত মানুষদের সাম্ভাব্য জঙ্গী হিসেবে দেখবার একটা সুযোগ করে দিয়েছে তারা-

এইসব উল্লুকেরা বোমা মারে- এইসব উল্লুকেরা বিভিন্ন ওয়েব সাইটে গিয়ে ন্যাংটা মেয়ের ছবি দেখে আর দাড়িতে হাত বুলায়- যেমনটা করছে আমরা পাশের বুথের মানুষটা- তার প্রায় এক বিঘত লম্বা দাড়ি আর এডাল্ট ফ্রেন্ড ফাইন্ডারের ওয়েব সাইটের এক মুষ্ঠিরও কম কাপড় পড়া মেয়েদের উন্মুক্ত বক্ষ এবং সেই সাথে নাওজুবিল্লাহ রাস্তায় হাঁটা যায় না লোকজন এরকম অশোভন ভাবে রাস্তায় পেশাপ করে সম্বলিত বক্তব্য আমাকে কোনোভাবেই সম্মানজনক কোনো ভাবমুর্তি প্রকাশে সহায়তা করে না-
এরাই যখন আমাকে আলাপচারিতায় জানায় দেশটায় মেয়েমানুষদের চলাফেরা শালীনতার বাইরে চলে যাচ্ছে- মেয়েরা বড় বেশী প্রলোভন জানাচ্ছে - এসব মোকাবেলা করবার জন্য আসলেই ইসলামীকরণের প্রয়োজন আছে- এসব সহানুভুতিশীল বক্তব্য আমাকে যেসব শব্দ উচ্চারণে বাধ্য করে সেসব শব্দ অনায়াসেই ব্যবহার করাটা যৌক্তিক এটা আমার মতামত-

যাই হোক ইসলাম প্রেমী এইসব উল্লুক যারা মুহাম্মদের নাম শুনে হাতে তসবি জপা শুরু করে এবং একই সাথে কীবোর্ডের নীচে হাত নিয়ে হস্ত মৈথুন করে এবং এরপর বাইরে বের হয়ে হারকাতুল জিহাদের সদস্য হিসাবে একটা ডায়েরী ধরিয়ে দেয় বন্ধুর হাতে এদের নিয়ে আমাদের আসলে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা উচিত এটা নির্ণয় করা কঠিন-

আমি যদিও ধর্ম পালনকারীদের যথোপযুক্ত সম্মান করতে চাই- একজন প্রণত মানুষ সে দুর্গার মুর্তির সামনে কিংবা মেরীর মুর্তির সামনে নতজানু নাকি মসজিদের উন্মুক্ত প্রান্তরে নতজানু এটা বিচার না করেই তাকে সম্মান করতে ইচ্ছা হয়- এই ভাবালুতার জায়গা থেকে আমি যখন তাদের বাইরের সমাজে দেখি- তখন একটা সত্য জেনে বড়ই ভালো লাগে- প্রকৃত ধার্মিকদের ধর্মীয় লেবাস ধরতে হয় না- বরং আমার দেখা অধিকাংশ ধর্মভীরু ভালো মানুষেরা মাথায় টুপি দিয়ে চলে না- তারা দাড়িও রাখে না- তাদের অন্তরে ধর্ম নিয়ে ঘুরে তারা- এইসব মুমিন মুত্তাকীদের দেখি আর চিন্তা করি এরা ধর্মের কারণেই হয়তো এতটা শোভন যে অন্য ধর্মের মানুষদের আহত করে না- এরা তথাকথিত মুসলিম ভাইদের দুঃখে দুখী না বরং তারা ঘরের পাশের হিন্দু বন্ধু ভারতের কোনো দাঙ্গায় আক্রান্ত হলে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়- এরাই মুসলিম জঙ্গীরা যখন ৬৩ জেলায় বোমা ফাটায় আর আদালতের বিচারককে হত্যা করে কোনো ধর্মান্ধ উল্লুক তার প্রতিবাদ করে-

তবে এই সাইটের কর্তাব্যক্তিদের অভিমত তারা হিজবুত তাহিরীর সঙ্গ দিবে- তারা গাণিতিক যুক্তির চর্চা করে- গাণিতিক যুক্তির চর্চা করা মানুষদের সামান্য যৌক্তিকতা বোধ থাকে না এমন অদ্ভুতুড়ে অবস্থা আমি দেখি নি-

যাই হোক যখন আলোচনায় কর্তাব্যক্তিদের এই ধর্মপ্রীতির কথা আলোচিত হলো- যখন মোটামুটি টাদের মডারেশনের ছুড়ির গতিবিধি দেখে ধারণা হলো এটা ক্রমশ জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী জঙ্গীদলগুলোর অন লাইন ফোরামে পরিণত হতে যাচ্ছে- যখন এটা মোটামুটি নিশ্চিত হলো আসলে স্বাধীনতার সপক্ষ বিপক্ষ বিতর্কতে এদের অবস্থান প্রায়শই স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীদের পক্ষে তখন একটা সাধারণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিলো-

অনেক বিতর্কের পরও সামহোয়্যার ইন ছাড়া হয় নি- এর কারণ এখানের লেখালেখির পরিবেশ না- বরং অন্য একটা দায়িত্ব বোধের জায়গা ছিলো- যদি কেউ স্বাধীনতার পক্ষের কথা না লিখে তবে বিতর্কিত এবং ভ্রান্ত ইতিহাসের চর্চায় এখানের অনেক তথ্য গ্রহন করবে এই সাইটের লেখা যারা পড়বে- তাদের বিভ্রান্ত করবার সুযোগ দেওয়া রাজনৈতিক কারণে এবং সামাজিক কারণে উচিত হবে কি না এটা নিয়ে বিতর্কের পর মোটামুটি একটা নির্বাচন ধাঁচের ঘটনাও ঘটলো-

সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মূলত পিয়ালের যুক্তিকেই গ্রহন করা হয়েছিলো- তার বক্তব্য ছিলো যদি আমরা হঠাৎ করেই মাঠ ছেড়ে চলে যাই তবে এটা ধর্মান্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে আপোষকামী মানুষদের দখলে চলে যাবে- এবং এখানে তখন এইসব উগ্র ধর্মীয় রাজনীতি চর্চাকারীরা সহজেই নিজেদের উন্মাদনা ছড়াতে পারবে-

অবশ্য এখন মনে হচ্ছে আদতে আমাদের এই যৌথ সিদ্ধান্ত এই সামহোয়্যার ইন ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তটাই সঠিক সিদ্ধান্ত হতো-

এখানে নারী নির্যাতনের নামে যখন নারীত্বের অবমাননার জন্য একজনের শাস্তি হয় তখন অন্য এক ইসলামপ্রেমীর কণ্ঠ অনেক উঁচুতে উঠে যায়- অথচ একই অপরাধে অপরাধী ছিলো সেও-

যাই হোক ক্ষমতার চর্চা এবং ক্ষমতা ব্যবহারের সহনশীলতা যেখানে নেই সেই সব উল্লুকদের সাথে পাশাপাশি লেখালেখি করতে আমার স্পষ্ট আপত্তি জানাচ্ছি-

পিয়ালের ব্যন উঠিয়ে নেওয়ার কোনো দাবী আমি জানাই না- বরং আমার রুচিত বাঁধে এমন দাবী জানাতে- উল্লুকের সাথে কোনো আলোচনা বা আপোষ সম্ভব না-


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760870 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760870 2008-01-14 16:53:51
প্রিয় পোস্ট ১


খাসী বকরীদের প্রতি সর্বশেষ কথা

সাধক শঙ্কু


মুক্তিযুদ্ধ কারা করছিল? আসলে কারা ছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে? "গায়ের জোরে স্বপক্ষ শক্তি" মানে কি? রাজাকার-আল বদর-আল শামসরাই কি তাইলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা? ১৯৭১ সালের মার্চ-ডিসেম্বরে যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক-সামরিক সংগ্রামে ছিল , ১৯৭১ এর সাপেক্ষে তাগো ছাড়া আর কাউরে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি কওনের কোন চান্স অন্তত ইতিহাসের রেফারেন্স থিকা নাই। কাদের সিদ্দিকি, মায়া চৌধুরী চোর-ছ্যাচ্চর যাই হোক ১৯৭১ এর ভুমিকা অনুসারে তারা মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী মানে জামায়াতে ইসলামী,মুসলীম লীগ(কাইয়ুম),মুসলীম লীগ(কনভেনশন),নেজামে ইসলামী এই রাজনৈতিক দলগুলারে বুঝায়।
(চীনপন্থীরা দুই কুকুরের লড়াই কইছিল ঠিক। কিন্তু তার এক কুকুর যেহেতু পাকিস্থানী সেনাবাহিনি+জামাত-মুসলীম লীগের বাস্টার্ডরা সুতরাং তাগো মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী পক্ষ কওয়া যায় না। তারা কোন অবস্থান থিকা আওয়ামী নেতৃত্বের বিরোধীতা করছে সেইটা বুঝতে গেলে বকরির বেরেন ফরম্যাট করা লাগবো। সবচাইতে বড় কথা জামাতের লগে রাজনৈতিক সম্পর্ক। জামাতের লগে সিরাজ শিকদার-হক-তোয়াহাদের সম্পর্ক রক্তারক্তির।এই জন্যই ১৯৯২ সালে ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির লগে সর্বহারা-পূর্ববাংলারা সক্রিয় ছিল। )
মুক্তিযুদ্ধ ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা থিকাই হইছে। ধর্মনিরেপেক্ষ চেতনা মানতে না পারলে থাকো মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী গো লগে ! অসুবিধা কি? আইনত তো সেইটা নিষিদ্ধ না! তারা ১৯৭২ থিকা ১৯৭৫ হারাম ছিল। রাজনীতির অধিকার পাইছে মেলেটারিগো কাছে। মেলেটারিরা বন্দুক দিয়া সংবিধান বদলাইছে, যেইটা আবার সুপ্রীম কোর্টে টিকে নাই। এরপর মেলেটারি আইতাছে ঘুইরা ঘুইরা। তারাই তোমার শ্রদ্ধেয় বুজুর্গ সাঈদী-নিজামীগো টিকাইয়া রাখছে। সেই দিক থিকা আইনের দোহাই দিয়া তুমি অস্তিত্বের বৈধতা দাবী করতেই পারো। কিন্তু পাবলিকের গালি থিকা মুক্তি পাওনের আশা করতে পারো না। পাবলিক আম্লীগ,বিএম্পিরে গাইল দেয়,আরো দিবো কিন্তু তাতে তোমাগো জন্য বরাদ্দ করা গালির স্টকে শর্ট পড়বো না।

আবার স্মরণ করি অমি রহমান পিয়ালের মহাবাক্য :
"থাকলে এমনেই থাকতো হইবো নাইলে ফুট"

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760750 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760750 2008-01-14 05:31:11
সবাই লগ আউট থাকুন, কর্তৃপক্ষের ইচ্ছানুযায়ী ব্লগ থাকুক রাজাকারদের দখলে http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760747 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760747 2008-01-14 04:28:11 শত উস্কানীর মুখে চুপচাপ থাকুন, মৌন প্রতিবাদ অব্যাহত রাখুন ব্লগে কলম/ কীবোর্ড বিরতি চলছে।
লগ আউট থাকুন এবং কোনো কমেন্ট কিংবা পোস্ট নয়।
রাজকাররা বাংলাদেশ ও স্বাধীনতা বিরোধী পোস্ট দেয়ায় প্রতিবাদী ফ্লাডিংয়ের কারণে ব্যান হওয়া ব্লগারদের আনব্যানের দাবিতে এই কলম/ কীবোর্ড বিরতি চলছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760450 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760450 2008-01-13 00:46:20
ব্লগের রাজকারদের চিনুন এবং এড়িয়ে চলুন। সকল উস্কানীর মুখে শান্ত থাকুন। শত উস্কানীর মুখে চুপচাপ থাকুন। ধৈর্য্য হারাবেন না।

আর ব্লগের রাজাকারদের চিনুন। তাদের চিনার উপায় হলোঃ-

১) এরা ধর্মের কথা বলে কিন্তু নিজেরা ধর্ম মানে না।
যেমন গীবত করা মুসলমানদের জন্যে নিষিদ্ধ - কিন্তু এরা সমানে গীবত করে - উদাহরন:

সাম্প্রতিক এক রাজাকার ব্লগার লিখেছে - আইরিন খান ( সন্মানিত মহাসচিব এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল) টাকার বিনিময়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বলেছেন। ( নাউযুবিল্লাহ মিন জালেক)

তাকে সমর্থন করে আরেক জন বলেছে - উনি ইহুদীদের টাকায় জীবনযাপন করে।

আরেক রাজাকার বলেছে - ব্লগে মুক্তিযুদ্ধের নামে মিথ্যাচার হয়।

উপরের কেউই এই বিষয়ে কোন প্রমান বা সূত্র দেখাতে পারেনি।

এই গীবতকারী ইসলামের মুখোশ পড়া ব্লগাররা হলো প্রকৃতপক্ষে রাজাকার। এরা জামাত/শিবিরের স্বার্থে গীবত করে।

এদের চিনুন এবং আপাতত এড়িয়ে চলুন।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760042 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28760042 2008-01-11 15:32:54
সবাই লগ আউট থাকুন । কর্তৃপক্ষের ইচ্ছানুযায়ী ব্লগ থাকুক রাজাকারদের দখলে। http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28759910 http://www.somewhereinblog.net/blog/suorblog/28759910 2008-01-11 00:59:05