ক্যাচালের আল-কোরান বিষয়ে সাতটি প্রশ্ন

৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০

শেয়ার করুন:                   Facebook

প্রশ্ন-১/ মানুষ কি হতে তৈরী?
(ক) সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে।৯৬-২
(খ) আমি মানবকে পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুস্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছি। ১৫-২৬
(গ) নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত হচ্ছে আদমেরই মতো। তাকে মাটি দিয়ে তৈরী করেছিলেন এবং তারপর তাকে বলেছিলেন হয়ে যাও, সঙ্গে সঙ্গে হয়ে গেলেন। ৩-৫৯
(ঘ) তারা কি আপনা-আপনিই সৃজিত হয়ে গেছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা? ৫২-৩৫
(ঙ) তিনি মানবকে এক ফোটা বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছেন। এতদসত্বেও সে প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী হয়ে গেছে। ১৬-৪

প্রশ্ন-২/ আল-কোরান জবরদস্তিতা সমর্থন করে কি না?
(ক) দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই। নিঃসন্দেহে হেদায়াত গোমরাহী থেকে পৃথক হয়ে গেছে। এখন যারা গোমরাহকারী ‘তাগুত’দেরকে মানবে না এবং আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে, সে ধারণ করে নিয়েছে সুদৃঢ় হাতল যা ভাংবার নয়। আর আল্লাহ সবই শুনেন এবং জানেন। ২-২৫৬
(খ) আর মহান হজ্বের দিনে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে লোকদের প্রতি ঘোষণা করে দেয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ মুশরেকদের থেকে দায়িত্ব মুক্ত এবং তাঁর রসূলও। অবশ্য যদি তোমরা তওবা কর, তবে তা, তোমাদের জন্যেও কল্যাণকর, আর যদি মুখ ফেরাও, তবে জেনে রেখো, আল্লাহকে তোমরা পরাভূত করতে পারবে না। আর কাফেরদেরকে মর্মান্তিক শাস্তির সুসংবাদ দাও। ৯-৩
(গ) অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ৯-৫
(ঘ) তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে। ৯-২৯

প্রশ্ন-৩/প্রথম মুসলমান হিসেবে কাকে বিবেচনা করা হয়?
(ক) আরও আদিষ্ট হয়েছি, সর্ব প্রথম নির্দেশ পালনকারী হওয়ার জন্যে। ৩৯-১২
(খ) তারপর মূসা যখন আমার প্রতিশ্রুত সময় অনুযায়ী এসে হাযির হলেন এবং তাঁর সাথে তার পরওয়ারদেগার কথা বললেন, তখন তিনি বললেন, হে আমার প্রভু, তোমার দীদার আমাকে দাও, যেন আমি তোমাকে দেখতে পাই। তিনি বললেন, তুমি আমাকে কস্মিনকালেও দেখতে পাবে না, তবে তুমি পাহাড়ের দিকে দেখতে থাক, সেটি যদি স্বস্থানে দঁড়িয়ে থাকে তবে তুমিও আমাকে দেখতে পাবে। তারপর যখন তার পরওয়ারদগার পাহাড়ের উপর আপন জ্যোতির বিকিরণ ঘটালেন, সেটিকে বিধ্বস্ত করে দিলেন এবং মূসা অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলেন। অতঃপর যখন তাঁর জ্ঞান ফিরে এল; বললেন, হে প্রভু! তোমার সত্তা পবিত্র, তোমার দরবারে আমি তওবা করছি এবং আমিই সর্বপ্রথম বিশ্বাস স্থাপন করছি। ৭-১৪৩
(গ) এরই ওছিয়ত করেছে ইব্রাহীম তার সন্তানদের এবং ইয়াকুবও যে, হে আমার সন্তানগণ, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য এ ধর্মকে মনোনীত করেছেন। কাজেই তোমরা মুসলমান না হয়ে কখনও মৃত্যুবরণ করো না।২-১৩২

প্রশ্ন-৪/যারা মিছে দেবতা পূজা করে তারা কি শাস্তি পাবে?
(ক) নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল।৪-৪৮ এবং
নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তাঁর সাথে কাউকে শরীক করে। এছাড়া যাকে ইচ্ছা, ক্ষমা করেন। যে আল্লাহর সাথে শরীক করে সে সুদূর ভ্রান্তিতে পতিত হয়।

(খ) আপনার নিকট আহলে-কিতাবরা আবেদন জানায় যে, আপনি তাদের উপর আসমান থেকে লিখিত কিতাব অবতীর্ণ করিয়ে নিয়ে আসুন। বস্তুতঃ এরা মূসার কাছে এর চেয়েও বড় জিনিস চেয়েছে। বলেছে, একেবারে সামনাসামনিভাবে আমাদের আল্লাহকে দেখিয়ে দাও। অতএব, তাদের উপর বজ্রপাত হয়েছে তাদের পাপের দরুন; অতঃপর তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ-নিদর্শন প্রকাশিত হবার পরেও তারা গো-বৎসকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিল; ত তা ও আমি ক্ষমা করে দিয়েছিলাম এবং আমি মূসাকে প্রকৃষ্ট প্রভাব দান করেছিলাম। ৪-১৫৩

প্রশ্ন-৫/আল্লাহর নির্দেশ কি পরিবর্তন/পরিবর্ধন হয়?
(ক) আপনার পূর্ববর্তী অনেক পয়গম্বরকে মিথ্যা বলা হয়েছে। তাঁরা এতে ছবর করেছেন। তাদের কাছে আমার সাহায্য পৌঁছে পর্যন্ত তারা নির্যাতিত হয়েছেন। আল্লাহর বানী কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। আপনার কাছে পয়গম্বরদের কিছু কাহিনী পৌঁছেছে। ৬-৩৪
(খ) আপনার প্রতিপালকের বাক্য পূর্ণ সত্য ও সুষম। তাঁর বাক্যের কোন পরিবর্তনকারী নেই। তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী। ৬-১১৫
(গ)আমি কোন আয়াত রহিত করলে অথবা বিস্মৃত করিয়ে দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তার সমপর্যায়ের আয়াত আনয়ন করি। তুমি কি জান না যে, আল্লাহ সব কিছুর উপর শক্তিমান? ২-১০৬
(ঘ)এবং যখন আমি এক আয়াতের স্থলে অন্য আয়াত উপস্থিত করি এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেন তিনিই সে সম্পর্কে ভাল জানেন; তখন তারা বলেঃ আপনি তো মনগড়া উক্তি করেন; বরং তাদের অধিকাংশ লোকই জানে না।১৬-১০১

প্রশ্ন-৬/ ফেরাউনকে কি আসলেই ডুবিয়ে মারা হয়েছিলো?
(ক) আর বনী-ইসরাঈলকে আমি পার করে দিয়েছি নদী। তারপর তাদের পশ্চাদ্ধাবন করেছে ফেরাউন ও তার সেনাবাহিনী, দুরাচার ও বাড়াবাড়ির উদ্দেশে। এমনকি যখন তারা ডুবতে আরম্ভ করল, তখন বলল, এবার বিশ্বাস করে নিচ্ছি যে, কোন মা’বুদ নেই তাঁকে ছাড়া যাঁর উপর ঈমান এনেছে বনী-ইসরাঈলরা। বস্তুতঃ আমিও তাঁরই অনুগতদের অন্তর্ভুক্ত। ১০-৯০
এখন একথা বলছ! অথচ তুমি ইতিপূর্বে না-ফরমানী করছিলে। এবং পথভ্রষ্টদেরই অন্তর্ভুক্ত ছিলে। ১০-৯১
অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে যাতে তোমার পশ্চাদবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পারে। আর নিঃসন্দেহে বহু লোক আমার মহাশক্তির প্রতি লক্ষ্য করে না। ১০-৯২

(খ) তিনি বললেনঃ তুমি জান যে, আসমান ও যমীনের পালনকর্তাই এসব নিদর্শনাবলী প্রত্যক্ষ প্রমাণস্বরূপ নাযিল করেছেন। হে ফেরাউন, আমার ধারণায় তুমি ধ্বংস হতে চলেছো। ১৭-১০২
অতঃপর সে বনী ইসরাঈলকে দেশ থেকে উৎখাত করতে চাইল, তখন আমি তাকে ও তার সঙ্গীদের সবাইকে নিমজ্জত করে দিলাম। ১৭-১০৩

প্রশ্ন-৭/মদ খাওয়া কি খারাপ? তাইলে বেহেস্তে মদের নদী কেন?
(ক) হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক-যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও। ৫-৯০
(খ) পরহেযগারদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের নহর যারা স্বাদ অপরিবর্তনীয়, পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। তথায় তাদের জন্যে আছে রকমারি ফল-মূল ও তাদের পালনকর্তার ক্ষমা। পরহেযগাররা কি তাদের সমান, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে?৪৭-১৫
(গ) তাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় পান করানো হবে। ৮৩-২৫

 

 

  • ২৬ টি মন্তব্য
  • ৪৬৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ১৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৭
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: আপ্নেরে জাঝা দিতে দিতে তো আমি হাপসায়ে যাবো।
এইসব প্রশ্ন করা কি ঠিক?;)
৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩০

লেখক বলেছেন: আমার কি দুষ? আমার জানার ইচ্ছে। আল্লাহ তো নিজে বলেছেন জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন যাইতে। আম্রেরিকা যাইতে কইলে সেইখানেই যাইতাম।

২. ৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: এই গুলান তো আমারও জানার ইচ্ছা।উত্তর দেওনের মত কাউরেই তো পাইনা।:(
৩. ৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮
comment by: ঘনাদা বলেছেন: আম্রেরিকা যাইতে কইলে সেইখানেই যাইতাম।....

মুহম্মদ কি আর তখন আম্রিকার কথা জানতো!

তার জ্ঞানের সীমা ঐ আমলে চীন পর্যন্তই।
৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: জানার কথা না :(

৪. ৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯
comment by: বাষ্প বলেছেন: জটিল অবস্থা।
৫. ৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০
comment by: অিনেকত বলেছেন: দিলেন তো ক্যাচাল লাগাইয়া ।
৬. ৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪
comment by: ঘনাদা বলেছেন: প্রিয় পোস্ট!
৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: এগুলো আগে ও লিখেছি। এবার জাস্ট সামারী আর কি!

৭. ৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬
comment by: সেকেতুরে বলেছেন: আমাদের অল্প জ্ঞান নিয়ে এইসব প্রশ্নের উত্তর বের করা সম্ভব নয়। কোরআনের বিশ্লেষন করা আমাদের মতো সাধারন মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। একজন ভালো আলেমের কাছ হতে আপনি জেনে নিতে পারেন।
৮. ৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০১
comment by: দুষ্টু রোমান্টিক বলেছেন: আমার জানা মতে কোন আলেম এই ব্লগ ব্যবহার করে না.. আপনার উত্তরগুলা কোন ভালো আলেম থেকে নিজেও জানুন অপরকেও জানান..
৯. ৩১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১
comment by: একবাল হুসেন বলেছেন: একটা একটা কর বলি,

১. কাঁদামাটি,জমাট রক্ত, বীর্য্য সবই আদতে এক জিনিস। এই কথা গ্রহণ করত আপনার বাঁধবে কারণ আপনার বিজ্ঞান আপনাকে বস্তুর প্রকরণ করতে শিখিয়েছে। সকল বস্তুই যে গোড়াতে অভিন্ন, আপনার উল্লেখ করা তিনটি আয়াত থেকে আল্লাহ্ র সেরকম ইঙ্গীতই দেখা যায়।

২. আমি প্রথম আয়াতকেই ইসলামের দার্শনিক স্ট্যান্ড বলে দেখি। বাকি যেগুলি বললেন সেগুলি সবই বিভিন্ন যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা। এসব পাশাপাশি রেখে কন্ট্রাডিকশান দেখিয়ে আসলে কোন লাভ নেই।

৩. এটা জানা কি খুব জরুরি?

৪. এ থেকে আমি যা বুঝি তাহলো সর্বশক্তিমান তাঁর সৃষ্টির যেকোন অপরাধই ক্ষমা করতে পারেন। তিনি মহান।

৫. আয়াতের মালিক আল্লাহ নিজে। এখানে আমাদের খোদ্গারীর কিছু নেই।

৬. এটা কি কোন জরুরি ইতিহাস?

৭. দেখুন এই শারাব মানে মদ না। ওয়াইন থেকে অ্যালকোহল সরিয়ে নিলে কি থাকে? আঙুরের রস। এখানে শারাব মানে সুস্বাদু শরবৎ।
৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনার চেষ্টার প্রশংসা করি। কিন্তু এই উত্তর গুলো কোরান এ বিশ্বাসিদের মনে কষ্ট ছাড়া আর কিছুই দিবে না যদি বিস্তারিত আলোচনায় যাই।

১০. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:২৬
comment by: জেনারেল বলেছেন: জনাব একবাল হুসেন, আপনি বলেছেন কাঁদামাটি,জমাট রক্ত, বীর্য্য সবই আদতে এক জিনিস"। তাহলে আজকে থেকে ভাত না খাইয়া বালি খাওয়া শুরু করেন। কারন সবই তো একই জিনিষ নাকি??







ক্যাচাল কে এইসব গোল বাধানো প্রশ্ন করার জন্য ১০১ দোররা মারা হউক।
১১. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:২৯
comment by: একবাল হুসেন বলেছেন: জেনারেল সাহেব, আমি যা বলেছি সেটা দার্শনিক গভীরতা নিয়ে ভাবুন।
১২. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৩২
comment by: ঘনাদা বলেছেন: হায় হায়, কে আছো, আমাকে বাঁচাও.....









(আমি তো দার্শনিক গভীরতায় ডুবে যাচ্ছি...)













(বাঁচাও....!!) ;)
১৩. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৩৬
comment by: একবাল হুসেন বলেছেন: এই তুচ্ছ রসিকতাগুলি আপনাদের জীবনবোধকে হালকা করে ফেলছে।
০১ লা জুন, ২০০৮ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: হ

১৪. ০১ লা জুন, ২০০৮ রাত ২:৪০
comment by: র‌্যাভেন বলেছেন:
উত্তর জানতে চাই
১৫. ০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৩৬
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: বৃত্তবন্দী বলেছেন: আপ্নেরে জাঝা দিতে দিতে তো আমি হাপসায়ে যাবো।
এইসব প্রশ্ন করা কি ঠিক?;)
১৬. ০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৫৮
comment by: সুশীল সমাজ বলেছেন: কোন সুস্পস্ট জবাব পাওয়া গেলো না ।
১৭. ১১ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০০
comment by: মাহবুব মাসুম বলেছেন: প্রায় এক বছর এই ব্লগে লিখি নি। কারণ এতে ধর্ম বিষয়ে মুক্তচিন্তার বদলে মৌলবাদী মানসিকতার ব্লগারদের প্রিভিলেজ ছিল। হয়ত এখনো আছে। তাই ক্যাচালের ভবিষ্যত নিয়ে আমি চিন্তিত। আমি একটা শুরু করেছিলাম ধর্মচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা শিরোনামে। ছয় পর্ব লিখে স্থগিত করেছিলাম। সেখানেও এরকম কিছু প্রশ্ন ছিল।

একবাল হুসেন ৩ ও ৬ নং প্রশ্নকে জরুরী মনে না করলেও এগুলো জরুরী তো অবশ্যই জটিলও বটে। কারণ প্লাবন ও সমুদ্র পুরাণ সেমেটিক ফিনিশীয় মিশরীয় সব পুরাণেই দেখা যায় - ভিন্ন চরিত্র, ভিন্ন আঙ্গিকে।ধর্মগ্রন্থগুলো সেসব পুরাণ আত্মসাৎ করে নিজেদের বলে চালিয়ে দিয়েছে আর তাতে দান করেছে ঐশ্বরিকতা বা দেবত্ব। তাছাড়া ঈশ্বরের কাছ থেকে প্রত্যাদিষ্ট হয়ে বা বাণীপ্রাপ্ত হয়ে অনুশাসন চাপিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকে তা মানতে বাধ্য করার মাধ্যমে রাজ্যশাসন করার দারুন কার্যকারিতা থাকায় মুসার ten commandments, হাম্বুরাবির আইন সংহিতা, বাইবেলের বানী ( four gospels), হিন্দু ধর্মের গীতা সবই ঈশ্বরের বাণী হিসেবে মানুষকে পালন করতে বাধ্য করার নামান্তর।

তাছাড়া একবাল হুসেন আরো লিখেছেন - "আমি প্রথম আয়াতকেই ইসলামের দার্শনিক স্ট্যান্ড বলে দেখি। বাকি যেগুলি বললেন সেগুলি সবই বিভিন্ন যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা। এসব পাশাপাশি রেখে কন্ট্রাডিকশান দেখিয়ে আসলে কোন লাভ নেই।"

কী সাংঘাতিক !!! তাহলে কুরআনের বাকি আয়াতগুলো আপনার কাছে হয় অর্থহীন, না হয় আপনি সেগুলো মানেন না। কূপমণ্ডুক মোল্লারাতো আয়াতের বাইরে যেতেই পারেনা। অবশ্য আমাদের দেশের তাবড় তাবড় আলেমরাই কদিন আগে সম্মিলিতভাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন - ' ইসলাম নারী স্বাধীনতা সমর্থন করে না। ইত্যাদি। অথচ তারাই কিছুদিন আগ পর্যন্ত টিভির পর্দায় ইসলাম নারীর অধিকারের প্রশ্নে কত উদার ও আধুনিক (?) তা ব্যাখ্যা করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলতেন। এই আলেমরা কোরানকে সুবিধামত ব্যাখ্যা করার ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন ১৪০০ বছর ধরে। বাইবেলকে যেমন চার পুরোহিত আপন মনের মাধুরি মিশিয়ে কলুষিত করেছিলো ।

আপনি যেগুলোকে যুদ্ধপরিস্থিতির কথা বলছেন সেগুলো ব্যবহার করেই চারদিকে জিহাদ আর কিতালের বৈধতা দেয়া হচ্ছে। আর তা দিচ্ছেন বড় বড় আলেম। যেমন করে ক্রুসেডের বৈধতা দিতেন পোপ।
১৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০
comment by: স্বাধীন_০৮ বলেছেন: উপরের প্রতিটি প্রশ্নেত উত্তর ডাঃ জাকির নায়েক দিয়েছে।
ওনার সিডি গুলো কাটাবন মসজিদের কাছে আডিও ভিডিওর দোকানে পাওয়া যায়। দেখে নিন।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনি বলেন জানা থাকলে , জাকাইরা এর সিডি দেখাইয়া কি লাভ?

১৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০
comment by: স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @ঘনাদা(ছাগলামির একটা সীমা থাকে যেইটা আপনার মত 'ব্যা'দের নাই।ছাগলের আব্বা!!)

হা হা এতকাল জানতাম পাগলেই উল্টা পাল্টা বলে আজ দেখি
ঘনাদারাও বলে।

আরে মিয়া 'ছা+গো+ল' আরব দেশ থেকে চীন আনেক দূরে,আর ঐ সময় চীন শিক্ষা ক্ষেত্রে অনেক উন্নত ছিল,তাই চীনের কথা বলা হইছে।

আর ছাগলামি কিইরেন না।পরে আপনার পোলারা 'বাপ' না ডাইকা "ব্যা...ব্যা...প" ডাকব।
কিছু পড়ালেখা করছেন,নাকি কাঠাল পাতা খাওইয়া বড় করছে।
কিছু জেনে তারপর লিখবেন।

বিদায়। (ছাগল ভালা থাইক্ক)
২০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৮
comment by: স্বাধীন_০৮ বলেছেন: আরে ভাই

যেই খানে রেডিমেট উত্তর দেওয়া আছে সেইখানে আমি কেন দিব
আর ওনি আমার থেকে ভাল করে উত্তর দিয়েছেন।
আবশ্য আপনার যদি জানার ইচ্ছা থাকে তাহলে কিনেন আর নিইলে এই রকম " আবাল "লেখা লিখে যান।

আর হা নামটা জাকিরা না জাকির।আপনার মত লোকেদের জান্য মহা ঔষধ।।
**আমি একটা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি।সম্পূর্ণ লেখার উত্তর দিতে চেস্টা করব।একটু দেরি হবে এই যা****

 



 


বিঃ দ্রঃ আমি 'ক্যাচাল' নামে ব্লগিং শুরু করেছিলাম , কিন্তু ব্যান খাইছি, তাই আমি আজ 'সুশীল সমাজ' হইছি .................................।


কবি নজরুল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২৩৯৪৫