একটি কপি-পেস্ট রুপকথা
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০
জীন আল্লাহ তাহালার এক প্রকার শরীরী, আত্মাধারী ও মানুষের ন্যায় জ্ঞান এবং চেতনাশীল জীব। তারা মানুষের দ্রিষ্টিগোচর নয়। এ কারনেই তাদেরকে জীন বলা হয়। জীন এর শাব্দিক অর্থ গুপ্ত। মানব স্রিষ্টির প্রধান উপকরন যেমন ম্রিত্তিকা, তেমনি জীন তৈরীর প্রধান উপকরন অগ্নী। এই জীন জাতি মধ্যেও মানুষের ন্যায় নর ও নারী আছে এবং সন্তান প্রজননের ধারা বিদ্যমান আছে। কোরান পাকে যাদেরকে শয়তান হিসেবে বলা হয়েছে সেগুলা আসলে দুষ্ট শ্রেনীর জীন। জ়ীন ও ফেরেস্তাদের অস্তিত্ব কোরান ও সুন্নাহর অকাঠ্য প্রমান দ্বারা প্রমানিত।এটা অস্বিকার করা কুফর।
সুরাঃ৭২-১
বলুনঃ আমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি;
Say (O Muhammad SAW): ”It has been revealed to me that a group (from three to ten in number) of jinns listened (to this Qur’ân). They said: ’Verily! We have heard a wonderful Recital (this Qur’ân)!
এখানে বর্নিত আছে যে , আয়াতে আলোচিত জীনদের সংখ্যা নয় ছিলো, তারা নছীবাইয়ের বাসিন্দা। আরো বলা আছে যে, নবীজী জীনদেরকে স্বচোখে দেখেননি। আল্লাহ তাহালা অহী’র মাধ্যমে তাঁকে অবহিত করেছেন।
সুরা জীন অবতরনের ঘটনাঃ সহীহ , বুখারী, মুস্লিম, তিরমিযী ইত্যাদি কিতাবে হযরত ইবনে আব্বাস বর্ননা করেন, এই ঘটনায় নবীজী জীনদেরকে ইচ্ছেক্রিত ভাবে কোরান শুনাননি এবং তিনি তাদেরকে দেখেন ও নি। এই ঘটনা তখনকার, যখন শয়তানদেরকে আকাশের খবর শোনা থেকে উল্কাফিন্ডের মাধ্যমে প্রতিহত করা হতো। এই সময় জীনরা পরস্পর পরামর্শ করলো যে, আকাশের খবরাদি শোনার ব্যাপারে বাধাদানের ব্যাপারটি কোন আকস্মিক ঘটনা মনে হয় না। দুনিয়াতে অবশ্যই কোন নতুন ব্যাপার সংঘটিত হয়েছে।তারপর তারা সিদ্ধান্ত নিলো যে, দুনিয়ার সব প্রান্তে তাদের প্রতিনিধি দল প্রেরন করতে হবে। যথাযথ খোজাখোজি করে এই নতুন ব্যাপারটি কি তা তারা জেনে আসবে।হেজাবে প্রেরিত তাদের প্রতিনিধি দল যখন “নাখাল” স্থানে উপস্থিত হলো, তখন নবীজী সাহাবীগনকে সাথে নিয়ে ফজরের নামাজ পড়ছিলেন।
জীনদের এই প্রতিনিধিদল নামাযে কোরান পাঠ শুনে পরস্পরে শপথ করে বলতে লাগলোঃ এই কালামই আমাদের ও আকাশের খবরাদির মধ্যে অন্তরায় হয়েছে। তারা সেখান থেকে ফিরে স্বজাতির কাছে সব ঘটনা খুলে বললোঃ আল্লাহ তাহালা এই আয়াতে সমস্ত ঘটনা সম্পর্কে তার রাসুলকে অবহিত করেছেন।
হযরত আবু তালের ইন্তেকালের পর আল্লাহর রাসুল তায়েফবাসিদের নিকট দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারা নবীজীর কথা শুনার পরিবর্তে তাকে নির্মম ভাবে অত্যাচার করেছিলো ফলে নিরাশ হয়ে নবীজ়ী মক্কা’র দিকে রওয়ানা হয়ে গেলেন।ফেরার পথে তিনি নাখলা নামক স্থানে অবস্থান করে শেষ রাতে তাহাজ্জুদের নামায শুরু করেন। ইয়ামনের নছিবাইন শহরের জীন দের এক প্রতিনিধি দল ও তখন সেখানে অবস্থানরত ছিলো। তারা কোরান পাঠ শুনলো এবং শুনে বিশ্বাস স্থাপন করলো। অতপর তারা স্বজাতির কাছে ফিরে গিয়ে ঘটনা বর্ননা করলো।
এই হলো মোটামোটি সুরা আল-জ়ীন নাজিলের কাহীনী।
[ ইহা কপি-পেস্ট পোস্ট নয়, নিজ হাতে টাইপ করা, পরবর্তিতে জীন দের কে নিয়ে আরো আলোচনা হবে, ইহা একটি ট্রায়াল পোস্ট]
কপি-পেস্ট ফ্রমঃ http://amarblog.com/history/5177#comment-40183
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
হুমম
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
এইটা পড়েন, সুরুজ আলী - লুকিং ফর “পটল” ইন দা শেক্সপীয়ার।
আপনার সমগোত্রিয় একজন একটা মাইনাস দিয়া আসছে , আর সবাই প্লাস দিছে, যান আপনেও একটা মাইনাস দিয়া আসেন। মাইনাস দিলেই বুঝবো, অন্তঃর্নিহীত তাৎপর্যটা ধরতে পেরেছেন ।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, দিয়ে আসছি জনাব। না পড়েই।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
ঠিক আছে, মাইনাস পাইছি .........
লেখক বলেছেন: ![]()
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
ঠিক আছে, দিয়ে আসছি জনাব। না পড়েই। ------ আয় !! হায় !! আপনেতো মিঞা ভন্ড নাস্তিক !!! ...... আমিতো জানতাম, নাস্তিকরা খুবই রিজনেবল হয় .... প্রমান ছাড়া কিচ্ছু বিশ্বাস করেনা, কোন কাজ করে না !! আর আপনে না পইড়াই মাইনাস দিয়া আইলেন !!!
বু্ঝেছি, আজকাল নাস্তিকদের মধ্যেও ভেজাল ঢুইকা গেছে ..........
মাইন্ড কইরেন না ....... একটু ফান করলাম, আপনার আদর্শকে অবশ্যই সম্মান করি .......
লেখক বলেছেন: আপনার অনুরোধ তো ফেলতে পারি না। আপনি যদি বলতেন পড়ার জন্য তাইলে পড়েই কমেন্ট করতাম। তা তো বলেন নাই।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
"২. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৩ শান্তির দেবদূত বলেছেন: এইটা পড়েন,
সুরুজ আলী - লুকিং ফর “পটল” ইন দা শেক্সপীয়ার।
আপনার সমগোত্রিয় একজন একটা মাইনাস দিয়া আসছে , আর সবাই প্লাস দিছে, যান আপনেও একটা মাইনাস দিয়া আসেন। মাইনাস দিলেই বুঝবো, অন্তঃর্নিহীত তাৎপর্যটা ধরতে পেরেছেন । " ----------
রাব্বি বলেছেন:
আপনে কি জ্বীনব্লগার ?
লেখক বলেছেন: ![]()


















