খান জাহান আলীর মাজারে নাকি কুমিড় পোষে?
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:১১
একটা আজীব নিউজ দেখলাম। এক ছেলে খান জাহান আলীর মাজারে কুমিড় কে স্যালুট করতে গিয়ে কুমিড়ের পেঠেই চলে গেছে।
ঐ মাজারে নাকি পাঁচটা কুমিড় আছে। সহজ সরল মানুষ গুলা নাকি কুমিড়ের দোয়ার জন্য ঐ মাজারে যায়।
দেশের সহজ সরল মানুষ গুলা রে যে এইভাবে ঠকানো হচ্ছে তা কি আমাদের দেশের রথী মহারথী গুলা দেখে না?
নাকি এগুলা ও অন্ধ হয়ে গেছে?
১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:১৬
মইন বলেছেন:
"দেশের রথী মহারথী গুলা" ওমা, হেরা তো হেগো অন্য বংশের ভাই বেরাদার। ফেমেলির লোক লইয়া কথা কই বো নাহি?
২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২২
ত্রিভুজ বলেছেন:
একমত... এই বিষয়টা অনেকটা পুঁজার মত হয়ে যায়.. এইসব বন্ধ করার জন্য সবার আগে ইসলামিক সংগঠনগুলোর এগিয়ে আসা উচিত.. কিন্তু দু:খজনক বিষয় হচ্ছে এগুলো নিয়ে কেউ কথা বলে না... কেন সেটাই রহস্য...
ত্রিভুজ বলেছেন:
একমত... এই বিষয়টা অনেকটা পুঁজার মত হয়ে যায়.. এইসব বন্ধ করার জন্য সবার আগে ইসলামিক সংগঠনগুলোর এগিয়ে আসা উচিত.. কিন্তু দু:খজনক বিষয় হচ্ছে এগুলো নিয়ে কেউ কথা বলে না... কেন সেটাই রহস্য...
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৪
লেখক বলেছেন: এগুলা তো ঝুকিবহুল পূজা। বন্ধ করার জন্য কিছু করা যায় না?
৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৬
ত্রিভুজ বলেছেন:
ব্লগে ইসলামিক সংগঠনের যারা আছে তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে হবে.. তেমন কেউ থাকলে আওয়াজ দিন.. শাহাজালাল মাজারের বেশ কিছু ভন্ডামী দেখে এসে বিষয়টা নিলে লিখেছিলাম.. কেউ কোন উত্তর দেয়নি...
ত্রিভুজ বলেছেন:
ব্লগে ইসলামিক সংগঠনের যারা আছে তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে হবে.. তেমন কেউ থাকলে আওয়াজ দিন.. শাহাজালাল মাজারের বেশ কিছু ভন্ডামী দেখে এসে বিষয়টা নিলে লিখেছিলাম.. কেউ কোন উত্তর দেয়নি...
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৯
লেখক বলেছেন: কুমিরের নিউজ টা পড়ে আসলেই ইচ্ছে হয় কিছু করা দরকার। আবার কেউ না কেউ তো অবশ্যই কুমিড়ের পেঠে যাবে।
বাগের হাটে মনে হয় এই মাজার, দেইখেন তো খুজ নিয়ে আসল ঘটনা কি? কেন কুমিড় পোষে এই মাজারে।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩১
লেখক বলেছেন: শুধু ইস্লামিক কেন? বিবেকবান যে কেউ এই কাজে থাকা উচিত।
৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫১
কুম্ভকর্ণ বলেছেন:
এখানে আসলে সমস্যাটা অনেকমুখী।
প্রথমত, মাজার সংস্কৃতিকে সাধারণত দেশে প্রচুর সংখ্যক লোক ইসলাম মনে করে পৃষ্ঠপোষকতা করে। মাজারে যে কি পরিমাণ অবৈধ কাজ হয় কল্পনা করা যায়না। একেকটা মাজার মদ-জুয়া আর হেরোইনের কারখানা। কিন্তু এসবের বিরুদ্ধে কিছু বললে ওয়াহাবী, দেওবন্দী, ইসলাম-বিরোধী বলে, তাই কিছু বলা যায়না।
২য়ত, প্রচুর মাজারে মহিলাদেরকে বিশেষ কিছু খাওয়াইয়ে তাদেরকে অচেতন করে যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে সন্তান উৎপাদন করানো হয়। যাদের অনেকদিন সন্তান হয়না তারা এসবে পড়ে। প্রচুর সংখ্যক পীররাও একাজ করে থাকে। সাইদাবাদীর কথা মনে পড়তেছে। এটাকে আল্লাহ-খোদার কাছ থেকে বিশেষ রহমত মনে করে প্রচুর লোক এদের ভক্ত থাকে, অনেকে খুবই পাওয়ারফুল। তাই কিছু করা যায়না।
৩য়ত, প্রচুর সরকারি আমলা আর ব্যবসায়ী মাজারের ভক্ত। এরা শক্তিশালী হওয়াতে কিছু বলা যায়না।
৪র্থত, সরকার ট্যাক্স পাই। এমপিরা মাজার-ভক্তদের ভোট হারাতে চায়না।
কুম্ভকর্ণ বলেছেন:
এখানে আসলে সমস্যাটা অনেকমুখী।প্রথমত, মাজার সংস্কৃতিকে সাধারণত দেশে প্রচুর সংখ্যক লোক ইসলাম মনে করে পৃষ্ঠপোষকতা করে। মাজারে যে কি পরিমাণ অবৈধ কাজ হয় কল্পনা করা যায়না। একেকটা মাজার মদ-জুয়া আর হেরোইনের কারখানা। কিন্তু এসবের বিরুদ্ধে কিছু বললে ওয়াহাবী, দেওবন্দী, ইসলাম-বিরোধী বলে, তাই কিছু বলা যায়না।
২য়ত, প্রচুর মাজারে মহিলাদেরকে বিশেষ কিছু খাওয়াইয়ে তাদেরকে অচেতন করে যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে সন্তান উৎপাদন করানো হয়। যাদের অনেকদিন সন্তান হয়না তারা এসবে পড়ে। প্রচুর সংখ্যক পীররাও একাজ করে থাকে। সাইদাবাদীর কথা মনে পড়তেছে। এটাকে আল্লাহ-খোদার কাছ থেকে বিশেষ রহমত মনে করে প্রচুর লোক এদের ভক্ত থাকে, অনেকে খুবই পাওয়ারফুল। তাই কিছু করা যায়না।
৩য়ত, প্রচুর সরকারি আমলা আর ব্যবসায়ী মাজারের ভক্ত। এরা শক্তিশালী হওয়াতে কিছু বলা যায়না।
৪র্থত, সরকার ট্যাক্স পাই। এমপিরা মাজার-ভক্তদের ভোট হারাতে চায়না।
৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:০৯
অবকাশ বলেছেন:
একমত
অবকাশ বলেছেন:
একমত
৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:১৬
রহমান আতা বলেছেন:
কুম্ভকর্ণের বিশ্লেষন খুবই চমৎকার.... ধন্যবাদ।
লেখককেও ধন্যবাদ জানাই বিষয়টি আলোচনায় আনার জন্য।
লেখককেও ধন্যবাদ জানাই বিষয়টি আলোচনায় আনার জন্য।
৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:০১
রাশেদ বলেছেন:
+
রাশেদ বলেছেন:
+
৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:২৪
রুধীণ বলেছেন:
বাগেরহাট খানজহান আলীর মাজরের এই ঘটনা বহু দিনের। সবাই মানত করে এবং মুরগি নিয়ে যায় কুমিরের জন্য।
শুধু এইটা না বাবার গান সহ গাজার আসরও চলে সারা রাত ধরে।
রুধীণ বলেছেন:
বাগেরহাট খানজহান আলীর মাজরের এই ঘটনা বহু দিনের। সবাই মানত করে এবং মুরগি নিয়ে যায় কুমিরের জন্য। শুধু এইটা না বাবার গান সহ গাজার আসরও চলে সারা রাত ধরে।


















