somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... হাদিস অনুসারে আয়েশা ও সাফওয়ান সম্পর্কিত আলোচিত ঘটনার বর্ননা
বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য হাদীসগ্রন্থে এই ঘটনাটি দীর্ঘ ও বিস্তারিত আকারে উল্লেখ করা হয়েছে। ষষ্ঠ হিজ্রীতে যখন নবীজি বনী মুস্তালিক নামান্তরে মুরায়সী যুদ্ধে গমন করেন, তখন বিবিদের মধ্যে আয়েশা সাথে ছিলেন। ইতোপুর্বে নারীদের পর্দার বিধান অবতীর্ন হয়েছিলো। তাই আয়েশার উঠের পিঠে পর্দাবিশিষ্ট আসনের ব্যবস্থা করা হয়। আয়েশা প্রথমে পর্দাবিশিষ্ট আসনে সোয়ার হয়ে যেতেন। এরপর লোকেরা আসন টিকে উঠের পিঠে বসিয়ে দিতো। এটাই ছিলো নিত্যকার অভ্যাস।

যুদ্ধ সমাপ্তির পর মদিনায় ফেরার পথে একটি ঘটনা ঘটলো। এক মঞ্জিলে কাফেলা অবস্থান করার পর শেষ রাত্রে প্রস্থানের কিছু পূর্বে ঘোষনা করা হয় যে , কাফেলা কিছুক্ষনের মধ্যে এখান থেকে রওয়ানা হয়ে যাবে। তাই প্রত্যেকেই যেন নিজ নিজ প্রয়োজন সেরে প্রস্তুত হয়। আয়েশার তখন প্রকৃতিত ডাকে সারা দেওয়ার ইচ্ছে হয়। তিনি জংগলের দিকে চলে গেলেন।সেখানে ঘটনাক্রমে তার গলার হার ছিড়ে গিয়ে হারিয়ে গেলো। তিনি সেই হার খুজতে ব্যস্ত হয়ে গেলেন।। বেশ কিছু সময় অতিবাহিত হয়ে গেলো। আয়েশা স্বস্থানে ফিরে এসে দেখলেন যে , কাফেলা রওয়ান হয়ে গেছে। রওয়ানা হওয়ার সময় আয়েশার পর্দা বিশিষ্ট আসনটিকে যথারীতি উঠের পিঠে সোয়ার করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বাহকরা মনে করেছে যে , তিনি ভেতরেই আছেন। উঠানোর সময় ও সন্দেহ হয়নি তাদের। কারন তিনি তখন অল্প বয়স্কা ক্ষীণাংগিণি ছিলেন। ফলে আসন টি যে শুন্য - এরুপ ধারনা ও কারো মনে আসেনি।

আয়েশা ফিরে এসে যখন কাফেলাকে পেলেন না, তখন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তা ও স্থির চিত্ততার পরিচয় দিলেন এবং কাফেলার পশ্চাতে দৌড়াদৌড়ি করা কিম্বা এদিক ওদিক তালাশ করার পরিবর্তে স্বস্থানে চাদর গায়ে জড়িয়ে বসে রইলেন। তিনি মনে করলেন যে, নবীজি ও তার সংগি গন যখন জানতে পারবেন যে, আমি আসনে অনুপস্থিত, তখন আমার খোঁজে তারা এখানে আসবেন। কাজেই আমি এদিক ওদিক চলে গেলে তাদের জন্য তালাশ করে নেওয়া কঠিন হবে। তাই তিনি স্বস্থানেই চাদর গায়ে বসে রইলেন। সময় ছিলো শেষ রাত্রি তাই কিছুক্ষনের মধ্যেই তিনি নিদ্রার কোলে ঢলে পড়লেন।

অপরদিকে সাফওয়ানকে নবীজি এ কাজের জন্য নিযুক্ত করেছিলেন যে, তিনি কাফেলার পশ্চাতে সফর করবেন এবং কাফেলা রওয়ানা হয়ে যাওয়ার পর কোন কিছু পড়ে থাকলে তা কুড়িয়ে নেবেন। তিনি সকাল বেলায় সেখানে পৌছলেন। তখন পর্যন্ত প্রভাত হয়নি। তিনি শুধু একজন মানুষকে নিদ্রামগ্ন দেখতে পেলেন। কাছে এসে আয়েশাকে চিনে ফেললেন। কারন পর্দাপ্রথা অবতীর্ন হওয়ার পূর্বে তিনি আয়েশা কে দেখেছিলেন। চেনার পর অত্যন্ত বিচলিত কন্ঠের সাথে তার মুখ থেকে “ইন্না লিল্লাহে অয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন” উচ্চারিত হয়ে গেলো। এই বাক্য আয়েশার কানে পড়ার সাথে সাথে তিনি জেগে উঠলেন এবং মুখমন্ডল ঢেকে ফেলেন।

সাফওয়ান নিজের উট কাছে এনে বসিয়ে দিলেন। আয়েশা তাতে সওয়ার হয়ে গেলেন এবং নিজে উটের নাকের রশি ধরে পায়ে চলতে লাগলেন। অবশেষে তিনি কাফেলার সাথে মিলিত হয়ে গেলেন।

আমারব্লগে পুর্বে প্রকাশিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28854577 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28854577 2008-10-14 14:41:46
আরিফুরের রহমানের এক বছর একটা লেখা দিয়েছে। অনেকের নজরে আসে নাই। তাই আমি কপি পেস্ট করলাম এখানে।
------------------------------------
আসলেই মনে হচ্ছে, এখন, আমার ভেতরে সারবস্তু বলে কিছুই নাই। একজন আধাসেদ্ধ, এটেনশন সীকার স্বল্পশিক্ষিত মুই কি হনুরে!

গেল বছর এ মাসেই একটা উড়ো মেইলে পাওয়া লিঙ্ক ধরে গুগল করতে গিয়ে 'ব্লগ' বিষয়টার আবিষ্কার, এখানকার প্রাণবন্ত আলোচনা ভালোলাগা, পৃথিবীব্যাপী বাঙালীদের ব্লগ-ভিত্তিক এই যে আন্তযোগাযোগ দেখে বেশ ভাল লেগে যায়।

আজকে সামহোয়ারে গিয়ে দেখলাম আমার 'ব্লগ বয়স' ১১ মাস ৪ সপ্তাহ। কি অদ্ভুত, ঠিক এক বছরের মাথায় আবার নতুন করে হিসেবে নিকেশ করতে ইচ্ছে করছে। জানি, এ লেখা পড়ে কেউ ভাবতে পারে ' আসছে আরেকজন, চলে যাচ্ছি জানান দিতে'। সত্যি বলছি... মোটেও তা বলার চেষ্টা করছি না। আসলে এতোদিন মন হতো আমারই ভাই, বন্ধু, পরিচিতদের মাঝে আছি। আজ আর তা মনে হচ্ছে না।

ছোটভাইয়ের বয়সী মাহফুজ বেশ চোখে আঙুল দিয়েই দেখিয়ে দিয়েছে, আমি উপলব্ধিও করলাম, যে আসলেই আমার তেমন কোন গুন বা বিশিষ্টতা নেই। আমি মোটেও কোন পদের লেখক্ বা তার ধারে কাছেও কিছু নই। যদি নিজেকে কোনদিনও ভেবে থাকি তবে তা কষ্ট কল্পনা বা নিছক স্বপ্নদোষই হবে।

হ্যাঁ, আমার লেখায়, যেমনটা অনেকেই দেখিয়ে দিয়েছেন, প্রায়শই বক্তব্যের চেয়ে তার ঝাঁজালো প্রকাশটাই বড় হয়ে দেখা দেয়। সচেতনভাবেই এমনটা হতো কি না, বা কেন এভাবে লেখতাম, তার ব্যখ্যা দিয়ে কারো বিরক্তি উতপাদন করবো না। তবে আজ উপলব্ধি করছি, অনেকেই আহত হয়েছেন।

কেন আঘাত করতাম, সে ব্যখ্যাও বিরক্তিকর লম্বা হয়ে যাবে। অনেক কারনই হয়তো আছে। যার যেভাবে খুশি ভেবে নিন।

যেকথা বলতে শুরু করেছিলাম, মাহফুজ আসলেই ঠিক বলেছে, আমি আধা-শিক্ষিত। যে দৃষ্টকোণ থেকেই বলা হোক না কেন, আমি নিজেকে আসলেই আধা শিক্ষিত বলে ভাবতে চাই। যতটা পড়া উচিত বলে মনে করি ততটা সম্ভব হয়ে ওঠে না বলে নিজেরও গ্লানি ছিলো।

পড়তে গেলাম।
---]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28851585 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28851585 2008-10-06 17:15:47
হাদিসের নতুন ভার্সন করতে যাচ্ছে তুরষ্ক
ভেবেছিলাম তখনই পোস্ট করবো। কিন্তু ধর্ম নিয়ে ক্যাচাল করবো না এই নিয়ত করেছিলাম। তাই অনেকদিন ধরে পারতপক্ষে কোন পোস্ট দিতে চাই না ধর্ম বিষয়ে। আজকে দিতে ইচ্ছে হচ্ছে কারন ধর্মিয় অন্ধত্ব দেখছি দুদিন ধরে ব্লগে।

আশা করি অনেকেই জানেন যে হাদিসের নতুন ভার্সন করতে যাচ্ছে তুরষ্ক। যদি না জেনে থাকেন তাহলে এখান থেকে দেখে নিতে পারেন খবরটা।

তুরষ্ক এমন একটা দেশ যেখানের ৯৯ ভাগ হলো মুসলিম, তাদের সবই সুন্নী। সেখানের শক্তিশালী মিনিস্ট্রি হলো ধর্ম মন্ত্রনালয়। এই ধর্ম মন্ত্রনালয় আঙ্কারা ইউনিভার্সিটির একদল থিওলজিয়ান দের কে নিয়ে এক টিম ঘঠন করেছে। তাদের কাজ হলো হাদিসের রি-ইন্টারপ্রিটেসন করা। মানে হাদিস এর ভিতরে যেগুলা কনফিউজিং কথা বার্তা আছে সেগুলা খুজে বের করা এবং প্রয়োজনিয় সংশোধন করা।

এই প্রজেক্ট নিয়ে তুরষ্কে তেমন কোন সমস্যার কথা শুনি নাই। এমন কি আমাদের বাংলাদেশে মানুষেরা ও এটা নিয়ে তেমন কোন উচ্চ বাচ্য করতে শুনা যায় নাই।

তাহলে তুরষ্কের ধর্ম মন্ত্রনালয় যে হাদিসের সংষ্কারের কাজ করছে এটা কি বিশ্ব মুস্লিম সমাজ মেনে নিয়েছে?

[ http://amarblog.com/kechal/13446#comment-72462 এ ও পোস্ট করেছি। ]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28850705 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28850705 2008-10-03 22:04:25
কোরান উল্লেখিত নবী ও আমার কিছু ভাবনা আমি আপনার পূর্বে অনেক রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের কারও কারও ঘটনা আপনার কাছে বিবৃত করেছি এবং কারও কারও ঘটনা আপনার কাছে বিবৃত করিনি। আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত কোন নিদর্শন নিয়ে আসা কোন রসূলের কাজ নয়। যখন আল্লাহর আদেশ আসবে, তখন ন্যায় সঙ্গত ফয়সালা হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে মিথ্যাপন্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।- আল কোরানঃ ৪০-৭৮।

উইকিতে দেখলাম কোরানে মোট ২৫ জন নবী'র কথা উল্লেখ আছে। কোন নবীর কথা কয়বার উল্লেখ আছে তার হিসেব ও আছে।

এই পচিশ জনের মধ্যে কারো কথাই দুই অঙ্কের সংখ্যা পাড় হতে পারেনি। কিন্তু মুহম্মদের কথা উল্লেখ আছে মোট ২৯৪ বার। যাইহোক, কার কথা কয়বার উল্লেখ আছে সেটা বরো কথা না, আমার জিজ্ঞাসা অন্য জায়গায়।

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো নবী ইব্রাহিম এর আগমন হয়েছিলো ১৮০০-১৯০০ বি,সি তে আর এর পর থেকে মুহম্মদ আসার আগ পর্যন্ত মোট নবীর সংখ্যা হলো ২০ জন। মানে ইব্রাহিম থেকে মুহম্মদ , প্রায় ২৫০০ বছরে কোরানে উল্লেখিত নবীর সংখ্যা ২০ জন।

ইব্রাহিম এর আগে যে নবীর কথা লেখা আছে তারা হলেনঃ

২১-সালেহ, কোরানে ৭ বার উল্লেখ আছে এই নবীর নাম
২২-হুদ, কোরানে ৯ বার উল্লেখ আছে এই নবীর নাম
২৩-নুহ,কোরানে ৭ বার উল্লেখ আছে এই নবীর নাম
২৪-ইদ্রিস,কোরানে ৩ বার উল্লেখ আছে এই নবীর নাম
২৫- আদম,কোরানে ৫ বার উল্লেখ আছে এই নবীর নাম

আমি ভাবছি যেখানে ২৫০০ বছরের এই প্রিথিবীতে ২০ জন নবীর উল্লেখ , সেখানে এর পূর্বে কোরানে উল্লেখিত নবীর সংখ্যা এতো কম কেন?

প্রিথিবীর প্রথম মানব তথা আদম এর শুরু থেকে ১৯০০ বি,সি তে আসতে মাত্র ৫ জন নবীর এসেছে যাদের কথা কোরানে উল্লেখ আছে? মাত্র ৫ জন?

--------------------------------------------------

আপডেটঃ অনেকেই দেখি বলছেন যে তখন মানুষ কম ছিলো তাই কম নবী ছিলো। হাস্যকর। <img src=" style="border:0;" />

মানুষ অনুযায়ী নবী আসলে তো কোরানে সব এলাকার নবীর কথাই থাকতো। আম্রেকায় কি মানুষ ছিলো না, ভারতে? আফ্রিকায়?

সব নবী তাইলে আরবে কেন? দুনিয়ার সব মানুষ কি আরবেই ছিলো?

ওয়ার্ল্ড পপুলেসন এর চিত্র এখানে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28849161 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28849161 2008-09-29 04:53:02
নারী নেতৃত্ব তো ইসলামে নিষেধ করা হয়েছে!
Volume 5, Book 59, Number 709: Narrated Abu Bakra:

During the days (of the battle) of Al-Jamal, Allah benefited me with a word I had heard from Allah's Apostle after I had been about to join the Companions of Al-Jamal (i.e. the camel) and fight along with them. When Allah's Apostle was informed that the Persians had crowned the daughter of Khosrau as their ruler, he said, "Such people as ruled by a lady will never be successful."

আপনারা ভালো থাকুন, হাদিস পড়ুন , জীবন গড়ুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28848653 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28848653 2008-09-27 20:58:17
এতো রাতে কই যাই ? হোসেইন ভাই শুরু কইরা গেল।
এরপর এক চট দিলো লোকাল।

শেষে আবার নারুদা।

অবশ্য দুই চুপা ছাগু শাম্ভাই শাম্ভাই কইরা লাফাচ্ছে। এগুলা রে আবার নেংটা বেইজ্জত করে দিছে নারু দা।

গ্রেট নারুদা।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28836554 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28836554 2008-08-30 04:44:35
রোবোকপের জন্য এখন দরকার গরুর লেদা ও ঊঠের মুত
কিন্তু মুসলমানদের কে নবীজী উটের মুত খাইতে বলেছিলেন , পরে উটের মুত খাইয়া সবার স্বাস্থ বেশ ভালো হয়ে গিয়েছিল।

উটের মুত এতোই মজা লেগেছিল যে , কিছু মানুষ উট চুরি শুরু করলে নবীজী এদেরকে কি শাস্তি দিয়েছিলেন জানেন?

দেখেন:
Volume 8, Book 82, Number 794:
Narrated Anas:
Some people from the tribe of 'Ukl came to the Prophet and embraced Islam. The climate of Medina did not suit them, so the Prophet ordered them to go to the (herd of milch) camels of charity and to drink, their milk and urine (as a medicine) <img src=" style="border:0;" />. They did so, and after they had recovered from their ailment (became healthy) they turned renegades (reverted from Islam) and killed the shepherd of the camels and took the camels away. The Prophet sent (some people) in their pursuit and so they were (caught and) brought, and the Prophets ordered that their hands and legs should be cut off and that their eyes should be branded with heated pieces of iron, and that their cut hands and legs should not be cauterized, till they die.

Volume 8, Book 82, Number 795:
Narrated Anas:
The Prophet cut off the hands and feet of the men belonging to the tribe of 'Uraina and did not cauterise (their bleeding limbs) till they died.


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28836360 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28836360 2008-08-29 17:19:43
হায়রে হাদিস..................
The Prophet said, “If anyone of you, when intending to have a sexual intercourse with his wife, says: ‘Bismillah, Allahumma jannibna-sh-shaitan, wa jannibi-sh-shaitan ma razaqtana,’ and if the couple are destined to have a child (out of that very sexual relation), then Satan will never be able to harm that child.”

{Volume 8, Book 75, Number 397 : Sahih Bukhari

-------------------------

Abu Sa'id Al-Khudri, may Allah be pleased with him, reported:
We went out with Allah's Messenger (may peace be upon him) on the expedition to the Banu Al-Mustaliq and took captive some excellent Arab women. We were suffering from the absence of our wives, (but at the same time) we refrained from copulation with our female captives lest should we lose the right of asking ransom for them (in case they bear children for us). So we decided to have sexual intercourse with them but by observing 'azl (withdrawing the male sexual organ before emission of semen to avoid conception). But we said: We are doing an act whereas Allah's Messenger is among us; why not ask him? So we asked Allah's Messenger (may peace be upon him), and he said: It does not matter whether you perform `azl or not, for every soul that is to be born up to the Day of Resurrection will be born.]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28835836 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28835836 2008-08-28 01:35:21
খান জাহান আলীর মাজারে নাকি কুমিড় পোষে? নিউজ দেখলাম। এক ছেলে খান জাহান আলীর মাজারে কুমিড় কে স্যালুট করতে গিয়ে কুমিড়ের পেঠেই চলে গেছে।

ঐ মাজারে নাকি পাঁচটা কুমিড় আছে। সহজ সরল মানুষ গুলা নাকি কুমিড়ের দোয়ার জন্য ঐ মাজারে যায়।

দেশের সহজ সরল মানুষ গুলা রে যে এইভাবে ঠকানো হচ্ছে তা কি আমাদের দেশের রথী মহারথী গুলা দেখে না?

নাকি এগুলা ও অন্ধ হয়ে গেছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28834585 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28834585 2008-08-25 04:11:54
জ়ীন রা কি খায়?
জীন এর যেহেতু অস্তিত্ব আছে, কাজেই তাদেরকে তো খেয়ে বাচতে হবে, তাই না?

হাদিস এ দেখলাম জীনদের খাওয়া হলো গিয়ে হাড্ডি আর গোবর।

Volume 5, Book 58, Number 200:

Narrated Abu Huraira:

That once he was in the, company of the Prophet carrying a water pot for his ablution and for cleaning his private parts. While he was following him carrying it(i.e. the pot), the Prophet said, "Who is this?" He said, "I am Abu Huraira." The Prophet said, "Bring me stones in order to clean my private parts, and do not bring any bones or animal dung." Abu Huraira went on narrating: So I brought some stones, carrying them in the corner of my robe till I put them by his side and went away. When he finished, I walked with him and asked, "What about the bone and the animal dung?" He said, "They are of the food of Jinns. The delegate of Jinns of (the city of) Nasibin came to me--and how nice those Jinns were--and asked me for the remains of the human food. I invoked Allah for them that they would never pass by a bone or animal dung but find food on them."

আমি তো কই, আমাদের গ্রামের বাড়ির গরুর লেদাগুলা কমে কিভাবে? এতোদিনে টের পেলাম।

আমি একটু কনফিউজড ও হইলাম। Animal DUNG যদি জীনের খানাপিনা হয়, তাইলে উঠের মুত্র তো ঠিক ঔষুদ হিসেবে বলা আছে।

ওফ, সরি। মুত তো আর লেদা না!

হাদিস জিন্দাবাদ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28832049 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28832049 2008-08-18 02:08:03
একটি কপি-পেস্ট রুপকথা
সুরাঃ৭২-১

বলুনঃ আমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি;

Say (O Muhammad SAW): ”It has been revealed to me that a group (from three to ten in number) of jinns listened (to this Qur’ân). They said: ’Verily! We have heard a wonderful Recital (this Qur’ân)!

এখানে বর্নিত আছে যে , আয়াতে আলোচিত জীনদের সংখ্যা নয় ছিলো, তারা নছীবাইয়ের বাসিন্দা। আরো বলা আছে যে, নবীজী জীনদেরকে স্বচোখে দেখেননি। আল্লাহ তাহালা অহী’র মাধ্যমে তাঁকে অবহিত করেছেন।

সুরা জীন অবতরনের ঘটনাঃ সহীহ , বুখারী, মুস্লিম, তিরমিযী ইত্যাদি কিতাবে হযরত ইবনে আব্বাস বর্ননা করেন, এই ঘটনায় নবীজী জীনদেরকে ইচ্ছেক্রিত ভাবে কোরান শুনাননি এবং তিনি তাদেরকে দেখেন ও নি। এই ঘটনা তখনকার, যখন শয়তানদেরকে আকাশের খবর শোনা থেকে উল্কাফিন্ডের মাধ্যমে প্রতিহত করা হতো। এই সময় জীনরা পরস্পর পরামর্শ করলো যে, আকাশের খবরাদি শোনার ব্যাপারে বাধাদানের ব্যাপারটি কোন আকস্মিক ঘটনা মনে হয় না। দুনিয়াতে অবশ্যই কোন নতুন ব্যাপার সংঘটিত হয়েছে।তারপর তারা সিদ্ধান্ত নিলো যে, দুনিয়ার সব প্রান্তে তাদের প্রতিনিধি দল প্রেরন করতে হবে। যথাযথ খোজাখোজি করে এই নতুন ব্যাপারটি কি তা তারা জেনে আসবে।হেজাবে প্রেরিত তাদের প্রতিনিধি দল যখন “নাখাল” স্থানে উপস্থিত হলো, তখন নবীজী সাহাবীগনকে সাথে নিয়ে ফজরের নামাজ পড়ছিলেন।

জীনদের এই প্রতিনিধিদল নামাযে কোরান পাঠ শুনে পরস্পরে শপথ করে বলতে লাগলোঃ এই কালামই আমাদের ও আকাশের খবরাদির মধ্যে অন্তরায় হয়েছে। তারা সেখান থেকে ফিরে স্বজাতির কাছে সব ঘটনা খুলে বললোঃ আল্লাহ তাহালা এই আয়াতে সমস্ত ঘটনা সম্পর্কে তার রাসুলকে অবহিত করেছেন।

হযরত আবু তালের ইন্তেকালের পর আল্লাহর রাসুল তায়েফবাসিদের নিকট দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারা নবীজীর কথা শুনার পরিবর্তে তাকে নির্মম ভাবে অত্যাচার করেছিলো ফলে নিরাশ হয়ে নবীজ়ী মক্কা’র দিকে রওয়ানা হয়ে গেলেন।ফেরার পথে তিনি নাখলা নামক স্থানে অবস্থান করে শেষ রাতে তাহাজ্জুদের নামায শুরু করেন। ইয়ামনের নছিবাইন শহরের জীন দের এক প্রতিনিধি দল ও তখন সেখানে অবস্থানরত ছিলো। তারা কোরান পাঠ শুনলো এবং শুনে বিশ্বাস স্থাপন করলো। অতপর তারা স্বজাতির কাছে ফিরে গিয়ে ঘটনা বর্ননা করলো।

এই হলো মোটামোটি সুরা আল-জ়ীন নাজিলের কাহীনী।

[ ইহা কপি-পেস্ট পোস্ট নয়, নিজ হাতে টাইপ করা, পরবর্তিতে জীন দের কে নিয়ে আরো আলোচনা হবে, ইহা একটি ট্রায়াল পোস্ট]

কপি-পেস্ট ফ্রমঃ http://amarblog.com/history/5177#comment-40183]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28831595 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28831595 2008-08-16 19:50:38
আর কোন ও স্পেসিয়াল আয়াত আছে কি যেখানে জীন নিয়ে আরো তত্ত্ব পাওয়া যাবে? এবং জিনকে এর আগে লু এর আগুনের দ্বারা সৃজিত করেছি।
And the jinn, we created aforetime from the smokeless flame of fire.

[৫৫-১৫]
এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নিশিখা থেকে।
And the jinns did He create from a smokeless flame of fire.

[৬-১২৮]
যেদিন আল্লাহ সবাইকে একত্রিত করবেন, হে জিন সম্প্রদায়, তোমরা মানুষদের মধ্যে অনেককে অনুগামী করে নিয়েছ। তাদের মানব বন্ধুরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা পরস্পরে পরস্পরের মাধ্যমে ফল লাভ করেছি। আপনি আমাদের জন্যে যে সময় নির্ধারণ করেছিলেন, আমরা তাতে উপনীত হয়েছি। আল্লাহ বলবেনঃ আগুন হল তোমাদের বাসস্থান। তথায় তোমরা চিরকাল অবস্থান করবে; কিন্তু যখন চাইবেন আল্লাহ। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রজ্ঞাময়, মহাজ্ঞানী।
And on the Day when He will gather them (all) together (and say): ”O you assembly of jinns! Many did you mislead of men,” and their Auliyâ’ (friends and helpers, etc.) amongst men will say: ”Our Lord! We benefited one from the other, but now we have reached our appointed term which You did appoint for us.” He will say: ”The Fire be your dwellingplace, you will dwell therein forever, except as Allâh may will. Certainly your Lord is AllWise, AllKnowing.”


[৬-১৩০]

হে জ্বিন ও মানব সম্প্রদায়, তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে পয়গম্বরগণ আগমন করেনি? যাঁরা তোমাদেরকে আমার বিধানাবলী বর্ণনা করতেন এবং তোমাদেরকে আজকের এ দিনের সাক্ষাতের ভীতি প্রদর্শন করতেন? তারা বলবেঃ আমরা স্বীয় গোনাহ স্বীকার করে নিলাম। পার্থিব জীবন তাদেরকে প্রতারিত করেছে। তারা নিজেদের বিরুদ্ধে স্বীকার করে নিয়েছে যে, তারা কাফের ছিল।

O you assembly of jinns and mankind! ”Did not there come to you Messengers from amongst you, reciting unto you My Verses and warning you of the meeting of this Day of yours?” They will say: ”We bear witness against ourselves.” It was the life of this world that deceived them. And they will bear witness against themselves that they were disbelievers.

[৪৬-২৯/৩০]
যখন আমি একদল জিনকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করেছিলাম, তারা কোরআন পাঠ শুনছিল,। তারা যখন কোরআন পাঠের জায়গায় উপস্থিত হল, তখন পরস্পর বলল, চুপ থাক। অতঃপর যখন পাঠ সমাপ্ত হল, তখন তারা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে সতর্ককারীরূপে ফিরে গেল।
And (remember) when We sent towards you (Muhammad SAW) Nafran (three to ten persons) of the jinns, (quietly) listening to the Qur’ân, when they stood in the presence thereof, they said: ”Listen in silence!” And when it was finished, they returned to their people, as warners.

তারা বলল, হে আমাদের সম্প্রদায়, আমরা এমন এক কিতাব শুনেছি, যা মূসার পর অবর্তীণ হয়েছে। এ কিতাব পূর্ববর্তী সব কিতাবের প্রত্যায়ন করে, সত্যধর্ম ও সরলপথের দিকে পরিচালিত করে।
They said: ”O our people! Verily! We have heard a Book (this Qur’ân) sent down after Mûsa (Moses), confirming what came before it, it guides to the truth and to a Straight Path (i.e. Islâm).

[৭২-১/৩]
বলুনঃ আমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি;
Say (O Muhammad SAW): ”It has been revealed to me that a group (from three to ten in number) of jinns listened (to this Qur’ân). They said: ’Verily! We have heard a wonderful Recital (this Qur’ân)! يَهْدِي إِلَى الرُّشْدِ فَآمَنَّا بِهِ وَلَن نُّشْرِكَ بِرَبِّنَا أَحَدًا
যা সৎপথ প্রদর্শন করে। ফলে আমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমরা কখনও আমাদের পালনকর্তার সাথে কাউকে শরীক করব না।
’It guides to the Right Path, and we have believed therein, and we shall never join (in worship) anything with our Lord (Allâh). وَأَنَّهُ تَعَالَى جَدُّ رَبِّنَا مَا اتَّخَذَ صَاحِبَةً وَلَا وَلَدًا

এবং আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের পালনকর্তার মহান মর্যাদা সবার উর্ধ্বে। তিনি কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন সন্তান নেই।
’And exalted be the Majesty of our Lord, He has taken neither a wife, nor a son (or offspring or children).

[৭২-৬]
অনেক মানুষ অনেক জিনের আশ্রয় নিত, ফলে তারা জিনদের আত্নম্ভরিতা বাড়িয়ে দিত।
’And verily, there were men among mankind who took shelter with the masculine among the jinns, but they (jinns) increased them (mankind) in sin and disbelief.

[১৭-৬৪]

তুই সত্যচ্যুত করে তাদের মধ্য থেকে যাকে পারিস স্বীয় আওয়ায দ্বারা, স্বীয় অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে তাদেরকে আক্রমণ কর, তাদের অর্থ-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে শরীক হয়ে যা এবং তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দে। ছলনা ছাড়া শয়তান তাদেরকে কোন প্রতিশ্রুতি দেয় না।

”And Istafziz [literally means: befool them gradually] those whom you can among them with your voice (i.e. songs, music, and any other call for Allâh’s disobedience), make assaults on them with your cavalry and your infantry, mutually share with them wealth and children (by tempting them to earn money by illegal ways usury, etc., or by committing illegal sexual intercourse, etc.), and make promises to them.” But Satan promises them nothing but deceit.

[১৮-৫০]
যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ আদমকে সেজদা কর, তখন সবাই সেজদা করল ইবলীস ব্যতীত। সে ছিল জিনদের একজন। সে তার পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল। অতএব তোমরা কি আমার পরিবর্তে তাকে এবং তার বংশধরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করছ? অথচ তারা তোমাদের শত্রু। এটা জালেমদের জন্যে খুবই নিকৃষ্ট বদল।
And (remember) when We said to the angels; ”Prostrate to Adam.” So they prostrated except Iblîs (Satan). He was one of the jinns; he disobeyed the Command of his Lord. Will you then take him (Iblîs) and his offspring as protectors and helpers rather than Me while they are enemies to you? What an evil is the exchange for the Zâlimûn (polytheists, and wrong-doers, etc).


[৫৫-৫৬]
তথায় থাকবে আনতনয়ন রমনীগন, কোন জিন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহার করেনি।
Wherein both will be those (maidens) restraining their glances upon their husbands, whom no man or jinn yatmithhunna (has opened their hymens with sexual intercourse) before them.


[৭-২৭]

হে বনী-আদম শয়তান যেন তোমাদেরকে বিভ্রান্ত না করে; যেমন সে তোমাদের পিতামাতাকে জান্নাত থেকে বের করে দিয়েছে এমতাবস্থায় যে, তাদের পোশাক তাদের থেকে খুলিয়ে দিয়েছি-যাতে তাদেরকে লজ্জাস্থান দেখিয়ে দেয়। সে এবং তার দলবল তোমাদেরকে দেখে, যেখান থেকে তোমরা তাদেরকে দেখ না। আমি শয়তানদেরকে তাদের বন্ধু করে দিয়েছি, , যারা বিশ্বাস স্থাপন করে না।

O Children of Adam! Let not Shaitân (Satan) deceive you, as he got your parents [Adam and Hawwa (Eve)] out of Paradise, stripping them of their raiments, to show them their private parts. Verily, he and Qabîluhu (his soldiers from the jinns or his tribe) see you from where you cannot see them. Verily, We made the Shayâtin (devils) Auliyâ’ (protectors and helpers) for those who believe not.
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28830699 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28830699 2008-08-14 05:19:38
সাম ওয়ার ইন ব্লগ ও আমারব্লগঃ একটি বাস্তব সমালোচনা আমারব্লগ এ পোস্ট করলাম। অথচ দেখেন কি সুন্দর আলোচনা হচ্ছে।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28818744 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28818744 2008-07-10 05:00:49
আজকে দেখি জ্ঞানী লোকে ব্লগ ভইরা গেছে। আজকে দেখি জ্ঞানী লোকে ব্লগ ভইরা গেছে।

একজন দেখলাম কি জানি চ্যালেঞ্জ দিছে নাস্তিকদের। কই যাই এতো রাত্রে?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28814337 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28814337 2008-06-27 20:43:25
ক্যাচালের আল-কোরান বিষয়ে সাতটি প্রশ্ন প্রশ্ন-১/ মানুষ কি হতে তৈরী?
(ক) সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে।৯৬-২
(খ) আমি মানবকে পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুস্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছি। ১৫-২৬
(গ) নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত হচ্ছে আদমেরই মতো। তাকে মাটি দিয়ে তৈরী করেছিলেন এবং তারপর তাকে বলেছিলেন হয়ে যাও, সঙ্গে সঙ্গে হয়ে গেলেন। ৩-৫৯
(ঘ) তারা কি আপনা-আপনিই সৃজিত হয়ে গেছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা? ৫২-৩৫
(ঙ) তিনি মানবকে এক ফোটা বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছেন। এতদসত্বেও সে প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী হয়ে গেছে। ১৬-৪

প্রশ্ন-২/ আল-কোরান জবরদস্তিতা সমর্থন করে কি না?
(ক) দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই। নিঃসন্দেহে হেদায়াত গোমরাহী থেকে পৃথক হয়ে গেছে। এখন যারা গোমরাহকারী ‘তাগুত’দেরকে মানবে না এবং আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে, সে ধারণ করে নিয়েছে সুদৃঢ় হাতল যা ভাংবার নয়। আর আল্লাহ সবই শুনেন এবং জানেন। ২-২৫৬
(খ) আর মহান হজ্বের দিনে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে লোকদের প্রতি ঘোষণা করে দেয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ মুশরেকদের থেকে দায়িত্ব মুক্ত এবং তাঁর রসূলও। অবশ্য যদি তোমরা তওবা কর, তবে তা, তোমাদের জন্যেও কল্যাণকর, আর যদি মুখ ফেরাও, তবে জেনে রেখো, আল্লাহকে তোমরা পরাভূত করতে পারবে না। আর কাফেরদেরকে মর্মান্তিক শাস্তির সুসংবাদ দাও। ৯-৩
(গ) অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ৯-৫
(ঘ) তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে। ৯-২৯

প্রশ্ন-৩/প্রথম মুসলমান হিসেবে কাকে বিবেচনা করা হয়?
(ক) আরও আদিষ্ট হয়েছি, সর্ব প্রথম নির্দেশ পালনকারী হওয়ার জন্যে। ৩৯-১২
(খ) তারপর মূসা যখন আমার প্রতিশ্রুত সময় অনুযায়ী এসে হাযির হলেন এবং তাঁর সাথে তার পরওয়ারদেগার কথা বললেন, তখন তিনি বললেন, হে আমার প্রভু, তোমার দীদার আমাকে দাও, যেন আমি তোমাকে দেখতে পাই। তিনি বললেন, তুমি আমাকে কস্মিনকালেও দেখতে পাবে না, তবে তুমি পাহাড়ের দিকে দেখতে থাক, সেটি যদি স্বস্থানে দঁড়িয়ে থাকে তবে তুমিও আমাকে দেখতে পাবে। তারপর যখন তার পরওয়ারদগার পাহাড়ের উপর আপন জ্যোতির বিকিরণ ঘটালেন, সেটিকে বিধ্বস্ত করে দিলেন এবং মূসা অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলেন। অতঃপর যখন তাঁর জ্ঞান ফিরে এল; বললেন, হে প্রভু! তোমার সত্তা পবিত্র, তোমার দরবারে আমি তওবা করছি এবং আমিই সর্বপ্রথম বিশ্বাস স্থাপন করছি। ৭-১৪৩
(গ) এরই ওছিয়ত করেছে ইব্রাহীম তার সন্তানদের এবং ইয়াকুবও যে, হে আমার সন্তানগণ, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য এ ধর্মকে মনোনীত করেছেন। কাজেই তোমরা মুসলমান না হয়ে কখনও মৃত্যুবরণ করো না।২-১৩২

প্রশ্ন-৪/যারা মিছে দেবতা পূজা করে তারা কি শাস্তি পাবে?
(ক) নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল।৪-৪৮ এবং
নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তাঁর সাথে কাউকে শরীক করে। এছাড়া যাকে ইচ্ছা, ক্ষমা করেন। যে আল্লাহর সাথে শরীক করে সে সুদূর ভ্রান্তিতে পতিত হয়।

(খ) আপনার নিকট আহলে-কিতাবরা আবেদন জানায় যে, আপনি তাদের উপর আসমান থেকে লিখিত কিতাব অবতীর্ণ করিয়ে নিয়ে আসুন। বস্তুতঃ এরা মূসার কাছে এর চেয়েও বড় জিনিস চেয়েছে। বলেছে, একেবারে সামনাসামনিভাবে আমাদের আল্লাহকে দেখিয়ে দাও। অতএব, তাদের উপর বজ্রপাত হয়েছে তাদের পাপের দরুন; অতঃপর তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ-নিদর্শন প্রকাশিত হবার পরেও তারা গো-বৎসকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিল; ত তা ও আমি ক্ষমা করে দিয়েছিলাম এবং আমি মূসাকে প্রকৃষ্ট প্রভাব দান করেছিলাম। ৪-১৫৩

প্রশ্ন-৫/আল্লাহর নির্দেশ কি পরিবর্তন/পরিবর্ধন হয়?
(ক) আপনার পূর্ববর্তী অনেক পয়গম্বরকে মিথ্যা বলা হয়েছে। তাঁরা এতে ছবর করেছেন। তাদের কাছে আমার সাহায্য পৌঁছে পর্যন্ত তারা নির্যাতিত হয়েছেন। আল্লাহর বানী কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। আপনার কাছে পয়গম্বরদের কিছু কাহিনী পৌঁছেছে। ৬-৩৪
(খ) আপনার প্রতিপালকের বাক্য পূর্ণ সত্য ও সুষম। তাঁর বাক্যের কোন পরিবর্তনকারী নেই। তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী। ৬-১১৫
(গ)আমি কোন আয়াত রহিত করলে অথবা বিস্মৃত করিয়ে দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তার সমপর্যায়ের আয়াত আনয়ন করি। তুমি কি জান না যে, আল্লাহ সব কিছুর উপর শক্তিমান? ২-১০৬
(ঘ)এবং যখন আমি এক আয়াতের স্থলে অন্য আয়াত উপস্থিত করি এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেন তিনিই সে সম্পর্কে ভাল জানেন; তখন তারা বলেঃ আপনি তো মনগড়া উক্তি করেন; বরং তাদের অধিকাংশ লোকই জানে না।১৬-১০১

প্রশ্ন-৬/ ফেরাউনকে কি আসলেই ডুবিয়ে মারা হয়েছিলো?
(ক) আর বনী-ইসরাঈলকে আমি পার করে দিয়েছি নদী। তারপর তাদের পশ্চাদ্ধাবন করেছে ফেরাউন ও তার সেনাবাহিনী, দুরাচার ও বাড়াবাড়ির উদ্দেশে। এমনকি যখন তারা ডুবতে আরম্ভ করল, তখন বলল, এবার বিশ্বাস করে নিচ্ছি যে, কোন মা’বুদ নেই তাঁকে ছাড়া যাঁর উপর ঈমান এনেছে বনী-ইসরাঈলরা। বস্তুতঃ আমিও তাঁরই অনুগতদের অন্তর্ভুক্ত। ১০-৯০
এখন একথা বলছ! অথচ তুমি ইতিপূর্বে না-ফরমানী করছিলে। এবং পথভ্রষ্টদেরই অন্তর্ভুক্ত ছিলে। ১০-৯১
অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে যাতে তোমার পশ্চাদবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পারে। আর নিঃসন্দেহে বহু লোক আমার মহাশক্তির প্রতি লক্ষ্য করে না। ১০-৯২

(খ) তিনি বললেনঃ তুমি জান যে, আসমান ও যমীনের পালনকর্তাই এসব নিদর্শনাবলী প্রত্যক্ষ প্রমাণস্বরূপ নাযিল করেছেন। হে ফেরাউন, আমার ধারণায় তুমি ধ্বংস হতে চলেছো। ১৭-১০২
অতঃপর সে বনী ইসরাঈলকে দেশ থেকে উৎখাত করতে চাইল, তখন আমি তাকে ও তার সঙ্গীদের সবাইকে নিমজ্জত করে দিলাম। ১৭-১০৩

প্রশ্ন-৭/মদ খাওয়া কি খারাপ? তাইলে বেহেস্তে মদের নদী কেন?
(ক) হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক-যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও। ৫-৯০
(খ) পরহেযগারদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের নহর যারা স্বাদ অপরিবর্তনীয়, পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। তথায় তাদের জন্যে আছে রকমারি ফল-মূল ও তাদের পালনকর্তার ক্ষমা। পরহেযগাররা কি তাদের সমান, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে?৪৭-১৫
(গ) তাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় পান করানো হবে। ৮৩-২৫]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28804866 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28804866 2008-05-31 18:20:51
টপ নাস্তিক হিসেবে কাকে চান? ২- আরিফুর রহমান
৩- হট্টগোল
৪- প্রশ্নোত্তর
৫- নেমেসিস
৬- রাসেল দি গ্রেট
৭-জেনারেল
৮-কৌশিক
৯-অপবাক
১০-ক্যাচাল( এটা আমি নিজে)
১১-জামাল ভাস্কর

উপরের লিস্ট এ আছেন যারা হলো টপ নাস্তিক। Click This Link

এর মধ্য থেকে টপ থ্রি কে কে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28804656 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28804656 2008-05-31 01:28:57
গরুর লেদা আর উটের মুত
কিন্তু মুসলমানদের কে নবীজী উটের মুত খাইতে বলেছিলেন , পরে উটের মুত খাইয়া সবার স্বাস্থ বেশ ভালো হয়ে গিয়েছিল।

উটের মুত এতোই মজা লেগেছিল যে , কিছু মানুষ উট চুরি শুরু করলে নবীজী এদেরকে কি শাস্তি দিয়েছিলেন জানেন?

দেখেন:
Volume 8, Book 82, Number 794:
Narrated Anas:
Some people from the tribe of 'Ukl came to the Prophet and embraced Islam. The climate of Medina did not suit them, so the Prophet ordered them to go to the (herd of milch) camels of charity and to drink, their milk and urine (as a medicine) <img src=" style="border:0;" />. They did so, and after they had recovered from their ailment (became healthy) they turned renegades (reverted from Islam) and killed the shepherd of the camels and took the camels away. The Prophet sent (some people) in their pursuit and so they were (caught and) brought, and the Prophets ordered that their hands and legs should be cut off and that their eyes should be branded with heated pieces of iron, and that their cut hands and legs should not be cauterized, till they die.

Volume 8, Book 82, Number 795:
Narrated Anas:
The Prophet cut off the hands and feet of the men belonging to the tribe of 'Uraina and did not cauterise (their bleeding limbs) till they died. ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28804631 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28804631 2008-05-31 00:22:35
তিন-জোড়া আয়াত কখনো হের-ফের হয় না। এটাই হল মহা সফলতা।

১৬-১০১: এবং যখন আমি এক আয়াতের স্থলে অন্য আয়াত উপস্থিত করি এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেন তিনিই সে সম্পর্কে ভাল জানেন; তখন তারা বলেঃ আপনি তো মনগড়া উক্তি করেন; বরং তাদের অধিকাংশ লোকই জানে না।
------------------------------------
১৮-২৭: আপনার প্রতি আপনার পালনকর্তার যে, কিতাব প্রত্যাদিষ্ট করা হয়েছে, তা পাঠ করুন। তাঁর বাক্য পরিবর্তন করার কেউ নাই। তাঁকে ব্যতীত আপনি কখনই কোন আশ্রয় স্থল পাবেন না।

২-১০৬: আমি কোন আয়াত রহিত করলে অথবা বিস্মৃত করিয়ে দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তার সমপর্যায়ের আয়াত আনয়ন করি। তুমি কি জান না যে, আল্লাহ সব কিছুর উপর শক্তিমান?
-------------------------------------------
১৫-৯: আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক

১৩-৩৯: আর যে লোক তা অস্বীকার করবে এবং আমার নিদর্শনগুলোকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার প্রয়াস পাবে, তারাই হবে জাহান্নামবাসী; অন্তকাল সেখানে থাকবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28804234 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28804234 2008-05-29 17:41:34
আল-কোরানের একটি আয়াত http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28803141 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28803141 2008-05-26 22:21:26 শান্তির ধর্ম ইসলাম- একটি ধর্মীয় পোস্ট তাইলে আর দেরী না করে ইসলামের পতাকা তলে আসেন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28802818 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28802818 2008-05-26 04:46:09
মধ্যাকর্ষন শক্তি ছাড়াইয়া পৃথিবী গ্রহের পৃষ্ঠ ত্যাগ কইরা মহাকাশের দিকে প্রথম গেছে কোন ব্যক্তি? মধ্যাকর্ষন শক্তি ছাড়াইয়া পৃথিবী গ্রহের পৃষ্ঠ ত্যাগ কইরা মহাকাশের দিকে প্রথম গেছে কোন ব্যক্তি?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28802636 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28802636 2008-05-25 17:56:10
নবীজ়ি'র সাথে কতোজন অলৌকিক ফেরেস্তা যুদ্ধ করেছিলেন?
কেউ একটু ব্যাপারটা পরিস্কার করবেন প্লীজ?
-------------------------------------------
সুরা আল ইমরান-৩
------------------------------------------
123 বস্তুতঃ আল্লাহ বদরের যুদ্ধে তোমাদের সাহায্য করেছেন, অথচ তোমরা ছিলে দুর্বল। কাজেই আল্লাহকে ভয় করতে থাক, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হতে পারো।

And Allâh has already made you victorious at Badr, when you were a weak little force. So fear Allâh much [abstain from all kinds of sins and evil deeds which He has forbidden and love Allâh much, perform all kinds of good deeds which He has ordained] that you may be grateful.


124 আপনি যখন বলতে লাগলেন মুমিনগণকে-তোমাদের জন্য কি যথেষ্ট নয় যে, তোমাদের সাহায্যার্থে তোমাদের পালনকর্তা আসমান থেকে অবতীর্ণ তিন হাজার ফেরেশতা পাঠাবেন

(Remember) when you (Muhammad SAW) said to the believers, ”Is it not enough for you that your Lord (Allâh) should help you with three thousand angels; sent down?”


125 অবশ্য তোমরা যদি সবর কর এবং বিরত থাক আর তারা যদি তখনই তোমাদের উপর চড়াও হয়, তাহলে তোমাদের পালনকর্তা চিহিßত ঘোড়ার উপর পাঁচ হাজার ফেরেশতা তোমাদের সাহায্যে পাঠাতে পারেন।

”Yes, if you hold on to patience and piety, and the enemy comes rushing at you; your Lord will help you with five thousand angels having marks (of distinction).”

126 বস্তুতঃ এটা তো আল্লাহ তোমাদের সুসংবাদ দান করলেন, যাতে তোমাদের মনে এতে সান্ত্বনা আসতে পারে। আর সাহায্য শুধুমাত্র পরাক্রান্ত, মহাজ্ঞানী আল্লাহরই পক্ষ থেকে,

Allâh made it not but as a message of good news for you and as an assurance to your hearts. And there is no victory except from Allâh, the All-Mighty, the All-Wise.
------------------------------------------------------
সুরা আল-আনফাল-৪
------------------------------------------------------
9- তোমরা যখন ফরিয়াদ করতে আরম্ভ করেছিলে স্বীয় পরওয়ারদেগারের নিকট, তখন তিনি তোমাদের ফরিয়াদের মঞ্জুরী দান করলেন যে, আমি তোমাদিগকে সাহায্য করব ধারাবহিকভাবে আগত হাজার ফেরেশতার মাধ্যমে

(Remember) when you sought help of your Lord and He answered you (saying): ”I will help you with a thousand of the angels each behind the other (following one another) in succession।

10- আর আল্লাহ তো শুধু সুসংবাদ দান করলেন যাতে তোমাদের মন আশ্বস্ত হতে পারে। আর সাহায্য আল্লাহর পক্ষ থেকে ছাড়া অন্য কারো পক্ষ থেকে হতে পারে না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহাশক্তির অধিকারী হেকমত ওয়ালা।

Allâh made it only as glad tidings, and that your hearts be at rest therewith. And there is no victory except from Allâh. Verily, Allâh is All-Mighty, All-Wise.]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28801425 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28801425 2008-05-22 19:25:34
'গেলমান' জিনিস টা আসলে কি? 'গেলমান' জিনিস টা আসলে কি?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28801101 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28801101 2008-05-22 00:50:15
ফেইসবুকে চ্যাটিং করা কি ইসলাম সম্মত? ফেইসবুকে চ্যাটিং করা কি ইসলাম সম্মত?

এ প্রশ্ন করার পেছনে একটা কারন আছে, একটু আগে একটা নিউজ এ দেখলাম সঊদিয়ারবে এক লোক তার মেয়ে কে ফেইসবুকে চ্যাটিং করার দায়ে পিঠিয়ে হত্যা করে ফেলেছে ।

নিউজ টা এখানে দেখতে পারেন। Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28801068 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28801068 2008-05-21 23:52:00
টপ টেন নাস্তিক জরিপ

এখানে অনেকেই অনেক ধরনের জরিপ করে। আমার ইচ্ছে হলো এই ব্লগের টপ টেন নাস্তিক কে কে আছে তার একটা লিস্টি বানানো। লিস্টি করার কারন হলো আমরা হলাম সংখ্যালঘু।

কেউ আবার ভাব্বেন না, আমি ওভারস্মার্ট হওয়ার জন্য নাস্তিক সাজছি। আমি বুঝে শুনে দেখে নাস্তিক।

১- নাস্তিকের ধর্মকথা
২- আরিফুর রহমান
৩- হট্টগোল
৪- প্রশ্নোত্তর
৫- নেমেসিস
৬- রাসেল দি গ্রেট / অপবাক
৭-জেনারেল
৮-কৌশিক
৯-অপবাক
১০-ক্যাচাল( এটা আমি নিজে)

আরে নাম গুলো মনে হইতাছে না। ভাই একটু হেল্প করেন না প্লীজ!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28798922 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28798922 2008-05-17 14:29:23
হে আল্লাহ, তুমি দুনিয়ার সবাইকে মুস্লিম বানিয়ে দাও এভাবে চলতে পারে না আল্লাহ!

তুমি কি দেখতে পাও না নাস্তিকেরা কিছুদিন পর আমাদের সমান হয়ে যাবে?

তখন তো আমরা লাত্থি গুতা খাইতে খাইতে মারা যাইমু!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28797690 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28797690 2008-05-13 22:59:56
বুকাইলির কোরান ও বিজ্ঞান : একটি পুরান লেখা/অপবাক : ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৬

বুকাইলির বাইবেল কোরান ও বিজ্ঞান নিয়ে লেখাটা সমাপ্ত হয়েছিলো সৃষ্টিতত্ত অংশে গিয়ে। বুকাইলি আরও অনেক লিখেছেন, এর পরবর্তি অংশ পৃথিবী এবং সৌরজগত নিয়ে কোরানের বানী।

বুকাইলির দাবি, সূর্য নক্ষত্র এবং চাঁদ সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে উজ্জল হয় এ ধারনাটা প্রথম এসেছে কোরানে।

দাবিটা ভুল, কিন্তু বুকাইলি বিষয়টাকে অতিলৌকিক রূপ দেওয়ার চেষ্টায় এটা অস্বিকার করেছেন( যেমনটা করেছেন সৌরজগত সৃষ্টি প্রসংগে তার পছন্দনিয় অংশটা গ্রহন করে বাকি কয়েকটি প্রচলিত মত বিসর্জন করে?) অথবা এটা তার চোখ এড়িয়ে গেছে?

সূর্য গ্রহন কালে চাঁদ সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে চলে আসে এই অনুমান করে এর সপক্ষে কয়েকটা কথা বলেছেন গ্রিক মনিষীরা। এসব ধারনা বাহিত হয়ে গেছে মিশরের উপকূলে, সেখানে থেকে সিরিয়া, সেখান থেকে আরব জাহান। এ প্রসংগে কোরানের একটা আয়াতে রঅনুবাদ দেই, তিনি দুটি সমুদ্্রকে পৃথক করেছেন একটি পর্বত মালা দ্্বারা,

এ পর্বতমালা যা পরে সুয়ে জ খাল হিসেবে ছিন্ন হয়ে 2টি সাগরকে যুক্ত করেছে। সিরিয়া হলো 3টা মহান সভ্যতার সংগমস্থল। 3টা মহাদেশের সংগম স্তল। 3 মহাদেশের 3 উন্নত সভ্যতার সবচেয়ে কাছাকাছি ভূমি।

বুকাইলির বইয়ে ফিরে যাই বাক্য ব্যায় না করে।

সূর্যের কক্ষপথের কথা এসেছে, চাঁদের কক্ষপথের কথা এসেছে, এসব নিয়ে কথা না বলে পৃথিবী বিষয়ক কোরানীয় আলাপনে যাই, এবং এর বুকাইলিয় ব্যাখ্যা দেখি।

পৃথিবীকে অমাদের আবাসস্থল হিসেবে তৈরি করা হয়েছে, এতে আমি নদী প্রবাহিত করেছি, এর মধ্যে আমি পর্বতস্থাপন করেছি, এর মধ্যে আমি পথ তৈরি করেছি, এর মধ্যে আমি শস্য ৎটপাদন করিয়েছি, এর মধ্যে উৎপাদন করেছি ফলফলাদি, এর উপরে চড়তে দিয়েছি পশু যা তোমরা খাও এবং যার চামড়া পরিধান করে তোমরা বিরূপ প্রকৃতির মোকাবেলা করো।

মোটামুটি এই কথাগুলোই বিভিন্ন আয়াতে বলা আছে।

পৃথিবী সমতল নয়, পৃথিবী গোলাকার, এই একটা বিষয় কোরানে সঠিক বলা নেই, যেটা বলা সবচেয়ে সহজ হতো কারন পৃথিবীর গোলত্বের ধারনাটা তখন বেশ প্রতিষ্ঠিত।

2য় টা হলো পর্বত স্থাপন, পর্বত উত্থানের বিষয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হলো জিওগ্রাফিক প্লেটগুলোর সংঘর্ষ। এর একটা সংঘর্ষ সামপ্রতিক সুনামির কারন, যারা একটু অনবগত তাদের জন্য বলা, হিমালয় পর্বতের উচ্চতা প্রতিবছর কয়েক সেন্টিমিটার করে বাড়ছে, কারন এই খানের 2টা প্লেট পরস্পরের দিকে সরে আসছে।

এটাই হলো পর্বতের পেছনের কাহিনি এটাকে স্থাপন করতে হয় নি এটা উত্থিত হয়েছে।

যেমন আরও একটা হাস্যকর কারন পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদ এর বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য নাই, শুকতারা বলে দাবি করা শুক্র যে আসলে গ্রহ এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেই। গ্রহ বিষয়ে কোনো কথাবার্তাই নেই, নক্ষত্র এবং গ্রহকে একই ভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

7 আসমানের বুকাইলিয় ব্যাখ্যা হলো এটা অসংখ্য আসমানের নির্দেশক, কিন্তু কোন আসমান? বুকাইলির ধারনা সৌরজগতকে প্রথম আসমান বলা হচ্ছে তাহলে পরবর্তি আসমানগুলো কি কি??

মিরাজের সময় বিভিন্ন নবীর অবস্থান নিয়ে বেশ কিছু কথা আছে, তারাই বা সেখানে কি করছিলো??

পানিচক্র এবং কোরান নিয়ে কিছু কথা আছে, আকাশ থেকে পানি পড়ে, অর্থ্যাৎ বৃষ্টি, বৃষ্টিপাতের পরোক্ষ কারন সমুদ্্রের পানি বাস্পে রূপান্তরিত হয়ে বৃষ্টি যখন মরূভুমিতে পড়ে কোথায় যায়?

বালি শুষে নেয়, কোরানের বানীতে এই বর্ননা থাকতেই পারে। কিন্তু এসব সহজ অবলোকনের অতিলৌকিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন কোথায়??

কোরানের সমুদ্্রগামীতার আগেই সমুদ্্রের ব্যাবহার জানতো মানুষ, জাহাজের ব্যাবহার জানতো, জানতো বিভিন্ন চোরা স্রোত আর বিভিন্নমুখী বাতাসের কথা, এসব যখন কোরানে উঠে আসে ওটা কোরানের অলৌকিকত্ব প্রমান করে না, অবশ্য এটা নিয়ে বলে লাভ নেই বোধ হয়,

আমার বক্তব্য সংক্ষিপ্ত হলো, কোরানে বর্নিত এমন কোনো ঘটনা বা ইশারা নেই যা সে সময় মানুষের অবগত ছিলো না, সেই সমসাময়িক ধারনাগুলোই কোরানে আছে, পর্বত সৃষ্টি সম্পর্কিত জ্ঞান ছিলো না মানুষের তাই এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো কথা নেই কোরানে।

গ্রহ এবং নক্ষত্র বলে আলাদা কিছু ছিলো না, ছিলো গ্রহ এবং খসে পড়া তারা( উল্কা, কোরানে বর্নিত আছে, আসমানের দেয়ালে কান পেতে শয়তান যখন ইশ্বরের গোপন কথা শুনতে চায়, তখন ফেরেশতারা ঢিল ছুড়ে, সেটাই উল্কা, ) এখনকার বিজ্ঞান বলছে, উল্কা অতি প্রাচীন কোনো ধুমকেতুর ধ্বংসাবশেষ, যা পৃথিবীর মহাকর্ষের প্রভাবে পৃথিবীর কক্ষপথে ঢুকে বাতাসের ঘর্ষনে জ্বলে উঠলে আমরা দেখতে পাই ।

মানুষ যখন সুয়েজ খাল কাটলো তখন ইশ্বরের প্রানে ব্যাথ্যা লেগেছিলো কিনা সেটা জানতে ইচ্ছা করে আমার।

মূল লিঙ্কঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/kkk/5006]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28793922 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28793922 2008-05-03 23:42:41
আরিফুর রহমানের প্রশ্ন্বের উত্তর দেন, তারপর চিল্লান আরিফুর রহমানের প্রশ্ন্বের উত্তর দেন, তার চিল্লান।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28793863 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28793863 2008-05-03 19:44:20
এক শিবির টিচার দেখেন কি করছে?
==========
শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে সাবেক শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শাবি প্রতিনিধি
------
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও সাবেক শিবির ক্যাডার সাইফুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে একই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা। গতকাল ভিসি বরাবর এক স্মারকলিপিতে সাবেক শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২১ এপ্রিল শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের লেকচারার ও সাবেক শিবির ক্যাডার সাইফুল ইসলাম একই বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী প্রফেসর জহির বিন আলমের বিরুদ্ধে পরীক্ষায় গার্ড না দেয়া, রেজাল্ট আটকানোসহ অশালীন আচরণের মিথ্যা অভিযোগ আনেন।

বিভাগের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ আনায় সাইফুল ইসলামের শাস্তি দাবি করে গতকাল ভিসি ড. এম আমিনুল ইসলাম বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা।

স্মারকলিপিতে সাবেক শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, সাইফুল ইসলাম উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিভাগের জনপ্রিয় শিক্ষক জহির বিন আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। সাইফুল দ্বিতীয় ছাত্র হলের শিবিরের সভাপতি ছিল।

সে সময় তার বিরুদ্ধে হল দখল, ছাত্রদের মারধর, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়াসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।

সাইফুল ইসলামের কাছে এ ব্যাপারে জানতে মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেনি।

অন্যদিকে ড. জহির বিন আলম যায়যায়দিনকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে।

সূত্রঃ http://www.jaijaidin.com/details.php?nid=67246]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28792337 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28792337 2008-04-29 01:54:07
লন্ডন বোম্বার মুহাম্মদ সিদ্দিক খান :I’m doing what I’m doing for the sake of Islam Click This Link তার একটি হোম ভিডিও জন সম্মুখে দেখানো হয়। এই ক্লিপে দেখা যায় Click This Link জনাব খান তার মেয়ের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছেন এভাবেঃ

Sweetheart, not long to go now and I am going to really, really miss you a lot. I’m thinking about it already. Look, I absolutely love you to bits and you have been the happiest thing in my life. You and your Mom, absolutely brilliant. I don’t know what else to say.

“I just wish I could have been part of your life, especially these growing up... These next months, they’re really special with you learning to walk and things. I just so much wanted to be with you, but I have to do this for our future and it will be for the best, Insha Allah, in the long run.

“That’s the most important thing. You make plenty of ‘dua’ for yourself and you’ve got loads of people to look after you and keep an eye on you. But most importantly, I entrust you to Allah and let Allah take care of you. And I’m doing what I’m doing for the sake of Islam, not, you know, it’s not for materialistic or worldly benefits,” stressed Khan.

এটাই কি আল-কোরানের শিক্ষা?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28791118 http://www.somewhereinblog.net/blog/sushilsomajblog/28791118 2008-04-25 16:50:20