উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান কোন গুহার লোক?
৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:১৫
চ্যানেল ওয়ানে খবরে দেখলাম, এক সংবাদিক তাকে প্রশ্ন করে, "বড় দুটি রাজৈনিতক দল অংশ নিচ্ছে না এমন ঘোষণার পর সংলাপ ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরী হয়েছে"। উত্তরে হোসেন জিল্লুর বলেন, "বড় দলগুলোর সংলাপে আসা না-আসা জাতির সামেন মুখ্য বিষয় নয়"৷ তখন এক সাংবাদিক পাল্টা প্রশ্ন করে, "বড় দু'টি দলই তো অধিকাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে থকে"। তখন জিল্লুর বলেন, "তাই নাকি"? হোসেন জিল্লুরের এই উত্তরে মনে হয়, তিনি বোধ হয় হাজার বছর নিদ্রার পর এই মাত্র গুহা থেকে বের হয়ে আসলেন। উনি কোন গুহার লোক?
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ওমেগা থ্রি বলেছেন:
মাইনাস। ড. হোসেন জিল্লুরকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি ও জানি। অসাধারণ লোক।
লেখক বলেছেন:
যে বাস্তবতাকে অস্বীকার করে সে আমার দৃষ্টিতে অসাধারণ হতে পারে না। আমি আপনার সাথে দ্বিমত প্রকাশ করছি।
সে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে, পেশাগত ভাবে সাফল্য লাভ করতে পারে, কিন্তু আমি বলবো তিনি জ্ঞানী নন।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
তিনি অসাধারন লোকই ছিলেন। বর্তমানের প্রেক্ষাপটে আরও অনেকেরই মতই তিনি তার অসাধারনত্ব ধুয়ে মুছে খেয়েছেন। তার জন্য করুনা। কেননা তিনি যা বিশ্বাস করেন না তাকে তাই বলতে হয় চাপে পড়ে। তা না হলে তার মত লোক এইধরনের কথা বলতেন না।
লেখক বলেছেন:
গত তিন টার্মের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কেউ বলেছে সুক্ষ্ম কারচুপি আবার কেউ বলেছে স্থুল কারচুপি, কিন্তু প্রেক্ষাপট তো ছিল এই যে, জণগণ শতস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিয়েছিল এবং তিনবারই ৮০%-এর উপর ভোট ঐ দুটি দলই পেয়েছিল। এটা বাস্তব এবং ধ্রুব সত্য। এই সত্যকে যে ব্যক্তি অস্বীকার করে সে কখনই সৎ, নিষ্ঠাবান, চরিত্রবান এবং অসাধারণ হতে পারেন না।
ওমেগা থ্রি বলেছেন:
চুরির জ্ঞান তার মধ্যে নেই। এবং সেইদিক থেকে তিনি অবশ্যই জ্ঞানী নন। @ স্বাধীনতা তুমি
লেখক বলেছেন:
চোর কখনই জ্ঞানী নন। আপনি কথাকে ঘুরানোর চেষ্টা করছেন।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আমার সবচেয়ে বেশী মায়া আর করুনা হয় ফখরুদ্দিন আহমেদের জন্য। অবসরের পর নির্বিরোধি জীবন যাপন করার কথা তার। অথচ তিনি এমন একটা পরিস্থিতিতে পরেছেন, যে নিজের জীবনটাকে তার এখন নরকের চেয়েও বাজে মনে হবার কথা। কোন কুক্ষনে যে তিনি কারও পছন্দের দৃষ্টিতে পড়েছিলেন।আহারে!!
লেখক বলেছেন:
অন্য কিছু মনে করেন না, একটি কথা বলছি। মোহাম্মদ (সঃ) কাফেরকে ঈমান আনার জন্যে উপদেশ দিতেন। কোন এক সময় তিনি ভীষন পীড়াপীড়ি করেছিলেন ফলে কোরআনে আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ মোহাম্মদকে ধমকিয়েছেন, "হে মোহাম্মদ তুমি সীমা লঙ্ঘন করো না, হেদায়েতের মালিক একমাত্র আল্লহ তায়ালা, তুমি শুধু পথ প্রদর্শক মাত্র"।
এখন ইনাদের কাজ কারবার দেখে মনে হয় ইনারই আল্লাহ হয়ে গেছেন (নাওযুবিল্লাহ)। তারা দুনিয়া থেকে সব দূর্ণিতিবাজ, চোর বাটপারকে দূর করে ফেলবে। কি স্পর্ধা।
আমি অবশ্যই দূর্ণিতিকে ঘৃণা করি, কিন্তু সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে এভাবে দূর্ণিতি দূর করতে হবে এটা সমর্থন করতে পারি না।
রাহা বলেছেন:
আরে নাহ!!!ওনি তো আমরিকার কথা মনে করছে । আমরিকার ইলেকশন নিয়া আমরিকা আলীগ বা আমরিকা বিএনপি অংশ না নিলে তো সমস্যা নাই । তাই কইছে ।
লেখক বলেছেন:
হা হা হা। উনি তাহলে আমেরিকার ভাল মন্দের এজেন্সি নিয়েছেন?
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
এই একই কথা তো নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেনও বলত টিভিতে টকশোতে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইউডাতে ল'র ক্লাসে বড় বড় করে বলতেন। কিন্তু চেয়ারে বসে তাদের মুখে অন্য কথা। বন্দুকের নলের নিচে বসে তারা কিইবা করবেন?
লেখক বলেছেন:
পদত্যাগ করলেই পারে। ভূল বকার তো দরকার নেই। নাকি বন্দুকের নল দরে বসিয়ে রেখেছে। বসে থাক আর ভূল বকতে থাক।
এস্কিমো বলেছেন:
সমালোচনা করা কত সহজ, তাই দেখছি। একটা প্রশ্নের জবাব কি দেবেন। ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের স্থানে আপনাকে বসালে আপনি কি করতেন?
১) খালেদা, হাসিনা, নিজামীকে মুক্তি দিয়ে আলেচনা করতেন।
২) সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনায় বিমর্ষ হতেন।
৩) হাসি মুখে কিছু মিথ্যা আশ্বাস দিতেন।
৪) কোন টাই না, নতুন কি করতেন।
ভেবে বলেন।
লেখক বলেছেন:
সুন্দর প্রশ্ন করেছেন। একটা উদাহরন দিয়েই শুরু করি। একজন ব্যবসায়ী ঘুষ দিয়ে ব্যবসা নিয়ে সে সুবিধা গ্রহন করেছে, সে সেই ব্যবসা থেকে লাভবান হয়েছে। অর্থাৎ যে ঘুষ গ্রহন করেছে এবং যে ঘুষ দান করে ব্যবসা করে লাভবান হয়েছে তারা উভয়ে নীতিগত ভাবে দোষী। অথচ এই সরকার দুই অপরাধীর একজনকে বাদী আর একজনকে আসামী করে তাদের বিচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এটা কি ন্যায় প্রতিষ্ঠা, বলতে পারবেন? যাদের মধ্যে ন্যায় অন্যায়ের পার্থক্য নির্ণয় করার জন্য সাধারণ জ্ঞান হারিয়ে ফেলে তাদের দ্বারা ন্যায় প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারে না। এটাকেও কি সমালোচনা বলবেন?
এখন আসি আপনার প্রশ্নের উত্তরে। সমাজে দূর্ণিতি করে কারা। সমাজে দূর্ণিতি হয় দুই ভাবে। এক) এক শ্রেনীর লোক যাদেরকে সমাজ তার ন্যায্য প্রাপ্তিটুকু দিতে পারে না, তারা; দুই) আর এক শ্রেনীর লোক যাদেরকে সমাজ তার ন্যায্য প্রাপ্তিটুকু দেবার পরেও সামাজিক ভাবে দূর্ণিতি করার সুযোগ থাকার কারণে। আমার লক্ষ্য হত, প্রথম শ্রেনীর লোকগুলো জন্যে তাদের প্রাপ্তির নিশ্চয়তা করা অর্থাৎ কর্ম সংস্থান করা এবং দ্বিতীয় শ্রেনী লোকগুলো যাতে সুযোগকে ব্যবহার করে অঢেল প্রপ্তির আশায় দূর্ণিতি না করতে পারে তা রোধ করার জন্যে ব্যবস্থা গ্রহন করা। আবর্জনাতে বিষাক্ত পোকামাকরের বসবাস, পরিছন্ন স্থানে নয়।
ওমেগা থ্রি বলেছেন:
এস্কিমো এতোক্ষণে এক্টা কাজের কথা বললেন। স্বাধীনতা তুমি ভাই ক্লিয়ারলি জবাব দিন উনার প্রশ্নের।
লেখক বলেছেন:
মানুষকে বেকায়দায় দেখে মজা পান তাই না? উত্তর দিলাম আপনিও পড়ে নিন।
লেখক বলেছেন:
আমাদের সৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মত কি আপনারও প্রশ্ন করার জন্যেও মানুষ হায়ার করা লাগে?
হরিসূধন বলেছেন:
বড় বলে তাদের অন্যায় শর্ত কে মেনে নিতে হবে? আপনি কি মনে
করেন হাসিনা খালেদা নিজামী নির্দোষ? যদি মনে করেন তাহলে
আর কি বা বলার থাকে? বঙদেশের স্বৈরতান্ত্রিক দল সমূহ কে(যদি ও তারা নিজেদের গনতান্ত্রের পূজারী জাহির করে) নিয়ে বাংলাদেশেরই
মানুষ কে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত ভাবতে দিন। আমার মনে হয় বড় দুইটি দলই আগের সে অবস্হানে নাই।
লেখক বলেছেন:
হরিসূধন বলেছেন: বড় বলে তাদের অন্যায় শর্ত কে মেনে নিতে হবে?
@ আপনি কি অস্বীকার করবেন এই দলগুলোই কি এই সরকারের আগমনকে মেনে নেয় নাই? এমন কি এই সরকারের আগমনে যারা সব চেয়ে বেশী আশা হত হয়েছিল অর্থৎ বিএনপি এবং জামাত তারও মেনে নিয়ে ছিল। আশা হত হয়েছিল এই কারনে যদি ২২শে জানুয়ারীর নির্বাচন হত তাহলে তারাই পরবর্তিতে সরকার গঠন করতে পারতো। প্রশ্ন করতে পারেন সেই নির্বাচন কে কি জাতি মেনে নিত? জাতি মেনে নিত কি নিত না সেটা নির্বাচনের পরবর্তি বিষয় ছিল কিন্তু ১১ই জানুয়ারীতে যদি জরুরী আইন ঘোষনা না হত তাহলে ২২ জানুয়ারী নির্বাচন হত এবং বিএনপি জামাত নির্বাচনের পরবর্তিতে সরকার গঠন করতো এতে কোন সন্দেহ ছিল না।
অএব যেহেতু এক সময় এই দলগুলোই এই সরকারকে মেনে নিয়েছিল আবার সেই দলগুলোই কেন সরকারে প্রতিপক্ষ হলো? কারণ সরকার তার কর্তব্য পালনে তাদের প্রজ্ঞা এসং দক্ষতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। দলগুলোর সমর্থন পেয়েও কাজে সঠিক ভাবে পালন করতে পারিনি বলে। যদি বলেন ঐ দলগুলো তাদের শাসন আমলে দেশ পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছিল তাহলে আমি বলবো এই সরকারও তাদের সময় দেশ পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যায় যদি রাজনৈতিক দলগুলো করে থাকে তাহলে সেই একই দোষে এই সরকারও দুষ্ট। রাজনৈতিক দলগুলোকে এই পর্যায়ে নিয়ে আসার পিছনে এই সরকারই দায়ী। এখন তাদের অন্যায় দাবী মেনে নেয়া না নেয়া সরকারের বিবেচ্য। কারণ তাদের দাবী মেনে নিলে দেশের পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে যাবে এবং না নিলে কোন পর্যায়ে যাতে পারে। তবে আমি সরকারের ব্যর্থতাকে মেনে নিতে পারি না। যদি সরকারের ব্যর্থতার অন্যায় গুলোকে মেনে নিতে হয় তাহলে বলবো রাজনৈতিক দলগুলোর বর্তমান অন্যায় দাবী গুলোকে মেনে নিতে আমার আপত্তি নেই।
লেখক বলেছেন:
হরিসূধন বলেছেন: আপনি কি মনে করেন হাসিনা খালেদা নিজামী নির্দোষ? যদি মনে করেন তাহলে আর কি বা বলার থাকে?
@ সকলে আইনের শাসনের কথা বলেন আবার আইন দ্বারা বিচার কাজ পরিচালনা শেষ না হতেই এজনকে দোষী বলেন, এটা কি আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা নয়। আপনি হাসিনা খালেদা নিজামীর বাহ্যিক কার্যকলাপ দেখে তাদেরকে হাজারবার সমালোচনা করেন তাতে কেউ কিছু বলবে না, কিন্তু তাদেরকে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে আদালতের রায় শোনার আগেই আপনি রায় শুনিয়ে দিবেন তাতো হতে পারে না। তাহলে তো আইনের শাসন হলো না।
কোন নেতাকে আইন দ্বারা সাস্তি দিয়ে তাকে সাজা দেয়া যায় না। কারন তারা রাষ্ট্রের এ্যপয়েন্টেড কর্মচারী নয়। তারা জনগণ দ্বারা নির্বাচিত হয়ে তারপর তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী হন। অতএব তাদের দোষের বিচার একমাত্র জনগণই করতে পারে যদি জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করে তবেই এবং সেটাই তাদের সবচেয়ে বড় সাজা হবে। তাহলে এখন প্রশ্ন করতে পারেন, নির্বাচন হলে তারা কালো টাকা এবং পেশী শক্তির দ্বারা তারা আবার নির্বাচিত হয়ে এসে দেশকে আবারও নৈরাজ্যে দিকে ঠেলে দিবে। যদি তারা তায় হয় তাহলে তারা তাই করবে, এটায় স্বাভাবিক। তাহলে এই সরকার কি করলো তাদের ১৭ মাসে? তারাতো এসেছিল একটি সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ এবং সর্বজন দ্বারা গ্রহনযোগ্য নির্বাচন করার জন্যে। আপনার কাছে এখন আমি একটা প্রশ্ন রাখছি, এই সরকার কি এইরূপ নির্বাচন করার ক্ষেত্রে এমন কোন পদক্ষেপ গ্রহন করতে পেরেছে যা দ্বারা আগামী ডিসেম্বর মাসে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং সর্বজন গ্রহনযোগ্য নির্বাচন হতে পারে? সরকার যেমন চাচ্ছে যে করেই হোক সৎ মানুষকে নির্বাচনে পাশ করিয়ে নিয়ে এসে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে দিতে হবে, ঠিক আপনার ভাষায় যারা চোর তারাও চাচ্ছে যেই ভাবেই হোক তারাই নির্বাচিত হয়ে এসে দেশ পরিচালিত করবে। তারা তা চাইতেই পারে, কারণ আপনি সৎ মানুষের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে জোড় দেখিয়ে, ক্ষমতাকে ব্যবহার করে নির্বাচন করবেন। তাহলে চোর যদি জোড় খাটিয়ে সে প্রমান করতে পারে সে চোর নয় এবং তারও নির্বাচন করার যোগ্যতা আছে এবং নির্বাচিত হয়ে এসে দেশ পরিচালনা করতে পারে তবে সে কেন করবে না? যাদের আপনারা সৎ বলছেন তারা আবার ডাক্তারের কাছে রাজনৈতিক নেতা হবার জন্যে টেবলেট চাচ্ছে, যেনে সেই টেবলেট খেয়ে রাতারাতি রাজনৈতিক নেতা হয়ে পরবর্তিতে দেশ পরিচালনা করবে বলে। আর তাদের নিয়ে আপনারা গর্ববোধ করছেন যে তারা অসাধারণ। হায়রে দূর্ভাগা জতি, আর কত কি দেখবে এবং শুনবে।
শোনেন, এভাবে হয় না। এই সরকারও অনেক ভুল করেছে এবং জনগণ তার খেসারত দিচ্ছে। আরও কতদিন দিবে দিতে থাকবে তার ইয়ত্তা নেই।
এস্কিমো বলেছেন:
ভাই আমার প্রশ্নের উত্তর আপনি কেমন দিলেন সেইটা পাঠকরা বিচার করুক। হোসেন জিল্লুর রহমান যে মিশনে আছেন সেইটা নিয়ে কথা বলি। সরকার ডিসেম্বরে নির্বাচন দিয়ে চলে যাবে ইনক্লুডিং হোসন জিল্লুর রহমান। সেই নির্বাচনের আগে সরকার চাচ্ছে দেশটা যেন ১/১১ এর আগের অবস্থায় না যায় তার বিষয়ে একটা সমজোতা। আর খালেদা হাসিনা যে দূর্নীতি করেছে বা সহায়তা করেছে এতে কোন সন্দেহ নাই।
সেই সময় কতগুলো দাবী দিয়ে দেশকে অস্তির করে তোলার কুবুদ্ধিটা কি ভাল কাজ।
যদি সমজোতায় না যায় - তবে হয়তো সরকার নিজামী সহ সবাইকে ছেড়ে দেবে। তারপর নির্বাচন হবে। এরাই সংসদে যাবে। এবং শুরু হবে হরতাল ...(হরতাল আমার খুবই পছন্দ
সমালোচনা করার আগে ভাবুন - আপনি সেই যায়গা হলে কি করতেন।
লেখক বলেছেন:
এস্কিমো বলেছেন: ভাই আমার প্রশ্নের উত্তর আপনি কেমন দিলেন সেইটা পাঠকরা বিচার করুক।
@ পঠকের ঘাড়ে না চাপিয়ে আমার কোন উত্তরে আপনি বুঝে উঠতে পারেননি তার পাল্টা প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার প্রশ্ন ছিল:
১) খালেদা, হাসিনা, নিজামীকে মুক্তি দিয়ে আলেচনা করতেন।
২) সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনায় বিমর্ষ হতেন।
৩) হাসি মুখে কিছু মিথ্যা আশ্বাস দিতেন।
৪) কোন টাই না, নতুন কি করতেন।
আমি যদি ভাল সরকার হতাম তাহলে আপনার প্রথম তিনটি প্রশ্নের কোন পরিস্থিতি ঘটুক তা চাইতাম না। তায় আপনার চার নম্বর প্রশ্নের উত্তর আমি দিয়েছিলাম। আমার মনে হয় আপনি প্রশ্ন না বুঝেই করেছিলেন।
এখন আসি আপনার বর্তমান প্রশ্নের উত্তরে। আপনি বলেছেন ১১ই জানুয়ারি পূর্বে দেশ ফিরে না যায় সে পরিস্থিতি তৈরী করতে হবে। আমি এক বাক্যেই বলবো আমি ১১ই জানুয়ারী পূর্বের পরিস্থিতিতে যেতে চাই। এখন প্রশ্ন করতে পারেন, "কেন"? দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারন আমার আয়ের সাথে সঙ্গতি রেখে আমার জীবন যাত্রাটা স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু এখন নেই। তাহলে আপনার উত্তর হবে, "দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে আন্তর্জাতিক বাজারে মূলূ বৃদ্ধির কারণে"। ধরে নিলাম সেই কারণে দ্রব্য মূল্যের বৃদ্ধি ঘটেছে, তাহলে আমার আয় বৃদ্ধির জন্যে সরকার এতদিনে কি করলো? কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে তাদের ১৭ মাস দেশ শাসনে? আগে আমি সারাদিনে ২০০ গ্রাম আমিষ, ৫০০ গ্রাম শর্করা, ১০০ গ্রাম ভিটামিন পেতাম এখন পাই না। তাহলে কি বলবো না, আমার জন্যে ১১ই জানুয়ারির সময়টাই ভালছিল? আমি কি ঐ সময়টাকে ফিরে পেতে চাইবো না? এই ব্লগে কার পোষ্টে যেন পড়লাম, যখন সিরাজের পতন ঘটে তখন ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছিল, এক কৃষক সিরাজের পরিনামের কথা শুনে উত্তর করেছিল "রাজায় রাজায় যুদ্ধ করে তাতে আমার কি? ভাল ফসল হয়েছে আমি ফসল ঘরে তুলবো"।
অতএব আপনার ভাষায় এখন যারা দেশ শ্সন করছে তারা সবাই সৎ, তাহলে এই সৎ মানুষ গুলো আমাদেরকে কেন ১১ই জানুয়ারীর চেয়ে ভাল জীবন যাপন দিতে পারলো না? বলবেন সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা দিয়েছে। আমি ২১ বছর ধরে ঢাকায় বসবাস করছি, এ পর্যন্ত কোন সন্ত্রাসী এসে আমার কাছে কখনও চাঁদা চায়নি। কারণ জানে আমার কাছে চাঁদা চাইবার মত আমার কিছুই নেই। যখন সন্ত্রাসীরা ছিল তখন আমার জীবনটা দূর্বিসহ ছিল না, বরং দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধিতে আমার জীবন দূর্বিসহ হয়ে উঠেছে। তায় বলছি হোসেন জিল্লুরকে বলেন, তিনি যদি অসাধারণ হন তাহলে আমরা সাধারণ জনগণ কিভাবে ভাল থাকবো তার জন্যে চিন্তা করুক। রাজায় রাজায় যুদ্ধ ঘটিয়ে আমাদের জীবনকে দূর্বিসহ না করে তুলেন।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
এস্কিমো বলেছেন: ভাই আমার প্রশ্নের উত্তর আপনি কেমন দিলেন সেইটা পাঠকরা বিচার করুক।হোসেন জিল্লুর রহমান যে মিশনে আছেন সেইটা নিয়ে কথা বলি। সরকার ডিসেম্বরে নির্বাচন দিয়ে চলে যাবে ইনক্লুডিং হোসন জিল্লুর রহমান। সেই নির্বাচনের আগে সরকার চাচ্ছে দেশটা যেন ১/১১ এর আগের অবস্থায় না যায় তার বিষয়ে একটা সমজোতা। আর খালেদা হাসিনা যে দূর্নীতি করেছে বা সহায়তা করেছে এতে কোন সন্দেহ নাই।
সেই সময় কতগুলো দাবী দিয়ে দেশকে অস্তির করে তোলার কুবুদ্ধিটা কি ভাল কাজ।
যদি সমজোতায় না যায় - তবে হয়তো সরকার নিজামী সহ সবাইকে ছেড়ে দেবে। তারপর নির্বাচন হবে। এরাই সংসদে যাবে। এবং শুরু হবে হরতাল ...
এমন হবে বলে মনে হয়???????????
এস্কিমো বলেছেন:
অবশ্যই। যতদিন জামাত সক্রিয় আছে ততদিন আওয়ামীলীগ আর বিএনপি কোন ভাল বিষয়ে একমত হতে পারবে না। অবধারিত ভাবে সহিংসতা হবে। এইটা জামাতিদের অস্তিত্বের প্রশ্ন। @রন্টি
লেখক বলেছেন:
আপনি কি বলবেন জামাত কে রোধ করার জন্যে এ সরকার কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে এ পর্যন্ত? বরং তাদের প্রশ্নে সরকার বারবার বলেছে এটা তাদের কাজ নয়। জামাত প্রতিরোধের যে কোন ক্ষেত্রেই তাদের উত্তর আসে ৩৬ বছরে যেহেতু এটা কেউ করেনি আমরা কেন করতে যাব। ৩৬ বছরে তো দূর্ণিতির বিরুদ্ধে কেউ কোন পদক্ষে নেয়নি তবে কেন তারা সেই পদক্ষেপ নিয়েছে? এটা কি স্ববিরোদী কথা নয়? এমন কি তারা মুক্তি যোদ্ধা সেক্টর কমান্ডারদেরকে নুন্যতম সম্মানটুকু বা আশ্বাসটুকু আজ পর্যন্ত দেননি এই বলে যে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে বা হবার কর্যক্রমটুকু শুরু করে দিয়ে যাব। আবার এই সরকারের কাছে জামাতকে প্রতিরোধের আশা করছে, কার কাছে কি প্রত্যশা করছেন বুঝিনা ভাই।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
নানা। আমি বলছিলাম আপনি সরকারের সম্ভাব্য যে দুটি প্ল্যানের কথা বললেন সে বিষয়ে আপনার মনে হয় সরকার ডিসেম্বনে ইলেকশন করে চলে যাবে? বা সবাইকে ছেড়ে ইলেকশন দিয়ে দেবে?
এস্কিমো বলেছেন:
আমি আশাবাদী সরকার নির্বাচন দিয়ে চলে যাবে। কিন্তু রাজনীতি যতটা হয প্রকাশ্যে তার চেয়ে অনেক বেশী হয় গোপনে - সেই অংশটা আমরা শুধু ধারনাই করতে পারি। হয়তো খালেদা হাসিনার মুক্তির দাবীও এই সরকারকে মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার জন্যে করা হয়েছে - অসম্ভব কি?
লেখক বলেছেন:
তাহলে আপনার ভাষায় এ সরকার রাজনৈতিক সরকার তায় এ সরকার প্রকাশ্যের চেয়ে গোপনে বেশী রাজনীতি করছে।
হাসিনা খালেদার মুক্তির দাবী ঐ দুই দলের তৃণমুল নেতাদের, সংস্কারপন্থি নেতাদের নয় যে, ফলে সরকারে মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার জন্যে এই কর্মসুচি দেয়া হয়নি। এ ভাবনাটা আপনার অমুলোক বলবো আমি।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
কি জানি। তবে এই সরকার আন্দোলন ছাড়া দশবছরেও যাবে বলে আমার মনে হয় না। বড়জোড় রঙ পাল্টাবে। আর জামাতীরা এই সরকারের আমলে সুবিধা পাবে বলেই আমার ধারনা। তাদের গত একবছরের কার্যক্রম তাই বলে। নিজামীকে ধরে কিছুটা প্রলেপ দিতে চাইছে..কিন্তু তা লোকদেখানো বলেই মনে করছি। বিএনপি আলীগকে তৃনমূল পর্যায়ে ছিন্নভিন্ন করে দেয়া হচ্ছে যাতে এরা ইলেকশনে কিচ্ছু করতে না পারে আর জামাতীরা গুড লিষ্টে উঠছে। তাদের ব্যাপারে ডিজিএফআই একেবারেই অন্ধ আর নিরব।
লেখক বলেছেন:
আপনি এত নিরাশা হচ্ছেন কেন? সরকারের এমন কোন ভাল নিদর্শন রাখতে পারেনি যা দ্বারা এই সরকার দীর্ঘদিন থাকতে পারে। একটা কথা মনে রাখবেন, ভাল হয়ে মন্দের বিরুদ্ধে লড়াই করে জিততে পারে। কিন্তু মন্দের আশ্রয় নিয়ে ভালর প্রতিষ্ঠা করতে পারা যায় না। বরং তাতে সমাজ থেকে আরও বেশী লাণ্ছনা পেতে হয়।
সক্রেটিস বলেছেন:
ডঃ জিল্লুর রহমানের "তাই নাকি" শব্দ দুটি খুবই যুক্তি যুক্ত ও সময় উপযোগী। যে বড় দুটি দল (+অন্যান্য সব দল গুলোই) দিনের পর দিন সন্ত্রাস করে দূর্নীতি করে নির্যাতন করে মানুষকে জিম্মি করে অপ রাজনীতি করে আসছিল তারা কি করে অধিকাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে ???
লেখক বলেছেন:
তবে তাদের কে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন করতে সরকার কিসের ভয় পাচ্ছে। সমস্যা তো নির্বাচন নয়। সমস্যা হচ্ছে, তারা যে ভূল গুলো এ পর্যন্ত করে এসেছে তা থেকে নিজেদের গা বাঁচানোর জন্যে এই নাটক করে চলছে। এ সরকার বর্তমানে ক্ষমতায় থেকেও, তাদের সহদর উপদেষ্টা যারা ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন তাদের প্রোটেকশন দিতে পারছে না বলে তারা আজ আত্ম গোপন করেছেন। নির্বাচনের পর যখন এদের আর ক্ষমতা থাকবে না তখন এদের কি পরিনাম হবে এই ভেবেই তারা এখন ব্যস্ত। নির্বাচন যদি কিয়ামত হয় উনারা হাসরের দিনের বিচারের কথা চিন্তা করছেন।
আসামী বলেছেন:
উনি তো ভয়ে ঘুমান ই না। ঘুমাইলে যদি আর উঠতে না পারেন। কেন যে এই বুইড়া গুলা এখনও পলিটিক্স করে।
লেখক বলেছেন:
ভাই আপনার মন্তব্যটা বুঝতে পারলাম না। কাকে উদ্দেশ্য করে এই মন্তব্যটা লিখেছেন।
সাধারন বলেছেন:
আসামির কি মাথা গেসে নাকি?হা হা হা
মো: শাহরিয়ার কবির ( রনি ) বলেছেন:
আপনার আলোচনা এবং প্রশ্নত্তর দুইটাই চমৎকার । ধন্যবাদ সুন্দরভাবে প্রশ্নউত্তর দেওয়ার জন্য । সক্রেটিস বলেছেন: ডঃ জিল্লুর রহমানের "তাই নাকি" শব্দ দুটি খুবই যুক্তি যুক্ত ও সময় উপযোগী। যে বড় দুটি দল (+অন্যান্য সব দল গুলোই) দিনের পর দিন সন্ত্রাস করে দূর্নীতি করে নির্যাতন করে মানুষকে জিম্মি করে অপ রাজনীতি করে আসছিল তারা কি করে অধিকাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে ???
ভাই , জনগনই এদের ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি করে এবং এটাই গনতন্ত । এখন আপনিই বলেন কাকে দোষ দিবেন ।
আমার ও প্রশ্ন , উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান কোন গুহার লোক?
এরা বাস্তকে অস্বীকার করে কিভাবে ?
আসাধারন ও ভালো লোক সব সময়ই কি ভাল কাজ করবেন এমন কথা কোথাও কি লেখা আছে ?
আসাধারন ও ভালো লোক যদি কোন কাজ খারাপ করে তবে কি তা ভাল ?????
লেখক বলেছেন:
ভাই দুধ ফাটতে এক ফোটা লেবুর রস লাগে, বিশাল কিছু লাগে না। উনারও সব ভাল উপদেষ্টার টক রসে সব ফেটেফুটে শেষ। এখন রাস্তা ঘাটে সর্বত্র সবাই বলে উনি এখন মস্ত এক বাচাল লোক। এ দেশের মানুষ মইনুল হোসেন, গীতি আরা, তপন চৌঃ-র বাচালতার কারনে অস্তাকুরে নিক্ষেপ করেছে ইনিও হয়ত একদিন কথা আর কাজের মিল না রাখার কারণে সবার মাঝ থেকে হারিয়ে যাবেন। কিন্তু এই সরকারের কিছু ভুল কার্যক্রমের কারনেই হাসিনা খালেদা দূর্ণিতি বোঝা ঘাড়ে নিয়েও মানুষের মুখে মুখে নেতা হয়ে উচ্চারিত হতে থাকবেন।
লেকবাসি বলেছেন:
হারামজাদা জিল্লুর সিপিবির রিসার্চ ফেলো..... এই জন্য ব্লগের কমুনিষ্টরা ক্ষেপছে।
লেখক বলেছেন:
কে কে কমিউনিস্ট ভাই। কমিউনিস্টরা যে অবাস্তববাদী হয় এটা আমার জানা ছিল না। কারণ বাজারে প্রচলিত কথা আছে কমিউনিস্টরা বস্তুবাদী। কিন্তু আমি আমার ছাত্র জীবনে বাম ছাত্র রাজনীতি করতে গিয়ে দেখি এরা স্বপ্নবাদী। মানুষ ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখে, কিন্তু এরা জেগে জেগে স্বপ্ন দেখে, এইবুঝি বিপ্লব ঘটে গেল এবং সমাজতন্ত্র কয়েম হয়ে গেল। এরা সিগারেট আর চুরুট ফুকে লেলিন আর মার্ক্স নিয়ে তর্ক করতে পছন্দ করে, কিন্তু রাজনীতির যে প্রধান কাজ গণ সংযোগ তৈরী করা তা তারা করে না। কমরেড ফরহাদ বেঁচে থাকতে তাও কিছু হতো, কিন্তু তার মৃত্যুর পর সেটুকুও শেষ হয়ে গেছে। আশির দশকে কমরেড জসিম উদ্দিনের বক্তব্য শুনার জন্যে মানুষ গ্রাম গঞ্জ থেকে ছুটে আসতো। জসিম ভাই নেই, জনসভাও নেই।
ওমেগা থ্রি বলেছেন:
এস্কিমোর প্রশ্নের উত্তরে স্বাধীনতা তুমি যা বলেছেন, হাসতেই আছি। স্বাধীনতা তুমি ভাই, গৎবাঁধা বুলি না কপচিয়ে প্রশ্নগুলো বোঝার চেষ্টা করুন এবং উত্তর দেওয়ার জন্য মাসখানেক সময় নিন। তাড়াহুড়ার কিছু নেই।
লেখক বলেছেন:
আপনার হাসি দেখে আমারও হাসি পাচ্ছে এই কারণে যে এস্কিমোর প্রশ্ন এবং আমার উত্তর না বোঝার জন্যে। কারণ এস্কিমোর প্রশ্নে এমন কোন তত্ত্ব ছিল না তার উত্তর এতই কঠিন থেকে কঠিনতর যে যার উত্তর সংগ্রহের জন্যে আমাকে দর্শিনিকদের বই পত্র পড়ে এসে উত্তর করতে হবে। ওর প্রশ্নের কোন বিষয়টি আপনার কাছে বিশেষ ভাবে বিশেষত্ব বলে মনে হয়েছে? মানুষ হাসে দুই কারনে, এক- বুঝে, কারণ তাতে আনন্দ পায়, দুই না বুঝে, তাতে মানুষ নিজেকে পাগল বলে প্রমান দেয়অ
আমার উত্তরের জন্য আপনাকে একমাস অপেক্ষা করতে হবে না। দেশের পরিস্থিতিই বলে দিবে কোনটা ঠিক আর কোনটা ঠিক না। অতএব আমার তাড়াহুড়ার কিছু নেই। অন্যের প্রশ্নের উত্তরে যদি না সন্তুষ্ট হতে পারেন তাহলে আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন।
পলটু বলেছেন:
জামাত/জলপাই হটানোর জন্য সব থেকে বেশি দরকার আওয়ামী-বিএনপি র ঐক্য, তাইলেই সব ডান/বাম বানের জলে ভাইস্যা যাইব
লেখক বলেছেন:
এটা কি সম্ভব? বিএনপি কি জামাতকে ত্যাগ করতে পারবে কখনও? যদি এর কোন ফর্মুলা থাকে তাহলে দেলোয়ার হোসেনের কাছে পৌছানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। তবে আমার মতে এটা কখনই সম্ভব নয়। কারণ এরা সব সময় বাঘ বকরি খেলতে পছন্দ করে।
ওমেগা থ্রি বলেছেন:
আমারও একই প্রশ্ন। এস্কিমোর করা এত সহজ প্রশ্নের উত্তর দিতে আপনার ঘাম ঝরেছে নিশ্চিত। তারপরও পারেন নাই। আবোল-তাবোল বকে গেছেন।যা হোক, ৩০ জুনের মধ্যে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করলে খুশি হব।
লেখক বলেছেন:
আপনার বোঝার ক্ষমতা কতটুকু আমার জানা নেই। আমার সব উত্তর গুলো পড়ে দেখুন সেখানে উত্তর দেয়া আছে। তারপরেও যদি না বোঝেন তবে নির্দ্দিষ্ট করে বলুন আপনি কোন প্রশ্নের উত্তরটি সঠিক ভাবে পেলেন না। তখন আমাকে পুনরায় প্রশ্ন করলে তার উত্তর আমার কাছ থেকে পেয়ে যাবেন। "আমারও একই প্রশ্ন", এটা কোন প্রশ্ন করার ধরন হলো না। আশাকরি আমার এই উত্তরটা ভাল করেই বুঝতে পেরেছেন, আমি কি বলতে চেয়েছি। নচেৎ এটাও আপনার কাছে আবোল তাবোল বলেই মনে হবে। ধন্যবাদ।
আশিক হাসান বলেছেন:
নিজেদের মধ্যে এত ফালাফালি না কইরা একটু রেস্ট করেন । এখনও ডিসেম্বর আসতে আরো ৬ মাস বাকী । খেলা তো হাফ টাইমেই গরায়নি তার আগেই এতো এনালাইসিস কইরা ফেললে তো সমস্যা ।
জামাতী বিএনপি গং আগের ফর্মে আইসা গেছে । আওয়ামী নাটকের এখনও কিছু দৃশ্য বাকী আছে । উপরে সরকার নিচে রাজনৈতিক দল মাঝখানে জনগন ( মানে স্যান্ডউইচ) ।
এখনও চমকের আরো অনেক কিছু আছে বাকী । সবাই ২৩২ তম দিনে লাল দালানে ভীড় করসিলো যদি কারও কপাল খুলে ।
আল্লাহ বাংলাদেশকে রক্ষা করুক ।আর জনগনের চোখে দেখার শক্তি দেক ।
লেখক বলেছেন:
আশিক হাসান: আপনাকে মনে হচ্ছে এখানে সবচেয়ে বিজ্ঞ ব্যক্তি। আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জনগণকে দিয়ে স্যান্ডউইচ বানিয়ে ফেললেন। এই স্যান্ডউইচের প্রস্তুতকারক এবং ভোক্তা কে ভাই?
মমতাজের গানের মতো আমি কেবল বলতে পারি "হাসিনা, খালেদার জন্য আমার বুকটা ফাইট্টা যায়! বুকটা ফাইট্টা যায়!!"
লেখক বলেছেন:
জামাত হলে খালেদার এবং বাম হলে হাসিনার জন্যে ফাটারি কথা। আপনি কোনটা? নাকি ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা?
হা..হা...হা......
লেখক বলেছেন:
ভাই, আমাকে চেনেন কতদিন থেকে?
ওমেগা থ্রি বলেছেন:
স্বাধীনতা তুমি ভাইয়ের মূল বক্তব্য হল-ফাইট্ট্যা যায়, হাসিনা-খালেদা-নিজামীর দুঃখে বুকটা ফাইট্ট্যা যায়..........
লেখক বলেছেন:
ফকরুদ্দিনের সাথে আয্রাইলের কিছুক্ষনের সাক্ষাতকার পড়ে কি এই বুঝলেন? তাই বলেছিলাম, আপনার বোঝার ক্ষমতা কতটুকু এটা আমার জানা নেই। আমার পোষ্ট গুলো পড়ুন তাহলে জানতে পারবেন। যদি জানতে চান। নচেৎ কষ্ট করে লাভ নেই।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। ভাই, আমি কোন পক্ষের নই, কারও জন্যে আমার বুক ফাটেনা। আমি স্পষ্টবাদী, তবে বাস্তবতাকে আমি কখনই অস্বীকার করি না। আমার বিশ্লেষনে আমি চেষ্টা করি প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরার। ফলে এমন মনে হয় অনেককে, আমি কেন অন্যায়ে পক্ষপাতিত্ব করছি। কিন্তু তাৎক্ষনিক বাস্তবতাটা হল এই যে মানুষ অন্যায় অবস্থানটাকেই তার নিরাপদ আশ্রয় স্থল বলে মনে করে। ফলে আমার লিখনীতে ঐ বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তুলার জন্যে আমাকে অন্যায় অবস্থানের সাথে কিছুটা সমঝতা করতে হয়, তবে অন্যায়কে মানসিক ভাবে ঘৃণা করেই সে লিখাকে আগানোর চেষ্টা করি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















