বিডিআর এর প্রায় সকল অফিসার হত্যা করার সুবিধাটা কে পাবে ?
প্রথমে শহীদ সেনা অফিসারদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই । সেই সাথে যে সকল বিডিআর সদস্য সেনা অফিসারদের প্রাণ বাচানোর চেষ্টা করেছেন তাদের শ্রদ্ধা জানাই । আর যারা প্রিয়জন হারি্য়েছেন তাদের সমবেদনা জানানোর ভাষা আমার নাই । তারা যেনো এই বেদনা সহ্য করতে পারে সেই কামনাই করছি ।
বিডিআর-এ প্রেষণে নিয়োজিত ছিলো সেনাবাহিনীর চৌকোস অফিসাররা ।
এই পরিকল্পিত হত্যাকান্ডের ফলে বিডিআর এবং সেনাবাহিনী প্রায় ২৫/৩০ বছর পিছিয়ে গেলো ।
এখন প্রশ্ন হলো সেনাবাহিনীর চৌকোস অফিসাররা নিহত হওয়ায় কাদের লাভ হবে ?
এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড
কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছি না:-
১। রাতে বিডিআর-এর ভিতর বিদ্যুত ছিল না কেন (যখন বিডিআর সদস্যরা পালিয়ে গেলো )?
২। কেনো চারিদিকে কর্ডন না করে বিডিআর সদস্যদের পালাতে দেয়া হলো ?
৩। এখন সীমান্ত রক্ষা করবে কারা ? বিএসএফ নাকি?
৪। সংসদে সেনাবাহিনীর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশকারীরা কি বলবেন এখন ?(অবশ্যই কেউ কোনো সেনা সদস্য দ্বারা নির্যাতিট হয়ে থাকলে বিচার চাইতে পারেন । তাই বলে সেনাবাহিনী একটি প্র তিষ্ঠান হিসাবে নিশ্চয় দায়ী নয় )
৫। বিডিআর-এর অফিসার শূন্যতা সীমান্তে কাদের কাজে লাগবে ?
৬। ঘটনার দিন সকালেই সেনাবাহিনী একশন নিতে পারলো না কেনো ?
৭। খুবই সফলভাবে অফিসারদের প্রতি ঘৃণা ছড়ানো , মিডিয়াকে ব্যবহার, সকল অফিসার হত্যা নিশ্চিত করা , গোয়েন্দা দৃষ্টি এড়ানো (অবশ্যই কেউ না কেউ জানতই ) কিভাবে সম্ভব হলো ?
এখন কি হবে :-
১। কিছু বিডিআর-এর কঠিন সাজা হবে।
যা হবে না:-
১। কারা প্লান করেছে , কখনই জানা যাবে না ।
২। কারা টাকা খরচ করেছে , কখনই জানা যাবে না ।
৩।অত্যন্ত বুদ্ধিমান যে দেশি ও বিদেশী শক্তি এর পেছনে আছে তারা কখনই ধরা পড়বে না ।
এরা বিডিআর-এর সদস্যদের ক্ষোভ কাজে লাগিয়েছে । মিডিয়া এমনকি সরকারকে অন্ধকারে রাখতে পেরেছে ।
কোনো সন্দেহ নাই যারা প্রত্যক্ষ্যভাবে কিলিং-এ অংশ নিয়েছে তারা নিরাপদে সরে পড়েছে ।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



