সৈ য় দ আ ফ সা র
দমে দমে দাম বাড়িয়েছি কষ্টের, অন্যসব নিঃশ্চুপ জেনে নিবিড় ভঙ্গিতে চেপে ধরি বুক-- এবিশ্বাসে স্মৃতি পেল লোপ, ফিরবে কী শিগগির... সুযোগ
না-পেয়ে স্বপ্নের পেছনে; ঘুমন্তশ্বাসে কাউকে নিচ্ছি না একা উষ্ণ-আলিঙ্গনে তাকেও সাক্ষী রাখছি বুকপকেটে শরীরে-লোমে, কিস্তু সুরার ফ্যাসাদে বেশ আড়ষ্টতা জিহ্বায়... চুপচাপ থাকা সহ্য হয় না, দিশে হারা তুমিই বলো ওহো বিগতকল্পনা। তুমি ফিরবে না জেনে খারাপ লাগছে না কারণ, এই প্রথম তুমি একেলা-নিরজনে ছলচাতুরি দিয়ে সাজিয়েছো খাবার টেবিল, কৌশলে
বানিয়েছো রাত্রিভোজ; সদর দরজায় তোমার যাওয়া-আসার ছলে আমার অক্ষমতা আঁচড়ে-পিঁচড়ে আত্ন-বিশ্বাস জমছে না নগ্নবাহুতে
২.
কেউ আমাকে মনস্তাপী করেনি! অন্যকিছু নয়, সক্কলেই রেখেছে গোপন আদরে; অশনাক্ত নসিহতে কেউ প্রবেশিল কি না সে বিশ্বাসে তোকে ছোঁয়া
যাবে না শুনে রাতের গুঞ্জনে বিবর্ণতা জেগেছে বুক অব্দি; তাতে দিন চলে যাচ্ছে দুঃখবোধ দেহের পরতে পরতে তাকে যে বলা যাবে না--- তিরিশের ব্যর্থ দিনলিপি। আদিস্মৃতি খুলে তুমিই বলো আমাদের চুম্বনে ছল ছিল বলে
গাত্রদাহে জমেছে বিষদাঁত; পুরনো জলে।
৩.
আসছে ক্রিসমাসে,এই শীতের দেশে তোকে পাশে পাবো না জানি,আগেও পাইনি বৈশাখ, ফাগুন কিম্বা কদম-ফোঁটা দিনে; আহা! বরষার দিনে পিনে-
পিনে গাঁথছ সৌন্দর্য... কিন্তু সৌন্দর্য মাপা যায় না তাকে উপলব্দি করতে হয়
কারণ বাইরের সৌন্দর্য সাময়িক, ভেতরেরটা চিরদিন শিউরে-ওঠা দারুণ অস্থির...
৪.
জলের যোগসূত্রগুলো স্নায়বিক শ্বাসে ভিজছিল সেদিন, ঝুপরির ভেতর কার লোভে বৃষ্টিও কাঁদে হাত বাড়িয়ে থাকে না-ছুঁলে;স্বপ্নের মহার্ঘে তুমি চোখের তাকত চুষে টপাটপ মুছে নাও লোনাজলে... জল আর কাঁদবে না ওইখানে ঘন্টাকয়েকের জন্য এই পার্বণে কেউ যদি ফেঁসে যায় বেলা গেলে
৫.
শুনছি অগুণতিশোকে ফশ করে সে-ও এসেছিল দেহের আয়োজনে দৃষ্টিরস খুলে ছায়াফুল ফোটে তখন নিশ্বাসে তেতে ওঠে কুঠিলতা; শ্বেতচিহ্ন যত প্রণাম করে রুগ্ন শরীর বেয়ে... হাঁটার ক্ষরণটুকু জমা হতে পারে দূরে দ্বিধা-শুশ্রুষা গুনে; কাছে এলে পরিস্কার বুঝা যায় পুরনো ব্যাপারগুলো কিভাবে ঘটে, সব কিছুর আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকে
৬.
যদি করুণাশ্রু চুষে প্রবোধে বেঁধে রাখি ভুলচোখে,লজ্জায়...গোপন চোখে ফেরার কাঙ্খা লাজে ঢাকতে নেই, অভিমান খুঁটে নিতে পারো অস্থির বুকে
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


