_________________সেলাই গাছের কারখানা _______________________________________

নিভৃতচারি ও প্রচারবিমূখ কবি জাহেদ আহমদ এর আমার ভাললাগা ৫টি কবিতা

১৫ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:১০

শেয়ারঃ
0 0 0



জাহেদ আহমদ কবিতা লিখেন তাঁর নিজস্ব ধ্যান-ধারণা-উপলব্ধি-অভিজ্ঞতা-অর্থব্যঞ্জনায় ঢং-রঙ মিশিয়ে, নানান বিকাশ বৈচিত্রের ঘোরে তাঁর কবিতাকে হাঁটতে শিখান ত্রিকালদর্শী পথে। তাঁর কবিতা পাঠের সবচে’ ভাল লাগার নানাবিধ ভ্রম হচ্ছে চারপাশ থেকে তুলে আনা বাস্তবতার চুড়ান্ত রূপ যেন চোখে চোখে হাসে… যা পাঠককে টেনে রাখার প্রধান মন্ত্র… শার্পটান। তাঁর কবিতায় সুর-ছন্দ-ধ্বনি পাঠককে ভাবায়, ছন্দ যে কবিতার প্রাণ, সুর যে কবিতার ভাব, তাঁর কবিতা পাঠককে সে বিষয়-বস্তুর ভেতর দোলায়, কবিতার ভেতরের গল্প পাঠকের আরো কাছে টানে। শব্দনির্মাণ, শব্দনির্বচন, শব্দবুননে সিদ্ধহস্ত নিভৃতচারি ও প্রচারবিমূখ এ প্রতিভাবান কবি শূন্যদশক শুরু থেকে অনবরত লিখছেন, লিটলম্যাগে তার কবিতা ছাপানোর অনীহা প্রখট। তাঁর জবানি ‘যা লিখি নিজের জন্য লিখি, তা আজো কবিতা কি-না সন্দেহ, সে সংশয় থেকে কোন লিটলম্যাগ সম্পাদককে কবিতা পাঠিয়ে বিব্রত করতে চাই না; আরো কিছু দিন লিখি ভাল লিখলে ছাপতে দেব।’ লিটলম্যাগ খোয়াব, জারুল, উজানগাঁ, অর্কিড ছাড়া আর কোথাও তাঁর লেখা চোখে পড়েনি।

শূন্য দশকের প্রতিভাবান এ কবিকে সংকলনবন্ধি করেছেন- সোহেল হাসান গালিব সম্পাদিত প্রথম দশকের নির্বাচিত সংকলনে, এবং অনন্ত সুজন সম্পাদিত প্রথম দশকের নির্বাচিত কবি ও কবিতা সংকলনে।

শূন্য দশকের নিভৃতচারি ও প্রচারবিমূখ প্রতিভাবান কবি জাহেদ আহমদ-এর আমার ভাললাগা
৫টি কবিতা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

কবিতা নিয়েই সারাক্ষণ নিজের বোধের ভেতর এক ধরণের নৈঃশব্দিক স্পর্শ অনুভব করি। হাতের কাছে, চোখের সামনে যা পাই পড়ি। ভাল লাগে আনন্দ পাই। ক্লান্তি আসে… কবিতার ভবিষ্যত ভাবনা আমার তেমন নেই, কবিতা পড়তে ভাল লাগে তাই বারবার পড়তে ইচ্ছে জাগে। কবিতা গুলো
আপনাদের ভাললাগা, না-লাগাটুকু বলুন; আর আমি পাঠ করি অশোক মিত্রের- কবিতা থেকে মিছিলে



পা
কারো কারো পায়ের গোছায় সহসাপ্রকাশ দেখে
রোপিত ধানের চারা নিয়ে মনে বেশ আশা জাগে

আর ভাবি এইবার ত্বরাত্বরি বর্ষা এসে যাবে

স্বীকারোক্তি
আর আমি রোদে ভিজি
বৃষ্টিতে পুড়ি
জ্বর হলে ফুরফুরে থাকে খুব
মেজাজ শরিফ
পাখি দেখলে বেড়ে যায় হৃদকম্পন
পাতার সুরতে কল্পনা করি
প্রেমিকার অবয়ব

আর যারা মাতৃভাষা ভুলে গিয়ে
ব্রজবুলি শেখে
শবেবরাতে তারা দেখি বহুত কামিয়াব

ছেঁউরিয়া যাইনি কভু
তবু আমি লালনের চ্যালা
কোন গুপ্ত ইশারায়
পরিচিত পাখিটিকে ডাকি রোজ
কায়মনে তসবিদানায়


তুক্কুত্
তুক্কুতধ্বনি দিয়ে দিয়ে
মুখে ফেনা উঠে এলো
খুঁজে তো আসে না তবু
চিমটি-কাটা কিশোরী কোনো ফ্রক কি’বা
আধা-পাতলুন পরিহিত
পরানশত্তুর মম থুতু-নিক্ষেপক

ক্ষণে ক্ষণে বাঁশঝাড় ছড়াতেছে শুধু
আরো কিছু নিঝুম পালক

দৃশ্যপটে আজ খালি
কামজ কামিজ আর ত্বকচিপা পুরো-পাতলুন
আমি কাকে ডাকি?- নিসর্গ নিঃসাড়া

খানিক বাদেই শুরু হবে ঝিঁঝি-জপ
বাঁশবন বেষ্টনী দিয়ে নামবে শাদা জ্বিন-পরী
-ঘনায়মান তাতিবের ওয়াক্ত…

ও ফ্রক, ও হাফপ্যান্ট
আমি এইখানে!

বালিশ
এত যে বৃষ্টির দিগদারী
এই টিনশেড ঘরে
আমি তন্দ্রাছেঁড়া তন্ময়তায় শুনি
পাশ-বালিশের গান
তার চোরা অভিমান
চৈত্রে ওড়া পেঁজা-পেঁজা শিমুল-শৈশব

মাঝে মাঝে আমিও শোনাই তাকে
মর্ম থেকে তুলে এনে
দুটো-একটা তীর
বর্ম পরে বসে-থাকা বন্ধুদের মুখ
আর আলগোছে ঘাড় তুলে চেয়েছিল
-ঘুমপাখি, পাতাচোখ

বর্ষা
রোজ দেখি মেয়েটিকে
আমাদের আঙিনায় ঝরে
অন্ধ ভালো বোঝে তার নৃত্য-তৎপরতা
তার মুদ্রা কদমের গোল ঘিরে-থাকা
মৃদুদেহ শাদা বর্শাফলা

আর তার তোড়া-তোড়া কথা- কথামালা
যেন জগজিৎ-চিত্রার জগৎ, গান
ঢুকে পড়ে কুহরে কর্ণে বালিশের বুকে

বধিরতা ঘন হয় আরো
দিনরাত বিবশতা অশ্বনিদ্রা বাড়ে
ভুল হয় পুনঃপুনঃ
কাল-ক্যালকুলেশন

সব নাকি ঋতুদোষ- লোকে বলে



 

প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিষয়ক গদ্যভাললাগা কবিতা,গল্প,প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:২০
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন: পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। স্বীকারোক্তি টা অনেক ভাল লাগলো।
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন:
পাঠ করার জন্য আপনাকে সাধুবাদ।
ভাল থাকুন।

২. ১৫ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:২৭
সৈয়দ নাসির আহমেদ বলেছেন:

রোজ দেখি মেয়েটিকে
আমাদের আঙিনায় ঝরে
অন্ধ ভালো বোঝে তার নৃত্য-তৎপরতা
তার মুদ্রা কদমের গোল ঘিরে-থাকা
মৃদুদেহ শাদা বর্শাফলা

পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৩৮

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকেও...
ভাল থাকুন।

৩. ১৫ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৩৭
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। প্রতিটা কবিতা বেশ সুন্দর।
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন:
বন্ধুর কবিতা গুলো পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন, আপনি।

৪. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:২১
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: তার কবিতা কি আগে পড়েছি ?
হয়তো বা। নতুন করে পড়া হলো।

কিছু শব্দ আছে যাতে মিশে আছে মাটির মায়া ..........

ব্রজবুলি

তুক্কুত্

ঝিঁঝি-জপ

দিগদারী
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৪২

লেখক বলেছেন:
আপনার সাথে সহমত...
ইলিয়াস ভাই, আপনাকে সাধুবাদ।
ভাল থাকুন।

৫. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
দিব০০৭ বলেছেন: কবি জাহেদ আহমদ আমার কাছে অচেনা, আমি কিছুটা বিব্রত কিছুটা লজ্জিতও বটে। এই কবি্কে আগে আবিস্কার করিনি কেন! আসলে প্রচারপটুদের দাপটে প্রকৃত সারস আসলেই উড়ে যায়। প্রতিটি কবিতা আমার হৃদয় ছূঁয়ে গেছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আরেকটু বলি, আপনি একজন প্রকৃত কবির কাজই করেছেন এই বদান্যতাটুকু নিজেকে জাহিরের যুগে সত্যিই বিরল।
১৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন:
কবি জাহেদ আহমদ আমার ভাল বন্ধু... পরিচয়২০০৩ এর প্রথমভাগে, চমৎকার উচ্চারণ ভঙি এবং গভীর বোধ ও দৃষ্টি তাঁর। ইংরেজী সাহিত্যে
পড়াশুনা শেষ করে একটি এনজিওতে কর্মরত... তাঁর কবিতা পাঠ শেষ
হলে আমার সারাদিনের ক্লান্তি হারিয়ে যায়। অনুবাদেও সিদ্ধহস্ত। আশা একটি অনুবাদ ব্লগে দেব।

আপনি ভাল থাকুন।

৬. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬
শাহনাজ সুলতানা বলেছেন: ছেঁউরিয়া যাইনি কভু
তবু আমি লালনের চ্যালা
কোন গুপ্ত ইশারায়
পরিচিত পাখিটিকে ডাকি রোজ
কায়মনে তসবিদানায়
আফসার, এই কবিতাগুলি অসম্ভব ভালো লেগেছে। তোমাকে ধন্যবাদ।
১৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন:
পাঠের জন্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন।

৭. ১৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:২৯
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
রোজ দেখি মেয়েটিকে
আমাদের আঙিনায় ঝরে
অন্ধ ভালো বোঝে তার নৃত্য-তৎপরতা
তার মুদ্রা কদমের গোল ঘিরে-থাকা
মৃদুদেহ শাদা বর্শাফলা

আর তার তোড়া-তোড়া কথা- কথামালা
যেন জগজিৎ-চিত্রার জগৎ, গান
ঢুকে পড়ে কুহরে কর্ণে বালিশের বুকে

বধিরতা ঘন হয় আরো
দিনরাত বিবশতা অশ্বনিদ্রা বাড়ে
ভুল হয় পুনঃপুনঃ
কাল-ক্যালকুলেশন

সব নাকি ঋতুদোষ- লোকে বলে
-----------------------------------------------

এইসব ভালোলাগে
----------------------------
শেয়ার করার জন্যে ধন্যবাদ, কবি
++
৯. ১৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:০৩
আমি ও আমরা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, তার কবিতা আমার পড়া হয়ে উঠেনি আগে।
১৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন:
ভাল লাগাটুকু জেনে ভাল লাগল।
ভাল থাকুন।

১০. ১৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৩৩
দিব০০৭ বলেছেন: প্রিয় কবি, আমার মনে হয় আপনার কাছে অনেক অপ্রর্দশিত হীরকখন্ড আছে, আশা আপনি একে একে এদের আমাদের প্রদর্শন করিয়ে ধন্য করবেন।

আপনার মঙ্গল কামনায়...
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:১৯

লেখক বলেছেন:
জ্বী, তাই ভাবছি।
আপনাকে আরো একটি সুসংবাদ দিয়ে রাখি, জুলায়ের প্রথম সাপ্তাহে অনলাইনে আসছে আমার তত্বাবধানে বাংলাদেশের প্রথম লিটলম্যাগ ওয়েবজিন "অর্কিড" যাতে আপনি অর্কিড পুরাতন সংখ্যা গুলোসহ নতুন অনেক বিষয় আশয় থাকবে।
আমার জন্য একটু দোয়া করবেন।

ভাল থাকুন।

১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: জ্বী, তাই ভাবছি।
আপনাকে আরো একটি সুসংবাদ দিয়ে রাখি, জুলায়ের প্রথম সাপ্তাহে অনলাইনে আসছে আমার তত্বাবধানে বাংলাদেশের প্রথম লিটলম্যাগ ওয়েবজিন "অর্কিডে" আপনি/ আপনারা অর্কিড পুরাতন সংখ্যা গুলোসহ দেখতে পারবেন, আরো নতুন অনেক বিষয় আশয় থাকবে।
আমার জন্য একটু দোয়া করবেন।

ভাল থাকুন।

১১. ১৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৪৭
কাজল রশীদ বলেছেন:
মকসুদের সাথে ফোনালাপে বিস্তারিত জানা হল,
অবশ্যই মন্তব্য লেখার আগে ড্রাফ করা উচিত ছিল।
রওশন নগরে ভালো থাকুন.............................
১৭ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:০৯

লেখক বলেছেন: কাজল ভাই, স্রোতচিহ্ন নিকে যেই এসেছিল তাঁকে ব্লগ করা হয়েছে।
সে আমার বক্তব্যকে ভুল রূপে সবার সামনে উপস্থাপন করে ছিল।
তাঁর সাথে আমার কথা বলার রুচি জাগেনি বলে সেদিন তাঁর ওইকথা গুলোর জবাব দেয়া হয়নি। কারণ তাঁকে বলেছিলাম যদি স্বনামে সে কিছু বলে তবে আমি জবাব দেব।কিন্তু সে সাহস হয়ত নেই, হাওয়ার সাথে কথা বলে লাভ কি বলুন?
আমার কথা ছিল এরকম---" তবে হ্যাঁ বিলেতে এখনও জোরালো ভাবে লিটলম্যাগ আন্দোলনের ক্ষেত্র তৈরি হয়নি, তবে যারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাও-বা কম কিসে? আমি তো নতুন সূর্য উদিত হবার আশায়
আছি।"
তার ভেতর কি (শব্দপাঠ, ধীস্বর, ভূমিজ, আদিকাকতাড়ুয়া,
লোকন, কবিতাপত্র) পড়ে না?

আর আমি মন্তব্য লিখার আগে কখনও ড্রাফট করি না, এক ধরণের বিব্রত বোধ জাগে... এই যা...

আপনি ভাল থাকুন।

১২. ১৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২১
অদৃশ্য বলেছেন: আফছার ভাই.................কবি জাহেদ আহমদ এর কবিতা আগে পাঠ করবার সুযোগ হয়নি। প্রত্যকটি লিখায় বেশ ভালো লেগেছে।


শেয়ার করবার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
১৭ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:১১

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাল থাকুন।

১৩. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৫
নাজনীন খলিল বলেছেন: কারো কারো পায়ের গোছায় সহসাপ্রকাশ দেখে
রোপিত ধানের চারা মনে বেশ আশা জাগে

আর ভাবি এইবার ত্বরাত্বরি বর্ষা এসে যাবে


কবিতাগুলো চমৎকার ।এর আগে আমিও পড়িনি এই কবির কোন কবিতা।পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

শুভেচ্ছা।
১৭ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:১২

লেখক বলেছেন:
পাঠ করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাল থাকুন।

১৪. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৪০
প্রেসিডেন্ট মামা বলেছেন:
@ দিব০০৭ তাঁর সাথে একমত--- কবি জাহেদ আহমদ আমার কাছে অচেনা, আমি কিছুটা বিব্রত কিছুটা লজ্জিতও বটে। এই কবি্কে আগে আবিস্কার করিনি কেন! আসলে প্রচারপটুদের দাপটে প্রকৃত সারস আসলেই উড়ে যায়। প্রতিটি কবিতা আমার হৃদয় ছূঁয়ে গেছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আরেকটু বলি, আপনি একজন প্রকৃত কবির কাজই করেছেন এই বদান্যতাটুকু নিজেকে জাহিরের যুগে সত্যিই বিরল।

তাঁর কবিতা আর কোথায়ও চোখে পড়েনি...
চমৎকার কাজ...
ধন্যবাদ।
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন:
আপনাকে ও ধন্যবাদ।

১৫. ১৮ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
কাজল রশীদ বলেছেন:
প্রথমে আমার পরিচয়টা বলি, আমি কবি সাহিত্যিক নই,
ছোট্ট একটি প্রকাশনার প্রকাশক, কবি বন্ধুবেষ্ঠিত সমাজের সাধারণ পাঠক।আপনি বলেছেন-বিলেতে লিটিলম্যাগের ক্ষেত্র তৈরি হয়নি। এই কথাটা অনেক পুরোনো । যখন শাহবাগ কেন্দ্রিক,দশক বিভাজনকারী বরণীয় কবিরা (বৈধ্য, অবৈধ্য)লন্ডন আসলেন, লিটিলম্যগ আন্দোলনের ঝান্ডা হাতে নিয়ে মিছিল করলেন প্রতপ্ত বাক্য শুনালেন, মৃত্তিকার কবিরা আশান্নিত হলো, এবার কিছু একটা হবে। কিন্তুু কাজের কাজ কিছুই হলনা, শূকরের পালের মতো কাঁদা ছুড়াছুড়িতে লিপ্ত হলেন। ব্লগে ঢুকার পর জানতে পারলাম এখনো কাঁদা ছুড়াছুড়ি পর্ব চলছে...........

আন্দোলনটা না হয় শূন্যতে শুরু করুন,
নতুন সূর্য উদিত হবার আশায়........

২২ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১৯

লেখক বলেছেন: ...
ভাল থাকুন।

১৬. ১৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১
তানভীর রাতুল বলেছেন:
এইতো জমছে...তবে সাহস কইরা আসেন সবাই ওমুক তমুক বহুবচনের নাম ব্যবহার বাদ দিয়া দেই,
পাঠক সমাজ ব্যাক্তিগুলার প্রকৃত নাম জানতে আগ্রহী
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন:
বন্ধুবর...!
ভাল থাকা হউক।

১৭. ২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:৪৮
মাঠশালা বলেছেন:
নিভৃতচরিতা ও প্রচারবিমূখতা কি কবিদের বিশেষ কোন গুণ মনে করেন?
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: নিভৃতচারি, প্রচারবিমূখ হওয়া গুণ ও নয়, আবার দোষেরও কিছু নয়।
নিভৃতচারি, প্রচারবিমূখ বিশেষণটি যে ব্যক্তির উপর চাপিয়ে দেয়া হয়,
বা হল,তিনি নিজ থেকে তো আর এই তকমা এঁটে দেননি।
আবার যিনি খুব প্রচারমূখর বা প্রচারপটু তিনিও তো তাঁর তকমা
বলে দেননি, দুটিকেই কেনো আমরা আলাদা করে, আলাদা চোখে দেখি?
হয়ত আমরা দুজনই একই সিদ্ধান্তে পৌঁছাবো, বিচার বিশ্লেষণ করবো,
আমরা যা ভাবি তা আমাদের পাঠ থেকেই ভাবি।
তাঁদের সে গুণ,অবস্থান,স্বভাব থেকে আমি/আমরা তা বলি।
একটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে, তা থেকে বিষয়টি পরিস্কার হবে,
সে আশা করাই যায়।
একই কাজ যদি একজন চর্বিযুক্ত লোক(যাকে আমরা স্বাস্থ্যবান বলি)তিনি যে
মেধা,কর্মদক্ষতা,কর্মক্ষমতা দিয়ে তাঁর কাজটি করবেন, একজন হালকা গঠনের
লোকও তাঁর মেধা,কর্মদক্ষতা,কর্মক্ষমতা দিয়ে সে কাজ করতে পারেন,
তো দুজনইতো তাঁদের কাজটি সুচারু রূপে করেছেন কিন্তু দেখা দেখা যাবে
দুজনের কাজের সৌন্দর্য দুই রকম। আমরা ক্ষিধা মিটানোর জন্য ভাত খাই,
ভাত খাওয়ার জন্য একটু বসার দরকার,বিচানায় জানু পেতে বসে খাওয়ার যে
আনন্দ তা যেমন চেয়াবে বসে পাওয়া যায় না, আবার ভাল লেখা পাঠ ছাড়া
আমাদের মন ভরে না।অনেকেই ক্ষিধা পেলে বার্গারও খান; বার্গার খেতে হলে
যেমন জানু পেতে বসার জায়গা খোঁজার প্রয়োজন পড়ে না, তেমনি কাজের
ফাঁকে-ফাঁকে বার্গার খাওয়াও হল আবার কাজও হল… চলছে তো ভাল
আমাদের বর্তমান পাঠেরও একই অবস্থা!
কিন্তু কথা হচ্ছে ভাত,বার্গার খাওয়া হয়েছে ক্ষুধা মিটানোর জন্য, যেমন আমরা পাঠ
করি মনকে জাগানোর জন্য, কিন্তু কতটুকু হল?
এটাই আমার পর্যবেক্ষন।তারচে’ বেশি জানি না
জীবনানন্দের সেই কবিতার লাইন—“মুদ্রা নিজে মুদ্রাদোষে হতেছি আলাদা”
আলাদা ব্যাপার আছে বলেই পৃথিবী সুন্দর!
বন্ধুর প্রতি মমতাবশত আমার পর্যবেক্ষনটি আমি নিজেই প্রকাশ করেছি।
দীর্ঘদিন একসাথে চলাফেরা কোলাহলহীন পথে প্রান্তকে হাঁটা… শেষ বিকেলে
নীরব কোন উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় বসে শেষ সূর্যান্ত দেখা,
নদীর পাড় ঘেঁসে জলের কলতান শোনা, কখন যে ফিরতাম আমাদের জানা
ছিল না, আর তার লেখা প্রকাশপ্রসঙ্গ তো আগেই বলেছি।
তার সাথে ঘুরে-ফেরে আমার এটুকু উপলব্ধি হয়েছে যে, সে শুধু লেখা প্রকাশে প্রচারবিমূখ,
বা নিভৃতচারি নয়।
তার সব কাজে কর্মে সে নিভৃতচারি, প্রচারবিমূখ ওঠা তার স্বভাব।
জুবেরী আশা আপনাকে বুঝাতে পেরেছি।
প্রত্যাশা-
ভাল থাকুন।

১৮. ১৮ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:২৩
রাকিবুল হক ইবন বলেছেন: এখন তিনি কিছু গদ্য লিখছেন, তা জানেন কী, তবে তা জানলেও তা ছাপার কাজ আমি করছি(অলরেডি কম্মোজ শেষও পায়) ফলে আমাকে নিরাশ করে তার গদ্যের সংবাদ পাওয়া শেষে একজন মানুষ হিসাবে অনুরোধ করলাম আমার আগে ছাপবেন-না আর সে আমারও বন্ধু, আমাকে নিয়ে মানে আমার লেখা তিনটি গ্রন্থ নিয়ে আমার ব্লগে তার লেখা গদ্যটা পড়ুন, প্লিজ। আর আপনি বোঝেন-ই তো তার লেখা আমরা কতখানি পছন্দ করি....একটি প্রবন্ধ আর তার সঙ্গে একটি যৌথ বই করছি.././আশা করি তার ভিতর দিয়ে তার প্রতি ভাললাগা আরো মজবুত ভাবে প্রকাশিত হবে।...আমিও শুন্যের কবি..
১৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৪৫
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন: ইবন, আপনি হয়ত কোথাও ভুল করছেন। কারণ জাহেদ আহমদ গদ্য লিখেন জানি ছাপাতে দেবে বলে আমার মনে হয় না।
খুবই প্রচারবিমূখ মানুষ সে। তার বাড়ি সিলেট।
এখন আপনি ভেবে দেখুন, কার কথা বলছেন।
ভাল থাকুন।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৪১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
''কিছুতেই আজকাল মানু্ষের
চোখের দিকে তাকাতে পারি
না-লজ্জা করে! ভিতরে কেবলই
প্রাসাদ ভেঙে পড়ে, কেউ শোনে
না: আমি সারাক্ষণ পঙ্গু, অর্থব...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ