বিবৃতিগুচ্ছ ১
সৈয়দ আফসার
ব্যথার বিপরীতে দেখি ‘চারদিক্ জুড়ে কালো-কালো চোখ’ আমি নিশ্চুপ! তোর খেদমতের পর কামুক চোখ হেফাজতে রাখি… রইদে আশা পুষি আর আনন্দ পাওয়ার উৎস খুঁজতে দেখি সারি-সারি প্রবলেম,অসুখ! অনেক জায়গা খালি, আমারও অরুচি। শুধু তোর তাকানোর টাইম নেই হলুদিয়া
পাখি... তোর সামনে দাঁড়াই,শীষ শুনি,নিজের ছায়া মাড়িয়ে হাসি;বাদবাকি ঘাসে ফেলে আসি কখন ফুটবে সে, আমাকে দেবে নতুন চাকুরি। শীত! অরে-শীত! শীত-রে! তোকে বুকে চেপে সময়শাসন লিখতে শিখতে মরে যাওয়ার জন্যই বাঁচি! তুই যে বলিস্ বালক হৃদয়ে একা দাঁড়িয়েছি ভাবিস্ অন্য আপদ্!
এই যে পঁচিশে এসে উনত্রিশের আর মাত্র ক’দিন বাকি শীতের দেশে! সর্বনিম্ম মাইনাচ ৫ডিগ্রি তাপমাত্রা শরীর ঘেঁষে কাঁপানো শীত লাই পেয়ে পেয়ে বিনা বাঁধায় জামার ফাঁক-ফোঁকরে হাঁটে তা কি সহ্য হয় সিগ্রেটের শেষ টানে। সিগ্রেট শেষ হলে হাতে হাত ঘষি ব্যথা-আনন্দের সাথে কোলাকুলি করি, এপাশ ওপাশ দেখে তর্ক জুড়ি, তারাও কথা কয়, হাসায়-ভাসায়
একছাদে ৭/৮ জন সহকর্মী যারা সাপ্তাহে অন্ততঃ বার দুয়েক যাওয়া-আসা করে চায়নাটাউনে ব্রথেলসন্ধ্যা-পাড়ায়। মাঝে-মাঝে আমাকেও লোভ দেখায়; কখনও যাইনি হয়ত তাই অনিদ্রা আমাকেও ঘুমের বড়ি পাঠায়। শীতের দেশে এসে কখনও ছুঁয়ে দেখিনি ‘শ্বেতাঙ্গিনীরকালো স্তন’ তাদের বলি- গর্তে ঢুকে কুসুম-গরম-জল কি বুঝে-শুনে ল’ন? নাকি ব্রথেল পাড়ায় গলিয়ে পড়া কনডমের চপচপে জলে ধপাস… আরাম লড়েচড়ে ছাড়েন!
এক সময় মারামারি ওভাকন-মায়াবড়ি আমার বন্ধুর পুরনো প্রেমিকা ছিল, ‘যেন গতযৌবনার যোনি।’ এখন ওসব কথা-টথা বললে চশম রাঙিয়ে চুপ হতে বলে; তারও নাকি আছে প্রেষ্টিজ-সোসাইটি!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



