somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বৃষ্টি, বৃষ রাশির বালিকাটি

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সৈয়দ আফসার
আবছায়া
জলে ভাসে জল, চোখ হয় লীন
রহস্যে ঘিরে রাখো সব, স্থির থাকে মায়া
রাত্রি গভীর হলে ঘুরে আসে যে মুখ
সে কি তুমি?

দক্ষিণে সমুদ্রমহাল, উত্তরে আবছায়া...

চিহ্ন
কত আগেই তো বন্ধক রেখেছো শরীর
শুধু দ্রবণের ক্ষরণটুকু বাকি, মুঠোভর্তি খাম
তাই রক্তে লবণ চুষে খায়; মুঠো খুলে দেখি
আমার স্বপ্ন আঁকা পাখিদের ঠোঁটে

গাছ গোপনে রস টেনে নেয়
পাতা মেলে ধরে তার করুণ স্মৃতি
স্বীকার করি— আপত্তি যত সময় আর সুতোর ধারে
অনিদ্রায় আঁধার ঘনালে তুমি দেখি বহুক্রোশ দূরে

অন্ধ
চোখ বুঁজে অন্ধের ভান ধরে থাকি
দেখি অন্ধ হলে, চোখ কোথায় পালায়
হাতের আঙুলগুলো প্রসারিত হলে দেখি
নিশ্চুপ তুমি— দাঁড়িয়ে থাকা গাঁদাফুলের টবে

অন্ধকার নিরবতায় ঢাকা! দূরে রঙ-তুলি
ফলে
জলে কাটে জল ডরভয় জাগে, শরীর মৃদু কাঁপে
চোখে খুলতে ভয় হয়— চোখ যদি ফেটে যায় জলের তাপে

সময়
সময় উড়ে যায়, নদী কথা বলে
এ দৃশ্য মিশ্রিত হলে, হয়ত পাস্তরিত হবে
ভেসে যাওয়া স্রোত কিংবা ডুবাজলের ধারে
আমি চরে ভাসি দূরত্ব মেখে
তুই দাঁড়ালে নদীও হাসে— ভাবনা ফুরালে

লাল-নীল-বেগুনী হাসি পদে-পদে তিরস্কার করে
আমিও তার দানা খুঁটে খাই, চিবুতে থাকি ধীরে
দৃষ্টি ফেরালে কেউ চোখ মোছে, কাজল মেখে
কেউ জড়িয়ে ধরে নদী— স্রোতের বিপরীত স্রোতে

সম্ভাবনা
চৈত্রমাসে পলাশ ফোটে পাতার বর্ণ হয় ধূসর
ভ্যাপসা গরমে তৃষ্ণার্ত আমি কামনা করি বৃষ্টির
আশায়-আশায় স্বপ্ন জাগে তাকানো যে দৃষ্টিকাতর

ঝরের গতি বেড়ে গেলে গাছগাছালির করুণ সুর, মর্মর
বৃষ্টিতে কার না ভালো লাগে, ভাবনা জমা অষ্টপ্রহর
ছায়াকে যখন কামনা করি— হেসে ওঠে রোদের প্রখর

আবার যখন তৃষ্ণার্ত হবো ঢেলে দিও জলের আদর
চোখের জল শুকিয়ে গেলে জমা পড়বে লবণের স্তর

নাকফুল
আজ মেঘে মেঘে হাসছে আকাশ
কাঁদছে ফর্শা বাতাসের সই
কাল তার চোখে দেখি শ্রাবণের ঢল
ঘনঘোরে কাঁপছে জানালার কাচ
ফলে উদ্দেশ্য যত ফুটে ওঠে দানাবাঁধা মোহে
স্বপ্ন হারালে বুঝি উড়ে যায় আউলা চুল
মৃদু মন্ত্রে ঘামছে শরীর, দুলছে নাকফুল

মেহদির রঙ
বৃষ্টিতে ঝরে পড়ো, ভেঙে দাও দাগ
নির্বাক চোখে
স্বীকার করি স্বাভাবিকভাবে তুমি—
তুমি যেন দেহজাগা গাছ
ত্রত যে ঘুরে এসো আড়াআড়ি পথে
পথে যে রয়ে যায় সংশয়— নিস্পৃহ রীতি

নামবো কি জলে উড়ু হাওয়া বলুক
পাপড়ি ছিটানো হলো কার বিপরীতে, ফলে
বৃষ্টির দু’হাতে আজ দেখি মেহদির রঙ

মেঘ বৃষ্টি বরিষণ
যেতে যেতে______________বাঁধা পথে
________যারা চিনেছি জীবন
জেগে ওঠে _____________তোর ঠোঁটে
__________ একই সহমরণ
থিতি জনা _____________যত কণা
_______ফিরে আসে যায় চোখে
মানুষ কি ______________বন্য নাকি
_______এসিড ছুঁড়ছে মুখে
গূঢ় কথা ______________ঝরে পাতা
______ ঝরে যায় যত স্মৃতি
রোদ ছায়া_____________কত মায়া
_______মানুষ আর প্রকৃতি
যত আশা______________চোখে বাসা
_______একা চলে একা উড়ে
বাড়ি ফেরা_____________ভ্রান্ত যারা
_______চলে গেছে যারা দূরে
যেতে যেতে____________বাঁধা পথে
________থামা হবে একদিন
বহুদূরে ____________ যারা ফিরে
________মেঘ বৃষ্টি বরিষন

২০শে জুলাই ২০০৫
তোর কান্নার জলকণাগুলো থরথরিয়ে কাঁপছে
চশমার ফাঁকে
চুষে নিতে পারেনি মোলায়েম গালের তিল
আমি কখনো তোর কান্নামুখ দেখতে চাইনি
তাই অশ্রু ছাড়া আর কিছু গোপন করিনি

তবে আজ কেন তোর চোখে গড়িয়ে পড়বে জল
মুছে দিতে মানা করলে, ছুঁড়ে দিলে অসংখ্য ফরিয়াদ

জল ও গুহামুখ
জল তুমি গড়িয়ে পড়ো চৈত্রদাহ রোদে
দেখো আমার চিবুক রাখা বৃষ্টির ঠোঁটে
আরো কিছুদিন তোমার চোখের গোপনতা
দেখতে যাবো যে যা-ই বলুক, অত-শত বুঝি না

জল তুমি উড়ে এসো শ্রাবণধারায় বাধা দেব না
২.
তুমি যাও দূরে ওই দূর বনস্পতির দেশে
আমি তো বেশ আছি, ভালো আছি—
ডুমুর সেজে
স্মৃতি যত পাথর চাপায় দুলছে ডালে-ডালে
তবু স্মৃতির নিকট হয়ে গেছি বিমর্শ তালগাছ
তাই প্রতি মুহুর্তে মুখ লুকাই গুহার ভেতর

বরফজল
জল কেন তবে বরফ হয়ে যায়
আবার দেখি বরফ জলে ভেসে থাকে
বরফ-জলের কি এমন সম্পর্ক যে,
বরফ গলে-গলে জলে মিশে যায়—

সে-প্রশ্নের উত্তর জানা নেই বলে
জলের দিকে হাত বাড়ায়ে দেই, বোধে নির্বোধে
জলের ভাঁজে-ভাঁজে স্পর্শের দানা, মায়া
তুমি ঠিক দেখে নিও আমাদের দেখা হবে
কথা-টথা হবে জলের কাছাকাছি এলে

অনুকরণ
যাবার যে রাস্তা দেখছো
সে পথ ধরে হাঁটো… আর শেখো—
চেয়ে দেখো হয়তো কারো পদচিহ্ন
রয়ে গেছে পথে
যদি খুঁজে পাও তাকে তুমি থাকে অনুসরণ করো
বাকিটুকু মনোবলে রাখো, চোখ ভরে দেখো

তুমিও তো অতীতে ফেলে এসেছো কত পদচিহ্ন
যদি পারো পেছন ফিরে দেখো; আস্তে-আস্তে খুঁজো

রঙ
আমি অকারণে আঙুলের ফাঁক থেকে
ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখেছি জল ছোট-বড় পাতায়
এতে প্রকাশিত হতে দেখি বহু বিষয়, নানান কথা
তাই ফানকচুর পাতায় রেখেছি অশ্রু, আরো কিছু গ্লানি
ফলে নীরবে প্রতিশ্রুতিতে ফুটছে অস্থিরতা, স্বভাবসংকেতে

তাতে দুঃখেরও যদি বহুবিধ আকার থাকে, পরিতাপের
আকার ধরে দূরে চলে যাও, তবে দুঃখের কি নাম দেবো?
জানি না; এখনও পরিতাপের নাম দেয়া যেতো অনেক…
আর আমি যে-জল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখেছি পাতায়
তার কোন রঙ নেই বলে অশ্রুর রঙও কখনো পরিবর্তন হয়নি
পরিবর্তন হয় না

দূরত্ব
স্নানঘর সম্পর্কে আমার কৌতূহল খুব কম আর জল পড়ার শব্দ শুনতে
কার না ভালো লাগে; কখনো বৃষ্টির শব্দ ঘুম পাড়িয়ে দেয়, অনিচ্ছায়…
কখনো বৃষ্টি আর জল পড়ার শব্দ নৈঃশব্দে বাজে

যখন ভাবি বালতি আর মগের জল-ব্যবধান আড়াই ফুটের বেশি হবে না
আর ঝরনার চোখগুলো আমার দিকে চেয়ে আছে টলমল চোখে, কিন্তু জল
আর আমার দূরত্ব মাত্র দেড় ফুট তারচে’ বেশি হবে না

বাতিঘর
যতই স্পষ্ট ছিল বাতিজ্বলা ঘর, বাকিটুকু ছিল শুধু রাতের নীরবতা
তারচে’ রহস্যঘেরা ছিল তোমার হাসিঝরা মুখ আর আড়ালে থাকা
আনকোরা মায়া, কথা।কতবার নতজানু ভাব নিয়ে ঝরাপাতার মতো
ঝরেছে রাতের প্রত্যাশা। তাই বৃষ্টির অন্তরালে চোখ পাতা ছিল…
সহেছি বিজন ব্যথা

২.
বাতিজ্বলা ঘর আলো ছড়িয়েছিল বলে আমাদের কাবু করতে পারেনিঠিকই, আমি তো দেখেছি তোমার শরীর থেকে উড়ে গেছে বাতাস,
যেন মৃদু আলোর খেলা। আর আমি আলোর ভেতর রোপন করেছি গোছা-
গোছা স্মৃতির চারা…টের পাইনি যেন আমার পাশে শুয়ে আছে চেনা সেই রাতের নীরবতা

এক কাপ চা
আজ সবাই সহর্ষ সঘন রাতে কোন জল পান করে, কোন জলে বেশি আশা
জাগে… কতটুকু জলপানে মিটেছে পিপাসা।আর তুমি জলের পরিবর্তে আমাকে ঋণী করে ফেলেছো এককাপ লাল চায়ের কাছে। ভাললাগা অতিশয় প্রচল— প্রবাদ…ভালবাসা হতাশাযোজক… ভিন্ন অনুভব হতে পারে,ভিন্ন অনুভব যেতে পারে বলা? সে বোধটুকু জানা নেই, স্বরণে আসেনি কভু মনে পড়ে অবেলায় গেয়ে-ওঠা তোমার সুরেলা গানের কলি, গলার স্বতঃস্ফূর্ততা…

তাই চায়ের কাপে কবেই হারিয়ে ফেলেছি লোভ আর লাল ধোঁয়ার নিয়রে
খুঁজছি পুরনো স্মৃতি আর চোখের ভাষা… মূলতঃ চায়ের স্বাদটুকু আমার
অ্যালকোলাহলের আকাঙ্ক্ষা জাগায়নি বলে আজও ঋণী আমি ওই এক কাপ
চায়ের নিকট

রোদের পুড়ছে শরীর
আমি শুষ্ক হতে গিয়ে আর্দ্রতা খেয়ে ফেলেছি কুয়াশায় দিনে।রঙধনুর সাতরঙা বাহার তখনও ঠিক মনে পড়েনি তবু তুমি রৌদ্রে শুকাতে দিয়েছ জামা।চেনা সেই গোলাপি জামা চু’য়ে চু’য়ে নামছে জল, চু’য়ে চু’য়ে নামছে দিনের দহন ও জ্বালা।সেসব কথা ভাবতে গেলেই ভেঙে পড়ে আমাদের গ্লোবাল স্মৃতির পুরাণ… সূর্য্যমুখী ফুলের মতো দাঁড়িয়ে দেখছি রোদ আর রোদনের কথোপকথন। চু’য়ে চু’য়ে নামছে আরো কিছু জল, দেখো রৌদ্র চুষে নিয়েছে সব জলজামার আদর।রৌদ্রে সবকিছু দেখো কেমন সুনসান … সে-কথা স্মরণে রেখে কতবার শরীর পোড়াতে গেছি রোদে

অশ্রু তুলে নেয়া যায় না
সাঁতার শেখোনি তাতে কী, ডুবে যাও জলে
ঢোকে ঢোকে গিলে ফেলো সবটুকু জল
শুকিয়ে ফেলো ডোবা-নালা দীঘির ও পুকুর

শুনেছি অশ্রুতে ভেজাতে পারো বুক, শাড়ির আঁচল
আমি জানি অশ্রু দিয়ে রুমাল ভেজানো যায়
রুমাল থেকে অশ্রু তুলে নেয়া যায় না
সময়ের বিবর্তনে সবকিছু হারায়, হারিয়ে যায়
স্মৃতিরা কখনও সখনও দূরে যেতে পারে—
কখনও হারাতে চায় না

তাই বলি সাঁতার শেখোনি তাতে কী, জল তুলে নিতে পারো
কিন্তু তোমার জলের কাছাকাছি যেতে মানা

পথলিপি
ওই পথের রঙ ছুঁব কি ছুঁব না ভাবতে ভাবতে উড়ে গেল পদতল-মাটি আর
জলভেজা বালির কথা তবুও বাঁধা পড়তে হলো শুকনো জল আর পিঁপড়ের
নিকট এসে অথচ জলপতনের আগে আমাদের ডুবে যাবার কথা ছিলো
ঝোপজঙ্গলের পাশে, আর ওই পথ ছুঁব না বলেই তখনও আমরা খুঁজেছি
বহুবর্ণ পথের ডাঁটা;তোমার কথা শুনে লতা পাতার মতো বোবা হতে থাকি
স্বর্ণলতা গাছের মর্মরে...শুনেছি এখনও অতিযত্ন করে গুনে রাখো নীরবতা
যেন পত্রলিপিতে কেঁপে ওঠে স্মৃতিপথটুকু...

০২
এখন তুমি পাথরের ফাঁকে হারিয়ে যেতে চাও, পথের সরুপথ ধরে হেঁটে
চলো অর্ধনিমীলিত চোখের পাশে কথার মর্মটুকু জানার আগেই প্রস্তরলিপি
টুকরো টুকরো করে দেখো কবিতার শরীর,আড়ালবর্তী মুখের আভা; আমি
সে পথের ছিপি খুলে স্মৃতি পথ খুঁজি... খুঁজি ধূলিবালির শরীর; আর তুমি
অতি যত্ন করে ছুঁড়ে দিলে একটুকরো ঘৃণার সংলাপ... তাই গৃহফেরার
পথে হাঁটি, সাথে নিয়ে আসি সাধ করে কিছু নুড়ি পাথরের কণা

০৩
একদিন পথেরও ঘুম এলো চোখে আর আমি খুলতে চেয়েছি তোমার
পথের শরীর--- লাফ দিয়ে ওঠে দাঁড়ালো চেনা সেই মুখ, জ্বলন্ত তৃষ্ণার
মায়া,হয়তো সেসব মনে পড়ে না এখন;বিশ্বাস নিয়েই বেঁচে আছি আমরা
বৃষ্টি আর বরষার সুরে সে আমার কল্পনায় ধূণে ওঠা নিজস্ব গোপনতা

০৪
হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত যারা পথিকের বেশে, আমাদের জানা হলো কথা---
কীভাবে ফুলেফেঁপে ওঠে পথের গতিধারা রূপ আমাকে জাগিয়ে তুলে
কলাগাছের বাকল আর শীতল জলের মায়া... সে পথেই ফুটে ওঠে
প্রত্নজটিলতা আর রমণীর পদধূলির ছাপ... আরো কিছু নুড়ি পাথরের কণা


০৫
তবুও বলি আমাকে বেঁধে নিও পথে. ওই পথহারা প্রাণে সে পথের ক্ষরণ
থেকে বিভাজিত আমাদের হারানো পথের স্মৃতি আর জলভেজা ঠোঁটের
কথা। সে পথ থেকে সাধ করে আমি তুলে এনেছি আরো তিনটি শাদা
পাথর, শেষ বিকেলের ছায়া-রোদ... শুনেছি তুমি সে পথের মাঝে পেতে
রেখেছো সাতরঙা শাড়ির আঁচল

বৃষ্টি, বৃষ রাশির বালিকাটি ১মপর্ব
Click This Link



সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:০১
২১টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×