somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২৬ আগষ্ট 'ফুলবাড়ী দিবস' পালন করুন (আনু মুহাম্মদ স্যারের ফেসবুকে নোট থেকে)

২৫ শে আগস্ট, ২০১১ দুপুর ২:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


রক্তে লেখা ফুলবাড়ী চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন, বড়পুকুরিয়ায় ভূমি অধিগ্রহণ করে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে খনির চক্রান্ত বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের ক্ষতিপূরণ প্রদান, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও আটক কৃষক সিরাজুল মন্টুকে মুক্তিদান; কনকো ফিলিপসের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে জাতীয় সংস্থার মাধ্যমে অবিলম্বে ‘সুনেত্র’ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু, জাতীয় সম্পদের উপর শতভাগ মালিকানা, উন্মুক্ত খনন ও রপ্তানী নিষিদ্ধকরণ এবং জাতীয় সক্ষমতার বিকাশসহ জাতীয় কমিটির ৭ দফা বাস্তবায়নের দাবি নিয়ে

ফুলবাড়ী দিবস ২০১১ পালন করুন
কেন্দ্রীয় কর্মসূচি: ফুলবাড়ী শহীদ স্মৃতি স্থম্ভ, সকাল ৯টা
ঢাকা সহ সারা দেশে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি, সমাবেশ ও মিছিল।

আগামী ২৬ আগষ্ট ফুলবাড়ী দিবস। ফুলবাড়ী গণঅভ্যুত্থানের পঞ্চম বার্ষিকী। ২০০৬ সালের এই দিনে ফুলবাড়ীসহ ৬ থানার বাঙালি আদিবাসী নারী পুরুষ শিশু বৃদ্ধসহ প্রায় লক্ষাধিক মানুষ বৃটিশ-অস্ট্রেলিয়া-মার্কিন কোম্পানী এশিয়া এনার্জির (বর্তমান নাম গ্লোবাল কোল ম্যানেজমেন্ট বা জিসিএম) উন্মুক্ত খনন পদ্ধতির ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে জমায়েত হয়েছিলেন। এশিয়া এনার্জি ও তার সহযোগীরা টাকার লোভ দেখিয়ে যখন মানুষকে বশ করতে পারেনি, তখন তাদেরই প্ররোচনায় সেদিন শান্তিপূর্ণ সমাবেশ সমাপ্তি ঘোষণার পরও গুলি হয়। শহীদ হন তিনজন তরুণ: আমিনুল, সালেকিন ও তরিকুল। গুলিবিদ্ধ হন ২০ জন, আহত হন দুইশতাধিক। আহতদের মধ্যে তিনজন, বাবলু রায়, প্রদীপ ও শ্রীমন মারাত্নক আহত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে উঠেন কয়েক মাস পর। এর মধ্যে বাবলু রায় এখন চিরপঙ্গুত্বের শিকার। কিন্তু তাঁদের সকলেরই চেতনা আগের চাইতেও দৃঢ়। আমরা এই ঐতিহাসিক গণপ্রতিরোধে অংশগ্রহণকারী সকলকে বিপ্লবী অভিবাদন জানাই।

২০০৫ সাল থেকে ক্রমে জনগণের প্রতিরোধ সৃষ্টি হয় তিনটি বিষয়ে। প্রথমত:, উন্মুক্ত খনন পদ্ধতি, যেটি স্পষ্টতই আবাদী জমি নষ্ট করবে, ৬ থানাসহ উত্তরবঙ্গের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নীচে নামিয়ে মরুকরণ সৃষ্টি করবে, পানি দূষণ করে সারা দেশের পানি সম্পদকে বিপর্যস্ত করবে এবং সর্বোপরি যাতে খনি এলাকা ও খনি এলাকার বাইরে লক্ষ লক্ষ মানুষ উচ্ছেদ হবেন। দ্বিতীয়ত, মালিকানা, যাতে পুরো কয়লা খনির মালিকানা পেতে যাচ্ছিল এশিয়া এনার্জি। বাংলাদেশের ভাগে ছিল শুধুমাত্র ৬ ভাগ রয়ালটি, যার মধ্যে আবার কয়লা বিদেশে রফতানির জন্য অবকাঠামো নির্মাণের খরচও অন্তর্ভূক্ত ছিল। এবং তৃতীয়ত, দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রয়োজন না মিটিয়ে কয়লা সম্পদ বিদেশে রফতানি। যে রফতানির আয়ও বাংলাদেশ নয়, মালিকানা অনুযায়ী সেটা পেতো এশিয়া এনার্জি। রফতানি থেকে তাদের আয় এমনকি দেশের ভেতরে ব্যাংকেও আসবে না সেভাবেই চুক্তি করা হয়েছিল। পুরো প্রকল্পটি ছিল তাই জ্বালানী নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। বুকের রক্ত দিয়ে মানুষ এরকম একটি প্রকল্প ঠেকিয়ে বাংলাদেশকে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করেছেন।

আন্দোলনের মূল দাবি ক্রমে কেন্দ্রীভূত হয়েছে তিনটি শ্লোগানেঃ ‘উন্মুক্ত না, বিদেশি না, রফতানি না’। এই তিনটি ‘না’র মধ্যে আসলে প্রকাশিত হয়েছে জনগণের স্বার্থের ‘হ্যাঁ’: বাংলাদেশের সম্পদ জনগণের কর্তৃত্বে ও মালিকানায় বাংলাদেশেই থাকবে; বিদেশি কোম্পানি বা কোন গোষ্ঠীর মুনাফার জন্য নয়, জনগণের প্রয়োজনেই কেবল সম্পদ উত্তোলন করা যাবে। এই আন্দোলন অতএব শুধু ফুলবাড়ীসহ ৬ থানার মানুষের জমি বসত রক্ষার আন্দোলন নয়। এটি দেশের সম্পদ রক্ষার আন্দোলন, জনগণের সম্পদের উপর জনগনের কর্তৃত্ব রক্ষার আন্দোলন। এই আন্দোলন একইসঙ্গে বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানি ও তার দেশীয় সহযোগীদের মুনাফার স্বার্থে দেশের সম্পদ দখল ও মানুষকে উদ্বাস্তু বানানোর সাথে সাথে পানি সম্পদ, আবাদী জমি, প্রাণবৈচিত্র ধ্বংসের বিরুদ্ধে জনপ্রতিরোধের ঐতিহাসিক চিহ্ন। এই আন্দোলন মানুষ ও প্রকৃতিকে কেন্দ্রে রেখে নতুন উন্নয়ন দর্শন হাজির করবার আন্দোলন।

নিজেদের ভিত্তি তৈরি করতে গিয়ে এশিয়া এনার্জি অঞ্চলে মিথ্যাচার, দুর্নীতি বিস্তার, দালাল তৈরির অপচেষ্টা শুরু করে। তাদের অপচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করে জনগণ আরও শক্তিশালী প্রতিরোধে শামিল হন। এরই বহিপ্রকাশ ঘটে ২৬ আগষ্ট ২০০৬। গুলি ও নিযার্তন করে, আর অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জনগণকে থামানো যায়নি। গণঅভ্যুত্থান দ্রুত ৬ থানা অতিক্রম করেছিল। সারা দেশে প্রতিরোধ বিক্ষোভ বিস্তার লাভ করছিল, সারা দেশব্যাপী হরতালও পালিত হয়েছিল। এই পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ আগষ্ট ২০০৬ সরকারের মনোনীত প্রতিনিধিরা আন্দোলনের দাবীনামা মেনে ৬ দফা চুক্তি করতে বাধ্য হয়। এই চুক্তির মূলকথা ছিল এশিয়া এনার্জি বহিষ্কার, উন্মুক্ত খনন পদ্ধতি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা এবং এশিয়ার এনার্জির দালালদের বিরুদ্ধে শাসি-মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ। চারদলীয় জোট সরকার স্বাক্ষরিত এই চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চুক্তি স্বাক্ষরের ৭ দিনের মধ্যে ফুলবাড়ীতে জমায়েত করেন এবং বলেন ‘এই চুক্তি বাস্তবায়ন না করলে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।’ অথচ এই সরকারের মেয়াদ আড়াইবছর পার হলেও এই চুক্তি এখনও পূর্ণাঙ্গরূপে বাস্তবায়িত হয়নি, বরং এখনও চক্রান্ত অব্যাহত আছে।

এই চক্রান্তের অংশ হিসেবে গত কিছুদিন ধরে বড়পুকুরিয়া অঞ্চলেও কোম্পানিমুখি অপতৎপরতা বেড়েছে। পুলিশ নিয়ে জরীপ, মামলা হামলাসহ এলাকায় সংঘাত সৃষ্টি, ক্ষতিপূরণ বন্ধ করে প্রতারণামূলক বিভিন্ন প্রচারণা, জনগণের করের টাকা লুটপাট ও অপচয় করে ভূমি অধিগ্রহণের তোড়জোড়, কয়লা নীতি চূড়ান্ত হবার আগেই উন্মুক্ত খনির সপক্ষে এলাকায় অব্যাহত প্রচারণা এবং এলাকাবাসীকে হুমকি প্রদান, ফুলবাড়ী থেকে বিতাড়িত এশিয়া এনার্জির (জিসিএম) পক্ষ থেকে বড়পুকুরিয়ায় উন্মুক্ত খনি করবার নতুন প্রস্তাব ও দেনদরবার, বিদেশি কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় জার্মানী সফরের পর জ্বালানী বিষয়ক সংসদীয় কমিটির উন্মুক্ত খনির পক্ষে তদ্বির ইত্যাদি এসব অপতৎপরতার অংশ।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে সৃষ্ট ভূমিধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কয়েক গ্রামের মানুষ। অথচ তাঁদের বিগত আমন ফসলসহ সকল পাওনা ক্ষতিপূরণ আটকে রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে জিম্মি করে ভূমি অধিগ্রহণ করার লক্ষ্যে জরীপ চালানোর পথ তৈরির জন্যই এই অপচেষ্টা। বড়পুকুরিয়ায় উন্মুক্ত খনন করার অপতৎপরতা বন্ধ এবং অবিলম্বে ক্ষতিপূরণের দাবিতে এলাকার মানুষ যখন আন্দোলন করছেন তখন জমি, ফসল ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলাসহ এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করা হচ্ছে। হামলা, হয়রানিও অব্যাহত রাখা হয়েছে। এখনও আটক আছেন একজন প্রবীণ কৃষক সিরাজুল মন্টু। যেখানে ফসলের ক্ষতিপূরণের জন্য বছরে মাত্র দেড় কোটি টাকা প্রয়োজন তখন সেই টাকা আটকে জনগণকে অভুক্ত রেখে ও চরম কষ্টে ফেলে তাদের জিম্মি করে দেশি বিদেশি লুটেরাদের স্বার্থরক্ষার চেষ্টা চলছে। গত ৪ মে বড়পুকুরিয়ায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশের উপর কোম্পানি ও মন্ত্রীর মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়, অনেকে আহত হন, কেন্দ্রীয় সংগঠক এসএমএ খালেকএর দুইহাতই ভেঙে যায়। কিন্তু হামলা মামলা দিয়ে জনগণের বাঁচা মরার আন্দোলন থামানো যাবে না।

আমরা বারবার বলেছি, বড়পুকুরিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জমির মালিকানা ঠিক রেখে ফসলের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, ভূমিহীন ও ক্ষতিগ্রস্তদের রেশনিং, চাকুরি ও মাইনিং ভাতা নিশ্চিত করা, ভূমি অবনমনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ী মেরামত ও নিরাপদ নির্মাণে ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারের দায়িত্ব। চীনা কোম্পানির সঙ্গে বড়পুকুরিয়া চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০১১ সালের আগষ্ট মাসে। সরকার জাতীয় সংস্থা গঠন করে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার উদ্যোগ নিলে, আরও দক্ষতার সঙ্গে নিরাপদে আরও বেশি কয়লা উত্তোলন সম্ভব। সরকার এইপথে না গিয়ে ৬৪৬ একর জমি অধিগ্রহণ করে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে খনি পরিচালনার চেষ্টা করছে। এখানে সফল হলে তারা অন্যত্র সর্বনাশা উদ্যোগ নেবে। উন্মুক্ত খনি নিষিদ্ধ ও এশিয়া এনার্জির বহিষ্কারসহ, ফুলবাড়ী ৬ দফা চুক্তির অবিলম্বে বাস্তবায়ন করেই জাতীয় স্বার্থে কয়লা সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এই চুক্তি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ। এর এতটুকু অন্যথা জনগণ মানবে না।

এই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের দাবী:

(১) সমগ্র বাংলাদেশে উন্মুক্ত পদ্ধতি নিষিদ্ধ ও এশিয়া এনার্জি (জিসিএম) বহিষ্কারসহ রক্তে লেখা ফুলবাড়ী চুক্তির ৬ দফা অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।
(২) বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পায়নসহ জাতীয় প্রয়োজনে কয়লা সম্পদের শতভাগ ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবার জন্য অবিলম্বে জাতীয় সংস্থা গঠন এবং জাতীয় সক্ষমতার বিকাশ ঘটাতে হবে।
(৩) বড়পুকুরিয়ায় পুনর্বাসনের নামে জনগণকে অন্যত্র সরিয়ে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে খনি করার চক্রান্ত বন্ধ করতে হবে, ক্ষতিগ্রস্থ সকল মানুষকে যথেষ্ট ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, চীনা কোম্পানির সঙ্গে বর্তমান বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির চুক্তি শেষ হবার পর নিরাপত্তা বালু ভরাট ইত্যাদি নিশ্চিত করে জাতীয় সংস্থার মাধ্যমে নিরাপদে কয়লা উত্তোলনের উদ্যোগ নিতে হবে।
(৪) বড়পুকুরিয়া এলাকার কৃষকদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। আটক সিরাজুল মন্টুকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।
(৫) জনগণের ট্যাক্সের ১৯০ কোটি টাকা লুট ও অপচয় করে ভূমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে গ্রামবাসীদের উচ্ছেদ অর্থাৎ উন্মুক্ত খনির অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে।
(৬) জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবার জন্য জ্বালানি মন্ত্রনালয়কে বিদেশি কোম্পানির রাহুমুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে শতভাগ মালিকানায় শতভাগ গ্যাস ও কয়লা দেশের স্বার্থে ব্যবহারের জন্য জাতীয় কমিটির ৭ দফা দাবী বাস্তবায়ন করতে হবে।



জাতীয় কমিটির সামনের কয়েকটি কর্মসূচি:

২৬ আগষ্ট: দেশব্যাপী ফুলবাড়ী দিবস পালন। উন্মুক্ত খনি নিষিদ্ধ, এশিয়া এনার্জি নিষিদ্ধসহ ফুলবাড়ী চুক্তি বাস্তবায়ন এবং
বড়পুকুরিয়ায় হামলা-মামলা-ভূমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে উন্মুক্ত খনির চক্রান্ত বন্ধ, ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে দেশব্যাপী সভা-সমাবেশ।

২৬-২৮ সেপ্টেম্বর: ‘পিএসসি ২০০৮’ ও কনোকোফিলিপস এর সঙ্গে চুক্তি বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে বঙ্গোপসাগর অভিমুখে প্রচারযাত্রা। ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডমার্চ।

৮ অক্টোবর: কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা।

২৮-৩১ অক্টোবর: পিএসসি ২০১১ এর প্রক্রিয়া বন্ধ এবং জাতীয় সংস্থার মাধমে অবিলম্বে সুনেত্র গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের কাজ শুরুসহ ৭ দফা দাবিতে ঢাকা-সুনেত্র (সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনা) লংমার্চ।

২৬ নভেম্বর: ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচির শেষে জাতীয় সম্পদের উপর জনগণের কর্তৃত্ব নিশ্চিত করতে জাতীয় কমিটির ৭ দফা দাবিতে ঢাকায় মহাসমাবেশ।



তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি।
২০ আগষ্ট ২০১১

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×