আমার প্রিয় পোস্ট

সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত...............।

ঈশ্বরের পঞ্চেন্দ্রিয় এবং অস্তিত্ব-অনস্তিত্বের প্রশ্ন!

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:১২

শেয়ারঃ
0 0 0

দর্শনের এক সনামধন্য অধ্যাপক তাঁর ক্লাসে বিজ্ঞান ও ঈশ্বরের মাঝের টানাপোড়ন নিয়ে কথা বলছিলেন।
নতুন একটা ছাত্র পেয়ে তাকেই দাঁড় করালেন।
তারপর...............

অধ্যাপকঃ ঈশ্বরে বিশ্বাস কর?
ছাত্রঃ নিঃসন্দেহে, স্যার।
: ঈশ্বর কি ভালো?
: অবশ্যই
: ঈশ্বর কি সর্ব শক্তিমান?
: হ্যাঁ।
: আমার ভাই ক্যান্সারে মারা গিয়েছে, যদিও প্রতি মূহুর্তে সে আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করেছিলো।
আমরা প্রায় সকলেই অসুস্থের সেবা করি, তাকে ভালো করার চেষ্টা করি। কিন্তু, ঈশ্বর সেটা হতে দেন না! তাহলে, ঈশ্বর ভালো হলো কেমন করে? হুমম?
(ছাত্র নিরুত্তর)

অধ্যাপকঃ উত্তর দিতে পারলে না, তাই না? আচ্ছা, অন্য ভাবে বলি। ঈশ্বর কি ভাল?
ছাত্রঃ হ্যাঁ
: শয়তান ভালো?
: না
: তবে, শয়তান কোথা হতে এলো?
: (একটু ভেবে) ঈশ্বর...... হতে...
: সেটাই। এখন বল, পৃথিবীতে মন্দ বলে কি কিছু আছে?
: হ্যাঁ।
: মন্দ জিনিস সবখানেই আছে, তাই না? আর ঈশ্বর সবই সৃষ্টি করেছেন, ঠিক?
: হ্যাঁ।
: তাহলে, 'মন্দ'কে কে সৃষ্টি করল?
ছাত্র আবার নিরুত্তর।
অন্যদিকে, জ্ঞানী অধ্যাপকের ধৈর্য্য অসীম।

অধ্যাপকঃ অনৈতিকতা, ঘৃনা, কদর্য- এই সকল বাজে বস্তুর সবই পৃথিবীতে আছে, তাই না?
: হ্যাঁ, স্যার!
: এসব কার সৃষ্টি?
(ছাত্রের কাছে উত্তর নেই)
বিজ্ঞান বলছে, তোমার চারপাশের জগৎ কে নিজের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সাহয্যে দেখ এবং জান?
এখন আমাকে বল, তুমি কখন ও ইশ্বরকে দেখেছো?
: না, স্যার।
: তাহলে, আমাদের বল, তুমি কি কখনো ইশ্বরের মুখ থেকে কথা শুনেছো?
: না, স্যার।
: তুমি কি কখনো তোমার ঈশ্বরকে অনুভব করেছো? চেখে দেখেছো? কখনো কি তোমার
ষষ্ট ইন্দ্রিয় তাকে ধরতে পেরেছে?
: না, স্যার। এমন কখনো হয় নি।
: (একটু হেসে) অথচ, তুমি ঈশ্বর বিশ্বাসী!
: হ্যাঁ
: সব ধরনের বৈজ্ঞানিক ও প্রায়োগিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তত্ত্ব যদি তোমায় বলে যে, ঈশ্বর নেই, তখন তুমি কী বলবে, বাছা? : কিছুই না। ইশ্বর আছেন আমার বিশ্বাসে।
: হ্যাঁ, হ্যাঁ, বিশ্বাস! সেখানেই তো বিজ্ঞানের সমস্যারে , বাবা!


এবার ছাত্রের পালা!
ছাত্র: প্রফেসর,বলুন তো তাপ বলে কি কিছু আছে?
অধ্যাপক: হ্যাঁ।
: তাহলে, ঠান্ডা বলেও কিছু একটা আছে নিশ্চয়ই?
: অবশ্যই!
: (একটু হেসে)না স্যার, ঠান্ডা বলে কিছুই নেই!
(পুরো ক্লাস নিঃস্তব্ধ হয়ে ঘটনার পরম্পরার সাক্ষী হয়ে যাচ্ছিলো)
: স্যার, আপনি তাপ পরিমাপ করতে পারেন তা সে যতই বেশি কিংবা কম হোক না কেন? কিন্তু আমরা ঠান্ডা বলে কিছু কি পরিমাপ করতে পারি? শূণ্যের অনেক নিচে আমরা নেমে যেতে পারি, তবু কি ঠান্ডা মেপে দেখতে পারি?
ঠান্ডা বলে আসলে তো কিছুই নেই। এটি একটি শব্দ যাকে আমরা তাপের অনুপস্থিতি হিসেবে ব্যবহার করি......আমরা একে পরিমাপ করতে পারি না। তাপ এক প্রকার শক্তি। ঠান্ডা এমনকি তাপের বিপরীত ও নয়। এটি শুধুই তাপের অনুপস্থিতি!
(পিনপতন নীরবতা তখন ক্লাস জুড়ে)
আচ্ছা, স্যার বলুন তো আঁধার কি বস্তু? আঁধার বলে কি কিছু আছে?
:অবশ্যই। তুমি কি বলতে চাইছো/ আঁধার না থাকলে রাত কিভাবে হবে?
: আবার ভুল করলেন স্যার! আঁধার হলো আলোর অনুপস্থিতি। আপনি অল্প আলো, বেশি আলো, উজ্জ্বল আলো সবই সবই বুঝতে পারেন। কিন্তু, যদি আলো না থাকে, তবে আপনার কাছে কিছুই থাকে না আঁধার ছাড়া। আপনি কি আঁধারের স্তর কে ভাগ করতে পারবেন? আরো আঁধার, আরো আঁধার?
: আসলে, তুমি কী বলতে চাইছো, বালক? পয়েন্টে এসো!
: আমার কথাটা হলো, স্যার, আপনার ঈশ্বর সংক্রান্ত দার্শনিক তত্ত্বটিতে অনেক গলদ।
: (বিস্ময়ে) গলদ! দয়া করে ব্যাখ্যা করবে, কিভাবে?
: স্যার, আপনি দ্বৈত স্বত্তা নিয়ে কথা বলছিলেন। আপনি এ ব্যাপারে একমত যে, যেখানে জীবন রয়েছে সেখানে মৃত্যু ও উপস্থিত। একজন ভাল ঈশ্বর থাকলে, আর একজন মন্দ ঈস্বরের অস্তিত্ব প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে, আপনার ধারনা হলো ঈশ্বর একটি সসীম ধারনা যাকে পরিমাপ করা সম্ভব।
স্যার, এবার বলি? বিজ্ঞান এখনো পর্যন্ত চিন্তাশক্তিকে ব্যাখ্যা করতে পারে নি! তড়িত ও চৌম্বকবিদ্যাকে কাজে লাগানো হয়েছে কিন্তু কখনো দেখা যায় নি। এদের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য কে এখনো পুরোপুরি আত্মস্থ করা যায় নি।
জীবনকে মৃত্যুর বিপরীত হিসেবে ভাবতে গেলে তার অস্তিত্বকে স্বীকার করে নিতে হয়, অথচ মৃত্যু কোন স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নয়, বরং জীবনেরই অনুপস্থিতি।
এখন, প্রফেসর , আমাকে বলুন, আপনি বিবর্তনে বিশ্বাস করে কি আপনার ছাত্রকে বেই শেখাবেন যে, তারা বানর হতে এসেছে?
: যদি তুমি প্রাকৃতিক নির্বাচনের কথা বলে থাক, তবে হ্যাঁ, অবশ্যই। কেন নয়?
: আপনি কি আপনার নিজের চোখ দিয়ে বিবর্তনবাদ প্রক্রিয়া দেখেছেন?
(অধ্যাপক মৃদু হেসে মাথা নাড়লেন। তিনি বুঝতে পারছিলেন আলোচনা কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে।)
যেহেতু, বিবর্তনের প্রক্রিয়া কেউ দেখে নি বা হাতে কলমে করে নি এবং চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে কেউ নিঃসন্দেহে প্রমান ও করতে পারে নি, সেহেতু আপনি কি আপনার মতামত/ধারনাকেই শেখাচ্ছেন না? সেক্ষেত্রে আমি আপনাকে একজন বিজ্ঞানী না বলে বরং একজন প্রচারক বলতে পারি, তাই না?
(এবার, পুরো ক্লাসে একটা শোরগোল পড়ে গেলো)
(ক্লাসের উদ্দ্যেশে) এই ক্লাসের কেউ কি প্রফেসরের মাথার মগজকে দেখেছে?
(পুরো ক্লাসে হাসির রোল উঠলো)
ক্লাসে কি এমন কেউ আছে যে কীনা, প্রফেসরের মগজ ধরেছে, ছুঁয়েছে, গন্ধ নিয়েছে? আমার ধারনা কেউই নেই। তাহলে, সব ধরনের বৈজ্ঞানিক ও প্রায়োগিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তত্ত্ব বলছে যে, আপনার মাথায় কোন ঘিলুই নেই!
(অধ্যাপকের উদ্দেশ্যে) আপনার জ্ঞানের প্রতি পুরো সম্মান রেখেই আপনাকে প্রশ্ন করতে চাই, এক্ষেত্রে আমরা কিভাবে আপনার বক্তব্যকে মেনে নেবো?
(সারা ক্লাস চুপ। আর অধ্যাপকের চেহারা দেখার মত।)

অধ্যাপক: আমার ধারনা এক্ষেত্রে বিশ্বাস করা ছাড়া তো গতি নেই, বাছা।
ছাত্র: আমি তো তাই বলছি স্যার। বিশ্বাস হলো ইশ্বর আর মানুষের মাঝে সেতুবন্ধন।
এটাই সবকিছুকে জীবিত ও সচল রাখে।
ধন্যবাদ।


নেট হতে প্রাপ্ত, স্বঅনুবাদিত এবং সংক্ষেপিত!

এসংক্রান্ত আগের লেখা

 

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন: ধন্যবাদ তায়েফ, অনেক সুন্দর করে লিখেছেন। ভালো লেগেছে আমার।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯
সবাক বলেছেন:
আপনি কি এই ছাত্রের সাথে একমত?
১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: এটি একটি অবান্তর প্রশ্ন!

৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: (অপ)বিজ্ঞানের কিছু (অপ)প্রয়োগ তুলে ধরা দরকার বলে মনে করি।

১. "তাপ এক প্রকার শক্তি। ঠান্ডা এমনকি তাপের বিপরীত ও নয়। এটি শুধুই তাপের অনুপস্থিতি!"

হাস্যকর। ঠান্ডা এবং গরম সম্পর্কিত তাপমাত্রার সাথে, তাপের সাথে নয়। তাপের অনুপস্থিতি কথাটির অর্থ ঠিক বুঝলাম না। সব পদার্থেরই কিছু না কিছূ নীট কণা গতিবেগ আছে। সুতরাং কম হোক বেশি হোক, পরম শুন্যের ওপর একটা তাপমাত্রা থাকবেই (নার্নস্টের তৃতীয় সূত্র)। শীতল বা উষ্ণ কথাগুলো অর্থহীন, যদি বলা না হয় "কিসের থেকে?"।

২. "ক্লাসে কি এমন কেউ আছে যে কীনা, প্রফেসরের মগজ ধরেছে, ছুঁয়েছে, গন্ধ নিয়েছে? আমার ধারনা কেউই নেই। তাহলে, সব ধরনের বৈজ্ঞানিক ও প্রায়োগিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তত্ত্ব বলছে যে, আপনার মাথায় কোন ঘিলুই নেই!"

ততোধিক উদ্ভট, অযৌক্তিক ও হাস্যকর। এক্সরে বা এমআরআই করলে মানুষের মস্তিষ্কের প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়। যেহেতু মস্তিষ্কের ক্রিয়া ব্যতিরেকে শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়াও সম্ভব নয়, সুতরাং প্রফেসর নিঃসন্দেহে (অন্তত একটি) মস্তিষকের অধিকারী। ইইজিতে মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক ক্রিয়া দেখা যায়। ঈশ্বরকে কেউ কখনো মেপেছে বলে শুনি নি।


৩. "যেহেতু, বিবর্তনের প্রক্রিয়া কেউ দেখে নি বা হাতে কলমে করে নি এবং চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে কেউ নিঃসন্দেহে প্রমান ও করতে পারে নি, সেহেতু আপনি কি আপনার মতামত/ধারনাকেই শেখাচ্ছেন না?"

ভুল। ট্রানজিশনাল ফসিল, যেমন টিকটালিক ( http://en.wikipedia.org/wiki/Tiktaalik ) সহ আরো অনেক এমন ফসিল ( Click This Link ) দ্ব্যর্থহীনভাবে বিবর্তনকে সমর্থন করে। দ্বিতীয় লিঙ্কটির 'মিসকনসেপশান' অংশটুকু দেখুন।

৪. "বিজ্ঞান এখনো পর্যন্ত চিন্তাশক্তিকে ব্যাখ্যা করতে পারে নি! তড়িত ও চৌম্বকবিদ্যাকে কাজে লাগানো হয়েছে কিন্তু কখনো দেখা যায় নি।"

চিন্তাশক্তি ব্যাখ্যা অনেক দূরে, কিন্তু মস্তিষ্কের সাথে চিন্তার সম্পর্কটি এখন দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। আমরা ব্রেন ওয়েভ দিয়ে আপাতসচেতনতার স্তর পর্যন্ত বুঝতে পারি। এমআরআই দিয়ে পরিষ্কার দেখা যায়, চিন্তার সময় মস্তিষ্কের কোন অংশগুলি উদ্দীপিত হচ্ছে।

______

অনুবাদকের মূলবক্তব্যটি পরিষ্কার, ঈশ্বর/আল্লাহ যেখানে কম আছেন সেটা বেশি খারাপ, বা এর কোন ভ্যারিয়্যান্ট। এখন যদি তাই হয়, তাহলে বোঝা যাচ্ছে, সর্বশক্তিমান এ-জিনিষখানা কোন জায়গায় কম, কোন জায়গায় বেশি আছে। কীভাবে বুঝবো? সোজা, যেটা "ভালো" তাতে ঈশ্বর বেশি। চক্রাকারে আবর্তন, কোন প্রমাণ ছাড়াই। কেউ যদি বলে, ঋণাত্মক ভোল্টেজ মানে কোন স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে কম, ভোল্টমিটার দিয়ে মেপে তখুনি দেখে নেয়া যায়, ঘটনা সত্য। ভালো জিনিষে ঈশ্বরের পরিমাণ মাপার মিটার পাই কোথায়?
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: কষ্ট করে পড়ে লম্বা মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

এটি একটি মূল ইংরেজী হতে অনুবাদ করতে গিয়ে অভিজ্ঞতার অভাবে কিছু হয়তো ভুল হয়েছে।
মূল ইংরেজীর Heat এবং Cool কে আমি এখানে তাপ এবং ঠান্ডা অনুবাদ করেছি।

আমি দর্শনের ছাত্র নই, নই খাঁটি বিজ্ঞানেরও। তাত্ত্বিকভাবে তাই আমার অনেক ঝামেলা আছে। তারপর ও লেখাটা ভালো লাগায় অনুবাদে সাহসী হয়েছিলাম। আপনার মন্তব্য পড়ে সে সাহসে চিড় ধরেছে।

নিজেকে একজান চরম আস্তিক দাবী করে ও আমি বলতে চাই, অনর্থক আস্তিক-নাস্তিক ক্যাঁচাল বাঁধাতে ভালো লাগে না! ঈশ্বরের অনস্তিত্বে বিশাসীদের যুক্তির জায়গাকে আমি সম্মান করি।

৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
মায়া নেকড়ে বলেছেন: ট্র্যানজিস্টর কে প্লাস।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: আমার পক্ষ থেকে ও।

৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮
ডট কম ০০৯ বলেছেন: এইডা আমি দুই মাস আগে পড়ছি।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: আবারও কষ্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু, প্রসূন।

৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: @লেখকঃ আপনার অনুবাদ খারাপ নয় মোটেও, সমস্যা মূল লেখাটির। অন্যভাবে বুঝে থাকলে দুঃখিত।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে।
এখানে আরেকটা কথা বলা দরকার।
আমি যেখানে পেয়েছি, সেখানে এই ছাত্রের পরিচয় দেয়া আছে, "মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ, ফাদার অভ পাকিস্তান"।
এটি তাঁর অক্সফোর্ডের ছাত্রাবস্থার একটি গল্প।
রেফারেন্স না থাকায় এবং ছাগু বাল সম্বোধিত হবার আশংকাতে দিই নি।
এখন বলে দিলাম।

৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৪
যীশূ বলেছেন: ট্র্যানজিস্টর কে প্লাস।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: আমার পক্ষ হতে ও।

৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
মনোয়ার আহমদ বলেছেন:
জ্ঞানের কথা, তয় বিবর্তনবাদীরাও কইলাম বহূত গান্জারে সাইন্স বইলা ভবের ঘাটে পার করতাছে, হ।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: হইতারে.........
অতো কি আর জানি?

১০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩
দেবার্নব রায় বলেছেন: ট্রানজিস্টরকে পিলাচ
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

লেখক বলেছেন: হায়! হায়!
সবাই ট্রাঞ্জিন্টররে পিলাচ দেয়।
আমারে দেয় না!

বিষ খামু।

১১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫
আহমেদ রাকিব বলেছেন: আমি মুল বিষয় নিয়ে মোটেও মাথা ঘামালাম না। শুধু উপস্থাপনা দেখলাম। + রইল আমার পক্ষ থেকে। যুক্তি তর্কের উপস্থাপনাটা প্রাঞ্জল। এবং গতিশীলও বটে। যা লেখার মান ধরে রাখতে পুরোপুরি সক্ষম। শুনে ভাল লাগল যে তুমি মুল বিষয়টাকে প্রাধান্য দিচ্ছ না। আস্তিক নাস্তিক এই আলোচনা আমাকে খুব বিরক্ত করে।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: অনুবাদ ক্ষেত্রের দিকে চোখ দেয়ার আগে একটু ঝালিয়ে নিচ্ছি আরকি!
মেইলটা ফরোয়ার্ড করে দেবো।

১২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
মনোয়ার আহমদ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হইতারে.........
অতো কি আর জানি?

এইটা জ্ঞানীর লক্ষণ!
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: নিজের ভিত্রে জ্ঞানের লক্ষণ দেইখ্যা খুশ হইলাম!

১৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০
কেল্টূ দা বলেছেন:
অতঃপর বিশ্বাস,
টিপিকাল আত্মসমর্পন,

বিশ্বাসের সেতুতে ফাটল ধরে,
ভাঙ্গে ,
আবার গড়তে হয়,
একেক জাতের সেতু একেক রকম হয় ,
আবার এক জাত আরেক জাতের সেতুতে ঊঠতে চায় না ,
এক জাত আরেক জাতরে নিজেদের সেতু তে উঠতে দেয় না ,
সেতু নিয়া যুদ্ধ
সেতুতে দাড়ায়া যুদ্ধ ,
লাখ লাখ নিমেষেই লাশ

আবার সেতুর শেষ মাথায় কি আছে কেউ জানেনা , কিন্তু কামড়াকামড়ি চলতেছে ঠিকই-"আমার সেতুই ঠিক, তোদেরটা ভুয়া।

তারমানে কি দাড়াইল ?
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: কী দাঁড়াইলো, আপ্নেই কন!

১৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২০
ক-খ-গ বলেছেন: ট্র্যানজিস্টর কে প্লাস।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: ওকে!

১৫. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৫
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: অনুবাদ (বোধহয়) ভালো হয়েছে ;)
চালিয়ে যান...ভালো করে হাত মকশো করুন।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: সহসা সে সুযোগ পাচ্ছি কৈ?

১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...........

১৭. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৪৬
আমি এবং আঁধার বলেছেন: কাহিনী কি?? সেইম জিনিস ইউ টিউবে দেখলাম, পিচ্চি আইনস্টাইন আর তার মাস্টাররে নিয়া বানানো। কি এক ইউরোপিয়ান মডার্ন রিলিজিয়াস সোসাইটি না কিসের জানি?? পাকিস্তান থেইক্যা জার্মানীতে গেলো?? ক্যামনে কী?
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: কাহিনী কী জানি না.....মেইল পাইছিলাম....ইন্টারেস্টিং মনে হৈছিল, অনুবাদ করছিলাম......পিছনের কাহিনী চেক্‌ করি নাই! :(

১৮. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:০৭
আমি এবং আঁধার বলেছেন: হা হা হা, এইটা দ্যাখেন, একটু কম আছে অবশ্য, ভিডিওর লাস্টে প্রমাণ করসে যে এইটা পুরা ভুয়া একটা আরবান মিথ-
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: ওক্কে, দেখা যাক.....

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৫৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঘুমাতে অত্যন্ত ভালোবাসি। আর ভালোবাসি পড়তে।
স্বপ্ন দেখি একটি স্বপ্নীল পৃথিবীর।
সত্যকে ভালোবাসি, হোক তা নিজের মতের বিপরীত।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই