আমার প্রিয় পোস্ট
- আসেন ফন্টের দুনিয়াই ভাইসা যায়(পৃথিবীর সব ধরনের ফন্ট কালেকশন)







- বিডি গ্লাডিওটোর
- জানুন আপনার সেল ফোনটি আসল কিনা














- টিপস ম্যান
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- নিজের সম্পাদনায়->> নিজেই হয়ে যান: আবৃত্তিকার.. - মুসাফির...
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- সাইবারপরিসরে, বিকল্প মাধ্যমের খোঁজে - ফাহমিদুল হক
- মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে ব্লগ - এস. এম. রায়হান
- বিংশ শতাব্দীর কিছু উল্লেখযোগ্য বক্তৃতা - নাজনীন১
- তাবিজ-কবজ সম্পর্কে মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের বক্তব্য এবং এর জবাব - সৈয়দ মবনু
- বিনামূল্যে পড়ুন MIT (Massachusetts Institute of Technology) তে - আলামিনস্টাইন
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা মুসলমানদের জন্য আত্মহত্যা'মাওলানা আবুল কালাম আজাদ - শাহানূর
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ***টিপসঃ ইসলাম বিষয়ক প্রশ্ন বা ইসলামকে হেয় করে কোন লেখা দেখলে যা করণীয়*** - উমর
- ফ্রী ই-বুক ডাউনলোডের জন্য সেরা ১০টি ওয়েব সাইট - ইমতিয়াজ মাহমুদ সজিব
- এন্টি গল্প > সেই ডানকানা মাছটি আর ফিরে আসেনি > - মনজুরুল হক
- ই-বুকঃ ইসলাম ও নাস্তিকতা ২০১০ - ফুয়াদ০দিনহীন
- নাস্তিকতার স্বপক্ষের বহুল প্রচলিত যুক্তি খণ্ডন - এস. এম. রায়হান
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- ** নাম না জানা (!) কিছু অসাধারন ও ফাটাফাটি সফটওয়্যার ** - একান্ত কথা
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- আমরা ৭২ এর সংবিধানে ফেরত যাবো নাকি যাবো না? - যারা ৭২ এর সংবিধান ও বর্তমান সংবিধান এর মধ্যে বিরোধ কি তা ভালো ভাবে বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্ট। - নাহিদ মাহমুদ
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- তপঃসিদ্ধ এক শাহ আবদুল করিম - আকাশ অম্বর
- ইন্টারনেটের যে সাইটগুলোতে সারাদিন কাটাই

- অরণ্যচারী
- মুনাফিক মওদুদী - তুষারপাত
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- কমেডী ভিডিওগুলো। হা হা চে থে প গে
- শূন্য আরণ্যক
- যুগে যুগে সামহয়্যার ইন ব্লগ (স্ক্রিনশট) - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- Task Manager ডিজাবল হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনবেন কিভাবে? - আলোকিত পৃথিবী
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- রাহুল দেব বর্মন আছেন, থাকবেন। চিরকাল.......... - কপোত
- যদি ফেসবুক সহ আরো সাইট ব্যান হয়, তাহলে কী করবেন? - ত্রিভুজ
- মুছে যাওয়া ফাইল, ফোল্ডার পুনরুদ্ধার করুন নিমেষে। - কপোত
- ফ্রী সিডি! ফ্রী সিডি!! ফ্রী সিডি!!! কত সিডি দরকার আপনার?
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- ভাবছেন নির্লজ্জ, কিচ্ছু যায়-আসে না ( আমার এটম বোম
) - মেঘ
- প্রসঙ্গ নজরুল-গান্ধী : চমকে ওঠা ইতিহাসে কিছু বিভ্রান্তির জবাব - আবু নাঈম
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- দিগন্ত ছোঁয়া বাঁশরীর সুর - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্বগতোক্তি এবং বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন - সোজা কথা
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিকল্প কিছু সার্চ ইঞ্জিন - নাসির খান
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- ব্লগে আপনার পড়া সেরা ফান পোষ্ট কোনটা ?? - চিলে কোঠার সেপাই
- সব বাংলা বর্ণ নিয়ে বাক্য -এর উদাহরণ - সিউল রায়হান
- আগুন কমেন্ট সংকলন - আই লাভ ব্লগিং
- পাঁচ মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল- টিউটোরিয়াল - নাজিরুল হক
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ারে আপনার পড়া সেরা তিনটি লেখা কি কি? (উৎসর্গ, নাস্তিকের ধর্মকথা, বিবর্তনবাদী) - জ্বিনের বাদশা
- জয়নুল আবেদিনের কিছু ছবি... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
~~মৃত্যুচিন্তায় কেটেছিল তিন দিবস আর তিন রজনী!~~
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
আমাদের রবীবাবু একটা মারাত্মক জিনিস। একই কথাকে কত রকমে ঘুরিয়ে বলা যায় তার জ্বলন্ত উদাহরন বুড়োটা। কম বয়সে লিখলেন,"মরণরে তুঁহু মম শ্যাম সমান" আর একটু বয়স হতেই বলে দিলেন, "মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভূবনে"!
বাদ দিন; লাইনে আসি। গত সপ্তাহের শেষে জ্বরে পড়েছিলাম। আমার জ্বর আবার একটু অন্য ধাঁচের। পড়লেই ১০২-১০৩ ডিগ্রি। মাথাব্যাথা, সর্দি-কাশি আর মাঝে মাঝে বমি। কিছুক্ষনের জন্য জ্বর নেমে যায়, আবার যেই কে সেই। এভাবেই তিন-চারদিন কেটে গেলে তারপরেই জ্বর বাবাজি কিছুটা পোষ মানেন। এবারো, এর ব্যতিক্রম কিছু হয় নি।
যে সময়টুকুতে জ্বর থাকে না, সে সময় আমি বই-টই পড়ে কাটাই, বিশেষ করে যে সব বই যেগুলো অনেক দিন ধরে চেষ্টা করেও পড়তে পারি নি । যেমন- এবার শেষ করলাম মারিয়ো পুজোর 'গডফাদার'; অবশ্য মূল বই নয়, সেবার অনুবাদটি। ইংরেজী বই হতে রস আস্বাদনের মত কলিজার জোর এখনো অর্জন করতে পারি নি, বিশেষ করে জ্বরের ঘোরে তো নয়ই।
যাই হোক, যে সময়টাতে প্রবল জ্বর থাকে, তখন অন্য রকম একটা ব্যাপার ঘটে। আশ্চর্য্য একটা ঝিম ধরা অনুভূতি। প্রচন্ড তাপে পুরো মাথাটাই যেন হালকা হয়ে যায়। সে সময় ক্ষিধে-তৃষ্ণার মত ছোটখাট ব্যাপার নিয়ে কোন চিন্তাই থাকে না। খুব উপরের লেভেলের চিন্তা ভাবনা মাথায় খেলা করতে থাকে। যেমন- এবার ছিল মৃত্যুচিন্তা। তিন দিন ধরে ঘুরেফিরে মাথার ভেতরে শুধু একই ব্যাপার। এমন নয় যে, প্রবল অসুখে কিংবা অধূনা জনপ্রিয় টার্ম 'সোয়াইন ফ্লু'য়ের আশংকায় দূর্বল হয়ে মৃত্যুভয়ে এসব চিন্তা; বরং কেমন যেন একটা আধ্যাত্মিক ব্যাপার। ছোটবেলায় আমি বেশ ক'বার মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। সে সব স্মৃতিই বারেবার মনে আসছিল।
দুটোর কথা বলি।
এক.
তখন সবে স্কুলে ভর্তি হয়েছি। ছোট চাচার বিয়েতে সবাই মিলে বাড়ী গিয়েছি। চাচা-ফুফুদের ঐ জেনারেশনের শেষ প্রতিনিধিটির বিয়ে, সে হিসেবে গোটা বাড়ি লোকে লোকারণ্য। আনুপাতিক হারে আমার বয়সী বাচ্চা-কাচ্চা তো এক দঙ্গল। ততদিনে দুষ্টুমি-চঞ্চলতায় আমি বেশ নাম কামিয়ে ফেলেছি। গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়ছি; অসমবয়সী কাজিনদের সাথে মারামারি বাঁধিয়ে দিচ্ছি। সে কারনে এত লোকজনের ভীড়েও আম্মু সব সময়ই আমায় চোখে চোখে রাখার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু, কীভাবে যেন ঠিক হাতছাড়া হয়ে আমি সবার আড়ালে পুকুরের পাড়ে একাই লাফালাফি শুরু করলাম আর ফলাফল সোজা পানিতে। সাঁতার জানি না তখনো। পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছি। এদিকে ভয়ে চিৎকার ও করতে পারছি না। হাত-পা ছুঁড়তেও ভুলে গেছি। প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছি সে সময় কিভাবে যেন এক ফুফাত বোনের চোখে পড়ে গেলাম আর সাথে সাথে উদ্ধার। সে যাত্রায় বেঁচে গেলাম। এর দু'বছর পরেই আমার আরেক ফুফাত বোন পুকুরে ডুবে মারা যায়। ও কিন্তু ভাল সাঁতার জানত! একেই কী নিয়তি বলে?
দুই.
এ ঘটনার মাস দশেক পর। আমরা এখন যে কলোনীতে থাকি সেখানে মাত্র আগের দিনই এসেছি। কলোনী মানেই তো বিশাল মাঠ আর সমবয়সী এক দঙ্গল ছেলেমেয়ে। কিন্তু, প্রথম দিন বলে আম্মু নামতে দিচ্ছেন না। সর্বোচ্চ দোতলার ল্যান্ডিঙে বসে বাচ্চা-কাচ্চাদের লাফালাফি দেখার অনুমতি পাওয়া গেল। ওখানে ল্যান্ডিঙের পাশেই ছিল একটা ল্যাম্পপোষ্ট আর কী একটা ঝুঁকে দেখতে গিয়ে আমি সেই ল্যাম্পপোষ্টটা ধরেই একটু ভর দিতে গেলাম। ঐ ল্যাম্পপোষ্টটা দু’দিন ধরে যে সর্ট সার্কিট হয়ে আছে কেউ জানত না। আমার তো জানার প্রশ্নই ওঠে না। মূহুর্তেই ২২০ ভোল্টের কারেন্ট শরীরে এমন এক কম্পনের সৃষ্টি করল যার তুলনা দেয়া সম্ভব নয়। দুই কি তিন সেকেন্ড- আমি প্রায় নির্জীব হয়ে গেছি এমন সময় আমাদের সে সময়ের কাজের ছেলেটা কিছু না বুঝেই আমাকে একটা ধাক্কা দিল আর সে ধাক্কাতেই বোধ হয় বেঁচে গেলাম! তবে ঐ দূর্ঘটনার স্মৃতিচিহ্ন রূপে আমার ডানহাতের তালুতে একটা দৃষ্টিনন্দন পোড়া দাগ আমি বহন করে চলেছি গত বিশ বছর। আর আমাদের ঐ কাজের ছেলেটি (পরবর্তীতে যার নিজের সংসার হয়েছিল এবং আরো পরে মস্তিষ্কবিকৃতি দেখা দিয়েছিল), বছরদুয়েক আগে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। কেউ বাঁচাতে আসে নি।
পরবর্তী জীবনে ছাত্র রাজনীতির সময়ও এমন একটা-দু'টো অভিজ্ঞতা আছে; ও না জানালেই ভাল হবে।
এর মাঝেই শুক্রবার রাতে দশ মিনিটের জন্য ব্লগে এলাম আর নাহিদার কথাটা শুনে আরো বিমর্ষতায় আক্রান্ত হলাম। এত মানুষের ভালবাসা, নিঃস্বার্থ পরিশ্রম আর সাহায্য- কোন কিছুই মেয়েটার অমোঘ নিয়তিকে আটকে দিতে পারল না! সেদিন রাতেই যখন প্রচন্ড জ্বর আর মাথাব্যাথায় অস্থির হয়ে আম্মুকে ডাকছিলাম, (নিজেকে ভাল মানের আস্তিক দাবী করা সত্ত্বেও ব্যাথা-বেদনায় আমি কেন যেন মুখ ফুটে সবার আগে মা'কেই ডাকি!) তখনি হঠাৎ, এসব ছাপিয়ে আমার মনে হল, ভারতের অত্যাধুনিক ডাক্তারী যন্ত্রপাতির আবরনে শুয়ে থেকে ঐ দূর্ভাগা মেয়েটা শেষসময়ে তার আপনজনের স্পর্শ পেয়েছিল কি? মৃত্যু যখন সবদিক আঁধার করে মেয়েটিকে ঘিরে ধরেছিল, তখন কি সে অন্তত মা'কে সাথে পায় নি? জানি না আর কোনদিন জানতে পারব কীনা তাও জানি না! তবে, সেই মূহুর্তে আমার মাথাব্যাথা কমে গিয়ে এক অব্যক্ত হাহাকারে বুকটা শূণ্য হয়ে উঠেছিল।
বহুদিন ধরে পুষে রাখা, মৃত্যু নিয়ে নিজের একটা ফ্যান্টাসীর কথা বলে শেষ করি।
মৃত্যুযন্ত্রনায় নীল হয়ে আসা আমার শিথিল হয়ে আসা মাথাটা কোলে নিয়ে বসে আছে কোন এক মায়াময়ী (যার নাম-চেহারা কিছুই আমার কাছে স্পষ্ট নয়)। শেষ মূহুর্তে যখন সে কাঁদতে শুরু করবে তখনি ঝুম বৃষ্টির ছাঁট এসে আমাদের দু'জনকেই ভিজিয়ে দেবে। কান্নামাখা বৃষ্টি অথবা বৃষ্টিমাখা কান্নায় ভিজে ভিজে আমি পাড়ি দেব অকূল দরিয়া! এর ক'বছর পরেই এনরিক ইগ্লেসিয়াসের (Enrique Iglesias) একটি গানে এরকমই একটা দৃশ্য দেখেছিলাম। স্বপ্ন দেখার উপর কপিরাইট আইন থাকলে ঠিকই মামলা করে দিতাম!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
গোয়েবলস বলেছেন:
আমার ও জ্বর হইচিল।এখনও ধাক্কা সামলাই উঠতে পারিনাই।লেখক বলেছেন: আমিও।
এখনো বেশ দূর্বল।
ভাঙ্গন বলেছেন:
নাহিদা ওপারে সুখে থাক।।.
আর আমার জ্বর হলে ছেরাব্যারা অবস্থা হয়!
আইজকা আবার ফ্রিজের পানি খাইয়া ঠান্ডা লাগাইসি।
দেখার কেহ নাই!
লেখক বলেছেন: আহারে........
দুঃখ....
একটা বিয়া কৈরালান।
আর নাহিদার জন্য শোক ও ভালবাসা।
“রুবেল” বলেছেন:
জ্বর থেকে যেন টাইফোয়েট না হয়।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ না করুন।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
উচ্চমার্গের জ্বর হইলে তো জ্বরই ভালো।
লেখক বলেছেন: কন কিতা! শামীম ভাই?
রোহান বলেছেন:
আমার জ্বর ঠান্ডা কিছুই হয় নাই ইদানিং এনরিক এর হিরো গানের ভিড্যুটা তাইলে তোমার স্বপ্ন নকল কইরা বানাইছে... হুমমমমমম
লেখক বলেছেন: গানটা কি হিরো আছিলো নাকি?
মনে নাই।
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন:
দ্যাখো, প্রথম যাত্রায় তুমি বেঁচে গেলে কিন্তু মারা গেলো তোমার এক বোন। দ্বিতীয় দফায়ও তুমি বেঁচে গেলে কিন্তু পরবর্তীতে তার বলি হলো তোমার ত্রাণকর্তা সেই ছেলেটি। তবেই বোঝো তুমি কেমন কুফা !! লেখক বলেছেন: হুমম.. খারাপ বল নাই।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ না করুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অপ্সরা বলেছেন:
আমারও জ্বর এসেছে। এমনিতে আমার মত সুস্থ্য মানুষ নেই । একটু মাথা ব্যাথাও কখনও হয়না। তাই জ্বর আসায় ভাবছি সোয়াইন ফ্লু কিনা। যাইহোক লাস্টে তোমার লেখাটা একটা মৃত্যু কাব্য হয়ে উঠেছে।
লেখক বলেছেন: তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে ওঠো।
সূচীকর্ম বিষয়ক পোষ্টের কদ্দুর?
ঐসব আজাইরা ফ্লু-টুএর নাম মুখে আনার দরকার নাই।
লেখক বলেছেন: হুমমমম...
![]()
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
মৃত্যুচিন্তা নিয়মিত করিলে ইজ্জত নিয়মিত সামলে রাখা যায়!
লেখক বলেছেন: এইটা তো বড় জবরদস্ত কথা কইছেন ভাই!
রোহান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তওবা- আস্তাগফিরিল্লাহ!
রোযা-রমযানের দিনে এইডা কী দিলা মিঞা!
আইচ্ছা যাও।
রযার পরে দেইখ্যা লমু। ![]()
লেখক বলেছেন: সেটাই।
লেখক বলেছেন: ![]()
খুব সুন্দর লিখেছেন। উপমা, তুলনা,--আবেগ, উপস্থাপনা সব মিলে অসাধারণ লাগল লেখাটা।
এবারে একটু উপদেশ, স্যালাইন খান বেশি করে দ্রুত সুস্থ্য হয়ে যাবেন।
লেখক বলেছেন: উপদেশের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু, সমস্যা হলো, স্যালাইন খাওয়ার কথা শুনলেই আমার মনটা সব সময় বিষিয়ে ওঠে।
"অসাধারণ লাগল লেখাটা। "- এই অসাধারণত্ব যতটা না লেখার গুনে তার চেয়ে বেশী পড়ার গুনে..........।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এট বেশী মৃত্যু আর এত অকালে দেখতে হয়েছে যে মৃত্যু নিয়ে আর কোনো ফ্যান্টাসী নাই, মনে হয় অনুভূতিও নাই। মৃত্যুকে এখন শুধু দেখে যাওয়া নির্মোকভাবে ;দিনযাপনের বাকী বাস্তবতার মতই।
তোমার একসিডেন্ট দেখি আমার সাথেই মেলে। জীবনে প্রথমবার মরতে বসেছিলাম মায়ের নানা বাড়ীর দীঘিতে। এখন চমৎকার সাঁতার পারি, কিন্তু আজ পঁচিশ বছর পরও
সেই আতংক মাথাচাড়া দেয় ওই দীঘির পাশে গেলেই।
দ্বিতীয়বার খোলাপ্লাগে লেগে ঝলসে যাওয়া। ছয়মাস ছিলাম হাসপাতালে, এখনো একটা দাগ বয়ে চলি হাতে।
তৃতীয়বার অবিশ্রান্ত বমিতে ভয়ংকর ক্লান্ত হয়ে পড়ে থাকা, ঢাকার ব্যাচেলর নিবাসে কেউ নাই, মোবাইলটা টেবিল থেকে নেবার ও শক্তি ছিলো না।
সিস্টেমে ইমারজেন্সী হওয়ায় আমাকে ফোনে না পেয়ে অফিস থেকে পাঠানো ড্রাইভার এসে চারঘন্টা পর অজ্ঞান উদ্ধার করা।
বেঁচে আছি, এই ঢের !
লেখক বলেছেন: "বেঁচে আছি, এই ঢের !"
ভাল বলেছেন। কথাটা পছন্দৈছে। ![]()
পাথুরে বলেছেন:
রোহান বলেছেন: আরে তাইতো তোমার মইধ্যে তো কুফা ভাব সেরম। এইবার জ্বরের কুফা আবার যানি কার উপরে পড়ে ----------------------------------------------------------------------
গত ৪ দিন যাবত সর্দি-কাশি, সোয়াইন ফ্লু নাকি কে জানে? তুই সুস্থ হইলি ক্যান????????? আর আমারেই পাইলি রোগ ঝাড়তে??
লেখক বলেছেন: আবার জিগস্।
এখন কী অবস্থা?
লেখক বলেছেন: কুভ বালু........
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
তোমার ব্লগে এসে কেন জানি আমার মনে হলো তিনটা পোষ্ট আমি পড়িনি। তিনটা খুললাম। একটা একটা করে পড়তে গিয়ে দেখি আগের দুইটাই আমি আগে পড়েছি। শুধু এই পোষ্টটা পড়া বাকি ছিল। পড়ে ভালো লাগলো। মৃত্যু ব্যাপারটা জীবত সব মানুষের কাছেই কম বেশি একটা ফ্যান্টাসী। কেউ কেউ এটাকে ফ্যান্টাসী বানিয়েই হয়ত জীবন সাজায়। এটাকে গন্তব্য মেনে নিয়েই যতদিন হাসি আনন্দে বেঁচে থাকা যায়। সবাই যেখানে কুফা বিষয় খুঁজে পেল, সেখানটাতে আমার কেমন যেন একটা ভিন্ন অনুভূতি হচ্ছিল। হয়তো ওদের মৃত্যু সংবাদ ক্ষনিকের জন্য হলেও তোমাকে ভুগিয়েছে এক সূক্ষ্ণ যন্ত্রণায়। ওদের জন্য কিছু করতে পারার সুযোগ না পাবার যন্ত্রণায়। লেখাটা ভালো লাগলো। খুবই গোছানো। ভাল থাকো।
লেখক বলেছেন: এতদিন পরে এসে হলেও লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আমি লিখি শুধুই আমার জন্য।
তাই বোধহয় এক একজন এক এক রকম অনুভূতির শিকার হয়। তবে, মৃত্যু ব্যাপারটা জীবত সব মানুষের কাছেই কম বেশি একটা ফ্যান্টাসী- এটি বেশ সত্যি কথা।
অ্যামাটার বলেছেন:
ব্লগে অনেক লেখার ভীড়ে একটা মনোমুগ্ধকর লেখা পড়লাম। সুন্দর। ঘটনা দুইটা পড়ে ভয় পেলাম। মৃত্যুচিন্তা থেকে পারতপক্ষে দূরে থাকি। নাহিদার আত্মার শান্তি কামনায়...
লেখক বলেছেন: নাহিদার আত্মার শান্তি কামনা করছি।
ধন্যবাদ।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এত সুন্দর একট লেখা.......মৃত্যু নিয়েও এত সুন্দর লেখা হতে পারে?
সাথে নিয়ে গেলাম।
অনেক শুভকামনা।লেখা চলুক........।
লেখক বলেছেন: কতটা সুন্দর হয়েছে বলতে পারবো না।
তবে, লিখবার সময় আবেগের কমতি ছিল না।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, আকাশ অম্বর।
ভাল থাকুন।
রুবেল শাহ বলেছেন:
অসাধারণ লেখা..............
তবে এই ধরণের চিন্তা ভাবানাকে মাইনাস
====
দোয়া করবেন আমার জন্য
=======
ভাল থাক হয় যেনো..............
লেখক বলেছেন: এই ধরণের চিন্তা ভাবনাকে মাইনাস।
কই? মাইনাসটাকে তো খুঁজে পেলাম না!
![]()
দোয়া থাকল।
---------------------
নিয়তি! হয়তোবা।
লেখাটা মন ছুঁয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: স্মৃতিচারণের মত হয়েছে লেখাটি-অনেকটা আত্মকথন।
মন ছুঁয়েছে জেনে ভাল লাগল।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
আমি এখনো সাতার জানি না। আপনি জানেন? পানিতে ডুবে আমাদের স্কুলের একটা ছেলে মারা গিয়েছিল। বাচ্চাদের জন্মের পরই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সাতার শেখান একটা অবশ্য কর্তব্য বাবা মায়ের।আমরা দুজনেই ভাগ্যবান যে আমাদের মরতে হয় নাই। বাকী জীবন বোনাস।
মৃত্যুযন্ত্রনায় নীল হয়ে আসা আমার শিথিল হয়ে আসা মাথাটা কোলে নিয়ে বসে আছে কোন এক মায়াময়ী (যার নাম-চেহারা কিছুই আমার কাছে স্পষ্ট নয়)। শেষ মূহুর্তে যখন সে কাঁদতে শুরু করবে তখনি ঝুম বৃষ্টির ছাঁট এসে আমাদের দু'জনকেই ভিজিয়ে দেবে। কান্নামাখা বৃষ্টি অথবা বৃষ্টিমাখা কান্নায় ভিজে ভিজে আমি পাড়ি দেব অকূল দরিয়া!
ভাই চোখে পানি আইনা দেওয়ার মত কথা লেখছেন। আমার বাবা মায়ের ভালবাসায় সম্পর্ক মানে প্রেমের বিয়ে। সন্তান হিসেবেও তারা সবসময় ভালবাসায় আমাকে ঘিরে রেখেছেন। বাবা মা মাঝে মাঝে যখন মজা করে ঝগড়া করে, তর্ক করে মনে হয় স্বর্গের দরকার নাই আমি আমার বাবা মায়ের সাথেই থাকতে চাই। আমার মেজ খালাও প্রেম করে বিয়ে করেছেন। এইসব দেখে এখন মাঝে মাঝে বুকটা হাহাকার করে উঠে। আমি জানি আমার বাবা বা আংকেলের জন্য মায়াময়ীরা আছেন। উনাদের মাথা রাখার জন্য কোল আছে। সমস্যা হল উনাদের দেখে আমার কাছে সম্পর্কের মাপকাঠি অনেক উচুতে উঠে গেছে। সাধারণ সম্পর্কে আমি খুশী না। তাই মাঝে মাঝে বুকটা হাহাকার করে ওঠে।
ধুর শালা জীবন!
লেখক বলেছেন: ঐ ঘটনার পরেই আমাকে জোর করে সাঁতার শেখানো হয়েছিল।![]()
বাবা-মা'কে নিয়ে আপনার স্বর্গ রচিত হোক আর সেই স্বর্গে আসুক এক মায়াময়ী- এই কামনা রইল।
আর জীবনের উপরে রাগ করে লাভ নাই; মরার আগ পর্যন্ত বেঁচে থাকতে হবে!
![]()
লেখক বলেছেন: শুকনো ধন্যবাদ দেয়া ছাড়া আর কিছুই বলার নেই।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
ঈমানে কইতাছি, আমি এই পোস্ট আগে পড়ি নাই। তবে আমিও একবার মাল্টিপ্ল্যাগ নিয়ে মাতবরি করতে গিয়ে ইলেকট্রিক শক খেয়েছিলাম। মিনিটখানেক আটকে ছিলাম- তাও আবার ঘরের দরজা বন্ধ করে। বেঁচে যাওয়াটা আল্লাহর অশেষ নেয়ামত।
ঐ সময় আমার জীবনে মৃত্যুচিন্তা এসেছিল কঠিনভাবে। ক্লাস ফোরের ঘটনা কিন্তু এখনও সেই স্মৃতি ভুলতে পারিনি।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, অভিজ্ঞতা শেয়ার করবার জন্য।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















