আমার প্রিয় পোস্ট

সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত...............।

আজ বিকেলে যাঁরা ‘দুনিয়া কাঁপানো ত্রিশ মিনিটের মিছিলে’ যাবেন, তাঁদের জন্য কটকটিওয়ালার গল্প........

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৫

শেয়ারঃ
0 39 0

ছোটবেলায় স্কুল থেকে ফিরে ভাত খেয়ে কোন কাজ থাকতো না হাতে। চারিদিক নিঝুম। ভর দুপুর। মা’ হয়তো বিছানায় একটু করে গা এলিয়েছেন। আর আমি জানালার পাশে বসে (আমার মা’য়ের ভাষ্যমতে) শয়তানের গুটি চালছি। এমন সময় সেই মধুর ডাক! – “কড্‌কডীঈঈঈঈঈ, আছে ভাং-গা চু-রা হা-ড়ি পাতিইইইইইইল; কড্‌কডীঈঈঈঈঈ.....”

দুনিয়া একদিকে আর কটকটিওয়ালা একদিকে। মূহুর্তে সব গুটি চালাচালি শেষ। খাটের নীচে, আলমারির পেছনে, ময়লার ঝুড়িতে খোঁজ-খোঁজ রব! ফেলে দেয়া জং ধরা লোহা, পুরনো ঔষধের বোতল, ফেলে আসা বছরের বেঁচে যাওয়া বই-খাতা, ছেঁড়া স্যান্ডেল - যাই হাতের কাছে পাই তাই নিয়ে এক দৌড়ে কটকটিওয়ালার কাছে।

কটকটিওয়ালা তার জিনিসপত্রের বস্তা আর সেই আরাধ্য কটকটি রাখা ঢাকনা দেয়া ডিব্বা মাথা হতে নামায়। ছেঁড়া-ফাটা জিনিসগুলো নিক্তিতে ওজন করে। তারপর, আস্তে করে আধময়লা ঢাকনাটা সরিয়ে ছেনী দিয়ে কেটে ছোট্ট একটুকরা-দুইটুকরা চিটচিটে কটকটি আমাদের হাতে তুলে দিয়ে বলতো, “আর কিছু নাই?” তার সেই আকূল আহবান শুনে (আসলে আরো কটকটির লোভে) প্রানটা ছিঁড়ে যেত। মনে হোত, রান্নাঘরের অ্যালুমিনিয়ামের কলসিটার বয়স হয়েছে; ইট দিয়ে দুইটা বাড়ি দিয়ে ঐটার চেহারা বদলিয়ে কটকটিওয়ালাকে দিয়ে দিই। নিদেনপক্ষে, মায়ের ঔষুধের শিশির ঔষধ ফেলে কয়েকটা খালি করে নিয়ে আসি! বলা বাহুল্য, মা’য়ের রামধোলাইয়ের ভয়ে এসবের কিছুই কাজে রূপান্তরিত হোত না। কটকটিওয়ালা মন খারাপ করে চলে যেত। সাথে করে নিয়ে যেত সেই মন কেমন করা ডাক-“কড্‌কডীঈঈঈঈঈঈ, আছে ভাং-গা চু-রা হা-ড়ি পাতিইইইইইইল; কড্‌কডীঈঈঈঈঈঈ.....”। ’৮০ আর ’৯০ এর দশকের সব বাঙালী বাচ্চার জীবনেই এটি সাধারন ঘটনা। আগের আর পরের দশকের বাচ্চাদের কথা জানি না।

রবীন্দ্রনাথের সময়ে নিশ্চয়ই কটকটিওয়ালা ছিল না! নইলে ‘ডাকঘর’ নাটকের অসুস্থ অমলের সাথে দইওয়ালার বদলে কটকটিওয়ালারই দেখা হয়ে যেত- আমি নিশ্চিত।

যাই হোক, সে সময়ের সেই পরম আরাধ্য কটকটি সম্পর্কে এখন জানি। মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। আখের গুড়ের তলানিতে স্যাকারিন দেয়া পোড়া তেলে ভাজা এই জিনিস আমাদের পেট খারাপের জন্য অনেকাংশে দায়ী ছিল। অথচ, কী দারুন নেশাই না ছিল! পারলে ঘরের আসবাবপত্র সব দিয়ে হলেও কটকটি খেতে মন চাইতো। ঘরের বাতিল জিনিসপত্রগুলোও মা’ অনেক সময় দিতে চাইতেন না। মেজাজ ভীষন খারাপ হয়ে যেত। এখন বুঝি। একটু একটু করে টাকা জমিয়ে যেগুলো সংসারের জন্য কেনা হয়েছিল, সেসব তখন বাতিল হয়ে গেলেও সেগুলো এক নিমিষে ফেলে দিতে মা’য়ের মন চাইতো না! ওদিকে, কটকটিওয়ালারও কটকটি দেবার বেলায় কোন নির্দিষ্ট পরিমাপ ছিল না। হাতের আন্দাজে যাই দিতো, তাই নীরবে মেনে নিতে হোত! কখনো-সখনো বেশী গাঁই-গুঁই করলে আরো এক চিমটি ভেঙ্গে হাতে দিয়ে দিতো! আমরা তাতেই খুশি!

ধান ভানতে গিয়ে অনেকক্ষন ধরে শিবের গীত গাইলাম। এবার, ধান ভানি। এদেশের কর্পোরেট কম্পানিগুলোকে আজ কেন জানি ঐ কটকটিওয়ালার মত মনে হচ্ছে আর নিজেদের সেই অবুঝ বালকের দল।

একথা অস্বীকার করার কোন জো নেই যে, ইতিহাসের সঠিক পাঠ এবং জ্ঞান, একটি জাতির ভবিষ্যতের সোনালী রাজপথ নির্মান করে আর ভুল পাঠ জাতিকে পথ হতে ছিটকে ফেলে দেয়। ’৪৭ এর দেশ বিভাগের পর নতুন গঠিত বহুভাষাভাষী পাকিস্তান নামক জগাখিচুড়ি রাষ্ট্রের অনেকগুলো বড় বড় সমস্যার মধ্যে রাষ্ট্রভাষা নির্ধারণ একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়। শতকরা ৫৬ ভাগ মানুষের মাতৃভাষা বাঙলাকে পদদলিত করে মাত্র ৬ ভাগের মাতৃভাষা উর্দূকেই একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহন করার পাঁয়তারা কষে শাসকগোষ্ঠী। এরই প্রতিরোধে ’৪৮ এ ‘তমদ্দুন মজলিস’, তারপরে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। শুরু হয়ে যায় বাংলা ভাষার স্বপক্ষে জনমত গঠন। প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম, ড. মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহরা লেখালেখির মাধ্যমে বাঙলার সপক্ষে জোরালো দাবী জানাতে থাকেন। ’৫২ আসে এরই ধারাবাহিকতায়। ২১ শে ফেব্রুয়ারির ঐ ৩০ মিনিটের মিছিল ছিল একটা স্ফুলিঙ্গ মাত্র। এর আগের চার বছরের নিরলস পরিশ্রমে গড়ে ওঠা জনমত যখন তাজা বারুদের মত তৈরী হয়ে বসেছিল তখনি ঐ স্ফুলিঙ্গ সেখানে বিস্ফোরন ঘটায়; ফলশ্রুতিতে অত্যাচারীরা মাথা নোয়াতে বাধ্য হয়। তাই, পূর্বেকার এই চার বছরের ইতিহাসই ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, একুশে ফেব্রুয়ারি তার বহিঃপ্রকাশ মাত্র।



আজ (একুশে ফেব্রুয়ারি ‘২০১০ খৃষ্টাব্দ-সবাই জানে; নয়ই ফাল্গুন ‘১৪১৬ বঙ্গাব্দ-বেশিরভাগই জানে না) বিকেল ৩টায় ঢাকা মেডিকেলের ইমারজেন্সী গেইটের সামনে হবে মিছিল, ভাষার মিছিল। মনে পড়ে যাবে, প্রায় ছয় দশক আগে ’৫২ এর ভাষা আন্দোলনের সেই রক্তে ঝড় তোলা মিছিলের কথা, যার উপরে গুলিবর্ষনের ফলে শহীদ হন সালাম, বরকতেরা; আর বাঙলা পায় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। শুনতেই গা শিউরে ওঠে, রোম খাড়া হয়ে যায়। আজকের প্রজন্মের তরুনেরা যাদের অনেকের পিতা-মাতারও জন্ম হয় নি সেদিন, কত অনায়াসে সেদিনের সেই রোমাঞ্চ (থ্রিলিং [Thrilling]-এর কোন ভাল বাঙলা পাচ্ছিলাম না; ‘উত্তেজনা’ শব্দ দিয়ে পুরোপুরি ভাবটা উঠে আসে না; সাঈফ শেরিফের কাছে কৃতজ্ঞতা) মূহুর্তগুলোকে অনুভব করার সুযোগ পাচ্ছে। আমাদের তো আনন্দিত হবার কথা। কিন্তু, আমি পারছি না কেন?

পাঁচ-ছ’টা চ্যানেল পৃষ্ঠপোষক হয়েছে, সর্বাধিক প্রচারিত জাতীয় দৈনিক বদলানোর শপথে সাথেই আছে, আর কাছে থাকার প্রত্যয়ে দেশের সবচেয়ে বড় টেলিযোগাযোগ সেবাপ্রদানকারী তো আছেই। মিডিয়াতে নিজের চেহারা, নিজের দেশপ্রেম আর আবেগ দেখানোর এত বড় মওকা হাতছাড়া করে কোন পাগলে! আমি জানি, উদার বিপণণের এই যুগে , হুজুগে বাঙালী কাতারে কাতারে ঐ ৩০ মিনিটের মিছিলে সামিল হবে। গলা ছেড়ে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগান দেবে আর সেই অন্তঃসারশুন্য স্লোগানের নিচে ছাপা পড়ে এদেশের অন্য সকল ঘটনার মত ভাষা আন্দোলনের প্রকৃত ইতিহাসও কেঁদে মরবে। এটাই সবচেয়ে কষ্টের কথা। আরো কষ্টের কথা, আমরা কটকটিওয়ালাদের কাছে আমাদের অতীত বেচতে শিখে গিয়েছি, বর্তমানকেও পিটিয়ে বাঁকাত্যাড়া করে বিকিয়ে দিতে খুব বেশী সময় লাগার কথা নয়!

নজরুল তাঁর জীবনের শেষ অভিভাষনে বলেছিলেন, “যেদিন আমি চলে যাব, সেদিন হয়ত বা বড় বড় সভা হবে। কত প্রশংসা কত কবিতা বেরুবে হয়ত আমার নামে। দেশপ্রেমী, ত্যাগী, বীর, বিদ্রোহী- বিশেষনের পর বিশেষন। টেবিল ভেঙে ফেলবে থাপ্পর মেরে। বক্তার পর বক্তা। এই অসুন্দরের শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রার্থ্য দিনে বন্ধু তুমি যেন যেও না। যদি পার চুপটি করে বসে আমার অলিখিত জীবনের কোন একটি কথা স্মরণ কোর। তোমার ঘরের আঙিনায় বা আশেপাশে যদি একটি ঝরা পায়ে পেষা ফুল পাও, সেইটিকে বুকে চেপে বোল, ‘বন্ধু, আমি তোমায় পেয়েছি’।” ভাষা মানুষের মুখে কথা হয়ে ধরা দেয় কিন্তু নিজে বলতে পারে না। বাংলা ভাষা যদি আজ কথা বলতে পারতো, তবে এভাবেই বোধহয় বলে উঠতো।

ইতিকথাঃ

কোন এক ফারসী কবি (শেখ সাদী কিংবা হাফিজ-মনে নেই) কবিতায় পড়েছিলাম, “গোয়ালা তার পণ্য (দুধ) বেচতে এ বাড়ি ও বাড়ি ঘুরে মরে, কেউ কেনে, কেউ কেনে না। আর মদওয়ালা মদের পিপে নিয়ে নিজের ঘরেই বসে থাকে; লোকেরা খুঁজে খুঁজে সে ঘরে এসে যায়!” আমরা আজো আমাদের দুধওয়ালাদের চিনতে পারি নি, মদের পিপেতেই সান্ত্বনা খুঁজে চলেছি।

সবাইকে ভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
..............................................................

ইতিকথার কথার পরের কথাঃ

১. কট্‌কটিঃ সিদ্ধ চালের সাথে আখের গুড় মিশিয়ে তেলে ভাজা এক প্রকার মিষ্টান্ন। কীভাবে কট্‌কটি বানাতে হয়, তা জানতে পারবেন এখান হতে।
২. কট্‌কটিওয়ালা স্মৃতি ফিরে পেতে সাহায্য করেছেন অকালে বিদায় নেয়া ব্লগার কেল্টূ দা। আহারে ! কটকটি খাইতে মনচায় ।
৩. ১৯৪১ সালের ৬ই এপ্রিল মুসলিম ইন্সটিটিউট হলে "বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি"র রজত জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠানে সভাপতি রূপে নজরুল একটি অভিভাষণ দান করেন। দুরারোগ্য ব্যাধিতে চিরজীবনের জন্য বাক্‌রুদ্ধ হয়ে যাবার পূর্বে “যদি আর বাঁশী না বাজে” শীর্ষক এই অভিভাষনই ছিল তাঁর জীবনের সর্বশেষ বক্তৃতা।
৪. ৩০ মিনিটের মিছিলের কাঁটাছেঁড়া করে ব্লগার দিনমজুর লিখেছেন, ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! তথ্য আর বক্তব্যে ওটা দূর্দান্ত হয়েছে।

 

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: কিসের উপর ভিত্তি করে এতবড় সনদ দিয়ে দিলেন?

২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৫
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন: নজরুল তাঁর জীবনের শেষ অভিভাষনে বলেছিলেন, “যেদিন আমি চলে যাব, সেদিন হয়ত বা বড় বড় সভা হবে। কত প্রশংসা কত কবিতা বেরুবে হয়ত আমার নামে। দেশপ্রেমী, ত্যাগী, বীর, বিদ্রোহী- বিশেষনের পর বিশেষন। টেবিল ভেঙে ফেলবে থাপ্পর মেরে। বক্তার পর বক্তা। এই অসুন্দরের শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রার্থ্য দিনে বন্ধু তুমি যেন যেও না। যদি পার চুপটি করে বসে আমার অলিখিত জীবনের কোন একটি কথা স্মরণ কোর। তোমার ঘরের আঙিনায় বা আশেপাশে যদি একটি ঝরা পায়ে পেষা ফুল পাও, সেইটিকে বুকে চেপে বোল, ‘বন্ধু, আমি তোমায় পেয়েছি’।” ভাষা মানুষের মুখে কথা হয়ে ধরা দেয় কিন্তু নিজে বলতে পারে না। বাংলা ভাষা যদি আজ কথা বলতে পারতো, তবে এভাবেই বোধহয় বলে উঠতো।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: ওখান পর্যন্ত তো আমার বলা কথা ছিল। আপনার কথাটা তো শোনা হলো না!:(

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: আচ্ছা, দেখে নিচ্ছি।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৬
পারভেজ বলেছেন: কটকটিওয়ালার কথা নস্টালজিক করে তুললো। তবে হয়তো তখনো খাদ্যে এতো ভেজাল আসেনি নাগরিক জীবনে।
লেখাটা সময়োপযুগী হয়েছে।
ভালো লাগলো
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: আপনার ভাল লাগাতে পেরেছি বলে নিজেরও ভাল লাগল। আরো ভালো লাগবে যদি, এই পোষ্টের একটি বাক্যও আমার-আপনার সবার সুস্থ চিন্তার খোরাক যোগায়।

৫. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৬
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: Thrilling-এর কোন ভাল বাঙলা পেলাম না; ‘উত্তেজনা’ শব্দ দিয়ে পুরোপুরি ভাবটা উঠে আসে না) .... রোমাঞ্চকর বলতে পারেন।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে, আপনার এখানেও একটা পদ প্রকরণ সংক্রান্ত ভুল হয়েছে। রোমাঞ্চকর নয় রোমাঞ্চ হবে।;) ঠিক করে দিলাম।

৬. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৮
ওসমানজি২ বলেছেন: দিলেনতো মন খারাপ করে - ইসসিরে কটকটি খেতে মন চায়যে। সে যাকগে নজরুলের অভিভাষন দিয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন আপনার লেখার ভাবধারা। ধন্যবাদ। ++
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪২

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
কট্‌কটি খেতে আমারো মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে। কিন্তু, সে কট্‌কটিওয়ালা আর আসে না.......:(

৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৩
চতুষ্কোণ বলেছেন: তায়েফ একটানে ছোটকালে নিয়ে গেলে। কটকটিঅলাদের দিয়ে সত্যিকার অর্থেই কর্পোরেট কটকটিঅলাদের চেহারা তুলে ধরলে। লেখা সময়োপযুগী এবং সুন্দর হয়েছে। দিনমজুরের লেখাটা আগেই পড়েছি। ওটা এককথায় অনবদ্য একটা লেখা ছিল।

সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। আর আগের পোষ্টের মন্তব্যের জন্য স্যরি। মাথা কিন্চিত গরম ছিল।:)

প্রিয়তে.....
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪১

লেখক বলেছেন: লেখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ছোটবেলার স্মৃতিগুলোই বারেবারে ফিরে আসে। দিনমজুরের লেখা অনবদ্য ছিল সন্দেহ নেই।


আর আগের পোষ্ট? হা হা হা......এ সব নিয়ে আমাকে কখনো মন খারাপ করতে দেখেছো?

৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৩
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: আমরা কটকটিওয়ালাদের কাছে আমাদের অতীত বেচতে শিখে গিয়েছি ...

স্যলুট বস...অসাধারণ কথা..অসাধারণ...
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: আমরা কটকটিওয়ালাদের কাছে আমাদের অতীত বেচতে শিখে গিয়েছি ...সত্য বলেছি ভাই। খারাপ কিছুই আমাদেরকে হাতে ধরে শেখাতে হয় না, নিজেরাই শিখে নিই। অন্যদিকে, ভাল কিছু শেখাতে গেলে জান খারাপের যোগাড় হয়। তারপরেও কিছু শেখানো যায় না!:(
কবে যে আমি-আপনি-আমরা বদলাব-ধনাত্মক পরিবর্তনের ঢেউ আমাদের ছুঁয়ে যাবে! আমি অপার হয়ে বসে আছি...............

৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৭
জানা বলেছেন:
অসাধারণ।

ভাল থাকবেন এ,ভাবেই..।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: আপনি আমার লেখা পড়তে এসেছেন, সত্যি সম্মানিতবোধ করছি। :)ভাললাগাটা ভাল লাগল।

অঃটঃ কোন এক ব্লগারের পোষ্টে আপনাদের পিচ্চিটার (নাম ভুলে গেছি)ফটো দেখেছিলাম একবার। ওর জন্য আদর।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: ছবিটার জন্য ধন্যবাদ।

১১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৬
এ.জে. মিন্টু বলেছেন: অসাধারণ। দুর্দান্ত।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বলা ছাড়া আপনাকে আর কীবা বলতে পারি?

১২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩২
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট .... ৩০ মিনিট মিনিটেই কি তৈরী হয়েছিলো ইতিহাস?

আমাদের আবেগ নিয়ে কি নির্লজ্জ বেনিয়াগিরি। আর আমরাও বিক্রি হয়ে যাই কি সহজে। আজীব দ্যাশ। আজীব মানুষ।:(


আমাদের ও সমস্যা আছে। জানি 'বাজার' এর উপরে পাল্লা দেওয়া কঠিন, তাই বলে আমাদের নিজেদের নিজস্ব প্রচেষ্টা নাই, এইটাও দখলদারিত্বের একটা কারণ।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনার এই মন্তব্যের প্রত্তুত্তর কীভাবে দেব ভাবছিলাম। আমার পোষ্টের কথাগুলোরই প্রতিধ্বনি, অথচ, ঝাঁঝ এত বেশী! আর কী বলব? :(

১৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯
রাহা বলেছেন: ...রবীন্দ্রনাথের সময়ে নিশ্চয়ই কটকটিওয়ালা ছিল না! নইলে ‘ডাকঘর’ নাটকের অসুস্থ অমলের সাথে দইওয়ালার বদলে কটকটিওয়ালারই দেখা হয়ে যেত- আমি নিশ্চিত।...

+ হুম
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: এই কথাটা বলার সময় আমি "আমি নিশ্চিত" লিখলেও, মনে মনে কিছুটা কনফিউজড্‌ ছিলাম।:) আপনার কথায় ভরসা পেলাম।:D

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, পড়ার জন্য। বড় মাপের লেখকেরা এই ব্লগে পদধূলি দিলে নিজেই নিজের কাছে খুব সম্মানিতবোধ করি।;)

১৫. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৯
পিচ্চি হুজুর বলেছেন: কোন এক ফারসী কবি (শেখ সাদী কিংবা হাফিজ-মনে নেই) কবিতায় পড়েছিলাম, “গোয়ালা তার পণ্য (দুধ) বেচতে এ বাড়ি ও বাড়ি ঘুরে মরে, কেউ কেনে, কেউ কেনে না। আর মদওয়ালা মদের পিপে নিয়ে নিজের ঘরেই বসে থাকে; লোকেরা খুঁজে খুঁজে সে ঘরে এসে যায়!” আমরা আজো আমাদের দুধওয়ালাদের চিনতে পারি নি, মদের পিপেতেই সান্ত্বনা খুঁজে চলেছি।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: জ্বী, পিচ্চি হুজুর।:)
কবিতাটা কার বলতে পারেন?

১৬. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭
মৌনোতা বলেছেন: ভাইয়া আমি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছি লেখাটা পড়ে। সামহোয়্যার এর এখন যে অবস্থা তাতে এই লেখাটা তার পুরা বিপরীত। এতো কস্ট করে গবেষনা করে লেখেন যে আপনাকে আমার কি বলে সম্মান দিতে হবে সে ভাষা খুজে পাচ্ছিনা।

আমরা আজো আমাদের দুধওয়ালাদের চিনতে পারি নি, মদের পিপেতেই সান্ত্বনা খুঁজে চলেছি।

এদের চিনা জরুরী হয়ে পড়েছে না হলে এরা আরেকটি ইষ্টইন্ডিয়া কোং হবে।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: ভাষা দিবসের এই দিনে কেউ ভাষাহীন হয়ে যাক-এমন আমি চাই নি। বোঝা গেল, লেখক হিসেবে কিছুটা ব্যর্থ!:( সকলেই কথা বলুক, মনের কথা, ভাল লাগার কথা-এইতো প্রত্যাশা।
এতো কস্ট করে গবেষনা করে লেখেন ........হা হা হা....হাতের কাছে ইন্টারনেট থাকলে আজকাল কষ্ট কমে যায়।:)
দুধওয়ালাদের অতিসত্ত্বর চিনে নিতে হবে-কোন বিকল্প নাই।

১৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫০
মৌনোতা বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: আমি সম্মানিত।

১৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৯
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: পেছনে ফিরে গিয়েছিলাম।
স্টিকি করলে ভালো হয়।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন: স্টিকি!!!!
লজ্জা দিলেন।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
অরণ্যচারী বলেছেন: সকালেই পড়েছিলাম ... খুব ভালো লিখেছেন।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: শুকনো ধন্যবাদ দিয়ে আপনাকে ছোট করছি না।

২০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৬
অলস ছেলে বলেছেন: শিবের গীতই বরং ভালো হয়েছে, সত্যিই দুর্দান্ত। এখন ইনষ্ট্যান্ট কফির যুগ, বিভিন্ন সমীকরণের ফলে অল্প আয়েশে রমরমা স্বাদটাই সবার পছন্দের হয়ে দাড়াচ্ছে। বেনিয়ারা তো সুযোগ নেবেই। যে বুড়ো মানুষগুলোর তুবড়ে যা্ওয়া চামড়াকে এরা বিজ্ঞাপন জমাতে ব্যবহার করলো, তাদের জন্যই বরং একটু করুণা। ডিজুস জেনারেশন ধাক্কা খেতে খেতেই চলবে।
আমার ছোটখাটো একটা চিন্তা ছিলো, যদি আজকের মিছিলে একটা সত্যিকারের ব্রাশফায়ার করা হবে বলে ঘোষণা দেয়া হতো, তাহলে কজন যেতো দেখা যেতো।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে বলে ভাল লাগছে কিন্তু, তৃপ্তি পাচ্ছি না। পুরো লেখায় আমি সযত্নে ভাষা সৈনিকদের বিকিয়ে যাওয়াটাকে এড়িয়ে গিয়েছি। সারাজীবন অবিশ্রান্ত সংগ্রামের পর ক্লান্ত তাঁরা। দেশ-জাতি নূন্যতম মূল্যায়ন করেছে বলে মনে পড়ে না। কাঁপতে থাকা শরীর, কুঁচকে যাওয়া চামড়া আর ক্ষীণ হয়ে আসা দৃষ্টি এখন নিজেদের ভবিষ্যতের চাইতে রেখে যাওয়া উত্তরপুরুষদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভাবছে হয়তো!
ব্রাশফায়ারের ঘোষনা! হা...হা...হা....আমরা নিজেরাই যে প্রজন্মের চিন্তা-ভাবনা করে মানুষ হয়ে গড়ে ওঠার পথ বন্ধ করে দিয়েছি, সে প্রজন্মের কাছ হতে এতটা আত্মত্যাগ আশা করা ঠিক নয়।:(

২১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ব্লগে এলাম এই মাত্র। সকলের জবাব দেব একে একে... ৩০ মিনিটের অনুষ্ঠানটা কিছুক্ষন দেখলাম। (অফিসে আসতে হওয়ায় পুরো দেখতে পারলাম না:()'৪৮ সালের ইতিহাস থেকে '৫২ পর্যন্ত ইতিহাস সংক্ষেপে তুলে আনার প্রয়াস ছিল, একটা পথ নাটকে.......
২২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৬
তুষারকনা বলেছেন: একটা মেয়ের এর কাছে মতামত নিলো দেখলাম বাংলা ভাষার প্রতি তার মমত্ববোধের কথা বলা যেনো শেষই হচ্ছিলোনা......কথা শেষ হলে সুন্দর করে বললো-"থ্যাংকু"
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: 'থ্যাংক ইউ' টা চেয়ার-টেবিলের মত এত আটপৌরে শব্দ হয়ে গিয়েছে যে, ইংরেজী বলে মনেই হয় না!:(

২৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯
আদার বেপারি বলেছেন: অলস ছেলে বলেছেন: আমার ছোটখাটো একটা চিন্তা ছিলো, যদি আজকের মিছিলে একটা সত্যিকারের ব্রাশফায়ার করা হবে বলে ঘোষণা দেয়া হতো, তাহলে কজন যেতো দেখা যেতো।

:)
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: তাঁর প্রতি ছুঁড়ে দেয়া উত্তরটাও দেখুন।:)

২৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২
মৌনোতা বলেছেন: অলস ছেলে বলেছেন: আমার ছোটখাটো একটা চিন্তা ছিলো, যদি আজকের মিছিলে একটা সত্যিকারের ব্রাশফায়ার করা হবে বলে ঘোষণা দেয়া হতো, তাহলে কজন যেতো দেখা যেতো।

Very Funny But Meanigfull Suggestion by MR Lazy
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: তাঁর প্রতি ছুঁড়ে দেয়া উত্তরটাও দেখুন...........:)

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১১
বাগসবানি বলেছেন: কটকি খাইতে মন চাইতেছে :( প্রতিদিনই দেখি কিন্তু কেনা আর হয় না :(
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: সেই রামও নাই, অযোধ্যাও নাই।
ভিতরের ছোট মানুষটা অনেক বড় হয়ে গেছে। হাইজেনিক-ইনহাইজেনিক খাদ্য যাচাই বাছাইয়ে অনেক চিন্তা করতে হয় এখন!:(

২৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৫
মৌনোতা বলেছেন: অসাধারন জবাব। দিনে দিনে আমরা যে হারে সাহশীন হচ্ছি তাতে সন্দেহ হয়।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: সাহসের নিবাস মানুষের বুকে আর এর জন্ম মানুষের শিক্ষায়-মননে-ঐতিহ্যে। ওসব হারিয়েবসে থাকলে বুকটা ফাঁকাই থাকে-সাহসের আবাস গড়ে ওঠে না.....

২৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৮
শ।মসীর বলেছেন: স্মৃতি নিয়া কিছু জাতি বেঁচে থাকে আমরা হচ্ছি সে জাতি, যে জাতি আগানোর স্বপ্ন দেখেনা............খালি ইতিহাস কপচায়.। আগানোর স্বপ্ন দেখেনা, জানেওনা কি চায় , কিভাবে চায়........।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: আমরা আসলেই একটু পেছনে ফেরা জাতি, খালি পুরানো কথা ইয়াদ করি আর দিবস উদ্‌যাপন করি। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত আমরা যে কয়টা উৎসবে মেতে উঠি, গোটা দুনিয়াতে কোন জাতি সারা বছরেও এত উৎসব আর দিবস পালন করে কীনা আমার সন্দেহ আছে।

২৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৭
বাগসবানি বলেছেন:

শ।মসীর বলেছেন: স্মৃতি নিয়া কিছু জাতি বেঁচে থাকে আমরা হচ্ছি সে জাতি, যে জাতি আগানোর স্বপ্ন দেখেনা............খালি ইতিহাস কপচায়.। আগানোর স্বপ্ন দেখেনা, জানেওনা কি চায় , কিভাবে চায়........।

---------------------------------
ভ্রাতা মনের কথা কইছেন :) তয় আমি অনেকেই স্বপ্ন দেখাইছি । লাভ হয় নাই । তারা আমারে কইছে যে আমি নাকি মাঝে মাঝে কি হয় । তখন অনেক কঠিন কঠিন কথা বলি । তারা ফ্যাল ফ্যাল কইরে চায়ে থাকা ছাড়া আর নাকি কিছুই বুঝে না । :(
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: শ।মসীরের মন্তব্যের উত্তর দিয়ে দিয়েছি। পড়ে নিন।:)

৩০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৪
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: মনের মতো পোস্ট!
প্রিয়তে রাখলাম

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: এটা আমার জন্য সম্মানের।

৩১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

কোন এক ফারসী কবি (শেখ সাদী কিংবা হাফিজ-মনে নেই) কবিতায় পড়েছিলাম, “গোয়ালা তার পণ্য (দুধ) বেচতে এ বাড়ি ও বাড়ি ঘুরে মরে, কেউ কেনে, কেউ কেনে না। আর মদওয়ালা মদের পিপে নিয়ে নিজের ঘরেই বসে থাকে; লোকেরা খুঁজে খুঁজে সে ঘরে এসে যায়!” আমরা আজো আমাদের দুধওয়ালাদের চিনতে পারি নি, মদের পিপেতেই সান্ত্বনা খুঁজে চলেছি।


শেষ পর্যন্ত আমাদের দুধওয়ালাদের জয় হোক -- এই আশাটা আমরা বাচিয়ে রাখি ।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: দুধওয়ালাদের খুঁজে বের করে নিয়ে আসাটাই এখন অনেক বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৩২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৮
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: লেখাটা সত্যিই অসাধারণ হয়েছে তায়েফ ভাই। আপনার আমার মত সাধারণ মানুষও এই ৩০ মিনিটের বানিজ্যিক আইডিয়া গুলোর ফাদে পা দিচ্ছি, এটাই দুঃখের বিষয়। আমার এক কাছের বন্ধু আজ শত চেষ্টা করেও আমাকে এই ‘দুনিয়া কাঁপানো ত্রিশ মিনিটের মিছিলে’ নিয়ে যেতে পারেনি।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ঢাকায় থাকলে আমিও যেতাম কীনা সন্দেহ আছে..............
৩০মিনিটের তথাকথিত দুনিয়া কাঁপানো মিছিলে আর কিছু না কাঁপাতে পারলেও ৫৮ বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যের ভিত্তিমূল কাঁপিয়ে দিয়েছে- এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই...........:((

৩৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৩
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: ভাইয়া কি আমাকে একটু পচানি দিলেন নাকি :((
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: আরে নাহ্‌.......:)
যা বিশ্বাস করি, তাই বলেছি...........বিশ্বাস করুন.........

৩৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৬
ভাঙ্গন বলেছেন:
অনবদ্য,দুর্দান্ত!
আমরা নিয়তই কর্পোরেট চিন্তার কাছে বিড়াল হয়ে ঘুমিয়ে আছি।

.........
তবে কটকটির ঘটনাটা আসলেই সেইসব দামাল দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিলো।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: যাক্‌!
কিছু একটা তো মনে করিয়ে দিতে পারলাম।
:)

৩৫. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০০
মৃতস্বর বলেছেন: লেখাটা বেশ ভালো হয়েছে।
বেশ কয়েকটি লেখা এসেছে একই বিষয়ে, তবে প্রতিটিই স্বতন্ত্র।


আদার বেপারি 'র প্রস্তাব খানা ভেবে দেখবার মত.. =p~
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আজ এ বিষয়ে ভাববার মত আরো কয়েকটা স্বতন্ত্র লেখা এসেছে। ভাল লাগছে তাই। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আর আদার বেপারীর প্রস্তাবকারী নন, সমর্থক।;)
মূল প্রস্তাবক হলেন অলস ছেলে(২০ নং কমেন্ট)..........

৩৬. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৭
ভোরের তারা বলেছেন: সবার মত আমিও কটকটির দিনে ফিরে গেছি। এই লোভী কর্পোরেট ব্যবসা আমাদের যে কোথায় নিয়ে দাড় করাবে জানি না।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আহা!............সেইসব কটকটির দিন...........মনে পড়ে যায়........

৩৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৫
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: আমার ৩০ মিনিট কনসেপ্ট টা ভালো লাগে নি, তাই যাই নি ...
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ঢাকায় থাকলে আমিও যেতাম কীনা সন্দেহ আছে।:(

৩৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৯
দীপান্বিতা বলেছেন: প্রথম প্যারাটা পড়তে পড়তে চোখের সামনে যেন ভেসে উঠল.....

"....যদি পার চুপটি করে বসে আমার অলিখিত জীবনের কোন একটি কথা স্মরণ কোর। তোমার ঘরের আঙিনায় বা আশেপাশে যদি একটি ঝরা পায়ে পেষা ফুল পাও, সেইটিকে বুকে চেপে বোল, ‘বন্ধু, আমি তোমায় পেয়েছি’।".....

... ভাষা দিবসের শুভেচ্ছা ....
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: ঐ কথাগুলোর কোন জবাব নেই.............হৃদয় ছিঁড়েখুঁড়ে একাকার করে দেয়.............
শুভেচ্ছা গ্রহন করে নিলাম বিনম্র শ্রদ্ধায়............

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধইন্যা ........ছুডো ভাই...........:)
বহুত দিন পরে আগে পইড়া পরে শেষ প্লাসটা দিলা.....:D

৪০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৬
নাজনীন১ বলেছেন: কটকটির কথায় আমার দেখি কাবুলিওয়ালার কথা মনে পড়ে গেল, সেই যে ছোট্ট মেয়েটি দৌড়ে যেত.........কেন? প্রকাশ করার ক্ষমতা নেই।

অসাধারণ লিখেছেন। আবেগ নিয়ে ব্যবসা আর কতদিন দেখতে হবে কে জানে?

থ্রিলিং-এর মানে আমার কাছে অনেকটা আবেগ-উদ্বেলিত উত্তেজনার অনুভূতি। জানি না ঠিক অর্থ হলো কিনা।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: একশব্দে থ্রিলিঙের বাঙলা অর্থ রোমাঞ্চটাই ভাল শোনালো আমার কানে।
আর আধুনিক পূঁজিবাদে সবই পণ্য। আবেগ-অনুভূতিই বা বাদ যাবে কেন?
কাবুলিওয়ালার কথা মনে পড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক।:) মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৪১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৭
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: মাইনাচ!! (পরের পোস্টে! :P )
আপনি করে বলার জন্য । /:)

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৫

লেখক বলেছেন: ওক্কে, আইজকা থেকে তুমি..........পরে আবার কৈওনা, "মাইনাচ!! (পরের পোস্টে! )তুমি করে বলার জন্য ।" তুই তে নামতে পারবো না!
:P

৪২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩২
আহমেদ রাকিব বলেছেন: সোজা প্রিয়তে। আর কিছু বললাম না।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: কিছু না বলেও অনেক কথা বলে ফেলা যায়।

৪৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৫
আমি এবং আঁধার বলেছেন: দেশপ্রেম নিয়ে যখন কর্পোরেট ব্যাবসা শুরু হয়, তখন আর ইতিহাস পাল্টাতে কতক্ষণ??

অসাধারণ লিখেছেন।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মন্তব্যের জন্য।

একটা সংশোধনীঃ
ইতিহাস আসলে পালটানো যায় না.........একে বড়জোর চাপা দিয়ে রাখা যায়। এটা অবশ্য আমার নিজস্ব মতামত। দ্বিমত থাকতেই পারে।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৮
জুল ভার্ন বলেছেন: লেখাটা সময়োপযুগী হয়েছে।

আমরা নিয়তই কর্পোরেট ওয়ালাদের ব্যবসায়ীক বুদ্ধির(কু) কাছে হিমশিম খাচ্ছি।আপনার আমার মত সাধারণ মানুষও এই ৩০ মিনিটের বানিজ্যিক আইডিয়া গুলোর ফাদে পা দিচ্ছি, এটাই দুঃখের বিষয়। তবে আমি ব্যবসাটা বুঝতে পেরেছিলাম। সুস্থ্য থাকলেও আমি ওখানে যেতামনা-কারো ব্যবসার পশার জমাতে সাহায্য করতে।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ব্যবসা বিষয়ে আমার চিন্তাধারা পরের কমেন্টে ব্যাখ্যা করেছি। দেখার অনুরোধ রইল।

৪৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৫
কক বলেছেন: ব্যাবসা ছাড়া কি আছে দুনিয়ায়? সব ব্যাবসাই যে টাকা পয়সা রিলেটেড হবে তা নয়........অনার্থিক ব্যাবসাও আছে.......ধরেন ভালো একটা টপিকে লিখা.......অনেক অনেক প্লাস পাওয়া বা কমেন্ট পাওয়া......এটাও আমার কাছে ব্যাবসাই মনে হয়।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক কঠিন করে বলে ফেললেন।
ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসা করাকে আমি খারাপ বলি না। ব্যবসায়ী ব্যবসা করবেন, লাভ গুনবেন-এই তাঁর মূল লক্ষ্য। কিন্তু, এথিক্স (Ethics) বলে একটা কথা আছে, যেটা কোন পেশার মানুষেরই ভুলে যাওয়া উচিৎ নয় আর এথিক্স বেচে ব্যবসা হয় না, ডাকাতি হয়- এই কথাটাও মাথায় রাখা দরকার। কিছু কিছু টপিকে এ ব্যাপারগুলো আসে; প্লাস-কমেন্ট এইসব তো অনেকক্ষেত্রে কপালের ব্যাপার।:)

৪৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫১
রাগ ইমন বলেছেন: থ্রিল এর সরাসরি বাংলা রোমাঞ্চ । রোমাঞ্চকর , রোম হর্ষক , উত্তাল অনেক কিছুই বলতে পারতেন।

লেখাটা ভালো।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: আমি শেষপর্যন্ত রোমাঞ্চ শব্দটাই বেছে নিয়েছি।:)
আর আপনার কাছ হতে "লেখাটা ভাল"- এ ধরনের মন্তব্য পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।:D সত্যিই ভাল লাগছে।

৪৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২০
ব্যতিক্রমী বলেছেন: কালকেই পড়ছিলাম। কিন্তু কারেন্ট চলে যাওয়াতে মন্তব্য করতে পারি না।

অসাধারণ লিখেছেন। আশির দশকের শেষ দিকে জন্ম হওয়ায় কটকটিওয়ালাদেরকে চিনছি। আমি তো বাড়িতে থাকলে এখনো কিনে খাই। যেন শৈশবের একটা গন্ধ খুঁজে পাই।

আমি একটা লিখেছিলাম।

একুশ এলেই আমার দেশপ্রেম জেগে উঠে

লিংকটি দেবার জন্য লজ্জিত।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: লজ্জার কিছু নেই। এমন তো অনেকেই দেয়; আমিও দিই।:D
আপনার লেখাটা চোখে পড়েছিল।
আমি কবিতা কম বুঝি বলে কমেন্টও কম করা হয়।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে......

৫০. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯
নীল ভোমরা বলেছেন: ভাল লেখা! ভাল থাকবেন।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।
:)

৫১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৭
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: আমার লেখার যোগ্যতা আপনার মত থাকলে ঠিক এই লেখাটার প্রথম অংশ টা আমার গল্প ও হতে পারতো , কটকটি কিংবা হাওয়াই-মিঠাইওয়ালা , আশি নব্বই দশকের বাচ্চাইতো ! বাসার সব জিনিশকেই তখন অকেজো মনে হতো! আরেকটা ব্যাপার যেটা হতো , বড় মায়া লাগতো ফেরিওয়ালা লোকটার জন্য! আম্মু একটুও তাদের কেন পছন্দ করেনা , দুঃখে আমিই তাদের খুব পছন্দ করতাম!

পরের অংশের ব্যাপারে ,
আর কত ? আর কিভাবে ... ?

হতাশ ! খুব ......

আপনাকে একটা বই পড়ার ব্যাপারে বলতে পারি , 'দাজ্জাল, দ্য এন্টিক্রাইস্ট' ......... দীর্ঘ ডকুমেন্টারি দেখার অভ্যাস + প্যাশন থাকলে একটা ডকফিল্ম দেখার কথাও বলতাম , কিন্তু সেটা হয়ত বেশী বেশী হয়ে যায় !

আমার কলেজ পড়ুয়া সুডু ভাই তার ফ্রেন্ড কে ফেইসবুকে এই লেখার লিঙ্ক দিয়েছে দেখে আসা , নইলে কিভাবে চোখ এড়ালো , এটা ক্ষমার অযোগ্য!

প্রিয়তে
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫১

লেখক বলেছেন: আমার লেখার যোগ্যতা আপনার মত থাকলে বলে লজ্জা দিয়ে দিলেন। লেখার প্রথম অংশটা আসলে আমাদের সকলেরই গল্প। কটকটিওয়ালার জায়গায় হয়তো ফেরিওয়ালা বা অন্য কেউ;কিন্তু ঘটনা আর অনুভূতি একই!
দ্বিতীয় অংশের ব্যাপারে কথা হলো, আমি সহজে হতাশ হই না......মরার আগ পর্যন্ত আশাবাদী থেকে যেতে চাই।
দাজ্জাল দ্য অ্যান্টিক্রাইষ্ট বইটার নাম শুনেছি। পড়ার সুযোগ হয় নি। দেখি ডাউনলোড করতে পারি কীনা।
আর যে ডকিউমেন্টারীর কথা বললেন তার নাম বলুন, হয়তো কমন পড়েও যেতে পারে। অন্যথায় নামিয়ে নেবো। ভিডিও ডাউনলোডের ব্যাপারে আমি প্রায় কিংব্দন্তীর পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছি।:)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন: কোনটা!!!
ঐ মিছিল:((
নাকি আমার লেখাটা?:(

৫৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৬
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: নাহ , এই ডকু টা নেট এ পাওয়া যায়না খুব সম্ভবত ! তারপরো লিঙ্ক এর খবর জানলে আপনাকে জানাবো । এই যে অস্থির প্রতিযোগিতা বিত্তের , আইকন আর আইডলের , এইযে সময়কে আরো বেশী করে উপভোগ করার অসুস্থ্য প্রবনতা , অর্থের অনর্থক ব্যাবহার , শুধুই বিলাস, মানুষের সুন্দর বিশ্বাস , মূল্যবোধ গুলোকে কক্ষপথচ্যুত করা আর একসময় সেই মানুষগুলোকেই ...... পরিণত করা তলাবিহীন ঝুড়িতে ...... সব কিছুই একসূত্রে মেশে ...
বিশাল এক ধংসযজ্ঞ ! আমরা সবাই তাতে না জেনে অন্ধের মত অংশ নিচ্ছি ! যাইহোক , সংক্ষেপে বললাম ...... কিন্তু ব্যাপারগুলো এতো সংক্ষেপিত তো না !!

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন: সংক্ষেপে তো সবই বলে দিয়েছেন। আমি আর কী বলব?
:|

৫৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২০
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: চরম ... কটকটি খেতে ইচ্ছে করছে
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০২

লেখক বলেছেন: এখন তোমার বেটির (প্রাচী) কট্‌কটি খাওয়ার বয়স হৈছে। অতএব, ঐ চিন্তা বাদ্‌ দাও!
:)

৫৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৮
বিডি আইডল বলেছেন: মিছিলটা....টিংকু ট্রাভেলারের পোষ্টের ছবিগুলো দেখার পর এগুলারে জুতাপেটা করতে ইচ্ছা করতাছিল
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: আমারও প্রথমে একই অনুভূতি হয়েছিল।
ঐ পোষ্টে কমেন্ট করেছিলামঃ জুতিয়ে বেয়াদবগুলোর মুখের মানচিত্র বদলিয়ে দেয়া উচিৎ।X(
পরে মনে হলো, এদের তো কোন দোষ নেই! এদেরকে ইতিহাস জানার সুযো গ দেয়া হয় নি। ভাষা আন্দোলনের আবেগ-ঐতিহ্য এদের মন-মস্তিষ্কে কাজ করে না। এমতাবস্থায়, ফুল ছোঁড়াছুঁড়ি করতেই পারে! আরো ভয়াবহ যে কিছু করে নি, তাই ভাগ্য।
:(

৫৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আমরা কটকটি কেনায় বিশেষ পারঙ্গম হয়ে গেছি তাই সংস্কৃতিটাকেও দুমড়ে মুচড়ে ফেলতেও ভুলছি না সব কিছুই কটকটিওয়ালারা প্রোডাক্ট করে ফেলার জন্য তুলে নিচ্ছে আমাদের কাছ থেকে!

চমৎকার লিখেছেন।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য এবং সহমত পোষন করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৫৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০১
সাইফ সামির বলেছেন:

আমার পাড়ার গলিতে সন্ধায় কটকটিওয়ালা কটকটি বানায়। আমি দেখতে দেখতে পথ চলি আর খেতে মন চায়! ছোটবেলায় নানু বাড়িতে গরুর হাড্ডির বিনিময়ে কতো কটকটি খেয়েছি! আর এখন লোভ হলেও সামলাতে জানি, যেমনটা জানি কর্পোরেট দালালি হতে নিজেকে বাঁচাতে! যারা চটকদার কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের নাম শুনলেই বিগলিত হয় তাদের জন্য দুঃখ লাগে! যা হোক, মুখোশ উন্মোচন অব্যাহত থাকুক! +
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সবাই আপনার মত করে পথ চলতে পারলে খুবই ভাল হোত।

৫৮. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০০
মেহেরুবা বলেছেন: শ্রুতিমধুর শিবের গীত; চমৎকার ধান ভানা...
তথ্যসমৃদ্ধ অসাধারণ একটা লেখা...
পড়তে দেরি করে ফেললাম:(
+
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: দেরিতে হলেও পড়েছেন, এর চেয়ে ভাল আর কী হতে পারে?:)
ধন্যবাদ।
পিচ্চি ভাল আছে?

৫৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৬
ত্রিভুজ বলেছেন: দেরিতে পড়লাম, দারুণ লেখা।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৯
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
তায়েফ কি যে একটা লেখা লিখেছো.........!
অসাধারন!
অনেক দোয়া রইলো...........ব্লগকে আবার ধন্যবাদ জানাই এখানে ,এত ভালো ভালো লেখা পড়তে পারি তাই।

লিখতে থাকো।
অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: দোয়া মাথা পেতে নিলাম। সেইসাথে শুভকামনাও।
ভালো ভালো লেখার কথা যদি বলেন, তবে, বলতেই হয়, সুখের দিন শেষ হয়ে এসেছে। অপ্রয়োজনীয় মারামারি ছাড়া এখন ভাল কিছু খুঁজে পাওয়াই কষ্টকর। অতিষ্ট হয়ে উঠেছি।
:((

৬১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১১
তাশমিয়া বলেছেন: ২১ তারিখ পড়তে পারি নাই :(

এত চমৎকার লিখেন ক্যামনে?

:-B
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: দেরিতে হলেও পড়েছেন, সেজন্য ধন্যবাদ।
সেইসাথে লজ্জা দেবার জন্য মাইনাস.......:|

৬২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৪
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: এতদিন এই চমৎকার লেখাটি চোখে পড়েনি!!!

প্রিয়তে!
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৩. ০৩ রা মে, ২০১০ সকাল ৭:৫১
আদনান ফারাদী বলেছেন: নিজেকে দিয়েই বুঝি কতটা হুজুগে আর উদাসীনতায় দিন কাটাই। জানিনা কিছুই। অযথা চিলের পেছনে দৌড়াই কান নিয়েছে বলে।

ইতিহাস জানতে চাই কিন্তু এটাকে নিত্যদিনের ভাতের সাথে তরকারী হিসেবে খেয়ে ফেলতে চাই না।(দেশের বাইরে তো ভাত খাওয়া হয় না তাই খেয়ে ফেলতেও পারি। কে জানে!)

ভালো থাকবেন।
০৩ রা মে, ২০১০ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: দেশের বাইরে আপনার দিন ভাল কাটুক- এই কামনা....

৬৪. ২৯ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩
রুবাইয়্যাত বলেছেন: অনেক দেরীতে দেখলাম ভাই, দারুন ঝরঝরে অভিব্যক্তির স্বাচ্ছন্দ্যতায়।
প্রিয়তে রেখে দিলাম।
১৩ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রুবাইয়্যাত।

৬৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০১০ রাত ৩:৪৯
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
তায়েফ তোমার ধারাবাহিক লেখাগুলো পড়ি.......
অনেক লেখাপড়া করতে হয় লেখাগুলোর জন্য ,জানি.....

এই লেখাটা এত ভালো লেগেছিলো।আবার পড়ে গেলাম।
ভালো থেকো।
অনেক।
শুভকামনা
০২ রা অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: মানুষের কিছু কিছু জায়গা থাকে সম্মানের.......নিজেকে সেখানে দেখতে পাচ্ছি।:)

৬৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০১০ ভোর ৪:৫০
রাগ ইমন বলেছেন: প্লাস দিতে ফেরত এসেছি।
০২ রা অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: যদিও প্লাস-মাইনাসে কিছু এসে যায় না, তবু এই যে ফিরে এসে দেখে, তাতেই ভাল লাগল।:):)

৬৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২৮
সোমহেপি বলেছেন: আপনার ব্লগে এ লেখাটা দেখতে পাচ্ছি না কেনো?
প্রথমে দেখছি যেকথাগুলো বলা দরকার'এমন একটা পোষ্ট।
ফেইস বুকে একজন শেয়ার করাতে এখানে আসতে পেরেছি।


এসকল কথা আপনি যে কেনো বলেন বুঝি না।এসবতো দেশপ্রেমের ইজারাদারদের করার কথা।
১৫ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: সব ইজারা কেড়ে নেয়া হবে- সময় সন্নিকট।

৬৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩৪
দূর্যোধন বলেছেন: আজ ২১শে তে আবার এই পোস্ট-টি সাম্প্রতিকে নিয়ে এলাম :)
১৫ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: সেজন্য আপনি ধন্যবাদার্হ্য।

৬৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪০
সোমহেপি বলেছেন: ও বুঝতে পারলাম।একবছর আগের পোস্ট!!পাজিটা এবারও শেয়ার করলো।
১৫ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন: :) :) :) :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৮৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঘুমাতে অত্যন্ত ভালোবাসি। আর ভালোবাসি পড়তে।
স্বপ্ন দেখি একটি স্বপ্নীল পৃথিবীর।
সত্যকে ভালোবাসি, হোক তা নিজের মতের বিপরীত।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই