আমার প্রিয় পোস্ট
- আসেন ফন্টের দুনিয়াই ভাইসা যায়(পৃথিবীর সব ধরনের ফন্ট কালেকশন)







- বিডি গ্লাডিওটোর
- জানুন আপনার সেল ফোনটি আসল কিনা














- টিপস ম্যান
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- নিজের সম্পাদনায়->> নিজেই হয়ে যান: আবৃত্তিকার.. - মুসাফির...
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- সাইবারপরিসরে, বিকল্প মাধ্যমের খোঁজে - ফাহমিদুল হক
- মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে ব্লগ - এস. এম. রায়হান
- বিংশ শতাব্দীর কিছু উল্লেখযোগ্য বক্তৃতা - নাজনীন১
- তাবিজ-কবজ সম্পর্কে মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের বক্তব্য এবং এর জবাব - সৈয়দ মবনু
- বিনামূল্যে পড়ুন MIT (Massachusetts Institute of Technology) তে - আলামিনস্টাইন
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা মুসলমানদের জন্য আত্মহত্যা'মাওলানা আবুল কালাম আজাদ - শাহানূর
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ***টিপসঃ ইসলাম বিষয়ক প্রশ্ন বা ইসলামকে হেয় করে কোন লেখা দেখলে যা করণীয়*** - উমর
- ফ্রী ই-বুক ডাউনলোডের জন্য সেরা ১০টি ওয়েব সাইট - ইমতিয়াজ মাহমুদ সজিব
- এন্টি গল্প > সেই ডানকানা মাছটি আর ফিরে আসেনি > - মনজুরুল হক
- ই-বুকঃ ইসলাম ও নাস্তিকতা ২০১০ - ফুয়াদ০দিনহীন
- নাস্তিকতার স্বপক্ষের বহুল প্রচলিত যুক্তি খণ্ডন - এস. এম. রায়হান
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- ** নাম না জানা (!) কিছু অসাধারন ও ফাটাফাটি সফটওয়্যার ** - একান্ত কথা
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- আমরা ৭২ এর সংবিধানে ফেরত যাবো নাকি যাবো না? - যারা ৭২ এর সংবিধান ও বর্তমান সংবিধান এর মধ্যে বিরোধ কি তা ভালো ভাবে বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্ট। - নাহিদ মাহমুদ
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- তপঃসিদ্ধ এক শাহ আবদুল করিম - আকাশ অম্বর
- ইন্টারনেটের যে সাইটগুলোতে সারাদিন কাটাই

- অরণ্যচারী
- মুনাফিক মওদুদী - তুষারপাত
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- কমেডী ভিডিওগুলো। হা হা চে থে প গে
- শূন্য আরণ্যক
- যুগে যুগে সামহয়্যার ইন ব্লগ (স্ক্রিনশট) - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- Task Manager ডিজাবল হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনবেন কিভাবে? - আলোকিত পৃথিবী
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- রাহুল দেব বর্মন আছেন, থাকবেন। চিরকাল.......... - কপোত
- যদি ফেসবুক সহ আরো সাইট ব্যান হয়, তাহলে কী করবেন? - ত্রিভুজ
- মুছে যাওয়া ফাইল, ফোল্ডার পুনরুদ্ধার করুন নিমেষে। - কপোত
- ফ্রী সিডি! ফ্রী সিডি!! ফ্রী সিডি!!! কত সিডি দরকার আপনার?
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- ভাবছেন নির্লজ্জ, কিচ্ছু যায়-আসে না ( আমার এটম বোম
) - মেঘ
- প্রসঙ্গ নজরুল-গান্ধী : চমকে ওঠা ইতিহাসে কিছু বিভ্রান্তির জবাব - আবু নাঈম
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- দিগন্ত ছোঁয়া বাঁশরীর সুর - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্বগতোক্তি এবং বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন - সোজা কথা
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিকল্প কিছু সার্চ ইঞ্জিন - নাসির খান
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- ব্লগে আপনার পড়া সেরা ফান পোষ্ট কোনটা ?? - চিলে কোঠার সেপাই
- সব বাংলা বর্ণ নিয়ে বাক্য -এর উদাহরণ - সিউল রায়হান
- আগুন কমেন্ট সংকলন - আই লাভ ব্লগিং
- পাঁচ মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল- টিউটোরিয়াল - নাজিরুল হক
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ারে আপনার পড়া সেরা তিনটি লেখা কি কি? (উৎসর্গ, নাস্তিকের ধর্মকথা, বিবর্তনবাদী) - জ্বিনের বাদশা
- জয়নুল আবেদিনের কিছু ছবি... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-৩
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩২
![]()
প্রথাগত বিজ্ঞানের প্রথম দিশারী থেলিস পর্যন্ত এসে থেমে যেতে হয়েছিল গত পর্বে। আজ থেলিসের পর হতে খৃষ্টীয় ষষ্ট শতকের আগ পর্যন্ত গ্রীক-রোমান-মিশরীয় এবং ভারতীয় বিজ্ঞানীদের কাজ সমূহের উপরে সংক্ষিপ্ত আলোচনার করার চেষ্টা থাকবে। সপ্তম শতকে উল্কার বেগে মুসলমানদের আবির্ভাবের পূর্বমুহূর্তে জগতের বিজ্ঞান ঠিক কোন অবস্থানে দাঁড়ানো ছিল, তা পরিষ্কার করে তুলে ধরাই এর উদ্দেশ্য। তবে, এটাও মনে রাখা উচিৎ যে, এই প্রায় এক সহস্রাব্দব্যাপী সময়কালে একেবারে কম কাজ হয় নি। কিন্তু, পোষ্টকে সরলপথে রাখার স্বার্থে কেবলমাত্র প্রভাবশালী বিজ্ঞানীদের কাজের সারসংক্ষেপ যথাসম্ভব কালানুক্রম মেনেই এখানে আলোচিত হবে।
থেলিসের পর প্রথাগত বিজ্ঞানের জগতে আমরা পাই পীথাগোরাসকে(Pythagoras; ৫৭০-৪৯৫ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। এ সেই পীথাগোরাস, সমকোনী ত্রিভূজ নিয়ে যাঁর প্রবর্তিত ভয়াবহ উপপাদ্য(Theorem) আজো ছাত্রদের মনে কাঁপন ধরায়। তাঁকে বলা যায় পৃথিবীর প্রথম গণিতবিদ, দর্শনে তাঁর অবদানের কথা মাথায় রেখে তাঁকে সংখ্যা দার্শনিকও বলা চলে। তিনি বিশ্বাস করতেন পৃথিবীর সকল কিছুর মূল হলো সংখ্যা। দূর্ভাগ্যবশতঃ তাঁর কোন লেখাই পাওয়া যায় না। তবে, পরবর্তীতে প্লেটো এবং প্লেটোর সূত্রে পুরো পাশ্চাত্য দর্শন তাঁর কাছে ঋনী।
এরপরেই আসেন ‘নিজেকে জানো(Know Thyself)’ খ্যাত সক্রেটিস্(Socrates; ৪৬৯-৩৯৯ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। আজীবনের এথেন্সবাসী এই দার্শনিক প্রথম মানুষকে প্রশ্ন করে করে জ্ঞানার্জনের পদ্ধতি শেখালেন! তিনি এমন এক দার্শনিক চিন্তাধারা জন্ম দিয়েছেন যা দীর্ঘ ২০০০ বছর ধরে পশ্চিমা সংস্কৃতি, দর্শন ও সভ্যতাকে প্রবাবিত করেছে। সক্রেটিস ছিলেন এক মহান সাধারণ শিক্ষক, যিনি কেবল শিষ্য গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানে বিশ্বাসী ছিলেননা। তার কোন নির্দিষ্ট শিক্ষায়তন ছিলনা। যেখানেই যাকে পেতেন তাকেই মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর বোঝানোর চেষ্টা করতেন। তবে, তাঁর কোন লেখাই পাওয়া যায় না। শিষ্য প্লেটোর ডায়ালগ্স(Dialogues), সৈনিক জেনোফেনের(Xenophen) লেখা আর এরিস্টোফেনিসের নাটকসমূহের মাধ্যমেই তাঁর কাজ সম্পর্কে ধারনা লাভ করা যায়। প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থা তাঁকে হেমলক বিষপানে মৃত্যুদন্ড দেয়।
জ্ঞানের প্রসারে শিক্ষায়তন(Platonic Academy) খুলে যিনি জগতে অমর, তিনি সক্রেটিসেরই সুযোগ্য ছাত্র প্লেটো(Plato; ৪২৮-৩৪৮ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। তিনি একাধারে দার্শনিক, যুক্তিবিদ, কাব্যবিশারদ এবং গণিতবিদ। প্রাকৃতিক দর্শন, বিজ্ঞান এবং পাশ্চাত্য দর্শনের ভিত্তি অনেকটা তাঁর হাতেই গড়া। তাঁর অনেক লেখাই পাওয়া যায়, যার মধ্যে রিপাবলিকের(The Republic) নাম না নিলেই নয়। আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার সূত্রপাত এখান হতেই শুরু হয়েছে।
![]()
প্লেটো ও অ্যা্রিস্টটলঃ শিক্ষক-ছাত্র
এর পরেই আসেন অ্যারিস্টটল(Aristotle;৩৮৪-৩২২ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। বিজ্ঞানের জগতে এথেন্সের এই ব্যক্তির চেয়ে সুদুরপ্রসারী প্রভাব আর কেউ রাখতে পেরেছিলেন কীনা সন্দেহ! প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, সংগীত, কাব্য, নীতিশাস্ত্র, যুক্তিবিদ্যা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান সহ সমকালীন জ্ঞানের এমন কোন শাখা ছিল যেখানে তিনি অবাধে বিচরন করেন নি। বর্তমান যুগে অচল হলেও বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর দর্শনের প্রভাব এত বেশি ছিল যে, তা অনেকটা ধর্মীয় বিশ্বাসে রূপ নেয়। পরবর্তী অনেককাল পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা অ্যারিস্টটলের মতের বাইরে কোন মত গ্রহনে প্রস্তুত ছিলেন না। যার ফলে, অ্যারিস্টটলের জন্মের ৭৬ বছর পূর্বে জন্ম নিয়ে ডেমোক্রিটাস(Democritus; ৪৬০-৩৭০ খৃষ্টপুর্বাব্দ) এবং অ্যারিস্টটলের মৃত্যুর ১২ বছর পরে জন্ম নিয়ে অ্যারিস্টার্কাস(Aristarchus; ৩১০-২৩০ খৃষ্টপূর্বাব্দ) তাঁদের মতবাদকে জনপ্রিয় করে তুলতে পারেন নি কেবলমাত্র অ্যারিস্টটলের মতের বিরুদ্ধাচরণ করায়। ডেমোক্রিটাসের পদার্থের অবিভাজ্য এককের ধারনা এবং অ্যারিস্টার্কাসের সৌরকেন্দ্রিক পৃথিবীর ধারনা স্পষ্টতই অ্যারিস্টটলের তুলনায় আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক কাছাকাছি ছিল। কিন্তু, দূর্ভাগ্য তাঁদের; কাজের স্বীকৃতি পেতে দেড় সহস্রাব্দ সময় লেগে গেল!
এরপরেই যাঁর কথা না বললেই নয় তিনি ইউক্লিড(Euclid)। তেরখন্ডে রচিত এলিমেন্টস্(Elements) যাঁকে দিয়েছে ‘জ্যামিতির জনক’(Father of Geometry) অভিধা লাভের সম্মান। দ্বিমাত্রিক জ্যামিতির উপর তাঁর আবিষ্কৃত স্বতঃসিদ্ধসমূহ(Axioms) আজো সমান গুরুত্বের দাবীদার। ইউরেকা! ইউরেকা! খ্যাত আর্কিমিডিস্(Archimedes; ২৮৭-২১২ খৃষ্টপূর্বাব্দ) ছিলেন একাধারে একজন গ্রিক গণিতবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, জ্যোতির্বিদ ও দার্শনিক। যদিও তাঁর জীবন সম্পর্কে খুব কমই জানা গেছে, তবুও তাঁকে ক্ল্যাসিক্যাল যুগের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পদার্থবিদ্যায় তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে রয়েছে স্থিতিবিদ্যা আর প্রবাহী স্থিতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন এবং লিভারের কার্যনীতির বিস্তারিত ব্যাখ্যাপ্রদান। পানি তোলার জন্য আর্কিমিডিসের স্ক্রু পাম্প, যুদ্ধকালীন আক্রমণের জন্য সীজ (siege) ইঞ্জিন ইত্যাদি মৌলিক যন্ত্রপাতির ডিজাইনের জন্যও তিনি বিখ্যাত। আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় তাঁর নকশাকৃত আক্রমণকারী জাহাজকে পানি থেকে তুলে ফেলার যন্ত্র বা পাশাপাশি রাখা একগুচ্ছ আয়নার সাহায্যে জাহাজে অগ্নিসংযোগের পদ্ধতি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। আর্কিমিডিসকে সাধারণত প্রাচীন যুগের সেরা এবং সর্বাকালের অন্যতম সেরা গণিতজ্ঞ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।তিনি পাই(∏) -এর প্রায় নিখুঁত একটি মান নির্নয় করেন।
![]()
লিভার সম্পর্কে আর্কিমিডিসের কথিত উক্তি, "আমাকে একটা দাঁড়ানোর জায়গা দাও, আমি পৃথিবীকে তুলে সরিয়ে দেব"
গ্রিক-রোমান ঐতিহ্যে এরপরে যেসব বিজ্ঞানী আসেন তাঁদের মাঝে থিওফ্রাস্টাস্(Theophrastus; ৩৭১-২৮৭ খৃষ্টপূর্বাব্দ), প্লিনী(Pliny the Elder; ২৩-৭৯ খৃষ্টাব্দ), টলেমী(Claudius Ptolemaeus বা Ptolemy; ৯০- ১৬৮খৃষ্টাব্দ) এবং গ্যালেনের(Claudius Galenus; ১২৯- ২১৭খৃষ্টাব্দ) নাম উল্লেখযোগ্য। প্লেটোর একাডেমীর ছাত্র থিওফ্রাস্টাস্ জীববিদ্যা, নীতিশাস্ত্র এবং ভাষাবিদ্যায় বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তিনি উদ্ভিদবিদ্যার জনক (Father of Botany) হিসেবে পরিচিত। রোমান সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা প্লিনী ছিলেন প্রকৃতিবিদ এবং লেখক। রোমান শাসনাধীন মিশরের বাসিন্দা টলেমী ছিলেন ভূগোলবিদ, জ্যোতির্বিদ, ও জ্যোতিষ। এছাড়া আলোকবিজ্ঞানে(Optics) তাঁর কিছু মৌলিক কাজ (আলোর প্রকৃতি, বর্ণ, প্রতিফল ও প্রতিসরণ সংক্রান্ত) রয়েছে। গ্যালেন ছিলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও দার্শনিক। শারীরবিদ্যার(Anatomy) ক্ষেত্রে তিনিই বিজ্ঞানের পথপ্রদর্শক।
গ্রীক-রোমান ঘরানার বিজ্ঞানের আলোচনা শেষ করার আগমুহূর্তে হাইপেশিয়াকে(Hypatia; ৩৭০-৪১৫ খৃষ্টাব্দ) স্মরণ করতেই হয়। ধর্মীয় গোঁড়ামিতে আচ্ছন্ন বিজ্ঞানবিমুখ সমাজের নারী বাসিন্দা হয়েও এই মিশরীয় গণিতবিদ ও দার্শনিক অসামান্য অবদান রেখেছেন। আলেকজান্দ্রিয়া মিউজিয়ামের পরিচালক এবং একজন বড় মাপের গনিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ থিওনের অনিন্দ্যসুন্দরী এই কন্যারত্ন ইউক্লিড, টলেমীসহ বিভিন্ন গণিতজ্ঞের কাজের উপরে আলোচনা রেখে অমর হয়ে আছেন।
![]()
হাইপেশিয়ার এই ছবিটি আমার খুব প্রিয়
এর বাইরে ভারতবর্ষের বিজ্ঞানীদের অবদান নিয়ে কিঞ্চিত আলোচনা না করা ধ্রৃষ্টতার নামান্তর হবে। দর্শন, জ্যোতির্বিদ্যা এবং গণিতে এ উপমহাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রাচীনকালে অভাবনীয় অবদান রেখেছেন। মহাবীর(महावीर; ৫৯৯-৫২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) প্রাচীন ভারতের তপস্বী বর্ধমানের প্রচলিত নাম, যিনি উত্তর পূর্ব ভারতে জৈন ধর্মের মূল ধারণাগুলোর প্রবর্তক। কিন্তু, ‘সিদ্ধান্ত’ গ্রন্থে ভারতীয় জ্যোতির্বিদ্যার ধারনা সংকলন তাঁকে অমরত্ব দিয়েছে। আর্যভট্ট(आर्यभट; ৪৭৬ – ৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ভারতের প্রাচীন গণিতবিদদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত। প্রাচীন ভারতীয় গণিতের ইতিহাসে আর্যভট্টই মূল ব্যক্তিত্ব যার কিছু অবদানের কথা এখনও জানা যায়। তার বিখ্যাত রচনার মধ্যে রয়েছে ‘আর্যভট্টম’ এবং ‘আর্যভট্ট-সিদ্ধান্ত’। আর্যভট্টমে বেশ কিছু গাণিতিক এবং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকথা পদবাচ্যের আকারে সন্নিবেশিত হয়েছিলো যা পরবর্তী কয়েক শতাব্দী ব্যাপী প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিলো। তাঁকেই শূণ্যের আবিস্কারকের মর্যাদা দেওয়া হয়। বরাহমিহির(वराहमिहिर;৫০৫-৫৮৭ খৃষ্টাব্দ) প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ এবং কবি। তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞান ছাড়াও গণিতশাস্ত্র, পূর্তবিদ্যা, আবহবিদ্যা, এবং স্থাপত্যবিদ্যায় পণ্ডিত ছিলেন। ভারতীয় পঞ্জিকার অন্যতম সংস্কারক ছিলেন তিনি। পৃথিবীর আকার এবং আকৃতি সম্বন্ধে তার সঠিক ধারণা ছিল। ব্রহ্মগুপ্ত (ब्रह्मगुप्त; ৫৯৮–৬৬৫ খৃষ্টাব্দ) ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর যার কাজে উল্লেখযোগ্য গাণিতিক অবদান রয়েছে, যেমন চতুর্ভুজের ক্ষেত্রফল এবং কিছু বিশেষ ধরণের ডায়োফ্যান্টাইন সমীকরণের সমাধান। সম্ভবতঃ তাঁর কাজেই প্রথম শূন্য ও ঋনাত্মক সংখ্যার নিয়মিত ব্যবহার ঘটে। ব্রহ্মগুপ্ত হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে উজ্জ্বয়িনীর জ্যোতিষ্ক পরিদর্শনকেন্দ্রের অধ্যক্ষ ছিলেন। গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে তাঁর লেখাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল ‘ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত’। কণাদ পরমাণু ধারনার প্রবর্তক। ভাষ্করাচার্য (भास्कराचार्य;১১১৪-১১৮৫ খৃষ্টাব্দ) প্রাচীন ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিদ। পৃথিবীর ব্যাস প্রায় নির্ভূলভাবে গণনার প্রথম কৃতিত্ব তাঁর। তিনিই প্রথম ২২/৭ কে পাইয়ের মান হিসেবে প্রচার করেন।
![]()
প্রাচীন ভারতের মানচিত্র
পাঠকের ধৈর্য্যের চুড়ান্ত পরীক্ষা নিয়ে প্রাচীন বিজ্ঞানের ইতিহাসের প্রায় শেষদিকে আমরা। এমতাবস্থায়, প্রাচীন চীনা বিজ্ঞান নিয়ে বেশী কথা বলার অবকাশ নেই। তবে, একথাও ঠিক প্রথাগত বিজ্ঞানের চাইতে চীনে প্রযুক্তিগত কাজই বেশি হয়েছে। এক্ষেত্রে শুধু ফ্রান্সিস্ বেকনের(Francis Bacon; ১৫২১-১৬২৬) উক্তিটিই যথেষ্ট। “মূদ্রনশিল্প(Printing), গানপাউডার(Gunpowder) আর কম্পাস্(Compass)- (চীনের) এই তিনটি আবিষ্কার পৃথিবীর চেহারা পালটে দিয়েছিল।”
মুসলমানদের আবির্ভাবের পূর্বে এই ছিল মোটামুটি বিজ্ঞানের ইতিহাস। বলা যায়, কিছু কিছু ব্যাপারে বলার মত কাজ হলেও সবকিছু মিলিয়ে বিজ্ঞান তখনো প্রাথমিক অবস্থা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয় নি। এখানে আরো লক্ষ্যনীয় যে, খৃষ্টীয় দ্বিতীয় দশকের পর থেকে বলার মত তেমন কোন বিজ্ঞানীর কাজ আমরা পাই না। শুধু তাই নয়, এর আগে যে সব কাজ হয়েছিল, সপ্তম শতকে মুসলমানদের হাতে আসার আগুমুহূর্ত পর্যন্ত সেসব সাধারন মানুষের প্রায় অজানাই ছিল। পাশ্চাত্যে প্রাচীন ইহুদীবাদ এবং নব্য খৃষ্টবাদের চলমান গোঁড়া দ্বন্দ্ব, মধ্যপ্রাচ্যে অগ্নিপুজার নামে চলমান কুসংস্কার এবং ভারতে শ্রেনীপ্রথার নিষ্পেশনে বিজ্ঞান হারিয়ে যেতে বসেছিল। এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা না করে শুধু এটুকু বলাই ভাল হবে যে, অদূরভবিষ্যতে বিজ্ঞান মানুষের নাগালে আসবে কীনা তা নিয়ে সন্দেহ করার যথেষ্ট অবকাশ ছিল সে সময়। এরকম অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে আলোকিত করতে অন্ধকারতম আরবভূমিতে আবির্ভূত হলেন একজন মানুষ, মুহাম্মাদ(স)। না, তিনি প্রচলিত অর্থে বিজ্ঞানী ছিলেন না। তাহলে কী ছিলেন তিনি? সে কথা পরের পর্বে।
চলবে.....
ভূমিকা পর্ব
বিজ্ঞানের দর্শন পর্ব
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.............
ডিডু বলেছেন:
আল্লাহু আকবার।
লেখক বলেছেন: আজ রাতে একটু পর হতেই আউট অফ্ নেট থাকতে হচ্ছে........কাল আবার।![]()
আপনাকে ধন্যবাদ।
নুভান বলেছেন:
ভালো লাগছে, চালিয়ে যান।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পর্ব-৪ ও দিয়ে দিয়েছি। আপনার আপনাকে আমন্ত্রন।
রাজসোহান বলেছেন:
চমৎকার
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রাজসোহান............
মেহেরুবা বলেছেন:
এরকম অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে আলোকিত করতে অন্ধকারতম আরবভূমিতে আবির্ভূত হলেন একজন মানুষ, মুহাম্মাদ(স)। না, তিনি প্রচলিত অর্থে বিজ্ঞানী ছিলেন না। তাহলে কী ছিলেন তিনি? সে কথা পরের পর্বে।পরের পর্বেই তাহলে আমরা মূল আলোচনায় প্রবেশ করতে যাচ্ছি?
অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: তেমনই আশা করছি। পরের পর্ব হতে মূল আলোচনার সূত্রপাত হবে ইনশাআল্লাহ। দেখা যাক, কতদূর কী করতে পারি।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ, মাশরুহার মা'।
![]()
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
বুকমার্কড। হাল্কা দৌড়ের উপর আছি। পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। ব্যানের সুবাতাস পেতে শুরু করেছি।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন গ্রহন করুন!
![]()
ভাঙ্গন বলেছেন:
আলোচনা অনেক গভীর হয়েই এগিয়ে যাচ্ছে। সক্রেটিস/এরিস্টটল-দর্শনের কোন প্রভাব ইসলামে রয়েছে কি না...আলোচনা চাই।
লেখক বলেছেন: কতটা গভীরে যাচ্ছে, জানা নেই। তবে, সহজভাষায় মূলকথাগুলো বলার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
ধর্মতত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে ইসলাম একটি ঐশী জীবনাদর্শ যেখানে দুনিয়ার কোন মানুষের বা দর্শনের প্রভাব থাকা সম্ভব নয়। আর আপনি যদি মুসলমানদের হাতে বিকশিত বিজ্ঞানের কথা বলেন, তবে সেখানে সক্রেটিস/এরিস্টটল-দর্শনের কোন প্রভাব থাকাটাই স্বাভাবিক।
![]()
খারেজি বলেছেন:
খুবই কাজের লেখা।
তবে সক্রেটিসের ( যদি না প্লেটোর হয়ে থাকে, কারণ তার জবানিতেই সক্রেটিসরে চিনি আম্রা) প্রধান অবদানগুলোর একটা বলা উচিত সামান্যীকরণ সাধারনীকরণ বা জেনারেলাইজেশনরে। আদি ধরনের ডায়লেকটিক চিন্তার উৎসও ধরা হয় তার প্রশ্ন্উত্তরের মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌছাবার ধরনরে।
একটা ইন্টারেস্টিং পয়েন্ট দেখছিলাম: প্রাচীন দুনিয়ায় প্রযুক্তিগত বিকাশের পথে একটা বড় অন্তরায় ছিল দাসপ্রথা। ফলে তাত্ত্বিক জল্পনা কল্পনার সাথে সঙ্গতি রেখে পদার্থবিজ্ঞানের বিকাশ হয় নাই--- সস্তা দাস থাকলে সেইটার প্রয়োজনও পরে কম। গ্রেকো রোমান বিজ্হানের ঐতিহ্যের এইটা ছিল একটা বড় সীমাবদ্ধতা।
লেখক বলেছেন: আমি আসলে সে সময়ের বিজ্ঞানীদের মূলকাজগুলোর সাথে সহজতম ভাষায় একটু করে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্যই এই পর্বের অবতারণা করেছিলাম। তাই, জেনারেলাইজেশন সংক্রান্ত গভীর আলোচনার দিকে যেতে চাই নি। তারপরেও, ধরিয়ে দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
দাসপ্রথা নিয়ে আপনি যা বললেন তা ভেবে দেখার মত। সামান্য করে হলেও পরবর্তীতে এ নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা থাকবে।![]()
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদটা আপনার পাওনা।
অপু২৮৩৮ বলেছেন:
ভালো লাগছে, চালিয়ে যাও।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, অপু ভাই।
![]()
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
চমৎকার ভাবে বিশ্লেষণ আর ব্রিফিং দিয়ে এগিয়ে নিয়ে এসেছেন, অনেক ভালো লাগছে তথ্য গুলো হাতের মুঠোয় পেয়ে, এভাবে কাঠামোগত উপস্থাপনায় সাজানো গোছানো লাগছে অনেক, প্রথম থেকে মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করেছি, আপনার ধারাবাহিক উপস্থাপনা আর ভূমিকায় আমার মনে হয় উটকো বিতর্কগুলিকে পিছনে ফেলে আসতে পেরেছেন লেখক বলেছেন: তথ্যগুলোকে যথাসম্ভব কাঠামোবদ্ধ করে উপস্থাপন আমার নিজের লেখার সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনেই করেছি। উট্কো বিতর্ক বলতে তেমন কিছু এখনো পাই নি। যা লিখতে চাইছি, তার একটা প্রচ্ছন্ন কায়া মনের মাঝে আঁকা আছে বলে, খুব বেশী কক্ষচ্যুত হবো না বলেই বিশ্বাস। সামনের পর্ব হতেই মূল আলোচনায় প্রবেশ করছি বলে, একটু বেশী সময় লাগবে, হয়তো আরো দুই একদিন দেরী হবে।![]()
লেখক বলেছেন: আপনার কাছ থেকে অনবদ্য বিশেষন পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।
![]()
আর হ্যা, গনিতবিদ ডাইফ্যান্টাসের কথা আরেকটু আসলে ভাল হত।
লেখক বলেছেন: ডাইফ্যান্টাসের ব্যাপারে আমার কিছুই জানা নেই! জানাবেন দয়া করে?![]()
ব্রহ্মগুপ্ত হতে খাওয়ারিজমী- জ্ঞানের প্রবাহ সামনে আলোচনা করার ইচ্ছা রাখছি।
অলস ছেলে বলেছেন:
দারুণ লেগেছে। অনেক কিছু জানলাম মনে হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: জানাতে পেরে ভাল লাগল। আসলে, অন্যকে কিছু কিছু জানাতে গিয়ে আমি অনেক কিছু জানব, সেজন্যই ব্লগিং.........
"অ্যা" - এটা টাইপ করেন কিভাবে?
বিজ্ঞানীদের কাজগুলো সিরিয়ালি পড়তে ভাল লাগছে।
লেখক বলেছেন: 'পরে' শব্দটাতো ঠিকই আছে!
খৃষ্টপূর্বাব্দ আর খৃষ্টাব্দ গুলিয়ে ফেললেন বুঝি!![]()
'অ্যা' টাইপ করার জন্য অভ্র ফোনোটিকে aZ লিখুন। আমি এভাবেই লিখি।
ডিজিটালভূত বলেছেন:
প্রতিটি পর্বে যদি অন্য পর্বগুলোর লিংক দেয়া থাকে তাহলে পাঠকদের সুবিধা হবে। কেহ প্রিয়তে রাখতে চাইলে একটি রাখলেই চলবে।অনেক ভাল লেগেছে। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল।![]()
আর প্রতিটি পর্বের শেষে আগের পর্বগুলোর লিংক দেয়া আছে, আপনার চোখে পড়ে নি বোধ হয়।![]()
আব্দুল্লাহ ঢািব বলেছেন:
পুরো লেখাটা ধৈর্য সহকারে পড়লাম, আস্তে করে একটা প্লাস দিলাম আর পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম। আগেরগুলোও পড়ে দেখতে হবে।
লেখক বলেছেন: পরেরবার শুধু আস্তে করে প্লাস না দিয়ে কিছু কিছু আলোচনায় অংশ নেবেন, সেই অপেক্ষায় থাকলাম।![]()
পারভেজ আলম বলেছেন:
ভালো হইছে। কিন্তু আপনে তো আসলে ঠিক ইসলামে বিজ্ঞানের ইতিহাস না। পুরাপুরি বিজ্ঞানের ইতিহাসই লিখতাছেন। যাই হোউক, চলুক।আমি কিন্তু দ্বিতীয় পর্ব লিখছি। দেখা কইরা যাইয়েন।
লেখক বলেছেন: ইতিহাসের এইটুকু অংশ না জানা থাকলে যে, পরের ঐ অংশ বিশ্লেষনের যোগসূত্র খুঁজে পেতাম না!
তাই, শেয়ার করতে হচ্ছে।
আপনার লেখা পড়েছি। ভালই হচ্ছে।![]()
এস. এম. রায়হান বলেছেন:
আপনি তো দেখি দারুন লিখেন। চালিয়ে যান।
লেখক বলেছেন: এইটা এতদিন পরে জানলেন!
![]()
![]()
![]()
নীল ভোমরা বলেছেন:
বাপরে!...জ্ঞানপ্রাপ্ত হচ্ছি!
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে।
কিন্তু, ভয় পাওয়ার কোন কারন নাই!![]()
"এরকম অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে আলোকিত করতে অন্ধকারতম আরবভূমিতে আবির্ভূত হলেন একজন মানুষ, মুহাম্মাদ(স)। "
মানতে পারলাম না, এটা মুসলমানদের প্রচার। সেসময় আরবী সাহিত্য খুবই উচুঁমানের ছিল, দেশ বিদেশে তারা ব্যবসা উপলক্ষ্যে ভ্রমণ করত, দূরদূরান্ত থেকে মানুষ মক্কায় ব্যবসা করতে আসত।
লেখক বলেছেন: মুসলমানেরা এর পরের পর্ব থেকেই আসবে আশা করছি।
আমার কথা কিংবা (আপনার ভাষায়) মুসলমানদের প্রচার মানা না মানা আপনার নিজস্ব ব্যাপার; তবে আমি মতের ব্যাপারে গ্রহনযোগ্য যুক্তির বাইরে আর কিছুই বলবো না।![]()
"খ" জন্মাইলো খ্রিস্টপূর্ব ২০ বছর আগে।
তাহলে কে আগে জন্মাইলো? "খ" , "ক"-এর ১০ বছর আগে জন্মাইলো। হিসেব কি ভুল হইছে?
লেখক বলেছেন: দুঃখিত, দুঃখিত।![]()
আমি ৪৬০ খৃষ্টপূর্বাব্দকে ভুলবশতঃ ৩৬০ খৃষ্টপূর্বাব্দ ধরে হিসেব করছিলাম। আসলে ওটা হবে "অ্যারিস্টটলের জন্মের ৭৬ বছর পূর্বে জন্ম নিয়ে ডেমোক্রিটাস(Democritus; ৪৬০-৩৭০ খৃষ্টপুর্বাব্দ)"......ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।![]()
অণুসন্ধানী বলেছেন:
Excellent. keep it up.
লেখক বলেছেন: Thanks, Bro...........
লেখক বলেছেন: তৈলাক্ত হৈলাম!
![]()
লালসালু বলেছেন:
ভাল পোষ্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
তায়েফ ভাইরে তেল দিয়ে মাইর খায় আরকি লেখক বলেছেন: কিছুই বলার নাই!
![]()
দীপান্বিতা বলেছেন:
পীথাগোরাসের(৫৭০-৪৯৫ খৃষ্টপূর্বাব্দ) উপপাদ্য(‘নিজেকে জানো’ খ্যাত সক্রেটিস্(Socrates; ৪৬৯-৩৯৯ খৃষ্টপূর্বাব্দ)......তিনি এমন এক দার্শনিক চিন্তাধারা জন্ম দিয়েছেন যা দীর্ঘ ২০০০ বছর ধরে পশ্চিমা সংস্কৃতি, দর্শন ও সভ্যতাকে প্রবাবিত করেছে।
সক্রেটিস ছিলেন এক মহান সাধারণ শিক্ষক, যিনি কেবল শিষ্য গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানে বিশ্বাসী ছিলেননা। তার কোন নির্দিষ্ট শিক্ষায়তন ছিলনা। যেখানেই যাকে পেতেন তাকেই মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর বোঝানোর চেষ্টা করতেন।
তাঁর কোন লেখাই পাওয়া যায় না। শিষ্য প্লেটোর ডায়ালগ্স(Dialogues), সৈনিক জেনোফেনের(Xenophen) লেখা আর এরিস্টোফেনিসের নাটকসমূহের মাধ্যমেই তাঁর কাজ সম্পর্কে ধারনা লাভ করা যায়।
প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থা তাঁকে হেমলক বিষপানে মৃত্যুদন্ড দেয়।!
সক্রেটিসেরই সুযোগ্য ছাত্র প্লেটো(Plato; ৪২৮-৩৪৮ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। তিনি একাধারে দার্শনিক, যুক্তিবিদ, কাব্যবিশারদ এবং গণিতবিদ।
প্রাকৃতিক দর্শন, বিজ্ঞান এবং পাশ্চাত্য দর্শনের ভিত্তি অনেকটা তাঁর হাতেই গড়া।
তাঁর অনেক লেখাই পাওয়া যায়, যার মধ্যে রিপাবলিকের(The Republic) নাম না নিলেই নয়। আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার সূত্রপাত এখান হতেই শুরু হয়েছে ...
অ্যারিস্টটল(Aristotle;৩৮৪-৩২২ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। বিজ্ঞানের জগতে এথেন্সের এই ব্যক্তির প্রভাব সুদুরপ্রসারী ......প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, সংগীত, কাব্য, নীতিশাস্ত্র, যুক্তিবিদ্যা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান সহ সমকালীন জ্ঞানের এমন কোন শাখা ছিল যেখানে তিনি অবাধে বিচরন করেন নি।
এছাড়া উল্লেখ্য-
অ্যারিস্টটলের জন্মের ৭৬ বছর পূর্বে জন্ম নিয়ে ডেমোক্রিটাস(Democritus; ৪৬০-৩৭০ খৃষ্টপুর্বাব্দ)
অ্যারিস্টটলের মৃত্যুর ১২ বছর পরে জন্ম নিয়ে অ্যারিস্টার্কাস(Aristarchus; ৩১০-২৩০ খৃষ্টপূর্বাব্দ)
ডেমোক্রিটাসের পদার্থের অবিভাজ্য এককের ধারনা এবং অ্যারিস্টার্কাসের সৌরকেন্দ্রিক পৃথিবীর ধারনা স্পষ্টতই অ্যারিস্টটলের তুলনায় আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক কাছাকাছি ছিল।
কিন্তু, দূর্ভাগ্য তাঁদের; কাজের স্বীকৃতি পেতে দেড় সহস্রাব্দ সময় লেগে গেল!
ইউক্লিড(Euclid) ...‘জ্যামিতির জনক’(Father of Geometry)
ইউরেকা! ইউরেকা! খ্যাত আর্কিমিডিস্(Archimedes; ২৮৭-২১২ খৃষ্টপূর্বাব্দ) ছিলেন একাধারে একজন গ্রিক গণিতবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, জ্যোতির্বিদ ও দার্শনিক।
পদার্থবিদ্যায় তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে রয়েছে স্থিতিবিদ্যা আর প্রবাহী স্থিতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন এবং লিভারের কার্যনীতির বিস্তারিত ব্যাখ্যাপ্রদান।
আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় তাঁর নকশাকৃত আক্রমণকারী জাহাজকে পানি থেকে তুলে ফেলার যন্ত্র বা পাশাপাশি রাখা একগুচ্ছ আয়নার সাহায্যে জাহাজে অগ্নিসংযোগের পদ্ধতি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে।
আর্কিমিডিসকে সাধারণত প্রাচীন যুগের সেরা এবং সর্বাকালের অন্যতম সেরা গণিতজ্ঞ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।তিনি পাই(∏) -এর প্রায় নিখুঁত একটি মান নির্নয় করেন।
এরপরে যেসব বিজ্ঞানী আসেন -
থিওফ্রাস্টাস্(Theophrastus; ৩৭১-২৮৭ খৃষ্টপূর্বাব্দ)-
প্লেটোর একাডেমীর ছাত্র থিওফ্রাস্টাস্ জীববিদ্যা, নীতিশাস্ত্র এবং ভাষাবিদ্যায় বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তিনি উদ্ভিদবিদ্যার জনক (Father of Botany) হিসেবে পরিচিত।
প্লিনী(Pliny the Elder; ২৩-৭৯ খৃষ্টাব্দ)-রোমান সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা প্লিনী ছিলেন প্রকৃতিবিদ এবং লেখক।
টলেমী(Claudius Ptolemaeus বা Ptolemy; ৯০- ১৬৮খৃষ্টাব্দ)-রোমান শাসনাধীন মিশরের বাসিন্দা টলেমী ছিলেন ভূগোলবিদ, জ্যোতির্বিদ, ও জ্যোতিষ। সূর্যকেন্দ্রিক পৃথিবীর ব্যাপারে তার ধারনা আধুনিক বিজ্ঞানে অনেক কাছাকছি ছিল।
এবং
গ্যালেনের(Claudius Galenus; ১২৯- ২১৭খৃষ্টাব্দ)- গ্যালেন ছিলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও দার্শনিক। শারীরবিদ্যার(Anatomy) ক্ষেত্রে তিনিই বিজ্ঞানের পথপ্রদর্শক।
হাইপেশিয়াকে(Hypatia; ৩৭০-৪১৫ খৃষ্টাব্দ) এই মিশরীয় গণিতবিদ ও দার্শনিক অসামান্য অবদান রেখেছেন। আলেকজান্দ্রিয়া মিউজিয়ামের পরিচালক এবং একজন বড় মাপের গনিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ থিওনের অনিন্দ্যসুন্দরী এই কন্যারত্ন ইউক্লিড, টলেমীসহ বিভিন্ন গণিতজ্ঞের কাজের উপরে আলোচনা রেখে অমর হয়ে আছেন।
(বিদুষী বিজ্ঞানী)
ভারতবর্ষের বিজ্ঞানী-
মহাবীর(৫৯৯-৫২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) -জৈন ধর্মের মূল ধারণাগুলোর প্রবর্তক। কিন্তু, ‘সিদ্ধান্ত’ গ্রন্থে ভারতীয় জ্যোতির্বিদ্যার ধারনা সংকলন তাঁকে অমরত্ব দিয়েছে।
আর্যভট্ট(৪৭৬ – ৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ভারতের প্রাচীন গণিতবিদদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত।...তার বিখ্যাত রচনার মধ্যে রয়েছে ‘আর্যভট্টম’ এবং ‘আর্যভট্ট-সিদ্ধান্ত’।
তাঁকেই শূণ্যের আবিস্কারকের মর্যাদা দেওয়া হয়।
বরাহমিহির(৫০৫-৫৮৭ খৃষ্টাব্দ) প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ এবং কবি।
তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞান ছাড়াও গণিতশাস্ত্র, পূর্তবিদ্যা, আবহবিদ্যা, এবং স্থাপত্যবিদ্যায় পণ্ডিত ছিলেন।
ভারতীয় পঞ্জিকার অন্যতম সংস্কারক ছিলেন তিনি।
পৃথিবীর আকার এবং আকৃতি সম্বন্ধে তার সঠিক ধারণা ছিল।
ব্রহ্মগুপ্ত (৫৯৮–৬৬৫ খৃষ্টাব্দ) ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর যার কাজে উল্লেখযোগ্য গাণিতিক অবদান রয়েছে, যেমন চতুর্ভুজের ক্ষেত্রফল এবং কিছু বিশেষ ধরণের ডায়োফ্যান্টাইন সমীকরণের সমাধান।
সম্ভবতঃ তাঁর কাজেই প্রথম শূন্য ও ঋনাত্মক সংখ্যার নিয়মিত ব্যবহার ঘটে।
ব্রহ্মগুপ্ত হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে উজ্জ্বয়িনীর জ্যোতিষ্ক পরিদর্শনকেন্দ্রের অধ্যক্ষ ছিলেন।
গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে তাঁর লেখাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল ‘ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত’।
ভাষ্করাচার্য (১১১৪-১১৮৫ খৃষ্টাব্দ) প্রাচীন ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিদ। পৃথিবীর ব্যাস প্রায় নির্ভূলভাবে গণনার প্রথম কৃতিত্ব তাঁর। তিনিই প্রথম ২২/৭ কে পাইয়ের মান হিসেবে প্রচার করেন।
(এটা কি!)
প্রাচীন চীনা বিজ্ঞান-“মূদ্রনশিল্প(Printing), গানপাউডার(Gunpowder) আর কম্পাস্(Compass)- (চীনের) এই তিনটি আবিষ্কার পৃথিবীর চেহারা পালটে দিয়েছিল।”-ফ্রান্সিস্ বেকন।
।...।।...।।...।
প্রথমটা একটু ভয় ভয় করলেও বেশ লাগলো কিন্তু পড়তে!
পরের পর্বের অপেক্ষা রইলো
লেখক বলেছেন: এইবার তো মনে হচ্ছে, সত্যি সত্যি ট্যাক্স আরোপ করতে হবে!
![]()
![]()
![]()
লেখক বলেছেন: এই ব্যাপারে কবি নীরব!![]()
রোমান শাসনাধীন মিশরের বাসিন্দা টলেমী ছিলেন ভূগোলবিদ, জ্যোতির্বিদ, ও জ্যোতিষ। "সূর্যকেন্দ্রিক" পৃথিবীর ব্যাপারে তার ধারনা আধুনিক বিজ্ঞানে অনেক কাছাকছি ছিল।
টলেমীর ধারণা ছিল জিওসেন্ট্রিক (পৃথিবীকেন্দ্রিক সূর্য), যেটা বাইবেলের সাথে মিল ছিলো। পরে যখন কোপার্নিকাস হেলিওসেন্ট্রিক মডেলের কথা বললেন, এরপর ব্রুনো, গ্যালিলিও.........করুণ পরিণতি।
[ পিঠে ছালা বান্ধি, তায়েফ ভাই এইবার আমারে মাইর লাগাইতে পারে।
লেখক বলেছেন: না! না! কী বলছেন! ছালা বাঁধবেন কেন?
খুবই ভাল করেছেন। এত সাবধানতার পরেও এমন মারাত্মক ভুল ক্ষমার অযোগ্য। তবে, ব্লগে লেখা দেয়ার এটাও একটা কারন ছিল যে, ভুলগুলো সংশোধন হয়ে যাক। পরেরবার আরো সাবধান থাকার অনুপ্রেরনা পেলাম। ঐ বাক্যটি বাদ দিয়ে ঠিক করে দিয়েছি।
আপনাকে অন্তরের অন্তঃস্থল হতে ধন্যবাদ।![]()
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
হুমমমমম।ভালো লাগছে...................চলুক।
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ এই পরীশ্রমী পোস্টের জন্য। স্যালুট!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সাথে থাকার জন্য।
স্যালুট এখনই দিয়ে দেয়াটা ঠিক হবে না!
লেখক বলেছেন: চতুর্থ পর্ব চলে এসেছে।
![]()
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
তায়েফ ভাই, আপনার লেখাটি ভালো হচ্ছে- ভালো লাগছে। অনেক কিছু জানছি। তবে-১. জ্ঞান-বিজ্ঞানের মাঝে ধর্ম টানা কেন? জ্ঞান হলো নিরপেক্ষ, ধর্ম একমুখী কিংবা বহুমুখী। আপনি মুসলমানদের অবদান স্মরণ করছেন কিন্তু অন্য ধর্মের লোকজনকে নিয়ে লিখুন (শুধু কোটেশন বা নামোল্লেখ নয়)।
২. মুসলমানদের কি অন্য ধর্মানুসারীদের জ্ঞান নেয়া উচিত? হ্যাঁ হলে কেন? না হলে কেন? অন্য পক্ষের জ্ঞান প্রয়োজনে ব্যবহার করা গেলে জ্ঞানের মাঝে ধর্ম টানার মাজেজা কী?
৩. জানি, আমি ছোটবেলায় পড়েছি জ্ঞানবিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান নিয়ে। কিন্তু আজকে তারা অবদান রাখতে পারছে না কেন? সেটা নিয়ে লেখেন। অতীত অস্বীকার করার নয়, বরং পায়ের তলায় মাটি যোগায়। কিন্তু পায়ের তলায় মাটি রেখে এগিয়ে যাওয়ার রসদ যোগান, কী কী করলে তারা জ্ঞান-বিজ্ঞানে আরো অবদান রাখতে পারবে সেটা সম্পর্কে বলেন।
========================
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আশরাফ ভাই। আপনার প্রশ্নগুলো খুবই যৌক্তিক।
ইতবে, আমার মনে হয়, এই সিরিজের প্রথম পর্বটা পড়লে আপনার এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেয়ে যেতেন!![]()
সেখানে, আমি বলেছিলাম, মূল লেখায় যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা থাকবে সেগুলো হলোঃ
- বিজ্ঞানের সংজ্ঞা এবং এর উৎপত্তি
- মুসলমানদের উদ্ভবের আগমূহুর্তে মানবসভ্যতায় বিজ্ঞানের অবস্থান
- মুসলমানদের হাতে আসার পর বিজ্ঞানের স্বরূপ
- বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতা সাধনে মুসলমানদের কৃতিত্ব এবং পৃথিবীর নেতৃত্ব
- বিজ্ঞানের জগতে মুসলমানদের মূল অবদান
- মুসলমানদের বিজ্ঞানে অবদানের পেছনে মূল চালিকা শক্তি
- বিজ্ঞানের জগতে মুসলমানদের পতন ও পতনের কারন
- বিজ্ঞানের মুসলমানদের অবদান বিস্মৃতির মূল কারন
- বিজ্ঞানের জগতে মুসলমানদের বর্তমান অবস্থা
এর সাথে ছোটখাট আরো কিছু সহ-আলোচনাও এসে যেতে পারে।
আর ধর্মীয় পরিচয় টেনে আনার কারন নিয়েও সেখানে মন্তব্যের ঘরে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে।![]()
ডায়োফ্যান্টাইন সমীকরণের কথা তো লেখায় এল। ডাইফ্যান্টাস হাইপেশিয়ার পূর্বসূরী গ্রীক গনিতবিদ। হাইপেশিয়া তার কাজের মূল্যায়ন করেন।
http://en.wikipedia.org/wiki/Diophantus
লেখক বলেছেন: হুমমম....তখন খেয়াল ছিল না, পরে মনে পড়েছে।
ধন্যবাদ, লিংকের জন্য।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
ভালই লাগছে। এবং এর আগের পোস্টের তুলনায় আগাছা আরও কমছে... তবে সামনে কি হয় বলা যায় না.... লেখক বলেছেন: সাথেই লেগে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
চতুর্থ পর্ব চলে এসেছে। পড়ার আমন্ত্রন রইল।![]()
শয়তান বলেছেন:
নির্ভেজাল সত্যকে স্বীকৃতি দিতে বরাবরই কুন্ঠাহীন ছিলাম এবং থাকবো যতক্ষন না তাতে ঐশী ভেজাল মিশানো না হয় লেখক বলেছেন: ঐশী ভেজাল? ভালই বলেছেন।![]()
অযৌক্তিক কোন আলোচনাকে প্রশ্রয় না দেবার চেষ্টা থাকবে সবসময়।
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
আপনাকে এক্টন ধইন্যাপাতা সাথে এক্কান ওয়ান বিলিয়ন ডলারের জিম্বাবুয়ান নোট এই সিরিজ টার জন্য । খুব ভাল লাগতাসে । লিখে জান ।ভাঙ্গন বলেছিলেন সক্রেটিস/ এরিস্টটলীয়-দর্শনের কোন প্রভাব ইসলামে রয়েছে কি না...আলোচনা চাই। কথাটা মনে হয় এমন হবেঃ সক্রেটিস/এরিস্টটলীয়-দর্শনে ইসলামের কোন প্রভাব রয়েছে কি না...আলোচনা চাই।
লেখক বলেছেন: সাথেই আছেন দেখে যুগপৎ আনন্দিত এবং সম্মানিত।
ভাঙ্গনের মন্তব্যের জবাব দিয়েছি আগেই। আবার বলছি, এই পোষ্টের আলোচনার স্বার্থে যতদুর আলোচনা করা যায়, ততদুর করার চেষ্টা করব।![]()
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
@শয়তান ভেজাল মিশাইতে থাকো , যতক্ষন না মাখনের মত গাদ থেইক্যা উইট্টা আহে আসল মাল, তার ততক্ষনে বাকিতা বাতিল হইয়া যাবে
লেখক বলেছেন: কথাটি আমি পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারি নি বলে, দুঃখিত।
![]()
লেখক বলেছেন: পড়েছি এবং কমেন্টিয়েছি.............![]()
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আরেকটা আউটলাইন। ধন্যবাদ।
দাসপ্রথা প্রযুক্তি বিকাশের অন্তরায় (খারেজি এর মন্তব্য) এর আরেকটা উদাহরণ চোখে পড়েছিলো। এটা অবশ্য মধ্যযুগে, খুঁজেপেতে আমাদের উপমহাদেশে খুব বেশী প্রযুক্তি উদ্ভাবন দেখি নাই, ব্যাবহার ও না। পুরোটাই শ্রম ও হাত নির্ভর। সেক্ষেত্রে ইউরোপ বেল্টে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যাবহার, সম্ভব্ত শ্রম প্রাপ্তি কম বলেই। এক কপিকল/লিভার প্রযুক্তি দিয়েই যে পরিমান যন্ত্রপাতি বানিয়েছে ওরা, চমৎকার।
লেখক বলেছেন: আস্তে আস্তে হলেও পড়ছেন দেখে ভাল লাগছে।![]()
দাসপ্রথা প্রযুক্তি বিকাশের অন্তরায় কীনা তা প্রশ্নসাপেক্ষ। ইউরপ বেল্টে প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপক হলেও, মনে রাখা উচিৎ দাসপ্রথার সবচেয়ে নিকৃষ্ট উদাহরণগুলোও আমরা ইউরোপ থেকেই সংগ্রহ করি!
পরের পর্বগুলোও পড়বেন- সেই আশায় আছি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















