আমার প্রিয় পোস্ট

সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত...............।

জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-৩

০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩২

শেয়ারঃ
0 2 0



প্রথাগত বিজ্ঞানের প্রথম দিশারী থেলিস পর্যন্ত এসে থেমে যেতে হয়েছিল গত পর্বে। আজ থেলিসের পর হতে খৃষ্টীয় ষষ্ট শতকের আগ পর্যন্ত গ্রীক-রোমান-মিশরীয় এবং ভারতীয় বিজ্ঞানীদের কাজ সমূহের উপরে সংক্ষিপ্ত আলোচনার করার চেষ্টা থাকবে। সপ্তম শতকে উল্কার বেগে মুসলমানদের আবির্ভাবের পূর্বমুহূর্তে জগতের বিজ্ঞান ঠিক কোন অবস্থানে দাঁড়ানো ছিল, তা পরিষ্কার করে তুলে ধরাই এর উদ্দেশ্য। তবে, এটাও মনে রাখা উচিৎ যে, এই প্রায় এক সহস্রাব্দব্যাপী সময়কালে একেবারে কম কাজ হয় নি। কিন্তু, পোষ্টকে সরলপথে রাখার স্বার্থে কেবলমাত্র প্রভাবশালী বিজ্ঞানীদের কাজের সারসংক্ষেপ যথাসম্ভব কালানুক্রম মেনেই এখানে আলোচিত হবে।

থেলিসের পর প্রথাগত বিজ্ঞানের জগতে আমরা পাই পীথাগোরাসকে(Pythagoras; ৫৭০-৪৯৫ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। এ সেই পীথাগোরাস, সমকোনী ত্রিভূজ নিয়ে যাঁর প্রবর্তিত ভয়াবহ উপপাদ্য(Theorem) আজো ছাত্রদের মনে কাঁপন ধরায়। তাঁকে বলা যায় পৃথিবীর প্রথম গণিতবিদ, দর্শনে তাঁর অবদানের কথা মাথায় রেখে তাঁকে সংখ্যা দার্শনিকও বলা চলে। তিনি বিশ্বাস করতেন পৃথিবীর সকল কিছুর মূল হলো সংখ্যা। দূর্ভাগ্যবশতঃ তাঁর কোন লেখাই পাওয়া যায় না। তবে, পরবর্তীতে প্লেটো এবং প্লেটোর সূত্রে পুরো পাশ্চাত্য দর্শন তাঁর কাছে ঋনী।

এরপরেই আসেন ‘নিজেকে জানো(Know Thyself)’ খ্যাত সক্রেটিস্‌(Socrates; ৪৬৯-৩৯৯ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। আজীবনের এথেন্সবাসী এই দার্শনিক প্রথম মানুষকে প্রশ্ন করে করে জ্ঞানার্জনের পদ্ধতি শেখালেন! তিনি এমন এক দার্শনিক চিন্তাধারা জন্ম দিয়েছেন যা দীর্ঘ ২০০০ বছর ধরে পশ্চিমা সংস্কৃতি, দর্শন ও সভ্যতাকে প্রবাবিত করেছে। সক্রেটিস ছিলেন এক মহান সাধারণ শিক্ষক, যিনি কেবল শিষ্য গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানে বিশ্বাসী ছিলেননা। তার কোন নির্দিষ্ট শিক্ষায়তন ছিলনা। যেখানেই যাকে পেতেন তাকেই মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর বোঝানোর চেষ্টা করতেন। তবে, তাঁর কোন লেখাই পাওয়া যায় না। শিষ্য প্লেটোর ডায়ালগ্‌স(Dialogues), সৈনিক জেনোফেনের(Xenophen) লেখা আর এরিস্টোফেনিসের নাটকসমূহের মাধ্যমেই তাঁর কাজ সম্পর্কে ধারনা লাভ করা যায়। প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থা তাঁকে হেমলক বিষপানে মৃত্যুদন্ড দেয়।

জ্ঞানের প্রসারে শিক্ষায়তন(Platonic Academy) খুলে যিনি জগতে অমর, তিনি সক্রেটিসেরই সুযোগ্য ছাত্র প্লেটো(Plato; ৪২৮-৩৪৮ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। তিনি একাধারে দার্শনিক, যুক্তিবিদ, কাব্যবিশারদ এবং গণিতবিদ। প্রাকৃতিক দর্শন, বিজ্ঞান এবং পাশ্চাত্য দর্শনের ভিত্তি অনেকটা তাঁর হাতেই গড়া। তাঁর অনেক লেখাই পাওয়া যায়, যার মধ্যে রিপাবলিকের(The Republic) নাম না নিলেই নয়। আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার সূত্রপাত এখান হতেই শুরু হয়েছে।

প্লেটো ও অ্যা্রিস্টটলঃ শিক্ষক-ছাত্র

এর পরেই আসেন অ্যারিস্টটল(Aristotle;৩৮৪-৩২২ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। বিজ্ঞানের জগতে এথেন্সের এই ব্যক্তির চেয়ে সুদুরপ্রসারী প্রভাব আর কেউ রাখতে পেরেছিলেন কীনা সন্দেহ! প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, সংগীত, কাব্য, নীতিশাস্ত্র, যুক্তিবিদ্যা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান সহ সমকালীন জ্ঞানের এমন কোন শাখা ছিল যেখানে তিনি অবাধে বিচরন করেন নি। বর্তমান যুগে অচল হলেও বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর দর্শনের প্রভাব এত বেশি ছিল যে, তা অনেকটা ধর্মীয় বিশ্বাসে রূপ নেয়। পরবর্তী অনেককাল পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা অ্যারিস্টটলের মতের বাইরে কোন মত গ্রহনে প্রস্তুত ছিলেন না। যার ফলে, অ্যারিস্টটলের জন্মের ৭৬ বছর পূর্বে জন্ম নিয়ে ডেমোক্রিটাস(Democritus; ৪৬০-৩৭০ খৃষ্টপুর্বাব্দ) এবং অ্যারিস্টটলের মৃত্যুর ১২ বছর পরে জন্ম নিয়ে অ্যারিস্টার্কাস(Aristarchus; ৩১০-২৩০ খৃষ্টপূর্বাব্দ) তাঁদের মতবাদকে জনপ্রিয় করে তুলতে পারেন নি কেবলমাত্র অ্যারিস্টটলের মতের বিরুদ্ধাচরণ করায়। ডেমোক্রিটাসের পদার্থের অবিভাজ্য এককের ধারনা এবং অ্যারিস্টার্কাসের সৌরকেন্দ্রিক পৃথিবীর ধারনা স্পষ্টতই অ্যারিস্টটলের তুলনায় আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক কাছাকাছি ছিল। কিন্তু, দূর্ভাগ্য তাঁদের; কাজের স্বীকৃতি পেতে দেড় সহস্রাব্দ সময় লেগে গেল!

এরপরেই যাঁর কথা না বললেই নয় তিনি ইউক্লিড(Euclid)। তেরখন্ডে রচিত এলিমেন্টস্‌(Elements) যাঁকে দিয়েছে ‘জ্যামিতির জনক’(Father of Geometry) অভিধা লাভের সম্মান। দ্বিমাত্রিক জ্যামিতির উপর তাঁর আবিষ্কৃত স্বতঃসিদ্ধসমূহ(Axioms) আজো সমান গুরুত্বের দাবীদার। ইউরেকা! ইউরেকা! খ্যাত আর্কিমিডিস্‌(Archimedes; ২৮৭-২১২ খৃষ্টপূর্বাব্দ) ছিলেন একাধারে একজন গ্রিক গণিতবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, জ্যোতির্বিদ ও দার্শনিক। যদিও তাঁর জীবন সম্পর্কে খুব কমই জানা গেছে, তবুও তাঁকে ক্ল্যাসিক্যাল যুগের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পদার্থবিদ্যায় তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে রয়েছে স্থিতিবিদ্যা আর প্রবাহী স্থিতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন এবং লিভারের কার্যনীতির বিস্তারিত ব্যাখ্যাপ্রদান। পানি তোলার জন্য আর্কিমিডিসের স্ক্রু পাম্প, যুদ্ধকালীন আক্রমণের জন্য সীজ (siege) ইঞ্জিন ইত্যাদি মৌলিক যন্ত্রপাতির ডিজাইনের জন্যও তিনি বিখ্যাত। আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় তাঁর নকশাকৃত আক্রমণকারী জাহাজকে পানি থেকে তুলে ফেলার যন্ত্র বা পাশাপাশি রাখা একগুচ্ছ আয়নার সাহায্যে জাহাজে অগ্নিসংযোগের পদ্ধতি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। আর্কিমিডিসকে সাধারণত প্রাচীন যুগের সেরা এবং সর্বাকালের অন্যতম সেরা গণিতজ্ঞ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।তিনি পাই(∏) -এর প্রায় নিখুঁত একটি মান নির্নয় করেন।

লিভার সম্পর্কে আর্কিমিডিসের কথিত উক্তি, "আমাকে একটা দাঁড়ানোর জায়গা দাও, আমি পৃথিবীকে তুলে সরিয়ে দেব"

গ্রিক-রোমান ঐতিহ্যে এরপরে যেসব বিজ্ঞানী আসেন তাঁদের মাঝে থিওফ্রাস্টাস্‌(Theophrastus; ৩৭১-২৮৭ খৃষ্টপূর্বাব্দ), প্লিনী(Pliny the Elder; ২৩-৭৯ খৃষ্টাব্দ), টলেমী(Claudius Ptolemaeus বা Ptolemy; ৯০- ১৬৮খৃষ্টাব্দ) এবং গ্যালেনের(Claudius Galenus; ১২৯- ২১৭খৃষ্টাব্দ) নাম উল্লেখযোগ্য। প্লেটোর একাডেমীর ছাত্র থিওফ্রাস্টাস্‌ জীববিদ্যা, নীতিশাস্ত্র এবং ভাষাবিদ্যায় বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তিনি উদ্ভিদবিদ্যার জনক (Father of Botany) হিসেবে পরিচিত। রোমান সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা প্লিনী ছিলেন প্রকৃতিবিদ এবং লেখক। রোমান শাসনাধীন মিশরের বাসিন্দা টলেমী ছিলেন ভূগোলবিদ, জ্যোতির্বিদ, ও জ্যোতিষ। এছাড়া আলোকবিজ্ঞানে(Optics) তাঁর কিছু মৌলিক কাজ (আলোর প্রকৃতি, বর্ণ, প্রতিফল ও প্রতিসরণ সংক্রান্ত) রয়েছে। গ্যালেন ছিলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও দার্শনিক। শারীরবিদ্যার(Anatomy) ক্ষেত্রে তিনিই বিজ্ঞানের পথপ্রদর্শক।

গ্রীক-রোমান ঘরানার বিজ্ঞানের আলোচনা শেষ করার আগমুহূর্তে হাইপেশিয়াকে(Hypatia; ৩৭০-৪১৫ খৃষ্টাব্দ) স্মরণ করতেই হয়। ধর্মীয় গোঁড়ামিতে আচ্ছন্ন বিজ্ঞানবিমুখ সমাজের নারী বাসিন্দা হয়েও এই মিশরীয় গণিতবিদ ও দার্শনিক অসামান্য অবদান রেখেছেন। আলেকজান্দ্রিয়া মিউজিয়ামের পরিচালক এবং একজন বড় মাপের গনিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ থিওনের অনিন্দ্যসুন্দরী এই কন্যারত্ন ইউক্লিড, টলেমীসহ বিভিন্ন গণিতজ্ঞের কাজের উপরে আলোচনা রেখে অমর হয়ে আছেন।

হাইপেশিয়ার এই ছবিটি আমার খুব প্রিয়

এর বাইরে ভারতবর্ষের বিজ্ঞানীদের অবদান নিয়ে কিঞ্চিত আলোচনা না করা ধ্রৃষ্টতার নামান্তর হবে। দর্শন, জ্যোতির্বিদ্যা এবং গণিতে এ উপমহাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রাচীনকালে অভাবনীয় অবদান রেখেছেন। মহাবীর(महावीर; ৫৯৯-৫২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) প্রাচীন ভারতের তপস্বী বর্ধমানের প্রচলিত নাম, যিনি উত্তর পূর্ব ভারতে জৈন ধর্মের মূল ধারণাগুলোর প্রবর্তক। কিন্তু, ‘সিদ্ধান্ত’ গ্রন্থে ভারতীয় জ্যোতির্বিদ্যার ধারনা সংকলন তাঁকে অমরত্ব দিয়েছে। আর্যভট্ট(आर्यभट; ৪৭৬ – ৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ভারতের প্রাচীন গণিতবিদদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত। প্রাচীন ভারতীয় গণিতের ইতিহাসে আর্যভট্টই মূল ব্যক্তিত্ব যার কিছু অবদানের কথা এখনও জানা যায়। তার বিখ্যাত রচনার মধ্যে রয়েছে ‘আর্যভট্টম’ এবং ‘আর্যভট্ট-সিদ্ধান্ত’। আর্যভট্টমে বেশ কিছু গাণিতিক এবং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকথা পদবাচ্যের আকারে সন্নিবেশিত হয়েছিলো যা পরবর্তী কয়েক শতাব্দী ব্যাপী প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিলো। তাঁকেই শূণ্যের আবিস্কারকের মর্যাদা দেওয়া হয়। বরাহমিহির(वराहमिहिर;৫০৫-৫৮৭ খৃষ্টাব্দ) প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ এবং কবি। তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞান ছাড়াও গণিতশাস্ত্র, পূর্তবিদ্যা, আবহবিদ্যা, এবং স্থাপত্যবিদ্যায় পণ্ডিত ছিলেন। ভারতীয় পঞ্জিকার অন্যতম সংস্কারক ছিলেন তিনি। পৃথিবীর আকার এবং আকৃতি সম্বন্ধে তার সঠিক ধারণা ছিল। ব্রহ্মগুপ্ত (ब्रह्मगुप्त; ৫৯৮–৬৬৫ খৃষ্টাব্দ) ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর যার কাজে উল্লেখযোগ্য গাণিতিক অবদান রয়েছে, যেমন চতুর্ভুজের ক্ষেত্রফল এবং কিছু বিশেষ ধরণের ডায়োফ্যান্টাইন সমীকরণের সমাধান। সম্ভবতঃ তাঁর কাজেই প্রথম শূন্য ও ঋনাত্মক সংখ্যার নিয়মিত ব্যবহার ঘটে। ব্রহ্মগুপ্ত হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে উজ্জ্বয়িনীর জ্যোতিষ্ক পরিদর্শনকেন্দ্রের অধ্যক্ষ ছিলেন। গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে তাঁর লেখাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল ‘ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত’। কণাদ পরমাণু ধারনার প্রবর্তক। ভাষ্করাচার্য (भास्कराचार्य;১১১৪-১১৮৫ খৃষ্টাব্দ) প্রাচীন ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিদ। পৃথিবীর ব্যাস প্রায় নির্ভূলভাবে গণনার প্রথম কৃতিত্ব তাঁর। তিনিই প্রথম ২২/৭ কে পাইয়ের মান হিসেবে প্রচার করেন।

প্রাচীন ভারতের মানচিত্র

পাঠকের ধৈর্য্যের চুড়ান্ত পরীক্ষা নিয়ে প্রাচীন বিজ্ঞানের ইতিহাসের প্রায় শেষদিকে আমরা। এমতাবস্থায়, প্রাচীন চীনা বিজ্ঞান নিয়ে বেশী কথা বলার অবকাশ নেই। তবে, একথাও ঠিক প্রথাগত বিজ্ঞানের চাইতে চীনে প্রযুক্তিগত কাজই বেশি হয়েছে। এক্ষেত্রে শুধু ফ্রান্সিস্‌ বেকনের(Francis Bacon; ১৫২১-১৬২৬) উক্তিটিই যথেষ্ট। “মূদ্রনশিল্প(Printing), গানপাউডার(Gunpowder) আর কম্পাস্‌(Compass)- (চীনের) এই তিনটি আবিষ্কার পৃথিবীর চেহারা পালটে দিয়েছিল।”

মুসলমানদের আবির্ভাবের পূর্বে এই ছিল মোটামুটি বিজ্ঞানের ইতিহাস। বলা যায়, কিছু কিছু ব্যাপারে বলার মত কাজ হলেও সবকিছু মিলিয়ে বিজ্ঞান তখনো প্রাথমিক অবস্থা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয় নি। এখানে আরো লক্ষ্যনীয় যে, খৃষ্টীয় দ্বিতীয় দশকের পর থেকে বলার মত তেমন কোন বিজ্ঞানীর কাজ আমরা পাই না। শুধু তাই নয়, এর আগে যে সব কাজ হয়েছিল, সপ্তম শতকে মুসলমানদের হাতে আসার আগুমুহূর্ত পর্যন্ত সেসব সাধারন মানুষের প্রায় অজানাই ছিল। পাশ্চাত্যে প্রাচীন ইহুদীবাদ এবং নব্য খৃষ্টবাদের চলমান গোঁড়া দ্বন্দ্ব, মধ্যপ্রাচ্যে অগ্নিপুজার নামে চলমান কুসংস্কার এবং ভারতে শ্রেনীপ্রথার নিষ্পেশনে বিজ্ঞান হারিয়ে যেতে বসেছিল। এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা না করে শুধু এটুকু বলাই ভাল হবে যে, অদূরভবিষ্যতে বিজ্ঞান মানুষের নাগালে আসবে কীনা তা নিয়ে সন্দেহ করার যথেষ্ট অবকাশ ছিল সে সময়। এরকম অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে আলোকিত করতে অন্ধকারতম আরবভূমিতে আবির্ভূত হলেন একজন মানুষ, মুহাম্মাদ(স)। না, তিনি প্রচলিত অর্থে বিজ্ঞানী ছিলেন না। তাহলে কী ছিলেন তিনি? সে কথা পরের পর্বে।

চলবে.....
ভূমিকা পর্ব

বিজ্ঞানের দর্শন পর্ব

 

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.............

০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: আজ রাতে একটু পর হতেই আউট অফ্‌ নেট থাকতে হচ্ছে........কাল আবার।:)
আপনাকে ধন্যবাদ।

৩. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫১
নুভান বলেছেন: ভালো লাগছে, চালিয়ে যান।
১২ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পর্ব-৪ ও দিয়ে দিয়েছি। আপনার আপনাকে আমন্ত্রন।

০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রাজসোহান............

৫. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫৩
মেহেরুবা বলেছেন: এরকম অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে আলোকিত করতে অন্ধকারতম আরবভূমিতে আবির্ভূত হলেন একজন মানুষ, মুহাম্মাদ(স)। না, তিনি প্রচলিত অর্থে বিজ্ঞানী ছিলেন না। তাহলে কী ছিলেন তিনি? সে কথা পরের পর্বে।
পরের পর্বেই তাহলে আমরা মূল আলোচনায় প্রবেশ করতে যাচ্ছি?
অপেক্ষায় রইলাম।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: তেমনই আশা করছি। পরের পর্ব হতে মূল আলোচনার সূত্রপাত হবে ইনশাআল্লাহ। দেখা যাক, কতদূর কী করতে পারি।
:| সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ, মাশরুহার মা'।
:)

৬. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: বুকমার্কড। হাল্কা দৌড়ের উপর আছি। পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। ব্যানের সুবাতাস পেতে শুরু করেছি।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন গ্রহন করুন!
:((

৭. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩১
ভাঙ্গন বলেছেন: আলোচনা অনেক গভীর হয়েই এগিয়ে যাচ্ছে। সক্রেটিস/এরিস্টটল-দর্শনের কোন প্রভাব ইসলামে রয়েছে কি না...আলোচনা চাই।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: কতটা গভীরে যাচ্ছে, জানা নেই। তবে, সহজভাষায় মূলকথাগুলো বলার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
ধর্মতত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে ইসলাম একটি ঐশী জীবনাদর্শ যেখানে দুনিয়ার কোন মানুষের বা দর্শনের প্রভাব থাকা সম্ভব নয়। আর আপনি যদি মুসলমানদের হাতে বিকশিত বিজ্ঞানের কথা বলেন, তবে সেখানে সক্রেটিস/এরিস্টটল-দর্শনের কোন প্রভাব থাকাটাই স্বাভাবিক।
:)

৮. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫১
খারেজি বলেছেন:


খুবই কাজের লেখা।


তবে সক্রেটিসের ( যদি না প্লেটোর হয়ে থাকে, কারণ তার জবানিতেই সক্রেটিসরে চিনি আম্রা) প্রধান অবদানগুলোর একটা বলা উচিত সামান্যীকরণ সাধারনীকরণ বা জেনারেলাইজেশনরে। আদি ধরনের ডায়লেকটিক চিন্তার উৎসও ধরা হয় তার প্রশ্ন্উত্তরের মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌছাবার ধরনরে।

একটা ইন্টারেস্টিং পয়েন্ট দেখছিলাম: প্রাচীন দুনিয়ায় প্রযুক্তিগত বিকাশের পথে একটা বড় অন্তরায় ছিল দাসপ্রথা। ফলে তাত্ত্বিক জল্পনা কল্পনার সাথে সঙ্গতি রেখে পদার্থবিজ্ঞানের বিকাশ হয় নাই--- সস্তা দাস থাকলে সেইটার প্রয়োজনও পরে কম। গ্রেকো রোমান বিজ্হানের ঐতিহ্যের এইটা ছিল একটা বড় সীমাবদ্ধতা।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: আমি আসলে সে সময়ের বিজ্ঞানীদের মূলকাজগুলোর সাথে সহজতম ভাষায় একটু করে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্যই এই পর্বের অবতারণা করেছিলাম। তাই, জেনারেলাইজেশন সংক্রান্ত গভীর আলোচনার দিকে যেতে চাই নি। তারপরেও, ধরিয়ে দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

দাসপ্রথা নিয়ে আপনি যা বললেন তা ভেবে দেখার মত। সামান্য করে হলেও পরবর্তীতে এ নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা থাকবে।:)

সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদটা আপনার পাওনা।

৯. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১৮
অপু২৮৩৮ বলেছেন: ভালো লাগছে, চালিয়ে যাও।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, অপু ভাই।
:)

১০. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৯
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: চমৎকার ভাবে বিশ্লেষণ আর ব্রিফিং দিয়ে এগিয়ে নিয়ে এসেছেন, অনেক ভালো লাগছে তথ্য গুলো হাতের মুঠোয় পেয়ে, এভাবে কাঠামোগত উপস্থাপনায় সাজানো গোছানো লাগছে অনেক, প্রথম থেকে মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করেছি, আপনার ধারাবাহিক উপস্থাপনা আর ভূমিকায় আমার মনে হয় উটকো বিতর্কগুলিকে পিছনে ফেলে আসতে পেরেছেন ;) সামনে পর্বের অপেক্ষায় আছি, সুস্থ্য থাকুন আর লিখুন, শুভ কামনা
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:১৯

লেখক বলেছেন: তথ্যগুলোকে যথাসম্ভব কাঠামোবদ্ধ করে উপস্থাপন আমার নিজের লেখার সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনেই করেছি। উট্‌কো বিতর্ক বলতে তেমন কিছু এখনো পাই নি। যা লিখতে চাইছি, তার একটা প্রচ্ছন্ন কায়া মনের মাঝে আঁকা আছে বলে, খুব বেশী কক্ষচ্যুত হবো না বলেই বিশ্বাস। সামনের পর্ব হতেই মূল আলোচনায় প্রবেশ করছি বলে, একটু বেশী সময় লাগবে, হয়তো আরো দুই একদিন দেরী হবে।:|

১১. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৮
শয়তান বলেছেন: এই পর্বটা অনবদ্য হয়েছে :)
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার কাছ থেকে অনবদ্য বিশেষন পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।
:)

১২. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩৯
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: এই ব্রহ্মগুপ্তের স্ক্রীপ্টই উপহার হিসেবে দেয়া হয় খলিফা মামুনকে। যা থেকে খাওয়ারিজমী তার নিজস্ব অবদান সহযোগে স্থানীয় মান স্বকীয় মান নির্ভর সংখ্যা উদ্ভাবন করেন। ব্রহ্মগুপ্তের নামটা সঠিক বানানে লিখতে পারছিলাম না বলে আমার নিজের লেখায় উল্লেখ করিনি।

আর হ্যা, গনিতবিদ ডাইফ্যান্টাসের কথা আরেকটু আসলে ভাল হত।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: ডাইফ্যান্টাসের ব্যাপারে আমার কিছুই জানা নেই! জানাবেন দয়া করে?:(
ব্রহ্মগুপ্ত হতে খাওয়ারিজমী- জ্ঞানের প্রবাহ সামনে আলোচনা করার ইচ্ছা রাখছি।

১৩. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:৪৩
অলস ছেলে বলেছেন: দারুণ লেগেছে। অনেক কিছু জানলাম মনে হচ্ছে।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: জানাতে পেরে ভাল লাগল। আসলে, অন্যকে কিছু কিছু জানাতে গিয়ে আমি অনেক কিছু জানব, সেজন্যই ব্লগিং.........

১৪. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:৫৪
নাজনীন১ বলেছেন: যার ফলে, অ্যারিস্টটলের জন্মের ২৪ বছর "পরে" জন্ম নিয়ে ডেমোক্রিটাস(Democritus; ৪৬০-৩৭০ খৃষ্টপুর্বাব্দ), হাল্কা টাইপো সংশোধনী। :)

"অ্যা" - এটা টাইপ করেন কিভাবে?

বিজ্ঞানীদের কাজগুলো সিরিয়ালি পড়তে ভাল লাগছে।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: 'পরে' শব্দটাতো ঠিকই আছে!:) খৃষ্টপূর্বাব্দ আর খৃষ্টাব্দ গুলিয়ে ফেললেন বুঝি!:)
'অ্যা' টাইপ করার জন্য অভ্র ফোনোটিকে aZ লিখুন। আমি এভাবেই লিখি।

১৫. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:১৪
ডিজিটালভূত বলেছেন: প্রতিটি পর্বে যদি অন্য পর্বগুলোর লিংক দেয়া থাকে তাহলে পাঠকদের সুবিধা হবে। কেহ প্রিয়তে রাখতে চাইলে একটি রাখলেই চলবে।
অনেক ভাল লেগেছে। ধন্যবাদ
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল।:)

আর প্রতিটি পর্বের শেষে আগের পর্বগুলোর লিংক দেয়া আছে, আপনার চোখে পড়ে নি বোধ হয়।:|

১৬. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:১৫
আব্দুল্লাহ ঢািব বলেছেন: পুরো লেখাটা ধৈর্য সহকারে পড়লাম, আস্তে করে একটা প্লাস দিলাম আর পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম। আগেরগুলোও পড়ে দেখতে হবে।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: পরেরবার শুধু আস্তে করে প্লাস না দিয়ে কিছু কিছু আলোচনায় অংশ নেবেন, সেই অপেক্ষায় থাকলাম।:)

১৭. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১৪
পারভেজ আলম বলেছেন: ভালো হইছে। কিন্তু আপনে তো আসলে ঠিক ইসলামে বিজ্ঞানের ইতিহাস না। পুরাপুরি বিজ্ঞানের ইতিহাসই লিখতাছেন। যাই হোউক, চলুক।
আমি কিন্তু দ্বিতীয় পর্ব লিখছি। দেখা কইরা যাইয়েন।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন: ইতিহাসের এইটুকু অংশ না জানা থাকলে যে, পরের ঐ অংশ বিশ্লেষনের যোগসূত্র খুঁজে পেতাম না!:( তাই, শেয়ার করতে হচ্ছে।
আপনার লেখা পড়েছি। ভালই হচ্ছে।:)

১৮. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১৮
এস. এম. রায়হান বলেছেন: আপনি তো দেখি দারুন লিখেন। চালিয়ে যান।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫০

লেখক বলেছেন: এইটা এতদিন পরে জানলেন!
:P:P:P

১৯. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২৮
নীল ভোমরা বলেছেন: বাপরে!...জ্ঞানপ্রাপ্ত হচ্ছি!
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে।
কিন্তু, ভয় পাওয়ার কোন কারন নাই!:)

২০. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: এখন পর্যন্ত মুসলমানরা আসে নাই, দেখি পরের পর্বে কি হয়।

"এরকম অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে আলোকিত করতে অন্ধকারতম আরবভূমিতে আবির্ভূত হলেন একজন মানুষ, মুহাম্মাদ(স)। "

মানতে পারলাম না, এটা মুসলমানদের প্রচার। সেসময় আরবী সাহিত্য খুবই উচুঁমানের ছিল, দেশ বিদেশে তারা ব্যবসা উপলক্ষ্যে ভ্রমণ করত, দূরদূরান্ত থেকে মানুষ মক্কায় ব্যবসা করতে আসত।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: মুসলমানেরা এর পরের পর্ব থেকেই আসবে আশা করছি।

আমার কথা কিংবা (আপনার ভাষায়) মুসলমানদের প্রচার মানা না মানা আপনার নিজস্ব ব্যাপার; তবে আমি মতের ব্যাপারে গ্রহনযোগ্য যুক্তির বাইরে আর কিছুই বলবো না।:)

২১. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩৮
নাজনীন১ বলেছেন: "ক" জন্মাইলো খ্রিস্টপূর্ব ১০ বছর আগে,
"খ" জন্মাইলো খ্রিস্টপূর্ব ২০ বছর আগে।

তাহলে কে আগে জন্মাইলো? "খ" , "ক"-এর ১০ বছর আগে জন্মাইলো। হিসেব কি ভুল হইছে? 8-|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: দুঃখিত, দুঃখিত।:(
আমি ৪৬০ খৃষ্টপূর্বাব্দকে ভুলবশতঃ ৩৬০ খৃষ্টপূর্বাব্দ ধরে হিসেব করছিলাম। আসলে ওটা হবে "অ্যারিস্টটলের জন্মের ৭৬ বছর পূর্বে জন্ম নিয়ে ডেমোক্রিটাস(Democritus; ৪৬০-৩৭০ খৃষ্টপুর্বাব্দ)"......ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।:)

০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: Thanks, Bro...........

২৩. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৯
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: বরাবরের মত পড়লে + না দিয়ে উপায় নেই ;)
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: তৈলাক্ত হৈলাম!
:D

০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৮
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: তায়েফ ভাইরে তেল দিয়ে মাইর খায় আরকি ;) ;) সত্যি খুব ভালো লেগেছে। অফলাইনে থেকে বেশী পড়া হয় তাই আপনার শুধু নয় প্রায় সবার বেশীরভাগ পোস্টেই + - দিতে পারি না।অলস হওয়ার সবচেয়ে বড় লক্ষন।কি বলেন?
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: কিছুই বলার নাই!

;) ;)

২৬. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৫
দীপান্বিতা বলেছেন: পীথাগোরাসের(৫৭০-৪৯৫ খৃষ্টপূর্বাব্দ) উপপাদ্য(:|) ...প্রথম গণিতবিদ ...তিনি বিশ্বাস করতেন পৃথিবীর সকল কিছুর মূল হলো সংখ্যা।

‘নিজেকে জানো’ খ্যাত সক্রেটিস্‌(Socrates; ৪৬৯-৩৯৯ খৃষ্টপূর্বাব্দ)......তিনি এমন এক দার্শনিক চিন্তাধারা জন্ম দিয়েছেন যা দীর্ঘ ২০০০ বছর ধরে পশ্চিমা সংস্কৃতি, দর্শন ও সভ্যতাকে প্রবাবিত করেছে।
সক্রেটিস ছিলেন এক মহান সাধারণ শিক্ষক, যিনি কেবল শিষ্য গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানে বিশ্বাসী ছিলেননা। তার কোন নির্দিষ্ট শিক্ষায়তন ছিলনা। যেখানেই যাকে পেতেন তাকেই মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর বোঝানোর চেষ্টা করতেন।

তাঁর কোন লেখাই পাওয়া যায় না। শিষ্য প্লেটোর ডায়ালগ্‌স(Dialogues), সৈনিক জেনোফেনের(Xenophen) লেখা আর এরিস্টোফেনিসের নাটকসমূহের মাধ্যমেই তাঁর কাজ সম্পর্কে ধারনা লাভ করা যায়।
প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থা তাঁকে হেমলক বিষপানে মৃত্যুদন্ড দেয়।!

সক্রেটিসেরই সুযোগ্য ছাত্র প্লেটো(Plato; ৪২৮-৩৪৮ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। তিনি একাধারে দার্শনিক, যুক্তিবিদ, কাব্যবিশারদ এবং গণিতবিদ।
প্রাকৃতিক দর্শন, বিজ্ঞান এবং পাশ্চাত্য দর্শনের ভিত্তি অনেকটা তাঁর হাতেই গড়া।
তাঁর অনেক লেখাই পাওয়া যায়, যার মধ্যে রিপাবলিকের(The Republic) নাম না নিলেই নয়। আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার সূত্রপাত এখান হতেই শুরু হয়েছে ...

অ্যারিস্টটল(Aristotle;৩৮৪-৩২২ খৃষ্টপূর্বাব্দ)। বিজ্ঞানের জগতে এথেন্সের এই ব্যক্তির প্রভাব সুদুরপ্রসারী ......প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, সংগীত, কাব্য, নীতিশাস্ত্র, যুক্তিবিদ্যা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান সহ সমকালীন জ্ঞানের এমন কোন শাখা ছিল যেখানে তিনি অবাধে বিচরন করেন নি।

এছাড়া উল্লেখ্য-
অ্যারিস্টটলের জন্মের ৭৬ বছর পূর্বে জন্ম নিয়ে ডেমোক্রিটাস(Democritus; ৪৬০-৩৭০ খৃষ্টপুর্বাব্দ)
অ্যারিস্টটলের মৃত্যুর ১২ বছর পরে জন্ম নিয়ে অ্যারিস্টার্কাস(Aristarchus; ৩১০-২৩০ খৃষ্টপূর্বাব্দ)
ডেমোক্রিটাসের পদার্থের অবিভাজ্য এককের ধারনা এবং অ্যারিস্টার্কাসের সৌরকেন্দ্রিক পৃথিবীর ধারনা স্পষ্টতই অ্যারিস্টটলের তুলনায় আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক কাছাকাছি ছিল।
কিন্তু, দূর্ভাগ্য তাঁদের; কাজের স্বীকৃতি পেতে দেড় সহস্রাব্দ সময় লেগে গেল!

ইউক্লিড(Euclid) ...‘জ্যামিতির জনক’(Father of Geometry)

ইউরেকা! ইউরেকা! খ্যাত আর্কিমিডিস্‌(Archimedes; ২৮৭-২১২ খৃষ্টপূর্বাব্দ) ছিলেন একাধারে একজন গ্রিক গণিতবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, জ্যোতির্বিদ ও দার্শনিক।
পদার্থবিদ্যায় তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে রয়েছে স্থিতিবিদ্যা আর প্রবাহী স্থিতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন এবং লিভারের কার্যনীতির বিস্তারিত ব্যাখ্যাপ্রদান।
আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় তাঁর নকশাকৃত আক্রমণকারী জাহাজকে পানি থেকে তুলে ফেলার যন্ত্র বা পাশাপাশি রাখা একগুচ্ছ আয়নার সাহায্যে জাহাজে অগ্নিসংযোগের পদ্ধতি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে।
আর্কিমিডিসকে সাধারণত প্রাচীন যুগের সেরা এবং সর্বাকালের অন্যতম সেরা গণিতজ্ঞ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।তিনি পাই(∏) -এর প্রায় নিখুঁত একটি মান নির্নয় করেন।


এরপরে যেসব বিজ্ঞানী আসেন -
থিওফ্রাস্টাস্‌(Theophrastus; ৩৭১-২৮৭ খৃষ্টপূর্বাব্দ)-
প্লেটোর একাডেমীর ছাত্র থিওফ্রাস্টাস্‌ জীববিদ্যা, নীতিশাস্ত্র এবং ভাষাবিদ্যায় বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তিনি উদ্ভিদবিদ্যার জনক (Father of Botany) হিসেবে পরিচিত।

প্লিনী(Pliny the Elder; ২৩-৭৯ খৃষ্টাব্দ)-রোমান সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা প্লিনী ছিলেন প্রকৃতিবিদ এবং লেখক।

টলেমী(Claudius Ptolemaeus বা Ptolemy; ৯০- ১৬৮খৃষ্টাব্দ)-রোমান শাসনাধীন মিশরের বাসিন্দা টলেমী ছিলেন ভূগোলবিদ, জ্যোতির্বিদ, ও জ্যোতিষ। সূর্যকেন্দ্রিক পৃথিবীর ব্যাপারে তার ধারনা আধুনিক বিজ্ঞানে অনেক কাছাকছি ছিল।
এবং
গ্যালেনের(Claudius Galenus; ১২৯- ২১৭খৃষ্টাব্দ)- গ্যালেন ছিলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও দার্শনিক। শারীরবিদ্যার(Anatomy) ক্ষেত্রে তিনিই বিজ্ঞানের পথপ্রদর্শক।

হাইপেশিয়াকে(Hypatia; ৩৭০-৪১৫ খৃষ্টাব্দ) এই মিশরীয় গণিতবিদ ও দার্শনিক অসামান্য অবদান রেখেছেন। আলেকজান্দ্রিয়া মিউজিয়ামের পরিচালক এবং একজন বড় মাপের গনিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ থিওনের অনিন্দ্যসুন্দরী এই কন্যারত্ন ইউক্লিড, টলেমীসহ বিভিন্ন গণিতজ্ঞের কাজের উপরে আলোচনা রেখে অমর হয়ে আছেন।
(বিদুষী বিজ্ঞানী)


ভারতবর্ষের বিজ্ঞানী-

মহাবীর(৫৯৯-৫২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) -জৈন ধর্মের মূল ধারণাগুলোর প্রবর্তক। কিন্তু, ‘সিদ্ধান্ত’ গ্রন্থে ভারতীয় জ্যোতির্বিদ্যার ধারনা সংকলন তাঁকে অমরত্ব দিয়েছে।

আর্যভট্ট(৪৭৬ – ৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ভারতের প্রাচীন গণিতবিদদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত।...তার বিখ্যাত রচনার মধ্যে রয়েছে ‘আর্যভট্টম’ এবং ‘আর্যভট্ট-সিদ্ধান্ত’।
তাঁকেই শূণ্যের আবিস্কারকের মর্যাদা দেওয়া হয়।

বরাহমিহির(৫০৫-৫৮৭ খৃষ্টাব্দ) প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ এবং কবি।
তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞান ছাড়াও গণিতশাস্ত্র, পূর্তবিদ্যা, আবহবিদ্যা, এবং স্থাপত্যবিদ্যায় পণ্ডিত ছিলেন।
ভারতীয় পঞ্জিকার অন্যতম সংস্কারক ছিলেন তিনি।
পৃথিবীর আকার এবং আকৃতি সম্বন্ধে তার সঠিক ধারণা ছিল।

ব্রহ্মগুপ্ত (৫৯৮–৬৬৫ খৃষ্টাব্দ) ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর যার কাজে উল্লেখযোগ্য গাণিতিক অবদান রয়েছে, যেমন চতুর্ভুজের ক্ষেত্রফল এবং কিছু বিশেষ ধরণের ডায়োফ্যান্টাইন সমীকরণের সমাধান।
সম্ভবতঃ তাঁর কাজেই প্রথম শূন্য ও ঋনাত্মক সংখ্যার নিয়মিত ব্যবহার ঘটে।
ব্রহ্মগুপ্ত হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে উজ্জ্বয়িনীর জ্যোতিষ্ক পরিদর্শনকেন্দ্রের অধ্যক্ষ ছিলেন।
গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে তাঁর লেখাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল ‘ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত’।

ভাষ্করাচার্য (১১১৪-১১৮৫ খৃষ্টাব্দ) প্রাচীন ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিদ। পৃথিবীর ব্যাস প্রায় নির্ভূলভাবে গণনার প্রথম কৃতিত্ব তাঁর। তিনিই প্রথম ২২/৭ কে পাইয়ের মান হিসেবে প্রচার করেন।
(এটা কি!)

প্রাচীন চীনা বিজ্ঞান-“মূদ্রনশিল্প(Printing), গানপাউডার(Gunpowder) আর কম্পাস্‌(Compass)- (চীনের) এই তিনটি আবিষ্কার পৃথিবীর চেহারা পালটে দিয়েছিল।”-ফ্রান্সিস্‌ বেকন।

।...।।...।।...।
প্রথমটা একটু ভয় ভয় করলেও বেশ লাগলো কিন্তু পড়তে! :D

পরের পর্বের অপেক্ষা রইলো :)
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: এইবার তো মনে হচ্ছে, সত্যি সত্যি ট্যাক্স আরোপ করতে হবে!
:D:D:D

২৭. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫৬
জাতি জানতে চায় বলেছেন: পড়তে আছি! আগে কি এমন আছিলো যে এত কিছু আবিস্কার হইছিলো!!! |-) :-*
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: এই ব্যাপারে কবি নীরব!;)

২৮. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৫
নাজনীন১ বলেছেন: আরেকখান ভুল পাইছি,

রোমান শাসনাধীন মিশরের বাসিন্দা টলেমী ছিলেন ভূগোলবিদ, জ্যোতির্বিদ, ও জ্যোতিষ। "সূর্যকেন্দ্রিক" পৃথিবীর ব্যাপারে তার ধারনা আধুনিক বিজ্ঞানে অনেক কাছাকছি ছিল।

টলেমীর ধারণা ছিল জিওসেন্ট্রিক (পৃথিবীকেন্দ্রিক সূর্য), যেটা বাইবেলের সাথে মিল ছিলো। পরে যখন কোপার্নিকাস হেলিওসেন্ট্রিক মডেলের কথা বললেন, এরপর ব্রুনো, গ্যালিলিও.........করুণ পরিণতি।






[ পিঠে ছালা বান্ধি, তায়েফ ভাই এইবার আমারে মাইর লাগাইতে পারে। ;)]
০৯ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: না! না! কী বলছেন! ছালা বাঁধবেন কেন?
খুবই ভাল করেছেন। এত সাবধানতার পরেও এমন মারাত্মক ভুল ক্ষমার অযোগ্য। তবে, ব্লগে লেখা দেয়ার এটাও একটা কারন ছিল যে, ভুলগুলো সংশোধন হয়ে যাক। পরেরবার আরো সাবধান থাকার অনুপ্রেরনা পেলাম। ঐ বাক্যটি বাদ দিয়ে ঠিক করে দিয়েছি।
আপনাকে অন্তরের অন্তঃস্থল হতে ধন্যবাদ।:)

২৯. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:২৬
হিমু ব্রাউন বলেছেন: হুমমমমম।ভালো লাগছে...................চলুক।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

৩০. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১০
ব্যতিক্রমী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এই পরীশ্রমী পোস্টের জন্য। স্যালুট!!!
১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সাথে থাকার জন্য।
স্যালুট এখনই দিয়ে দেয়াটা ঠিক হবে না!

৩১. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১১
চতুষ্কোণ বলেছেন: খুবই ভালো হচ্ছে। চলুক.....
১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: চতুর্থ পর্ব চলে এসেছে। :D :D

৩২. ১০ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৪০
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: তায়েফ ভাই, আপনার লেখাটি ভালো হচ্ছে- ভালো লাগছে। অনেক কিছু জানছি। তবে-

১. জ্ঞান-বিজ্ঞানের মাঝে ধর্ম টানা কেন? জ্ঞান হলো নিরপেক্ষ, ধর্ম একমুখী কিংবা বহুমুখী। আপনি মুসলমানদের অবদান স্মরণ করছেন কিন্তু অন্য ধর্মের লোকজনকে নিয়ে লিখুন (শুধু কোটেশন বা নামোল্লেখ নয়)।

২. মুসলমানদের কি অন্য ধর্মানুসারীদের জ্ঞান নেয়া উচিত? হ্যাঁ হলে কেন? না হলে কেন? অন্য পক্ষের জ্ঞান প্রয়োজনে ব্যবহার করা গেলে জ্ঞানের মাঝে ধর্ম টানার মাজেজা কী?

৩. জানি, আমি ছোটবেলায় পড়েছি জ্ঞানবিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান নিয়ে। কিন্তু আজকে তারা অবদান রাখতে পারছে না কেন? সেটা নিয়ে লেখেন। অতীত অস্বীকার করার নয়, বরং পায়ের তলায় মাটি যোগায়। কিন্তু পায়ের তলায় মাটি রেখে এগিয়ে যাওয়ার রসদ যোগান, কী কী করলে তারা জ্ঞান-বিজ্ঞানে আরো অবদান রাখতে পারবে সেটা সম্পর্কে বলেন।

========================

১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আশরাফ ভাই। আপনার প্রশ্নগুলো খুবই যৌক্তিক।
ইতবে, আমার মনে হয়, এই সিরিজের প্রথম পর্বটা পড়লে আপনার এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেয়ে যেতেন!:)
সেখানে, আমি বলেছিলাম, মূল লেখায় যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা থাকবে সেগুলো হলোঃ

- বিজ্ঞানের সংজ্ঞা এবং এর উৎপত্তি
- মুসলমানদের উদ্ভবের আগমূহুর্তে মানবসভ্যতায় বিজ্ঞানের অবস্থান
- মুসলমানদের হাতে আসার পর বিজ্ঞানের স্বরূপ
- বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতা সাধনে মুসলমানদের কৃতিত্ব এবং পৃথিবীর নেতৃত্ব
- বিজ্ঞানের জগতে মুসলমানদের মূল অবদান
- মুসলমানদের বিজ্ঞানে অবদানের পেছনে মূল চালিকা শক্তি
- বিজ্ঞানের জগতে মুসলমানদের পতন ও পতনের কারন
- বিজ্ঞানের মুসলমানদের অবদান বিস্মৃতির মূল কারন
- বিজ্ঞানের জগতে মুসলমানদের বর্তমান অবস্থা
এর সাথে ছোটখাট আরো কিছু সহ-আলোচনাও এসে যেতে পারে।

আর ধর্মীয় পরিচয় টেনে আনার কারন নিয়েও সেখানে মন্তব্যের ঘরে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে।:|

৩৩. ১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:৩৫
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:

ডায়োফ্যান্টাইন সমীকরণের কথা তো লেখায় এল। ডাইফ্যান্টাস হাইপেশিয়ার পূর্বসূরী গ্রীক গনিতবিদ। হাইপেশিয়া তার কাজের মূল্যায়ন করেন।

http://en.wikipedia.org/wiki/Diophantus

১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: হুমমম....তখন খেয়াল ছিল না, পরে মনে পড়েছে।:( ধন্যবাদ, লিংকের জন্য।

৩৪. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৯
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: ভালই লাগছে। এবং এর আগের পোস্টের তুলনায় আগাছা আরও কমছে... তবে সামনে কি হয় বলা যায় না.... :|
১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: সাথেই লেগে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
চতুর্থ পর্ব চলে এসেছে। পড়ার আমন্ত্রন রইল।:)

৩৫. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১২
শয়তান বলেছেন: নির্ভেজাল সত্যকে স্বীকৃতি দিতে বরাবরই কুন্ঠাহীন ছিলাম এবং থাকবো যতক্ষন না তাতে ঐশী ভেজাল মিশানো না হয় :)
১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: ঐশী ভেজাল? ভালই বলেছেন।:)
অযৌক্তিক কোন আলোচনাকে প্রশ্রয় না দেবার চেষ্টা থাকবে সবসময়।

৩৬. ১১ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৩
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন: আপনাকে এক্টন ধইন্যাপাতা সাথে এক্কান ওয়ান বিলিয়ন ডলারের জিম্বাবুয়ান নোট এই সিরিজ টার জন্য । খুব ভাল লাগতাসে । লিখে জান ।


ভাঙ্গন বলেছিলেন সক্রেটিস/ এরিস্টটলীয়-দর্শনের কোন প্রভাব ইসলামে রয়েছে কি না...আলোচনা চাই। কথাটা মনে হয় এমন হবেঃ সক্রেটিস/এরিস্টটলীয়-দর্শনে ইসলামের কোন প্রভাব রয়েছে কি না...আলোচনা চাই।
১২ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: সাথেই আছেন দেখে যুগপৎ আনন্দিত এবং সম্মানিত।

ভাঙ্গনের মন্তব্যের জবাব দিয়েছি আগেই। আবার বলছি, এই পোষ্টের আলোচনার স্বার্থে যতদুর আলোচনা করা যায়, ততদুর করার চেষ্টা করব।:)

৩৭. ১১ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৫
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: @শয়তান ভেজাল মিশাইতে থাকো , যতক্ষন না মাখনের মত গাদ থেইক্যা উইট্টা আহে আসল মাল, তার ততক্ষনে বাকিতা বাতিল হইয়া যাবে
১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: কথাটি আমি পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারি নি বলে, দুঃখিত।
:(

৩৮. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৮
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আর্কিমেডিস নিয়ে আমিও দুই লাইন লিখেছি।

Click This Link
১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: পড়েছি এবং কমেন্টিয়েছি.............:)

৩৯. ০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২৮
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আরেকটা আউটলাইন। ধন্যবাদ।

দাসপ্রথা প্রযুক্তি বিকাশের অন্তরায় (খারেজি এর মন্তব্য) এর আরেকটা উদাহরণ চোখে পড়েছিলো। এটা অবশ্য মধ্যযুগে, খুঁজেপেতে আমাদের উপমহাদেশে খুব বেশী প্রযুক্তি উদ্ভাবন দেখি নাই, ব্যাবহার ও না। পুরোটাই শ্রম ও হাত নির্ভর। সেক্ষেত্রে ইউরোপ বেল্টে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যাবহার, সম্ভব্ত শ্রম প্রাপ্তি কম বলেই। এক কপিকল/লিভার প্রযুক্তি দিয়েই যে পরিমান যন্ত্রপাতি বানিয়েছে ওরা, চমৎকার।
০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: আস্তে আস্তে হলেও পড়ছেন দেখে ভাল লাগছে।:)
দাসপ্রথা প্রযুক্তি বিকাশের অন্তরায় কীনা তা প্রশ্নসাপেক্ষ। ইউরপ বেল্টে প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপক হলেও, মনে রাখা উচিৎ দাসপ্রথার সবচেয়ে নিকৃষ্ট উদাহরণগুলোও আমরা ইউরোপ থেকেই সংগ্রহ করি!
পরের পর্বগুলোও পড়বেন- সেই আশায় আছি।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮০২৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঘুমাতে অত্যন্ত ভালোবাসি। আর ভালোবাসি পড়তে।
স্বপ্ন দেখি একটি স্বপ্নীল পৃথিবীর।
সত্যকে ভালোবাসি, হোক তা নিজের মতের বিপরীত।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই