ভাব্লাম, আজকেই না লিখলে আর লেখার ইচ্ছা নাও হতে পারে, তাই বাকী অংশ দিচ্ছি।
আগের অংশের লিঙ্ক
৪. ইয়ামাগুচি নামে সিভিলের এক প্রফেসর আছে। তার তত্ত্বাবধানে বাংগালী একজন মাস্টার্স করে গেলেন। উনার স্ত্রী আসার কথা দেশ থেকে। নারিতা থেকে সাইতামাতে ভাবীকে নিয়ে আসতে উনি যাবেন, এটাই স্বাভাবিক। ইয়ামাগুচির সাফ কথা, এই সামান্য কারণে সাপ্তাহিক সেমিনারে অংশগ্রহণ না করার অজুহাত দেয়া যাবেনা কিংবা অন্যদিনও সেমিনার করা যাবেনা। শুধুমাত্র এই কারণে টিকিট কনফার্ম করেও ভাবীর আসার তারিখ দুবার বদলাতে হল।
ইয়ামাগুচি যে কারো ডিফেন্সে অবধারিতভাবে যে কথাটা বলবে, তা হল
"What you did is simply meaningless!" যত ভালো কাজই হোক, তার মন ভরেনা।
এই ডায়লগটা এখন প্রবচন হয়ে গেছে আমাদের মাঝে।
৫. আরেক সুভা ঐতিহাসিক বজ্জাত। কোন ছাত্রের একটু ত্রুটি পেলেই ঝাড়িসমেত মেইল ল্যাবের সবাইকে ফরোয়ার্ড করবে।
৬. এবার বলি আমার বর মাসুমের সুভার কথা, মূলত যার অনুপ্রেরণাতেই
একটা পেপার একবছর ধরে লিখা হচ্ছে, কোথাও জমা দিতে দিচ্ছেনা সে। শুধু বলে আরো ইম্প্রুভ কর। আরে বেটা, একটা পেপার তো সারাজীবন ধরেই লিখে যায়, মান উন্নত করা যায়, তাই বলে কী কোথাও সাবমিট করা যাবেনা? ডিগ্রি দেয়ার প্রাক্কালে সে বলে, ভালোমানের জার্নাল পেপার ছাড়া তো ডিগ্রি দেবোনা, অথচ আড়াই বছরের অধিক কাল ধরে বলে আসছে, "পেপার আমার কাছে কোন বিষয় না। কাজটাই মুখ্য।" প্রতিবাদ করারও কোন উপায় নেই, এদের কাছে হাত পা বাঁধা
৭. জাপানে পিএইচডি করতে আসা একজন নাকি তার সুভার উপরে এতটাই বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ছিলো যে, দেশে ফিরে সে ওই লোকের নামে একটা কুকুর পোষা শুরু করে
আপাতত শেষ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

