আমার প্রিয় পোস্ট

সাব্বির ভাইয়ের জন্য আরো দশ লাখ টাকা দরকার। মানবতার দিকে তাকিয়ে আছি।

বড় হতে হতে আমরা কোথায় গিয়ে ঠেকেছি?

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৩

শেয়ারঃ
0 0 0

বেশ কিছুদিন ধরে একটা ভাবনা মাথায় ঘোঁট পাকাচ্ছে। লেখার তাগিদ অনুভব করিনি। সাম্প্রতিক একটা ঘটনায় ভাবনার সাথে সযতনে যোগসূত্র ঘটিয়ে এবং এরপর প্রাসংগিকতার সফল সম্ভাবনা দেখে ব্লগীয় ডায়েরিতে স্থান দিচ্ছি। পরম্পরা ভেঙ্গে ঘটনাটাই আগে বলি। সাইতামা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশী ছাত্রদের একটা সংগঠন আছে। এর ওয়েবসাইট থেকে আমার নাম এবং ইমেইল এড্রেস নিয়ে প্রায় বছরখানেক আগে জাপানের কোবে-তে থাকা একজন বাংলাদেশী মেয়ে সৌজন্য মেইল করেন। এরপর থেকে তার সাথে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কখনো দেখা না হলেও নিয়মিত কথা হয়। গত সোমবার তার বড়ভাইয়ের ব্যবসার কাজে টোকিও আসা উপলক্ষ্যে মেয়েটাও সাথে আসে এবং আমার অনুরোধে দু'জনেই আতিথেয়তা গ্রহণ করেন।

ভাইটি মধ্য ত্রিশের। সফল ব্যবসায়ী। দেশে থাকেন মাসের ১২/১৩ দিন। বাকিটা সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা ব্যবসার দেখভালে ঘুরে বেড়ান। আলাপে জানলাম তাঁর আজকের অবস্থানের পেছনে সংগ্রামের ইতিহাসটুকু। একশ্রেণীর মানুষ সফলতার তৃপ্তিজনক পর্যায়ে এসে নিজের দারিদ্র্যক্লিষ্ট, শীর্ণ অতীতের বর্ণনায় একধরণের সুখ পান। খুব স্বাভাবিক এবং পরিশীলিত একধরণের অনুভূতি। কালো পেছনটাকে স্মরণ করে সিঁড়ির ধাপ পেরুনোর দীপ্ত চলাটাকে উপভোগ করেন বলেই বারবার এ বিষয়টি তাঁরা নিজেদের সামনে আনেন। এ প্রবণতাতে আমি কোন দোষ দেখিনা। এ ভাইটিও খুব গর্বভরেই বললেন তাঁর পিওন বাবার কথা, স্নাতক পর্যায়ে পড়ার ব্যাপারে বাবার বাধা দেবার কথা, টিউশনি করে নিজের খরচ চালানোর লড়াইটুকুর কথা। বললেন, পাশ করে দ্বারে দ্বারে চাকরির জন্য ঘুরে কত অপমানের মুখোমুখি হয়েছেন সেসব কথা। প্রচণ্ড মানসিক শক্তি আর আত্মবিশ্বাসের জোরে প্রথম চাকুরির চ্যালেঞ্জটি কীভাবে গ্রহণ করেছিলেন, সেকথা। নানা ঘাট পেরিয়ে, চৌদ্দ বছরের পরিশ্রমে সম্পূর্ণ নিজের হাতে গড়া ব্যবসার বয়ান শুনছিলাম তাঁর মুখে।

জানলাম তাঁর ব্যবসার মূলধন আজ ছয়শ কোটি টাকা। একটু ধাক্কামতন খেলাম। এত ধনাঢ্য ব্যক্তি আমার বাসায় অতিথি হয়ে আসাতো দূরের কথা, আমি কখনো চোখেও দেখিনি। সামান্য সময়ের জন্য থাকার ইচ্ছে নিয়ে আসলেও আমাদের জোরাজুরিতে রাতটুকু থেকে গেলেন। দু'টো মানুষকে আমি গভীর মনোযোগে বুঝতে চাইলাম। আমার মুগ্ধতার জায়গাটুকু হলো তাদের একেবারে নিরহংকার জীবনবোধ। অবশ্যই এত অল্প চেনায়, অল্প সময়ে মানুষের ব্যক্তিত্ব নিয়ে উপসংহার টানা বোকামি হিসেবেই আখ্যায়িত হতে পারে। কিন্তু দৃশ্যত কোন উন্নাসিকতা আচরণে ধরা পড়লে আমার চোখ এড়াতোনা, এতটুকু আত্মবিশ্বাস আছে। চলনে, কথায়, মানসিকতায় বিত্ত-প্রতিপত্তির ন্যূনতম কোন ছাপ যাতে না পড়ে, এ বিষয়ে ভাই-বোন একধরণের বাড়তি সতর্কতায় ছিলেন যেন। খুব বড়লোকদের সম্পর্কে আমার অন্যরকম ধারণা ছিলো বলেই হয়ত বিস্ময়ের মাত্রাটাও একটু বেশি হয়ে গেছে। মানুষ হিসেবে সৌন্দর্য্য যে কয়টা আচরণে পরিস্ফূটিত হয়ে - বিনয় আর অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। এ দু'টো বিষয়কে কেউ যখন জীবনাচরণের সাথে মিলিয়ে নিতে পারে নিজের অবস্থান বিবেচনার পরেও, তখন তাকে আমি নিখাদ ভালোলাগাটুকু জানাতে কার্পণ্য করিনা।

এবার আমার ঘোঁট পাকানো ভাবনাটা নিয়ে বলি। মানুষ মাত্রেই হয়ত স্টেরিওটাইপিংটা চর্চা করে। এটা সীমাবদ্ধতা না স্বাভাবিকতা, দ্বিধায় পড়ে যাই। আমি যেখানে আছি গত তিন বছর ধরে সেখানে দেশের নানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের সাথে মেলামেশার সুযোগ হচ্ছে। আরো নির্দিষ্ট করে বললে, বিভিন্ন জেলার, বিভিন্ন আর্থসামাজিক অবস্থানের, বিভিন্ন মেধাস্তরের এবং যোগ্যতার। যেটা হতে দেখি, কারো সাথে পরিচয়ের শুরুতেই আমরা প্রথমে জানতে চাই তার বিশ্ববিদ্যালয় এবং এরপরেই তার জেলা। সাধারণত জেলাভিত্তিক কিছু বৈশিষ্ট্য দিয়ে আমরা ব্যক্তি মানুষকে নিরীক্ষণ করতে চাই। আর যোগ্যতার প্রশ্নে জানতে চাই তার শিক্ষাগত পরিমণ্ডলের কথা। আমি অবশ্যই কাউকে দোষারোপ করছিনা বা নিজেকেও এর বাইরে গণ্য করছিনা। শুধু ভাবতে চাইছি এ প্রবণতাটাকে আমরা চর্চা করবো কিনা। আমাদের উচ্চশিক্ষিত, আলোকিত মানুষ হয়ে ওঠার নিরন্তর ছুটে চলায় এ ভাবনাগুলো কালো ছায়া ফেলছে কিনা। বরিশাল, নোয়াখালীর একজন থেকে আমি অবশ্যই বেশী গ্রহণীয় এবং সদাচারী, এ কথা ভাবতে আমাদের তৃপ্তি হয়। ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে আসলেই আমরা একধরণের অহমিকায় ভুগি। বি.আই.টি. গুলোর DUET, CUET, RUET, KUET হয়ে BUET এর অনুকরণের এবং সমমানে আসার বেহায়াপনাকে আমরা টিপ্পনির বিষয়বস্তু করি। নিজের চেয়ে একটু কমমানের কোন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আমরা অবলীলায় কটু মন্তব্য ছুঁড়ে দেই। সে প্রতিষ্ঠানের একজনের চেয়ে আমি যে উপরের তলার, তা ভুলতে চাইনা। পাবলিক থেকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যে কতদিকে ছোট হয়ে আছে, এ ব্যাপারটা আমরা সময়, সুযোগমত একজনকে মনে করিয়ে দিতে ভুল করিনা। বিজ্ঞানের ছাত্ররা মানবিক শাখার পড়াশোনাকে 'কিছুই না' বলে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়। বড় শহরে বড় হওয়া, পড়াশোনা করা একজন মফস্বলের একজন সম্পর্কে শুরুতেই অবজ্ঞার ভাব এনে নিজেকে খানিক অভিজাত ভেবে সুখ পায়। চাকুরীজীবী একজন নারী পুরোপুরি গৃহিনী একজনকে প্রকাশ্য করুণার চোখে দেখেন।

নিজেকে বড় ভাবার এই প্রবৃত্তি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারেন মহামানবেরা। আমরা সকলেই জীবনের কোন না কোন ক্ষেত্রে নিজের অবস্থানের নিরীখে অহংকার আর অন্যকে আন্ডারেস্টিমেশনের শর্টকাট রাস্তায় চলে যাই। সেটা কি সমর্থনযোগ্য? আমার বিনয়ই কি সংজ্ঞায়িত করবেনা আমি আসলেই কতটা উপর তলার?

 

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৩
হমপগ্র বলেছেন: পরে পড়ব। আগে প্লাস দিয়ে গেলাম!
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: সমস্যা কী তোমার?

২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৯
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: শেষ লাইনটা ভাবাচ্ছে...
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: আমাকেও :(

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: আরে কীসের? (বিনয়ের ভাব ধরছি নিশ্চিত)

৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: আমাদের সমাজে বিনয়কে মনে করা হয় দুর্বলতার লক্ষণ। আর অবজ্ঞা তো আছেই পদে পদে। গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অনালোচিত দিকগুলোর কথা তুলে ধরায় প্লাস।

তবে ইয়ে মানে, (মিনমিনে কন্ঠের ইমোটিকন) এইসব দোষ আমারও এক-আধটু আছে।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: দোষ পরিহার করুন (চোরের মার বড় গলা-র ইমোটিকন)

৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আমরা বড় হতে পারিনা, আমাদের জানালাগুলো ক্রমশ ছোট হয়ে আসে ।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: little boxes....

৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: রাগিব ভাইয়ের একটা পোস্ট পড়ছিলাম...স্টেরিওটাইপ নিয়া...মানুষ মাত্রই এইটা করবে
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: উনার পোস্টটা অনেক ব্যাপক এবং চিন্তাপ্রসূত ছিলো। অনেকের মত আমার প্রিয়তেও আছে।

৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ঠিক বলছো খালা, আমাদেরই বিবেকই সংজ্ঞায়িত করে দিবে আমরা কতোটা উপরের।

তবে আশার কথা আমার পর্ববেক্ষণ অনুযায়ী এই ধরনের মানসিকতা আস্তে আস্তে কমছে।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: কমছে হয়তবা, না কমলেও আমরা প্রকাশভঙ্গিতে সচেতন হচ্ছি।

৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪১
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: ১০০% সত্যি।

আমারও বিলিওনিয়ার হইতাম ইচ্ছা করে। কিন্তু.....
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: হইতাম ফারিনা :(

৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৭
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: এটা সমর্থনযোগ্য না। কিন্তু আমাদের পারিপাশ্বিক, বাস্তবতা, জিনগত কিংবা প্রথাগত উপাদান অনেক বিরাট ভূমিকা পালন করে। মানুষ সর্বদাই যায় অন্যকে অবমনন করে নিজে উচ্চ হতে।

সুশিক্ষা এক্ষেত্রে নিরাময় স্বরূপ হতে পারে।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আপনাকে আসবাব ডাকতে আমার খুব ভালো লাগে, রাগ করবেননা প্লিজ :P

১০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আপনাকে-ও আমার পাজীন ডাকতে ভাল লাগে, রাগ করবেন না অনুগ্রহ করে। :P
১১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
কালপুরুষ বলেছেন: সাধারণ কোন বিষয়বস্তুকে অত্যন্ত চমৎকার ও চমকপ্রদভাবে উপস্থাপন করার দারুন মুন্সীয়ানা আছে বলেই তোমার লেখার ভীষণ ভক্ত আমি। সহজ, সরল ও সাবলীল ভাবে কোন কিছু বর্ণনা করা এবং তাতে রসবোধ জুড়ে দেয়া একজন ভাল লেখকের পক্ষেই সম্ভব। তুমি সেই বিচারে অনেক এগিয়ে। এই লেখাটাও খুব ভাল লাগলো।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো। আর সেই সাথে ভাল থাকার প্রার্থনাতো রইলোই।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ দাদা। ভালো থাকবেন।

১২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৪
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ফালতু কথা বলতে বলতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিই হারিয়ে যাচ্ছে। সেটা হচ্ছে- আপনার লেখার বিল বিষয়ে। এ ব্যাপারে তো কোনো গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে আসা গেল না। মাসুম ভাই কী সুন্দর পাশ কাটিয়ে গেলেন। যেচে পড়ে 'উপকার' করতে গিয়ে আর কতো অপমান ও বঞ্চনার শিকার হতে হবে আমাদের??
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: কী আর করবেন বলেন? 'উপকার' ব্যাপারটাই এমন। এজন্য সবাই তো এসব দায়িত্বও নিতে পারেনা। আমি আপনার সাথে আছি। জয় আপনার হবেই।

১৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১০
আরিফ জেবতিক বলেছেন: ছয়শ কোটী টাকা চৌদ্দ বছরে !!

কামেল লোক । কামেল লোকরা ব্যতিক্রম , তাই না ?

পোস্টটি ভালো লেগেছে ।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: ব্যতিক্রমী মনোভাব নাড়া দিয়ে যায় বলেই আমরা স্বাভাবিক দিনযাপনে এখনো মানুষের উপর মুগ্ধ হওয়ার উপলক্ষ্য পেয়ে থাকি। ধন্যবাদ আরিফ ভাই।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: সেটাই...

১৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: প্রিয় গল্পকার শাহাদুজ্জামানের একটা বই আছে, একটি হাসপাতাল, কয়েকটি ভাংগা হাড় এবং একজন নৃবিজ্ঞানী; বইটার অনেকটাই তাঁর পি,এইচ,ডি'র অভিসন্দর্ভ ।সেখানে লেখা এক নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানীর বাংলাদেশের মানুষ পর্যবেক্ষন হলো, বাংলাদেশের মানুষরা সবসময় তুলনা করতে ভালোবাসে বসবাস করে।কারো তুলনায় তার সম্পদ কতো, তাদের সামাজিক কিংবা শিক্ষাগত অবস্থান কেমন আর কিছু না হলে ও অন্তত অন্যের উচ্চতা, গায়ের বর্ণ ইত্যাকার বিষয় নিয়ে তুলনা করতে ভালোবাসে।

এখান থেকে বের হওয়া কি সম্ভব ?জাতীয় চরিত্র বলে কথা।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: সুশিক্ষার মাধ্যমেই আশা করি সম্ভব। ভালো থাকবেন

১৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৯
মিছে মন্ডল বলেছেন: কারো কারো কাছে Sky is the limit.....আমার কাছে I want to touch the Sky....
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: টাকা পয়সার ব্যাপারে বললেন নাকি?

১৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪১
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: আপু, ক্লাস ডিফারেন্সটা তৈরি করে আমরা আসলে নিজের অবস্থান টিকে সুযোগ টিকে নিরুপদ্রব করতে চাই। কে জানে আমাদের সুযোগ সুবিধাগুলো সীমিত বলে হয়ত আমরা এরকম, অথবা আমাদের মানসিক গঠনটাই এরকম। ঠিক নিশ্চিত নই।

সব্বাই সব্বাই। এটা অঞ্চলগত শিক্ষাগত অনেকরকম।



--- পোস্ট টা পড়ে বিশাল একটা কমেন্ট লিখলাম, > ৪৫০ শব্দের । এখন আর দিতে ইচ্ছা করছে না। ব্যাপক ক্লান্ত, প্রতিক্রিয়ামূলক তর্ক এ এখন আগ্রহী নই বলে।

মেইলে পাঠাবো।

দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আঞ্চলিক সাম্প্রদায়িকতা, প্রতিষ্ঠানগত সাম্প্রদায়িকতা সবটাতেই ভুগতে হয়েছে আমাকে। ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার শিকার হইনাই, এইটুকুই যা।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: তোর মেইল ত এখনো হস্তগত হইলোনা।

১৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৩
-রোমেল- বলেছেন: বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জানার পর কলেজ ও স্কুলের নামও জানতে চান অনেকে । মনঃপুত না হলে চোখের ভাষায় তাচ্ছিল্যের ঝড় বইয়ে দিতে কসুর করেন না । এমন অসুস্থ মানসিকতা সম্পন্ন মানুষগুলোর জন্য করুণা হয় আমার । [B]অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন একজন সুশিক্ষিত এবং ভালো মানুষ হওয়ার প্রথম শর্ত ।[/B]
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন।

১৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

সচলে এরকম একটি লেখা পড়েছিলাম। কার তা আর এখন মনে নাই। শিমুলের মনে থাকতে পারে।

দেশের বাইরের বাঙালিদের নিয়ে আমার দুধরণের অনুভূতি হয়। একটা পজেটিভ,অন্যটা তার বিপরীত।

বাংলাদেশে টাটা র বিনিয়োগ নিয়ে বিএনপি আমলে জনৈক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাঙালি কলাম লেখকের সাথে আমার একটা "কলামিক বাহাস" হয়েছিল।

সে সময় এনআরবি দের নিয়ে কিছু অপ্রিয় কথাও উঠেছিল। তার পর পরই
ওরা অস্ট্রেলিয়ায় যে বাঙলা একাডেমি আছে আমাকে তার সদস্য করেছিল।

আপনার লেখাটা পড়ে কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক আবার কিছুটা প্রাসঙ্গিক ভাবে কথাগুলো মনে পড়ল।

পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: আমি যদিও প্রাসঙ্গিকতা ঠিক ধরতে পারলামনা, তবুও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৯
লুকার বলেছেন:

বেশ লিখেছেন।
কিন্তু গল্পটাতো শেষ করলেন না!
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: গল্প পরেও করা যাবে!

২১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪
কিউরিয়াস বলেছেন: লেখাটা ভাল লাগলো।
আমি শুধু আরেকটা দিকের ওপর আলোকপাত করতে চাই--এই যে আমাদের "অহংবোধ"টা, এটা কিন্তু আমাদের মানসিক সুস্থতার জন্যই দরকার। নিজেকে আরেকজন থেকে বেশি ভাল মনে করা, নিজের পজিশন নিয়ে গোপোনে সুখ, আর "তার থেকে ত আমি ভাল আছি!!" এই চিন্তাটা মানুষকে একটা স্ট্যাবিলিটি দেয়, আর যেটা করে, তা হচ্ছে নিজেকে নিজের কাছে ডিফাইন করতে সাহায্য করে, এই জটিল মানব সমাজে "আমি কি? আমি কতটুকু?" এই জাতীয় আত্মপরিচয় তৈরি করতে সাহায্য করে।
আর মহামানবদের সম্পর্কে যেটা বললেন, পুরোপুরি একমত নই। মহামানবরা নিজেকে বড় ভাবেননা তা নয়, বরং তারা জানেন, আপাতদৃষ্টিতে ক্ষুদ্র মনে হওয়া মানুষটাও কি অপার সম্ভাবনা রাখে মানব সমাজের মিথষ্ক্রিয়ায়।
সো আমার মনে হয় অহংবোধ থাকবেই, অবশ্য আমরা তর্ক করতে পারি এই জিনিসটা নিয়ে যে, ঠিক কোন বিষয়-গুলো নিয়ে আমাদের অহংবোধ থাকা উচিত, আর কোনগুলো নিয়ে উচিত না।
ধন্যবাদ।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: অহংবোধের পজিটিভ দিকগুলো নিয়ে আপনার মূল্যায়ন ভালো লেগেছে। তবে সেটা যদি প্রকাশ্যে বা একজনের আড়ালে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের দুর্বল একটা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তার কদর্য রূপটা বীভৎস মনে হয় আমার কাছে।

২২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৯
~টক্স~ বলেছেন: এমন আত্ম-অহংকার দেখানোর আসলেই কিছু নেই। সাদাসিধা - অহংকারহীন মানুষকে আমার সবসময়েই ভাল লাগে। গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে আলোকপাত করেছেন আপুনি। ভাল লাগল অবশ্যই।
আপনি ভাল আছেন তো ?
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: আছি রে ভালো। ধন্যবাদ।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: */%&

২৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
সুদীপ্ত বলেছেন: নিজে যদি ভালো অবস্থানে থাকি তাহলে সেটা আমার মনে গোপন একটা অহং এর সৃষ্টি করবেই। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমি যখন সেটা ঔদ্ধত্য দেখাবার জন্য প্রকাশ করব তখনই আমার অর্জন কিছুটা হলেও খাটো হয়ে যায়।

লেখাটি ভালো লাগল।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার কথাটা ভালো লেগেছে।

২৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: লেখাটা ভালো লেগেছে আপু।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: ভালো থেকো সিজার।

২৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
হমপগ্র বলেছেন: আপু রাগ করলেন নাকি? আমার তখন সময় ছিল না বলে পড়িনি।

পড়ে ভালো লাগল। নিজেকে অনেক উপরে ভাবার মনবৃত্তি থেকে বেড়িয়ে আসতে হয়। নাহলে আসলে অনেক মানুষকে চিন্তে পারা যায় না।

শুভকামনা!
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: আরে পাগল নাকি তুমি? রাগ করবো কেন? এমনি দুষ্টুমি করেছি। আমার রাগ টাগ একটু কমই আছে।

২৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: বসতি আবার উঠবে গড়ে
আকাশ আলোয় উঠবে ভরে,
জীর্ণ মতবাদ সব ইতিহাস হবে
পৃথিবী আবার শান্ত হবে।
একদিন ঝড় থেমে যাবে,
পৃথিবী আবার শান্ত হবে

...
একঘেয়ে একটা অভ্যাসে তাই .. গান গেয়ে স্বপ্ন দেখে যাই
প্রশ্নেরা শুধু কবে ? .. পৃথিবী আবার শান্ত হবে


.... অনেক দিন পর গানটা আবার শুনলাম .. পুরোনো দিনের গান ..

পোষ্ট টা চিন্তাশীল .. আগে ক্লাস সিষ্টেম ছিল "বামুন , কয়েত , বৈশ্য ,শুদ্র " ... একই জিনিষ এখোনো রয়েছে ... "নতুন বোতলে পুরান মাল "

সবার মধ্যেই এটা রয়েছে .. আমরা কেউ এটা থেকে মুক্ত না ..।

মানুষের স্বভাবই এটা ... শুধু বাংগালীদের দোষ ধরলে ভুল হবে ..

এই প্রসংগে আবার মনে পড়ল .. আমাদের মতো আত্নসমালোচনাকারী জাতিও মনে হয় কম আছে ..
এটাও মন্দ না :)
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: আমাদের আত্মসমালোচনাকারী জাতি বলেন? উমম কীভাবে?

২৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০১
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম ... +
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: কী জানলেন বুঝলামনা :(

৩০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১১
মদন বলেছেন: ভালো লাগলো...
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৯
সাইফুর বলেছেন: সরল কথা ..ভালো লাগছে
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাছিম।

৩২. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯
পারভেজ বলেছেন: বিনয়, সরলতা, অকৃত্রিমতা।
তার সাথে সততা।
আমার মনে হয় মানুষের নিজেকে যাচাই করার জন্য কিংবা অবস্থান বুঝার জন্য এ কয়টা বিষয় জরুরী।
লেখাটা ভালো লাগলো।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: যথার্থ। শুভকামনা।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: কেন?

৩৪. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২৪
দূরন্ত বলেছেন: ভালো লাগলো।
ব্যবহারে বংশের পরিচয়.... :)
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: ডলফিনের কীসে বংশের পরিচয়? :P

৩৫. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩০
সামান্তা বলেছেন: দূরন্ত বলেছেন: ভালো লাগলো।
ব্যবহারে বংশের পরিচয়.... :)
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: :P

৩৬. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
জেরী বলেছেন: শেষেরটুকুতে অনেক কিছু ভাবার আছে......ভালো বলেছেন আপু।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

৩৭. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: কিছু বলার নাই । এই ব্লগেই কতজনরে দেখি হেভি ফুটানি .. তাগোরে কিছু কইলেও আবার সমস্যা .. শিল্পপতি বইলা কথা
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৩৮. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১
সত্যের মত বদমাশ বলেছেন: মিশ্র প্রতিক্রিয়া!!!!!
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: শুনতে চাই।

৩৯. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩০
ফেরারী পাখি বলেছেন: অমর্ত্য সেন নোবেল পাবার পর বাংলাদেশে এলেন। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য তাঁর সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন। বাংলা ইংরেজী মিলিয়ে তিনি নানান ধরণের প্রশ্ন করছিলেন, অমর্ত্যকে।
অমর্ত্য খুব বিনয়ের সাথে একটা ইংরেজী শব্দ না মিলিয়ে এত সহজ এবং পরিশীলিত বাংলা ভাষায় উত্তর দিচ্ছিলেন যে, আমার মত মূর্খেরও বুঝতে কোন অসুবিধা হচ্ছিল না।
এক পর্যায়ে দেবপ্রিয় বল্লেন, "বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছু বলুন।" অমর্ত্য বিনয়ের সাথে বল্লেন, "আমি বাংলাদেশের অর্থনীতির সাথে বিচ্ছিন্ন প্রায় ২০ বছর। এখন হঠাৎ করে তিন ঘন্টা প্লেনে চেপে এসে, এত অল্প সময়ের দেখা বাংলাদেশ নিয়ে একটা জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা দিয়ে ফেলবো, এত বড় বুকের পাটা আমার নেই। আর এই যে আমার বুকের পাটা নেই সেটার জন্য আমি গর্বিত।"
তিনি আরও বলেছিলেন, বিনয় ছাড়া কখনও শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না।

এই যে,আমরা যারা অহন্কার করি, আমরা কি আসলেই শিক্ষিত?
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: না, শিক্ষিত না। অপশিক্ষিত। আপনাকে অনেকদিন পর দেখলাম।

আমি চাবি হারা কলংকিনী :(.....আমার কী হবে গো? আপডেট আছে কিছু?

৪০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
মানুষ বলেছেন: ক্ষুদ্র কায়া, শীর্ণ সে প্রাণ, তবু আছে আমিত্ব। কি করব, উপায় নাই গোলাম হোসেন।
৪১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৮
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: "মানুষ হিসেবে সৌন্দর্য্য যে কয়টা আচরণে পরিস্ফূটিত হয়ে - বিনয় আর অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। এ দু'টো বিষয়কে কেউ যখন জীবনাচরণের সাথে মিলিয়ে নিতে পারে নিজের অবস্থান বিবেচনার পরেও, তখন তাকে আমি নিখাদ ভালোলাগাটুকু জানাতে কার্পণ্য করিনা।"

অসাধারন লেখা বা উপলব্ধি!!!
৪২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: হুম মানে লেখা পড়সি,ভালোও লাগসে কিন্তু সেইটার সাথে তাল মিলায়া ভালো কোন কথা তখন মাথায় আসে নাই:(
৪৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৯
স্বজন বলেছেন: সরল ভাবে বললে এই বিনয় টুকু আছে বলেই ইনি এত এত সফল। অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা আর বিনয় মানুষকে মানবিক পরিপুর্ণতা দান করে।
আপনার উপলব্ধি অসাধারন।
৪৫. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: সব মানুষের মধ্যেই নানা রূপ থাকে। যিনি আমার কাছে বিনয়ী তিনি হয়তো আরেকজনের কাছে অহংকারী হিসাবে ধরা দেন। তবে যাদের বোধ বুদ্ধি ভাল তারা ভাল ফেইসটাই চর্চা করেন। আমি অনেককে দেখেছি একজনের সাথে একরকম, আরেকজনের সাথে অন্যরকম। ব্যতিক্রম তো আছেনই।

এই বার গুরুত্বপূর্ণ কথা: ইয়ে মানে আপনারা যারা বিদেশ থাকেন, ডলার-পাউন্ড-ইয়েন কামান, তাদের সামান্য টাকার প্রতি নজর দেওয়া কি ঠিক?
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: ইয়েন কামাই, টাকা তো কামাই না। নিজের দেশের কারেন্সি তে যত কমই হোক না কেন, কামানোর একটা মজা আছেনা? :-P

৪৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১০
সহেলী বলেছেন: ধন্যবাদ এমন একটা লেখা দেওয়াতে । শুভেচ্ছা ।
৪৭. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১১
রুখসানা তাজীন বলেছেন: মানুষ, ঝড়, ফারহান, স্বজন, তারিক ভাই, সহেলী আপু - ধন্যবাদ সবাইকে পড়ার জন্য।
৪৮. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১০
শিমুল সালাহ্উদ্দিন বলেছেন: চমৎকার। শুভকামনা আপনাকে। সহমত।


আমার দেয়ালে আমন্ত্রণ।
৪৯. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১০
শিমুল সালাহ্উদ্দিন বলেছেন: চমৎকার। শুভকামনা আপনাকে। সহমত। +


আমার দেয়ালে আমন্ত্রণ।
৫০. ২৫ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬
মে ঘ দূ ত বলেছেন: অনেক পছন্দের লেখাটা।

আবার পড়তে এসে লেখককে আমার প্রণতি জানিয়ে গেলুম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১২১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বসতি আবার উঠবে গড়ে
আকাশ আলোয় উঠবে ভরে,
জীর্ণ মতবাদ সব ইতিহাস হবে
পৃথিবী আবার শান্ত হবে।
একদিন ঝড় থেমে যাবে,
পৃথিবী আবার শান্ত হবে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ