আমার প্রিয় পোস্ট
- ছবি ব্লগঃ পুরাতন প্রাণের টানে - আহমেদ রাকিব
- নিঃসঙ্গ মুসাফিরের জিন্দা গান - ইমন জুবায়ের
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- আবেগীয় শিক্ষা - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন জীবনের প্রথম পাঁচটি বছর - সীমন্ত ইসলাম
- রিভিঊঃ পিঙ্ক ফ্লয়েডের “দ্য ওয়াল” অ্যালবাম -পিঙ্কের বিদ্রোহী বোধসত্ত্বার প্রতিক - ফাহাদ চৌধুরী
- আসুন আপনাদের এক স্বপ্ন বাস্তবানের গল্প শোনাই। মিশন রংপুর !! ( দুঃস্থদের ভিতর শীতবস্ত্র বিতরণ )--- ছবিসহ সর্বশেষ আপডেট। - নিশ্চুপ নিরবতা
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- বাংলা ব্লগদিবসঃ টিভি নিউজের ক্লিপ দেখুন... - মুনশিয়ানা
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- ফিরে দেখা ২০০৯ : সামহোয়্যার ইন...ব্লগে বছরের আলোচিত ১১ - ফিউশন ফাইভ
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- নাস্তিকতার তাসের ঘর চুরমার করে দেরে তৌহিদী দল - নূরুল্লাহ তারীফ
- সামহোয়্যারইন ব্লগে আমার তিনটি বছর - সাঈফ শেরিফ
- মুসলিমদেরকে কোরআনের মত স্মার্ট হতে হবে - একলা একজন
- শপথ : প্রথম আলোর তাবৎ ভন্ডামিকে 'না' ! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- বরষা বন্দনা - ফেরারী পাখি
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- বহুব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় কিছু শব্দের শুদ্ধ বানান - জোবাইর
- আদ্যোপান্ত নচিকেতাঃ একটি তথ্যমূলক পোষ্ট। - জয় সরকার
- একজন গৌতম রায়, একজন রুবেল আর একটা পাঠশালা - প্রাথমিক শিক্ষা পদ্ধতি উন্নয়নের স্বপ্ন দেখায় - কৌশিক
- আমাদের কথাসাহিত্য আঞ্চলিক ভাষা - আকাশভরাতারা
- ভাবতে হবে শিক্ষার গুণগত মানের কথাও - গৌতম রায়
- একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা.. - মেঘবাজি
- ভীতু বাঙালির বাইরেও দাঁড়ানোর মানুষ আছে! - ফিউশন ফাইভ
- বসন্তদিন-৩৮ - বরুণা
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- আমার এ ছোটো মেয়ে - জীবনানন্দ দাশ (সকল ফিলিস্তিনী বাবাকে) - পিচ্চি
- মুভি: হোটেল রুয়ান্ডা...ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ! - দারাশিকো
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- অশউইৎস- বিরকেনিঊ, নাজী কনসেনস্ট্রেশান গ্যাস চেম্বারের গনহত্যা, আমাদের বিষণ্ণ যাত্রা... - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- পুষ্প-কন্যা : তুমি কোন কাননের ফুল ... - আইরিন সুলতানা
- ফ্রী সফটওয়্যার দরকার আপনার ?? - নিঃসঙ্গ
- এসো গান শিখি ... - আইরিন সুলতানা
- নৃশংসতা আর নির্মমতার এই তান্ডবের অবসান চাই! - মানবী
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- কয়েকজন ব্লগারের নিজস্ব স্টাইলের ঈদ শুভেচ্ছা




- কঁাকন
- মাঝিপাড়ার শিশুদের স্কুলের স্বপ্ন বাস্তবায়ন - আজমান আন্দালিব
- ইউটিউবে আপনারা কি মাস্টারপিস সিনেমাগুলো দেখেন? - ফাহমিদুল হক
- রুবিকস কিউব (শেষ পর্ব ) : রুবিকস সমাধানের আরও কিছু কৌশল... - গণিত পাগল
- 'নুনু কাটা' অনুষ্ঠানের জমকালো আয়োজন এবং বাঙ্গালী মুসলিম সংস্কৃতিতে পুরুষতন্ত্রের ধারাবাহিকতা. - মুনীর উদ্দীন শামীম
- রিলাক্সেশন টেকনিক - আহমেদ হেলাল ছোটন
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- চাচামিঞার জাবর কাটা!! - চাচামিঞা
- প্রসঙ্গ: পাবলিক বনাম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় - বিবর্তনবাদী
আহা!!!
- এম্নিতেই
- অবরুদ্ধ সময়ের গল্প- - রাসেল ( ........)
- বিশ্ব শান্তি! কে কবে দেখেছিল? - আব্দুন নূর তুষার
- গল্পঃ শহরে শিউলী-ভোর যে কারনে ফিরে আসে - মোস্তাফিজ রিপন
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- বাংলাদেশের কিছু সুন্দর জায়গার ছবি... - গিফার
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- স্মৃতির ভেতরে দগদগে ক্ষত নিয়ে ঘুরি - রাসেল ( ........)
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- যে রাতটি আমার নির্ঘুম কাটে - সামী মিয়াদাদ
- আমার মৃত্যুগাথা . . . - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- শাশ্বত-র জন্য বসুন্ধরায়ঃ আয়নায় নিজের মুখ - সুনীল সমুদ্র
- রান্নার কিছু প্রয়োজনীয় টুকিটাকি তথ্য - জরিণা
- মহাকবি মাইকেল মেহদী সকাশে শুক্রবারের আড্ডা - কৌশিক
- বিবাহ সমাচার (শেষ পর্ব)...উৎসর্গ ড়াশু ও বিমা ভাই - তামিম ইরফান
- English Songs কালেকশন ()()()()() যারা ইংরেজী গান পছন্দ করেন তাদের জন্য.. - নতুন
- ছায়াজীবি - কালপুরুষ
- ভাগ্যিস তুমি আকাশ চাওনি !! - সবাক
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- স্মার্টনেসের সংজ্ঞা ও আমাদের প্রচলিত ব্যাখ্যা - হুমায়রা ফেরেদৌস তানিয়া
- স্টেরিওটাইপের কথকতা - রাগিব
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- ইয়াহুর হিডেন ইমোটিকন!!! - তাজুল ইসলাম মুন্না
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- গল্পঃ ফুলার রোড - মোস্তাফিজ রিপন
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- নবীনদের জন্য - নাদান
- বই পড়তে চাই, নাম দিন প্লীজ! - সন্ধ্যাবাতি
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- কবিতার ভাংগা-গড়া (রিপোস্ট করা হলো,অনুরোধে)/বিহংগ - বিহংগ
- কবিতার প্রাথমিক ছন্দ - শেখ জলিল
- আমার প্রিয় পোস্টের লিঙ্ক - মুকুল
- স্মৃতি হাতড়ে......পড়া বইয়ের তালিকা...... - আশেক ইব্রাহীম
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
- আমার প্রিয় চলচিত্র....... - আশেক ইব্রাহীম
সাব্বির ভাইয়ের জন্য আরো দশ লাখ টাকা দরকার। মানবতার দিকে তাকিয়ে আছি।

বড় হতে হতে আমরা কোথায় গিয়ে ঠেকেছি?
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৩
বেশ কিছুদিন ধরে একটা ভাবনা মাথায় ঘোঁট পাকাচ্ছে। লেখার তাগিদ অনুভব করিনি। সাম্প্রতিক একটা ঘটনায় ভাবনার সাথে সযতনে যোগসূত্র ঘটিয়ে এবং এরপর প্রাসংগিকতার সফল সম্ভাবনা দেখে ব্লগীয় ডায়েরিতে স্থান দিচ্ছি। পরম্পরা ভেঙ্গে ঘটনাটাই আগে বলি। সাইতামা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশী ছাত্রদের একটা সংগঠন আছে। এর ওয়েবসাইট থেকে আমার নাম এবং ইমেইল এড্রেস নিয়ে প্রায় বছরখানেক আগে জাপানের কোবে-তে থাকা একজন বাংলাদেশী মেয়ে সৌজন্য মেইল করেন। এরপর থেকে তার সাথে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কখনো দেখা না হলেও নিয়মিত কথা হয়। গত সোমবার তার বড়ভাইয়ের ব্যবসার কাজে টোকিও আসা উপলক্ষ্যে মেয়েটাও সাথে আসে এবং আমার অনুরোধে দু'জনেই আতিথেয়তা গ্রহণ করেন।
ভাইটি মধ্য ত্রিশের। সফল ব্যবসায়ী। দেশে থাকেন মাসের ১২/১৩ দিন। বাকিটা সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা ব্যবসার দেখভালে ঘুরে বেড়ান। আলাপে জানলাম তাঁর আজকের অবস্থানের পেছনে সংগ্রামের ইতিহাসটুকু। একশ্রেণীর মানুষ সফলতার তৃপ্তিজনক পর্যায়ে এসে নিজের দারিদ্র্যক্লিষ্ট, শীর্ণ অতীতের বর্ণনায় একধরণের সুখ পান। খুব স্বাভাবিক এবং পরিশীলিত একধরণের অনুভূতি। কালো পেছনটাকে স্মরণ করে সিঁড়ির ধাপ পেরুনোর দীপ্ত চলাটাকে উপভোগ করেন বলেই বারবার এ বিষয়টি তাঁরা নিজেদের সামনে আনেন। এ প্রবণতাতে আমি কোন দোষ দেখিনা। এ ভাইটিও খুব গর্বভরেই বললেন তাঁর পিওন বাবার কথা, স্নাতক পর্যায়ে পড়ার ব্যাপারে বাবার বাধা দেবার কথা, টিউশনি করে নিজের খরচ চালানোর লড়াইটুকুর কথা। বললেন, পাশ করে দ্বারে দ্বারে চাকরির জন্য ঘুরে কত অপমানের মুখোমুখি হয়েছেন সেসব কথা। প্রচণ্ড মানসিক শক্তি আর আত্মবিশ্বাসের জোরে প্রথম চাকুরির চ্যালেঞ্জটি কীভাবে গ্রহণ করেছিলেন, সেকথা। নানা ঘাট পেরিয়ে, চৌদ্দ বছরের পরিশ্রমে সম্পূর্ণ নিজের হাতে গড়া ব্যবসার বয়ান শুনছিলাম তাঁর মুখে।
জানলাম তাঁর ব্যবসার মূলধন আজ ছয়শ কোটি টাকা। একটু ধাক্কামতন খেলাম। এত ধনাঢ্য ব্যক্তি আমার বাসায় অতিথি হয়ে আসাতো দূরের কথা, আমি কখনো চোখেও দেখিনি। সামান্য সময়ের জন্য থাকার ইচ্ছে নিয়ে আসলেও আমাদের জোরাজুরিতে রাতটুকু থেকে গেলেন। দু'টো মানুষকে আমি গভীর মনোযোগে বুঝতে চাইলাম। আমার মুগ্ধতার জায়গাটুকু হলো তাদের একেবারে নিরহংকার জীবনবোধ। অবশ্যই এত অল্প চেনায়, অল্প সময়ে মানুষের ব্যক্তিত্ব নিয়ে উপসংহার টানা বোকামি হিসেবেই আখ্যায়িত হতে পারে। কিন্তু দৃশ্যত কোন উন্নাসিকতা আচরণে ধরা পড়লে আমার চোখ এড়াতোনা, এতটুকু আত্মবিশ্বাস আছে। চলনে, কথায়, মানসিকতায় বিত্ত-প্রতিপত্তির ন্যূনতম কোন ছাপ যাতে না পড়ে, এ বিষয়ে ভাই-বোন একধরণের বাড়তি সতর্কতায় ছিলেন যেন। খুব বড়লোকদের সম্পর্কে আমার অন্যরকম ধারণা ছিলো বলেই হয়ত বিস্ময়ের মাত্রাটাও একটু বেশি হয়ে গেছে। মানুষ হিসেবে সৌন্দর্য্য যে কয়টা আচরণে পরিস্ফূটিত হয়ে - বিনয় আর অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। এ দু'টো বিষয়কে কেউ যখন জীবনাচরণের সাথে মিলিয়ে নিতে পারে নিজের অবস্থান বিবেচনার পরেও, তখন তাকে আমি নিখাদ ভালোলাগাটুকু জানাতে কার্পণ্য করিনা।
এবার আমার ঘোঁট পাকানো ভাবনাটা নিয়ে বলি। মানুষ মাত্রেই হয়ত স্টেরিওটাইপিংটা চর্চা করে। এটা সীমাবদ্ধতা না স্বাভাবিকতা, দ্বিধায় পড়ে যাই। আমি যেখানে আছি গত তিন বছর ধরে সেখানে দেশের নানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের সাথে মেলামেশার সুযোগ হচ্ছে। আরো নির্দিষ্ট করে বললে, বিভিন্ন জেলার, বিভিন্ন আর্থসামাজিক অবস্থানের, বিভিন্ন মেধাস্তরের এবং যোগ্যতার। যেটা হতে দেখি, কারো সাথে পরিচয়ের শুরুতেই আমরা প্রথমে জানতে চাই তার বিশ্ববিদ্যালয় এবং এরপরেই তার জেলা। সাধারণত জেলাভিত্তিক কিছু বৈশিষ্ট্য দিয়ে আমরা ব্যক্তি মানুষকে নিরীক্ষণ করতে চাই। আর যোগ্যতার প্রশ্নে জানতে চাই তার শিক্ষাগত পরিমণ্ডলের কথা। আমি অবশ্যই কাউকে দোষারোপ করছিনা বা নিজেকেও এর বাইরে গণ্য করছিনা। শুধু ভাবতে চাইছি এ প্রবণতাটাকে আমরা চর্চা করবো কিনা। আমাদের উচ্চশিক্ষিত, আলোকিত মানুষ হয়ে ওঠার নিরন্তর ছুটে চলায় এ ভাবনাগুলো কালো ছায়া ফেলছে কিনা। বরিশাল, নোয়াখালীর একজন থেকে আমি অবশ্যই বেশী গ্রহণীয় এবং সদাচারী, এ কথা ভাবতে আমাদের তৃপ্তি হয়। ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে আসলেই আমরা একধরণের অহমিকায় ভুগি। বি.আই.টি. গুলোর DUET, CUET, RUET, KUET হয়ে BUET এর অনুকরণের এবং সমমানে আসার বেহায়াপনাকে আমরা টিপ্পনির বিষয়বস্তু করি। নিজের চেয়ে একটু কমমানের কোন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আমরা অবলীলায় কটু মন্তব্য ছুঁড়ে দেই। সে প্রতিষ্ঠানের একজনের চেয়ে আমি যে উপরের তলার, তা ভুলতে চাইনা। পাবলিক থেকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যে কতদিকে ছোট হয়ে আছে, এ ব্যাপারটা আমরা সময়, সুযোগমত একজনকে মনে করিয়ে দিতে ভুল করিনা। বিজ্ঞানের ছাত্ররা মানবিক শাখার পড়াশোনাকে 'কিছুই না' বলে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়। বড় শহরে বড় হওয়া, পড়াশোনা করা একজন মফস্বলের একজন সম্পর্কে শুরুতেই অবজ্ঞার ভাব এনে নিজেকে খানিক অভিজাত ভেবে সুখ পায়। চাকুরীজীবী একজন নারী পুরোপুরি গৃহিনী একজনকে প্রকাশ্য করুণার চোখে দেখেন।
নিজেকে বড় ভাবার এই প্রবৃত্তি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারেন মহামানবেরা। আমরা সকলেই জীবনের কোন না কোন ক্ষেত্রে নিজের অবস্থানের নিরীখে অহংকার আর অন্যকে আন্ডারেস্টিমেশনের শর্টকাট রাস্তায় চলে যাই। সেটা কি সমর্থনযোগ্য? আমার বিনয়ই কি সংজ্ঞায়িত করবেনা আমি আসলেই কতটা উপর তলার?
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হমপগ্র বলেছেন:
পরে পড়ব। আগে প্লাস দিয়ে গেলাম!
লেখক বলেছেন: সমস্যা কী তোমার?
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
শেষ লাইনটা ভাবাচ্ছে...
লেখক বলেছেন: আমাকেও ![]()
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
দারুন লিখেছেন .........
লেখক বলেছেন: আরে কীসের? (বিনয়ের ভাব ধরছি নিশ্চিত)
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
আমাদের সমাজে বিনয়কে মনে করা হয় দুর্বলতার লক্ষণ। আর অবজ্ঞা তো আছেই পদে পদে। গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অনালোচিত দিকগুলোর কথা তুলে ধরায় প্লাস।তবে ইয়ে মানে, (মিনমিনে কন্ঠের ইমোটিকন) এইসব দোষ আমারও এক-আধটু আছে।
লেখক বলেছেন: দোষ পরিহার করুন (চোরের মার বড় গলা-র ইমোটিকন)
লেখক বলেছেন: little boxes....
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
রাগিব ভাইয়ের একটা পোস্ট পড়ছিলাম...স্টেরিওটাইপ নিয়া...মানুষ মাত্রই এইটা করবে
লেখক বলেছেন: উনার পোস্টটা অনেক ব্যাপক এবং চিন্তাপ্রসূত ছিলো। অনেকের মত আমার প্রিয়তেও আছে।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
ঠিক বলছো খালা, আমাদেরই বিবেকই সংজ্ঞায়িত করে দিবে আমরা কতোটা উপরের।তবে আশার কথা আমার পর্ববেক্ষণ অনুযায়ী এই ধরনের মানসিকতা আস্তে আস্তে কমছে।
লেখক বলেছেন: কমছে হয়তবা, না কমলেও আমরা প্রকাশভঙ্গিতে সচেতন হচ্ছি।
লেখক বলেছেন: হইতাম ফারিনা ![]()
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
এটা সমর্থনযোগ্য না। কিন্তু আমাদের পারিপাশ্বিক, বাস্তবতা, জিনগত কিংবা প্রথাগত উপাদান অনেক বিরাট ভূমিকা পালন করে। মানুষ সর্বদাই যায় অন্যকে অবমনন করে নিজে উচ্চ হতে। সুশিক্ষা এক্ষেত্রে নিরাময় স্বরূপ হতে পারে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আপনাকে আসবাব ডাকতে আমার খুব ভালো লাগে, রাগ করবেননা প্লিজ ![]()
কালপুরুষ বলেছেন:
সাধারণ কোন বিষয়বস্তুকে অত্যন্ত চমৎকার ও চমকপ্রদভাবে উপস্থাপন করার দারুন মুন্সীয়ানা আছে বলেই তোমার লেখার ভীষণ ভক্ত আমি। সহজ, সরল ও সাবলীল ভাবে কোন কিছু বর্ণনা করা এবং তাতে রসবোধ জুড়ে দেয়া একজন ভাল লেখকের পক্ষেই সম্ভব। তুমি সেই বিচারে অনেক এগিয়ে। এই লেখাটাও খুব ভাল লাগলো। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো। আর সেই সাথে ভাল থাকার প্রার্থনাতো রইলোই।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ দাদা। ভালো থাকবেন।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
ফালতু কথা বলতে বলতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিই হারিয়ে যাচ্ছে। সেটা হচ্ছে- আপনার লেখার বিল বিষয়ে। এ ব্যাপারে তো কোনো গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে আসা গেল না। মাসুম ভাই কী সুন্দর পাশ কাটিয়ে গেলেন। যেচে পড়ে 'উপকার' করতে গিয়ে আর কতো অপমান ও বঞ্চনার শিকার হতে হবে আমাদের??
লেখক বলেছেন: কী আর করবেন বলেন? 'উপকার' ব্যাপারটাই এমন। এজন্য সবাই তো এসব দায়িত্বও নিতে পারেনা। আমি আপনার সাথে আছি। জয় আপনার হবেই।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ছয়শ কোটী টাকা চৌদ্দ বছরে !!কামেল লোক । কামেল লোকরা ব্যতিক্রম , তাই না ?
পোস্টটি ভালো লেগেছে ।
লেখক বলেছেন: ব্যতিক্রমী মনোভাব নাড়া দিয়ে যায় বলেই আমরা স্বাভাবিক দিনযাপনে এখনো মানুষের উপর মুগ্ধ হওয়ার উপলক্ষ্য পেয়ে থাকি। ধন্যবাদ আরিফ ভাই।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হম..
লেখক বলেছেন: সেটাই...
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
প্রিয় গল্পকার শাহাদুজ্জামানের একটা বই আছে, একটি হাসপাতাল, কয়েকটি ভাংগা হাড় এবং একজন নৃবিজ্ঞানী; বইটার অনেকটাই তাঁর পি,এইচ,ডি'র অভিসন্দর্ভ ।সেখানে লেখা এক নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানীর বাংলাদেশের মানুষ পর্যবেক্ষন হলো, বাংলাদেশের মানুষরা সবসময় তুলনা করতে ভালোবাসে বসবাস করে।কারো তুলনায় তার সম্পদ কতো, তাদের সামাজিক কিংবা শিক্ষাগত অবস্থান কেমন আর কিছু না হলে ও অন্তত অন্যের উচ্চতা, গায়ের বর্ণ ইত্যাকার বিষয় নিয়ে তুলনা করতে ভালোবাসে।এখান থেকে বের হওয়া কি সম্ভব ?জাতীয় চরিত্র বলে কথা।
লেখক বলেছেন: সুশিক্ষার মাধ্যমেই আশা করি সম্ভব। ভালো থাকবেন
মিছে মন্ডল বলেছেন:
কারো কারো কাছে Sky is the limit.....আমার কাছে I want to touch the Sky....
লেখক বলেছেন: টাকা পয়সার ব্যাপারে বললেন নাকি?
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আপু, ক্লাস ডিফারেন্সটা তৈরি করে আমরা আসলে নিজের অবস্থান টিকে সুযোগ টিকে নিরুপদ্রব করতে চাই। কে জানে আমাদের সুযোগ সুবিধাগুলো সীমিত বলে হয়ত আমরা এরকম, অথবা আমাদের মানসিক গঠনটাই এরকম। ঠিক নিশ্চিত নই।সব্বাই সব্বাই। এটা অঞ্চলগত শিক্ষাগত অনেকরকম।
--- পোস্ট টা পড়ে বিশাল একটা কমেন্ট লিখলাম, > ৪৫০ শব্দের । এখন আর দিতে ইচ্ছা করছে না। ব্যাপক ক্লান্ত, প্রতিক্রিয়ামূলক তর্ক এ এখন আগ্রহী নই বলে।
মেইলে পাঠাবো।
দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আঞ্চলিক সাম্প্রদায়িকতা, প্রতিষ্ঠানগত সাম্প্রদায়িকতা সবটাতেই ভুগতে হয়েছে আমাকে। ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার শিকার হইনাই, এইটুকুই যা।
লেখক বলেছেন: তোর মেইল ত এখনো হস্তগত হইলোনা।
লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন।
মনজুরুল হক বলেছেন:
সচলে এরকম একটি লেখা পড়েছিলাম। কার তা আর এখন মনে নাই। শিমুলের মনে থাকতে পারে।
দেশের বাইরের বাঙালিদের নিয়ে আমার দুধরণের অনুভূতি হয়। একটা পজেটিভ,অন্যটা তার বিপরীত।
বাংলাদেশে টাটা র বিনিয়োগ নিয়ে বিএনপি আমলে জনৈক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাঙালি কলাম লেখকের সাথে আমার একটা "কলামিক বাহাস" হয়েছিল।
সে সময় এনআরবি দের নিয়ে কিছু অপ্রিয় কথাও উঠেছিল। তার পর পরই
ওরা অস্ট্রেলিয়ায় যে বাঙলা একাডেমি আছে আমাকে তার সদস্য করেছিল।
আপনার লেখাটা পড়ে কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক আবার কিছুটা প্রাসঙ্গিক ভাবে কথাগুলো মনে পড়ল।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমি যদিও প্রাসঙ্গিকতা ঠিক ধরতে পারলামনা, তবুও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: গল্প পরেও করা যাবে!
কিউরিয়াস বলেছেন:
লেখাটা ভাল লাগলো।আমি শুধু আরেকটা দিকের ওপর আলোকপাত করতে চাই--এই যে আমাদের "অহংবোধ"টা, এটা কিন্তু আমাদের মানসিক সুস্থতার জন্যই দরকার। নিজেকে আরেকজন থেকে বেশি ভাল মনে করা, নিজের পজিশন নিয়ে গোপোনে সুখ, আর "তার থেকে ত আমি ভাল আছি!!" এই চিন্তাটা মানুষকে একটা স্ট্যাবিলিটি দেয়, আর যেটা করে, তা হচ্ছে নিজেকে নিজের কাছে ডিফাইন করতে সাহায্য করে, এই জটিল মানব সমাজে "আমি কি? আমি কতটুকু?" এই জাতীয় আত্মপরিচয় তৈরি করতে সাহায্য করে।
আর মহামানবদের সম্পর্কে যেটা বললেন, পুরোপুরি একমত নই। মহামানবরা নিজেকে বড় ভাবেননা তা নয়, বরং তারা জানেন, আপাতদৃষ্টিতে ক্ষুদ্র মনে হওয়া মানুষটাও কি অপার সম্ভাবনা রাখে মানব সমাজের মিথষ্ক্রিয়ায়।
সো আমার মনে হয় অহংবোধ থাকবেই, অবশ্য আমরা তর্ক করতে পারি এই জিনিসটা নিয়ে যে, ঠিক কোন বিষয়-গুলো নিয়ে আমাদের অহংবোধ থাকা উচিত, আর কোনগুলো নিয়ে উচিত না।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অহংবোধের পজিটিভ দিকগুলো নিয়ে আপনার মূল্যায়ন ভালো লেগেছে। তবে সেটা যদি প্রকাশ্যে বা একজনের আড়ালে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের দুর্বল একটা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তার কদর্য রূপটা বীভৎস মনে হয় আমার কাছে।
~টক্স~ বলেছেন:
এমন আত্ম-অহংকার দেখানোর আসলেই কিছু নেই। সাদাসিধা - অহংকারহীন মানুষকে আমার সবসময়েই ভাল লাগে। গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে আলোকপাত করেছেন আপুনি। ভাল লাগল অবশ্যই। আপনি ভাল আছেন তো ?
লেখক বলেছেন: আছি রে ভালো। ধন্যবাদ।
এস মাহবুব বলেছেন:
ভালো লিখেছেন+
লেখক বলেছেন: */%&
সুদীপ্ত বলেছেন:
নিজে যদি ভালো অবস্থানে থাকি তাহলে সেটা আমার মনে গোপন একটা অহং এর সৃষ্টি করবেই। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমি যখন সেটা ঔদ্ধত্য দেখাবার জন্য প্রকাশ করব তখনই আমার অর্জন কিছুটা হলেও খাটো হয়ে যায়।লেখাটি ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: আপনার কথাটা ভালো লেগেছে।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
লেখাটা ভালো লেগেছে আপু।
লেখক বলেছেন: ভালো থেকো সিজার।
হমপগ্র বলেছেন:
আপু রাগ করলেন নাকি? আমার তখন সময় ছিল না বলে পড়িনি। পড়ে ভালো লাগল। নিজেকে অনেক উপরে ভাবার মনবৃত্তি থেকে বেড়িয়ে আসতে হয়। নাহলে আসলে অনেক মানুষকে চিন্তে পারা যায় না।
শুভকামনা!
লেখক বলেছেন: আরে পাগল নাকি তুমি? রাগ করবো কেন? এমনি দুষ্টুমি করেছি। আমার রাগ টাগ একটু কমই আছে।
আকাশ আলোয় উঠবে ভরে,
জীর্ণ মতবাদ সব ইতিহাস হবে
পৃথিবী আবার শান্ত হবে।
একদিন ঝড় থেমে যাবে,
পৃথিবী আবার শান্ত হবে
...
একঘেয়ে একটা অভ্যাসে তাই .. গান গেয়ে স্বপ্ন দেখে যাই
প্রশ্নেরা শুধু কবে ? .. পৃথিবী আবার শান্ত হবে
.... অনেক দিন পর গানটা আবার শুনলাম .. পুরোনো দিনের গান ..
পোষ্ট টা চিন্তাশীল .. আগে ক্লাস সিষ্টেম ছিল "বামুন , কয়েত , বৈশ্য ,শুদ্র " ... একই জিনিষ এখোনো রয়েছে ... "নতুন বোতলে পুরান মাল "
সবার মধ্যেই এটা রয়েছে .. আমরা কেউ এটা থেকে মুক্ত না ..।
মানুষের স্বভাবই এটা ... শুধু বাংগালীদের দোষ ধরলে ভুল হবে ..
এই প্রসংগে আবার মনে পড়ল .. আমাদের মতো আত্নসমালোচনাকারী জাতিও মনে হয় কম আছে ..
এটাও মন্দ না
লেখক বলেছেন: আমাদের আত্মসমালোচনাকারী জাতি বলেন? উমম কীভাবে?
হমপগ্র বলেছেন:
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম ... +
লেখক বলেছেন: কী জানলেন বুঝলামনা ![]()
মদন বলেছেন:
ভালো লাগলো...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সাইফুর বলেছেন:
সরল কথা ..ভালো লাগছে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাছিম।
পারভেজ বলেছেন:
বিনয়, সরলতা, অকৃত্রিমতা।তার সাথে সততা।
আমার মনে হয় মানুষের নিজেকে যাচাই করার জন্য কিংবা অবস্থান বুঝার জন্য এ কয়টা বিষয় জরুরী।
লেখাটা ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: যথার্থ। শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: কেন?
লেখক বলেছেন: ডলফিনের কীসে বংশের পরিচয়? ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
জেরী বলেছেন:
শেষেরটুকুতে অনেক কিছু ভাবার আছে......ভালো বলেছেন আপু।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
কিছু বলার নাই । এই ব্লগেই কতজনরে দেখি হেভি ফুটানি .. তাগোরে কিছু কইলেও আবার সমস্যা .. শিল্পপতি বইলা কথা
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শুনতে চাই।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
অমর্ত্য সেন নোবেল পাবার পর বাংলাদেশে এলেন। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য তাঁর সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন। বাংলা ইংরেজী মিলিয়ে তিনি নানান ধরণের প্রশ্ন করছিলেন, অমর্ত্যকে।অমর্ত্য খুব বিনয়ের সাথে একটা ইংরেজী শব্দ না মিলিয়ে এত সহজ এবং পরিশীলিত বাংলা ভাষায় উত্তর দিচ্ছিলেন যে, আমার মত মূর্খেরও বুঝতে কোন অসুবিধা হচ্ছিল না।
এক পর্যায়ে দেবপ্রিয় বল্লেন, "বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছু বলুন।" অমর্ত্য বিনয়ের সাথে বল্লেন, "আমি বাংলাদেশের অর্থনীতির সাথে বিচ্ছিন্ন প্রায় ২০ বছর। এখন হঠাৎ করে তিন ঘন্টা প্লেনে চেপে এসে, এত অল্প সময়ের দেখা বাংলাদেশ নিয়ে একটা জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা দিয়ে ফেলবো, এত বড় বুকের পাটা আমার নেই। আর এই যে আমার বুকের পাটা নেই সেটার জন্য আমি গর্বিত।"
তিনি আরও বলেছিলেন, বিনয় ছাড়া কখনও শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না।
এই যে,আমরা যারা অহন্কার করি, আমরা কি আসলেই শিক্ষিত?
লেখক বলেছেন: না, শিক্ষিত না। অপশিক্ষিত। আপনাকে অনেকদিন পর দেখলাম।
আমি চাবি হারা কলংকিনী
.....আমার কী হবে গো? আপডেট আছে কিছু?
মানুষ বলেছেন:
ক্ষুদ্র কায়া, শীর্ণ সে প্রাণ, তবু আছে আমিত্ব। কি করব, উপায় নাই গোলাম হোসেন।
অসাধারন লেখা বা উপলব্ধি!!!
স্বজন বলেছেন:
সরল ভাবে বললে এই বিনয় টুকু আছে বলেই ইনি এত এত সফল। অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা আর বিনয় মানুষকে মানবিক পরিপুর্ণতা দান করে।আপনার উপলব্ধি অসাধারন।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
সব মানুষের মধ্যেই নানা রূপ থাকে। যিনি আমার কাছে বিনয়ী তিনি হয়তো আরেকজনের কাছে অহংকারী হিসাবে ধরা দেন। তবে যাদের বোধ বুদ্ধি ভাল তারা ভাল ফেইসটাই চর্চা করেন। আমি অনেককে দেখেছি একজনের সাথে একরকম, আরেকজনের সাথে অন্যরকম। ব্যতিক্রম তো আছেনই। এই বার গুরুত্বপূর্ণ কথা: ইয়ে মানে আপনারা যারা বিদেশ থাকেন, ডলার-পাউন্ড-ইয়েন কামান, তাদের সামান্য টাকার প্রতি নজর দেওয়া কি ঠিক?
লেখক বলেছেন: ইয়েন কামাই, টাকা তো কামাই না। নিজের দেশের কারেন্সি তে যত কমই হোক না কেন, কামানোর একটা মজা আছেনা? ![]()
সহেলী বলেছেন:
ধন্যবাদ এমন একটা লেখা দেওয়াতে । শুভেচ্ছা ।
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
মানুষ, ঝড়, ফারহান, স্বজন, তারিক ভাই, সহেলী আপু - ধন্যবাদ সবাইকে পড়ার জন্য।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















