somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

তাজুল ইসলাম মুন্না
সাংবাদিকতা নিয়ে পড়ালেখা করছি। পাশাপাশি অনলাইন জার্নালিস্ট হিসেবে কাজ করছি দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে। ব্লগে ফেরার ইচ্ছা বহুদিনের। একদিন হয়তো হুট করে আবারও রেগুলার হয়ে যাবো।

এইরকম সাপোর্ট যদি কানাডা, আয়ারল্যান্ড, কেনিয়া, জিম্বাবুয়ে বা নেদারল্যান্ড পাইতো ... তাহলে বিশ্বকাপটা তাদের হাত থেকে কেউ নিতে পারতোনা ...

১৯ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৪:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাঙ্গালী বড়ই আবেগপ্রবণ জাতি। তারা যেই কাজে একবার লাগে তা কইরাই ছাড়ে। তবে প্রথমেই একটা শব্দ ব্যবহার করছি "আবেগপ্রবণ"। এই আবেগের কারণেই বাংলাদেশ যখন আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড আর নেদারল্যান্ডরে হারাইছে তখন তারা প্লেয়ারগোরে মাথায় তুইল্যা নাচছে। আবার এই আবেগের জন্যেই তারা বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারার পরে সাপোর্টাররা রাস্তায় মিস থ্রো কইরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাসের কাচ ভাঙ্গছে। এইটা তেমন কোন বড় কাজ করেনাই। কারণ, গেইলের মাথায় যদি বিন্দুমাত্র বুদ্ধি থাইকা থাকে তাহলে তার বোঝা উচিত যেই দেশের খেলোয়াড়রা একটা থ্রো ও ডাইরেক্ট স্টাম্পে লাগাইতে পারেনা সেই দেশের লোকে কেমনে কইরা একটা চলন্ত বাসে ডাইরেক্ট হিট করতে পারে!!! তাছাড়া মুশফিকের মতো কোন বাইট্টাতো আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাসের কাচের উপ্রে বয়াও আছিল না বলটারে ধইরা কাচের ভিত্রে দিয়া হান্দাইয়া দিবো! আর তাতেও কাচ না ভাঙ্গলে একখান ঘুষা দিয়া কাচ ভাইঙ্গা ছাড়বো!!!
হায়রে বেরসিক গেইল! তুই বুঝলিনা বাঙালীর আবেগরে। সেইজন্যেই লগে লগে ঠুইঠারে ঠুইঠ কইরা দিলি। যেম্বায় বলরে ঠুইঠ মাইরা ছক্কা পিটাস! শালার স্বভাবই খারাপ।

থাউকগা, বাদ দেই সেই ফালতু ক্যাচাল। কথায় আছে, পুরান গু ঘাটলে গন্ধ ছুটে। তার চাইতে বরং আইজকার নতুন এবং টাটকা গু ঘাটি। ঐটা দিয়া অহনো গন্ধ ছুটতেছে। তাই ঘাটলেও ফ্রবলেম নাইক্কা। আই মিন আইজকা বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকারে দেইখা যে হাগাটা হাগছে সেইটারে নিয়া একটু ঘাটাঘাটি করি ...



কারেন্ট আছিল না। কারেন্ট আওনের পরে যা দেখলাম তাতে মনে হইলো কারেন্ট না আইলেই বুঝি ভালা হইতো। ২১ রান করতে গিয়া ৪ জনের হাগা আইছে এবং তারা তারাতারি কইরা নিজেগোরে আউট কইরা হাগতে গেছে! বাংলাদেশের ড্রেসিং রুমে কয়টা টয়লেট আছে কে জানে! শর্ট পড়লে ৪জনে যেমনে তুমুল গতিতে গেছে তাতে কয়েকজনের সমস্যা হওনের কথা!!

কথা হেইডা না, কথা হইলো তোরা এইডা কি করলি মামা!!! দক্ষিণ আফ্রিকা কি এমন বস্তু? হারবি হার সমস্যা নাই, তাই বইলা এমন হারা হারবি!? অন্তত দেড়শো দুইশ করতি, তাও নাইলে নিজেগোরে সান্তনা দিবার পারতাম! তাই বইলা দুইশো ছয়!!!

দম যাগোর যাগোর ভিত্রে দেখলাম তারা হইলো।

নাম্বার ওয়ান সাকিব খান। শুধুমাত্র যে একলাই আইজকার ম্যাচে ডাবল সংখ্যা দিয়া হয় এমন রান করবার পারছে।

নাঈম। যে ছক্কা মারতে গিয়া অক্কা পাইলো।

রুবেল। অপরাজিত ৮!


বাকিগুলা সব কই? তামিম, নাফিস গোর টিকিটাও দেখলাম না।




খেলা শেষ হওনের পরে মনডা একটু ভালা ভালা লাগলো সাকিবের একখান ছোট্ট শব্দ শুইনা। সেটা হইলো. "সরি"।




(আমরা জানি যে এই হারের কারণে আমরা যতোটা কষ্ট পেয়েছি তার চেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তাদের বেশি কষ্ট পাওয়া্টাই স্বাভাবিক। সাকিবের চেহারা দেখে তার অনেকটাই বোঝা যাচ্ছিল। সাকিব আগের মতো "ব্যাড ডে" বলে বিদায় জানায়নি। সে সরি বলেছে পুরো দেশবাসীর কাছে। একজন আদর্শ ক্যাপ্টেনের কাছে এরকম বিশাল হারের পরে আমরা এই ছোট্ট শব্দটাই আশা করতে পারি। সাকিব, তোমরা এগিয়ে যাও; বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম এগিয়ে যাক। আমরা সবসময় আছি তোমাদের পাশে।)


আমি মনে করি ক্রিকেটে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে তাদের দলকে সমর্থন করে এরকম সমর্থন অন্য কোন দেশের মানুষ তাদেরকে করেনা। আজকে যেই ঘটনা ঘটছে তাতে ঢিল না, গুল্লি হবার কথা। তবে আশা করছি কিছুই হবেনা। সবকিছু ভালভাবেই শেষ হোক। বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম এই হারগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে পরবর্তীতে আরো ভাল খেলুক সেই আশাই করছি।


পোস্টটিকে পড়ে যদি কেউ এর আগামাথা কিছুই না বুঝেন তাহলে মাইনাসে একটা চাপ দিয়ে অন্য পোস্টে চলে যান। এটাই সবচেয়ে বেটার আইডিয়া হবে। কারণ, আমি নিজে এই পোস্টটাকে লিখেছি কিন্তু এর আগা মাথা কিছুই আমার নিজের মাথায়ও ঢুকেনি। শিরোনাম আর পোস্টের মধ্যে কোন প্রকার মিল খুজে না পেলে আপনারা নিজেরাও ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন ... ;)
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×