মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে জর্জ বার্নাড শ, টমাস কার্লাইল, মহাত্মা গান্ধী এবং আরও কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব

১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:২৯

শেয়ারঃ
0 45 0

মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে এখানে উল্লেখিত বিভিন্ন মনিষীর উদ্ধৃতিগুলো একটি ওয়েবসাইটে পেয়েছি। সেখান থেকে আপনাদের জন্য বাংলায় অনুবাদ করে দিলাম। অনুবাদে ভূল হওয়া স্বাভাবিক এবং তার জন্যে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। উদ্ধৃতিগুলো কোন্ বই থেকে নেয়া হয়েছে তা উল্লেখ করা আছে।

Sir George Bernard Shaw in 'The Genuine Islam,' Vol. 1, No. 8, 1936.
মুহাম্মদের ধর্মের প্রতি আমি সবসময় সুউচ্চ ধারণা পোষণ করি কারণ এর চমৎকার প্রাণবন্ততা। আমার কাছে মনে হয় এটাই একমাত্র ধর্ম যেটা সদা পরিবর্তনশীল জীবনযাত্রার সাথে অঙ্গীভূত হওয়ার ক্ষমতা রাখে যা প্রত্যেক যুগেই মানুষের হৃদয়ে আবেদন রাখতে সক্ষম। আমি তাঁর(মুহাম্মদ) সম্বন্ধে পড়াশোনা করেছি-- চমৎকার একজন মানুষ এবং আমার মতে খ্রিস্টবিরোধী হওয়া সত্বেও তাঁকে অবশ্যই মানবতার ত্রাণকর্তা বলতে হবে।
আমি বিশ্বাস করি তাঁর মতো ব্যক্তির নিকট যদি আধুনিক বিশ্বের একনায়কতন্ত্র অর্পণ করা হতো তবে এর সমস্যাগুলো তিনি এমনভাবে সফলতার সাথে সমাধান করতেন যা বহু প্রতিক্ষীত শান্তি ও সুখ আনয়ন করতো। আমি ভবিষ্যতবাণী করছি যে মুহাম্মদের ধর্মবিশ্বাস আগামীদিনের ইউরোপের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, যা ইতিমধ্যে বর্তমান ইউরোপে গ্রহণযোগ্যতা পেতে আরম্ভ করেছে।

Thomas Carlyle in 'Heroes and Hero Worship and the Heroic in History,' 1840
এ লোকটিকে (মুহাম্মদ) ঘিরে যে মিথ্যাগুলো (পশ্চিমা অপবাদ) পূন্জীভূত হয়ে আছে- যার ভালো অর্থ হতে পারে ধর্মান্ধতা, তা আমাদের নিজেদের জন্যই লজ্জাজনক।

Mahatma Gandhi, statement published in 'Young India,'1924.
আমি জীবনগুলোর মধ্যে সেরা একজনের জীবন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম যিনি আজ লক্ষ কোটি মানুষের হৃদয়ে অবিতর্কিতভাবে স্থান নিয়ে আছেন.......যেকোন সময়ের চেয়ে আমি বেশী নিশ্চিত যে ইসলাম তরবারির মাধ্যমে সেইসব দিনগুলোতে মানুষের জীবন-ধারণ পদ্ধতিতে স্থান করে নেয়নি। ইসলামের প্রসারের কারণ হিসেবে কাজ করেছে নবীর দৃঢ় সরলতা, নিজেকে মূল্যহীন প্রতিভাত করা, ভবিষ্যতের ব্যাপারে সতর্ক ভাবনা, বন্ধু ও অনুসারীদের জন্য নিজেকে চরমভাবে উৎসর্গ করা, তাঁর অটল সাহস, ভয়হীনতা, ঈশ্বর এবং তাঁর(নবীর) ওপর অর্পিত দায়িত্বে অসীম বিশ্বাস। এ সব-ই মুসলমানদেরকে সকল বাঁধা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। যখন আমি মুহাম্মদের জীবনীর ২য় খন্ড বন্ধ করলাম তখন আমি খুব দু:খিত ছিলাম যে এই মহান মানুষটি সম্পর্কে আমার পড়ার আর কিছু বাকি থাকলো না।

Dr. William Draper in 'History of Intellectual Development of Europe'
জাস্টিনিয়ানের মৃত্যুর চার বছর পর, ৫৬৯ খ্রিস্টাব্দে আরবে একজন মানুষ জন্মগ্রহণ করেন যিনি সকলের চাইতে মানবজাতির ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন....অনেক সাম্রাজ্যের ধর্মীয় প্রধান হওয়া, মানবজাতির এক তৃতীয়াংশের প্রাত্যহিক জীবনের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করা-- এসবকিছুই সৃষ্টিকর্তার দূত হিসেবে তাঁর উপাধির যথার্থতা প্রমাণ করে।

Alphonse de LaMartaine in 'Historie de la Turquie,' Paris, 1854.
উদ্দেশ্যের মহত্ব, লক্ষ্য অর্জনের উপায়সমূহের ক্ষুদ্রতা এবং আশ্চর্যজনক ফলাফল যদি অসাধারণ মানুষের তিনটি বৈশিষ্ট্য হয় তবে কে মুহাম্মদের সাথে ইতিহাসের অন্য কোন মহামানবের তুলনা করতে সাহস করবে ? বেশীরভাগ বিখ্যাত ব্যক্তি শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, আইন এবং সাম্রাজ্য তৈরী করেছেন। তাঁরা যদি কিছু প্রতিষ্ঠা করে থাকেন সেটা কিছুতেই জাগতিক ক্ষমতার চাইতে বেশি কিছু নয় যা প্রায়ই তাদের চোখের সামনে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই মানুষটি শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, আইন, সাম্রাজ্য, শাসক, লোকবল-ই পরিচালনা করেননি সেইসাথে তৎকালীন বিশ্বের লক্ষ-লক্ষ মানুষের জীবনকে আন্দোলিত করেছিলেন; সবচেয়ে বড় কথা হলো তিনি দেব-দেবী, ধর্মসমূহ, ধারণাগুলো, বিশ্বাসসমূহ এবং আত্মাগুলোকে আন্দোলিত করেছিলেন।
দার্শনিক, বাগ্মী, বার্তাবাহক, আইনপ্রণেতা, নতুন ধারণার উদ্ভাবনকারী/ধারণাকে বাস্তবে রূপদানকারী, বাস্তব বিশ্বাসের পুনরুদ্ধারকারী.....বিশটি জাগতিক এবং একটি আধ্যাত্মিক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা-এই হলো মুহাম্মদ। মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব পরিমাপের যত মাপকাঠি আছে তার ভিত্তিতে বিবেচনা করলে আমরা নিজেদেরকে প্রশ্ন করতে পারি- মুহাম্মদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কেউ আছে কি ?

Michael H. Hart in 'The 100, A Ranking of the Most Influential Persons In History,' New York, 1978. মুহাম্মদকে সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষস্থান দেয়াটা অনেক পাঠককে আশ্চর্যান্বিত করতে পারে এবং অন্যদের মনে প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে, কিন্তু ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সেকুলার এবং ধর্মীয় উভয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ সফল ছিলেন। সম্ভবত ইসলামের ওপর মুহাম্মদের তুলনামূলক প্রভাব খ্রিস্টান ধর্মের ওপর যীশু ও সেইন্ট পলের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়ে বেশী।.... আমি মনে করি, ধর্মীয় ও সেকুলার উভয়ক্ষেত্রে প্রভাবের এই বিরল সমন্বয় যোগ্য ব্যাক্তি হিসেবেই মুহাম্মদকে মানবেতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী একক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভুত করেছে।
W. Montgomery Watt in 'Muhammad at Mecca,' Oxford, 1953.
নিজ আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সকল প্রকার কষ্ট সহ্য করা, তাঁকে যারা বিশ্বাস করতো এবং নেতা হিসেবে অনুসরণ করতো তাদের সুউচ্চ চারিত্রিক গুণাবলি, এবং মুহাম্মদের অর্জনের বিশালত্ব- এ সবকিছুই তাঁর সততার সাক্ষ্য দেয়। মনে করুন মুহাম্মদ একজন অসাধু ব্যাক্তি যিনি সমাধানের চেয়ে সমস্যাই বেশী সৃষ্টি করেছেন। অধিকন্তু, আর কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বই মুহাম্মদের মতো পাশ্চাত্যে এতবেশী অবমূল্যায়িত হয়নি......শুধুমাত্র যা বর্ণিত হয়েছে তার ভিত্তিতে নয়, আমরা যদি মুহাম্মদকে সামান্য পরিমাণও বুঝতে চাই তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সহকারে তাঁকে বিচার করতে হবে। আমরা যদি আমাদের অতীত থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ভূলগুলো সংশোধন করতে চাই তবে এটা ভূলে গেলে চলবে না যে চুড়ান্ত প্রমাণ আপাতদৃষ্টিতে যা সত্য বলে প্রতীয়মান হয় তারচেয়ে অনেক কঠিন শর্ত। এবং এই ব্যাপারে প্রমাণ অর্জন সত্যিই দু:সাধ্য হবে।

D. G. Hogarth in 'Arabia'
গুরুত্বপূর্ণ অথবা তুচ্ছ, তাঁর দৈনন্দিন প্রতিটি আচার-আচরণ একটি অনুশাসনের সৃষ্টি করেছে যা লক্ষ-কোটি মানুষ বর্তমানকালেও সচেতনতার সাথে মেনে চলে। মানবজাতির কোন অংশ কতৃক আদর্শ বলে বিবেচিত আর কোন মানুষকেই মুহাম্মদের মতো এতো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করা হয়নি। খ্রিস্টধর্মের প্রতিষ্ঠাতার আচার-আচরণ তাঁর অনুসারীদের জীবন-যাপনকে নিয়ন্ত্রণ করেনি। অধিকন্তু, কোন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাই মুসলমানদের নবীর মতো এরকম অনুপম বৈশিষ্ট্য রেখে যায়নি।

Gibbon in 'The Decline and Fall of the Roman Empire' 1823
মুহাম্মদের মহত্বের ধারণা আড়ম্বড়পূর্ণ রাজকীয়তার ধারণাকে অস্বীকার করেছে। স্রষ্টার বার্তাবাহক পারিবারিক গৃহকর্মে নিবেদিত ছিলেন; তিনি আগুন জ্বালাতেন; ঘর ঝাড়ু দিতেন; ভেড়ার দুধ দোয়াতেন; এবং নিজ হাতে নিজের জুতা ও পোষাক মেরামত করতেন। পাপের প্রায়শ্চিত্তের ধারণা ও বৈরাগ্যবাদকে তিনি অস্বীকার করেছেন। তাঁকে কখনো অযথা দম্ভ প্রকাশ করতে দেখা যায়নি, একজন আরবের সাধারণ খাদ্যই ছিলো তাঁর আহার্য।

Lane-Poole in 'Speeches and Table Talk of the Prophet Muhammad'
তিনি যাদেরকে আশ্রয় দিতেন তাদের জন্য ছিলেন সবচেয়ে বিশ্বস্ত রক্ষাকারী, কথাবার্তায় ছিলেন অত্যন্ত মিষ্টভাষী ও নম্র। তাঁকে যারা দেখত তারা শ্রদ্ধায় পূর্ণ হতো; যারাই তাঁর কাছে এসেছিল তাঁকে ভালবেসেছিল; যারা তাঁর সম্বন্ধে বর্ণনা দিত তারা বলতো, " তাঁর মতো মানুষ আগে বা পরে আমি কখনো দেখিনি।" তিনি ছিলেন অতি স্বল্পভাষী, কিন্তু যখন তিনি কথা বলতেন জোরের সাথে এবং সুচিন্তিতভাবে কথা বলতেন। এবং তিনি যা বলতেন তা কেউ ভুলতে পারতো না।

Edward Gibbon and Simon Oakley in ‘History of the Saracen Empire,’ London, 1870
প্রচার নয় মুহাম্মদের ধর্মের স্থায়িত্বই আমাদেরকে আশ্চর্যান্বিত করে। অকৃত্রিম এবং পূর্ণাংগ সম্মোহনকারী শক্তি যেটা তিনি মক্কা এবং মদীনায় অর্জন করেছিলেন সেটা বারশত বছর পরেও একই আছে কোরআনের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত তাঁর ভারতীয়, আফ্রিকান ও তুর্কী অনুসারীদের মধ্যে। প্রলুব্ধ/আক্রান্ত হওয়া সত্বেও মুসলমানরা তাদের মূল বিশ্বাস ক্ষয়প্রাপ্ত হতে দেয়নি। " আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর দূত "-এটাই হলো ইসলামের সহজ এবং অপরিবর্তনীয় বিশ্বাস। বুদ্ধিবৃত্তিক ঈশ্বরের চেতনা কোন দৃশ্যমান মূর্তি দ্বারা হ্রাস পায়নি; নবীর মর্যাদা কখনো মানবীয় গুণাবলীর ব্যাপ্তি অতিক্রম করেনি। তাঁর জীবনধারণ পদ্ধতি শিষ্যদের কৃতজ্ঞতাবোধ ধরে রেখেছে যুক্তি ও ধর্মের সীমার মধ্যে।

Jules Masserman in 'Who Were Histories Great Leaders?' in TIME Magazine, July 15, 1974
নেতাদের অবশ্যই তিনধরনের কাজ সম্পাদন করতে হয়- অনুসারীদের মংগলের ব্যবস্থা করা, এমন একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি করা যেটাতে সাধারণ লোকজন তুলনামূলকভাবে নিরাপত্তা বোধ করে, এবং অনুসারীদের জন্য একটি পূর্ণাংগ বিশ্বাসের যোগান দেয়া। প্রথমটি বিবেচনায় নেতা হলেন লুই পাস্তুর এবং সাল্ক( Salk)। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় একদিকে গান্ধী ও কনফুসিয়াস এবং অন্যদিকে আলেকজান্ডার, সীজার ও হিটলার- এরা হলেন নেতা। যীশুখ্রিস্ট ও গৌতম বুদ্ধ তৃতীয়টি বিবেচনায় নেতা। সম্ভবত মুহাম্মদ হলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নেতা যিনি ওপরোক্ত তিনটি কার্যাবলীই সম্পাদন করেছেন। স্বল্প পরিসরে হলেও মুসাও একই কাজ করেছিলেন।

Annie Besant in 'The Life and Teachings of Mohammad,' Madras, 1932.
যে কেউ আরবের মহান নবীর জীবন এবং চরিত্র অধ্যয়ন করেন তার হৃদয়ে মহান নবীর প্রতি শ্রদ্ধার উদ্রেক না হয়ে পারে না, যিনি জেনেছেন তিনি(নবী) কিভাবে শিক্ষা দিতেন এবং বসবাস করতেন; তিনি ছিলেন স্রষ্টার মহান বার্তাবাহকদের অন্যতম। যদিও আমি আপনাদেরকে এখন যা বলবো তা অনেকের কাছে সুপরিচিত মনে হতে পারে, তথাপি যখনই আমি মুহাম্মদের জীবনী পুনরায় পাঠ করি প্রতিবারই আরবের মহান শিক্ষকের প্রতি আমার মনে মুগ্ধতা ও শ্রদ্ধার নতুন ভাব জাগ্রত হয়।

W.C. Taylor in 'The History of Muhammadanism and its Sects'
দরিদ্র লোকদের প্রতি তাঁর সদয়তা এত বেশী ছিল যে প্রায়ই পরিবার-পরিজনকে উপবাস করতে হতো। তিনি শুধু তাদের অভাব মোচন করেই তৃপ্ত হতেন না, তাদের সাথে কথা-বার্তা বলতেন এবং তাদের দু:খ-দুর্দশার জন্য গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করতেন। তিনি ছিলেন ঘনিষ্ট বন্ধু এবং বিশ্বস্ত সহযোগী।

Reverend Bosworth Smith in 'Muhammad and Muhammadanism,' London, 1874.
রাষ্ট্রপ্রধান একইসাথে উপাসনাগৃহের প্রধান, তিনি ছিলেন একই সাথে সীজার এবং পোপ; তিনি পোপ ছিলেন কিন্তু পোপের দুরহংকার ছাড়া, তিনি সীজার ছিলেন কিন্তু সীজারের মতো বিরাট সেনাবাহিনী ছাড়া, দেহরক্ষী ছাড়া, শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া, স্থায়ী কোন ভাতা ছাড়া। যদি আজ পর্যন্ত কোন মানুষ ন্যায়বিচারপূর্ণ স্বর্গীয় শাসন করে থাকে, তবে সেটা ছিলেন মুহাম্মদ।

Dr. Gustav Weil in 'History of the Islamic Peoples' মুহাম্মদ ছিলেন তাঁর অনুসারীদের জন্য জাজ্বল্যমান দৃষ্টান্ত। তাঁর চরিত্র ছিল নিষ্কলুষ এবং দৃঢ়। তাঁর গৃহ, পোষাক, খাদ্য- সবই ছিল অতি সাধারণ। তিনি এতই নিরহংকার ছিলেন যে তাঁর সংগীদের কাছ থেকে বিশেষ কোন সম্মান গ্রহণ করতেন না কিংবা যে কাজ তিনি নিজে করতে পারতেন তাঁর জন্য অযথা ভৃত্যের সাহায্য নিতেন না। সবসময় সবার জন্য তাঁর দ্বার ছিল উন্মুক্ত ছিল। তিনি অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যেতেন এবং সবার প্রতি তাঁর অপরিসীম সহানুভূতি ছিল। তাঁর বদান্যতা ও মহানুভবতা ছিলো অসীম, সেইসাথে তিনি সবসময় অনুসরীদের মংগলের কথা চিন্তা করতেন।

J.W.H. Stab in 'Islam and its Founder'
তাঁর কাজের সীমা এবং স্থায়িত্ব বিবেচনা করলে শুধু মক্কার নবী হিসেবে নয় পৃথিবীর ইতিহাসে তিনি আরও দীপ্তিময়ভাবে জ্বলজ্বল করছেন। .....মানুষের বিখ্যাত হওয়ার মাপকাঠি অনুসারে বিচার করলে তাঁর সাথে অন্য কোন মরণশীলের খ্যাতি তুলনীয় হতে পারে কি ?

Washington Irving in 'Life of Muhammad,' New York,1920.
মুহাম্মদের সামরিক বিজয় তাঁর মাঝে কোন গর্ব ও অযথা দম্ভ জাগায়নি। প্রতিকূল দিনগুলোতে তাঁর আচার-ব্যবহার ও পোষাক-আশাক যেরকম সাধারণ ছিলো সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার পরও তা তিনি বজায় রেখেছিলে। রাজকীয় জাঁকজমক দূরে থাক, এমনকি কক্ষে ঢোকার পর তাঁর প্রতি কেউ বিশেষভাবে সম্মান প্রদর্শন করলে তিনি রেগে যেতেন। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের ভালোবাসার পাত্র কারণ সবাইকেই তিনি আতিথেয়তার সাথে গ্রহণ করতেন এবং মনোযোগ সহকারে তাদের অভিযোগ শুনতেন। ব্যক্তিগত লেন-দেনের ক্ষেত্রে ছিলেন ন্যায়পরায়ণ । বন্ধু-আগন্তুক, ধনী-দরিদ্র, সবল-দুর্বল সবার সাথে সমতার সাথে ব্যবহার করতেন।

Arthur Glyn Leonard in 'Islam, Her Moral and Spiritual Values'
এটা ছিলো মুহাম্মদের মেধা, যে উদ্দীপনা তিনি ইসলামের মাধ্যমে আরবদের মাঝে সঞ্চারিত করেছিলেন তা তাদেরকে সুউচ্চ স্থানে আসন দিয়েছিল। যা তাদেরকে জড়তা ও গোত্রীয় সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত করে জাতীয় ঐক্যের সুমহান নিদর্শন গড়তে এবং সাম্রাজ্য গড়তে সাহায্য করেছিল। সেটা ছিলো মুহাম্মদের সমীহ উদ্রেককারী একত্ববাদ, সরলতা, মিতাচার এবং অকৃত্রিমতা যা আদর্শের প্রতি প্রতিষ্ঠাতার বিশ্বস্ততাকেই বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়, যা তাদের নৈতিকতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে শাণিত করেছিল।

James Michener in ‘Islam: The Misunderstood Religion,’ Reader’s Digest, May 1955, pp. 68-70. ইতিহাসে আর কোন ধর্মই ইসলামের মতো এত দ্রুত বিস্তার লাভ করেনি। পাশ্চাত্যে এ বিশ্বাস অত্যন্ত দৃঢ়মূল যে ইসলামের এই প্রসার তরবারীর জোরেই সম্ভব হয়েছে। কিন্তু আধুনিক কোন বিজ্ঞজনই এ ধারণাকে গ্রহণ করেননি, এবং কোরআনেও বিবেকের/চিন্তার স্বাধীনতার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।
মুহাম্মদ, যে অনুপ্রাণিত মানুষটি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে আরবের একটি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন যারা ছিল মূর্তিপূজক। জন্মের সময়ই এতিম হয়েছিলেন, তিনি সবসময় অসহায়, দরিদ্র, বিধবা, এতিম, দাস ও নিপীড়িত যারা তাদের জন্য উৎকন্ঠিত থাকতেন। বিশ বছর বয়সেই তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন, এবং শিগগিরই বিধবা একজন মহিলার বাণিজ্য কাফেলার পরিচালক হন। যখন তিনি ২৫ বছর বয়সে উপনীত হন তাঁর নিয়োগকত্রী তাঁর প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে বিবাহের প্রস্তাব দেন। যদিও তিনি পঁচিশ বছরের বড় ছিলেন, তবু মুহাম্মদ তাঁকে বিবাহ করেন এবং যতদিন পর্যন্ত তিনি(খাদিজা) বেঁচে ছিলেন তাঁর প্রতি নিবেদিত ছিলেন।
তাঁর পূর্ববর্তী বেশিরভাগ নবীদের মতই মুহাম্মদ তাঁর সীমাবদ্ধতা/অক্ষমতা বিবেচনা করে স্রষ্টার বার্তাবাহক হিসেবে দায়িত্ব পালনে অপরাগতা প্রকাশ করেন। কিন্তু স্বর্গীয় দূত আদেশ করলেন "পড়" । আমরা যতটুকু জানি মুহাম্মদ লিখতে কিংবা পড়তে জানতেন না, কিন্তু তিনি সেই উদ্দীপনাময় শব্দগুলো উচ্চারণ করতে শুরু করেন যা অচিরেই পৃথিবীর একটা বৃহৎ অংশে আমূল পরিবর্তন সাধন করবে : " আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই" ।
মুহাম্মদের নিজের মৃত্যুর পর তাঁর ওপর দেবত্ব আরোপের একটি চেষ্টা চলেছিল, কিন্তু যিনি তাঁর পরে প্রশাসনিক উত্তরসূরী হওয়ার কথা ছিল তিনি এই অপধারণাকে সমূলে ধ্বংস করে দেন ধর্মের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি বক্তৃতার মাধ্যমে : " যদি তোমাদের মধ্যে এমন কেউ থেকে থাকে যে মুহাম্মদের পূজা করতো, তবে সে জেনে রাখুক মুহাম্মদ মারা গেছেন। কিন্তু যারা আল্লাহর উপাসনা করতো তাদের জানা উচিত, তিনি চিরন্জীব " ।

তথ্যসূত্র:

Click This Link
Click This Link

 

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৩৪
সজল৯৫ বলেছেন: ধন্যবাদ, আপাতত প‌্রিয়তে নিলাম । পরে পড়ে মন্তব্য লিখব...
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: পড়বেন আশা করি।

২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৪৯
ছোট সরকার বলেছেন: ব্যাক্তিত্ব নয়, ব্যক্তিত্ব
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: ভূল হয়ে গেল !! এখনই সংশোধন করছি। আপনাকে ধন্যবাদ।

৩. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
রহস্য বলেছেন: গ্রেট পোস্ট।সানন্দে প্লাসাইলাম।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২৪
তালহা তিতুমির বলেছেন: সাহসীর মন্তব্য অশ্লীল এবং অযৌক্তিক হওয়ার কারণে মুছে দিলাম।
৫. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৩২
সাহসী বলেছেন: তালহা ভাই গো !
নবীর মছজিদে এক বেদুইন এইসে মুততে লাগসিলো, দয়াল নবী তারে শান্তিতে মুততে দিসলেন। আপনেরা নবীর কাছ থেকে শিক্কে না লিয়ে লিচ্চেন মোয়াহেদ কাফেরদের কাছ তেকে। তাইতে মন্তব্য মুচে দিচ্চেন গো !
অবিশ্যি, মুচে দেয়ার অদিকার আপনের আচে।
সেলাম গো ভাই !
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: সাহসী ভাই ভদ্রভাবেই বলছি, এখানে আধুনিক ইতিহাসবিদ ও নিরপেক্ষ চিন্তাবিদরা কি ভাবতেন তা তুলে ধরেছি। কারণ বর্তমান বিশ্বে ইসলাম ও ইসলামের নবী অত্যন্ত আলোচিত বিষয়। এসব প্রকাশ পেলে সবার লাভ ছাড়া ক্ষতির কিছু নাই।

৬. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৩৫
সাহসী বলেছেন: নবী না মানে যারা / মোয়াহেদ কাফের তারা ;
সেই কাফেরদের শিক্কে লিয়েন না গো । হীনমন্যতায় ভুইগেন না।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: হীনমন্যতায় ভোগার কোন কারণ নেই। যে কারও কাছ থেকে আমরা শিক্ষা নিতে রাজী আছি যদি তারা নিরপেক্ষ ও প্রজ্ঞাবান হন।

৭. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৩৮
ইয়েন বলেছেন: + এরকম পোস্ট আরও দিলে খুশি হব
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৮. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
নীল_পদ্ম বলেছেন: আমার জীবনে পড়া সবচেয়ে ভাল পোস্টগুলোর মধ্যে একটা। এনিওয়ে, আমাদের ব্লগের পাতি নাস্তিক (মূলতঃ ইসলাম বিরোধী ভিন্নধর্মাবলম্বী) গুলোর জ্ঞান কি ওইসব বিখ্যাত ব্যক্তি/লেখকদের চাইতেও বেশি!!!
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: একটু পড়াশোনা করলেই এই শ্রেষ্ঠ মানুষটি সম্পর্কে আরও অনেক কিছুই জানতে পারবেন। অনেক ধন্যবাদ।

৯. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৯
সাহেদ সাকিব বলেছেন: খুবই ভাল লাগল

আপনাকে ধন্যবাদ
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

১০. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০২
মানবী বলেছেন: চমৎকার পোস্টটির জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ তালহা তিতুমির।

১১. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০২
হিমু ব্রাউন বলেছেন: যাদের নাম কইলেন হেরা কি ইসলাম গ্রহন করে ছিলেন????
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: দু' একজন ইসলাম গ্রহণ করে থাকতে পারেন তবে অধিকাংশজনই অমুসলিম ।

১২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০৭
হিমু ব্রাউন বলেছেন: আমার তো মনে হয় হেরা হাদীসে বর্ণীত মুহাম্মদের জীবনের অন্ধকার দিক টা জানতেন না ....
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: ভাই আমি তো বলতে পারবো না। আপনি এসব মণিষীর বই পড়ে দেখতে পারেন। তবে এনারা কেউ-ই হেলাফেলা করার মতো ব্যক্তি নন।

১৩. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০৯
মেরিনার বলেছেন: তালহা "সাহসীর" কথা কিন্তু একদম উড়িয়ে দেয়া যায় না - পশ্চিমা এসব লোকেরা রাসূল (সা.)-কে যে appreciate করে - তাও pragmatic point of view থেকেই করে। যেমন ধরুন Michael H. Hart তার ঐ "The 100" বইতেই রাসূল(সা.)-কে কুর'আনের (মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থের) লেখক বলেছেন। W. Montgomery Watt মনে করেন যে, নবী(সা.) তাঁর মনের ভুলে মনে করতেন যে তিনি নবী। মোট কথা এদের অধিকাংশই নবীকে(সা.) সত্যিকার নবী মনে করতেন না! যার ঈমান শক্ত, তার তো আর বিধর্মীর কাছ থেকে নবীর(সা.) ব্যাপারে ছাড়পত্র নেয়ার দরকার নেই। আর যার ঈমান দুর্বল তার জন্য ব্যাপারটা বিপজ্জনক - কারণ সে আরেক স্টেপ এগুলেই দেখবে যে, তারা আসলে নবী(সা.)-কে মহামানব মনে করলেও তাঁকে সত্যিকার অর্থে নবী/রাসূল মনে করতো না - এদের লেখার একটু গভীরে প্রবেশ করলেই অবিশ্বাসের বিষাক্ত সংস্পর্শে সমূহ ক্ষতির সম্ভাবনা থাকবে। তবু আপনার নিয়তের জন্য আপনাকে সাধুবাদ জানাই।

সবশেষে, নব বর্ষের উপর একটা লেখার শাস্তি স্বরূপ আমি এখন "জেনারেল"। তাই আপনার এখানে আমার নতুন লেখার লিংক দিচ্ছি - পড়ে দেখবেন সবাই:


www.somewhereinblog.net/blog/mariner77/29137692
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ছাড়পত্র নিতে যাব কেন বলেন ? এখানে উল্লেখিত মণিষীদের প্রায় সবাই অমুসলিম/সেকুলার। তো তাঁদের ইসলাম বা নবীর ওপর বিশ্বাস না থাকাই স্বাভাবিক। এখানে মুহাম্মদ (স সম্পর্কে তাঁদের গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়েছে, যা অন্যান্যদের ইসলামের নবী সম্পর্কে জানতে বা ভূল ধারণাগুলো অপনোদন করতে সাহায্য করবে।

১৪. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৬
িরয়াজ উিদ্দন বলেছেন: ভাল লাগল। প্রিয়তে।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৫. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৬
জারিফ বলেছেন: হিমু ব্রাউন বলেছেন: আমার তো মনে হয় হেরা হাদীসে বর্ণীত মুহাম্মদের জীবনের অন্ধকার দিক টা জানতেন না ....
হিমু - অন্ধকার দিক টা কি জানাবেন?

+++++
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: ওপরে বর্ণিত সবাই সিরিয়াস গবেষক ছিলেন। সব প্রেক্ষাপটেই তারা চিন্তা করেছেন।

১৬. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২১
রুমানবিডি বলেছেন: উপরে যাদের Reference দিলেন তারা কি মুহাম্মদ কে আল্লার নবী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়া কোন মন্তব্য করিয়া ছিল ???
জানা থাকলে আওয়াজ দিবেন......
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: এখানে উল্লেখিত মণিষীদের প্রায় সবাই অমুসলিম/সেকুলার। তো তাঁদের ইসলাম বা নবীর ওপর বিশ্বাস না থাকাই স্বাভাবিক। এখানে মুহাম্মদ (স সম্পর্কে তাঁদের গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়েছে, যা অন্যান্যদের ইসলামের নবী সম্পর্কে জানতে বা ভূল ধারণাগুলো অপনোদন করতে সাহায্য করবে।

১৭. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভাল লেগেছে.....অনুবাদ ও ভাল হয়েছে......
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও।

১৯. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪৩
সাহসী বলেছেন: মেরিনারের জবাবে লেখক বলেছেন : যা অন্যান্যদের ইসলামের নবী সম্পর্কে জানতে বা ভূল ধারণাগুলো অপনোদন করতে সাহায্য করবে।

(খাইছে, এইডা দেহি এক্কেরে রবীন্দ্রামলের বাংলা ! অপনোদন B-) )

এনিওয়ে তালহা ভাই,
ঠাউরের তরিকায় বাংলা ল্যাহেন, সমেস্যা নাই। কিন্তুক, যারা নবীরে নবী-ই মনে করে না, তাগোর কথাই তো ভুলের উপ্রে দাড়ায়া আছে (বেশিক্ষন দাড়ায়া ক্লান্ত হয়া বয়াও থাকতে পারে)। হেরা তো আপনের ভুল নবীরে চিনছে, যে নবী আল্লার নবী না। স্রেফ এক আব্দুল্লার পোলা মোহাম্মদ, যে কিনা 'প্রজ্ঞা'র গুনে গোবরে পদ্মফুল হইছিল, অই সামন্ত যুগে এক অগ্রসর মানবতার চিন্তা করছিল। তো এই গোড়ায় গলদ ওয়ালাগোরে দিয়া আপনেরা ভুল ধারনা 'অপনোদন' করাইতে চান ? ঠাউর ! মাফ করো !
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: ব্যক্তি মুহাম্মদ কেমন ছিলেন তাঁরা সেটা নিয়ে গবেষণা করেছেন, তাঁর বিশ্বাসের সত্যাসত্য নিয়ে নয়।

আর ওপরোক্ত পন্ডিতদের "ভ্রান্ত" বলে অভিহিত করার আগে জ্ঞান অর্জন করে তাঁদের সমকক্ষ হোন।

"প্রজ্ঞা'র গুনে গোবরে পদ্মফুল হইছিল" --টাইপ মন্তব্য না করে ওপরের উদ্ধৃতিগুলো আরো একবার মনোযোগ দিয়ে পড়ার আহবান করছি।

২০. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:২৮
রিয়াদ চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো লাগলো
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩৫
হিমু ব্রাউন বলেছেন: @ জারিফ
অন্ধকার দিকগুলো বা যে অভিযোগ গুলো তার সম্পর্কে করা হয়...
১.অবাস্তব মেরাজের ঘটনার মাধ্যমে মিথ্যা নবুয়াতের দাবী
২.ধর্ম প্রচারের ছদ্মবেশে সাম্রাজ্য বিস্তার
৩.ব্যাক্তিগত ভাবে দূর্বল চরিত্রের প্রকাশ.....তা প্রমানিত হয় যখন তিনি ৫০ বছর বয়সে ৬ বছর বয়েসী আয়েশা কে বিয়ের মাধ্যমে......নিজের পালক ছেলে জায়েদের স্ত্রী কে তালাক দিয়ে বিয়ে করার মাধ্যমে........ক্রীতদাসী মারিয়া প্রথমে বিয়ে না করেই তার গর্ভে পুত্র সন্তান ইব্রাহিমের জন্ম দিয়ে....কমপক্ষে ১৬ জন বিবাহিত স্ত্রী এবং আরও কমপক্ষে ৬জন মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্ক....
৪.নিজের ব্যাক্তি স্বার্থ সিদ্ধির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময়ে আল্লার নাম করে নিজে আয়াত তৈরী করে চালিয়ে দেয়া
৫.ইসলাম ধর্মের নামে বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধ সৃষ্টি করে মানুষ হত্যা করা
৬.গণিমাতের মাল নাম দিয়ে নারী ধর্ষন
এভাবে অসংখ্য অভিযোগ তার বিরুদ্ধে করা যায়.....
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: অস্পষ্ট দিক আর অন্ধকার দিকের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য আছে। 'অন্ধকার দিক' বলতে সবসময় খারাপ দিকই বোঝায়। তাই সাবধানে শব্দচয়ন করুন।

মিরাজ, মুজেজা বা কোরান আল্লাহর বাণী- এ সংক্রান্ত বিষয়গুলো আমরা মুসলমানরা মুখে ও অন্তরে বিশ্বাস করি, যা অমুসলিম যে কারও কাছে অস্পষ্ট মনে হতে পারে বা তিনি বিশ্বাস নাও করতে পারেন। এটা মুসলমানদের বিশ্বাসের ব্যাপার, অন্যরা বিশ্বাস না করলে তাতে কোন ক্ষতি নেই।

কিন্তু বাকি অভিযোগ/অপবাদগুলো নিরপেক্ষ গবেষকরা বারবার ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এই লেখারই ২ টি উদ্ধৃতি দিয়ে দিলাম---

"নিজ আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সকল প্রকার কষ্ট সহ্য করা, তাঁকে যারা বিশ্বাস করতো এবং নেতা হিসেবে অনুসরণ করতো তাদের সুউচ্চ চারিত্রিক গুণাবলি, এবং মুহাম্মদের অর্জনের বিশালত্ব- এ সবকিছুই তাঁর সততার সাক্ষ্য দেয়। মনে করুন মুহাম্মদ একজন অসাধু ব্যাক্তি যিনি সমাধানের চেয়ে সমস্যাই বেশী সৃষ্টি করেছেন। অধিকন্তু, আর কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বই মুহাম্মদের মতো পাশ্চাত্যে এতবেশী অবমূল্যায়িত হয়নি......শুধুমাত্র যা বর্ণিত হয়েছে তার ভিত্তিতে নয়, আমরা যদি মুহাম্মদকে সামান্য পরিমাণও বুঝতে চাই তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সহকারে তাঁকে বিচার করতে হবে। আমরা যদি আমাদের অতীত থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ভূলগুলো সংশোধন করতে চাই তবে এটা ভূলে গেলে চলবে না যে চুড়ান্ত প্রমাণ আপাতদৃষ্টিতে যা সত্য বলে প্রতীয়মান হয় তারচেয়ে অনেক কঠিন শর্ত। এবং এই ব্যাপারে প্রমাণ অর্জন সত্যিই দু:সাধ্য হবে।"----W. Montgomery Watt in 'Muhammad at Mecca,' Oxford, 1953.

"এ লোকটিকে (মুহাম্মদ) ঘিরে যে মিথ্যাগুলো (পশ্চিমা অপবাদ) পূন্জীভূত হয়ে আছে- যার ভালো অর্থ হতে পারে ধর্মান্ধতা, তা আমাদের নিজেদের জন্যই লজ্জাজনক। "---Thomas Carlyle in 'Heroes and Hero Worship and the Heroic in History,' 1840


২২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৪৭
মেরিনার বলেছেন: হিমু ব্রাউনের "ব্যান" চেয়ে, অনতিবিলম্বে আলাদা পোস্ট দেয়া হোক। যে কোন সেফ ব্লগার আল্লাহর জন্য এই কাজটা করুন!!
২৩. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৫৭
জাতি জানতে চায় বলেছেন: অনেক সময় অমুসলিম বিজ্ঞদের বিশ্লেষণ অনেক সুন্দর হয়, যেটা ঐ সমাজের সাপেক্ষে প্রয়োজনীয়! আর অনেক সময় সামাজিক কারনেও অনেকে মুসলমান হতে বাধা পান! অবশ্য তাদের বক্তব্য গুলো খেয়াল করেই গ্রহন করা উচিত!

যেমন কার্লাইলের বক্তব্যটা সত্যিই দারুন, "এ লোকটিকে (মুহাম্মদ) ঘিরে যে মিথ্যাগুলো (পশ্চিমা অপবাদ) পূন্জীভূত হয়ে আছে- যার ভালো অর্থ হতে পারে ধর্মান্ধতা, তা আমাদের নিজেদের জন্যই লজ্জাজনক।"
২৪. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০১
জাতি জানতে চায় বলেছেন: হিমু ব্রাউন@ অমুসলিম বা নাস্তিক হলেও অহেতুক ক্যাচাল তৈরি করাটা কোন বুদ্ধিমানের কাজ না!!!
২৫. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১১
হিমু ব্রাউন বলেছেন: @ জাতি জানতে চায় আমি কিন্তু অহেতুক ক্যাচাল তৈরি করা বা কাউকে হেয় করার জন্য কিছু বলিনি.....জারিফের কৌতূহলের প্রেক্ষিতে point গুলো দিয়েছি এবং প্রয়োজনে আমি আমার বক্তব্যের Reference দিতে পারব.....
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: উত্তরও দেয়া হয়েছে।

২৬. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
হিমু ব্রাউন বলেছেন: কিন্তু বাকি অভিযোগ/অপবাদগুলো নিরপেক্ষ গবেষকরা বারবার ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
কয়েক জন নিরপেক্ষ গভেষকের নাম বলুন যারা উড়িয়ে দিয়েছে.......
আর ঘটনাগুলোর Reference হাদীস কোরান থেকে পাওয়া যায়
অট:আমার জন্ম কিন্তু অমুসলিম পরিবারে নয়......
তাই মুহাম্মদ সম্পর্কে প্রচলিত মিথ গুলো আমার অজানা নয়.....
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: মুসলিম পরিবারে জন্ম নিলেই কেউ ইসলামের আলেম হয় না বা মুসলমান হয় না। এটা চিকিৎসা বা প্রকৌশল বিদ্যার মতোই আয়ত্বের বিষয়।

আপনি নিরপেক্ষ গবেষকের নাম জানতে চাইছেন। কেন ওপরের গবেষণাকারীরা আপনাকে খুশি করতে পারেনি ? তারা সকল ধরনের প্রেক্ষাপট, মুহাম্মদের জীবনের সকল ঘটনা বিবেচনা করেই উপসংহারে পৌঁছেছেন, ভাসা ভাসা জ্ঞান অর্জন কিংবা বিক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে নয়।

আমার করা পূর্বের মন্তব্যটা দয়া করে আবার দেখুন।

১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:০৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২৯. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:১৮
হিমু ব্রাউন বলেছেন: @লেখক আমি সেইসব নিরপেক্ষ গবেষকের নাম জানতে এবং reference চাচ্ছি যারা হাদীস ও কোরানের আলোকে মুহাম্মদের উপর আনীত অভিযোগ গুলো আবেগের বশে নয় বরং যুক্তি দিয়ে তাকে মহা মানব হিসেবে প্রমাণ করেছেন.........
২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: ব্লগে রেফারেন্স না চেয়ে বরং আপনি নিজেই এসব ব্যাপারে বিস্তারিত পড়াশুনা করুন । কারণ ব্লগ কখনই আপনার সত্যানুসন্ধান, তথ্যানুসন্ধান বা অন্ধকার দিক অনুসন্ধানের কৌতুহল নিবৃত্ত করতে পারবে না তা যতই রেফারেন্স দেয়া হোক না কেন। এতে আমাদের সময়ও নষ্ট হবে না এবং আপনারও উপকার হবে। শুধু বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করে লাভ নেই। যদি আপনার সত্যিই জানার ইচ্ছা থাকে তাহলে পড়াশোনা ছাড়া উপায় নেই।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ

৩১. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৫১
সপ্নীল বলেছেন: অসাধারন পোস্ট। তবে কষ্ট পেলাম
নাস্তিকদের চেয়েও বড় নাস্তিক আছে ব্লগের কিছু মন্তব্য দেখে। তবে লেখককে ধন্যবাদ শান্তিপুর্ণভাবে সবগুলোর জবাব দেবার জন্য।

কে কি কমেন্ট করলে তা না দেখে, লিখে যান। ভাল থাকবেন।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

৩২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৩
স্বপ্নরাজ বলেছেন: এই পোস্টে কিছু অন্য ধর্মাম্বলীর লোকদের মতামত তুলে ধরা হয়েছে, এতেও যারা অশ্লীল কথা শুরু করেছেন তারা আসলে নাস্তিক নন , তারা মালাউন , ছদ্মবেশী নিক নিয়ে আছে, ব্যক্তিগত ক্ষোভ তারা মেটায় এইরকম বিকৃত গালাগাল করে..

আর @হিমু ব্রাউন আপনার একচোখা হাস্য কর দোষখুজার জবাব :
১। মিরাজ অবাস্তব কোন হিসাবে? এই টাইম থিউরি যুগেও আপনার মিরাজকে অবাস্তব মনে হয়? বরংচ এটাইতো একটা বড় প্রমান সেই যুগে সময় পরিভ্রমনের যে কথা বর্ননা করা হয়েছে মিরাজে সেটা মুহাম্মদ ফেইক হলে করার কথা না কারন স্বাভাবত: ঐ যুগের কেউই সেটা পরিস্কার বুঝতে পারেনি, এখন টাইম ট্রাভল টা যতটুকু সহজ বোধ্য।
২। ধর্মের ছদ্মবেশে মুহাম্মদের(সা:) সাম্রজ্য বিস্তার বলতে কি বোঝাচ্ছেন? সে কি ধর্ম চিন্তার বাইরে টাকা পয়সা ধন দৌলতের মালিক হয়েছিল?
৩,৫,৬ যে মিথ্যার উপর দাড়িয়ে অভিযোগ করলেন। মুহাম্মদ (সা:)বেশীরভাগ যুদ্ধই করেছেন প্রতিরোধের যুদ্ধ।

আপনাকে একটা কথা বলি, আপনি অন্য ধর্মের হতে পারেন ,সমস্যা নেই। কিন্তু ইতিহাস প্রসিদ্ধ কোন ব্যক্তির বিরু্দ্ধে কোন অভিযোগ করতে হলে মন গড়া কথা থেকে বিরত থাকুন আর প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের সম্মানের সাথে কথা বলুন।

৩৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৫০
হোসেন মনসুর বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪
দন্ডিত বলেছেন: @স্বপ্নরাজ টাইম থিওরীটা কি জিনিস? আপনারে কেডা কইসে টাইম ট্রাভেল খুব ইজি জিনিস? সেই টুইন প্যারাডক্সের সেই পুরাতন কাহিনী লইয়া আর কতদিন কপচাবেন? জেনারেল থিওরীর নামও শোনে নাই শুনলেও একটা টেনসর ইকুয়েশন লিখবার পারব না তারাই আজাইরা লাফায়। আগে ফিজিক্স পইড়া আসেন তারপর এইগুলা কইয়েন।
৩৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৪৪
হিমু ব্রাউন বলেছেন: @ স্বপ্নরাজ টাইম থিওরীটা কি ??? হের লগে আবার মেরাজের সম্পর্ক কি????কিসের মধ্য কি পান্তাভাতে ঘি!! :P :P
৩৬. ১১ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২৬
মাহিরাহি বলেছেন: "এ লোকটিকে (মুহাম্মদ) ঘিরে যে মিথ্যাগুলো (পশ্চিমা অপবাদ) পূন্জীভূত হয়ে আছে- যার ভালো অর্থ হতে পারে ধর্মান্ধতা, তা আমাদের নিজেদের জন্যই লজ্জাজনক।"
৩৭. ১১ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৪৬
এক্স বলেছেন: ইসলাম কেন জানি মানুষের অন্তকরনের সাথে খাপ খায়. তাই মনে হয় ইসলামের বাইরের লোকেরাও একে এবং এর প্রচারক মুহাম্মদ সাঃ কে সম্মান করে. ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ইসলামিক সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে অনেক সময়ই গোয়েন্দা নিয়োগ করত. মজার কথা হলো তাদের মধ্যে অনেকেই মুসলমান হয়ে মুসলমান ভূমিতেই থেকে যেত. এটাই ইসলামের গুন.

@হিমু ব্রাউন- দুই দিনের যোগী ভাতেরে কয় অন্ন. কড়া নাস্তিক হওয়ার জন্য পড়াশুনা করুন. পার্মানেন্ট স্ট্যান্স - ইগনোরড.

৩৮. ০৬ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫৩
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: ভাল লাগল। সুন্দর পোস্ট++++++++++++
৩৯. ০৮ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫
মুনতাসির বিল্লাহ মুন্না বলেছেন: হিমু ব্রাউনের ব্যান চাই.................
৪০. ২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১০:০৩
হেমায়াত উল্লাহ বলেছেন: প্রীয়তে অনেক দিন থাকলেও পড়তে পারিনি । খুব ভাল লিখেছেন। ++
৪২. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫
পারভীন রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার এই লেখাটির জন্যে ।
৪৪. ২৬ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:৩৮
ত্রিভুজ বলেছেন: লেখাটার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
৪৮. ০২ রা জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৬
শওকত বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ......
এরকম পোস্ট আরও দিলে খুশি হব ।
৪৯. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:২২
আইয়ুবজািহন বলেছেন: অসম্ভব ভালো একটি পোস্ট দিয়েছেন।

কিছু নাস্তিকের ভিত্তিহীন মন্তব্য দেখে খারাপ লাগল।
৫১. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৪
রংধনুর সাত রঙ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার এই লেখাটির জন্যে ।
৫২. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৩৫
মাহফিজুর রহমান বলেছেন: ভাল লেগেছে........ ধন্যবাদ আপনাকে
৫৯. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:৩২
বালক বন্ধু বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম। খুব ভাল লাগলো।
৬০. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:৩৪
বালক বন্ধু বলেছেন: এখানে যে তথ্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে সেগুলো অমুসলিম চিন্তাবিদদের।
এই পোস্টেও কেন মাইনাস আসলো বুঝতে পারলাম না।
৬১. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩২
রিজওয়ান খান বলেছেন: সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ!
৬২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫
রিজওয়ান খান বলেছেন: সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ!
৬৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৩:০৭
বৈকুন্ঠ বলেছেন: সেই ওয়েব সাইট খানার নাম কি আমগো কাছ থেইকা গোপনই রাখবেন? পুস্টের নীচে "কিলিক দিছ লিমকু" লেইখ্যা ওয়েব ছাইট খানার নাম প্রকাশ করিতে আজ্ঞা হয়
৬৫. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৩:২৬
নাসের সরকার বলেছেন: “কিছু লোক নবীকে নিয়ে গবেষনা করেছে, কিন্তু তারা কেন সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করল না?” জ্ঞানীদের আজিব প্রশ্ন। জ্ঞানীদের সুচিন্তিত কথাবার্তা শুনলে হাসি পায়।
ত্যানা পেচাইন্যারা আজীবন এইগুলাই করবো,
৬৮. ০৬ ই নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:২৫
মাসুদ জাকারিয়া বলেছেন: @হিমু ব্রাউন। যুক্তি তর্কে আপনার চেয়ে পাকা লোক কে আছে? আপনার যুক্তি আপনাকে ঢের হেল্প করতেছে দেখাইতো যাচ্ছে। প্রসঙ্গের মধ্যে (scope) আলোচনা না করে এদিক সেদিক দিয়া কথা বলেন- কারণ আপনি ছাড়া এখানে সব গাধা। আপনি যেদিক থেকে যা-ই বলবেন সেটা যুক্তি। কারণ আপনি মুসলিম ঘরে জন্মাইছেন।
৬৯. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:২০
নীরব দর্শক্ বলেছেন: ভালো লাগলো। পরে পড়েনিবো।
৭৩. ০৫ ই মে, ২০১১ রাত ৯:০৫
প্রযুক্তি বলেছেন: আমার প্রাণপ্রিয় নবীকে বুঝতে মানুষের বিবৃতির দরকার নেই। আমার অনুভূতিই যথেষ্ট। আমিন। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
৭৪. ০৬ ই মে, ২০১১ রাত ১২:০৫
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: যান, আপনারে ১০০ নম্বর পেলাচ টা দিলাম। এই লেখা দেখে আমার নাস্তিকতা আরো মজবুত হল। ধন্যবাদ।
৭৬. ০১ লা আগস্ট, ২০১১ সকাল ৭:৪৩
মেলবোর্ন বলেছেন: হিমু ব্রাউন বলেছেন: @লেখক আমি সেইসব নিরপেক্ষ গবেষকের নাম জানতে এবং reference চাচ্ছি যারা হাদীস ও কোরানের আলোকে মুহাম্মদের উপর আনীত অভিযোগ গুলো আবেগের বশে নয় বরং যুক্তি দিয়ে তাকে মহা মানব হিসেবে প্রমাণ করেছেন......... এটা পরে দেখেন: ISLAM: THE TRUE HISTORY AND FALSE BELIEFS এখানে পাবেন http://www.ourbeacon.com/?page_id=11605
৭৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৬
robi82 বলেছেন: অনেক সুন্দর পোস্ট।। তবে নবীকে চিনতে বিধর্মীদের কৃত মূল্যায়ন প্রয়োজনহীন।।
৭৯. ২২ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৫
অমিয় উজ্‌জ্‌বল বলেছেন: মাইকেল এইচ হার্টের ঐ বইয়ে হিটলার, মাও সে তুং এবং চেঙ্গিস খানকেও অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
৮০. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩১
মোহাইমিনুল ইসলাম বাঁধন বলেছেন:
"আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর কিতাব রেখে যাচ্ছি। যত দিন তোমরা সে কিতাব অবলম্বন করে চলবে, তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না। আজ যারা এখানে উপস্থিত আছ, তারা আমার এসব পয়গাম অনুপস্থিতিদের কাছে পৌঁছে দেবে। হতে পারে উপস্থিত কারো কারো থেকে অনুপস্থিতি কেউ কেউ এর দ্বারা বেশি উপকৃত হবে।"
৮১. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫২
শরিফুল ইসলাম সীমান বলেছেন: ধন্যবাদ, আপ্নার পোষ্ট এর উত্তম প্রতিদান আপনি অবশ্যই পাবেন।
৮২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:১৬
জাহাঙ্গীরএকা বলেছেন: খুব ভালো পোস্ট । এ ধরনের আরও দরকা। । । । ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৭৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
pervez2118@yahoo.com.au
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই