ঁঁবাংলা নববর্ষের দিনটা কিভাবে কাটামু এই নিয়া প্লানের মেষ ছিল না। এই প্লান করতে গিয়া কাইলকা রাতে আর ঘুমানো হয় নি। শেষ রাতে যখন ঘুমালাম তখনতো অবস্থা খারাপ। চোখে ঘুম ছাড়া আর কিছুই নাই। এমনকি শরষে ফুল ও নাই। সক্কাল হইতে দেহি খালি ফুন আর মেসেজ। আমি ঘুমে থাইক্যাই মেসেজ পড়তে লাগলাম আর ফুন রিসিভ করতে লাগলাম।
খুব সক্কালবেলাই আমার এক জি স্পেস এফ এর ফুন। সে নাকি পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে ঘুরাঘুরি করতাছে..আমি কই। কইলাম এই ইট্টু কাজে ব্যস্ত। আসলে আমার চোখে তখনো ঘুম।
যাই হোক ঘুমের ফাইনাল স্টেজ শেষ হইলো সাড়ে ৮ টায়। তখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে লাগলাম। রাস্তার জ্যামের কথা মনে হইতেই মন কয়েক দফায় খারাপ হতে লাগলো। কি আর করা!!
রাতমজুর ভাইজান দেহি ফুন করে। কেমতে কি ! ও তিনিও দেহা যায় এখনো রেডি না। যাই হোক মনে মনে কিঞ্চিৎ আশ্বস্ত হইলাম যে দেরি হয় নাইক্যা।
সাড়ে নয়টার দিকে সামী ভাইজানের ফুন। ভাবলাম আগেই চইলা আইলো নাকি!!
দশটা বাজার আগেই দেহি উন্ম্যাড নাইম ভাইজানের ফুন। আমিতো টাসকি! পোলাডা এতো্ আগে আইলো কিতা?
এরইমধ্যে আইরিন আপুর ফুন। কেমতে যাইতে হইবো..এইসব জিজ্ঞাসা। আমি বলার পর বললো রওনা হচ্ছেন। আশ্বস্ত হইলাম শুইনা। যাইহোক আগেই রওনা হচ্ছেন তিনি।
অবশষে বহুত ঝামেলা পেরিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়া পৌছলাম সাড়ে দশটার দিকে। ততক্ষণে সামী মিয়াদাদ ভাইজান সঙ্গে আরেকজন নবাগত ব্লগার(নিক বলতে রাজি না তিনি) হাজির। তাদের খুঁজে বের করতে হবে। ওদিকে নাইম ভাইতো আছেই। কিন্তু কেমতে কি !! মুবাইল ফুন অপারেটরগুলার যা অবস্থা
। ফুন করতে গিয়া একবার না পারিলে দেখ শতবার সামী ভাইরে ফুন করতে করতে অবস্থা খারাপ। ওদিকে নির্ধারিত স্থান হাকিম চত্তরে গিয়া দেখি উড়াধুরা অনুষ্ঠানের কারনে বিশাল ভীড়। বাধ্য হইয়া স্থান পরিবর্ত করতে হ্ইলো। গিয়া দাড়াইলাম ভাষা ইন্সটিটিউটের মাঠের পাশে।
এরইমধ্যে সামী ভাইকে খুঁজে পাওয়া গেল। সঙ্গে আরেকজন নতুন নিকের ব্লগার। উন্ম্যাড নাইম ভাইয়ের ফুনে কল যাচ্ছে না
কিছুক্ষণ পর সুনীল সমুদ্র ভ্ইজান হাজির বড় এক প্যাকেট নিয়া। সঙ্গে অনেক খাবার দাবার।
আইরিন আপুরে ফুন করলেই শুন রওনা হচ্ছেন। অথচ পৌছার কুন নামগন্ধ নাই
। কিছুক্ষণ পর সাতিয়া মুনতাহা নিশা এবং লঙ্কার রাজা হাজির। আরো হাজির বিলাই মহাজন মানে বহুরুপী মহাজন আর প্রত্যু ভা্ইজান।
ভাষা ইন্সটি্ট্উটের সামনে গিয়ে দাড়ালাম আমরা। কমু কমেতে। লেখাজন গেল পেপার নিয়া আসতে। দেহি বিলাই দা একগাদা পুরান পেপার নিয়া হাজির। পেপার বিছায়া বসে আড্ডা শুরু করলাম। বইসা ফুন দিলাম ক্যামেরাম্যান ভাইকে। হায় ফুন বন্ধ!!!
। ফুন দিলাম বিবর্তনবাদী ভাইকে ...উনি নাকি গাজীপুরে। ফুন দিলাম অন্যরকম ভা্ইকে, মনে হয় উনি ব্যস্ত ছি্লেন। কে এস আমীন ভাইজানেরও একই কেস। আরো বেশ কয়েকজন ব্লগারকে ফুন দিলাম। কিন্তু ফনের নেটওয়ার্কের যা অবস্থা!!!
বহুতক্ষণ পরে আইসা হাজির আইরিন আপু আর কালপুরষ দা। তখন আড্ডা জোরে শোরে শুরু হ্ইয়া গেছে।
একফাকে খেয়ে নিলাম। হেব্ভি খানা পিনা। এরজন্য ধইন্যবাদ রাতমজুর ভাইকে।
ও এর আগে অবশ্য আইসক্রিম খা্ইছি সুনীল সমুদ্র ভাইজানের কল্যানে।
খানাপিনা শেষে আবার আড্ডা শুরু। নানান কিছিমের গল্প। কিন্তু ফরেবলেম হইলো সোন্দরী ললনা আইলেই নাইম ভাই খালি তাগ দিকে তাকায়া থাকে।
কিছুক্ষণ পর আড্ডায় সারিয়া তাসনিম আপু হাজির। আবারো আড্ডা জমে উঠে।
বৈশাখী আমেজ চারদিকে। এরইমাঝে চারপাশের দৃশ্য দেখি আর আড্ডা দেই। আড্ডা শেষ হয় বিকাল বেলা। সবাই আস্তে আস্তে বিদায় নিতে থাকে। আমি, সামী ভা্ই, নিক না জানা ব্লগার ভাইজান রওনা হই বাসার উদ্দেশ্যে। বহুত ভীড় ঠেলে হেটে হেটে চলে আসলাম ফার্মগেট। তারপর সামী ভাইয়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসার পথে রওনা...
এভাবেই কেটে গেল নববর্ষের প্রথম দিনটি।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



