খালি ঘুমে ধরে। তাও রাতের বেলা হইলে একটা কথা ছিল। দিনের বেলা ঘুমে ধরে বেশি। রাতে না ঘুমাইলেও কিছু হয় না।
কি যে হবে। দিনের বেলাতো এখন বাসেও মাঝেমধ্যে ঘুমানোর তাল আসে।
ঘুম নিয়া বিস্তারিত জানার ইচ্ছা হলো। খুলে বসলাম উইকিপিডিয়া। বিস্তারিত আর্টিকেল পইড়াতো আমি টাশকি। আরেকটা আর্টিকেলে আবার দেখলাম- ইনসমনিয়া এর সাথে নাকি ক্রিয়েটিভিটির সম্পর্ক আছে কিছুটা।
যাই হোক মানুষ জন ঘুমের মধ্যে কতো কিছূ করে ফেলে। যতো ক্রিয়েটিভ কাজ। আমি কিছুই করতে পারলাম না। আফসুস।
রবার্ট লুইস স্টিভেনসন নাকি ঘুমের মধ্যেই স্বপ্নে ড: জেকিল অ্যান্ড মি: হাইড এর প্লট পেয়েছিলেন। আবার পল ম্যাককার্টনী তার ইয়েসটারডে গানটার টিউনিং নাকি ঘুমের মধ্যেই পেয়ে গিয়েছিলেন।
জার্মান সাইকোলজিস্ট অটো লুয়েভি ১৯৩৬ সালে মেডিসিনে নোবেল প্রাইজ পেয়েছিলেন। তিনি স্নায়ু সঞ্চারণের রাসায়ণিক ট্রান্সমিশন এর উপর কাজ করেছিলেন। প্রথমত তিনি থিওরী নিয়ে বসে ছিলেন। থুক্কু আরো স্পষ্ট করে বললে ঘুমায়া ছিলেন
আফসুস আমিই কিছু করতে পারলাম না। প্রোফাইলে ছবিটা আমি অনেক জায়গায় ব্যবহার করছি। ঘুমানোর এই ছবিটা অ্যাড করার পরেই মনে হয় আমার দিনের ঘুম বাইড়া গেছে। কি মহা আবিস্কার !!
বাহ! বাহ!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


