আমার প্রিয় পোস্ট
- অনুভুতি ছুয়ে যাওয়া কিছু বিজ্ঞাপন এবং তার পিছনের কিছু কথা। - তন্ময় ফেরদৌস
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- ফিরে দেখা ২০১১ : ব্লগ নিয়ে ব্লগারদের বাছাই ৩০ + নির্বাচিত ২০ ব্লগরম্য - ফিউশন ফাইভ
- ৯০ দশকের বিটিভি পর্দার বিজ্ঞাপনো-পিডিয়া - মেহরাব শাহরিয়ার
- ব্লগ নিয়ন্ত্রণে সাইবার আইনের চিন্তা! বাদ দেন! - পটল
- 70 দিনের হিসাব - অপ বাক
- বাংলা ব্লগ- সংস্কৃতি, রাজনীতি, সম্ভাবনা, ভাষা, সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা (শামীম ভাই´র ৬ টি প্রশ্ন ও আমার স্বল্প জ্ঞানের মতামত) - পটল
- কিভাবে সামু ব্লগের খোঁজ পেলেন? - প্রজন্ম৮৬
- পারসোনার কাছে আমার কিছু জিজ্ঞাসা - অগ্নিলা
-
দেখে যান পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত কিছু মানুষের বিখ্যাত কিছু মিথ্যা।
।পৃথিবীর ইতিহাস অন্ধকারে ছিল বহুদিন যে কারনে। - ঢাকারআশিক
- সাকিব তামিমকে বাদ দেয়ার কারণ কি আসলে? ব্যার্থতা নাকি সেই নোংরা রাজনীতি? - বাউন্ডুলে রুবেল
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - ২ - বিলাশ বিডি
- [ফিরে দেখা] বাংলাদেশের টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির নতুন যুগে যাত্রা - বিদেশি চ্যানেলের পদার্পন এবং প্রাইভেট প্রডাকশনের আগমন (১৯৯২-৯৪) - রাইসুল জুহালা
- সিংহের খপ্পরে তিন ব্লগার > অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- আজ ১৭আগষ্ট ব্লগার নাফিস ইফতেখার, শায়মা ,অপ্সরা , ব্যাকটেরিয়া , লাল চাঁন সহ নয়জন ব্লগারের জন্মদিন। - জিসান শা ইকরাম
- বিভিন্ন কোম্পানির লোগোতে গোপন বার্তা > - খন্ডকাব্য
- এক্সপেরিমেন্টাল মুভি রিভিও পোস্টঃযে মুভিগুলো না দেখলে মরেও শান্তি পাবেন না(সামুর সকল মুভিখাদকের অবশ্য পাঠ্য) - নিয়নের আলো
- একজন আয়শা আপা,একজন আমি - সরলতা
- বলিউডি সিনেমা- হলিউডি কাহিনী - ইহতিশাম আহমদ
- [ফিরে দেখা] ভুলে যাওয়া পত্রপত্রিকাগুলি - রাইসুল জুহালা
- বইমেলা ও আমরা তিন ভাইবোন - শুকনা মরিচ
- একটু সাহস দেন না ভাই: আমি যে চাকরি টা ছেড়ে দিলাম!!!

- কাদামাটি
- সেদিন তোমাকে ! - চতুষ্কোণ
- একটু মায়া, একটু ভালোবাসা - আকাশনীল
- দেওয়ানী মোকদ্দমার স্তরসমূহ: - সৈয়দা আমিনা ফারহিন
- Image এর খোঁজে, শেঁকড়ের টানে - TinEye
- নাফিস ইফতেখার
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা - পিএইচডি নাকি মাস্টার্স - রাগিব
- রোড টু স্কলারশিপ - ১ - ফাজিল
- গুগল নিয়ে ঘাঁটাঘাটি - ফিউশন ফাইভ
- আত্মার খুব কাছাকাছি কিছু - অগ্নিলা
- মনের জানালা-২ (আপনার সমস্যা এবং সমাধান) - আউলা
- অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ভাইয়ার জন্মদিনে শুভেচ্ছার ফুলঝুড়ি - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ছোট্ট নিশি এবং তার হতভাগ্য পিতা - ড়ৎশড়
- [sbযে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - িক
- পুরোনো কিছু বিজ্ঞাপন - সংবাদপত্রে প্রকাশিত ( ২য় পর্ব ) - বল্টু মিয়া
- বাংলার ভূ-স্বর্গ (ছবি ব্লগ) - দুখী মানব
- নীরা আর অদিতির গল্প, তাদেরকে ভালোবাসা - ড়ৎশড়
- ডাটা রিকভারি টুল দিয়ে আপনার স্ক্র্যাচ পরা CD/DVD থেকে ডাটা উদ্দার করুন - মঈনউদ্দিন
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- বাংলাদেশের চলচিত্র নিয়ে সাতকাহন [কিছু দুর্লভ ছবিসহ] (প্রথম পর্ব) - ধীবর
- বাংলা কম্পিউটিং নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা – কিছু বাস্তবসম্মত প্রস্তাব - শাহ্ আসাদুজ্জামান
- আসুন নিজে নিজে বাংলা কিবোর্ড বানাই - মারূফ মনিরুজ্জামান
- যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-২ -৩ - আলী
- ব্লগারদের বই নিয়ে আহমাদ মোস্তফা কামালের রিভিউ : ছাপা কাগজে একটুকরো 'ব্লগ' - ফিউশন ফাইভ
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শুরু করবেন যে ভাবে, পর্ব-৪ - হাসমত০০৯
- আমেরিকা আমেরিকা - ০১ (মানুষগুলো)। - নরাধম
- ** বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য ও ভাস্কর্য এর অন্তনিহিত ইতিহাস : পর্ব - ০১ ** - একান্ত কথা
- ছাত্র সাংগঠনের কর্মকান্ড কি শুধু মাত্র ছাত্রদের দাবী দেওয়া নিয়ে সীমাবদ্ধ থাকবেঃ University of Alabama এর অভিজ্ঞতা । - ভিন্ন চিন্তা
- ১৯৭১ এর নভেম্বর ডিসেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ - ৩ : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ৯ - মিরাজ
- হালচাল...অনেকদিন পরের কিছু গল্প... - গোলাপি
- একটি আধা জঘন্য ব্লগীয় চিঠি (সংশ্লিষ্টরা কিছু মনে করবেন না প্লিজ!) - ফিউশন ফাইভ
- বিশ্বায়নকালে মিডিয়া: বড়ো দানবদের ছোট্ট দুনিয়া - ফাহমিদুল হক
- ৬৭তম গোল্ডেন গ্লোব এ্যাওয়ার্ড এবং কিছু কাটা-ছেঁড়া - নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী
- ব্লগ আইডল: ব্লগবাজিতে পারঙ্গম বন্ধুরা!!
- এরশাদ বাদশা
- মুভি বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- আপনার দেখা টপ ৫০ কমেডি মুভির লিষ্ট দেন দেখমু - মোতাব্বির কাগু
- বুদ্ধিজীবী হত্যা:১৯৭২ সালের ৩০ শে জানুয়ারি জহির রায়হান মারা যাননি। - আরিফ সিদ্দিকি
- যুদ্ধাপরাধ ও ট্রাইব্যুনাল : ভূমিকা ও ইতিহাস - জোবাইর
- আর মাত্র পঞ্চাশ মিনিট বাকি - শাহরিয়ার নির্জন
- ‘ক্ষুধার্ত এবং বোকা’ একজন অসামান্য মানুষ - দীপান্বিতা
- দেবদূতের বিবাহনামা ----- ৬ - শান্তির দেবদূত
- ফ্রি লাইব্রেরী: ঘরে বসে পড়ুন - বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!!
- জীবনানন্দের মৃত্যু রহস্য - আহমদ আবদুল হালিম
- ইন্টারনেটের বিশাল তথ্যভান্ডার থেকে আপনার কাঙ্খিত তথ্যটি খুঁজে পাওয়ার কয়েকটি সহজ এবং ইউসফুল ট্রিক্স। - হোরাস্
- বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য ঘটনা (সায়েন্স ফিকশান প্রেমীদের অবশ্য পাঠ্য!
) - বোহেমিয়ান কথকতা
- সেরা রোমান্টিক মুভি - শওকত হোসেন মাসুম
- পিচ্চিকালের প্রিয় প্রিয় খাবার গুলো
- বাবুনি সুপ্তি
- ভালবাসার যত বিজ্ঞাপন... - অ্যামাটার
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা -- আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু তথ্য - রাগিব
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- মহাকালের মহাপথিক : জীবনানন্দ - চতুষ্কোণ
- মামা কাহিনী
- চতুষ্কোণ
- 'অশ্রুপাত শেষ হলে নষ্ট করো আঁখি' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, আমাদের গলাবাজি, আমাদের দায়িত্ববোধ - শওকত হোসেন মাসুম
- অতঃপর আড্ডা নিয়ে একটি পদ্য... - সুনীল সমুদ্র
- ২ অক্টোবরের ব্লগ আড্ডা সংকলন - গোয়েবলস
- ছবিই সব কথা বলে আড্ডার - আরিয়ানা
- ব্লগ আড্ডা - বৃষ্টি ভেজা চমৎকার একটি সন্ধ্যা - শ।মসীর
- চোরকাঁটার আড্ডা দর্শন
- চোরকাঁটা
- ভ্রমে বিভ্রমে ভ্রমণ ২ - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- কিছু করার চেষ্টা - বাবুনি সুপ্তি
- আদিবাসী সুর, আদিবাসী গান - ভাঙ্গা পেন্সিল
- ছবির হাটে চাঁদের হাট - ব্লগার দের আড্ডা - শ।মসীর
- জটিল আড্ডা...........!! - স্পর্শহীন কিছুদিন
- মানুষ আসলেই একা! - শফিউল আলম ইমন
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- সম্পর্কের গভীরতা - জ্বিনের বাদশা
- যে শহরে তুমি আছো, কি করে খবর সেথা পৌছে দেই! - কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি
- ...................... এবং ১০০ - ফারহান দাউদ
- ব্লগ পরিবারে একটি বছর - অপ্সরা
- ৫০ তম পোস্ট ...... অনিতাদি, ক্ষমা করো যদি ইচ্ছে হয় ..... - হনলুলু
- স্ক্রীপ্ট রাইটিং পর্ব-এক - রন্টি চৌধুরী
- রিকশা: সংক্ষিপ্ত ইতিহাস - ইমন জুবায়ের
- অসাধারণ কিছু জিমেইল ফিচার: জিমেইল গাইড- পর্ব:১ - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- Where father is a fictitious character..... - নিবিড় অভ্র
- বরষা বন্দনা - ফেরারী পাখি
- ফায়ারফক্সের কিছু জসিলা এডন
- কাঙাল মামা
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- সামুব্লগ বিবাহ - ৬ - আউলা
- ভরা বর্ষায় কড়া বৈশাখী খানা - অপ্সরা
- বহুব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় কিছু শব্দের শুদ্ধ বানান - জোবাইর
- প্রেমাবেগ
(লিখেছেন: চানাচুর) - চানাচুর
- এই ব্লগ সেই ব্লগ; নস্টালজিক প্যাঁচাল....- ডেডিকেটেড টু অল দ্যা নিউ ব্লগার.. - এরশাদ বাদশা
- এই আমি তোমার জন্য। - ফেরারী পাখি
- জ্বর আসতেছে .....
এইটা একটা সিরিয়াস পোস্ট
- হনলুলু
- শতবর্ষ আগের ঢাকা - মামুনুর রহমান খাঁন
- ঢাকার অনেক পুরাতন কিছু ছবি!! দেখুন ও শেয়ার করুন
- বজ্রাহত
- আমার ভিনদেশি তারা - চন্দ্রবিন্দু - মিঠি
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আমার নিশীথ রাতের বাদলধারা - বরুণা
- সামহোয়ারইন, স্প্যামার ঠেকাতে আইপি হ্যাশ প্রকাশ করুন - তর্পন
- সাইবার ক্রাইম : আমরা কতটা প্রস্তুত? - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- ভার্চুয়াল ও ননভার্চুয়াল ক্ষেত্র থেকে সামহোয়ারইনব্লগ কর্তৃপক্ষের ব্লগ রূপরেখা এবং এর ব্লগ, ব্লগার ও ক্রমঃবিবর্তিত পরিচালন পদ্ধতি - কৌশিক
- ব্লগ কী? - ফাহমিদুল হক
- স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে নিয়ে আমার জীবনের প্রথম লেখা (মুক্তিযুদ্ধে যারা বাবা হারিয়েছ তোমাদের সবার জন্য উৎসর্গ) - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কেভিন কার্টারের ছবি এবং রুদ্রের কবিতার শকুন - তর্পন
- কিংবদন্তী ঢাকার মসলিন (শেষপর্ব) - প্রিয়তমা
- সুনীল সমুদ্রের ক্যামেরায় ও কমিকস-এ এবারের পিকনিক - সুনীল সমুদ্র
- আজকের প্রথম আলোতে ব্লগ প্রসঙ্গ এবং আবার 'ফিরে দেখা '৭১' - ব্রিগেড সিক্সটিন
- ৯৯.৯% কষ্টের জীবন - আকাশনীল
- বসুন্ধরা অগ্নিকান্ড ও আমাদের সচেতনতা - পারভেজ
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- ব্লগারদের পছন্দের সেরা কিছু রোমান্টিক বাংলা গান। - নিঃসঙ্গ
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- সিয়েরালিওনের বিশেষ আদালত- রাজাকারদের বিচারেরর দিক নির্দেশনা - মেঘ
- বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রেম - ২৭ - কৃষক
- ছোটগল্পঃ আলো-ছায়ার ওপাড়ে - মোস্তাফিজ রিপন
- ...অসমাপ্ত দিনের গল্প। - ...অসমাপ্ত
- * * * ..শাড়ীর আঁচলে রক্তে লেখা একদিন.. * * * - অনন্ত দিগন্ত
- যারা আইবিএ-তে ভর্তি পরীক্ষা দিবেন তাদের জন্য উপদেশনামা!! - নরাধম
- বৃষ্টিস্নাত এই সব দিবারাত্রি - ইরতেজা
- মূলধারা '৭১।। ২৫ মার্চের কালো রাত্রি ও তাজউদ্দিনের ভারত আগমন - শওকত হোসেন মাসুম
- আমরা যারা ভালবাসা খুঁজি... - ...অসমাপ্ত
- আপনার শোনা বাংলা বেস্ট রোমান্টিক গান কোনটা ? - নিঃসঙ্গ
- ফুলের নাম - বীণা - রাজামশাই
- ফ্রি ওয়েবসাইট আর অনলাইনে টাকা কামানোর রহস্য - হাসান
- বর্ষপূর্তিতে আমার দু'কলম - রুখসানা তাজীন
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- গল্পঃ স্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ : অনিবার্য ছিলো, আকস্মিক নয় - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল কিস্তি ২ - চোরকাঁটা
- আমরা বিজয় দেখেছি খালি চোখে - আমরা বিজয় দেখছি দূরবীনে ! - মনজুরুল হক
- একরামুল হক শামীমের অপেক্ষা গল্পটি পড়ে তাকে উপহার স্বরূপ - সামী মিয়াদাদ
- দেশে বাল্য বিবাহের প্রকোপ আশংকাজনক হারে বেড়ে যাচ্ছে [উৎসর্গ : একরামুল হক শামীম] - বিষাক্ত মানুষ
- পঞ্চ ইন্দ্রিয় - পারভেজ
- দশ ব্লগাররে লইয়া খভিতা একটা কইরা মাইনাচ দিয়া যান - সৌপ্তিক
- দুই জেডারে পাইছিলাম পথে... একটি সেমি/ কোয়ার্টার আড্ডা ! - ঘাসফুল
- Search Engine Optimization – এ হাতেখড়ি (পর্ব ১) - হাসান
- টুকরো টুকরো ভালবাসা - ১৩ - মুনতাসীর মারুফ
- ঘুম - ভাঙ্গা পেন্সিল
- মি, মাইসেল্ফ এ্যান্ড পরী - ধূসর মেঘমালা
- রাখালী কাব্য - নাদান
- প্রণয় এবং বিচ্ছেদের অবশ্যম্ভাবিতাঃ একটি ময়নাতদন্ত - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- চিটি আপুর বর্ষপূর্তিতে আমারা .................
- নিহন
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- কাঁদছে স্মৃতি--কে দেবে গো -- মুক্তি দেবে তারে! - শেরিফ আল সায়ার
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- কোরআনের সংরক্ষণ।-১ - কুম্ভকর্ণ
- গলা ছেড়ে বলতে চাই - সবাক
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- যে দিন আমি মায়ের সমান হবো - রাগ ইমন
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- বাংলা স্পেলচেকিং - কিছু ওপেন সোর্স প্রজেক্ট - আছহাবুল ইয়ামিন
- নতুন করে ভাবি- কতোটা মন পুড়ে গিয়ে হয় নিঃশেষ!!! - একরামুল হক শামীম
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- একজন বয়স্ক ভদ্রলোকের জন্মদিন

- আউলা
- আজ চমৎকার একটি আড্ডা হয়ে গেল - মিলটন
- শেষচিঠি - অপ্সরা
- পুনর্জন্ম ......... (ফ্যান্টাসী ছোট গল্প) - শান্তির দেবদূত
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -১(GMAT)। - কুম্ভকর্ণ
- শিরোনামহীন ০ (শূন্য) - রাতমজুর
- কিছু ব্যক্তিগত দীর্ঘশ্বাস ............ - হনলুলু
- ~আমার স্বপনের বাহন~/উৎসর্গ: একরামুল হক শামীম - বিবর্তনবাদী
- একটি চন্দ্র বালিকার গল্প। - নাদান
- আমাদের মায়েরা (মা দিবসে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ) - একরামুল হক শামীম
- আমি তোমাকেই বলে দিবো, কিযে একা দীর্ঘ রাত আমি হেটে গেছি বিরাণ পথে - একরামুল হক শামীম
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- প্রিয় ব্লগের প্রিয় ব্লগারদের প্রিয়তমার প্রিয় কিছু কথা - প্রিয়তমা
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- কাজলাদিদি .............. উতসর্গ আউলাদি - হনলুলু
- না এলেই ভালো হতো...! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- চির উন্নত শির(আজ আমাদের জাতীয় কবির ১০৯তম জন্মবার্ষিকী,বাংলা ১১ই জৈষ্ঠ হিসেবে আগামী কাল-ও){ছবি ব্লগ} . - অ্যামাটার
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- চিকনমিয়ার বিয়ে - আউলা
- আমি , যে কোনদিন মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি .......... - হনলুলু
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- ডাউনলোড Radio Foortie's Top 100 Songs!(শ্রোতাদের ভোট এ-২০০৭) - ধূসরিত স্বপ্ন গুলো
- বাংলাদেশের গান - যূঁথী
- জীবন একটা গম্ভীর বিদ্রুপ! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- প্রিয় ব্লগারদের লেখার সন্ধানে.... - একরামুল হক শামীম
- ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ!! বৈশাখী সংকলন ১৪১৫: অনুমতি প্রদান ও লেখার লিঙ্ক দেবার জন্য আহবান - রাশেদ
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন........ - শফিউল আলম ইমন
- সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা... - নোটিশবোর্ড
- প্রথম আলো ব্লগ : অভিনন্দন মাহবুব মোর্শেদ ভাই - বাউণ্ডুলে
- যে রাতটি আমার নির্ঘুম কাটে - সামী মিয়াদাদ
- তোমাদের কাছে এই আহ্বান... এগিয়ে এসো বাঁচাতে কিছু প্রাণ... নির্বিশেষ... বাংলাদেশ, বাংলাদেশ (উৎসর্গ- জর্জ হ্যারিসন) - একরামুল হক শামীম
- জনৈক জ্ঞানী মানুষের সাথে কথোপকথন এবং কিছু সিদ্ধান্ত। - নির্বাসিত
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- সামহোয়্যারের ব্লগার বন্ধুরা...এই কথাগুলো শুনুন...এই কলংক যেন আমাদের স্পর্শ না করে... - মুকুল
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের তালিকা - ফারহান দাউদ
- কেন লিখিনা - সামী মিয়াদাদ
- বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েব সাইট - ক্যামেরাম্যান
- রাত বিরাতের আড্ডা - একরামুল হক শামীম
- চড়ুইভাতি, ঘুমকাতুরে আমি, বাসের যাত্রা, প্রাগৈতিহাসিক জায়গা, ক্ষুধায় কান্ত আমরা, আনলাকি লটারি, কষ্টকর ফিরে আসা এবং অতঃপর মাইনাচ (একটি পিকনিকীয় পোস্ট) - একরামুল হক শামীম
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- নিশীথ রাতের ব্লগার এবং কিছু কথা - একরামুল হক শামীম
- সাময়িক পোষ্ট: আপনার জন্মদিন কবে?? (সবাইকে অংশগ্রহন করার বিনীত অনুরোধ) - শফিউল আলম ইমন
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- আয় করুন Google Adsense এর মাধ্যমে - গাজী মো: সাইফুল ইসলাম
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- সামহোয়ারইনব্লগ-এ আমার দরকারী পোস্ট - একরামুল হক শামীম
- আমাদের মিলগুলো - একরামুল হক শামীম
- আমার শততম পোস্ট - একরামুল হক শামীম
- বন্ধুত্বের সেরা দশ বই এবং অন্যান্য - একরামুল হক শামীম
- বাবা তোমায় ভালোবাসি - একরামুল হক শামীম
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার আইনটির {দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট, ১৯৭৩} বাংলা অনুবাদ - প্রথম পর্ব
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসররা ইতিহাসের জঘন্যতম যুদ্ধাপরাধ সংগঠিত করেছিল। সেই সময়টাতে প্রতিটি যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক প্রায় প্রতিটি আন্তর্জাতিক আইন, বিধিমালা এবং ঘোষণাপত্র ভঙ্গ করেছে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসররা। Universal Declaration of Human Rights 1948 এর আর্টিকেল ২,৩,৫,৭,৯,১৭,১৮ এবং ১৯ ভঙ্গ করেছে তারা। International Covement on Civil and Political Right এর আর্টিকেল ৬, ৭, ১৬, ১৮ ভঙ্গ করেছে তারা। Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide এর আর্টিকেল ভঙ্গ করা হয়েছে। এতোকিছুর পরও দীর্ঘ সময়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয় নি। বিভিন্ন সময় যুদ্ধাপরাধদের বিচারে সোচ্চার হয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আইন করেছেন। কিন্তু আইনের মাধ্যমে ট্রাইবুন্যাল গঠন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়নি আজতক।
বর্তমানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য রয়েছে "দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট, ১৯৭৩। এর সাপোর্ট হিসাবে আছে বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭(৩) অনুচ্ছেদ। ১৯৭৩ সালের এই আইনটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা হয়েছে, যুদ্ধাপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। আমার জানামতে এই আইনটির কোন বাংলা ভার্সন এখনো পর্যন্ত হয় নি। যেহেতু যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য এই আইনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই এটি সমন্ধে সাধারণ ধারণা থাকা জরুরী। এজন্যই আইনটির বাংলা করা হলো। আমাদের প্রচলিত বাংলা আইনগুলোতে সাধু ভাষা ব্যবহার করা হয়। তবে এই আইনটি অনুবাদ করার ক্ষেত্রে চলতি ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
অনুবাদ কাজে সর্বাত্নক সহযোগিতা করেছেন সহব্লগার নাঈম ভাই। নাঈম ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
##########
আইনটির আনঅফিসিয়াল বাংলা ভার্সন :
আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল)আইন, ১৯৭৩
নিম্নোক্ত আইনটি ১৯শে জুলাই,১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির সম্মতিপ্রাপ্ত হয় এবং তদানুসারে সাধারণ তথ্যের জন্য প্রকাশিত হয়ঃ ১৯৭৩ এর আইন নং ১৯
গণহত্যা, মানবতার বিরোদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের অপরাধী ব্যক্তিদের আটক করা, ফৌজদারিতে সোপর্দ করা এবং দন্ডদানের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
যেহেতু গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধ এবং এর সাথে সম্পর্কিত অপরাধের অপরাধীকে আটক করা, ফৌজদারিতে সোপর্দ করা এবং দন্ডদানের বিধান করা সমীচীন;
সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হলো :
১. সংক্ষিপ্ত শিরোনামা, ব্যাপ্তি এবং প্রবর্তন :
(১) এই আইন আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন,১৯৭৩ নামে অভিহিত হবে।
(২) এটি সমগ্র বাংলাদেশব্যাপী বিস্তৃত হবে।
(৩) এটি একসাথে বলবৎ হবে।
২. সংজ্ঞাঃ
বিষয় অথবা প্রসঙ্গের বিরোধী কোন কিছু না থাকলে, এই আইনে
ক) “সহযোগী বাহিনী” বলতে সামরিক অভিযান, প্রশাসনিক, স্থিতিশীল এবং অন্যান্য কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য নিয়োজিত স্বশস্ত্র বাহিনীর অধীনে থাকা সাহায্যকারী শক্তি অন্তর্ভুক্ত;
খ) “সরকার” অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার;
গ) “প্রজাতন্ত্র” অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ;
ঘ) “চাকুরী আইন” অর্থ সেনাবাহিনী আইন (১৯৫২ সালের ৩৪ নং আইন), বিমানবাহিনী আইন,১৯৫৩ (১৯৫৩ সালের ৬ নং আইন) অথবা নৌবাহিনী অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (১৯৬১ সালের ৩৫) এবং তাদের যেকোন একটির অধীনে প্রণীত বিধি ও প্রবিধান;
ঙ) “বাংলাদেশের সীমানা” অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে সংজ্ঞায়িত প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা;
চ) “ট্রাইবুনাল” অর্থ এই আইনের অধীনে গঠিত ট্রাইবুনাল।
৩. ট্রাইবুনালের এখতিয়ার এবং অপরাধসমূহ :
(১) যেকোন স্বশস্ত্র বাহিনী, প্রতিরক্ষা অথবা সাহায্যকারী বাহিনীর সদস্য হয়ে, বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে নিচের যেকোন অপরাধ সংগঠন অথবা সংগঠিত করে থাকলে, জাতীয়তা নির্বিশেষে যেকোন ব্যক্তিকে বিচার এবং শাস্তি দেয়ার ক্ষমতা ট্রাইবুনালের থাকবে।
(২)নিম্নোক্ত কাজসমূহ অথবা তাদের মধ্যে যেকোন একটি ট্রাইবুন্যালের এখতিয়ার অনুযায়ী অপরাধ হবে, যার জন্য ব্যক্তিগত দায়ভার থাকতে পারে,
যথা :
(ক)মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ : যথা, হত্যা, নিশ্চিহ্ন করণ, দাসকরণ, নির্বাসিত করা, কারারুদ্ধ করণ, অপহরণ, অবরোধ, নির্যাতন, ধর্ষণ অথবা বেসামরিক নাগরিকদের উপর অন্যান্য অমানবিক কাজ পরিচালনা করা অথবা সংগঠিত হওয়ার স্থানের অভ্যন্তরীন আইন ভঙ্গ করে বা না করে রাজনৈতিক, গোত্রগত, জাতিগত অথবা ধর্মীয় কারনে অভিশংসন করা।
(খ) শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ : যথা, আগ্রাসনমূলক যুদ্ধের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, সূত্রপাত করা বা লিপ্ত হওয়া অথবা আন্তর্জাতিক চুক্তি, ঐক্যমত্য বা নিশ্চয়তাসমূহের লঙ্ঘন করে যুদ্ধ করা;
(গ) গণহত্যাঃ কোন জাতীয়, গোত্রগত, গোষ্ঠীগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত যেকোন কাজ, অংশত বা পূর্ণত সংগঠিত করা বুঝাবে এবং অন্তভূক্ত হবে, যেমনঃ
১) দলের সদস্যদের হত্যা করা;
২) দলের সদস্যদের দৈহিক বা মানসিক দিক থেকে গুরুতর ক্ষতি করা;
৩) ইচ্ছাকৃতভাবে আংশিক বা পূর্ণভাবে দৈহিক ধ্বংস সাধনের পরিকল্পনা করে দলীয় জীবনে আঘাত হানা;
৪) দলের মধ্যে জন্মরোধ করার লক্ষ্যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ;
৫) এক দলের শিশুদের জোরপূর্বক অন্য দলে স্থানান্তর করা;
ঘ) যুদ্ধাপরাধঃ যুদ্ধের আইন বা প্রথা ভঙ্গ করা, এতে অন্তর্ভুক্ত তবে সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে বেসামরিক লোকদের হত্যা, তাদের প্রতি নির্দয় আচরণ অথবা ক্রীতদাসের মতো শ্রম বা অন্য যেকোন কাজে নিয়োজিত করা; যুদ্ধবন্দী বা নাবিকদের হত্যা বা তাদের প্রতি নির্দয় আচরণ করা, জিম্মী এবং বন্দীদের হত্যা করা, সরকারি এবং বেসরকারি সম্পত্তি বিনষ্টকরণ, ইচ্ছাকৃতভাবে নগর, শহর বা গ্রামের ধ্বংস সাধন করা অথবা সামরিক প্রয়োজনকে ন্যায্যতা দেয় না এমন ধ্বংসযজ্ঞ করা;
ঙ) ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনে বর্ণিত সামরিক সংঘর্ষে প্রয়োগযোগ্য যেকোন মানবিক বিধিমালার লঙ্ঘন;
চ) আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অন্য যেকোন অপরাধ;
ছ) এরকম অপরাধ সংগঠন করার জন্য ষড়যন্ত্র এবং সহায়তা করা;
জ) এ ধরণের অপরাধ ঘটন রোধ করতে ব্যর্থ করা বা এর সাথে সহযোগিতা করা।
#######
আইনটির মুল ইংরেজি ভার্সন :
THE INTERNATIONAL CRIMES (TRIBUNAL) ACT 1973
The following Act of Parliament received the assent of the President on the 19th July 1973 and is hereby published for general information:
ACT NO XIX OF 1973
An Act to provide for the detention, prosecution and punishment of persons for genocide, crimes against humanity, war crimes and other crimes under international law.
Whereas it is expedient to provide for the detention, prosecution and punishment of the persons for genocide, crimes against humanity, war crimes and other crimes under international law and for matters connected herewith;
It is hereby enacted as follows:
1. Short title, extent and commencement. -
(1) This Act may be called the International Crimes (Tribunals) Act 1973.
(2) It extends to the whole of Bangladesh.
(3) It shall come into force at once.
2. Definition. -
In this Act, unless there is anything repugnant in the subject or context. -
(a) “Auxiliary forces” includes forces placed under the control of the Armed Forces for operational, administrative, static and other purposes;
(b) “Government” means the Government of the People’s Republic of Bangladesh;
(c) “Republic” means the People’s Republic of Bangladesh;
(d) “Service law” means the Army Act (XXXIX of 1952), the Air Force Act, 1953 (VI of 1953), or the Navy Ordinance, 1961 (XXXV of 1961) and includes the rules and regulations made under any of them;
(e) “Territory of Bangladesh” means the territory of the republic as defined in article 2 of the Constitution of the People’s Republic of Bangladesh;
(f) “Tribunal “ means a Tribunal set up under this Act.
3. Jurisdiction of Tribunal and crimes. –
(1) A Tribunal shall have power to try and punish any person irrespective of his nationality who, being a member of any armed, defence or auxiliary forces commits or has committed in the territory of Bangladesh, whether before or after the commencement of this act, any of the following crimes.
(2) The following acts or any of them are crimes within the jurisdiction of a Tribunal for which there shall be individual responsibility, namely:-
(a) Crimes against Humanity: namely, murder, extermination enslavement, deportation, imprisonment,
abduction, confinement, torture, rape or other inhumane acts committed against any civilian population or prosecutions on political, racial, ethnic or religious grounds whether or not in violation of the domestic law of the country where perpetrated;
(b) Crimes against Peace: namely planning, preparation, initiation or waging of a war of aggression or a war in violation of international treaties, agreements or assurances;
(c) Genocide: meaning and including any of the following acts committed with intent to destroy in whole or in part, a national ethnic, racial, religious or political group, as such:
(i) killing members of the group;
(ii) causing serious bodily or mental harm to members of the group;
(iii) deliberately inflicting on the group conditions of life calculated to bring about its physical destruction in whole or in part;
(iv) imposing measures intended to prevent births within the group;
(v) forcibly transferring children of the group to another group;
(d) War Crimes: namely, violation of laws or customs of war which include but are not limited to murder, ill-treatment or deportation to slave labour or for any other purpose of civilian population in the territory of Bangladesh; murder or ill-treatment of prisoners of war or persons on the seas, killing of hostages and detenues, plunder of public or private property, wanton destruction of cities, towns or villages or devastation not justified by military necessity;
(e) Violation of any humanitarian rules applicable in armed conflicts laid down in the Geneva Convention
of 1949;
(f) Any other crimes under international law;
(g) Attempt abatement or conspiracy to commit any such crimes;
(h) Complicity in or failure to prevent commission of any such crimes.
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিমা গুরু ![]()
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
শামীম ভাই, চালিয়ে যান। আছি সাথে।পরশুদিন আপনাকে আমি ডিপার্টমেন্টে প্রথম দেখলাম। একজন আপনাকে চিনিয়ে দিল। কিন্তু সামনাসামনি হইনি। এত ভাল মানের একজন লেখকের মুখোমুখি হতে নারভাস লাগছিল...
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: হা হা হা। নেক্সট টাইম দেখা করো। ![]()
ভালো থেকো তুমিও।
বিডি আইডল বলেছেন:
আইন যারা বুঝেন কেউ বলতে পারবেন কি এই আইনে (যেখানে বাংলাদেশের মধ্যে সংঘঠিত অপরাধের কথা বলা হয়েছে এবং ১৬ ই ডিসেম্বর ১৯৭১ এর আগে এই নামে দেশ ছিল না) যুদ্ধকালীন সময়ে সংঘঠিত অপরাধ সমূহ আনা যাবে কিন?যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হবে তাদের কোন সহকারী সংঘঠনের সদস্য প্রমাণ করতে হবে কিনা?
কাজটির জন্য সাধুবাদ..আমি আগে দেখিনি এই আইন
লেখক বলেছেন:
১.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছে ১৬ ডিসেম্বরের আগেই। ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ। কিন্তু চুড়ান্ত বিজয় এসেছে ১৬ ডিসেম্বর। সতরাং এটি কোন বাধা হতে পারে না যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে।
২.
অভিযোগ আনার প্রক্রিয়া আইনেই বিস্তারিত আছে। সেখানে অপরাধী এবং তাদের সহযোগীদের বিচারের কথা আছে।
আসুন এই আইন অনুযায়ী রাজাকার বাহিনী কিভাবে সহযোগী বাহিনী তা দেখি।
সংবিধানের ৪৭(৩) ধারা এবং The International Crimes (Tribunals) Act 1973 দুই জায়গাতেই auxiliary forces এর কথা বলা হয়েছে। এই auxiliary forces এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে 1973 সালের আইনের 2(a) ধারায়। সেখানে বলা হয়েছে-
“auxiliary forces” includes forces placed under the control of the Armed Forces for operational, administrative, static and other purpose.
সংজ্ঞার control of the Armed Forces কথাটি মনে রাখি এবং পরবর্তীতে রাজাকার বাহিনী গঠনের দিকে দৃষ্টিপাত করি। ১৯৭১ সালের ২ আগস্ট রাজাকার বাহিনী গঠিত হয় The East Pakistan Razakars Ordinance, 1972 এর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি গেজেট নোটিফিকেশনের ( No. 4852/583/PS-1y/3659/D-2A) মাধ্যমে রাজাকার বাহিনীকে সরাসরি পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর অধীনে আনা হয়। গেজেট নোটিফিকেশনের (b) clause টি লক্ষ্য করি-
The officer of the Pakistan Army under whose command any member of the Razakarsis placed shall exercise the same powers in relation to that mwmber as he is authorized to exercise under the side Act in relation to a member of the Pakistan Army place under his command.
সুতরাং রাজাকার বাহিনী অক্সিলারী ফোর্স।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
এই অসাধারন কাজটির জন্যই এতোদিন অফ ছিলেন শামীম ভাই? আসলে আমাদের এবার যে কাজটি করা উচিত তা হচ্ছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ক আইনগত দিকটি ঘেঁটে দেখা। যদিও কাজটি সরকারের। কিন্তু আমরা না গুঁতোলে তাদের টনক নড়বেনা। এ বিষয়ে আপনার কাছ থেকে আরো পোস্ট আশা করছি। পোস্টটি এখনও স্টিকি করা হয়নি কেন, সে চিন্তাই করছি।
লেখক বলেছেন: এতোদিন অন্যান্য কিছু কাজেও ব্যস্ত ছিলাম। ধন্যবাদ এরশাদ বাদশা ভাই।
হুমমম আমাদেরও উচিত বিচার বিষয়ক আইনগত দিক ঘেঁটে দেখা।
মনির হাসান বলেছেন:
আপনার পোস্টটি প্রিন্ট নিতে চাই ... যুদ্ধাপোরাধীর বিচার দাবীতে আমাদের একটা ছোট গ্রুপ আছে .. সেখানে পাঠের জন্য ...অসুবিধা নেই তো ... ?
লেখক বলেছেন: কোন অসুবিধা নেই। আপনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে দাবিতে সোচ্চার এমন সকল ক্ষেত্রে এবং সকল প্ল্যাটফর্মে এই পোস্ট ব্যবহার করতে পারেন।
ধন্যবাদ আপনাকে।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
@বিডি আইডল,আমার ভাবতেই অবাক লাগে যে, আপনি লিখেছেন যে, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের আগে বাংলাদেশ নামক কোন দেশ ছিলনা। তাহলে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার আসল কোন ক্ষমতা বলে?
আসল কথা হল, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে "বাংলাদেশ" নামক একটি রাষ্ট্র সৃস্টি করা হয়। আর এ রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
আপনি আরেকটি প্রশ্ন করেছেন যে, এই আইনের অধীনে যুদ্ধকালীন অপরাধের বিচার করা যাবে কিনা। হ্যাঁ, যাবে। আমাদের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫ (১)-এ বলা আছে যে, অপরাধ সংঘটনকালে যে আইন প্রচলিত ছিল, সেই আইনের অধীনে অভিযুক্তকে বিচার করতে হবে। অর্থাৎ অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরে আইন প্রনয়ণ করে অপরাধীকে বিচার করা যাবে না। কিন্তু অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীরা যাতে উক্ত অনুচ্ছেদ ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য বঙ্গবন্ধু সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে অনুচ্ছেদ ৪৭ক সংবিধানে সংযোজন করে। এ অনুচ্ছেদে বলা আছে যে, যারা গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী গর্হিত কাজে লিপ্ত হবে, তাদের জন্য অনুচ্ছেদ ৩৫ (১) প্রযোজ্য হবে না। যার কারণে এখনো ইচ্ছে করলে সরকার নতুন করে আইন প্রণয়ন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারে। যদিও আমি ব্যক্তিগতভাবে তার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি না। কেননা, "আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল)আইন, ১৯৭৩"- এই আইনটিই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য যথেষ্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে।
বিডি আইডল বলেছেন:
শামীম ভাই বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। একটা দুর্বলতা চোখে পড়ছে...তাহলে কাউকে যদি অক্সিলারী ফোর্সের সদস্য প্রমাণ করা না যায়..আইনটি কি প্রয়োগ হবে? আমার ধারণা যাদের আমরা যুদ্ধাপরাধী বিশ্বাস করা তারা সহ অনেকই রাজাকার/আলবদর এর সদস্য প্রমাণ করা কঠিন হবে
লেখক বলেছেন: আচ্ছা, বিষয়টা মনে হচ্ছে আপনি পুরোটা বুঝতে পারেন নি। এই আইনের অধীনে বিচার করতে হলে অক্সিলারী ফোর্সের সদস্য হতে হবে এমনটা নয়। তৃতীয় ধারায় বেশ কিছু অপরাধের কথা বলা হয়েছে। তার যেকোন একটি অপরাধের অপরাধী হলে বিচার করা যাবে এই আইন অনুসারে।
আপনাকে ধন্যবাদ।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
আমার এক নব্য রাজাকার বন্ধু (শিবির) এর সাথে সম্প্রতি এই আইন নিয়ে কথা হচ্ছিল। সে আবার ল তে পড়ছে। সে বললো , আরে ধুর রাখ ওয়ার ক্রাইম ট্রাইবুনাল আইন। আমি বললাম কেন ? কি হইছে ? ডরাইছ ?সে বললো না, আসল কথা হচ্ছে। বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হইছে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে। তাই ৭১ এর কোন অপরাধের জন্য এই আইনের কার্যকারিতা নাই।
তাছাড়া ৭১ এক্সাক্টলি কতজন মানুষ মারা গেছে কোন কোন বাহিনীর হাতে কতজন, তার ও কোন হিসাব নাই। এছাড়া জাতিসংঘ ও ৭১ এর হত্যাকান্ড কে জেনোসাইড বা গনহত্যা বলে নাই। তাই তোমাদের এই সব আইন দিয়ে কাজ হবেনা।
ওই পিচ্চি রাজাকারটার ওইসব প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে পারি নাই। আপনি কি একটু হেল্প করবেন।
লেখক বলেছেন: প্রশ্নগুলোর জবাব দেওয়ার আগে বলে নেই, আপনি দয়া করে সেই ছেলেটার পরিচয় দেন। আমি তার সাথে দেখা করতে চাই।
১.
বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়েছে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে। তাই ৭১ এর কোন অপরাধের জন্য এই আইনের কার্যকারিতা নাই।
এর ব্যাখা-
The International Crimes (Tribunals) Act 1973 এর Jurisdiction অর্থাৎ বিচারের এখতিয়ার আলোচিত হয়েছে আইনটির ৩(১) ধারায়। সেখানে বলা হয়েছে-
“ A tribunal shall have the power to try and punish any person irrespective of his nationality who, being a member of any armed, defence or auxiliary force commits or has committed, in the territorry of Bangladesh, whether before or after the commencement of this Act, any of the following crimes.”
উপরিউক্ত ধারাটির দুটি কি লক্ষ্য করি।বলা হয়েছে any person irrespective of his nationality আবার বলা হয়েছে whether before or after the commencement of this Act; অর্থাৎ যেকোন দেশের নাগরিককে এই আইনের মাধ্যমে বিচার করা যাবে। পাশাপাশি অপরাধ এই আইন প্রণয়নের আগে কিংবা পরে যে সময়ই হোক না কেন, অপরাধের বিচার সম্ভব এই আইনের মাধ্যমেই।
লক্ষ্য করুন - অপরাধ এই আইন প্রণয়নের আগে কিংবা পরে যে সময়ই হোক না কেন, অপরাধের বিচার সম্ভব এই আইনের মাধ্যমেই।
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭(৩) অনুচ্ছেদ অন্তভূক্ত করা হয়। এই অনুচ্ছেদটির দিকে দৃষ্টি দেয়া যাক -
“ Notwithstanding anything contained in this Constitution, no law nor any provision thereof providing for detention , prosecution or punishment of any person, who is a member of any armed or defence or auxiliary forces or who is a prisoner of war, for genocide, crimes against humanity or war crimes and other crimes under international law shall be deemed void or unlawful, or ever to have become void or unlawful, on the ground that such law or provision of any such law is inconsistent with, or repugnent to, any of the provision of this Constitution.”
অর্থাৎ, “ এই সংবিধান যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দন্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস্য বা তাহার পরিপন্থী, এই কারনে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া হবে গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।”
অসমঞ্জস্য বা পরিপন্থীর কথা কেন আসছে, সে বিষয়টি বুঝতে হলে আলোকপাত করতে হবে সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা শিরোনামে বিধিবদ্ধ ৪৭ (ক) (১) এবং ৪৭ (খ) (২) অনুচ্ছেদ।
৪৭ (ক) (১) - “ যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য নয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধনি নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হবে না।”
৪৭ (ক) (২) - “ এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, এই সংবিধানের অধীন কোন প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করিবার কোন অধিকার সেই ব্যক্তির থাকিবে না।”
এখন সংবিধানের ৩৫ (১) নং অনুচ্ছেদের দিকে লক্ষ্য করি -
“ অপরাধের দায়মুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল এইরুপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যাতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দন্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দন্ড দেওয়া যাইবে না।”
অনুচ্ছেদ ৪৭ (৩) এর পর অনুচ্ছেদ ৩৫ (১) এর আলোচনা নিয়ে আসার কারণ হলো সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর অন্যতম উপলক্ষ্যই হলো এই ৩৫ (১) নং অনুচ্ছেদ। “ ex post facto” laws বলে আইনে একটা টার্ম রয়েছে।
Ex post facto law is one which, in its operation, (1) makes that criminal which was not so at the time the act was not so at the time the act was performed, or (2) which increases the punishment, or in short which in relation to the offence or its consequence, alters the situation of a party to his detriment or disadvantage.
আমাদের সংবিধানে ex post facto law সম্পর্কিত অনুচ্ছেদটি হলো ৩৫ (১)। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে কোন আইন যাতে ex post facto টার্মটির সঙ্গে বিরোধ না করে সেজন্যই সংবিধানে ৪৭ (৩) অনুচ্ছেদ যোগ করা হয়।
এবার ফিরে আসি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পর্কিত কার্যকরী আইন The International crimes (Tribunals) Act, 1973 প্রসঙ্গে। ১৯৭৩ সালের ২১ জুলাই জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয় এই আইন। আমরা লক্ষ্য করি ১৭ জুলাই সংবিধানের প্রথম সংশোধনী অনুমোদিত হওয়ার তিনদিন পরেই The International crimes (Tribunals) Act, 1973পাশ হয়। তারমানে সংবিধানের ৪৭ (৩) অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য যে আইনটির কথা বলা হয়েছিল The International crimes (Tribunals) Act, 1973 -ই হচ্ছে সেই আইন। অর্থাৎ এই আইনটি সংবিধানের অন্য কোন অনুচ্ছেদের সঙ্গে অসমঞ্জস্য বা পরিপন্থী হলেও বাতিল হবে না।
সুতরাং যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে এর দোহাই দেখান তাদের জন্য মোক্ষম জবাব হচ্ছে বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ (৩) অনুচ্ছেদ।
লেখক বলেছেন:
২.
৭১ এক্সাক্টলি কতজন মানুষ মারা গেছে কোন কোন বাহিনীর হাতে কতজন, তার ও কোন হিসাব নাই।
তার জবাব-
দেশের নামকরা আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ড. মিজানুর রহমান বলেছিলেন, " ১৯৭১ সালে বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী ও তার এদেশীয় দোসররা (দালাল, রাজাকার, জামাত-শিবির ইত্যাদি) অত্যাচার, নির্যাতন, লুট, ধর্ষণ, নিধন প্রভৃতি যে ধরনের কর্মকান্ডে নিয়োজিত ছিল, তাকে কোন অভিধায় অভিহিত করা যায়? এটি কি গণহত্যা নয়? এটি কি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ থেকে ভিন্ন কিছু! এসব অপরাধের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন সংখ্যার খেলায় (নাম্বার গেম) বিশ্বাস করে না;এর প্রয়োজনও নেই।"
১৯৭১ সালে কোন বাহিনীর হাতে কতোজন মারা গেছে তা মুল বিষয় নয়। যুদ্ধাপরাধ সংগঠিত হয়েছে, মানবতার বিরোদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে, শান্তির বিরোদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। তার বিচার হবে।
লেখক বলেছেন:
৩.
"জাতিসংঘ ও ৭১ এর হত্যাকান্ড কে জেনোসাইড বা গনহত্যা বলে নাই। তাই তোমাদের এই সব আইন দিয়ে কাজ হবেনা। "
এর জবাব-
১৯৪৬ সালের ১১ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৯৬ (১) নম্বর সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের মাধ্যমে গৃহীত ঘোষণায় বলা হয় যে, গণহত্যা (জেনোসাইড) আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে একটি অপরাধ, জাতিসংঘের মূলনীতি ও লক্ষ্যের পরিপন্থী এবং সভ্য জগৎ কর্তৃক নিন্দিত।
এরই প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide প্রনীত হয়। এই কনভেনশনের ২য় অনুচ্ছেদে গণহত্যাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ঠিক একই অ্যাপ্রোচে বাংলাদেশের 'দ্য ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট, ১৯৭৩ এর ৩য় ধারায় গণহত্যাকে সংজ্ঞায়িত করা হচ্ছে।
(গ) গণহত্যাঃ কোন জাতীয়, গোত্রগত, গোষ্ঠীগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত যেকোন কাজ, অংশত বা পূর্ণত সংগঠিত করা বুঝাবে এবং অন্তভূক্ত হবে, যেমনঃ
১) দলের সদস্যদের হত্যা করা;
২) দলের সদস্যদের দৈহিক বা মানসিক দিক থেকে গুরুতর ক্ষতি করা;
৩) ইচ্ছাকৃতভাবে আংশিক বা পূর্ণভাবে দৈহিক ধ্বংস সাধনের পরিকল্পনা করে দলীয় জীবনে আঘাত হানা;
৪) দলের মধ্যে জন্মরোধ করার লক্ষ্যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ;
৫) এক দলের শিশুদের জোরপূর্বক অন্য দলে স্থানান্তর করা;
আশা করছি, এই ব্যাখার পর আর বুঝতে বাকি থাকবে না।
বিডি আইডল বলেছেন:
আরকেটি বিষয় আমার জানা নেই...বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ দেশ হিসাবে উল্ল্যেখ আছে কবে থেকে..আইনের দৃষ্টিতে তারিখটি গুরুত্বপূর্ণ....
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার শুরুতেই বলা হয়েছে-
" আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় স্বাধীনতার জন্য ঐতিহাসিক যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি"
সুতরাং সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ নামক দেশটির জন্ম ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
সে আরো একটা কথা বলে সংগ্রাম পত্রিকার সাথে জামাতের কোন অফিসিয়াল রিলেশনশিপ নাই। তাই এই পত্রিকার কাটিং আদালতে টিকবেনা। সে আরো বললো নিজামী বা মুজাহিদের রাজাকার বা বদর বাহিনীর সাথে কোন অফিসিয়াল সম্পর্ক নাই।
লেখক বলেছেন:
১.
সংগ্রাম পত্রিকার সাথে জামাতের কোন অফিসিয়াল রিলেশন ছিল কি ছিল না তা পত্রিকার কাটিং এভিডেন্স হিসাবে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয় না।
তাছাড়া এমনটা মোটামোটি সবাই জানে যে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সংগ্রাম জামাতের মুখপাত্র পত্রিকা হিসাবে কাজ করেছে।
২.
নিজামী বা মুজাহিদের রাজাকার বা বদর বাহিনীর সাথে কোন অফিসিয়ার সম্পর্ক নাই!! এইটা চরম হাস্যকর একটা কথা।
তাদের বিরোদ্ধে বেশ শক্ত তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।
বিডি আইডল বলেছেন:
@ওমর জাহিদ পরের কমেন্টস গুলো দেখার অনুরোধ রইল
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
@বিডি আইডল,বাংলাদেশের সংবিধানে অনুযায়ী আমাদের দেশের নাম "বাংলাদেশ" রাখা হয়েছে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে। ধন্যবাদ।
বিডি আইডল বলেছেন:
ধন্যবাদ@জাহিদ..
বিডি আইডল বলেছেন:
আবারও ধন্যবাদ শামীম ভাই....
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
আর অফিসিয়াল সম্পর্ক নাই, কিন্তু সংগ্রামেই তো তখন তারা বক্তৃতা বিবৃতি দিতেন। ঐরকম কিছু বিবৃতিতেই গোআ, মইত্যা এইগুলান অপারেশন সার্চলাইটরে হালাল বলিয়া মাইনা নিসিলেন। সেইসব বিবৃতিতো মিথ্যা হইতে পারেনা।
গোলাম আযমের আত্মজীবনী পড়ছেন নিশ্চই। তাইলে তো আপনের বুঝার কথা যে তখনকার সময়ে তার মনের অবস্হা।
আর শিবিরের লুকজন আপনের দুস্ত....আপনেরে কমেন্টখান দিয়া মুখে বমি চইলা আইলো। যাই মুখ ধুইয়া আসি।
লেখক বলেছেন: হা হা হা । ওয়েলসেইড সামী ভাই। ![]()
উনি মা দূর্গার মতো তৃতীয় নয়ন নিয়া চলা ফেরা করেন....
খুব ভালো কাজ শামীম ভাই,চলতে থাকুক।
লেখক বলেছেন: হা হা হা ![]()
উপরে দেখেন কি বিশাল কমেন্ট করছি। আমার ধৈর্য্য দেখে এখন নিজের কাছেই অবাক লাগছে। ![]()
অ্যামাটার বলেছেন:
হুমম...
লেখক বলেছেন: হুমমম
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ![]()
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
শামীম, অসাধারণ কাজ। চালিয়ে যান। প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাস্কর দা।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
দুই চোখে যা দেখতাছি, তাতে সব ফকফকা। তিন চক্ষুর দরকার আছে বলে মনে হয়না। তোমার বন্ধু, তাও আবার ছিবির...চামে নিজের মনের কথাগুলাই বইলা গেলা...@থার্ড নয়ন
লেখক বলেছেন: খিক খিক ![]()
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
শামীম ভাই, এরপর থেইক্যা এইটা নিয়া স্বাক্ষর সংগ্রহে যাইতে হবে, বুঝলেন তো কেনো?
লিফ্লেট এর কাজ হইলো কদ্দুর?
লেখক বলেছেন: হুমমম । এইটা নিয়াই যাবো।
লিফলেট এর কাজ একটু একটু করে করছি। ![]()
ধন্যবাদ ভাইজান। ![]()
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
দারুন কাজ হইছে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে।
সময়োপযোগী অসাধারণ একটি পোস্ট।
ধন্যবাদ আপনাকে, এভাবেই আমরা এক একটি ধাপ পার করব, কাউকে না কাউকে শুরু করতে হয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।
হুমম আমরা এক এক করে সবগুলো ধাপ পার করবো।
কৃষক বলেছেন:
অনেক ভাল একটা কাজ করছো শামীম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কিষাণী আপু।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
কয়েকজন ব্লগার আমার পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু ভার্চুয়াল জগতে তো বাস্তব মানুষ কে আনা সম্ভব না। নাইলে ঐবেটা রাজাকার কে কানে ধরে নিয়ে আসতাম।তবে আপনার উত্তর নিয়ে আমার কিছু ডাউট স্টিল রয়েগেছে।
১)আপনি বলেছেন ওই আইনে আছে ওই এক্টের আগে পরে যারা অপরাধ করেছে তাদের বিচার করা যাবে। কিন্তু এটা বলে নি যে সংবিধান রচনা হবার আগে যারা অপরাধ করেছে তাদের বিচার করা যাবে ।
২) ডঃ মিজান কি বললো এটা কি আদালত শুনবে। কারো কথার উপর ভিত্তি করে কি আদালত বিচার করতে পারে। ধরুন আমি বললাম , আপনি ১০ টি খুন করেছেন তাহলে কি আদালত আপনাকে ফাসি দিয়ে দিবে। আর ৭১ এর যুদ্ধে তো রাজাকার রা ছাড়াও অনেক পার্টিই জড়িত ছিল। যেমন, পাকিস্থান সেনাবাহিনী, ভারতীয় সেনাবাহিনী, মুক্তিবাহিনী ইত্যাদি। আপনি অভিযোগ আনার আগে আপনাকে তো বলতে হবে অমুক বাহিনীর হাতে এতজন মারা গেছে। আর অমুক বাহিনীর সবাই তো আর নিরীহ মানুষ খুন করেনি। সেরকম হলেতো জার্মানীর সব মানুষ ই যুদ্ধাপরাধী। ৭১ এর পরে তো পাকিস্থানের পুরো সেনাবাহিনীকে যুদ্ধাপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়নি । চিহ্নিত করা হয়েছিল মাত্র ১৯৫ জন কে।
কংক্রিট হিসাব ও প্রমান না থাকলে আদালত কখনো রায় দিতে পারে না। মনে রাখবেন বেনিফিট অফ ডাউট কিন্ত আসামী পক্ষ ই পায়।
৩) সংগ্রাম পেপার যে জামাতের মুখপাত্র তার অফিসিয়াল প্রমান কি ? এর উত্তর সবাই জানে , এটাতো হতে পারে না। সবাই জানে এই ধরনের কথা আদালত এ এক্সেপ্টেবল নয়।
৪) নিজামী বা মুজাহিদ রাজাকার বাহিনীর বা আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিল এই ধরনের কি ডকুমেন্ট আছে ? একটা লিঙ্ক বা রেফারেন্স দিতে পারবেন? তাছাড়া রাজাকার বাহিনীর সদস্য হলেই তো আর যুদ্ধাপরাধী হয় না। উনারা কি কোন স্পেসিফিক অপরাধ যেমন কাউকে খুন করেছিলেন ? যদি খুন করে থাকেন তাহলে দালাল আইনে যে ৩৭০০০ কেইস হয় সেখানে উনাদের নাম নেই কেন ?
আশা করি সবাই জানে বা অমুক এটা বলেছেন এই ধরনের নয়। আইনের ছাত্র হিসাবে আপনার কাছে আদালতে টিকবে এই ধরনের উত্তর চাই।
কারন আমরা যদি শক্ত প্রমান দিতে না পারি তাহলে কোন কেইস ই আদালতে টিকবেনা।
লেখক বলেছেন: আগের প্রশ্নগুলো না হয় আপনার সেই রাজাকার বন্ধুর। কিন্তু এই প্রশ্নগুলোতো আপনার। এই ধরনের প্রশ্ন কারা করতে পারে তা না হয় নাই বললাম। নিজামী, মুজাহিদ যুদ্ধাপরাধী না এমনটা যারা প্রমান করতে চায় তাদের কোন প্রশ্নের জবাব দিতেই আমার ইচ্ছা করছে না। তারপরেও কিছু ব্যাখ্যা দিচ্ছি।
১. আপনি বলেছেন-
"১)আপনি বলেছেন ওই আইনে আছে ওই এক্টের আগে পরে যারা অপরাধ করেছে তাদের বিচার করা যাবে। কিন্তু এটা বলে নি যে সংবিধান রচনা হবার আগে যারা অপরাধ করেছে তাদের বিচার করা যাবে ।"
এই সন্দেহটা আপনি কেন করলেণ আমি বুঝতে পারলাম না। আপনার আগের একটা কমেন্টের জবাবে বড় আকারের ব্যাখ্যা দিয়েছি। সেইটা মনে হচ্ছে আপনি ভালো করে পড়েনই নি। অথবা পড়েও না বোঝার ভান করছেন। আবার সেই ব্যাখ্যাটা পড়ুন।
এ অংশে আমি কেবল সংবিধানের ৪৭ (৩) অনুচ্ছেদ আবার উল্লেখ করি-
“ Notwithstanding anything contained in this Constitution, no law nor any provision thereof providing for detention , prosecution or punishment of any person, who is a member of any armed or defence or auxiliary forces or who is a prisoner of war, for genocide, crimes against humanity or war crimes and other crimes under international law shall be deemed void or unlawful, or ever to have become void or unlawful, on the ground that such law or provision of any such law is inconsistent with, or repugnent to, any of the provision of this Constitution.”
অর্থাৎ, “ এই সংবিধান যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দন্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস্য বা তাহার পরিপন্থী, এই কারনে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া হবে গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।”
এখনো যদি বিষয়টা নিয়ে আপনার সন্দেহ হয় , তারপর আপনাকে আর বোঝানোর চেষ্টা করবো না।
লেখক বলেছেন:
২.
আপনি আপনার এই কমেন্টের দ্বিতীয় অংশে হাস্যকর কিছু কথাবার্তা বলেছেন। আমি ড. মিজানুর রহমানের কথা উল্লেখ করছি মাত্র। কিন্তু ফিলোসফিটা আন্তর্জাতিক আইনের। আন্তর্জাতিক আইন যুদ্ধাপরাধের ক্ষেত্রে নাম্বার গেমে বিশ্বাস করে না।
ট্রাইব্যুনালে প্রমাণ করতে হবে যুদ্ধাপরাধ হয়েছে কিনা। যুদ্ধাপরাধ কিভাবে হয়, মানবতার বিরোদ্ধে অপরাধ কিভাবে হয়, শান্তির বিরোদ্ধে অপরাধ কিভাবে হয় সবই আন্তর্জাতিক আইন এবং দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট, ১৯৭৩ এ আছে। বিচার প্রক্রিয়ার কথাও বলা আছে। বেশ বিশদভাবেই বলা আছে। সুতরাং বেশি সন্দেহ হলে ওই অ্যাক্টটা পড়ে নিন।
লেখক বলেছেন:
৩.
আপনি বলেছেন-
"৩) সংগ্রাম পেপার যে জামাতের মুখপাত্র তার অফিসিয়াল প্রমান কি ? এর উত্তর সবাই জানে , এটাতো হতে পারে না। সবাই জানে এই ধরনের কথা আদালত এ এক্সেপ্টেবল নয়।"
একটা পত্রিকা যখন কোন রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র হিসাবে কাজ করে তখন কি সেই পত্রিকা উইলের মাধ্যমে অথবা আইনী ডকুমেন্টের মাধ্যমে করে নাকি? পত্রিকাটির রিপোটিং এর মাধ্যমে তা স্পষ্ট হয়। ১৯৭১ এ সংগ্রামের রিপোর্টিংয়েই প্রমাণ হয়ে যায় জামাতের মুখপাত্র ছিল পত্রিকাটি।
তাছাড়া আপনাকে আগেই বলেছি সংগ্রাম জামাতের মুখপাত্র ছিল না তা ট্রাইব্যুনালের কাঝে গুরুত্বপূর্ণ না।
"সবাই জানে" নিয়ে কথা বললেন আপনি। দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ১৯(৩) ধারা দেখুন। সেখানে কিন্তু কমন নলেজের কথা বলা হয়েছে। কমন নলেজ ট্রাইব্যুনালের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করছি বিষয়টা নিয়ে পরবর্তীতে আপনার আর কোন সন্দেহ থাকবে না।
লেখক বলেছেন:
৪.
আপনি বলেছেন-
"৪) নিজামী বা মুজাহিদ রাজাকার বাহিনীর বা আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিল এই ধরনের কি ডকুমেন্ট আছে ? একটা লিঙ্ক বা রেফারেন্স দিতে পারবেন? তাছাড়া রাজাকার বাহিনীর সদস্য হলেই তো আর যুদ্ধাপরাধী হয় না। উনারা কি কোন স্পেসিফিক অপরাধ যেমন কাউকে খুন করেছিলেন ? যদি খুন করে থাকেন তাহলে দালাল আইনে যে ৩৭০০০ কেইস হয় সেখানে উনাদের নাম নেই কেন ?"
এই প্রশ্নটা করে আপনি নিজেকে হাস্যকর করে তুলেছেন। নিজের পরিচয়টা ভালো মতো তুলে ধরেছেন। আপনি কি নিজামী বা মুজাহিদকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চান?
(ক) জ্বী এই ধরনের ডকুমেন্ট আছে। ট্রাইব্যুনালেই তা উপস্থাপন করা হবে। আপনার কাছে যদি তা না দিতে চাই আপনি কি কিছু করতে পারবেন?
যাই হোক ব্লগেই অনেক পোস্ট আছে এ বিষয়ক। সেগুলো দেখলেও নিজামী, মুজাহিদ দের অপকর্ম সমন্ধে ধারণা পাবেন।
আপনি নিশ্চয়ই জানেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গণআদালত গঠিত হয়েছিল। সেখানে আপনার বলা লোকগুলো দোষী প্রমাণিত হয়েছিল।
(খ) রাজাকার বাহিনীকে প্রজ্ঞাপন জারীর মাধ্যমে অক্সিলারি ফোর্সের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
সংবিধানে ৪৭(৩) অনুচ্ছেদ দেখুন-
“ Notwithstanding anything contained in this Constitution, no law nor any provision thereof providing for detention , prosecution or punishment of any person, who is a member of any armed or defence or auxiliary forces or who is a prisoner of war, for genocide, crimes against humanity or war crimes and other crimes under international law shall be deemed void or unlawful, or ever to have become void or unlawful, on the ground that such law or provision of any such law is inconsistent with, or repugnent to, any of the provision of this Constitution.”
এইখানেও অক্সিলারি ফোর্সের কথা বলা হয়েছে। অক্সিলারি ফোর্সের সদস্যরা যুদ্ধাপরাধের দায়ভার অস্বীকার করতে পারে না।
(গ) হ্যা, উনারা স্পেসিফিক অপরাধ করেছিল।
কিছু অপরাধের সংজ্ঞা দেখুন আগে।
(ক)মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ : যথা, হত্যা, নিশ্চিহ্ন করণ, দাসকরণ, নির্বাসিত করা, কারারুদ্ধ করণ, অপহরণ, অবরোধ, নির্যাতন, ধর্ষণ অথবা বেসামরিক নাগরিকদের উপর অন্যান্য অমানবিক কাজ পরিচালনা করা অথবা সংগঠিত হওয়ার স্থানের অভ্যন্তরীন আইন ভঙ্গ করে বা না করে রাজনৈতিক, গোত্রগত, জাতিগত অথবা ধর্মীয় কারনে অভিশংসন করা।
(খ) শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ : যথা, আগ্রাসনমূলক যুদ্ধের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, সূত্রপাত করা বা লিপ্ত হওয়া অথবা আন্তর্জাতিক চুক্তি, ঐক্যমত্য বা নিশ্চয়তাসমূহের লঙ্ঘন করে যুদ্ধ করা;
(গ) গণহত্যাঃ কোন জাতীয়, গোত্রগত, গোষ্ঠীগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত যেকোন কাজ, অংশত বা পূর্ণত সংগঠিত করা বুঝাবে এবং অন্তভূক্ত হবে, যেমনঃ
১) দলের সদস্যদের হত্যা করা;
২) দলের সদস্যদের দৈহিক বা মানসিক দিক থেকে গুরুতর ক্ষতি করা;
৩) ইচ্ছাকৃতভাবে আংশিক বা পূর্ণভাবে দৈহিক ধ্বংস সাধনের পরিকল্পনা করে দলীয় জীবনে আঘাত হানা;
৪) দলের মধ্যে জন্মরোধ করার লক্ষ্যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ;
৫) এক দলের শিশুদের জোরপূর্বক অন্য দলে স্থানান্তর করা;
ঘ) যুদ্ধাপরাধঃ যুদ্ধের আইন বা প্রথা ভঙ্গ করা, এতে অন্তর্ভুক্ত তবে সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে বেসামরিক লোকদের হত্যা, তাদের প্রতি নির্দয় আচরণ অথবা ক্রীতদাসের মতো শ্রম বা অন্য যেকোন কাজে নিয়োজিত করা; যুদ্ধবন্দী বা নাবিকদের হত্যা বা তাদের প্রতি নির্দয় আচরণ করা, জিম্মী এবং বন্দীদের হত্যা করা, সরকারি এবং বেসরকারি সম্পত্তি বিনষ্টকরণ, ইচ্ছাকৃতভাবে নগর, শহর বা গ্রামের ধ্বংস সাধন করা অথবা সামরিক প্রয়োজনকে ন্যায্যতা দেয় না এমন ধ্বংসযজ্ঞ করা;
আপনার কাছে প্রশ্ন- আপনার কি মনে হয় না নিজামী কিংবা মুজাহিদ ১৯৭১ সালে এই অপরাধগুলো করেছে?
(ঘ) দালাল আইন বিষয়ে আমি এখানে কিছু বলি নি। দালাল আইন বাতিল হয়ে গেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট, ১৯৭৩ দিয়ে।
আপনাকে ভালো একটা পরামর্শ দেই - নেক্সট টাইম যুদ্ধাপরাধীদের ইস্যুতে কিছু জিজ্ঞেস করার আগে ভালো করে ১৯৭৩ সালের আইনটা পড়ে নিবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোকে।
বাপ্পাদিত্য বলেছেন:
অসাধারণ একটি উদ্যোগ।আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে আপনার এই মহৎ কাজকে অবমাননা করতে চাই না।
প্রিয়তে তো রাখতেই হয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
নাঈম বলেছেন:
দারুন কাজ শামীম ভাই..চালিয়ে যান।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাঈম ভাই। অনুবাদ কাজে সহযোগিতা করার জন্য আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
দেখুন আবেগ দিয়ে তো আইন চলে না বা বিচার হয় না। বিচার প্রক্রিয়ায় বিচারকরা থাকেন আবেগ বিহীন । তারা সাক্ষ্য প্রমান বা আইন অনুযায়ীই বিচার করেন। আমি ও যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই। কিন্তু যুদ্ধে নামার আগে শত্রু পক্ষ কোন কোন দিক থেকে আক্রমন করতে পারে তা আগে যাচাই করে তারপর নামতে চাই। অন্যথায় পরাজিত হবার সম্ভাবনা।
যাইহোক। দেখুন জেল হত্যাকান্ড এত বড় হত্যাকান্ড। অথচ বেশীর ভগ আসামীই খালাস। আবার দেখুন, গোলাম আজমের নাগরিকত্ত মামলা।
অন্য কারো সাথে না আপনি যেহেতু আইনের ছাত্র তাই আপনার সাথে একটু তর্ক করে শত্রুপক্ষের অর্থাত রাজাকারদেরটে এটাক করার মোক্ষম অস্ত্র বের করতে চাই।
যাইহোক, আপনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনে বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারে। কিন্তু আপনি এই ব্যাপারে পুরোপুরী নিশ্চিত ?
আমি নই। কারন প্রথমত, দুই বছর আগে যখন তত্তাবধায়ক সরকার যখন যুদ্ধাপরাধের বিচারের কথা বলেছিল তখন , একটি সংগঠন এর গোল টেবিলে একটি ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের প্রধান একজন প্রফেসর বলেছিলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধ আইনে যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে পারেনা। কারন বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় ৭২ সালে।
আবার এই কথার ই প্রমান পাই মিরাজ সাহেবের পোস্টে। তার এই পোস্ট টি দেখুন-
Click This Link
এখানে বলা হচ্ছে, ৭৩ এ বাংলাদেশ যখন যুদ্ধাপরাধের উদ্যোগ নেয়। তখন পাকিস্থান আন্তর্জাতিক আদালতে এই বলে কেইস করে যে বাংলাদেশ যুদ্ধপরাধের বিচার করতে পারেনা। কারন বাংলাদেশ ৭১ এর যুদ্ধের কোন পক্ষ নয়। পাকিস্থানের মতে যুদ্ধ হয়েছিল ভারত ও পাকিস্থানের মধ্যে। বেশীর ভাগ দেশ ও জাতিসংঘ কিন্তু বাংলাদেশএ সিক্রিতি দেয় ৭৩ এর পরে। যাইহোক এই কেইস টি হেগ আদালত গ্রহন করে। তার মানে পাকিস্থানের এই কেইসে কিছু ভ্যালিড পয়েন্ট ছিল।
এই ব্যাপারে একটা বড় বিতর্ক হতে পারে বলই আমি আপনাকে প্রশ্নটি করলাম।
আর আপনি বলছেন, ৭১ -এ যুদ্ধাপরাধ হয়েছে সেটা প্রমান করতে পারলেই যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দেয়া যাবে। বিষয়টাকি এত সোজা। এত সোজা হলে তো ৭১ এর পরবর্তি সরকার ই তাদের শাস্তি দিয়ে দিতে পারতো। যে কোন বিচার এ অপরাধী অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমান করতে না পারলে বেনিফিট অফ ডাউট কিন্তু আসামীরা ই পায়। আপনাকে এভিডেন্স দিয়ে সন্দেহাতীত ভাবে প্রমান করতে হবে অমুক রাজাকার অমুক কে হত্যাকরেছে । বায়বীয় কোন কথার উপর আদালত রায় দিতে পারেনা।সেটা আইনের ছাত্র হিসাবে আপনার জানা থাকার কথা।
এরপর মুজিবের সাধারন ক্ষমার ব্যাপারটাও লাইম লাইটে চলে আসতে পারে। তখন আদালত ই এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। কারন মুজিব যে চারটি অপরাধ ব্যতিরেকে সাধারন ক্ষমার কথা বলেছেন। সেই ৪ টি অপরাধে কিন্তু বর্তমানে যাদেরকে আমরা যুদ্ধাপরাধী বলছি (যেমন নিজামী বা মুজাহিদ) তাদের বিরুদ্ধে দালাল আইনে কোন কেইস হয় নি। সেই মিনিং এ তারা কিন্তু সাধারন ক্ষমার আওতায় এসে যান।
লেখক বলেছেন: দেখুন এখনো পর্যন্ আমি আবেগ দিয়ে কিছু্ই বলিনি। সবই যুক্তি দিয়ে বলে গেছি। কোন বিষয় না বুঝতে চাইলে তা বোঝানো খুব কষ্টকর।
যাই হোক। আপনার কমেন্টের জবাব এখন দিতে ইচ্ছা করছে না। ইনফ্যাক্ট টাইপ করতে ইচ্ছা করছে না এখন। সময় করে কালকের দিকে কমেন্টের রিপ্ল্যাই দিব।
লেখক বলেছেন:
১.
আপনি বলেছেন-
"যাইহোক, আপনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনে বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারে। কিন্তু আপনি এই ব্যাপারে পুরোপুরী নিশ্চিত ?
আমি নই। কারন প্রথমত, দুই বছর আগে যখন তত্তাবধায়ক সরকার যখন যুদ্ধাপরাধের বিচারের কথা বলেছিল তখন , একটি সংগঠন এর গোল টেবিলে একটি ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের প্রধান একজন প্রফেসর বলেছিলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধ আইনে যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে পারেনা। কারন বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় ৭২ সালে।"
আপনি নিশ্চিত না থাকলে কি আর করা! কিন্তু বিচার করা যে সম্ভব দেশের অনেক আইনজীবী এবং আইন শিক্ষকেরা বলেছেন।
আপনি বললেন একটি ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের প্রধান প্রফেসর....আপনি নামটা বলুন। নাম ছাড়া এই ধরনের কথা বলেন কেন?
১৯৭২ সালে সংবিধান হয়েছেতো কি হইছে? সমস্যা কোথায়? আমি বারবার ৪৭(৩) অনুচ্ছেদের কথা বলছি। আপনি তা বুঝেও না বোঝার ভান করে যাচ্ছেন। এক্স পোস্ট লেজিসলেশন এর কনসেসটেনসি দুর করা হয়েছে ৪৭(৩) এর মাধ্যমে। সুতরাং সমস্যাতো কোথাও দেখি না।
লেখক বলেছেন:
২.
আপনি মিরাজ ভাইয়ের পোস্টের কথা বললেন। আমারতো মনে হয় আপনি সেই পোস্টটা পুরোটা পড়ে দেখেননি। আন্তর্জাতিক আদালতে পাকিস্তানের কেসের কথা বললেন।
বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করছি-
"৭৩ এ বাংলাদেশ যখন যুদ্ধাপরাধের উদ্যোগ নেয়। তখন পাকিস্থান আন্তর্জাতিক আদালতে এই বলে কেইস করে যে বাংলাদেশ যুদ্ধপরাধের বিচার করতে পারেনা। কারন বাংলাদেশ ৭১ এর যুদ্ধের কোন পক্ষ নয়।"
পাকিস্তান আন্তর্জাতিক আদালতে করা সেই কেসে খুব বুদ্ধি সহকারে একটা বিষয় লুকিয়েছে। সেটি হলো ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ ২৬ মার্চ থেকে স্বাধীন দেশ। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধে অবশ্যই বাংলাদেশ একটা পক্ষ।
Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide এর আর্টিকেল ৬ দেখুন।
বলা হচ্ছে-
" গণহত্যা অথবা ৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অন্য যে কোন কাজের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচার, যে রাষ্ট্রের ভূখন্ডে সেই কাজ সংগঠিত হয়েছে সেই রাষ্ট্রের কোনো উপযুক্ত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে অথবা এমন কেনো আন্তর্জাতিক ফৌজদারী ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে করা হবে যে ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট চুক্তিকারী পক্ষ স্বীকার করে।
সুতরাং এই অনুচ্ছেদ থেকেই বোঝা যাচ্ছে বাংলাদেশ ট্রাইব্যুনাল করে বিচার করতে পারে।
বাংলাদেশ যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারবে , তার পক্ষে ল এর একটি প্রেসিডেন্ট রয়েছে।
লেখক বলেছেন:
সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা কি আপনি পড়ে দেখেছেন? নাকি শুনে শুনে বলছেন? এখানে আপনি ৪ টি অপরাধের কথা বললেন....ঠিক একই ধরনের কথা বলেছে নিজামী।
যাই হোক সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মুখবন্ধে পরিস্কার করে বলা আছে- "দেশদ্রোহিতা, হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি, অগ্নিসংযোগের অপরাধী ক্ষমা পাবে না।"
সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার ৫নং ধারার (ক) অনুচ্ছেদে যে বিধান রাখা হয় তাতে সত্যিকার অর্থে কোন যুদ্ধাপরাধী মুক্তি পাওয়ার কথা নয়। কারণ ঘোষণার ৫ নং ধারায় বলা হয়েছে -
" যারা বর্ণিত আদেশের নিচের বর্ণিত ধারাসমূহে শাস্তিযোগ্য অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত অথবা যাদের বিরোদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে অথবা যাদের বিরোদ্ধে নিম্নোক্ত ধরা মোতাবেক কোনটি অথবা সবকটি অভিযোগ থাকবে
(১) ১২১ (বাংলাদেশের বিরোদ্ধে যুদ্ধ চালানো অথবা চালানোর চেষ্টা), (২) ১২১ ক (বাংলাদেশের বিরোদ্ধে যুদ্ধ চালানোর ষড়যন্ত্র), (৩) ১২৮ ক (রাষ্ট্রদ্রোহিতা), (৪) ৩০২ (হত্য), (৫) ৩০৪ (হত্যার চেষ্টা), (৬) ৩৬৩ (অপহরণ), (৭) ৩৬৪ (হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ) (৮) ৩৬৫ (আটক রাখার উদ্দেশ্যে অপহরণ), (৯) ৩৬৮ (অপহৃত ব্যক্তিকে গুম ও আটক রাখা), (১০) ৩৭৬ (ধর্ষণ), (১১) ৩৯২ (দস্যুবৃত্তি), (১২) ৩৯৪ (দস্যুবৃত্তিকালে আঘাত), (১৩) ৩৯৫ (ডাকাতি), (১৪) ৩৯৬ (খুনসহ ডাকাতি), (১৫) ৩৯৭ (হত্যা অথবা মারাত্নক আঘাতসহ দস্যুবৃত্তি অথবা ডাকাতি), (১৬) ৪৩৫ (আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের সাহায্যে ক্ষতিসাধণ), (১৭) ৪৩৬ (বাড়িঘর ধ্বংসের উদ্দেশ্যে আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার), (১৮) ফৌজদারী দন্ডবিধির ৪৩৬ (আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের সাহায্যে কোন জলযানের ক্ষতি সাধন) অথবা এসব কাজে উৎসাহ দান। এসব অপরাধী কোনভাবেই ক্ষমার যোগ্য নন।"
দালাল আইন নিয়ে আমি বেশি কিছু বলতে চাই না। দালাল আইন বাতিল হয়ে গেছে।
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
দারুন কাজ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
রাফা বলেছেন:
অসাধারণ কাজ শামিম ভাই।থার্ড নয়ন নামধারি রাজাকারদের বোঝানোর সাধ্য কারো নেই।কারন তারা জেগে ঘুমায়।ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাফা ভাই।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
অনেধ ধৈর্য সহকারের চমৎকার একটি যৌক্তিক কাজের জন্য শামীমকে ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আইরিন আপু।
ফাঁকি বাজ বলেছেন:
খুব ভালো একটা কাজ করেছেন বস।এই কাজের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিলেও কম হ্য়ে যাবে
প্রিয়তে নিলাম ++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিবলী ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সালেহ ভাই।
প্রিয়তমা বলেছেন:
এমন একটা কাজ করার জন্য ধন্যবাদ তোমাকে...চালিয়ে যাও...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে।
...অসমাপ্ত বলেছেন:
ঠিক সময়ে ঠিক পোস্ট পেলাম... যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের কথা সরকারী ভাবে আলোচিত হবার পর ক্লাসে এক রাজাকার স্যার কটাক্ষ করে বলেছিল "...আরে ধুর... আইনই নাই আর তার বিচার.. যা হইছে তা পাকিস্থান পিরিয়ড এ..."
...এইধরণের আরো কিছু কথা। রেফারেন্স ছাড়া এইসব গা-মানুষগুলোর সাথে কথা বলা বৃথা। উপরের মন্তব্যগুলোতে দেখলাম অনেকেই একই সমস্যায় পড়েছে.... তাই আপনার অনুমতি সাপেক্ষে এই পোস্টটা প্রিন্ট করে কয়েক জায়গায় দেখাব।
....হ্যাটস অফ। এইধরণের অস্ত্র আরো দরকার।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই । অনুমতির দরকার নেই। যুদ্ধাপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত আমার যেকোন লেখা আপনি প্রিন্ট করে দেখাতে পারেন।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
...অসমাপ্ত বলেছেন:
আপডেট: একজন খাঁটি রাজাকারমনস্ক লোককে আজ উপযুক্ত জবাব দিলাম। আবারো ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। দারুন কাজ করেছেন।
শুধু ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ তারার হাসি আপু।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
এইটার জন্য আপনারে ধন্যবাদ দিতে অনেক দেরী করলাম। সরি। কিন্তু ধন্যবাদ টা পুরা গরম। এখনি খাইতে পারেন।
লেখক বলেছেন: হা হা হা।
ধন্যবাদ শরৎ ভাই। ![]()
তানিয়া মুন বলেছেন:
প্রিয়তে...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন:
বাপ্রে, এই পোস্ট এতদিন পড়িনাই। নিজের গালে থাবড়াইতে ইচ্ছা করতাছে। দারুণ কাজ বস! এমনি করে সবাই যদি আইন জেনে নিতে পারে তাহলে মিথ্যাবাদীরা গর্ত থেকে বের হবার সুযোগ পাবে না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
ডিজিটাল মুবিন বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















থ্যাংকু তোমারে .. চালায়া যাও