জীবনানন্দ দাশের জনান্তিকে কবিতাটা পড়তে ছিলাম আজ। মনের ভিতর কিছু উপলব্ধি ঘুরে বেড়াচ্ছে। কথায় আছে মানুষ ঠেকে শিখে। হয়তো মানুষ আরো অনেকভাবেই শিখে। মানুষের উপলব্ধির বিস্তার হয় অনেকভাবেই। তারপর সেই উপলব্ধিগুলো ঘুরে বেড়ায় মননের ছায়াপথে।
জীবুদার জনান্তিকে-
কোথাও সান্ত্বনা নেই পৃথিবীতে আজ;
বহুদিন থেকে শান্তি নেই।
নীড় নেই
পাখিরও মতন কোনো হৃদয়ের তরে !
পাখি নেই।
মানুষের হৃদয়কে না জাগালে তাকে
ভোর, পাখি, অথবা বসন্তকাল ব’লে
আজ তার মানবকে কী করে চেনাতে পারে কেউ।
কোন অবসরে হৃদয় জাগলো কিনা ভেবে দেখা হয় নি। তবে কিছু উপলব্ধি জমা হয়েছে। সেই উপলব্ধিগুলোই তবে তুলে রাখি।
উপলব্ধি ১ : কেউ যদি সমালোচনা সহ্য করতে না পারে, তার সঙ্গে খুব কাছ থেকে মেশা উচিত না।
অনুসিদ্ধান্ত ১ : যে লোক সমালোচনা নেওয়ার ক্ষমতা রাখে না, তার সঙ্গে দূরত্ব রেখে মেশা উচিত। খুব কাছ থেকে মিশতে গেলে তার সঙ্গে ভূল বুঝাবুঝি হবেই।
উপলব্ধি ২ : কোন বিষয়ে চুপ না করে থেকে নিজের অবস্থান পরিস্কার করে দেওয়াই ভালো। নিজের অবস্থান পরিস্কার না করলে, সেই বিষয়ের দুই পক্ষই ভুল বুঝতে পারে।
অনুসিদ্ধান্ত ২ : কেবল গঠনমূলক বিতর্ক চললেই নিজের অবস্থান পরিস্কার করা সম্ভব। গালাগালি, দলাদলি চললে সেখানে নিজের অবস্থান পরিস্কার করা খুবই কঠিন।
উপলব্ধি ৩ : সম্পর্ক এবং সম্পর্কের সময়কে যারা মূল্য দিতে জানে না তাদের সঙ্গে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাই উত্তম।
অনুসিদ্ধান্ত ৩ : সম্পর্ক এবং সম্পর্কের সময়ের মূল্য খুব কম মানুষই বুঝে। সুতরাং যেকোন ধরনের সম্পর্কে জড়ানোর আগেই সে বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।
উপলব্ধি ৪ : বিশ্বাস হচ্ছে স্বচ্চ কাচের মতো। এর উল্টো পিঠে অবিশ্বাস হচ্ছে স্বচ্চ কাচে গভীর দাগ। কাচ ঘষে মেজে উজ্জ্বল করা হয়তো সম্ভব, কিন্তু গভীর দাগ পড়লে তা সারানো খুবই কঠিন।
অনুসিদ্ধান্ত ৪ : বিশ্বাস করানো খুবই কঠিন। অপরদিকে অবিশ্বাসের আগুন জ্বালানো সহজতম কাজ।
(নতুন কোন উপলব্ধি হলে যোগ করা হবে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

