১৯৯১ সালে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের পতনের পর সোমালিল্যান্ডের আঞ্চলিক দল নিজেদের অঞ্চলকে স্বাধীন ঘোষণা করে। বর্তমানে তাদের নিজস্ব সরকার ও সংবিধানও রয়েছে। তাদের নিজস্ব সেনাবাহিনী ও পুলিশ ব্যবস্থাও রয়েছে।
কিন্তু রাজনৈতক কারণে পৃথিবীর কোনো দেশই সোমালিল্যান্ডকে এখনো স্বীকৃতি দেয়নি। সোমালিল্যান্ড অনেক শান্ত, হানাহানি বিহীন একটি দেশ। সোমালিয়ার মতো এখানে নেই কোনো জলদস্যু সমস্যা এবং অভ্যন্তরীণ গোলযোগ।
সোমালিল্যান্ডের অধিকাংশ জনগণই মুসলিম। আয়তনে দেশটি বাংলাদেশের কাছাকাছি হলেও জনসংখ্যা মাত্র ৩৫ লক্ষ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন দেশটিকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে জোরালো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রও ভাবছে টালমাটাল সোমালিয়ার বিপরীতে, শান্তশিষ্ট সোমালিল্যান্ডের ব্যাপারে কি করা যায়।
তথ্য ও ছবিঃ উইকিপিডিয়া ।
সোমালিল্যান্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ।
বাংলাদেশ থেকে সোমালিল্যান্ড যাবার অনন্য অভিজ্ঞতার গল্প পড়তে পারেন ফয়সাল খানের ব্লগে । (আমি ওনার ব্লগ থেকেই এই লেখার উৎসাহ পেয়েছি। ধন্যবাদ ফয়সাল ভাইয়াকে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

