শুনে অবাক হলেও ঘটনা সত্যি। ২০১২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ কার রপ্তানি করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ বছরে ৩০,০০০ এর বেশি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি করে থাকে - সেই আমরাই কিনা এবার গাড়ি রপ্তানি করব! তাও আবার যে সে দেশে না খোদ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশগুলোতে!
তাগায কোরিয়া নামের একটি দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানি, রাশিয়ার একটি কোম্পানির সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশে কার তৈরির কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে । তাগায কোরিয়া ইতোমধ্যেই ঢাকার অদূরে ৩৫০ একর জমিরও ব্যবস্থা করে ফেলেছে।
কিন্তু এত জায়গা থাকতে বাংলাদেশে কেন? যেহেতু কার ইন্ডাস্ট্রি মধ্যম শ্রম নির্ভর-তাই বাংলাদেশের সস্তা শ্রম বাজার এর একটি কারণ। তবে অন্তর্নিহিত আর একটি কারণ হলঃ উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে বাংলাদেশ ইউরোপের বাজারে বেশ কিছু অতিরিক্ত সুবিধা লাভ করে থাকে।
যে কার তৈরি করতে দক্ষিণ কোরিয়াতে লাগবে ১০,০০০ ডলারের মত, সেই কার তৈরিতে বাংলাদেশে খরচ পড়বে মাত্র ৩,০০০ ডলার। বটে, তাইতো বলি এতো দেশ ফেলে আমাদের দেশে কেন?
তবে শেষ কথা হলঃ ঘর পোরা গরু সিদুঁরে মেঘ দেখলেই ডরায়! এর আগে টাটা কোম্পানিও এসেছিল, কিন্তু শেষটাতো আমরা জানিই! দেখা যাক এরা কি করে, শেষ পর্যন্ত কার তৈরি করে নাকি জায়গা জমি ফেলে দিয়ে চলে যায়।
পুনশ্চঃ আরো দুইটা ভালো খবর আছে, প্রথম বারের মত বাংলাদেশের মোবাইল ফোন পেনিট্রেশনের হার ৩০ শতাংশ ছাড়িয়েছে (ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থার ইন্ডিকেটর আরকি, হোক না সেটা মোবাইল ব্যবস্থা চালুর ১৫ বছর পর!)
আর আমাদের রিজার্ভ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি দাড়িঁয়েছে! (যদিও এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ফেলে রাখা ছাড়া আর কোনো বুদ্ধি নাকি আমাদের পন্ডিত দের মাথায় এই মহূর্তে আসছেনা!!!!)
দুঃখিত আর একটা ভুলে গিয়েছিলামঃ ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রেও গত এক দশকে নাকি আমরা অনেক এগিয়েছি । এক দশক আগের চার কোটি ক্ষুধার্ত মুখ থেকে আমরা এখন দুই কোটি ৭০ লক্ষ এ অবস্থান করছি!
ছবিঃ যথারীতি উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া!
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


