somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আসুন একটু দৌড়ঝাঁপ করি!
ঘোড়ার চলন (Gait) মূলত দুই ধরণেরঃ একটি হলো স্বাভাবিক (Natural) আর অন্যটি স্বচ্ছন্দ (Amble)! স্বাভাবিক চলন প্রায় সব ঘোড়ার ক্ষেত্রেই জন্মগত। কিন্তু স্বচ্ছন্দ চলনের জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দরকার হয় প্রশিক্ষণের। এই স্বাভাবিক চলনকে আবার চারটি শ্রেণীতে ফেলা হয়েছেঃ হাঁটা বা কদম চলন (Walk), Trot, Canter এবং Gallop



ঘোড়ার হাঁটা
হাঁটার (Walk) সময় একটি মাত্র পা উপরে ওঠে আর বাকি তিন পা থাকে মাটিতে। হাঁটাকে বলে চতুর্স্পন্দিত চলন। অর্থাৎ প্রতি পদক্ষেপে চারটি beat শোনা যায়। এক্ষেত্রে চলার গতি হয় প্রতি ঘন্টায় ৪ মাইল।


ঘোড়ার দুলকি চলন
দুলকি চাল (Trot) একটি দ্বিস্পন্দিত চলন। এই চলার গতি হলো প্রতি ঘন্টায় ৮ মাইল। এটার ঘোড়ার জন্য সবচেয়ে ভালো চলন, শক্তি খরচ হয় অনেক কম। অনেক সময় ধরে ঘোড়া চলতে পারে। এই চলনে কর্ণ বরাবর পা জোড়া ব্যবহৃত হয়। বিশেষ এক ধরণের দুলকি চালকে বলে Piaffe. এক্ষেত্রে ঘোড়া সাধারণত একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে অর্থাৎ লেফট-রাইট করে আর কি!



ক্যান্টারবেরি চার্চ, ইংল্যান্ড
এবার আসা যাক অর্ধবল্গিত বা Canter চলনে। ইংল্যান্ডের ক্যান্টারবেরিতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক চার্চের নাম Canterbury Cathedral। এই চার্চে যখন পুণ্যার্থীরা দর্শনে আসতো তখন তারা ঘোড়া যে গতিতে চালাতো সেই গতিকে বলা হয় Canter.


ঘোড়ার অর্ধ-বল্গিত চলন
এটি দুলকি চালের চেয়ে দ্রুত। এক্ষেত্রে চলার গতি হয় প্রতি ঘন্টায় ১০-১৭ মাইল। এটি একটি ত্রিস্পন্দিত গতি। ঘোড়াসওয়াররা তাদের ঘোড়াকে এই গতিতে চালাতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। পাশ্চাত্যে এই চলনের একটু ভিন্ন ধারা দেখা যায়। সেটাকে বলে Lope (লাফিয়ে লাফিয়ে খরগোশের মতো চলা আরকি!)



ঘোড়ার বল্গিত চলন
আর সবার শেষে বল্গিত চলন (Gallop). সম্ভবত walopথেকে এই শব্দের উৎপত্তি। অর্থাৎ well (ভালো) leap (লম্ফন)। এটিও একটি চতুর্স্পন্দিত চলন। এর গতি সবচেয়ে বেশি। প্রতি ঘন্টায় প্রায় ২৫-৩০ মাইল। মুভি গুলোতে যতোই যুদ্ধক্ষেত্রের দৃশ্যে ঘোড়ার gallop দেখানো হোক না কেন, বাস্তবে কিন্তু এই গতিতে ঘোড়া ১-২ মাইলের বেশি যেতে পারে না।


এছাড়া আরেক ধরণের চলন আছে। সেটাকে বলে Pace. এক্ষেত্রে একই পার্শ্বের দুই পা ব্যবহৃত হয়।

এবার আসা যাক স্বচ্ছন্দ (Amble) চলনের কথায়। এই চলন কার্যক্ষেত্রে বর্তমানে শুধু আমেরিকাতে ব্যবহৃত হয়। কারণ বিশাল কৃষি জমি বা ফার্ম দেখাশোনা করতে গেলে দরকার customized চলন। আর যারা শখের বশে ঘোড়া চালায় তারাও এই চলন
পছন্দ করে। স্বচ্ছন্দ চলনের আবার আছে নানা ধরণের ভঙ্গি, কিন্তু সে কথা হবে অন্য কোনোদিন।

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ ইংরেজি উইকিপিডিয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29313079 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29313079 2011-01-23 22:57:34
বিষণ্ণতার গল্প শুনি!
শুনতে খুব অবাক লাগলেও, বাস্তবতা এই যে, প্রাচীন এই ধারণা উনবিংশ শতক পর্যন্ত চালু ছিল! খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দে, মানুষ ভাবতে শুরু করে - শরীরে মাত্র চার প্রকার বস্তু আছে, সেগুলো হলোঃ Sanguine (ল্যাটিন এই শব্দের অর্থ হলো blood), Choleric (ল্যাটিন এই শব্দের অর্থ হলো হলুদ পিত্তরস, yellow bile),Melancholic (ল্যাটিন এই শব্দের অর্থ হলো কালো পিত্তরস, black bile) আর সর্বশেষ টি হলো Phlegmatic (ল্যাটিন এই শব্দের অর্থ হলো শ্লেষা, কাশির সাথে যা নির্গত হয়, phlegm)!



প্রথমে গ্রিক আর রোমান আর পরবর্তীতে পশ্চিম ইউরোপীয়রা এই ধারণাকে আরো বিস্তৃত করে। কারো দেহে যদি এই চারটি উপাদানের অনুপাত সঠিক না থাকে তাহলে সে স্বাভাবিকের চাইতে ভিন্নরকম হয়ে যাবে। শরীরে যে উপাদানের পরিমাণ বেড়ে যাবে, ভিন্নতার প্রকৃতি হবে সেরকম!

তাই কারো দেহে যদি রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায়, তাহলে তাকে দেখতে লাল টুকটুকে লাগবে, রক্তাভ আরকি! ফ্যাকাসে চেহারার চাইতে আমাদের কাছে রক্তাভ চেহারা অবশ্যই বেশি আবেদনময়ী- অর্থাৎ মানুষটি সুস্থ,সবল, দেখতে সুন্দর ডট ডট আরো অনেক কিছু আরকি!! আর তাই পরবর্তীকালে ইংরেজিতে Sanguine এর অর্থ হয়েছে আশাবাদী, hopeful, cheerful, optimistic! Sanguine এর আরেক ভাই আছে, নাম তার Sanguinary. ও কিন্তু আবার তার ইতিহাস ধরে রেখেছে, ওর নামের অর্থ হলো রক্তাক্ত, রক্তক্ষয়ী, A Sanguinary battle!

একইভাবে যদি কারো দেহে yellow bile বেড়ে যায়, গ্রিকদের মতে তখন তার মেজাজ হবে খিটখিটে। আমরা কার্টুন গুলিতে দেখি শয়তান গুলোর মুখের রঙ হয় হলুদাভ!! আর তাই পরবর্তীকালে ইংরেজিতে Choleric এর অর্থ হয়েছে বদমেজাজি বা খিটখিটে, bad tempered!

আবার যদি কারো দেহে black bile এর পরিমাণ বেড়ে যায় তাহলে কি হবে? বোঝায় তো যাচ্ছে! কালো হচ্ছে বিষন্নতার প্রতীক! তার মানে হলো তার মন খারাপ থাকবে! আর তাই পরবর্তীকালে ইংরেজিতে Melancholic এর অর্থ হয়েছে বিষাদপূর্ণ, শোকপূর্ণ, sadness! এই Melancholic এর আবার বেশ কিছু বন্ধু আছে। যেমন ধরুণ Lugubriousness, ল্যাটিন lugure এর অর্থ হলো শোক করা, to mourn। আর তাই Melancholic কে সে বন্ধু হিসাবে নিয়েছে। আরো একজন আছে, Saturnine। এই শব্দের উৎপত্তি শনি গ্রহ থেকে, Saturn! প্রাচীন কালের আবিষ্কৃত গ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দূরে ছিলো Saturn, আর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতেও বেচারা সবচাইতে বেশি সময় নিতো। (সংস্কৃত শনি র অর্থও কিন্তু একই, Shanaye Kramati Sa: (शनये क्रमति सः) , the one who moves slowly)। আর তাই সবাই একে শোকাবহ,বিষাদপূর্ণ গ্রহ বলে চালিয়ে দিল!



Melancholic আরো কিছু বন্ধু আছে, যেমনঃ moroseness, wistfulness, কিন্তু ওদের কথা বলতে গেলে লেখা আর শেষ হবে না! যাই হোক Melancholic কে নিয়ে একটা খুব বিখ্যাত ছবি দিলাম, যারা মতলব (MATLAB) করেছে তারা হয়তো এই ছবির সাথে পরিচিত( ডান পাশের ম্যাট্রিক্স)!



আচ্ছা, সর্দি-কাশি যখন হয় তখনই তো শ্লেষা বের হয় তাইনা? আর সর্দি-কাশি মানে তো Cold & Moist, অর্থাৎ শান্ত-সমাহিত। আর তাই থেকে পরবর্তীকালে ইংরেজিতে Phlegmatic এর অর্থ হয়েছে উদাসীন, calm, emotional!

অনেক তো কথা হলো, এখন আপনার নিজের দেহে কোন বস্তুর পরিমাণ কেমন তা মেপে দেখলেই বোঝা যাবে কেন মন খারাপ, তাইনা? ও ভালো কথা এই তত্ত্বের নামই তো বলা হলো না, এর নাম হলোঃ Humorism (four temperament). সাইকোলজিতে এর পরিবর্তিত রূপ এখনো ব্যবহৃত হয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29267313 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29267313 2010-11-05 21:29:29
ওয়ারফেইজ এর পুরাতন একটা গানঃধূপছায়া


১৯৯৭ সালে রিলিজ পাওয়া জীবন ধারা অ্যালবামে আমার একটা খুব প্রিয় গান ছিলো। গানটার নাম ছিল ধূপছায়া । গানের কথাগুলো এখানে শেয়ার করলাম, আশা করি ভালো লাগবে। জীবনধারা অ্যালবামটি ওয়ারফেইজের তৃতীয় অ্যালবাম।


ধূপছায়া
ওয়ারফেইজ

ধূপছায়া গোধূলি বেলায়
তুমি কাছে এসো
সুখ ছোয়াঁ রূপসী রাতে
তুমি ভালোবেসো।।

তুমি ভালোবেসো
শুধু আমাকেই
হৃদয়ে ধরে রেখো।

মেঘ এসে যদি কোনোদিনও
এই মন ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়
ঝড় এসে যদি কোনোদিনও
হৃদয় ভেঙ্গে দিয়ে যায়
প্রেমেরই অরণ্যে ব্যাকুল
তুমি কোনোদিনও ভুলে যেয়োনা।


তুমি ভালোবেসো
শুধু আমাকেই
হৃদয়ে ধরে রেখো।

ধূপছায়া গোধূলি বেলায়
তুমি কাছে এসো।

বিষাদে যদি কোনোদিনও
এ মন কাঁদে বেদনায়
বিরহ যদি উঁকি দেয় মনে
দিন কাটে নিরাশায়
পিয়ানোর সুর আমারই তা
কোনোদিনও ভুলে যেয়োনা।

তুমি ভালোবেসো
শুধু আমাকেই
হৃদয়ে ধরে রেখো।

ধূপছায়া গোধূলি বেলায়
তুমি কাছে এসো
সুখ ছোয়াঁ রূপসী রাতে
তুমি ভালোবেসো।

তুমি ভালোবেসো
শুধু আমাকেই
হৃদয়ে ধরে রেখো।।

* এই গানটির ফেসবুক পাতা।
* এই গানটি শুনতে এই পাতা ভিজিট করতে পারেন।
* আমার সাইটে পূর্বে প্রকাশিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29182390 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29182390 2010-06-22 00:49:24
কালোকে কালো বলবার জন্য মোস্তফা জব্বার ধন্যবাদ পেতেই পারেন।

বিশিষ্টজনেরা যখন ফেসবুক বন্ধ করে দেবার জন্য নির্লজ্জভাবে সরকারের প্রশংসা করে যাচ্ছেন, সেখানে সরকারের সিদ্ধান্তকে ভুল ও অবিবেচনাপ্রসূত বলে ধন্যবাদ পেতেই পারেন মোস্তফা জব্বার। শোনা যায় সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা প্রণয়নে তার ভূমিকা থাকে, তাহলে আশা করা যায়-সরকার অতিসত্বর তাদের ভুল বুঝতে পারবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ফেইসবুক বন্ধ করা বিষয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এমন হতেই পারে। যারা এটি ব্যবহার করেন তাদের আচরণ দায়িত্বশীল না হওয়ায় এরকম সমস্যা হয়েছে।"
তথ্যসূত্রঃ bdnews24.com

যারা এটি ব্যবহার করেন বলে উপাচার্য মহোদয় সব ফেসবুক ব্যবহারকারীকেই এক কাতের দাঁড় করিয়ে দিলেন! কিছু লোকের বিকৃত ও ধিকৃত আচরণের কারণে সবাই কেন শাস্তি পাবে? এটা কি মাথাব্যথার সমাধান হিসাবে মাথা কেটে ফেলার মতো ব্যাপার নয়?

অন্যদিকে মোস্তফা জব্বার দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাতকারে জানাচ্ছেনঃ

//পোস্টে ইংরেজি ব্যবহারের জন্য দুখিঃত, তবে যেহেতু এটাই অরিজিন্যাল ভার্সন তাই দিতে বাধ্য হলাম, আবারো দুখঃ প্রকাশ করছি।//
IT expert Mustafa Jabbar said the internet has become an uncontrollable medium but blocking the entire site is no solution to the problem. "I don't support it. Restricting us from being in touch with the world is like making us live like ostriches with their heads buried in the sand," he said. "It is not a good move. A better step would be to take legal action against individual offenders." Jabbar said the government did it because someone posted cartoons of the VIPs. "But many people including girls are being abused in Facebook every day. Would they have done the same for them or me? You cannot block an entire population for some wrongs done by one or two individuals." He stressed stronger and all-inclusive cyber-crime laws so that people can go to law enforcers when they are being harassed on the internet, not just on Facebook.
তথ্যসূত্রঃ The Daily Star

ভুল-ত্রুটি তার থাকতেই পারে, তবে সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলতে পারার জন্য ধন্যবাদ তিনি পেতেই পারেন। আর সরকার যত দ্রুত তার এই কথা গুলো বুঝতে পারবে, ততোই মঙ্গল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29166278 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29166278 2010-05-30 21:41:49
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই ঝড়ে যাওয়া, কিছুতেই মানতে পারছি না।
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। কিন্তু শুধু সচেতনতা কতটা সফল হবে, সরকারি উদ্যোগ ছাড়া? এর আগে বাস ও ট্রাকের ধাক্কায়, এসিডবাহী ট্রাক থেকে এসিড পরে আরেক ছাত্র নিহত হলে,আলোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিলো! কিন্তু কি লাভ? সরকার কি এ ব্যাপারে (এসিডবাহী যানবাহন) কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে বা কোনো নীতিমালা দিয়েছে? বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা নিত্তনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িঁয়েছে। কেউ ব্যাপারটাকে পাত্তাই দিতে চান না, শুধু কাছের কেউ মারা গেলে আমরা একটু উচ্চকিত হই, ঐ পর্যন্তই শেষ। বেশিরভাগ সড়ক দুর্ঘটনাই এড়ানো সম্ভব, তবে কেন তা করার কোনো চেষ্টা আমরা কেউই করছি না?

প্রথম আলোর সংবাদ।
Click This Link


ডেইলী স্টার
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29163615 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29163615 2010-05-27 11:40:09
মৃত্যুদন্ডই যেখানে সকল পাপের শাস্তি
এর আগে একটি পোস্ট দিয়েছিলামঃ "আর কতক্ষণ হাততালি দেবেন ?" এই শিরোনামে। ঐ পোস্টে বলেছিলাম করতালি বা হাততালি পাওয়া সবসময় সৌভাগ্যের ব্যাপার নাও হতে পারে। আজকে সেরকম একটা গল্প আপনাদেরকে শোনাব।


প্রাচীন গ্রিসের এক আইন প্রণেতার নাম ছিলঃ ড্রাকো (Draco )। সেই যুগে আইনের কোনো লিখিত রূপ ছিলো না। তার ফলে সহজেই বিচারের রায় যেত অভিজাতদের পক্ষে। খ্রিস্টপূর্ব ৬২১ অব্দে ড্রাকোই প্রথম আইনের লিখিত রূপ দেন। ফলে চাইলেই রায় অভিজাতদের পক্ষে নেওয়ার আর কোনো সুযোগ ছিলো না।

কিন্তু ড্রাকোর এই আইন ছিল খুবই কড়া। কেমন কড়া? শুনুন প্রাচীন ঐতিহাসিক প্লুটার্কের মুখেইঃ " For nearly all crimes there is the penalty of death"। আরেক গ্রিক বক্তার কথা শুনুনঃ " The Draconian Code is written in blood." বোঝাই যাচ্ছে সবাই ব্যাপারটাকে অতিরঞ্জিত করে ফেলেছে। কিন্তু দুখঃজনক ব্যাপার হলো, বর্তমানে ইংরেজি ভাষায় Draconian শব্দের মানেও দাঁড়িয়েছে তাই, অতিশয় কঠোর ও নির্মম। বেচারা Draco, তার নাম থেকে তৈরি শব্দ তাকেই ব্যঙ্গ করছে।

ড্রাকো নাকি বলেছিলেনঃ "লঘু পাপের শাস্তি মৃত্যুদন্ড, কিন্তু গুরু পাপের জন্য-এর চেয়ে কঠিন কোনো শাস্তি আমার মাথায় আসেনা"। বলা হয় হত্যা বা মন্দির লুটের শাস্তি যেমন ছিলো মৃত্যুদন্ড, আপেল বা সব্জি চুরির শাস্তিও ছিলো মৃত্যুদন্ড! নরহত্যার শাস্তি ব্যতীত ড্রাকোর প্রবর্তিত বাকি সব শাস্তি ৩০ বছর পর জ্ঞানী সোলন পরিবর্তন করে ফেলেন। কিন্তু ড্রাকো'র সময়ে ড্রাকো কিন্তু ছিলেন সেলিব্রেটি, কারণ তিনিই প্রথম লিখিতভাবে সবার জন্য সমান আইন প্রণয়ন করেন। এরকম একটা সময়ে ড্রাকো গিয়েছিলেন এক অনুষ্ঠানে, সবাই বিপুল করতালি (Applause) দিয়ে তাকে অভিনন্দিত করছিল। তখনকার দিনের রেওয়াজ ছিল, নিজের পরিহিত আলখাল্লা বা টুপি ছুড়ে দিয়ে ব্যক্তির প্রতি সম্মান জানানো, তাই আনন্দের আতিসাজ্যে সবাই বিপুল করতালে দিয়েছিলো আর এরই সাথে ছুড়ে দিয়েছিলো বিপুল টুপি আর আলখাল্লা। হতভাগা ড্রাকো এতো টুপি ও আলখাল্লার ভার সইতে না পেরে মৃত্যুবরণ করেন । ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস!

ছবিঃ উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া (ড্রাকোর ছবি নয়)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29142735 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29142735 2010-04-26 19:42:28
আর কতক্ষণ হাততালি দেবেন?


হাততালি কেন দেই - আমরা সবাই তা জানি। খেয়াল করে দেখেছেন কখনো-আমরা কতক্ষণ হাততালি দেই? আচ্ছা, কতক্ষণ করতালি দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন? একটানা ১০ মিনিট, বড়জোর ১৫ মিনিট। কিন্তু একটানা করতালি দেবার রেকর্ডটা কত জানেন? মাত্র ১ ঘন্টা ২০ মিনিট! অবাক হচ্ছেন, হবারই কথা। তার আগে আসুন জেনে নেই-করতালির ইতিহাস।

প্রাচীন রোমে শিল্পীদের নৈপুণ্য প্রদর্শনের পরে উৎসাহিত করাটা ছিল রেওয়াজ। রোমান থিয়েটার এ- নাটকের শেষে অভিনেতা যখন বিদায়বাণী উচ্চারণ করতো, তখন একজন পেইড লোকের তত্ত্বাবধানে সবাই একত্রে হাততালি দিত। এই রেওয়াজ এখনো চালু আছে, তবে পেইড লোকের চল নেই বলেই মনে হয়।

এখন শুনুন প্লাসি্দো ডোমিনগো ‘র কথা। স্প্যানিশ এই ভদ্রলোক পেশায় একজন অপেরা শিল্পী। এই ভদ্রলোক ১৯৯১ সালে "ভিয়েনা স্ট্যাটসপার" নামক এক অপেরা হাউসে ওটেলো (Otello ) নামের এক অপেরাতে পারফর্ম করে টানা ১ ঘন্টা ২০ মিনিট করতালি পেয়েছেন! এটিই এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। আর হ্যাঁ, করতালির ঘটনাটা সাজানো ছিলোনা।

করতালির আর একটা ঘটনা আছে, সেটি দুখঃজনক। করতালি পেয়ে মানুষের মৃত্যুও হয়েছে!! সেই ঘটনা না হয় আরেকদিন বলা যাবে।

ছবিঃ উইকিমিডিয়া কমন্স থেকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29142115 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29142115 2010-04-25 20:30:43
খারাপ শব্দগুলোকে জানুন! (শেষ পর্ব)
খারাপ শব্দগুলোকে জানুন!
=============================================

Malevolent: ল্যাটিন male (from malus) আর ল্যাটিন volent(wishing) এই দুইয়ের সমন্বয়ে এই শব্দের সৃষ্টি। তার মানে দাড়াঁলঃ খারাপ wish করা, অর্থাৎ ঈর্ষাপরায়ণ, পরশ্রীকাতর, অমঙ্গলকামনাকারী। যেমনঃ Somewhereinblog does not allow people with malevolent attitudes to become a member!





ডাইনী Maleficient!

Maleficent: যারা ওয়াল্ট ডিজনি'র "স্লিপিং বিউটি " মুভিটি দেখেছেন, তারা অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন এর অর্থ কি। আর যাদের দেখা হয়নি - তাদের জন্য বলছি,স্লিপিং বিউটি'র প্রধান বিরোধী চরিত্রের নাম Maleficient! এটি একটি ডাইনী চরিত্র। রাজকন্যা অরোরা'র ব্যাপ্টিজম অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পাওয়ায়, ডাইনী অরোরাকে অভিশাপ দেয়। গুজব শোনা যাচ্ছে যে, ডিজনী স্লিপিং বিউটি মুভিটি নতুন রূপে তৈরি করতে চাচ্ছে -যাতে Maleficent চরিত্রে অভিনয় করতে পারে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি! ল্যাটিন malus আর ল্যাটিন fic(to do/make) এবং -ent (adjectvite suffix) এর সমন্বয়ে এই শব্দের সৃষ্টি। তাহলে এর অর্থ হচ্ছেঃ evil doer অর্থাৎ ক্ষতিকারক। Maleficent এবং Malign(adj.) সমার্থক শব্দ।



Malefactor: ল্যাটিন malus আর ল্যাটিন facere (to do/make) এবং -tor (noun suffix) এর সমন্বয়ে এই শব্দের সৃষ্টি। তাহলে এর অর্থ হচ্ছেঃ An evil doer অর্থাৎ অপরাধী, কুকর্মকারী। যেমনঃ He is a well-known criminal lawyer who had saved a many malefactor from going to jail. (এই ধরণের Lawyer দের সমাজচ্যুত করা উচিত)


Malediction: ল্যাটিন malus আর ল্যাটিন dictum (to say/tell) এবং -tion (noun suffix) এর সমন্বয়ে এই শব্দের সৃষ্টি। তাহলে এর অর্থ হচ্ছেঃ to say evil things অর্থাৎ অভিশাপ-প্রদান!যেমনঃ A malediction was pronounced by the dervish against the village and ever since there has been no fresh water there.





দ্য রাইভালস নাটকের একটি দৃশ্য

Malapropism: রিচার্ড ব্রিন্সলে শেরিডান রচিত "দ্য রাইভালস "(১৭৭৫) নাটকের একটি হাস্যরসউদ্দীপক চরিত্রের নাম মিসেস Malaprop, যিনি কিনা হাস্যকর ভাবে বাক্যে ভুল শব্দের ব্যবহার করতেন। যেমনঃ "Contagious(সংক্রামক) countries" আসলে হওয়া উচিত ছিল Contiguous (পাশাপাশি)!" A supercilious knowledge in accounts" আসলে হওয়া উচিত ছিল superficial! তার নাম থেকেই এসেছে এই শব্দটি (যদিও অন্য একটা ব্যাখ্যাও আছে)। তাহলে এর মানে দাড়াঁলঃ প্রায় সমধ্বনি কিন্তু ভিন্ন অর্থবহ শব্দের ব্যবহার জনিত বিভ্রাট!



Malignant: এই শব্দটি গত পর্বে আলোচিত Malaign এর একটি adjective form, এর অর্থঃ ক্ষতিকর!


আরো কিছু শব্দঃ Maladroit (adroit অর্থ নিপুণ বা দক্ষ), Malicious, Malice,
Malady. এছাড়াও তো malpractice,malfunction, maladjusted, malnutrition এই শব্দগুলো রয়েছেই!


Disclaimer: অনেক নারী ব্লগার ভাবতে পারেন, male (পুরুষ), শব্দটিও malus থেকে এসেছে <img src=" style="border:0;" /> . তাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি না! এই শব্দটি এসেছে ল্যাটিন masculus থেকে। <img src=" style="border:0;" />

আরো জানতেঃ
১. All About Words Blog
2. All About Words Site

ছবিঃ উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া। (cc)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29128466 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29128466 2010-04-03 20:37:00
খারাপ শব্দগুলোকে জানুন! না, ভয় পাবার কারণ নেই। কোনো vulgar/slang শব্দ নিয়ে কথা হবেনা। কথা হবে সেই শব্দগুলোকে নিয়ে,যাদের অর্থ খারাপ (evil) অবস্থা বুঝায়। আর এই জাতিয় বেশিরভাগ শব্দই এসেছে ল্যাটিন malus থেকে, যার অর্থ bad or evil.


_____________________________________________


Malign: ল্যাটিন malus আর ল্যাটিন genus(kind,type) এই দুইয়ের সমন্বয়ে এই শব্দের সৃষ্টি। অর্থাৎ এর অর্থ দাড়াঁলঃ খারাপ অবস্থা। Malign এর অর্থ ক্ষতিকর কিছু। যেমনঃ A malign tumor! আবার যখন verb হিসাবে ব্যবহৃত হয় তখন এর অর্থ দাড়াঁয় কারো সম্পর্কে খারাপ কিছু বলা অর্থাৎ কুৎসা রটানো! যেমনঃ She malaigns her sister everywhere!

Malaise: ফ্রেঞ্চ ভাষা হলো Romance ভাষা, অর্থাৎ এর উৎপত্তি রোমান বা ল্যাটিন থেকে! ল্যাটিন malus ফ্রেঞ্চ ভাষায় এসে হয়েছে mala/mal. সেই mala আর aise শব্দ দুইটি যুক্ত হয়ে তৈরি হয়েছে malaise. Aise অর্থ বোঝা যাচ্ছেনা? দেখুন তো চিনতে পারেন কিনা? Dis+aise >Dis + ease> Disease. হ্যাঁ, aise অর্থ ease ।তাহলে Malise এর মানে দাড়াঁলঃ bad ease বা, unease. ঠিক তাই malaise অর্থ অসুস্থতা!

অনেক প্যাঁচাল হয়েছে, এবার একটা ছবি দেখি, ছবি দেখেই যা বোঝার বুঝতে পারবেন।


ছবিতে শব্দের বর্ণনাঃ malinger. (Copyright © 2010, K. M. Tanvir Ahmmed.)

তাহলে Malinger অর্থ দাড়াঁলঃ কর্তব্য এড়ানোর জন্য, অসুস্থতার ভান করা! ছোটবেলায় স্কুল অথবা পড়া ফাঁকি দেবার জন্য সবাই মনে হয় Malinger এর আশ্রয় নিয়েছিলাম!এক্ষেত্রে mal অর্থঃ wrongly. আর haingre অর্থঃ weak.




ম্যালেরিয়া'র বাহক অ্যানোফিলেস মশা।

Malaria: শেষ করছি ভুল একটা ধারণাকে তুলে ধরে! ইতালিয়ান mal + aria (air), এই দুই শব্দযোগে তৈরি হয়েছে malaria. তাহলে এর অর্থতো দাড়াঁয়ঃ খারাপ বাতাস, ঠিকই ধরেছেন। আগে বিশ্বাস করা হতো, জলাভূমি'র খারাপ বাতাস থেকে malaria ছড়ায়! এখন আমরা সবাই জানি, অ্যানোফিলেস নামক মশার মাধ্যমে malaria ছড়ায়। আজকে খারাপ কথা-বার্তা এ পর্যন্তই থাক, ভবিষ্যতে আবার বলা (Malefactor, Malevolent, Malediction etc.)যাবে।

আরো জানতেঃ
১. All About Words Blog
2. All About Words Site ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29127430 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29127430 2010-04-01 20:50:44
বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জঃ স্প্রাটলি আইল্যান্ডস

দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত এই দ্বীপপুঞ্জটি দুইটি দেশের মধ্যে নয়, ছয়টি দেশের মধ্যে বিরোধের উৎস! মাত্র ৫ কি.মি. এর চেয়েও কম ভূখন্ড নিয়ে গঠিত স্প্রাটলি আইল্যান্ডস (Spratly Islands )! কিন্তু এই আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জ সমুদ্র বক্ষে ৪,১০,০০০ বর্গ কি.মি.ব্যাপী প্রসারিত। অন্তর্গত দ্বীপ ও কোরাল রিফ এর সংখ্যা একশত এর বেশি ।



বিরোধঃ
এই দ্বীপপুঞ্জগুলোতে কোনো কালেই কোনো আদিবাসী বসবাস করেনি। তাই বলে দাবির ক্ষেত্রে কেউই পিছিয়ে নেই।

সমগ্র দ্বীপপুঞ্জের দাবিদার হলোঃ
১.চীন (পিপলস রিপাব্লিক অব চায়না)
২.তাইওয়ান(রিপাব্লিক অব চায়না)
৩.ভিয়েতনাম
আর আংশিক দাবিদার'রা হলোঃ
৪.মালয়েশিয়া
৫.ফিলিপাইন
আর এক্সক্লুসিভ ইকোনোমিক জোনের দাবিদারঃ
৬.ব্রুনেই!

চীনের দাবির মূল যুক্তি হচ্ছে প্রাচীন আমল থেকেই চৈনিক মানচিত্রগুলোতে এই দ্বীপপুঞ্জগুলো দেখানো আছে। Wanli Shitang নামে দেখানো দ্বীপপুঞ্জগুলোই বর্তমান কালের স্প্রাটলি আইল্যান্ডস । আর যারা পিপলস রিপাব্লিক অব চায়না এবং রিপাব্লিক অব চায়না এই দুইয়ের ইতিহাস জানেন, তারা ইতোমধ্যেই বুঝে ফেলেছেন চীন কোনো ভূখন্ডে নিজেদের মালিকানা দাবি করলে, সেটা দাবি করা তাইওয়ানের জন্য ফরয হয়ে যায়!

সমস্যা সৃষ্টি হলো ভিয়েতনামকে নিয়ে, কারণ ১৭ ও ১৮ শতকের ভিয়েতনামিজ মানচিত্রগুলোতে এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দেখানো হয়েছে ভিয়েতনামকেই। আর চীনের মানচিত্রের ব্যাপারে তাহলে কি হলো? চীনের তৈরি করা মানচিত্রে যা দেখানো হবে, তার সবই যে চীনের তা কে বলেছে? ঐ মানচিত্রে চীন এবং তার আশেপাশের জানা ভূখন্ডের চিত্রায়ন করা হয়েছে। আরো আছে, ঐ মানচিত্রে যে সাগরে Wanli Shitang অবস্থিত, তার নাম দেওয়া ছিল Sea of Jiaozhi, আর উত্তর ভিয়েতনামের পূর্বের নাম ছিল ঐটি। তাহলে ভিয়েতনাম নিজেদেরকে দাবিদার বলতেই পারে!একইভাবে অন্যদের দাবির পক্ষেও নানা রকম যুক্তি-তর্ক আছে।

কথা হলো কেন এই দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে টানাটানি? ১৯৬৮ সালে চীনা সরকারের করা এক মূল্যায়নে জানা গেছে, তেল এবং গ্যাসের বিশাল রিজার্ভ এই দ্বীপপুঞ্জ, এতোটাই বেশি যে তা কুয়েতকেও হার মানাবে! এর পরে ১৯৭৬ সালে ফিলিপাইনতো তেল আবিষ্কার করে এর প্রমাণ দিয়ে দিলো।

১৯৮৮ সালে এই দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধে চীন ও ভিয়েতনামের মধ্যে এক যুদ্ধে অনেকগুলো ভিয়েতনামিজ নৌযান ডুবে যায় ও অনেক সৈন্য হতাহত যায়।


বর্তমান অবস্থাঃ
এই দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় দ্বীপ ইতু আবা (Itu Aba ) রয়েছে তাইওয়ানের দখলে। আর স্প্রাটলি আইল্যান্ড(দ্বীপপুঞ্জের নামেই দ্বীপটির নাম) নামক চতুর্থ বড় দ্বীপটি রয়েছে ভিয়েতনামের অধীনে। বর্তমানে ৪৫ টি দ্বীপ চীন, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইন এর সামরিক দখলে আছে। বাকিগুলোতে এখনো সামরিক উপায়ে দখলদারিত্ব কায়েম হয়নি। ২০০৫ সালে চীন,ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামের সরকারি তেল কোম্পানিগুলো স্প্রাটলি আইল্যান্ডস এ সিসমিক জরিপ চালানোর জন্য এক যৌথ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

এর মধ্যেও দাবি পাল্টা দাবি অব্যাহত আছে। ২০০৯ সালেই মালিকানা সংক্রান্ত অনেকগুলো দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।


আগের পর্বঃ বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জঃ কিউরিল আইল্যান্ডস

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ উইকিপিডিয়া]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29118514 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29118514 2010-03-17 22:55:47
বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জঃ কিউরিল আইল্যান্ডস
কিউরিল আইল্যান্ডস (Kuril Islands ) হলো ১৩০০ কি.মি. ব্যাপী প্রসারিত এক আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জ। জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ হোক্কাইদো (Hokkaidō) থেকে শুরু হয়ে রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপ (Kamchatka Peninsula) পর্যন্ত বিস্তৃত এই কিউরিল আইল্যান্ডস। ওখট্‌স্ক সাগর (Sea of Okhotsk) আর প্রশান্ত মহাসাগরকে আলাদা করেছে এই দ্বীপপুঞ্জ। কিউরিল আইল্যান্ডস বা কুরিল দ্বীপপুঞ্জ-এর অন্তর্গত দ্বীপের সংখ্যা ৫৬।



বিরোধঃ
কিউরিল দ্বীপপুঞ্জের আদিবাসীদেরকে সরিয়ে জাপানিরা এই দ্বীপপুঞ্জে বসবাস শুরু করে। জাপানিদের দাবি অনুযায়ী ৪০০ বছর আগেই তারা জাপানের উত্তর-পূর্বের এই দ্বীপপুঞ্জের অস্তিত্ব সম্পর্কে জ্ঞাত ছিল। ১৬৪৪ সালে জাপানিদের তৈরিকৃত একটি ম্যাপে ৩৯ টি দ্বীপের খোঁজ পাওয়া যায়। রাশিয়ানরা সতের শতকে এই অঞ্চলে প্রবেশ করে। তবে তারা কখোনই উরুপ দ্বীপের (Urup Island) দক্ষিণে যায়নি। কিন্তু আঠারো শতকে ইতুরুপ দ্বীপে (Iturup Island) তারা বসতি স্থাপন করে।



১৯ শতকের শুরুর দিকে জাপান ছিল এক গোপন সাম্রাজ্য। তারা বাকি বিশ্ব থেকে নিজেদের আলাদা করে রাখতে চাইত। তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল শুধু চীন এবং হল্যান্ড-এর সাথে। এই দুই দেশের কেউই জাপানে প্রবেশ করতে পারত না, শুধু বন্দর পর্যন্ত তাদের প্রবেশাধিকার ছিল। এরই প্রেক্ষিতে অনেক জাপানি জেলে ধরা খেত রাশিয়ানদের হাতে, একইভাবে রাশিয়ান জেলেরা ধরা খেত জাপানিদের হাতে। এরূপ আরো নানা কারণে ১৮৫৫ সালে শিমোদা চুক্তি (Treaty of Shimoda )স্বাক্ষরিত হয় জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে। রাশিয়ার সীমানা নির্ধারিত হয় উরুপ দ্বীপ পর্যন্ত, আর জাপানের ইতুরূপ দ্বীপ পর্যন্ত।

অন্যদিকে জাপানের উত্তরে অবস্থিত সাখালিন দ্বীপে (Sakhalin )রাশিয়ান এবং জাপানি উভয়েই বসবাস করত। এর ফলে এই দ্বীপেও সংকট সৃষ্টি হয়। আর শিমোদা চুক্তির ফলেও কোনো উন্নতির লক্ষণ দেখা না যাওয়ায় নতুন করে চুক্তির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এরই ফলে ১৮৭৫ সালে স্বাক্ষরিত হয় সেইন্ট পিটার্সবাগ চুক্তি (Treaty of Saint Petersburg )। এর ফলে জাপান সাখালিন দ্বীপের দাবি ছেড়ে দেয় এবং রাশিয়া কিউরিল দ্বীপের দাবি ত্যাগ করে।

কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাশিয়া সমগ্র কিউরিল দ্বীপ দখল করে নেয়।


বর্তমান অবস্থাঃ

সমগ্র কিউরিল দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়া'র সাখালিন অব্লাস্ট এর অন্তর্ভূক্ত। এবং সমগ্র দ্বীপপুঞ্জে রাশিয়ার অধীনতা বজায় আছে। জাপান বর্তমানে শুধু চারটি দ্বীপের দাবী বজায় রেখেছে। ২০০৬ সালে পুতিন সরকার দুইটি দ্বীপ জাপানকে ফিরিয়ে দেবার প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু শর্ত ছিল এর বিনিময়ে বাকি দুইটি দ্বীপের দাবি জাপানকে ত্যাগ করতে হবে। কিন্তু জাপান যৌক্তিক কারণেই এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29109304 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29109304 2010-03-03 18:03:35
স্বল্প বাক ২ গত পর্বে বেশ কিছু আগ্রহোদ্দীপক সংক্ষিপ্ত বাক্যের কথা বলেছিলাম, আজকে এর বাকিটুকু বলব!

১. প্রথম ঘটনাটা এই উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনামলের। তখন উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের স্বর্ণযুগ চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই, সিন্ধু প্রদেশে এক বিদ্রোহ শুরু হল। যথারীতি ব্রিটিশ সরকার সামরিক শক্তি দিয়ে বিদ্রোহ দমন করতে চাইল। যখন কিনা বিদ্রোহ সম্পূর্ণরূপে অবদমিত হলো, তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্রিটিশ জেনারেল ইংল্যান্ডে-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডাক পাঠালো। ডাকে কথাটা কি ছিল, জানেন? মাত্র একটা শব্দঃ "Peccavi"। এই শব্দের অর্থ হলঃ আমি পাপ করেছি ( I have sinned)! আজব ব্যাপার- এর অর্থ কি?

এর অর্থ বলছি, তার আগে একটু বিদ্যা চর্চা করে নেই! ল্যাটিন ভাষায় peccare অর্থ হল পাপ করা (to sin). সেখান থেকে ইংরেজিতে এসেছে Peccable- যার অর্থ হল পাপপ্রবণ। একই মূল থেকে এসেছে Peccadillo- একটা diminutive suffix যোগ করার ফলে এর অর্থ কিছুটা লঘুতর হয়ে দাঁড়ালোঃ ছোট খাটো পাপ। আর একটা শব্দ বাদ পরে গেল! Impeccable- Im(from in- না-বোধক prefix) আর Peccable মিলে তৈরি এই শব্দের অর্থ নিশ্চয় ধরতে পেরেছেনঃ হ্যাঁ এর অর্থ হলোঃ পাপহীন, নিখুঁত। আর Peccavi মানে তো আগেই জানিয়েছিঃ আমি পাপ করেছি ( I have sinned)।

এবার আবার গল্পে ফেরা যাক। এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে ফেলেছেন, জেনারেল এর পাঠানো ডাকের অর্থ। যেহেতু সিন্ধ (Sindh) আর Sinned এর উচ্চারণ প্রায় একই। তাই জেনারেল আসলে বলতে চেয়েছিলেন, আমি সিন্ধ দখল করেছি, সিন্ধ এখন আমার হাতে - I have Sindh. কিন্তু তা না বলে তিনি একটু মজা করার জন্য বলেছেনঃ "Peccavi" (I have Sinned).



২. এবার দ্বিতীয় আর একটা গল্প বলা যাক। এই Anecdote টা আমেরিকার ৩০ তম প্রেসিডেন্ট কেলভিন কুলিজ (Calvin Coolidge) কে নিয়ে। অনেকেই বলে থাকে মি. কেলভিন কুলিজ নাকি খুবই বাকবিমুখ ছিলেন। অনেকেই তাঁর একটা নামও দিয়ে ফেলেছিলঃ Silent Cool!


মি. কেলভিন কুলিজ'এর অফিশিয়াল হোয়াইট হাউস প্রতিকৃতি

এক রাষ্ট্রীয়ভোজে প্রেসিডেন্টের পাশে বসেছিলেন এক নামকরা পত্রিকার তরুণী সাংবাদিক। হঠাৎ করেই বিব্রতকরভাবে তরুণীটি প্রেসিডেন্ট কে বললেনঃ " আমি আমার পত্রিকার সম্পাদকের সাথে বাজি ধরেছি যে, আপনাকে আমি দুইটার বেশি শব্দ উচ্চারণ করিয়েই ছাড়ব" (I have a bet with my editor that I can get you to say more than two words to me this evening). বলতে পারেন মি. প্রেসিডেন্ট'এর উত্তর কি ছিল?

তিনি তাৎক্ষণিক উত্তর দিলেনঃ তুমি হেরেছ! (You lose)


৩. তৃতীয় আর একটা গল্প শোনা যাক? নাহ- আজকে আর নয়, অন্য কোনো দিন?

আগের পর্বঃ স্বল্পবাক ১

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ উইকিপিডিয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29102382 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29102382 2010-02-21 13:04:46
স্বল্প বাক সেই সংক্ষিপ্ত পত্রের কথা সকলেরই জানা, কিন্তু ইতিহাসের পাতা খুঁজলে আরো বেশ কিছু আগ্রহোদ্দীপক সংক্ষিপ্ত বাক্যের দেখা মেলে। সেই সব কথা জানাতেই এই ক্ষুদ্র প্রয়াসঃ


১। প্রাচীন কালের গ্রিসে অনেক নগর রাষ্ট্রের এক নগর রাষ্ট্র ছিল স্পার্টা (Sparta) । আর এর আওতাধীন এলাকার নাম ছিল ল্যাকোনিয়া (Laconia).অন্য অনেক নগর রাষ্ট্রের তুলনায় ল্যাকোনিয়া ছিল অনেকটাই ভিন্ন। তাদের সমাজ-ব্যবস্থা, শাসন-ব্যবস্থা, অর্থনীতি সব কিছুই গড়ে উঠেছিল সামরিক চিন্তা-চেতনাকে মাথায় রেখে! আর এই কঠোর জীবন-ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে তাদের কথাও ছিল সংক্ষিপ্ত ও তীক্ষ্ণ। উপাখ্যানে আছে, যখন কিনা মেসিডোনিয়া'র রাজা ফিলিপ (Philip of Macedonia)স্পার্টা নগরীর নগরদ্বার গুড়িয়ে দিচ্ছিলেন, তখন তিনি অবরোধকৃত স্পার্টা'র রাজার কাছে লিখে পাঠালেনঃ যদি আমরা আপনার নগর দখল করতে পারি, তবে আমরা এটিকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেব! ("If we capture your city we will burn it to the ground") আমাদের স্পার্টা'র রাজন্যের উত্তর ছিলঃ যদি ("If")!
অর্থাৎ (যদি পার)আগে দেখ দখল করতে পারো নাকি!

আর এই স্বল্প বাক্যালাপের জন্যই এসেছে ইংরেজি শব্দঃ Laconic, অর্থঃ স্বল্পভাষী ব্যক্তি বা অল্প কথায় প্রকাশিত।



২. দ্বিতীয় আর একটি Anecdote (বাস্তব কোনো ঘটনা বা ব্যক্তি সম্পর্কে মজার কাহিনী) শোনা যাক তাহলেঃ

গ্রিক ঐতিহাসিক প্লুটার্ক (Plutarch)লিখিত রচনাবলীর এক সঙ্কলনের নাম মোরালিয়া (Moralia). এই সঙ্কলনের স্পার্টান নারীদের বক্তব্য বিষয়ক একটা রচনা থেকে ঘটনাটা নেওয়া হয়েছে।

এক মা তার যুদ্ধগামী সন্তানকে বিদায় জানাতে এসেছে। জননীর শেষ কথা (আসলে সনির্বন্ধ অনুরোধ) তার সন্তানের প্রতিঃ (ঢাল হস্তান্তর করতে করতে) "হয় এইটা সাথে করে নতুবা এইটার উপরে" (Either this or upon this) কথাটার অর্থ ধরতে পেরেছেন?


হপলাইট (Hoplite) নামক পদাতিক সেনা


স্পার্টার জনগণকে শিক্ষাই দেওয়া হয় যেন তার সন্তান সাহসের সাথে রাষ্ট্রের জন্য লড়তে পারে। প্রাচীন গ্রিক নগর-রাষ্ট্রের মূল সৈন্যবাহিনীতে ছিল হপলাইট (Hoplite) নামক পদাতিক সেনা। আর ঢাল ছিল হপলাইট সেনাদের মূল রক্ষা-কবচ। এই ঢাল এবং আনুষঙ্গিক যুদ্ধাস্ত্র বংশ-পরম্পরায় পিতা থেকে সন্তানের হাতে পৌঁছাত। যুদ্ধ থেকে ঢাল ছাড়া ফেরার অর্থই হচ্ছে,সে ভয়ে ঢাল ফেলে রণাঙ্গন থেকে পলায়ন করেছে। আর যদি তার সন্তান যুদ্ধক্ষেত্রে বীরের মত মৃত্যুবরণ করে থাকে তাহলে সেই ঢালে করেই তাকে বয়ে নিয়ে আসা হয়। আর জীবিত থাকলে তো যুদ্ধ জয় করে ঢাল সাথে করেই ফিরবে। তাই বলা হচ্ছেঃ হয় তোমার ঢাল সাথে করে নিয়ে আসো অথবা ঢালের উপরে শায়িত অবস্থায় আসো!!!(Either this or upon this)।

যদি মজা পেয়ে থাকেন তাহলে স্বল্প বাক'এর উপর আরেকটা পর্ব করা যেতে পারে, কি বলেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29101825 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29101825 2010-02-20 19:50:39
ভীতিকর কথকথাঃ আতঙ্ক পোস্ট " style="border:0;" />


থেসালোনিকা (Thessalonica) তে অবস্থিত অ্যাগরা ছিল বেশ বিখ্যাত। থেসালোনিকাতে অবস্থিত অ্যাগরা'র ধ্বংসাবশেষ

টায়ার'এ অবস্থিত অ্যাগরা'র ধ্বংসাবশেষ

এথেন্সে অবস্থিত পুনঃনির্মিত অ্যাগরা।


এই অ্যাগরা শব্দ থেকেই তৈরি হয়েছে একটা আতঙ্কের নামঃ Agoraphobia. Agora অর্থ আমরা জানলাম যে, সম্মেলন স্থল, অর্থাৎ ফাঁকা বা উন্মুক্ত স্থান (Public places), আর Phobia অর্থঃ ভীতি। তাই Public place অথবা ফাঁকা জায়গার ভীতি বা আতঙ্ক বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

এই সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার’এর নামকরণ করেন, জার্মানির এক ভদ্রলোক কার্ল ওয়েস্টফাল (Carl WestPhal). পেশায় সাইকিয়াট্রিস্ট এই ভদ্রলোক ১৮৭৩ সালে দি জার্নাল অব মেন্টাল সায়েন্সে এই উদ্বিগ্নতা ও ভীতিকে তুলে ধরেন। আর এই কারণে, অ্যাগরাফোবিয়াতে আক্রান্ত ব্যক্তিগণ avoid public and/or unfamiliar places, especially large, open, spaces such as shopping malls or airports where there are few 'places to hide'. /<img src=" style="border:0;" />


এবার অন্য আরেক রকম ভীতির কথা শুনুন তাহলে। Claustrophobia. Claustrum অর্থ বদ্ধ স্থান ( মজার ব্যাপার হচ্ছে এই শব্দের রুট আর ইংরেজি close শব্দের রুট একই।) আর phobia মানেতো আমরা জানিই। তাই বদ্ধ স্থানের প্রতি ভীতি বা আতঙ্ককে বলা হয়ঃ Claustrophobia।

অনেকেই লিফটে উঠতে ভয় পান এই মানসিক ব্যাধির কারণে। এক জরিপে দেখা গিয়েছে, পৃথিবী’র ৫-৭ শতাংশ লোকই এই মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত, কিন্তু খুব কম সংখ্যক লোকই উপযুক্ত চিকিৎসা পেয়ে থাকেন। খনিশ্রমিকরা অনেকেই এই ভীতির স্বীকার হন।


আবার, অনেকে আছেন, পাহাড়ে উঠতে বা উচুঁ স্থানে উঠতে ভয় পান, উচ্চতা ভীতিকে বলেঃ Acrophobia. Acro শব্দটি এসেছে গ্রিক Akron থেকে, এর অর্থ শীর্ষ স্থান।

বেচারা Acrophobia তে আক্রান্ত!
মজার ব্যাপার হচ্ছে গ্রিক Acropolis (শাব্দিক অর্থে উপরের নগরী), Acrobat এই শব্দগুলোও এসেছে akron থেকে!!


ইদানিং কালে বেশ শোনা যাচ্ছে আরেকটি ভীতির কথা। বিদেশীদের সম্বন্ধে অহেতুক ভীতি, এর নাম দেওয়া হয়েছেঃ Xenophobia. গ্রিক xenos অর্থ হলো বিদেশি/আগন্তুক। রসায়নের Xenon মৌলের নামও কিন্তু এই মূল থেকেই!

xenophobia এর উদাহরণ, জার্মানির NPD নামক এক চরম ডানপন্থি দলের প্ল্যাকার্ড!! এতে লেখা আছেঃ We clean out!! বুঝতেই পারছেন, কালোদেরকে তাড়িয়ে দিতে চায় তারা। <img src=" style="border:0;" />


আরো কত প্রকারের ভীতি যে আছে!! পানির ভীতিকে বলে Hydrophobia, ঘুমের ভীতিকে বলে Somniphobia, নারী ভীতিকে বলে Gynophobia!.............<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29079104 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29079104 2010-01-15 20:19:58
চতুর্দশ লুই, এক কঠোর জেনারেল ও বেয়োনেট'এর ইতিকথা
সূর্য রাজা চতুর্দশ লুই।

"সূর্য রাজা" (sun king) চতুর্দশ লুই'এর রাজত্বকাল(১৬৪৩-১৭১৫) ছিল সাফল্যে ভরপুর। সেই সময়ের যেকোনো ইউরোপীয় রাজন্যবর্গের চেয়ে তিনি সর্বাধিককাল ক্ষমতায় ছিলেন। তার সময়ে ফ্রান্স ইউরোপের নেতৃত্বস্থানীয় আসনে অধিষ্ঠিত হয়। এইসব সাফল্যের মূলে অনেকাংশে অবদান ছিল বিভিন্ন যুদ্ধে ফ্রান্সের জয়লাভ। আর এক্ষেত্রে যার অবদান সর্বাধিক তিনি হলেনঃ জ্যাঁ মার্টিনেট (Jean martinet).


ভার্সেইলীতে রাজা লুই'এর প্রাসাদ।


জ্যাঁ মার্টিনেট ছিলেন ফ্রেঞ্চ সেনাবাহিনীর একজন লেফট্যানেন্ট-কর্ণেল এবং মহাপরিদর্শক। তার মত এতো কঠোর, এতো নিষ্ঠুর, ফ্যানাটিক ড্রিলমাস্টার ফ্রান্স আগে কখনো পায়নি। মার্টিনেট এর আগে, ফ্রেঞ্চ আর্মিতে ছিল ভাড়াটে সৈন্য অথবা ভাগ্যের তাড়নায় যোগদান করা লোকজন। জ্যাঁ মার্টিনেটই প্রথম একটা নিয়োগদানের নিয়ম নীতি ও প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন, সৈন্যবাহিনীতে যোগদান শুরু হয় নিয়মিত সৈন্যদের। কিন্তু তার মতো এতো কঠোর, নিষ্ঠুর এবং চরম নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলা মোটেও সহজ কিছু নয়।



এজন্য ইংরেজি ভাষায় জ্যাঁ মার্টিনেট এর নামের অর্থ দাড়াঁয় কঠোর নিয়মনিষ্ঠ ব্যক্তি। যে কর্মচারী তার মালিককে বলে মার্টিনেট, যে স্ত্রী তার স্বামীকে বলে মার্টিনেট বা যে শ্রমিক তার ফোরম্যানকে বলে মার্টিনেট - তাহলে বুঝতে হবে তারা সবাই চরম ঘৃণা পোষণ করছে ঐ লোকটির উপর যে কিনা তাদেরকে অমানুষিক, নিষ্ঠুর ও চরম নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলতে বলছে!!

বাক্যঃ The woman in charge was a martinet who treated us like servant.



মার্টিনেট ফ্রেঞ্চ সেনাবাহিনীতে অনেক অবদান রেখেছিল। তার একটি হচ্ছেঃ বেয়োনেট!! ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক শহরের নাম বেয়োনি (Bayonne)। এই শহরের শিকারীরা তীক্ষ্ণ মাথাওয়ালা ছুরি ব্যবহার করত পশু শিকারের জন্য। তাই এই অস্ত্রের নাম হয়েছে বেয়োনেট (Bayonet)। মার্টিনেট প্রথম এই ছুরি বন্দুকের আগায় ব্যবহার শুরু করে।


বেয়োনেট দিয়ে প্রশিক্ষণ চলছে মার্কিন সেনাবাহিনীতে (১ম বিশ্বযুদ্ধ)

এইবার মার্টিনেট এর একটা ভালো অবদান, যদিও যুদ্ধ সংক্রান্ত, বলে এই পোস্ট শেষ করব। মার্টিনেটই প্রথম ডিপো (Depo- a type of military base for storing food) ধারণার জন্ম দেন। এর আগে সৈন্যরা শত্রু এলাকায় আক্রমণ করলে, তাদের খাবার জন্য বেসামরিক লোকদের খাবার দাবার লুট করত ও ফসল, বাড়ি-ঘর ধ্বংস করত। এর কারণেই "ত্রিশ বছর ব্যাপী চলা যুদ্ধে" জার্মানি'র বিশাল একটি অংশ জনমানবহীন এলাকায় পরিণত হয়। কিন্তু ডিপো ব্যবস্থা চালুর পর বেসামরিক লোকদের উপর হত্যাযজ্ঞ ও লুটপাট অনেক কমে যায়।


দুইসবার্গ এর যুদ্ধ।

১৬৭২ সালে দুইসবার্গ'এর যুদ্ধে মার্টিনেট ফ্রেন্ডলি ফায়ার এ পরে মৃত্যুবরণ করেন!

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ উইকিপিডিয়া]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29071828 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29071828 2010-01-04 21:01:21
মহাবিশ্বের অপার সৌন্দর্যঃ ছবি ব্লগ " style="border:0;" />
মহাবিশ্বের কিছু অসাধারণ ছবি দিলাম, দেখে অবশ্যই মজা পাবেন।


এই ছবিটা Messier 106 নামক এক সর্পিলাকার ছায়াপথের।


অবলোহিত রশ্মিতে তোলা Trifid নীহারিকা।


একজোড়া সর্পিলাকার ছায়াপথ।


এই ছবিটা বব নামক এক তারকা গুচ্ছের।


ক্র্যাব নীহারিকার ছবি।


ঈগল নীহারিকার ছবি!


তারানতুলা নীহারিকা।


ঘোড়ারমাথা!! (Horsehead) নীহারিকা। ২০০১ সালে নাসা'র এক জরিপে হাবল টেলিস্কোপে তোলা সেরা ছবির তালিকায় শীর্ষ স্থান অধিকার করে এই ছবিটি।


Pillar of Creation নামে খ্যাত ঈগল নীহারিকার আরো একটি ছবি!



NGC 4414 নামক একটি সর্পিলাকার গ্যালাক্সি।



একটি ব্যতিক্রমী রিং গ্যালাক্সি!


একটি বিখ্যাত সর্পিলাকার ছায়াপথ (Sombrero Galaxy).



আমাদের সবচেয়ে কাছের সর্পিলাকার ছায়াপথ (মাত্র ২৫ লক্ষ আলোক-বর্ষ দূরে): Andromeda Galaxy!!


আমাদের ছায়াপথ আকাশগঙ্গা (Milky Way).

কেমন লাগল মহাকাশ ভ্রমণ?


বি.দ্র.সব ছবি উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া হয়েছে। NASA র সব ছবিই পাবলিক ডোমেইনে- নিজের মনে করে ব্যবহার করতে পারেন!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29065396 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29065396 2009-12-25 18:25:09
শব্দের শিকড়ে টান দিন, নতুন শব্দ শিখুন- ৯

এই সিরিজের উদ্দেশ্য, আমার জানা কিছু শব্দগুলোকে root ধরে একত্রিত করা। এতে খুব সহজেই অনেক শব্দ মনে রাখা যায়।

শব্দের শিকড়ে টান দিন, নতুন শব্দ শিখুন - ৮

আজকে যে শব্দ নিয়ে আলোচনা করব, সেটি হলোঃ Spirit। বেশ পরিচিত এই শব্দের উৎস বেশ চমকপ্রদ। এই শব্দের মূল হলঃ spiritus(ল্যাটিন ক্রিয়াপদ spirare থেকে), এর অর্থঃ breathe;শ্বাস নেওয়া বা ফেলা। এর অন্য আরেকটি অর্থ হলঃ soul.এই মূলের সাথে ভিন্ন ভিন্ন prefixes যোগ করে অনেক শব্দ তৈরি করা যায়। এই মূলের সাথে আগের পর্বগুলোর জানা con-, in-, per-, a- , re-, trans- এবং ex- এই সাতটি উপসর্গ যোগ করে আজকের শব্দসমূহঃ


১. Spirit: যেহেতু spiritus অর্থ breath (শ্বাস-প্রশ্বাস) তাই spirit অর্থ দাঁড়িয়েছে "Breath of life". তার মানে জীবনের শ্বাস-প্রশ্বাস বা আত্মা বা মন। এর আরো অনেক অর্থ আছে, তবে উৎপত্তিগত অর্থ এটিই। spirit এর একটি মজার অর্থ হলো ভূত (Phantom, Ghost)।

সমার্থক শব্দঃ soul, mind.
বাক্যঃ It is still believed that people can be possessed by evil spirits.
দ্বিতীয় বাক্যঃ The power of the human spirit to overcome difficulties has been proved several times.

২. Conspire: Con + spire ; con prefix টির অর্থ হলঃ with/ together। তাহলে মূলগত বা আক্ষরিক ভাবে conspire এর অর্থ দাঁড়ায় to breathe or whisper(ফিসফিস করা) together বা একসাথে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া বা ফিসফিস করা। চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্রকারীরা একত্রে ফিসফিস করে। তাই conspire এর অর্থ দাঁড়িয়েছে , চক্রান্ত করা বা ষড়যন্ত্র করা।

সমার্থক শব্দঃ Cabal, Conjure, complot.
বাক্যঃ These three companies conspired to cause the value of the stock to fall.
দ্বিতীয় বাক্যঃ CIA conspired to overthrow the government of Chavez.


৩. Aspire: ad- [ad- prefix টা a- হয়ে যায় যদি sc, sp, st, gn এইগুলির আগে বসে] + spire ;Ad prefix টির অর্থ হলঃ to, towards।তাহলে মূলগত বা আক্ষরিক ভাবে aspire এর অর্থ দাঁড়ায়ঃ to breathe towards. যখন সাদিয়া অভিনেত্রী হবার অভিকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করল, তার অভিকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য তখন সে তার প্রতিটি শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যয় করল (she used her every breath towards her aspiration)। তাহলে Aspire এর অর্থ বোঝা গেলঃ সাগ্রহে আকাঙ্ক্ষা।

সমার্থক শব্দঃ hope, aim.
বাক্যঃ Sadia aspired to become a dancer.



৪. Inspire: In + spire; in prefix টির অর্থ হলঃ in,into; ভিতর। যখন কোন শিল্পী/সাহিত্যিক inspired হয়, an idea has been etymologically ‘breathed into’ his mind. তাই inspire এর অর্থ দাঁড়িয়েছেঃ (সাহস/ভীতি/ধারণা) জন্মানো, অনুপ্রাণিত করা, উদ্দীপ্ত করা।

সমার্থক শব্দঃ enthuse, provoke.
বাক্যঃ The choice of decor for this five star hotel was inspired by a trip to China.

৫. Respire: Re + spire; re prefix টির অর্থ হলঃ back/again। তাহলে Respire এর অর্থ দাঁড়ায় to breathe again। অর্থাৎ উদ্বিগ্নতা বা উত্তেজনার বশে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ করে রাখার পর আবারো তা শুরু করা। যদিও সাধারণ শ্বাস-প্রশ্বাস বোঝাতেও এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

সমার্থক শব্দঃ breathe, inhale.


৬. Expire: ex + spire; ex prefix টির অর্থ হলঃ out,বাহির। তার মানে expire এর অর্থ দাঁড়ালঃ to breathe out। নিঃশ্বাস ফেলা। আর অনুলিখিত অর্থ হচ্ছে, To breathe your last শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করা/মারা যাওয়া/ মেয়াদ কাল শেষ হয়ে যাওয়া।

সমার্থক শব্দঃ Die, Exhale.
বাক্যঃ Her driving licence has expired.

৭. Transpire: Trans + spire; Trans prefix টির অর্থ হলঃ across, through.তাহলে transpire এর অর্থ দাঁড়ায় to breathe across। The act of breathing through the pores of the skin. উদ্ভিদের ক্ষেত্রে জলীয়বাষ্প ত্যাগ করা। তবে এর আলঙ্কারিক অর্থ হচ্ছে,to leak out অর্থাৎ সত্য প্রকাশিত হওয়া।

বাক্যঃ Tree transpires all the day.
বাক্যঃIt transpired that she had worked as spy in Bangladesh.

৮. Perspire: Per + spire ; per prefix টির অর্থ হলঃ through, তাহলে এর অর্থও হওয়া উচিত Transpire এর মতো। কিন্তু উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত না হয়ে এই শব্দটি প্রাণীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এর অর্থঃ ঘর্মাক্ত হওয়া বা ঘেমে যাওয়া।

সমার্থক শব্দঃ Sweat, sudate.
বাক্যঃ The athlete was perspiring heavily.


আজ এই পর্যন্তই। ধন্যবাদ সবাইকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29064822 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29064822 2009-12-24 16:17:50
ব্লগার গুহামানব'এর জন্মরাত্রি!


আজকে ছিল ব্লগার গুহামানব 'এর জন্মদিন, কিন্তু সারাদিন এতো ব্যস্ততার মাঝে সময় করে উঠতে পারিনি এই পোস্টটি দেবার।

ওর লিখা ছড়াগুলো কিন্তু খুব চমৎকার, আপনারা পড়ে দেখতে পারেন। পরে জেনেছি ছড়া লিখা ওর স্কুল জীবনেই হাতেখড়ি। ইদানীং মনে হচ্ছে কিছু গল্প ও কবিতা লেখারও চেষ্টা চালাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে একই বিভাগের জুনিয়র প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা এই ছোট ভাইটাকে দেখলে মনেই হয়না-শিক্ষকতা জীবনে সে কতটা সিরিয়াস। আজকে একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে যেয়ে আমরা ল্যাব ডাটা সিট সাইন না করেই চলে আসলাম, ছাত্রদের বলা হল পরে সাইন করে নিতে- এতেই তার মন খারাপ!! এখন ভেবে নিন সে কতটা সিরিয়াস।

অনেক আনন্দে কাটুক তোমার জীবন। তোমাকে অনেক অনেক জন্মদিনের(আসলে রাতের) শুভেচ্ছা রইল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29043471 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29043471 2009-11-14 19:28:52
শব্দের শিকড়ে টান দিন, নতুন শব্দ শিখুন - ৮ এই সিরিজের উদ্দেশ্য, আমার জানা কিছু শব্দগুলোকে root ধরে একত্রিত করা। এতে খুব সহজেই অনেক শব্দ মনে রাখা যায়।



শব্দের শিকড়ে টান দিন, নতুন শব্দ শিখুন - ৭



আজকে যে শব্দ নিয়ে আলোচনা করব, সেটি হলোঃ Dignity। এই শব্দের মূল হলঃ dignitas( dign/dignitas ল্যাটিন dignus থেকে), এর অর্থঃ worthiness, merit, grandeur,যোগ্যতা, মহিমা। এই মূলের সাথে ভিন্ন ভিন্ন prefixes যোগ করে অনেক শব্দ তৈরি করা যায়। dign-/dain- এর সাথে আগের পর্বগুলোর জানা con-, in-, dis- এই তিনটি উপসর্গ যোগ করে আজকের শব্দসমূহঃ



১. Dignity: Dign + ity (noun suffix); তার মানে dignity এর অর্থ দাঁড়ালঃ worthiness, মর্যাদা, সম্ভ্রম বা উচ্চ পদবী। এখান থেকে এসেছে ক্রিয়াপদ Dignify: to exalt, মর্যাদা দেওয়া।

সমার্থক শব্দঃ lodliness, worthiness, poise.
বাক্যঃ Everyone should be able to die with dignity. দ্বিতীয় বাক্যঃ It is beneath my dignity to give a reply to such a rude letter.

২. Condign: Con + dign ; con prefix টির অর্থ হলঃ with/ together। তাহলে condign এর অর্থ দাঁড়ায় with worthiness বা যোগ্যতার সাথে অর্থাৎ well deserved, wholly worthy। তাই condign এর অর্থ দাঁড়িয়েছে, যথোপযুক্ত বা সমুচিত। এই শব্দটি সাধারণত শাস্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

সমার্থক শব্দঃ Deserved.
বাক্যঃ A condign punishment for every sin, great and small will be given by God.


৩. Deign: Dignus>Digno>Deign; ল্যাটিন digno (consider worthy) শব্দটি এসেছে dignus (worthy) থেকে, তাহলে Deign এর অর্থ হয়ঃ to deem worthy, যোগ্য মনে করা। কিন্তু এর অর্থ দাঁড়িয়েছে নিজের মর্যাদার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না হলেও কারো সাথে সৌজন্যবশত কিছু করা।

সমার্থক শব্দঃ condescend, descend.
বাক্যঃ I don’t suppose she’ll deign to accept our invitation.



৪. Indignant: In + dign + ent( Adj. suffix); in prefix টির একটি অর্থ হলঃ in, ভিতর, কিন্তু এর আরেকটি ব্যবহার হলঃ negative prefix হিসাবে, যেমনঃ Inexpensive, Inorganic। তাই indignant এর অর্থ দাঁড়িয়েছে to regard as not worthy or unworthy বিশেষত কোনো অন্যায় অবিচার বা অপবাদের (যার যোগ্য সে নয়) কারণে ক্রুদ্ধ বা রুষ্ট ।

সমার্থক শব্দঃ Outraged, incensed, insulted.
বাক্যঃ The beggar became indignant when the minister of defence accused him of stealing the nuclear warehead from a military cantonment.

*** Indignantly ( সক্ষোভে)

৫. Disdain: ফ্রেঞ্চ Desdeign থেকে এই শব্দের উৎপত্তি। Dis(de-) + dain(deign); de prefix টির অর্থ হলঃ apart,পৃথক/বিচ্ছিন্ন অথবা reversal or removal বিপরীত কোনো কিছু , না-বোধক কিছু। তাহলে Disdain এর অর্থ দাঁড়ায় not worthy, যোগ্যতাহীন মনে করা অথবা মর্যাদাহীন মনে করা। অসম্মান করা বা ঘৃণা বা অবজ্ঞা করা বোঝাতে এই শব্দটির বহুল ব্যবহার লক্ষণীয়।

সমার্থক শব্দঃ Scorn, contempt, despise.
বাক্যঃ The billionaire looked upon the slum dwellers with evident disdain.

***Disdainful (adj. ঘৃণাপূর্ণ বা তাচ্ছিল্যপূর্ণ)



৬. Dainty: ল্যাটিন dignitas শব্দটি যেমন যোগ্যতা,উপযুক্ততা, সম্মান বা মর্যাদা বোঝায় তেমনিভাবে সৌন্দর্যকেও বোঝাতে পারে ; Dainty শব্দটির অর্থ হলঃ excellent যথোপযুক্ত, delicacy, nice, Delicately beautiful, সুশ্রী, রুচিবোধ-সম্পন্ন।

সমার্থক শব্দঃ Delicate, goody, nice.
বাক্যঃ Cherry is a dainty little lady.She walked daintily down the steps. Her mother wrote the invitation cards for her birthday party daintily in black and gold.


ছবিঃDainities of every kind on the Table

সুস্বাদু খাবারের ক্ষেত্রেও শব্দটি ব্যবহৃত হয়। The table was laid for the Queen with dainties of every kind .

আজ এই পর্যন্তই। ধন্যবাদ সবাইকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29043069 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29043069 2009-11-13 23:05:04
ম্যাভেরিক ও নেমেসিস এর জন্মকথাঃ জ্ঞানী পোস্ট




ব্লগার ম্যাভেরিক আর নেমেসিস এর আসল পরিচয় কি? তাদের জন্ম পরিচয় জানতেই এই লেখার অবতারণা। আশা করছি জানতে পেরে অনেক মজা পাবেন। চলুন ঘুরে আসা যাক ইতিহাসের পাতা থেকে!






ম্যাভেরিকঃ
স্যামুয়েল ম্যাভেরিক টেক্সাস এ জন্ম নেওয়া একজন আইনজীবী, রাজনীতিবিদ এবং একই সাথে ভূস্বামী। প্রতিবেশীর কাছ থেকে তার ১২০০ ডলার এর পাওনা ছিল। (সে অনেকদিন আগের কথা ১৮৪৫ সালে)। তো পাওনাদার সে টাকা শোধ করতে না পেরে ৪০০ গবাদি পশুর পাল দিয়ে দেয় ম্যাভেরিককে। কিন্তু ম্যাভেরিক তো র‌্যাঞ্চার (Rancher) ছিলেন না। কিন্তু কি আর করা!

এই পশুগুলোকে সামলানো তার জন্য মোটেও সহজ ছিল না। সেই সময়ে র‌্যাঞ্চার'রা নিজেদের গবাদি পশুগুলোকে চিহ্নিত করতে র‌্যাঞ্চ'এর নাম ছাপ দিত গবাদি পশুর গায়ে (একে বলা হয় Brand). কিন্তু বিধিবাম, ম্যাভেরিক তার গবাদি পশুগুলোকে Branded করতে অস্বীকার করলেন । এজন্য নিকটবর্তী সকল র‌্যাঞ্চার'রা ব্রান্ডবিহীন গবাদি পশুগুলোকে ডাকত Maverick বলে. নিন্দুকেরা বলে থাকে, যেকোনো ব্রান্ডহীন গবাদিপশু নিজের কব্জায় নেবার জন্য ম্যাভেরিক এই কাজ করেছিল। কিন্তু আসলে ম্যাভেরিক চেয়েছিলেন, গবাদিপশুগুলো যেন কষ্ট না পায়, তাই সেগুলোকে ছাপ দেওয়া থেকে অব্যহতি দিয়েছিলেন।


ছবিঃ গবাদি পশুকে ছাপ দেওয়া হচ্ছে।

এই ঘটনার পরে, ১৮৬৫ সালে প্রথম এই শব্দটি অভিধানে ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ দেওয়া হয়ঃ চিন্তা-চেতনায় বা আচার-আচরণে স্বকীয় যে ব্যক্তি।(Independent in behaviour or thought)

উদাহরণঃ Maverick Politicians অথবা a maverick detective.
He's always been a bit of a maverick.



নেমেসিসঃ
এইবার আসা যাক নেমেসিস এর কাছে। নেমেসিস (Nemesis) ছিলেন গ্রিক পুরাণের প্রতিশোধ'এর দেবী। প্রতিশোধে নির্মম, ন্যায়বিচার আনয়নে কৃপাহীন। দেবতাদের বিরুদ্ধে মানুষের ঔদ্ধত্যের শাস্তি দিয়ে থাকেন তিনি। নেমেসিস যাদেরকে অভিশাপ দেন তারা জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায় শাস্তি ভোগ করে। এখান থেকে ইংরেজি নেমেসিস শব্দের উৎপত্তি। ট্রয়ের হেলেন, নেমেসিস ও দেবরাজ জিউসের কন্যা, সে আরেক মজার কাহিনী!


ছবিঃদেবী নেমেসিস


নেমেসিস অর্থ দাড়িয়েছেঃ উচিত প্রতিফল, অন্যায়ের উপযুক্ত শাস্তি। কিন্তু এর অন্য আরেকটি অর্থ তৈরি হয়েছে, যেহেতু নেমেসিস এর হাত থেকে (অপরাধীর) রক্ষা নেই, তাই কারো জনম শত্রু বোঝাতেও এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

যেমনঃ In the final Sherlock Holmes will meet his old nemesis, Professor Moriarty.


ছবি কৃতজ্ঞতাঃ উইকিপিডিয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29038070 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29038070 2009-11-05 13:31:06
নামহীন এক রাজপুত্রের কথাঃ প্রিন্স

রাজার ঘরে জন্ম না নিয়েও রাজপুত্র সে। আর বাবা-মা শখ করে নাম ঠিকই রেখেছিলেন। কিন্তু এটাও সত্যি যে জীবনের কিছু সময় তাকে নামহীন কাটাতে হয়েছে। ১৯৯৩ থেকে ২০০০ সাল, জীবনের এই সাতটি বছর তার নাম ছিল না। এই সময়কালে নিজেকে একটি প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করত সে। পরবর্তিতে এই প্রতীকটির নাম হয়েছেঃ ভালোবাসা'র প্রতীক।

যার কথা বলছি, তার নাম প্রিন্স। ৮০ আর ৯০ এর দশক কাঁপানো বিতর্কিত এক গায়ক। ৭ বার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড, একবার গোল্ডেন গ্লোব আর একবার অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জয়ী এই গায়ককে ২০০৪ সালে রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেইম এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। রোলিং স্টোন সর্বকালের সেরাদের কাতারে তাকে রেখেছে ২৮ এ।



১৯৫৮ সালে এক সঙ্গীত পাগল পরিবারে জন্ম প্রিন্স এর। পোশাক পরিচ্ছদ আর অঙ্গভঙ্গিমার কারণে অনেকটা বিতর্কিত এই শিল্পী ১৯৯৩ সালে ওয়ার্নার ব্রস এর সাথে কপিরাইট বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। ফলশ্রুতিতে নিজ়ের নামের পরিবর্তন। নিজেকে একটি প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করা। কিন্তু তাকে কোনো একটা নামে তো ডাকতে হবে, তাই সবাই ডাকা শুরু করলঃ শিল্পী যার প্রাক্তন নাম প্রিন্স (The artist formerly known as Prince.)।


ভালোবাসা'র প্রতীক।


প্রিন্স'এর লিখা গানের সংখ্যা শতাধিক। যারা প্রিন্স'এর কোনো গানই শোনেন নি, তাদের জন্যঃ

Purple Rain

৮ মিনিট ৪১ সেকেন্ড এর এই গানটি যেকোনো সংজ্ঞাতেই এপিক। রক, পপ আর গস্পেল এর অসাধারণ সমন্বয়। পিয়ানো আর গিটারের অপূর্ব সমন্বয়।



I never meant to cause you any sorrow
I never meant to cause you any pain
I only wanted to one time see you laughing
I only wanted to see you laughing in the purple rain

I never wanted to be your weekend lover
I only wanted to be some kind of friend
Baby I could never steal you from another
Its such a shame our friendship had to end

Honey I know, I know, I know times are changing
Its time we all reach out for something new
That means you too
You say you want a leader
But you cant seem to make up your mind
I think you better close it
And let me guide you to the purple rain


When Doves Cry

১৯৮৪ সালের সবচেয়ে বেশি বিক্রিত সিঙ্গেল। ৫ সপ্তাহ ধরে আমেরিকান টপ চার্টে ১ নম্বরে ছিল। কোনো বাস লাইন ছাড়াই এটা একটা ড্যান্স সং।



How can U just leave me standing
Alone in a world that's so cold? (So cold)
Maybe I'm just 2 demanding
Maybe I'm just like my father - 2 bold

Maybe U're just like my mother
She's never satisfied (She's never satisfied)
Why do we scream at each other?
This is what it sounds like when doves cry

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ উইকিপিডিয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29032273 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29032273 2009-10-26 18:34:23
শব্দের শিকড়ে টান দিন, নতুন শব্দ শিখুন - ৭

মাঝখানে অনেকদিন বিরতির পর এই সিরিজে আবার হাত দিলাম। এই সিরিজের উদ্দেশ্য, আমার জানা কিছু শব্দগুলোকে root ধরে একত্রিত করা। এতে খুব সহজেই অনেক শব্দ মনে রাখা যায়।

শব্দের শিকড়ে টান দিন, নতুন শব্দ শিখুন - ৬

আজকে যে শব্দ নিয়ে আলোচনা করব, সেটি হলোঃ Cursive। এই শব্দের মূল হলঃ curs(ল্যাটিন Currere>Curs>Cour থেকে), এর অর্থঃ to run, to flow,দৌড়ানো, বয়ে চলা, প্রবাহিত হওয়া। এই মূলের সাথে ভিন্ন ভিন্ন prefixes যোগ করে অনেক শব্দ তৈরি করা যায়। আগের পর্বের জানা ex-, pre-, con-, dis- এই চারটি উপসর্গ নিয়ে আজকের শব্দসমূহঃ

১. Cursive: ল্যাটিন curs থেকে এসেছে এই শব্দটি। আর ল্যাটিন ক্রিয়াপদ currere থেকে এসেছে curs। তার মানে cursive শব্দটির মধ্যে দৌড়ানো বা প্রবাহিত হবার একটা ব্যাপার আছে। হ্যাঁ,
প্রবাহই বটে, তবে হাতের লেখার প্রবাহ। cursive এর অর্থ হলঃ টানা হাতের লেখা। আমরা মাঝে মাঝেই দ্রুত লিখতে গিয়ে শব্দ এমনভাবে লিখি যেখানে বর্ণগুলোর মাঝে কোনো ফাঁকা জায়গা থাকেনা। আর লেখার এই ভঙ্গিমাকে বলা হয় cursive writing.

বাক্যঃ A child may recognize words only if they are written in seperated letters, while others can work with cursive script.
বাক্যঃ Recognition of cursive handwriting is especially prone to errors due to the difficulty of determining the correct segmentation of a word.


A cursive hand-writing

২. Excursion: Ex + Cursive; ex prefix টির অর্থ হলঃ out,বাহির। তাহলে Excursive এর অর্থ দাঁড়ায় running out, বহির্গমন। আমরা মাঝে মাঝেই একঘেয়ে কাজ করতে করতে হাপিয়ে উঠি, তখন সংক্ষিপ্ত ভ্রমণে যেতে পারলে আমাদের মানসিক চাপ অনেক কমে যায়, আর এই প্রমোদভ্রমণকেই বলে Excursion.

সমার্থক শব্দঃ expedition, sashy.
বাক্যঃ Next week we're going on an excursion. ডাহা মিথ্যা কথা, যত কাজ ! <img src=" style="border:0;" />

৩. Cursor: এই শব্দটিও এসেছে ল্যাটিন curs থেকে। শুরুতে এর অর্থ ছিল বার্তাবাহক অর্থাৎ যে দ্রুত বেগে দৌড়িয়ে কোনো খবর নিয়ে আসে। কিন্তু এখন cursor বলতে আমরা বুঝি, মাউসের cursor অথবা টাইপ করার সময় যে লম্বা দাগটা সবসময় ওঠা নামা করতে থাকে.


cursor


* Cursory: এই শব্দের অর্থ দাড়িঁয়েছে তাড়াহুড়া করে কোনো কাজ করা, যা শব্দের মূল থেকে সহজেই বোঝা যায়।
সমার্থক শব্দঃ superficial, shallow, hasty.
বাক্যঃ I have written this post in a cursory manner, so there can be some errors.ঘটনা সত্যি, পরে এসে একবার রিভিশন দিতে হবে! <img src=" style="border:0;" />
বাক্যঃ A cursory inspection failed to reveal the Jamuna Bridge's structural flaws.

৪. Precursor: Pre + cursor; pre prefix টির অর্থ হলঃ before/ beforehand অর্থাৎ আগে, পূর্বে/প্রাক । যেহেতু cursor এর উৎপত্তিগত অর্থ হলো বার্তাবাহক, তাই precursor এর অর্থ দাঁড়িয়েছে অগ্রিম বার্তাবাহক,অগ্রদূত, পূর্বলক্ষণ।

সমার্থক শব্দঃ Forerunner, Harbinger, Herald.
বাক্যঃ Colonial opposition to unfair taxation by the British was a precursor of the Revolution.

৫. Concur: con + cur; con prefix টির অর্থ হলঃ with/ together। তাহলে concur এর শাব্দিক অর্থ দাঁড়ায়ঃ to run together, একসাথে চলা। আমার মতের সাথে অন্যের মতের মিল হলে তবেই না একসাথে চলা সম্ভব। তাই concur এর অর্থ দাড়িঁয়েছে একমত হওয়া।

সমার্থক শব্দঃ agree, concord, consent, assent.
বাক্যঃ The committee largely concurred with these views.


৬. Discursive: Dis + cursive; dis- prefix টির অর্থ হলঃ apart,
পৃথক/বিচ্ছিন্ন । তাহলে discursive এর অর্থ দাঁড়ায় কোনো প্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন। কোনো আলোচনা যদি প্রাসঙ্গিক না হয়, তাহলে তা অবশ্যই আলোচনার মূল প্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন। তাই discursive এর অর্থ হলঃ অবান্তর, অপ্রাসঙ্গিক, অসংলগ্ন।

সমার্থক শব্দঃ , Digressive, excursive, rambling.
বাক্যঃ This is a rambling discursive book, I don't like it.

Current আর courier এই শব্দ দুইটিও কিন্তু এই মূল থেকে এসেছে।আজ এই পর্যন্তই। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

ছবিঃ উইকিপিডিয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29027910 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29027910 2009-10-18 16:47:59
আমরা কি আরেকটি যুদ্ধের সম্মুখীন??!!




ব্যাপারটা কেন গুরুত্ব পাচ্ছেনা আমি মোটেও বুঝতে পাচ্ছিনা! অনেকেই এইটা বেশ সহজ ভাবে নিয়েছেন। একটু সময় নিয়ে তথ্য উপাত্ত গুলোর দিকে তাকান। যে কাজটা আমি কখনোও করিনা, (খবরের শিরোনাম হুবহু তুলে দেওয়া), তাই করতে বাধ্য হলাম।

Myanmar border tense again ০৪.১০.০৯
Yangon restarts barbed wire fencing, mobilises troops

প্রথম খবরটা আসে ডেইলি স্টার এর পক্ষ থেকেঃ
* সীমান্তের মাত্র ১৫০ ফুটের মধ্যে নাসাকা তারকাটা বেড়া দিচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লংঘন।
* মায়ানমার সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়েছে। বাংলাদেশও সীমান্তে কড়া নজর রাখছে।


Govt mobilises troops ০৯.১০.০৯

এই রিপোর্ট তৈরিতে সাহায্য নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স, নৌবাহিনী ও বিডিআর এবং উর্দ্ধতন সেনা কর্মকর্তার। এই রিপোর্টে কি আছেঃ

* সীমান্তের মাত্র ৫ কি.মি. দূরে অনেক পুরাতন একটা বিমান বন্দর সংস্কার করে সেখানে ১৩ টি যুদ্ধবিমান আনা হয়েছে।
* সীমান্ত সংলগ্ন দুইটি নদীতে মায়ানমার ১২ টি যুদ্ধজাহাজের সমাবেশ ঘটিয়েছে।
* সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখছে।


Myanmar erecting fence as per law: Dipu Moni ১১.১০.০৯
এইটি দ্বিতীয় রিপোর্ট। সংবাদ সম্মেলনে আমাদের মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী জানিয়েছেন, সীমান্তে ১০,০০০ রোহিঙ্গা পুশ ইন করার জন্য আনা হয়েছে এ ব্যাপারে তার মন্ত্রনালয় এর কিছু জানা নেই, আর মায়ানমার আন্তর্জাতিক আইন মেনেই সীমান্তে বেড়া দিচ্ছে। এই পর্যন্ত না হয় মানা গেল, তারপর?


Troops all alert on Myanmar front
Leaves of BDR men restricted; Nasaka round up 10,000 Rohingyas for push-in
যদি কিছু না হয়ে থাকে তবে রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ ৩ ব্রিগেড সেনা মোতায়েন করল কেন? আরো এক ব্রিগেড কে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন?


Myanmar brings in everything ১২.১০.০৯
Troops, tanks, warships, frigate to spread tension further; Dhaka terms it routine exercise
এই তৃতীয় রিপোর্টটা ভয়ংকর, মায়ানমারের আধুনিক অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আলোচনাও আছে। সম্পূর্ণ পরিস্থিতির বর্নণা আছে এতে।


Army chief visits border ১৩.১০.০৯
হঠাৎ করেই সেনা প্রধান বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় সীমান্ত পরিদর্শন করতে ঢাকা থেকে বান্দারবান পৌঁছান। বাংলাদেশের একটি ফ্রিগেট, যুদ্ধজাহাজের ছত্রছায়ায় চট্রগ্রাম থেকে বিবাদপূর্ণ এলাকায় পাঠানো হয়েছে।

Tuku rules out cause for jitters about Myanmar moves ১৪.১০.০৯
সামছুল হক টুকু জানিয়েছেন,এত আতংকিত হবার কিছু নেই, বাংলাদেশ সীমান্তে সতর্ক দৃষ্টি রাখছে।


Border sees push-ins, push-backs ১৬.১০.০৯
Rohingyas driven into Bangladesh territory every day
আজকের খবর। মায়ানমার পুশ-ইন অব্যাহত রেখেছে। আর সেনা সমাবেশ ও ভারী অস্ত্র-শস্ত্র বাড়িয়ে চলছে। কুমিল্লা ও চট্রগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট থেকে কামান, আর্টিলারি গান ও ভারী অস্ত্র-শস্ত্র সীমান্তের দিকে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

শুধু ডেইলি স্টার এর তথ্যসূত্র না, আমার কাছে আন্তর্জাতিক আরো অনেক সংবাদ মাধ্যমের খবরও আছে। আতংক ছড়িয়ে কোনো লাভ নেই, কিন্তু আসলেই কি হচ্ছে তা জানার অধিকার আমাদের সবারই আছে, তাই নয় কী?

আসলে কি হতে যাচ্ছে সীমান্তে??? আমরা কি সত্যি সত্যি নতুন আরেকটি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, নাকি এটা শুধু বার্মার সামরিক জান্তার ভয় দেখানোর কৌশল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29026714 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29026714 2009-10-16 12:22:55
২০১২ সালের মধ্যে আমরা মোটরগাড়ি(Car) রপ্তানি করতে যাচ্ছি!!


শুনে অবাক হলেও ঘটনা সত্যি। ২০১২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ কার রপ্তানি করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ বছরে ৩০,০০০ এর বেশি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি করে থাকে - সেই আমরাই কিনা এবার গাড়ি রপ্তানি করব! তাও আবার যে সে দেশে না খোদ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশগুলোতে!





তাগায কোরিয়া নামের একটি দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানি, রাশিয়ার একটি কোম্পানির সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশে কার তৈরির কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে । তাগায কোরিয়া ইতোমধ্যেই ঢাকার অদূরে ৩৫০ একর জমিরও ব্যবস্থা করে ফেলেছে।

কিন্তু এত জায়গা থাকতে বাংলাদেশে কেন? যেহেতু কার ইন্ডাস্ট্রি মধ্যম শ্রম নির্ভর-তাই বাংলাদেশের সস্তা শ্রম বাজার এর একটি কারণ। তবে অন্তর্নিহিত আর একটি কারণ হলঃ উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে বাংলাদেশ ইউরোপের বাজারে বেশ কিছু অতিরিক্ত সুবিধা লাভ করে থাকে।

যে কার তৈরি করতে দক্ষিণ কোরিয়াতে লাগবে ১০,০০০ ডলারের মত, সেই কার তৈরিতে বাংলাদেশে খরচ পড়বে মাত্র ৩,০০০ ডলার। বটে, তাইতো বলি এতো দেশ ফেলে আমাদের দেশে কেন?

তবে শেষ কথা হলঃ ঘর পোরা গরু সিদুঁরে মেঘ দেখলেই ডরায়! এর আগে টাটা কোম্পানিও এসেছিল, কিন্তু শেষটাতো আমরা জানিই! দেখা যাক এরা কি করে, শেষ পর্যন্ত কার তৈরি করে নাকি জায়গা জমি ফেলে দিয়ে চলে যায়।

পুনশ্চঃ আরো দুইটা ভালো খবর আছে, প্রথম বারের মত বাংলাদেশের মোবাইল ফোন পেনিট্রেশনের হার ৩০ শতাংশ ছাড়িয়েছে (ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থার ইন্ডিকেটর আরকি, হোক না সেটা মোবাইল ব্যবস্থা চালুর ১৫ বছর পর!)

আর আমাদের রিজার্ভ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি দাড়িঁয়েছে! (যদিও এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ফেলে রাখা ছাড়া আর কোনো বুদ্ধি নাকি আমাদের পন্ডিত দের মাথায় এই মহূর্তে আসছেনা!!!!)

দুঃখিত আর একটা ভুলে গিয়েছিলামঃ ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রেও গত এক দশকে নাকি আমরা অনেক এগিয়েছি । এক দশক আগের চার কোটি ক্ষুধার্ত মুখ থেকে আমরা এখন দুই কোটি ৭০ লক্ষ এ অবস্থান করছি!


ছবিঃ যথারীতি উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29026408 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29026408 2009-10-15 20:49:58
মায়ানমার জান্তা কি চায়? সীমান্তে যুদ্ধংদেহী অবস্থা!

গতকালের ডেইলি স্টার'এর অনলাইন সংস্করণ থেকে জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে মায়ানমারের বিপুল সংখ্যক সৈন্য সমাবেশ এর জবাবে বাংলাদেশ ও সৈন্য সমাবশ ঘটাচ্ছে।

আজকে আবার জানা গেল , নাসাকা বাহিনী সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে ১০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা সমাবেশ করেছে, উদ্দেশ্য পুশ ইন করা। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সীমান্তে তিন ব্রিগেড সেনা পাঠিয়েছে, আরো এক ব্রিগেড পাঠানোর প্রস্তুতি আছে। বিডিআর বাহিনীর বেশির ভাগ ছুটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩ তিন তারিখ থেকে নাসাকা সীমান্তের পাঁচ কিলোমিটারের ও ভিতরে সৈন্য সমাবেশ ঘটায়। তারা সীমান্তে তারকাঁটা নির্মাণ শুরু করে। বাংলাদেশের সকল কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তারা তা অব্যাহত রাখে।

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় তাদের অনাহূত প্রবেশ কালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাতে নাস্তানাবুদ হয়ে তারা তেল-গ্যাস অনুসন্ধান বাদ রেখেই পশ্চাদপসরণ করে। সেইসময় মায়ানমার প্রশ্ন তোলে, বাংলাদেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর মতো এত সাহস পায় কি করে এবং স্পষ্টত বাংলাদেশ-আমেরিকার সম্পর্কের দিকে নির্দেশ করে।



মায়ানমারের কাছে তেওপোডং -২ ক্ষেপণাস্ত্র আছে বলে ধারণা করা হয়।


মায়ানমারের কাছে ৪০০০ কি.মি. পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র আছে, আর আছে বিপুল সৈন্যবাহিনী। সম্প্রতি জাপান সরকার মায়ানমারের কাছে পাঠানো আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জামাদির একটি চালান আটক করে। বান্দরবানের সীমান্তের কাছাকাছি মায়ানমার একটি বিমান ঘাঁটির সংস্কার কাজ শুরু করেছে এবং ১৩টি বিমান সমাবেশ ও ঘটিয়েছে।

তবে আগামী নভেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরে 'টাইগার শার্ক' নামক বাংলাদেশ-আমেরিকা যৌথ নৌ মহড়ার কথা আছে। আশা করা যায় এই সময়ের মধ্যে মায়ানমার জান্তা কিছু করার সাহস দেখাবে না। তবে আমাদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই। কূটনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশ মিয়ানমারের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে, এর সব কিছু (সামরিক ও কূটনৈতিক)ব্যবহার করে আমাদের সার্বভৌমত্ব আমাদেরকেই রক্ষা করতে হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29023849 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29023849 2009-10-11 10:25:40
ভুল খবর পত্রিকায় প্রকাশ করে, বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশ আমাদের খবরের কাগজের সাংবাদিকদের কারণে আবারো বিশ্বমিডিয়ায় আমাদের নাম উঠেছে!! দৈনিক মানবজমিন আর নিউ নেশন পত্রিকা তাদের প্রকাশিত ভুল সংবাদের ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করেছে। চাঁদে মানুষের অবতরণ সম্পূর্ণ ধোঁকাবাজি এই শিরোনামে তারা খবর প্রকাশ করেছিল। আর খবরের উৎস ছিল, একটি আমেরিকান নিউজ ওয়েবসাইট । কিন্তু এই নিউজ সাইটটি যে শুধুই বানোয়াট আর ব্যঙ্গাত্মক খবর প্রকাশ করে তা আমাদের ঐ দুই পত্রিকার সংশ্লিষ্টদের জানা ছিলনা।


জানা থাকবে কেমন করে, তার তো ওয়েবে বিভিন্ন নিউজ সাইটে ঘুরে বেড়ায়, আর নতুন কিছু পেলে যাচাই-বাছাই ছাড়া তা পত্রিকায় প্রকাশ করে। আর ইত্তেফাক আর প্রথম আলোর প্রযুক্তি পাতা তো আছেই, এ ব্যাপারে উদাহরণ হয়ে। ( গুগল নাকি টয়লেটের ভিতর দিয়ে ইন্টারনেট কানেকশন দিবে)

সংবাদে ছাপা হয়েছিল, নীল আর্মস্ট্রং এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে, চাঁদে অবতরণের পুরা ব্যাপারটাই ভূয়া!! আজকে বিবিসির প্রথম পাতায় এসেছে, বাংলাদেশের একমাত্র ট্যাবলয়েড পত্রিকা মানবজমিন আর অন্য একটা ইংরেজি দৈনিক মিলে ভুল স্বীকার করেছে, হেডিংটা খুব মজারঃ

One giant slip in Bangladesh news


আর এ.এফ.পি. জানিয়েছেঃ
Spoof moon landing story dupes Bangladeshi newspapers.

ছবিঃ নেট থেকে নেওয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29004656 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29004656 2009-09-04 17:49:19
সামহোয়্যার ইন ব্লগে আমার জন্মদিনঃ বর্ষপূর্তি পোষ্ট আজকে ব্লগার পরিসংখ্যান দেখতে গিয়ে জানলাম, আমার আজকে জন্মদিন। ব্লগার হিসাবে এই ব্লগে একটি বছর পার করে দিলাম। আমি ব্লগে বেশ অনিয়মিত, তাই অন্য ব্লগারদের সাথে খুব বেশি ঘনিষ্ঠতা হয়নি। তবে অফলাইনে থেকে ব্লগের অনেক অনেক ভালো পোষ্ট পড়েছি, তবে কমেন্ট করেছি অনেক কম। আমার মতো অনেকের জন্যই ব্লগে ভিজিটরের সংখ্যা মাঝে মাঝেই ব্লগার সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যায়।<img src=" style="border:0;" />

এই এক বছরে এখানে এসে অনেক মজা পেয়েছি, অসাধারণ সব লেখা উপহার পেয়েছি। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক আর অ্যালামনিদের কে পেয়েছি। আহসান হাবিব শিমুল , মাসুম ভাই বা মেহরাব শাহরিয়ার এর ফানপোষ্ট গুলো পড়ে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেয়েছি।

রাগিব ভাই আর ম্যাভেরিক ভাই এর জ্ঞানগর্ভ পোষ্ট দেখে ভাবি আমি কি ছাইপাশ লিখি। ব্লগে অনেকেই বিষয় ভিত্তিক পোষ্ট করেন, যেমনঃ অমি রহমান পিয়াল ভাই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক পোষ্ট বেশি করেন। আমি কোনো বিষয়েই স্টিকি থাকতে পারিনা। কিছুদিন আগে শুরু করেছিলাম শব্দ নিয়ে একটা সিরিজ, কিন্তু এতো সময় দিতে হয় বিধায় ঐ লেখাটাও আপাতত বন্ধ রেখেছি।

এই অল্প কয়েকদিনেই ব্লগের অনেকেই আমার প্রিয় ব্লগার হয়ে গিয়েছেন, নাম বললে অনেকের নামই বলতে হবে, আবার ভুলে অনেকের নাম বাদ পড়ে যেতে পারে, তাই নাম বলা থেকে বিরত থাকলাম। আমার প্রিয় পোষ্টে জায়গা হয়েছে অনেক প্রিয় ব্লগারদের লিখা। এই ব্লগে এসে জানতে পেরেছি অনেক কিছু, শেয়ার করেছি নিজের ভাবনা চিন্তাগুলোকেও। অনেক মজার পোষ্টের সাথে ব্লগীয় ঝগড়া-ঝাটি তো আছে ফ্রি উপহার হিসাবে। তর্ক -বিতর্ক সবসময়ই উপভোগ করি কিন্তু একজনকে হেয় করে দেয়া কোনো পোষ্ট বা ব্যক্তিগত আক্রোশে গালাগালি দেখতে খুব খারাপ লাগে।

ব্লগার হিসাবে আমার জন্মদিনে, সামহোয়্যার ইন এর সকল ব্লগার কে আমার শুভেচ্ছা। আপনাদের নিত্য নতুন পোস্ট আর বুদ্ধিদীপ্ত -মজাদার সব কমেন্টের লোভে ব্লগে আসতেই হয়। ভাবতে ভালোই লাগে কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই, একটি বছর কেটে গেল, আশা করি ব্লগের অনাগত দিন গুলোও কাটবে অনাবিল আনন্দে ..............

ছবিঃ যথারীতি উইকিপিডিয়া থেকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29003245 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29003245 2009-09-02 01:10:05
আপনার পড়া সবচেয়ে প্রিয় বই কোনটি? ক্লাস টেন এ ওঠার পর নিয়মিত সেবা প্রকাশনীর ক্ল্যাসিক সিরিজ পড়তাম। এর আগ পর্যন্ত প্রিয় বই এর তালিকায় ছিল শুধুই তিন গোয়েন্দার বই অথবা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পাঠ্যসূচির কোনো ক্ল্যাসিক বই। ভেরা পানোভার পিতা ও পুত্র এর মতো বই থেকে শুরু করে হেমেন্দ্রকুমার এর আবার যখের ধন এগুলোই ছিল তখনকার প্রিয় বই।

এখনো মনে পড়ে হ্যারিয়েট বিচার স্টো এর আঙ্কল টমস কেবিন পড়ে আঙ্কল টমস এর জন্য কেঁদেছিলাম। ভিক্টর হুগো'র লা মিজারেবল বইটা পড়ার পর বেশ কয়েকদিন মন খারাপ ছিল। একই সাথে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত অনেক বই আমাকে যেমন আনন্দ দিয়েছে তেমনি মনও খারাপ করে দিয়েছে। একটা বই ছিল মামার বিয়ের বরযাত্রী, সম্ভবত খান মোহাম্মাদ ফারাবী'র লেখা, বইটা পড়ে কতো যে হেসেছি!

এরপর যখন সেবা পড়া শুরু করলাম, তখন তো মনে হলো সমস্ত বিশ্ব সাহিত্য আমার হাতের মুঠোয়। এত বই এর অনুবাদ। গোগ্রাসে গিলেছি সেবার অনুবাদ গুলো। শী এর সাথে পরিচিত হয়েছি, ফার ফ্রম দ্য ম্যাডিং ক্রাউড এর বাথসেবা এভারডেন কে চিনেছি। কত মজার মজার বই যে উপহার দিয়েছে সেবা আমাকে তা বলে শেষ করা যাবেনা।

এরপর উচ্চমাধ্যমিকে উঠে শুরু করেছিলাম গ্রীক নাটক পড়া। এরপর তারপর চলছেই, কিন্তু এত বই এর মধ্য থেকে কেউ যদি হঠাৎ করে আমার সবচেয়ে প্রিয় একটি বই এর নাম বলতে বলে তাহলে হোঁচট খাওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা নতুন নতুন বই পড়ার সাথে সাথে প্রিয় বই এর তালিকাও আপডেট হয়। তাই এখন পর্যন্ত পড়া সব বই এর মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় বই বের করা আসলেই কঠিন।

*********
আপনাদের সবচেয়ে প্রিয় বইটির নাম জানিয়ে যাবেন আশা করছি। সবচেয়ে প্রিয় হতে হবে কিন্তু, একাধিক হলে হবেনা!!
*********

বাংলা সাহিত্যে আমার পড়া সবচেয়ে প্রিয় বইঃ দত্তা
আর বিশ্বসাহিত্যেঃ ফার্মার বয়- লরা ইঙ্গলস ওয়াইল্ডার এর লেখা

বি.দ্র. স্মৃতি থেকে লেখা বলে আশা করছি, লেখক ও বই এর নামে যদি ভুল থাকে তাহলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29002952 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29002952 2009-09-01 14:51:47
বিডিআর বিদ্রোহঃ বিবিসি'র পর্যালোচনা, Elusive Truth দীর্ঘ ছয় মাস ধরে বিডিআর বিদ্রোহ ও এর পরবর্তী ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করবার পর আজকে বিবিসির ওয়েব সাইটে, এর উপর একটি পর্যালোচনা প্রকাশ করা হয়েছে।

ঘটনার দিন, বিডিআর এর পক্ষ থেকে বিবিসি বাংলা সার্ভিসে যোগাযোগ করবার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে। কর্ণেল মজিবুল হক এর ছেলে ও তার স্ত্রী'র সাথে বিবিসির প্রতিবেদকের আলোচনাও এসেছে রিপোর্টটিতে। সেই দিনের ভয়াবহ অবস্থার বর্ণনা ও এর পিছনের কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টাও করা হয়েছে, কিন্তু ফারুক খানের কথার সাথে ( সরকারকে বিপদে ফেলার লক্ষ্যে পরিকল্পিত ঘটনা) একমত হওয়া ছাড়া নতুন কিছুই নেই এ ব্যাপারে।

বিডিআর সদস্যদের বর্তমান অবস্থাও উঠে এসেছে এই আলোচনায়। ঘটনার পরবর্তীতে ৪০ জন জওয়ান মৃত্যুর পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে, একই সাথে তাদের মৃত্যুর ব্যাপারে প্রশ্নও তোলা হয়েছে।

প্রথম পাতায় FEATURES, VIEWS, ANALYSIS অংশে, যেভাবে লিখেছেঃ Elusive Truth, দেখে ভেবেছিলাম কিছু একটা নতুন ব্যাপার তো আছেই, পড়ে দেখলাম নতুন তেমন কিছুই নেই। তবে বিবিসির ছয়মাস ধরে ঘটনার সাথে লেগে থাকাটা প্রমাণ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই নৃশংস ঘটনার গুরুত্ব।


বিবিসির পর্যালোচনার লিঙ্ক।
ছবিঃ ডেইলি স্টার থেকে নেওয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29000455 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/29000455 2009-08-27 15:16:53
পুলিশের নতুন ইউনিটঃ পর্যটক পুলিশ !!!!! বাংলাদেশ পুলিশের সম্পূর্ণ নতুন একটি ইউনিট যাত্রা শুরু করেছে আজ থেকে। এই ইউনিটের নামঃ পর্যটক পুলিশ। এই ইউনিটের কাজ হবে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটন স্থান গুলোতে ঘুরতে আসা দেশী ও বিদেশী পর্যটকদের নিরাপত্তা প্রদান করা। আজ রবিবার থেকে কক্সবাজারে এই পুলিশ ইউনিটটি তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে।

ধীরে ধীরে সারাদেশের সব পর্যটন স্থানগুলোতেও এর কার্যক্রম বিস্তৃত হবে। খবর দিয়েছে জিনহুয়া সংবাদ সংস্থা ।এই পর্যন্ত জেনে ভালো লাগল। কিন্তু জিনহুয়া আরো জানাচ্ছে, এই পুলিশ ইউনিটের আরো কাজগুলোর মধ্যে আছে, পর্যটন স্থানগুলোতে বাংলাদেশের প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করা। যেহেতু ঘরপোড়া গরু সিদুঁরে মেঘ দেখলেই ডরায়, তাই বাংলাদেশ পুলিশের হাতে সংরক্ষণের দায়িত্ব দেওয়ার পর পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো হবে না খারাপ হবে সে ব্যাপারে চিন্তা এসেই পরে।

তারপরও আশা করছি, এই নতুন পুলিশ ইউনিটটি বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নতিতে ভালো ভূমিকা রাখবে, এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকরা আরো নিরাপত্তা ও সুব্যবস্থার সাথে পর্যটন স্থানগুলো ঘুরে দেখতে পারবে।

ছবিঃ ডি,এম,পি ( পোস্টে উল্লেখিত পর্যটক পুলিশ নয়)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/28995027 http://www.somewhereinblog.net/blog/tanvir_che/28995027 2009-08-16 23:01:22