আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৭

শেয়ারঃ
0 7 0

এসব আমরা অনেক দেখেছি, বারবার দেখব, আমাদের দেখতেই হবে। এসবই হচ্ছে আমাদের পূর্বপুরুষদের বিশুদ্ধতম, ধ্রুব ইতিহাস, যাদের প্রধান অপরাধ ছিল একটি স্বাধীন ভূখন্ডের সপ্ন দেখা। একঝাঁক হায়নার নগ্ন নখরের আঁচড়ে জ্বলে-পুড়ে ছারখার হলেও মাথা নোয়ায় নি। নিজেদের সবুজ প্রাণকে তুচ্ছ করে ভেবেছিল আমাদের কথা।

ভাবতে খুব আবাক লাগে, তারা ছিল আমাদের মতই হাত-পাওয়ালা মানুষ। রোবট কিংবা নিচু স্থরের বোধহীন কোন প্রাণী ছিল না। তাদের ছিল শান্ত-কোমল মন। তারা কবিতা লিখত আর গান গাইত। তাদের ছিল সুখের সংসার।

আক্ষেপ! তারাই কিনা শিকার হল ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যার।

হে বীর সেনানীরা, তোমাদের জানাই অন্তরের অন্তঃস্থল হতে সশ্রদ্ধ স্যালুট।



এভাবেই মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে নীরিহ বাঙালীদের



কে জানে, তিনি কোন হতভাগা! হয়তো তার ছেলেমেয়ে এখনো তার বাড়ি ফেরার অপেক্ষা করছে



মেহদীরাঙা হাত পড়ে আছে ইট চাপা



বাঙালীর লাশ যখন কুকুরের খাদ্য



জীবন সায়াহ্ণে এসে হয়তো নাতী-নাতনী নিয়ে সুখে দিন কাটানোর সপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু হায়! ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস



কি অপরাধ ছিল এই খেঁটে-খাওয়া শান্ত বাঙালীর



হায়নারা শুধু মেরেই কান্ত হয়নি, খুবলে তুলে নিয়েছে পবিত্র দেহ



পিচাশেরও অধমরা এই দুরন্ত শিশুদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দিয়েছে



কে বলে তোমরা নেই। তোমরা বেঁচে আছো অজস্র স্বাধীনতাপ্রেমীর হৃদয়ে



কে বলে তোমরা নেই। তোমরা বেঁচে আছো অজস্র স্বাধীনতাপ্রেমীর হৃদয়ে।



কি অপরাধ ছিল এই নিষ্পাপ শিশুর



একেই বলে গণহত্যা



বাঙালী যখন শকুনের খাদ্য



শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের আগ পর্যন্ত নিশ্চয় তোমরা হাতের বাঁধন খোলার চেষ্টা করছিলে


বাঙালীর লাশ নিয়ে টানাটানি করছে শকুনেরা



বিস্তীর্ন বাংলার বুকে এভাবেই মিশে গেছে শহীদেরা



জঘন্য!



লাশগুলোর দিকে তাকিয়ে পড়ন্ত বিকেলের সূর্যও বুঝি লজ্জা পেয়েছিল



যা দেখে কণ্ঠ স্তব্ধ হয়ে যায়



বীরাঙ্গনাদের দিতে হয়েছিল চরম মূল্য



অবুঝ মেয়েটির মানসিক অবস্থা ভেবে শিউরে উঠি



মৃত্যুর আগে এই বীরেরা নিশ্চয় পানি পানি বলে কাতরাচ্ছিল...
হায়! তেমারা দেখে যেতে পারোনি, তোমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছে।



এদের সান্তনা দেবার ভাষা মানুষের জানা নেই


আসুন আমরা শোককে শক্তিতে পরিণত করি। সর্বদা যেন মনে রাখি এই বাংলাদেশ তাঁদের মহামূল্য আমানত। বাংলাদেশকে সুখী, সমৃদ্ধ ও সাবলম্বী বাংলাদেশে পরিণত করি, যার যার অবস্থানে থেকে।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
আলিম আল রাজি বলেছেন: চোখের পানি আটকাতে পারলাম না।
সোজা প্রিয়তে।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাজি। ছবিগুলো যতবার দেখি, অশ্রুর বাঁধ ভেঙে যায়।

২. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০১
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দারুণ লেখা, খুব ভালো লাগলো
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অমি রহমান পিয়াল।

শিরোণাম আপনার ব্লগ থেকে ধার করেছি। আচ্ছা, এটা কি আপনার নিজের লেখা...

৩. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৯
সুবিদ্ বলেছেন: জানিনা এর বিচার পাব কিনা আদৌ......

তবুও বিজয়ের শুভেচ্ছা
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও বিজয়ের শুভেচ্ছা

৪. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩০
পল্লী বাউল বলেছেন: কষ্ট, কষ্ট, কষ্ট .......খুব কষ্ট হয় হৃদয়ের গভীরে।

এবং শুয়রদের জন্য তীব্র ঘৃণা।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: ১৪ নং হাত বাঁধা ছবিটা দেখুন। ছবিটা আমি সহ্য করতে পারিনা। যতবার দেখি, আমার তীব্র ইচ্ছে হয় হাতের শক্ত গিঁটটি খুলে দেবার জন্য।

...কিন্তু ব্যার্থ হয়ে ছবিটার দিকে তাকিয়ে থাকি। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

৫. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪২
রাজিয়েল বলেছেন: চোখের পানি আটকাতে পারলাম না।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: ছবিগুলোর দিকে তাকালে বুকটা ভারি হয়ে যায়। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

৬. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
রাজিয়েল বলেছেন: জারজের বাচ্চারা কিভাবে মারসে আমাদের দেশের মানুষদের! এই পাপের ফল শোধ না হওয়া পর্যন্ত কুত্তার বাচ্চাদের এখনকার এই ভোগান্তি শেষ হবে না!
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: সহমত।

এই পাপের ফল শোধ না হওয়া পর্যন্ত কুত্তার বাচ্চাদের ভোগান্তি শেষ হবে না...

৭. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হ্যা, একদমই আমার নিজস্ব, আপনি কপিরাইট ভাঙলেও দারুণ কনটেন্টের কারণে মামলা করলাম না :)
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: সরি সরি... আমি ভেবেছিলাম কোন কবির লেখা! :)

আচ্ছা, তাহলে কবিতা লিখেন না কেন?

৮. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৯
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: পাকীদের দালালরা যখন দেখি এখনো দেশের পতাকা উড়ায়, লজ্জায় অপমানে গা জ্বালা ধরে যায়...

এই ক্ষত এখনো দগদগে..কতটা নৃশংস!!

পোষ্ট প্রিয়তে।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

রাজাকারদের হাতে বাংলার পবিত্র পতাকা দেখার দূর্ভাগ্যও আমাদের হয়েছে। সত্যি চরম লজ্জাকর।

আজকে ছাগন্ত টেলিভিশন আর আর পিছলামীক টিভির লাফালাফি দেখে অনেক্ষণ হেসেছি।

৯. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৮
এমডি লাভ বলেছেন: দারুণ, ছবিগুলোর দিকে তাকালে কষ্ট হয়, পোষ্ট প্রিয়তে নিলাম ++++++++++++++ খুব ভালো লাগলো,,
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: ছবিগুলোর দিকে তাকালে সত্যিই খুব কষ্ট হয়।

অনেক ধন্যবাদ।

১০. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সবাই সবকিছু পারে নাকি! পারলে আমি নিশ্চয়ই লিখতাম, দুয়েকটা লিখেছি অবশ্য হাত মকশো হিসেবে, নিয়মিত লেখার সুযোগ আর হয়নি
১১. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১
স্বপ্ন নীল বলেছেন: ছবিগুলো দেখে সমস্ত শরীর শিউরে উঠল । চোখের পানি আটকাতে পারলাম না :(( :(( :(( :(( :(( । কি নিষ্ঠুর ! কি জঘন্য ! আমরা চিরদিন এই সব শহীদ দের কাছে ঋনী হয়ে থাকব । আফসোস! ওরা স্বাধীনতা দেখে যেতে পারল না ।

এইটা একটু দেখেন
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।


আফসোস! ওরা স্বাধীনতা দেখে যেতে পারল না ।

১২. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ছবিগুলো এডিট না করলে ভালো হতো। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: যেহেতু এগুলো অনেক কমন ছবি, তাই এগুলোর লুক চেইঞ্জ করতে এডিট করেছি। (এডিট করা কিন্তু খুব সোজা কথা না!)

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৭
মনির হাসান বলেছেন: মন্তব্য করার কিছু খুজে পাচ্ছি না ... অনেক দূর্লভ সব প্রামান্য... অনেকগুলো এই প্রথম দেখলাম...
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। ছবিগুলো আমাদের বাক রোধ করে দেয়। ব্যাক্তিগতভাবে আমি মুক্তিযুদ্ধের ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করি। এগুলোর দিকে তাকিয়েই আমাদের প্রতিটি কদম ফেলতে হবে।

১৪. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
শয়তান বলেছেন: সভ্যতার ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম গনহত্যা । অথচ আজও এর বিচার হয়নি । আমরা কি মানুষ?????
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: সত্যিই তাই। জাতি হিসেবে এখনও আমাদের কাঁধে বিরাট বোঝা।

ছবির কঙালগুলো আমাদের দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে থাকে। আমারা বিরাট লজ্জ্বায় পড়ে যাই।

১৫. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪২
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: পাকিস্থানীরা সৈন্যরা মুসলমান। আর মুসলমানেরা এইরকম কাজ করতেই পারে না। এগুলো আসলে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী 'র' এর ফটো-কারশাজি। শ্রেফ ইসলামের বদনাম রটানোর জন্যে এবং একটি শক্তিশালী ইসলামী রাষ্ট্রকে ভেঙ্গে দূর্বল করার জন্যে তৈরী করা হয়েছিল। সবই হিন্দু ইন্দিরা গান্ধীর চক্রান্ত। আল্লাহ সবাইকে সত্য অনুধাবনের তৌফিক দান করুন।


পিলাচ।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ইতিহাস বিকৃতকারী এইসব নরপশুদের বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মারা প্রয়োজন।

১৬. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
রোহান বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম... প্লাস দিলাম... আর কি বলবো...

চোখের কোনে পানি টলটল করছে এটা বুঝতে পারছি.... আমার চোখের পানির কি আদৌ কোনো মূল্য আছে... ইতিহাসটা জানে আসলে কয় জন...

আপনার পোষ্টের অনেক ছবিই রেয়ার... ফেসবুক কিংবা অন্য কোনো সোসায় নেটওয়ার্কিং সাইটে পোষ্ট টা শেয়ার করলে কি আপত্তি আছে আপনার? সবারই এই নির্মমতা দেখার দরকার আছে... প্রতিদিন একবার...
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: কোন আপত্তি নেই। আপনার কথা ধরে বলতে চাই "সবারই এই নির্মমতা দেখার দরকার আছে।"

অনেক ধন্যবাদ।

১৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৯
কাঠঠোক্‌রা বলেছেন: ছবিগুলো দেখে কষ্টে বুকের ভেতরটা দুমরে মুচরে গেল।কখন যে চোখের কোনে পানি চলে এসেছে টের-ই পাই নি ....
আপনার অনুমতি পেলে ফেসবুকে পোষ্টটা শেয়ার করতে চাই।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৮

লেখক বলেছেন: অনুমতি দেয়া হল।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: ঠিক।

১৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৩
জামাল ঊদ্দিন বলেছেন: কাউকে দেখাতে ইচ্ছা করে না ছবি গুলো , কেউই হয়ত চায়না দেখতে , কিন্তু তবুও দেখাতে হয় সবাইকে শুধু এটুকু বলার জন্য " দেখো! এই শুয়রগুলো কি করেছিলো আমাদের সাথে...তবুও তুমি এদের আর এদের সহযোগীদের এমনিতেই ছেড়ে দিবে।"
প্রচন্ড কষ্টের পোষ্ট...
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩১

লেখক বলেছেন: দুঃখ!

আজো এদের বিচার হয়নি... এখনো এরা সদর্পে ধর্মের নামে মানুষকে বোকা বানিয়ে চলেছে... কিছু বিকৃত মানসিকতার লোক আজও এদের নেতা মানে...

আফসোস!!!

২০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩
প্রচ্ছদ বলেছেন: নিরবতা

এই শোক হোক আমাদের সম্মিলিত শক্তির প্রেরণা
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন:

এই শোক হোক আমাদের সম্মিলিত শক্তির প্রেরণা

২২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৯
কুতুবে রব্বানি বলেছেন: এই ছবিগুলু সরকার ও বিরুধীদলের কারযালয় গুলুতে টাঙ্গিয়ে রাখা দরকার,তবে হয়ত দুরনিতি করার আগে ওদের বুকটা একবার হলে ও মুছর দিয়ে উঠত।আজও কি আমরা এর থেকে ভাল অবস্তানে আছি,ওরা মেরেছিল হাতে আর আজ আমরা মরছি.........................অসাধারন লেখা.....জবাব নেই।
২৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫০
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: হে বীর সেনানীরা, তোমাদের জানাই অন্তরের অন্তঃস্থল হতে সশ্রদ্ধ স্যালুট।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৯০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ফেস্বুক
fb.me/pieal
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই