মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। ‘খেলাঘর’, ‘অনুর পাঠশালা’, ‘নিরাপদ তন্দ্রা’, ‘কালোবরফ’ উপন্যাস, ‘প্রতিদিন একটি রুমাল’ গল্পগ্রন্থ এবং ‘চিক্কোর মরণ কাবুক’ শিশুতোষ গ্রন্থ লিখে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। সাড়া জাগানো এই গ্রন্থগুলো লেখার পর ১৯৮২ সালের পর থেকে কিছু লিখেননি মাহমুদুল হক। বয়স্যদের মধ্যে 'বটু ভাই' বলে পরিচিতি ছিল তাঁর।
হৃদরোগে আক্রান্ত হলে এক সপ্তাহ আগে মাহমুদুল হককে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একদিন পরেই সেখান থেকে বাসায় ফেরেন তিনি।
মাহমুদুল হকের স্ত্রী গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর মারা যান। তার এক ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে ও এক মেয়ে কানাডায় বাস করেন।
দুপুর একটার সময় মাহমুদুল হকের লাশ বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে আনা হবে। .....
আর কত শোক করব! সেলিম আল দীন গেলেন, খালেদা এদিব চৌধুরী গেলেন, শহীদুল জহির গেলেন, সমুদ্র গুপ্ত গেলেন, ফরিদপুরের কবি বাবু ফরিদী গেলেন! কেবলই মৃত্যুর মিছিল!
...........
বিশিষ্ট কবি অসীম সাহা ও বিশিষ্ট গবেষক ড. আবুল আজাদ অসুস্থ। তাঁদের আরোগ্য কামনা করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

