আমার প্রিয় পোস্ট

কবিতা ও যোগাযোগ

মেয়েদের বয়স আর পত্রিকার সার্কুলেশন

০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২১

শেয়ার করুন:                   Facebook

মেয়েদের বয়স আর পত্রিকার সার্কুলেশন : জয়তু আমাদের সময়
তপন বাগচী


ছোটবেলায় জানতাম মেয়েদের বয়স জিজ্ঞেস করতে নেই। এটি একধরনের ছেঁদো কথা। বড় হয়ে দেখেছি নায়িকা কিংবা শোবিজের মেয়েরা জন্মতারিখ বললেও জন্মসাল বলে না। অর্থাৎ আংশিক হলেও সত্য যে মেয়েরা বয়স লুকাতে চায়। লেখালেখি করতে এসে শুনেছি সম্পাদকরা পত্রিকার সার্কুলেশন বলে না। কেউ যদি আকারে-ইঙ্গিতে বলেও, তার সঙ্গে সত্যের ফারাক থাকে। অডিট ব্যুরোর অব সার্কুলেশন (এবিসি) যে প্রচারসংখ্যার তালিকা বানায়, তাতেও ঘাপলা থাকে বলে শুনেছি। বিজ্ঞাপনপ্রাপ্তির সুবিধার জন্য অনেক অখ্যাত পত্রিকাও তালিকাপ্রণেতাদের ম্যানেজ করে নিজেদের সার্কুলেশন গ্রহণযোগ্য মাত্রায় প্রদর্শন করে। পত্রিকার প্রচারসংখ্যা নিরূপণ করা একটু কঠিন হলেও মুদ্রণসংখ্যা তো সম্পাদকের অজানা নয়। তাঁর অফিসিয়ালি নির্দেশ ছাড়া তো এক কপি বেশি ছাপার সুযোগ নেই প্রেস ম্যানেজারের। তাই অডিট ব্যুরো নয় সম্পাদকই ভালো জানেন, তাঁর পত্রিকার মুদ্রণসংখ্যা কত। প্রচারসংখ্যা তার চেয়ে সামান্য কম হবে- এই যা! কারণ পত্রিকার সকল কপি হয়তো বিক্রি হয় না। অনেক কপিই ফেরত আসতে পারে। পত্রিকার ছাপার ব্যাপারটা এত স্বচ্ছ হওয়া সত্ত্বেও পত্রিকার প্রচারসংখ্যা নিয়ে অনেক বিভ্রান্তির জন্ম হয়। সম্পাদকেরা বা পত্রিকার মালিকেরা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা বাড়িয়ে বললে মিথ্যে বলা হবে ভেবে হয়তো এই তথ্যটুকু এড়িয়ে যান। তাই একসময় শোনা যায়- ‘পত্রিকার সার্কুলেশনের খবর জিজ্ঞেস করতে নেই।’ সত্য গোপানের এই সাদৃশ্য থেকে প্রবাদের মতো প্রতিষ্ঠিত হয়ে পড়ে একটি উক্তিÑ ‘পত্রিার সার্কুলেশন আর মেয়েদের বয়স জিজ্ঞেস করতে নেই।’
০৪.০৮.০৮ তােিরখ দৈনিক আমাদের পত্রিকার সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান সেই প্রবাদটিকে বদলে দিলেন। নিজের পত্রিকার সার্কুলেশনের খবর তিনি স্বনামে স্বপত্রিকায় লিখে সকলকে জানিয়ে দিলেন। ‘দৈনিক আমাদের সময়ের সার্কুলেশনে নতুন মাইলফলক’ নামের একটি নিবন্ধের মাধ্যমে তিনি হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন।
এই পত্রিকাটির জন্মলগ্নে আমি যুক্ত ছিলাম। একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান থেকে ষঢ়যন্ত্রের শিকার হয়ে চাকরি ছেড়ে আমি যখন চুপচাপ বাসায় বসে আছি, তখন নাঈমুল ইসলাম খান আমাকে খবর দিয়ে বাসায় নিয়ে তাঁর কাগজে কাজ করতে বলেন। তাঁর প্রস্তাবটি ছিল এমন, ‘তোমার মতো একটা ছেলের চাকরি যাওয়ার সংবাদ শুনে আমি খুব লজ্জা পেয়েছি। আমার তেমন কিছু করার নেই। আমার স্বপ্নের মধ্যে একটি পত্রিকা আছে। এখনো ডিক্লারেশন পাই নাই। তুমি আগের চাকরিতে যা পেতে তাই নিও, কাল থেকে আমার বিসিডিজেসি অফিসে বসবে।’ আমি নাঈমভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞ এই দুর্দিনে এরকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য। পরের দিন থেকে অফিস করছি। ডিক্লারেশন নেই, সেই পত্রিকার পরিকল্পনা করছি। সেই সময় নাঈমভাই বলতেন, আমার পত্রিকা আমি হাইয়েস্ট সার্কুলেটেড বানাতে চাই না। প্রথম দিকের ৫-৭টা পত্রিকার পরে থাকলেই চলবে। আমি চাই নতুন কনটেন্ট, নতুন পাঠক। নামমাত্র মূল্যে পত্রিকা দেব। ৭০০ শব্দের স্টোরি এলে নাঈমভাই লিখে দিতেন, ‘৭৫ শব্দ’। তখন সম্পাদনার কোনো ব্যাকরণই কাজে লাগত না। পুরোটা পড়ে নতুন করে লিখতাম। এভাবে আকারে ছোট কিন্তু কোনো তথ্যই বাদ না দিয়ে আমরা রিপোর্ট প্রকাশের চেষ্টা করতাম। সেই দিনগুলোর কথা মনে হলে আনন্দে শিহরিত হই! আমাদের সেই ‘আমাদের সময়’ আজ চতুর্থ অবস্থানে উঠে এসেছে। সম্পাদক তো এটি চাননি। তিনি চেয়েছিলেন নতুন কাগজ, নতুন পাঠক; তিনি চেয়েছিলেন পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়া। কিন্তু এত কম পুঁজি নিয়ে এত কম সময়ে এভাবে উঠে আসার কৃতিত্বে আমরা একসময়ের সহযাত্রী এবং বর্তমানের পাঠকেরা অভিনন্দন না জানিয়ে পারি না। দীর্ঘদিনে প্রচলিত সংস্কার ভেঙে সম্পাদক তাঁর প্রচারসংখ্যা বলে দিলেন-- এর জন্যেও ধন্যবাদ। তবে নিজের কথা নিজের লেখায় প্রকাশ করাকে কেউ ‘নিজের ঢোল নিজে পোটানোর’ অভিযোগে সমালোচনা করতে পারে। নিজের কথা নিজের উদ্যোগে অন্যের মুখ দিয়ে বলানোর কৌশল বেশ গ্রহণযোগ্য হলেও তার মধ্যে শঠতা থাকে, কপটতা থাকে-- নাঈমুল ইসলাম খান সেটি করেননি বলে আবারো ধন্যবাদ। জয়তু আমদের সময়ের ‘আমাদের সময়'।

ড. তপন বাগচী : কবি ও সাংবাদিক। দৈনিক আমাদের সময়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সহকারী সম্পাদক। বর্তমানে একুশে টেলিভিশনে বার্তা বিভাগে কর্মরত।

Click This Link

 

 

  • ২৪ টি মন্তব্য
  • ৩৭৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ১১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯
comment by: বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: খুব ভালো লিখসেন তপন'দা........
০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: ভালো লিখছি বলছেন? দেখছেন কী পরিমাণ আক্রমণ আসতে শুরু করেছে! রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে একটা তাজা খবর দিলাম। তাতে একজন মাত্র প্রতিক্রিয়া। আর আমাদের সময় নিয়ে লেকার সঙ্গে সঙ্গে অনেক লোকের প্রতিক্রিয়া! আমি এনজয় করছি, ভাই! ধন্যবাদ।

২. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫
comment by: তপন চৌধুরি বলেছেন: ভাল লিখেছেন৷ আপনারা তথ্যমুলক লেখা লিখেন আর পাঠকেরা মন্তব্য করুক৷ আপনাদের লেখা সারাদিন য়েব web pageএ থাকবে৷ এখন bloggerরা পুরোন লেখাকে চাপা দিয়ে দেয়৷
০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন:
ভাই তপন চৌধুরি, তথ্যবহুল লেখা লিখতে চাই। সমুদ্র গুপ্ত, বুদ্ধদেব বসু, রবীন্দ্রনাথের পাণ্ডুলিপি চুরি যাওয়া নিয়ে লিখলাম। তেমন সাড়া নেই। কিন্তু মাহমুদুল হককে নিয়ে লেখা একটি ‌'হালকা' চতুর্দশপদী কিংবা আজকের ‌আমাদের সময়' নিয়ে লেখা নিয়ে দেখা যাবে বেশি আলোচনা-মন্তব্য আসবে। এবং বেশির ভাগই নেতিবাচক। এই ব্লগে তথ্যমূলক লেখা যারা পড়েন, তাঁরা নীরব পাঠক। তাদের জন্য সকলে লিখলে, সরবদের জন্য কে লিখবে?
আপনার প্রত্যাশা পূরণ করতে চেষ্টা করব।

৩. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৫
comment by: টিপু বলেছেন: নাঈমূল ইসলামের প্রতি এই লেখাটির মন্তব্যের ঘরে যে নেতিবাচক মন্তব্য দেখছি তার কারন বুঝতে পারছিনা।
নঈমূল ইসলাম এদেশের সাংবাদিকতার জগতে নব ধারার উম্মোচন করেছিলেন তৎকালীন ভোরের কাগজের মাধ্যমে।
ন ঈ খা- আমার যতটুকু মনে হয় আপোষহীন মনোভাবের।
তাঁকে তো আমাদের শ্রদ্ধা করা উচিত।
আর একটি বিষয় বা একজন মানুষ সম্পর্কে সত্য কথন দালালী হবে কেন?
০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: নাঈমুল ইসলাম খানের দোষ থাকলে কেউ লিখুক।
তিনি তো নিজেরও পত্রিকায়ও নিজের নেতিবাচক সমালোচনা প্রকাশ করেন। এইটুকু সততা ও সাহস কয়জন সাংবাদিকের/সম্পাদকের আছে, তা আমার জানা নেই।
দালালির সংজ্ঞার্থ যদি কারো জানা থকে, তবে এই নিরীহ রচনাকে কেউ অপছন্দ করলেও দালালি বলতেন না।
টিপু, আপনাকে ধন্যবাদ।

৪. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০৭
comment by: অনিন্দিতা ০১ বলেছেন: হে হে নাইখা রে অতি বাজে পাই
০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: ভালো করে বুঝতে পারলাম না 'অতি বাজে পাই' কথাটা। দুঃখিত। মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
comment by: সুতরাং বলেছেন: দৈনিক প্রথম আলোসহ বেশকিছু পত্রিকা তাদের প্রতিদিনের পত্রিকা প্রকাশের সংখ্যা উল্লেখ করে থাকে। সেটা তো আপনার চোখ এড়িয়ে যাওয়ার কথা নয়, তপন দা!
যাহোক, নাঈম খা তার পেপারের সার্কুলেশন শুধু নয়, গাড়ি কেনা, বিদেশ ভ্রমণসহ ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিতই লিখছে। ভবিষ্যতে হয়তো কোন্ ব্রান্ডের জাঙিয়া, কনডম সে ব্যবহার করে- তা'ও লিখতে পারে। আর তাতে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। অবশ্য তখন কারো কারো মনে হতে পারে যে, 'এসব কথা তো কোনও সম্পাদক আগে কখনও বলেনি! সুতরাং এ বিষয়ে প্রশংসা করে কেউ কেউ তার পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় (ভাগ্য ভালো হলে প্রথম পাতাতেও হতে পারে) লিখতেও পারে। এবং সেই লেখা আবার ব্লগেও দিতে পারে।
৬. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: @সুতরাং আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন,স্বঘোষিত কবি,প্রাবন্ধিক তপন বাগচী আপনার কমেণ্ট মুছে দিতে পারে।আমার টা মুছে দিয়েছেন;যদি পুরো মন্তব্যে সবচেয়ে অশ্লীল শব্দ ছিলো "বাল-ছাল"।
বাঘা সাংবাদিক তো উনার কাছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানে নিজের মতের বাইরের কমেণ্ট মুছে ফেলা।

এই বালের ব্লগে আমি ভবিষ্যতে মুত্‌তেও আসবোনা।
৭. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৯
comment by: সুতরাং বলেছেন: @শিমুল, দেখলাম আপনারটাসহ আরও বেশ কয়েকজনের মন্তব্য উনি মুছে দিয়েছেন। এটা অনুচিত। আমার মন্তব্য মুছে ফেললে অবাক হব না। তবে এটা নিয়ে একটা লেখা ব্লগে পোস্ট দিব।
৮. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩০
comment by: মেহেদী ইকবাল রমি বলেছেন: @শিমুল ভাই, আমি ভীষণ অবাক হয়ে দেখলাম আপনার, মাঠশালার এবং আমার কমেন্ট এই ভীরু কাপুরুষ মুছে ফেলছে! আপনার কথাই ঠিক- "বাঘা সাংবাদিক তো উনার কাছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানে নিজের মতের বাইরের কমেণ্ট মুছে ফেলা"।

তপন বাগচী, আপনি শুনে রাখুন ব্লগের চিন্তাশীল লেখক সমাজ প্রয়োজনে এক হতে জানে।
৯. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০৪
comment by: অনন্ত বৃষ্টি বলেছেন: মেহেদী ভাই, হের ব্যাপারে একটা যথাযথ ব্যবস্থা লন। একটা পোষ্ট ছাড়েন।
১০. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:১০
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: মামাদের সময় নিয়ে এক মামা লিখছে...এটা নিয়া এত সিরিয়াস হবার কি আছে...এই ব্লগেই আগে এসেছে এর সার্কলেশন ৮০,০০০ এবং এটি চটি টাইপের পেপার
১১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩২
comment by: আরিফ রেজা খান বলেছেন: আপনারে দুর্দিনে ডাইকা আইনা চাকরি দিছেন নাইখা। ভালো কথা। সেইখান থাইকা আপনের এই অনুভূতি অদ্ভূত কিছুই না। আমগোর কাছে অহনও গুরুরা দেবতা। কিন্তু লগে এইডাও কওনের দরকার আছিলো নাইখা ক্যামনে নয়া রিপোর্টারগো কম টাকা দিয়া কাগজে বেশি টাকার সই নেন। মাইয়াগো কোন কাজে লাগায় সেইডাও কওনের দরকার আছিলো। সাংবাদিকতার নামে প্রত্যেক হেডলাইনের পাছায় একখান কইরা বিস্ময়বোধক দেওনের যৌক্তিকতাও বোঝানের দরকার আছিলো। স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করি- এই কথা কওন সোজা। বাস্তবে পালন করা কঠিন। যেমন আপনেও স্বচ্ছ হইতে পারেন নাই। সবার মন্তব্য মুছছেন। মন্তব্য মোছনের দরকার নাই। কাউরে অশ্লীল মনে হইলে ব্যান করেন। কিন্তু মতামতটা দিবার দেন। কাউন্ট তো করবার পারবেন আপনের দেবতার গ্রহণযোগ্যতার হাল। মেন রাইখেন, ব্লগ আপনের লিটলম্যাগ না, যেইহানে নিজের গ্রুপরে নিয়া ধানাইপানাই কইরা একজন আরেকজনের পিঠ চুলকাবো। এইডা কাগজও না যে কবি থাইকা মহাকবি হওনের পথে বইলা পরিচয় তুইলা দিলেই তারে আর কেউ ঘাঁটতে পারবো না। এইডা ব্লগ। এইখানে মাইনষের ইন্টারাকশন অ্যামনেই হয়। এইহানের তারকা ব্লগাররাই তৈরি করে। বাইরের তারকাগো এইহানে বেল নাই।
১২. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:০১
comment by: মেহেদী ইকবাল রমি বলেছেন: @শিমুল ভাই, আমি ভীষণ অবাক হয়ে দেখলাম আপনার, মাঠশালার, হাসিব মাহমুদের এবং আমার কমেন্ট এই ভীরু কাপুরুষ মুছে ফেলছে! আপনার কথাই ঠিক- "বাঘা সাংবাদিক তো উনার কাছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানে নিজের মতের বাইরের কমেণ্ট মুছে ফেলা"।

তপন বাগচী, আপনি শুনে রাখুন ব্লগের চিন্তাশীল লেখক সমাজ প্রয়োজনে এক হতে জানে।
১৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
comment by: আবদেল্লাহ ফাইসাল বলেছেন: শুয়রের বাচ্চা বাগচি, তোর ব্লগে মুতি।
১৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
comment by: আবদেল্লাহ ফাইসাল বলেছেন: তোরে শুয়রের বাচ্ছা বলেছি এ জন্য যে, তুই এখনো বুঝতে পারিসনি তোর আববা নাইখা কত জনপ্রিয়। তুই ভেবেছিলি লিখবি আর আমরা সহ্য করবো তোর আবর্জনা। কমেন্ট মুচে দিয়ে কি প্রমাণ করেছিস- তুই বালের সাংবাদিক। এখানে আরও অনেক সাংবাদিক আছে, যারা তোরে পড়াতে পারে।
লিখেছিস তুই একুশে চাকরি করিস। কত খারাপ দশা হলে একুশে তোর মতো বাল চাল সাংবাদিকদের চাকরি দেয়।...
১৫. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১২
comment by: অরথি স্বর্ণালী বলেছেন: মন্তব্য পইড়া মজা পাইছি!

 



 


ঢাকায় থাকি। জন্ম বাংলাদেশের শ্যামল গ্রামে। শাহবাগে আড্ডা দিই মাঝেমাঝে। কবিতা লিখে আনন্দ পাই। লেখার চেষ্টা করি।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২২৪৯