আমার প্রিয় পোস্ট

কবিতা ও যোগাযোগ

মুসলিম দেশের যত ভাস্কর্য

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩

শেয়ারঃ
0 0 0

ইসলামে যদি ভাস্কর্য নিষিদ্ধ থাকত, তাহলে মুসলিম দেশে ভাস্কর্য নির্মিত হতো না। আজকের দৈনিক 'সমকালে' (৩১.১০.০৮) আজাদুর রহমান চন্দনের একটি লেখা আছে। তাঁর লেখাটি হবহু তুলে ধরছি।--

মুসলিম দেশের যত ভাস্কর্য আজাদুর রহমান চন্দন
সম্প্রতি এক ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে গেল বাংলাদেশে। একদল (মাত্র শ' দেড়েক) সাম্প্রদায়িক উগ্রপন্থির আপত্তির মুখে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে 'অচিন পাখি' নামের নির্মাণাধীন বাউল ভাস্কর্য ভেঙে সরিয়ে ফেলেছে সরকার। এ নিয়ে সঙ্গত কারণেই গত দু'সপ্তাহ ধরে দেশের নানা স্থানে নিন্দা-প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন অসাম্পদায়িক শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ। অন্যদিকে সা¤প্রদায়িক মৌলবাদী ক্ষুদ্র গোষ্ঠীটি হুঙ্কার ছাড়ছে-- তারা ক্ষমতায় গেলে নাকি দেশের সব ভাস্কর্য, স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনার ভেঙে ফেলবে; নিভিয়ে দেবে 'শিখা চিরন্তন' ও 'শিখা অনির্বাণ'।
বাংলাদেশে স্বার্থান্বেষী ধর্ম ব্যবসায়ী এ চত্রক্রটি বরাবরই মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ¯বার্থ হাসিলের চে®দ্বা করে আসছে। অথচ স্থাপত্য-ভাস্কর্য এসবের সঙ্গে ধর্মের কোনো বিরোধ দেখা যায় না বাস্তবে; বরং দেশে দেশে স্থাপত্য-ভাস্কর্য নির্মাণে মুসলমানদের অবদানও রয়েছে যথেষ্ট। এ উপমহাদেশের অধিকাংশ খ্যাতনামা স্থাপত্যই মুসলমান শাসকদের সৃষ্টি। শুধু তা-ই নয়, ইরান, ইরাক, মিসর, সিরিয়াসহ অনেক মুসলিম দেশেই ভাস্কর্য রয়েছে। আফগানিস্তানে তালেবান জঙ্গিরা যখন বুদ্ধমূর্তি ধ্বংস করে, তখন ইরানের পার্লামেন্ট তার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছিল।
যে যুক্তি দিয়ে এ দেশের মৌলবাদীরা ভাস্কর্যের বিরোধিতা করে, সে যুক্তিতে কিন্তু মানুষের ছবি তোলাটাও ঠিক নয়। অথচ বাস্তবে ওই মৌলবাদীরাও ছবি তুলছেন নিজের ¯বার্থে। এমনকি কট্টর রক্ষণশীল মুসলিম দেশ সৌদি আরবে খেলনা পুতুল বিক্রি হয় বৈধভাবেই। ওই পুতুল সে দেশে খুবই জনপ্রিয়।
ইরান, মিসর, ইরাকের জাদুঘরে অসংখ্য ভাস্কর্য এবং প্রাচীন শাসক ও দেব-দেবীর মূর্তি তো রয়েছেই, সেসব দেশে উন্মুক্ত স্থানে রয়েছে অনেক ভাস্কর্য। ইরানে আছে একটি বিশাল স্বাধীনতাস্তম্ভ, যার নাম 'আজাদী'। এ স্থাপত্যটির ডিজাইনার হোসেন আমানত একজন মুসলমান। কবি ফেরদৌসী, ওমর খৈয়াম, পারস্যের নেপোলিয়ন বলে খ্যাত নাদির শাহ্র মতো খ্যাতিমান ব্যক্তিদের ভাস্কর্য রয়েছে ইরানে। মাশহাদ নগরীতে ভাস্কর্যসংবলিত নাদির শাহ্র সমাধিসৌধটি পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়।
ইরানের রাজধানী তেহরানে দু’বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয় সমকালীন ভাস্কর্য প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতা। সর্বশেষ ও পঞ্চম দ্বিবার্ষিক প্রদর্শনীটি হয়েছে গত ফেব্রুয়ারি মাসে। এতে ১০৫ জন শিল্পীর ১১২টি ভাস্কর্য ঠাঁই পায়। তেহরান মিউজিয়াম অব কনটেম্পরারি আর্টসে আয়োজিত এ প্রদর্শনী স্পন্সর করে সে দেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।
ইরানের মাজানদারান প্রদেশে প্রতি বছর আয়োজন করা হয় বালির তৈরি ভাস্কর্য প্রদর্শনীর। এটি একটি উৎসব_ স্যান্ড স্কালপচার ফেস্টিভ্যাল। ২০০৫ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেল্টল্ফ^র মাজানদারান প্রদেশের বাবলসার নগরীতে অনুষ্ঠিত হয় বালির তৈরি ভাস্কর্যের প্রথম প্রদর্শনী। ™ি^তীয়বার হয় ২০০৬ সালের ৬ থেকে ২১ আগস্ট বাবলসার, সারি ও রামসার নগরীতে। এতে ২৭৫টি ভাস্কর্য ঠাঁই পায়। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে মাজানদারান প্রদেশে বালির তৈরি ভাস্কর্যের সপ্তাহব্যাপী তৃতীয় জাতীয় প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রভিন্সিয়াল কালচার অ্যান্ড ইসলামিক গাইডেন্স ডিপার্টমেন্টের সহযোগিতায়।
পিরামিডের জন্য দুনিয়াজোড়া খ্যাতি মিসরের। বিরাটত্বের দিক থেকে বিখ্যাত হলো জোসার বা স্টেপ (সোপান) পিরামিড ও গিজা পিরামিড। পাথরের তৈরি ¯িম্ফংসের মূর্তিসংবলিত গিজা পিরামিড সারা দুনিয়ার পর্যটকদের অতি প্রিয়। শুধু ইসলামপূর্বই নয়, অনেক অনেককাল আগের তথা খ্রিস্টপূর্ব আড়াই হাজার অব্দের এসব মূর্তি মিসরের মুসলমানরা ধ্বংস করেনি, গর্বের সঙ্গে রক্ষা করে। স¤প্রতি আফগানিস্তানে যে তালেবানরা বামিয়ানের জগিদ্বখ্যাত বুদ্ধমূর্তি ধ্বংস করেছে তারা মৌলবাদী, বিেশ্বর সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের সঙ্গে তাদের মিল নেই। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে মাহমুদ মোখতারের বিখ্যাত ভাস্কর্য 'মিসরের রেনেসাঁ'।
ইরাকেও আছে অনেক ভাস্কর্য। বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে ডানার ভাস্কর্যটি সবার নজর কাড়ে। বাগদাদের পাশে আল-মনসুর শহরে আছে মনসুরের একটি বিশাল ভাস্কর্য। আছে অনেক সাধারণ সৈনিকের ভাস্কর্য। সাদ্দাম হোসেনের বিশাল আকারের ভাস্কর্যটি মার্কিন আগ্রাসনের পর ভেঙে ফেলে সাদ্দামের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, যারা মার্কিন বাহিনীর মদদপুষ্ট। এটা ভাঙা হয় রাজনৈতিক কারণে, ধর্মীয় কারণে নয়।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
তপন বাগচী বলেছেন: আগের লেখাটির ফণ্ট ঠিক করতে পারিনি। তাই নতুন করে দিলাম এই পোস্ট।
২. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৯
রবিউলকরিম বলেছেন: বাংলাদেশ তো আর পৃথিবীতে দুইটা নাই। এই দেশের আচার, বিচার অালাদা এইটা বুইঝা লন ভাইজান। যে দেশে যে আচার। আচারের তো আবার দুইটা অর্থ তাই না। একটা চাটনি, আর একটা সংস্কৃতি।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: বুঝলাম কিছুটা।

৩. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
ফালতু মিয়া বলেছেন: মি: বাগচী, ইসলাম ধর্মকে না জেনে না বুঝে যারা নিজ স্বার্থে বিভিন্ন দেশের তুলনা করে বিশাল সাইজের লেখা পত্রিকায় প্রকাশ করে তাদের লেখা এখানে দিয়ে আপনি কি বুঝাতে চাইছেন?

আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, ইসলামের আগমন হয়েছিল মূর্তি পূজা না করে সবাইকে নিরাকার একমাত্র স্রষ্টাকে এবাদত করার জন্য। মূর্তি ভাঙ্গতে, মূর্তি গড়তে নয়। আপনি একে ভাষ্কর্য বলুন আর স্থাপত্য বলুন-এর সাথে অবশ্যই শরীয়তের কোন সমর্থন নেই। মাত্র কয়েকজন বা পৃথিবীর সকলে এক যোগে যদি না জেনে এটা মানে বা বিরোধীতা করে তবে সেটা মিথ্যা বা সত্য হয়ে যাবে না। নিশ্চয় আপনি উদ্ধৃত লেখায় যে সকল দেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেসব উদাহরণ হিসাবে ব্যবহার যেতে পারে কিন্তু প্রকৃত সত্য তুলে ধরা যায় না।

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: 'সকল দেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেসব উদাহরণ হিসাবে ব্যবহার যেতে পারে কিন্তু প্রকৃত সত্য তুলে ধরা যায় না। '
সেই প্রকৃত সত্যের সন্ধানটাই তো জরুরি। সেই কারণে কি আমার পোস্টটাই গায়েব করে দেয়া হবে?

৪. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩
হাসিব মাহমুদ বলেছেন: এই পোস্ট প্রথম পাতায় নিয়ে আশা হোক
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন: আমি তো এখনো নিরাপদ ব্লগার। প্রথম পাতায় ছিল। রবিউল করিম মন্তব্যও লিখেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে দেখি সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তারা কি আজকের 'সমকালে'র সকল কপিও এইভাবে বাজার থেকে সরিয়ে রাখবেন? ধন্যবাদ, হাসিব মাহমুদ।

৫. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
ফারুক আহেমদ রনি বলেছেন: ভাল লাগলো পোষ্টটি...
ধন্যবাদ
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কিন্তু প্রথম পাতা থেকে সরানোর রহস্য কী?
Click This Link

৬. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪৫
আরিফ জেবতিক বলেছেন: এই পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরানোর মাজেজা কী ?
মডারেটর পোস্টের আড়ালে এরা কারা ?? এরা কারা ???
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: মডারেটর পোস্টের আড়ালে এরা কারা ?? এরা কারা ???

৭. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫০
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: সাহো মাঝে মাঝে খুব অবাক করার মত কাজ করে!!যা খুবই বিতর্কিত।এই পোস্ট সরানোর প্রতিবাদ জানাই
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: প্রতিবাদ জানানোর জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।

৮. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫২
সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন:
মডারেটর পোস্টের আড়ালে এরা কারা ?? এরা কারা ???

এরা কারা ?? এরা কারা ???

এরা কারা ?? এরা কারা ???

এরা কারা ?? এরা কারা ???

এরা কারা ?? এরা কারা ???

এরা কারা ?? এরা কারা ???


পোস্টটি প্রথম পাতায় নিয়ে আসা হোক...
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: প্রথম পাতায় আকেটি পোস্ট দিয়েছি। সেইটি আবার কখন সরিয়ে ফেলে সেই শঙ্কায় আছি সুমন!

৯. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৩
রাজন সান বলেছেন: ফালতু মিয়ার সাথে সহমত
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: আপনার অবস্থান খোলসা করার জন্য ধন্যবাদ।

১০. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০০
কাঙাল মামা বলেছেন: এই পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরানোর মাজেজা কী ?
মডারেটর পোস্টের আড়ালে এরা কারা ?? এরা
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: এই পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরানোর মাজেজা কী ?
মডারেটর পোস্টের আড়ালে এরা কারা ??
আমারও একই প্রশ্ন।

১১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১০
ফারুক আহেমদ রনি বলেছেন: এ রকম একই বিষয়ে আমার একটি লেখাও উধাও হয়ে যায়..
আমাদের কিছুই করার নেই। দেখা যাক কতৃপক্ষ হয়ত লেখাটা নিয়ে বিভ্রান্ত..
কিন্ত কেন?
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: আপনার পোস্ট সরানোর বিলম্বিত প্রতিবাদ এখন জানিয়ে রাখি।

১২. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২১
অচেনা সৈকত বলেছেন: ফালতু মিয়া ও রাজন সানকে অভিনন্দন, তাদের প্রতিক্রিয়াশীল চরিত্র উন্মোচন করার জন্য।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ঠিক ধরেছেন। সহমত।

১৩. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
গিয়াস আহমেদ বলেছেন: এ ধরনের লেখালেখি বেশি বেশি দরকার। ফালতু মিয়াদের 'প্রকৃত সত্য' জানাতে হবে তো! নাহলে এরা ফালতু কথাই বলে যাবে আর 'ফালতু'ই রয়ে যাবে। মানুষ আর হবে না।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: কী আর বলব ভাই।
যারা অন্ধ তারা আজ..........

১৪. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
রাজন সান বলেছেন: আমি, ভাস্কর্য কে বানালো বা কে ভাংলো সে প্রসঙ্গে যাচ্ছি না। আমি বলতে চাচ্ছি, প্রত্যেকটা ধর্মের Basics বা Foundation আছে। তেমনি ইসলাম ধর্মে মূর্তির সঙ্গে সরাসরি বিরোধ আছে, এটা ভুলে গেলে চলবে না। অনেক ইসলামী দেশে ভাস্কর্য থাকলেই যে তা সিদ্ধ হবে ব্যাপারটা তা না। সৌদিতে কাবা শরীফ আছে বলেই তাদের সবাইকে Real Muslim বলা যাবেনা। Muslim is Muslim. এখানে Moderate Muslim বা Moderate Islam-এর কোন স্থান নেই। এখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে। প্লিজ, রাগ করবেন না।

আপনার পোষ্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য আমিও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন: আপনি বলেছেন, 'ইসলামী দেশে ভাস্কর্য থাকলেই যে তা সিদ্ধ হবে ব্যাপারটা তা না।' তাহলে ব্যাপারটা কী সেটা আলোচনা করলেই তো ভালো হতো।
'আপনার পোষ্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য আমিও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। '
কিন্ত আপনি যার সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন সেই ফালতু মিয়া কিন্তু আমার পোস্ট অপসারণকে সমর্থন করেছেন।
আপনার বর্তমান প্রতিবাদী অবস্থানকে স্বাগত জানাই।

১৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৫
রণদীপম বসু বলেছেন: ফালতু মিয়া ও রাজন সান @

২৭ অক্টোবর সোমবারের প্রথম আলোতে 'এখন কোথায় যাব, কার কাছে যাব?' শিরোনামে হুমায়ুন আহমেদের একটা লেখা রয়েছে। আপনার আরো কিছু রেফারেন্সের জন্য ওটা পড়ে দেখলে আপনাদের কাজে লাগবে বলে ধারণা।

আপনারা মূর্তি আর ভাস্কর্যকে যখন এক করে ফেলেন তখন মনে হয় সত্য আর মিথ্যাকেও এভাবেই গুলিয়ে ফেলেন।

মিথ্যাই কেবল যুক্তি ও উদাহরণকে ভয় পায় নিজের অস্তিত্বের হুমকী ভেবে। সা-ইনের প্রথম পাতা থেকে এই পোস্ট সরিয়ে সা-ইন ব্লগ নিজের অস্বচ্ছতা ও সংকীর্ণতা প্রকাশ করলো। এটা সমর্থনযোগ্য নয়।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৭

লেখক বলেছেন: হমায়ুনের আহমদের এধরনের সকল লেখা প্রথম আলেঅ প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশ করে। এই লেখাটিও প্রথম পৃষ্ঠায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষতক তা প্রথম পৃষ্ঠা থেকে সরিয়ে নেয়। প্রথম আলোর ভয় এখনো কাটে নি!
ধন্যবাদ রণদীপম বসু.

১৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৪
রাজন সান বলেছেন: আমি পড়েছি ওটা। হুমায়ূন আহমেদ কোন Ideal Person নয়। যে নিজের মেয়ের বয়সী একজনকে বিয়ে করে enjoy করছে। আর তার জন্যে সে ত্যাগ করেছে ৩০ বছরের Life Partner কে। আপনি তাকে উদাহরন টানেন? এরা হলো গিয়ে বস্তুবাদীর নিকৃষ্টতম উদাহরন। সবকিছুর প্রেক্ষাপট চিন্তা করতে হয়। You need more study and Sorry for such reference.
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন: কবিকে খুঁজো না জীবনচরিতে!
তাঁর ব্কতব্য খণ্ডন করতে না পেরে জীবনকাহিনী নিয়ে টানাটানি শুরু করেছেন, কেন ভাই। ওই প্রশ্নে উনি নিন্দিত হতে পারেন, কিন্তু এই প্রশ্নে ওনার যুক্তিকে যুক্তি দিয়ে বিবেচনা করা যায়।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

১৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০১
রাজন সান বলেছেন: আমাদের কণ্ঠ নিষিদ্ধ, কণ্ঠ নাই।
আমাদের কথা চুপ,আমাদের কথা নাই....।
--এটা তোমার কথা।

শুধু দেইখ্যা যাও। কথা বল কেন? একদম চুপ থাকো। বড়দের কথায় নাক গলাইবা না।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: একটু আগেই তো রাজন সান বলেছেন, 'এখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে। প্লিজ, রাগ করবেন না।'

১৯. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৫
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: এই পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়েছে! বিস্ময়কর!
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: এই পোস্টের প্রতিক্রিয়াগুলোও প্রথম পাতায় দেখানো হচ্ছে না। বিস্ময়কর!

২০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:২৫
অরণ্যচারী বলেছেন: +

এই পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরানোর প্রতিবাদ জানাই।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: এই পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরানোর প্রতিবাদ আমিও জানাই। আপনাদের সমর্থন পেয়ে আমি তৃপ্ত।

২১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪১
রাজন সান বলেছেন: তপন, আপনার যুক্তি দিয়ে কথা বলা আমার খুব ভালো লেগেছে। আপনি অন্যদের মত না। কোন খারাপ কথা উচ্চারন করেননি। পরিনত একজন। কিছু ব্লগার আছে, যারা শুধু গালাগালি পছন্দ করে। অন্যদের বয়স ও সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে কোন ধারনা করার চেষ্টা করে না। লিখবেন, পড়বো। ভালো থাকবেন। যোগাযোগ রাখবেন। ধন্যবাদ।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: যোগাযোগ কেমন করে রাখব ভাই। গতকাল একটা নিরীহ পোস্ট দিলাম। দুইবার। দুইবারও সরিয়ে দিল। ব্লগ থেকেই তো অব্যাহতি নিচ্ছে করছে। এত পণ্ডিতদের ভীড়ে আমার বোধহয় ঠাঁই নেই।

২২. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৮
যুক্তিবাদি বলেছেন: এরকম (হু. আহমেদ) আহাম্মক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক!! সাধেই কি এই জাতি এত আহাম্মক!!

লেখার কোন যুক্তি নাই আর কুপমুন্ডুক অন্ধ ভক্তরা বলে আহা!! কি জব্বর যুক্তি!!

মিশর, তুরস্ক কি কোন মুসলিম দেশ?? মুসলমান সংখ্যা গরিষ্ঠ হলেই কি মুসলিম দেশ হয়?? সালমান রুশদির মুসলিম নেম প্লেট বলে কি সে মুসলিম??
কোরআনে যেটা স্পষ্ট করে বলা আছে সেটা দিব্ব্যি চোরের মত পাশ কাটিয়ে কি সুন্দর এই আহাম্মক একটা স্যেকুলার দেশের ভিত্তিতে ইসলামের আইনের ব্যক্ষা করার প্রয়াস করছে!! মানে দেশের আইন পাশ কাটিয়ে চুরি করে বলবে, "আইনে কি আছে সেটা পরের কথা, ঐ রহিম মিঞা চুরি করেছে তাই চুরি করা দোষের নয়!!"
আবার গন্ড মূখ্যের দল কি খুশিতে লাফাচ্ছে!! হাস্যকর।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: 'আবার গন্ড মূখ্যের দল কি খুশিতে লাফাচ্ছে!! হাস্যকর। '

কে কাহারে বলি গণ্ডমূর্খ
কে কাহারে দেয় গালি
কে জানে তাহার আসল হদিস
কারে দিই হাততালি!!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৭৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঢাকায় থাকি। জন্ম বাংলাদেশের শ্যামল গ্রামে। শাহবাগে আড্ডা দিই মাঝেমাঝে। কবিতা লিখে আনন্দ পাই। লেখার চেষ্টা করি।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ