ষটের দশকের কবি অসীম সাহার ষাট বছর পূর্তির শুভেচ্ছা
তপন বাগচী
বাংলাভাষায় যাঁরা শুদ্ধ কবিতা লিখছেন, অসীম সাহা তাঁদের অন্যতম। সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি দায়বদ্ধ এই কবি অল্পপ্রজ এবং স্বল্পালোচিত হলেও ধীমান পাঠকের কাছে শ্রদ্ধেয় এবং গ্রাহ্য হয়ে উঠেছেন ষাটের দশকের শেষ পাদ থেকেই। বর্তমানের শারীরিক অসুস্থতাকে জয় করে তিনি লিখে চলেছেন কবিতা, ছড়া, প্রবন্ধ ও গল্প। মিডিয়ার বাড়তি প্রচারের তোয়াক্কা না করেই তাঁর সৃষ্টি আমাদের জাতীয় সাহিত্যধারায় স্থায়ী আমানত হিসেবে সঞ্চিত হয়ে চলছে।
‘পুনরুদ্ধার’ কাব্যে তাঁর কাব্যক্ষমতার চূড়ান্ত সিদ্ধি ফলিত হলেও ‘পূর্ব-পৃথিবীর অস্থির জ্যোৎস্নায়’ এবং ‘কালো পালকের নিচে’ নামের পূর্ববর্তী দুটি কাব্যেও তাঁর সাধনার স্তর চিহ্নিত হয়ে আছে। আধুনিক কবিতার তিরিশ, চল্লিশ, পঞ্চাশ দশকের ধারা সুস্পষ্ট হওয়ার পরে ষাটের যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়, অসীম সাহা সেখানে ছিলেন না। তিনি এসেছেন ষাটের শেষপাদে, জেয়ার থিতিয়ে পলি জমার পরে। ষাটের শেষপাদের কবিদের মধ্যে অসীম সাহা ছাড়াও মহাদেব সাহা, মাহবুব সাদিক, মুহম্মদ নূরুল হুদা, হুমায়ুন আজাদ, সানাউল হক খান, অরুণাভ সরকার, রবিউল হুসাইন, জাহিদুল হক, সমুদ্র গুপ্ত, হাবীবুল্লাহ সিরাজী, রুবী রহমান প্রমুখের নাম উল্লেখ করা যায়। আর ষাটের প্রথম পাদের কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন রফিক আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ, আসাদ চৌধুরী, আবদুল মান্নান সৈয়দ, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, মোহাম্মদ রফিক, ফারুক আলমগীর, আবুল হাসান, শামসুল ইসলাম প্রমুখ। ষাটের এই সকল কবিদের মধ্যে অনেকেই গ্রন্থিত হয়েছেন ষাট-সত্তর পেরিয়ে একেবারে আশির দশকে এসে। সানাউল হক খানের ‘অন্ধ করতালি’ (১৯৮০), জাহিদুল হকের ‘পকেট-ভর্তি মেঘ’ (১৯৮১), অসীম সাহার ‘পূর্ব-পৃথিবীর অস্থির জ্যোৎস্নায়’(১৯৮২), রবিউল হুসাইনের ‘সুন্দরী ফণা’ (১৯৮৪) প্রভৃতি গ্রন্থ তাঁর প্রমাণ। একজন কবির উত্থান ও আবির্ভাব যে-দশকেই হোক, আলোচনার সুবিধার্থে দশক-বিভাজন মেনে নিয়েও বলা যায়, প্রকৃত কবি হয়ে ওঠেন দশকসীমার ঊর্ধ্বে। কবি অসীম সাহার কবিতাও দশকসীমার উর্ধ্বে আলোচনার দাবি রখে। ষাটের দশকের কাব্য-আন্দোলনের সকল শর্ত পূরণ করেই তাঁর কবিতা অগ্রগামী হয়েছে, পরবর্তী দশকের কবিতার সঙ্গে পাল্লা দিয়েই তাঁর কবিতা সাম্প্রতিক ও আধুনিক থাকতে পেরেছে।
‘পূর্ব-পৃথিবীর অস্থির জ্যোৎস্নায়’ কাব্যে রাজনৈতিক অস্থির সময়ের ভেতর দিয়ে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের চিত্র অংকন করেছেন নানান প্রতীকে ও রূপকে। স্বদেশ তাঁর কাছে মনে হয়েছে কখনো দগ্ধ বাউলিনী, কখনো কসাইখানা। যেমন:
‘ধুলোবালি মাখা, রুক্ষ, এলামেলো কয়েকগুচ্ছ চুল /
ছড়িয়ে ছিটিয়ে সে বসে আছে বিরহকাতর/
এই পূর্ব-উপকূলে।/
তাকে দেখে মনে হয়, স্বপ্নœপ্রাসাদ থেকে/
ভিখারিণী বেশে মীরা এসেছে এখানে।
(বিরহকাতর এক দগ্ধ বাউলিনী/ ‘পূর্ব-পৃথিবীর অস্থির জ্যোৎস্নায়’)।
কিংবা,
‘কসাইখানায় একটি অসহায় পশুর ঝুলন্ত লাশ/
ঝর্নার মতো বয়ে যাচ্ছে হিমরক্তÑ/
বরফের মতো জমাট-বাঁধা;/
সে তাকিয়ে আছে পৃথিবীর দিকে/
তার দুটি সরকরুণ চোখে ভাষাহীন অব্যক্ত জিজ্ঞাসা,/
যেন তার দেহ স্পর্শ করলেই জীবনের স্বাভাবিক উত্তাপ /
টগবগ করে উঠবে; যেন চোখ থেকে ঠিকরে পড়বে চকিত-বিদ্যুত।’
(শানানো ছুরির নিচে/ ‘পূর্ব-পৃথিবীর অস্থির জ্যোৎস্নায়’)
এই কাব্যের প্রতিটি কবিতা গভীর দেশপ্রেমে জারিত। লক্ষ করা যায় যে, বেশির ভাগ কবিতার শিরোনামই এক শব্দে রচিত। আধুনিক কবির বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যা মানানসই নয়। কিন্তু চিন্তার নির্যাসকে এক শব্দে বাঁধতে পারার মধ্য দিয়ে কবির অনুশীলন-প্রচেষ্টাকে সনাক্তকে করা যায়। কবি যে কেবল স্বাভবকবি নন, আধুনিক সৃজন-মননের অধিকারীও হন, তারও স্বাক্ষর রয়েছে তাঁর প্রথম গ্রন্থেই। দ্বিতীয় কাব্য ‘কালো পালকের নিচে’ কাব্যে রজনীতি থেকে কিছুটা সরে এসে রোমান্টিক হওয়ার চেষ্টা করেছেন। জীবনের প্রতি দায়কে অঙ্গীকার করেই তিনি শিল্পের প্রতি দায়কে গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশপ্রেমের প্রকাশ থেকে সরে আসেননি একচুলও, তবে মানবিক প্রেমের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন কিছুটা বেশি পরিমাণে।
‘অবশেষে ঘাইহরিণীর ডাকে/
ঘাসের গভীর বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়ে/
প্রশান্ত হরিণের দল’।
(হরিণেরা/ ‘কালো পালকের নিচে’)।
এধরনের প্রতীকী চরণ এই কাব্যের সুষমা বৃদ্ধি করেছে। পালক যে আশ্রয়ের প্রতীক, সেই পালক যদি কালো হয়, তবে বোঝাই যায় যে, আশ্রয়ের নামে এক ধরনের শোষণের শঙ্কার কথা কবি বলতে চেয়েছেন। স্বাধীন হলেও গোটা জাতি যে কালো পালকের নিচে রয়েছে, কবি অনেক আগেই তা টের পেয়েছিলেন, স্বাধীনতার তিন যুগ পওে এসে তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
অসীম সাহার ‘পুনরুদ্ধার’কাব্যের শিল্পিসিদ্ধির পরে ‘উদ্বাস্তু’ নামের কাব্যের মাধ্যমে বিশাল প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক বার্তা বহন করেছেন। ৪৭-এর দেশভাগের সময় কবির জন্ম, যৌবনে মুখোমুখি হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন রাজপথে। প্রতিটি আন্দোলনের বিজয়ের পরে তিনি দেখেছেন যে, মানুষের প্রকৃত মুক্তি আসেনি। একটা সময় এসে তিনি লক্ষ করেন যে, পৃথিবীর সকল মানুষই মূলত উদ্বাস্তু। ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদ হলে তাকে উদ্বাস্তু বলা হয়Ñ ব্যাকরণের এই সংজ্ঞার্থের বাইরে এসে কবি দেখতে পান যে, কেবল ভিটেবাড়ি থেকে নয়, মনুষের অধিকার থেকে, তাঁর সংস্কৃতির স্বাধীনতা তেকে, চিন্তার স্বকীয়তা থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হলেও তাকে উদ্বাস্তু বলা যায়। এবং এই সংকট কেবল কবির জন্মভূমি এই বাংলাদেশে নয়, পৃথিবী জুড়েই প্রকটিত। সেই বেদনাকে ধারণ করেই কবি এই কাব্য রচনা করেছেন।Ñ
‘আহা, এই সব পাখিদের ঘর আছেÑ/
পাখিদের নিজের ঘর!/
আমরাই কেবল কোনো ঘর নেইÑ/
আমি শুধু গড়ে তুলি হাসনের ঘর।
(উদ্বাস্তু-১০/ উদ্বাস্তু)।
একটু আশ্রয়ের আর্তি পৃথিবীর সকল মানুষেরই থাকে। আর উদ্বাস্তুদের কোনো নিজের দেশ থাকে না। নিজের দেশ থেকে উদ্বাস্তু হয়ে সে যে দেশেই যাক, তা কখনোই তার নিজের হয়ে ওঠে না। নতুন দেশেও সে ঘর বাঁধতে পারে না। বাঁধলেও সেই ঘর তার নিজের হয় না। এই রাজনৈতিক সত্যটিকেও কবি তুলে ধরেছেন ধর্মীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে, ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে। এই কারণেই কবি অসীম সাহার কাব্য ‘উদ্বাস্তু’ বাংলা কবিতায় একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হতে পারে। নাড়িছেঁড়ার বেদনা এই কাব্য যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে, পাঠক মাত্রই তাতে অশ্র“সজল হয়, বিচলিত হয়। একটি কাব্য হয়তো রাজনৈতিক সংকটের সামাধান এনে দিতে পারে না, কিন্তু যারা পড়বেন, তারা এই সংকটকে মানবিক বিবেচনায় গ্রহণ করবেন। আজকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উদ্বাস্তু সমস্যা নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের সহায়ক হতে পারে এই কাব্যের বক্তব্য। এই কাব্যের প্রভাব সুদূরপ্রসারী, একদিন তার প্রমাণ পাওয়া যাবে। কবি যে কেবল সৌন্দর্য সৃষ্টি করেই তাঁর দায়িত্ব শেষ করেন না, কবি অসীম সাহা ও তাঁর ‘উদ্বাস্তু’ কাব্যই তার প্রমাণ।
‘মধ্যরাতের প্রতিধ্বনি’ কাব্যে কবির রাজনৈতিক চিন্তা আরো প্রসারিত হয়েছে। এখানে তিনি মিথ-পুরাণের আশ্রয়ে কবিতাকে আরো বেশি শিল্পময় করে তুলতে চেয়েছেন। ‘উদ্বাস্তু’ কাব্যের রেশ এখানেও বহমান। তবে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চিরায়ত প্রেম।-
‘হে মীন, হে মৎসকুমারী/
অন্ধকার সমুদ্রতীরে আলোকমালায় সজ্জিত /
এই পৃথিবীকে সাক্ষী রেখে/
এই প্রথম ও শেষবারের মতো তুমি আমাকে গ্রহণ করো।’
(অবগাহন/ ‘মধ্যরাতের প্রতিধ্বনি’)
বাংলাদেশে যে-কজন কবি ছন্দ জানেন, তাঁদের সংখ্যা অঙ্গুলিমেয়। বলাই বাহুল্য, অসীম সাহা তাঁদের অন্যতম। ‘পুনরুদ্ধার’ কাব্যে তিনি দেখিয়েছেন তাঁর ছন্দের কুশলতা। তিন ছন্দের যত রকমের চাল সৃষ্টি হতে পারে, তার সকল রকমের প্রয়োগ রয়েছে ওই কাব্যে। ছন্দোস্বাচ্ছন্দ্যের স্বীকৃতি তাঁর প্রাপ্য। ‘পুনরুদ্ধার’ কাব্যের মাধ্যমে কবি অসীম সাহার কবিত্বশক্তির প্রমাণ আমার কাছে প্রথম অনুভূত হয়। এই কাব্য নিয়ে আমি প্রমাণ-আকারের একটি প্রবন্ধও লিখে ফেলি। এই কাব্যের জন্য তিনি ‘আলাওল সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন। আমাদের দেশে সাহিত্যের জন্য বাংলা একাডেমী পুরস্কারের পরেই আলাওল সাহিত্য পুরস্কারের অবস্থান। বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার গুরুত্ব পায় প্রতিষ্ঠানের জাতীয়তার কারণে। আর আলাওল সাহিত্য পুরস্কারের গুরুত্ব তার নির্বাচনী নিরপেক্ষতার কারণে। দেখো গেছে, আলাওল পুরস্কার-প্রাপক সাহিত্যিকের প্রায় সকলেই পরবর্তীকালে বাংলা একাডেমী পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। প্রাবন্ধিক তপন চক্রবর্তী, কবি অসীম সাহা, ছড়াকার আখতার হুসেন, কবি খোন্দকার আশরাফ হোসেন এবং গল্পকার শহিদুল জহির-ই কেবল ব্যতিক্রম। অকালপ্রয়াণের কারণে শহিদুল জহিরের পক্ষে বাংলা একাডেমী পুরস্কারের লাভের সৌভাগ্য অর্জন আর সম্ভবপর নয়। তপন চক্রবর্তী, অসীম সাহা, আখতার হুসেন এবং খোন্দকার আশরাফ হোসেন বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার পাবেন, তা বিলক্ষণ বলা যায়। তবে, পুরস্কার সম্পর্কে একথা বলা যায় যে, যথার্থ লেখক পুরস্কৃত না হলে, তার দায় লেখকের নয়, পুরস্কারদাতা প্রতিষ্ঠানেরই। তো, কবি অসীম সাহার মতো কবিরা যে পুরস্কারের প্রত্যাশায় লেখেন না, তা নতুন করে বলার দরকার নেই। তাঁর চেয়ে অযোগ্যরা যখন পুরস্কৃত হন, তখন তাঁর মতো প্রকৃত কবির পক্ষে ওই সকল পুরস্কার গ্রহণ করাটাই একধরনের বিড়ম্বনা মনে হতে পারে।
বেদনার সঙ্গে বলতে হয় যে, ভুল ছন্দে কবিতা লিখেও অনেকে স্বীকৃতি-পুরস্কার বাগিয়ে নেন, কিন্তু অসীম সাহার মতো শুদ্ধস্বরে কবিতাচর্চা করেন, যারা শিল্পের সাধনা করেন, তাঁরা থেকে যান প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি তালিকার বাইরে। একজন শিল্পসফল কবির পক্ষে পাঠকের ভালোবাসাই পরম আরাধ্য, কবি অসীম সাহা পেয়েছেন মনোযোগী পাঠকের আন্তরিক ভালোবাসা। সেখানে তাঁর শিল্পযাত্রা অর্থবহ হয়ে উঠতে পারে।
কেবল কবিতা নয়, ছড়া রচনাতেও কবি অসীম সাহা সফলতার পরিচয় দিয়েছেন। গল্প-উপন্যাস লিখেও তিনি যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছেন। আর বলতেই হয় যে, যে ক’জন কবি প্রবন্ধসাহিত্যের দিকে যাত্রা করেছিলেন, অসীম সাহা তাঁদের সফল অভিসারীদের একজন। বাংলা কবিতা তো বটেই, বাংলা সাহিত্যের প্রেক্ষাপটেই একজন অসীম সাহা গুরুত্বপূর্ণ লেখক। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আমাদের সমালোচকেরা কোনও এক দুর্বোধ্য কারণে তাঁর কবিসত্তা অনুসন্ধানে নিস্পৃহতা প্রদর্শন করে। সম্প্রতি কবি আবিদ আনোয়ার এক প্রবন্ধে ষাটের কবিদের মধ্যে ফরহাদ মজহার, মাহবুব সাদিক, অসীম সাহাকে বড় কবি হিসেবে চিহ্নি করায় সাহিত্যপাড়ায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়। নিরপেক্ষভাবে বিচার করলে অসীম সাহাকে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। ষাটের দশক নিয়েই যাঁরাই লিখেছেন, তাঁদের অনেকেই নিরপেক্ষতার পরিচয় দেননি বলে আমার মনে হয়। কিন্তু সাময়িক এই জটাজাল চিরস্থায়ী হয় না। প্রকৃত কবিতার আলো একদিন ঠিকই ঠিক্রে বের হয়। আর তা পাঠকের কাছে গিয়েই পৌঁছায়। অসীম সাহা সেই গোত্রের কবি, পাঠক যাঁকে একদিন আপন জ্ঞানেই খুঁজে নেবে।
(২০ ফেব্র“য়ারি ছিল কবি অসীম সাহার ৬০তম জন্মদিন)
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।